Author: desk

  • ক্ষেতলালে ৩০ লিটার চোলাই মদ  ও সাজাপ্রাপ্ত আসামী সহ দুইজন গ্রেফতার

    ক্ষেতলালে ৩০ লিটার চোলাই মদ ও সাজাপ্রাপ্ত আসামী সহ দুইজন গ্রেফতার

    মিলন মিয়া ক্ষেতলাল উপজেলা প্রতিনিধি:
    ক্ষেতলাল থানা পুলিশ কর্তৃক ৩০ (ত্রিশ) লিটার দেশীয় তৈরী চোলাই মদসহ ০১ (এক) জন এবং সাজা প্রাপ্ত আসামী ০১ জন মোট ০২ (দুই) জন আসামী গ্রেফতার। পুলিশ সুপার জয়পুরহাট স্যারের নির্দেশনায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল স্যারের তত্বাবধানে ক্ষেতলাল থানার এস,আই (নিঃ) মোঃ মাসুদ রানা, সঙ্গীয় এএসআই (নিঃ) মোঃ দুলাল হোসেন, কং/৫৫৭ মোঃ রাকিবুল ইসলাম, কং/৫১৩ মোঃ মানিক রানা, সকলেই ক্ষেতলাল থানা জেলা-জয়পুরহাটগণ অভিযান পরিচালনা করিয়া গত ১৫-১০-২০২২ তারিখ ১৯.১০ ঘটিকার সময় ক্ষেতলাল থানাধীন ০৩নং মামুদপুর ইউপির অন্তর্গত মহব্বতপুর দিঘীপাড়া হইতে আসামী ১। শ্রী বানু চন্দ্র প্রামানিক (৩৫), পিতা- মৃতঃ বিমল চন্দ্র প্রামানিক, সাং-মহব্বতপুর দিঘীপাড়া, থানা- ক্ষেতলাল, জেলা-জয়পুরহাট গ্রেফতার করিয়া সর্বমোট ৩০ (ত্রিশ) লিটার দেশীয় তৈরী চোলাই মদ, মূল্য অনুঃ ১২,০০০/- (বার হাজার) টাকা উদ্ধার করেন এবং সিআর সাজা গ্রেফতারী পরোয়ানা মূলে ১ (এক)জন আসামীকে গ্রেফতার করেন। আসামীদ্বয়কে পুলিশ স্কর্টের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

  • পুঠিয়ায় মুরগি খামারীর স্বপ্ন রাতের আঁধারে আগুনে  পুড়ে ছাই

    পুঠিয়ায় মুরগি খামারীর স্বপ্ন রাতের আঁধারে আগুনে পুড়ে ছাই

    পুঠিয়া (রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ

    পুঠিয়ায় মুরগি খামারী ইসমাইলের স্বপ্ন রাতের আঁধারে পুড়ে ছাই হয়েগেছে। রবিবার (১৬ অক্টোবর) ভোররাত চারটার দিয়ে উপজেলার ভালুকগাছী ইউনিয়নের হাড়োগাথি বাজার সংলগ্ন পোল্ট্রি ফার্মে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, দীর্ঘ দিন থেকে ইসমলাই হোসেন উক্ত স্থানে পোল্ট্রি ফার্ম করে ব্যবসা করছেন তিনি। রবিবার ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে ইসমাইলের পোল্ট্রি ফার্মে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পেয়ে ইসমাইল ও তার পরিবারকে খবর দেয়। খবর পেয়ে ইসমাইল ও তার আত্নীয়-স্বজনেরা ছুটে আসে পোল্ট্রি ফর্মে। ততক্ষণে আগুন লেগে যায়া পুৃরো খামারে। এসময় তারা পাশের পুকুর থেকে পানি দিয়ে আগুন নিভানোর চেষ্টা চালায়। আগুনের ব্যপকতার কারণে পোল্ট্রি ফার্মেটিতে থাকা প্রায় আড়াই হাজার মুরগি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এব্যাপারে পোল্ট্রি ফার্মের মালিক ইসমাইল হোসেন বলেন, গতকাল রাত ১টার দিকে ফার্ম থেকে বাড়ি যাই। পরে রাত চারটার দিকে এলাকাবাসীর চিৎকার শুনে ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার পোল্ট্রি ফার্মে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। তখন কি কবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। পরে আমার আত্নীয়-স্বজনেরা পাশের পুকুর থেকে পানি দিয়ে আগুন নিভানোর চেষ্টা চালায়। ততক্ষনে সব পুড়ে ছাই হয়েগেছে। এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত ইসমাইল হোসেন জানান, কেউ প্রতিহিংসার বশীভূত হয়ে কেবা কারা আমার ফার্মে আগুন দিতে পারে। এতে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে পুঠিয়া ফার্য়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স এর ইনচার্জ জানান, আমরা সকালে খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে দেখি আগুন নিভানো রয়েছে।

    মাজেদুর রহমান (মাজদার)
    পুঠিয়া রাজশাহী।

  • আশুলিয়ায় ড্রেন ও রাস্তার বেহাল অবস্থা-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী’র হস্তক্ষেপ কামনা

    আশুলিয়ায় ড্রেন ও রাস্তার বেহাল অবস্থা-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী’র হস্তক্ষেপ কামনা

    হেলাল শেখঃ ঢাকার প্রধান শিল্পা ল আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়ার ড্রেন ও রাস্তার বেহাল অবস্থা-সেই সাথে সড়কে দীর্ঘ যানজট, এর কারণে প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রমিকসহ জনগণের চরম ভোগান্তি। এ ব্যাপারে স্থানীয় এমপি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ডাঃ এনামুর রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন হাজার হাজার শ্রমিকসহ এলাকাবাসী।
    শনিবার (১৫ অক্টোবর ২০২২ইং) দুপুর ১টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইল-টঙ্গী সড়কের জামগড়া চৌরাস্তা থেকে প্রায় ৫-৭ কিলোমিটার সড়কে দীর্ঘ যানজট। সড়কের দুইপাশের ফুটপাত হকারদের দখলে এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে, পাশে সরকারি নয়নজুলি খালটিও প্রভাবশালিদের দখলে রয়েছে। অন্যদিকে জামগড়ায় বাগবাড়ি রোডের করিম নগরে অবস্থিত আব্দুল করিম মোল্লা জামে মসজিদ ও মোল্লা বাড়ি জামে মসজিদ এবং ভুঁইয়া বাড়ি মসজিদসহ একাধিক জামে মসজিদে যাওয়ার রাস্তা ও আশপাশের রাস্তার বেহাল অবস্থা। বাসা বাড়ির ময়লা পানি রাস্তায় ফেলার কারণে নামাজিদের পবিত্র পোশাক নষ্ট হওয়াসহ নানারকম সমস্যা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দি-রোজ গার্মেন্টস থেকে রাস্তার ডান পাশে করিম নগর আব্দুল করিম মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদ এবং জামগড়া ভুঁইয়া বাড়ি জামে মসজিদে যাওয়ার রাস্তা ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে এসব মসজিদের নামাজিদের নামাজ পড়তে যাওয়া আসার সময় অটোরিক্সাসহ বিভিন্ন গাড়ির চাকায় ময়লা ও নোংরা পানি ছিটে পড়ে পবিত্র পোশাক নষ্ট হওয়াসহ নানারকম সমস্যার কথা জানায় স্থানীয়রা।
    দেখা যায়, আশুলিয়ার জামগড়াসহ বেশিরভাগ রাস্তার পাশে বাঁশের মাচাল দিয়ে রেখেছে ড্রেনের উপর। মহাসড়ক ও শাখা রোডগুলোর বেশ কয়েকটি রাস্তায় মানুষের চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রায় বেশিরভাগ রাস্তার বেহাল অবস্থা। অন্যদিকে সরকারি আইনের তোয়াক্কা না করে অপরিকল্পিত ভাবে বাড়ি ঘর নির্মাণসহ সরকারি রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে রেখেছে প্রভাবশালীরা, কিছু মার্কেটের মালিকরাও হকারদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে থাকেন, দেখা যায়, জামগড়া পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের আওতায় অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা এ বিষয়ে এড়িয়ে যান, আর সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নিরব ভুমিকায় থাকার কারণে এলাকাবাসী নাগরিক সুবিধা থেকে বি ত হচ্ছেন বলে অনেকেই জানান। কেউ কারো খবর রাখে না বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নানারকম ভাবে দোষ দিচ্ছেন অনেকেই।
    এ বিষয়ে মোঃ কবির হোসেন মোল্লা বলেন, আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের জামগড়া করিম নগর আব্দুল করিম মোল্লা জামে মসজিদে যাওয়া আসার রাস্তার বেহাল অবস্থা। সামান্য বৃষ্টি হলে রাস্তায় অনেক পানি হয়, এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি হলেই বাড়ি ঘরের ময়লা পানি এবং পোশাক কারখানার ময়লা পানি রাস্তায় ছেড়ে দেওয়ার কারণে রাস্তায় সবসময় পানি জমে থাকে। তিনি আরও বলেন, আশুলিয়া এলাকায় অবস্থিত নয়নজুলি খালটিও প্রভাবশালীদের দখলে থাকার কারণে পানি যাওয়ার জায়গা নেই। গাড়ি চলাচলের সময় রাস্তার পানি ছিঁটকে এসে মানুষের শরীরে লাগে আর নামাজিদের পোশাক নষ্ট করে। এই ময়লা পানি মানুষের শরীরে লাগলে চুলকানিসহ নানারকম রোগ হয়।
    এ ব্যাপারে ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার হাজী হালিম মৃধা বলেন, আশুলিয়ার বাইপাইল থেকে জিরাবো সড়ক, জামগড়া-বাগবাড়ি রোড, জামগড়া-মধ্যপাড়া থেকে শাহজাহান মার্কেট পর্যন্ত এবং জামগড়া হিয়ন মোড় থেকে মনির মার্কেটের রাস্তার মুখ পর্যন্ত, জামগড়া-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রোড ও মোল্লাবাড়ি রোডসহ বিভিন্ন রোডের পাশে অনেকেই অপরিকল্পিত ভাবে বাড়ি ঘর উঁচু করে নির্মাণ করায় রাস্তা নিচু হয়ে যায়। এর কারণে সবসময় রাস্তায় পানি জমে থাকে। সেই সাথে এলাকার কিছু বাড়ি ও পোশাক কারখানার ময়লা পানি রাস্তায় ছাড়ায় প্রায় সবসময় নিচু রাস্তায় সেই পানি জমে থাকে। রাস্তা দেখে মনে হয় ড্রেনের মতো, জমে থাকা ময়লা পানি গাড়ির চাকায় ঢেউ খেলে রাস্তায়। বৃষ্টি না হলেও রাস্তায় পানি জমে থাকে আর বৃষ্টি হলেতো রাস্তায় হাটু পানি হয় বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, আশুলিয়া থানা যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন আহমেদ ভুঁইয়ার সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
    আশুলিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম খাঁন (লিটন) বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমান ও উপজেলা প্রশাসনকে এলাকার সমস্যার বিষয়ে জানানো হয়েছে, তারা নয়নজুলি খাল ও রাস্তা পরিদর্শন করলেও কোনো কাজ হয়নি। তিনি আরও বলেন, রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে আমরা যারা নামাজের সময় মসজিদে আসা যাওয়া করি আমাদের নানারকম সমস্যা হয়, এর সমাধান করার কেউ নেই। তিনি আরও বলেন, এলাকার মসজিদের সাথে সংযুক্ত রাস্তা নির্মাণ কাজ করাসহ ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হলে এবং নয়নজুলি খালটি উদ্ধার করা হলে এই সমস্যার সমাধান হবে।
    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) বলেন, বর্তমান সরকার পদ্মা সেতুসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন এর জন্য ধন্যবাদ, কিন্তু আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়াসহ বিভিন্ন রাস্তার বেহাল অবস্থা, ড্রেনেজ ব্যবস্থাও ভেঙ্গে পড়েছে। শত বছরের সরকারি নয়নজুলি খালটিও উদ্ধার হয়নি। বিশেষ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমান, ঢাকা-১৯ আসনের এমপি’র এলাকা এটি কিন্তু এই এলাকায় রাস্তার বেহাল অবস্থা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ছে, বৃষ্টি না থাকলেও রাস্তায় নোংরা পানি থাকে সবসময়, এই সমস্যা দেখবে কে? এ ব্যাপারে এলাকার কয়েক লক্ষ শ্রমিক ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রী’র হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমান বলেছেন, এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিসহ দলীয় নেতা কর্মীরা সহযোগিতা করলে নয়নজুলি খালটি উদ্ধার করা হবে, সেই সাথে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা যাবে, তাহলে রাস্তার বেহাল অবস্থা আর থাকবে না। তিনি আরও বলেছেন, চলমান রাস্তার কাজ করা হচ্ছে, সরকার উন্নয়নমূলক কাজ করছে। তিনি আরও বলেছেন, উন্নয়নমূলক যেকোনা কাজে আপনাদের পাশে আমি আছি, ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া থেকে পুরাতন আশুলিয়া পর্যন্ত ড্রেন করা হবে বলেও তিনি জানান।

  • তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার-অভিযান চলমান!

    তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার-অভিযান চলমান!

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার, অভিযান চলমান আছে বলে দাবী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার। দালাল চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ভাবে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলেই অবাধে চুরি হচ্ছে সরকারি গ্যাস।
    শনিবার (১৫ অক্টোবর ২০২২ইং) সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ঢাকা জেলার সাভার ও আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার মীর বাড়ি আবিস্কার হুজুরের বাসার আশপাশে তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগের বিষয়ে নিশ্চিত হতে শামীম নামের একজনের সাথে কথা হয়, তিনি বলেন, সোহেল মীরসহ অনেকেই অবৈধ সংযোগ দিয়েছে বলে জানায়, দালাল ও দুইজন কথিত সাংবাদিক এই গ্যাস চক্রের সাথে জড়িত আছে বলে তিনি জানান। উক্ত অবৈধ সংযোগ থেকে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় অনেক বাড়ি ঘর পুড়ে ছাই হয়েছে এবং দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এ ব্যাপারে ধারাবাহিকভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে।
    বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় একটি মসজিদে এসি বিস্ফোরণে গ্যাসের লাইনে অগ্নিকান্ডে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিকে ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডঃ এনামুর রহমানের নির্দেশে আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ঘোষবাগ পূর্ব ও পশ্চিমপাড়া এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার উদ্যোগ নিয়ে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা মুজিবর রহমান সাহেদ পুরো এলাকায় গ্যাসের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর আবার বিভিন্ন এলাকায় চলছে অবৈধভাবে গ্যাসের সংযোগ দিয়ে রমরমা কারবার।
    এদিকে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ সাভার ও আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে এর আগে গ্যাসের অবৈধ লাইনের প্রায় লক্ষাধিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছেন, সাভার তিতাস গ্যাস অফিসের গেটের ভেতরে দেখা যায়, জব্দকৃত অবৈধ পাইপ চোখে পড়ার মতো। অভিযোগ রয়েছে, সাভার ও আশুলিয়ায় তিতাস কর্তৃপক্ষ একদিকে গ্যাসের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছেন আর অন্যদিকে দালাল চক্র কর্তৃক আবার সেই স্থানে সংযোগ দেয়া হচ্ছে, এক স্থানে ৮বার সংযোগ দেয়ার তথ্য রয়েছে। অভিযোগঃ অবৈধভাবে যারা গ্যাস ব্যবহার করছে যারা, তারা নিজেদের রক্ষায় অনেকেই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে সংবাদ কর্মীদের হয়রানি করছে। সাভার ও আশুলিয়ায় এখনও গ্যাসের প্রায় লক্ষাধিক অবৈধ সংযোগ চুলা ব্যবহার হচ্ছে।
    প্রসঙ্গঃ গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ইং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডঃএনামুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ বলেছেন যে, সাভার আশুলিয়ায় এক ইি ও তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ থাকবে না। তিনি আরও বলেছেন, যারা টাকার বিনিময়ে সরকারি সম্পদ গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দিয়েয়েছে এবং যার ব্যবহার করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এমন খবর পেয়ে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় দুর্ঘটনা ও মামলা থেকে রক্ষা পেতে নিজেরাই সেচ্ছায় গ্যাসের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে শুরু করে। ৬ মাস না যেতেই আবারও সব এলাকায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
    নারায়ণগঞ্জের বিস্ফোরণের বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম হোসেন জানান, দূর্ঘটনায় বাইতুস সালাত জামে মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনসহ ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, ২০ জনের লাশ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। স্থানীয় কবরস্থানে তাদের লাশ দাফন করা হয়। এ ঘটনার পর শনিবার পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন, এই মামলায় মসজিদ কমিটি, ও তিতাস কর্তৃপক্ষকে বিবাদী করা হয়েছে। এদিকে মসজিদে এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। সেই সাথে রাজধানীসহ নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, সাভার ও আশুলিয়ায় গ্যাসের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযান চালানো হয়, এখন আবার যা তাই, আবারও বেশিরভাগ এলাকার বাসা বাড়িতে অবৈধ সংযোগ দিচ্ছে দালালরা।
    এ বিষয়ে সাভার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপক জোবিঅ) প্রকৌশলী আবু সাদাৎ মোহাম্মাদ সায়েম জানান, সাভার আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের বৈধ গ্রাহক সংখ্যা ৫২ হাজার, এর মধ্যে শিল্প গ্রাহক সংখ্যা ১৫০০। তিনি জানান, যারা টাকার বিনিমিয়ে অবৈধ সংযোগ দিচ্ছে সেই দালাল চক্র ও অবৈধভাবে যারা গ্যাস ব্যবহার করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে এবং জেল জরিমানা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, গ্যাসের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে অভিযান অব্যাহত আছে, ১ ইি পাইপ লাইন গ্যাস অবৈধ ভাবে চলবে না, অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযান নিয়মিত চলছে, কিন্তু দুই বছরে ১টি মামলাও তিনি করেননি এ বিষয়টি রহস্যজনক বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
    জামগড়া এলাকায় সোহেল মীর শামীমসহ বেশ কয়েকজন মোটা অংকের টাকা নিয়ে বাসা বাড়িতে গ্যসের অবৈধ সংযোগ দিচ্ছে, এই দালাল চক্রের সাথে কিছু কথিত ভুয়া সাংবাদিকও রয়েছে। এদের অপরাধের কারণে বিভিন্ন এলাকায় দুূর্ঘটনায় অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই দালাল চক্রের অনেকেই মাদক সন্ত্রাসী, আশুলিয়ার ভাদাইল, রূপায়ন আবাসন-১ এর আশপাশে গফুর মন্ডল স্কুলের পিছন সাইডসহ জামগড়ার মোল্লা বাড়ির নুরু মোল্লার বাড়িসহ পুরো এলাকায় অবৈধ সংযোগের ছড়াছড়ি। এ ব্যাপারে ধারাবাহিক ভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হবে।

  • টাকা ছাড়া চলে না তেলের গাড়ি-দুঃখ করবেন না হে বহুরূপী নারী

    টাকা ছাড়া চলে না তেলের গাড়ি-দুঃখ করবেন না হে বহুরূপী নারী

    সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ)ঃ তেলের দাম বেড়েছে, টাকা ছাড়া চলে না তেলের গাড়ি-দুঃখ করবেন না হে বহুরূপী নারী। তেল পাওয়া যায় না রাস্তা-ঘাটে, করি কি এখন আমি তেল মারা বন্ধ করতে চাই।
    মানুষের জীবনে সবকিছুই মিথ্যা মৃত্যুই সত্য, তবুও জীবনের চাওয়া পাওয়ার শেষ নেই। ডিম থেকে বেড় হয়েই মুরগীর বাচ্চারা নিজেই খাবার খায় কিন্তু মানুষের বাচ্চা ৯ থেকে ১০ মাস পর জন্ম নিয়ে মায়ের দুধ খায়, একা চলতে পারে না সেই মানুষের বাচ্চারা, দুঃখ করবেন না হে নারী।
    মা দুধ দিতে দেড়ি করলে শিশু সন্তান কান্না করে, দুধ দিলেই চুপ থাকে, দুঃখ করবেন না হে নারী। মানুষের জন্মই খাওয়া আর চাওয়া পাওয়ার জন্য এটা স্বার্থপর এর পরিচয় হে নারী। চাওয়া পাওয়ার শেষ নেই হে নারী, তেলের গাড়ি টাকা ছাড়া চলে না, সেই তেলেরও দাম বাড়ছে, করার কিছু নেই হে নারী চিন্তা করো না।
    মশা রক্ত খেয়েও লড়তে চলতে পারে না-অবশেষে মৃত্যু হয় তার, প্রতিটি জাতির জীবনে যৌবন জোয়ার আাসে আর একসময় তা নদীর মতো ভাঙে যায়, ফুলের মতো ঝড়ে যায় মানুষের জীবন, সবকিছুরই শেষ আছে, তা সবার জানা দরকার, হে নারী চিন্তা করো না, আজ আমি বিদায় নিবো, তোমাকেও একদিন বিদায় নিতে হবে।
    জীবনে চলমান নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণহীন, সময় ও পরিস্থিতি মানুষকে পাল্টে দিচ্ছে হে নারী কেউ কারো খবর রাখে না, কবর যে ডাকছে, কেউ তা মানতে রাজি না, জন্ম নিলে মৃত্যু হবে এটাইতো সত্য ও বাস্তবতা। তেল শেষতো সব শেষ, গাড়ি আর চলবে না এটা মানতে হবে হে নারী।
    আল্লাহ ছাড়া কেউ আপন নয়, টাকা ছাড়া সবই ফাঁকা, এই দুনিয়ায় সবই মিথ্যা, মৃত্যুই সত্য হে জীবনদাতা। মা/বাবা, ভাই/বোন, বন্ধু/বান্ধুবী পরিবার সবার নজর বুক পকেটের টাকার দিকে, কেউ এটা দেখে না যে, এই বুকে আছে পাহাড় সমান কষ্ট ও ব্যথা, জীবন মানেই একটি গল্প ও কবিতা।
    জীবন মানেই যুদ্ধো, জীবন মানেই তেলের বোতল, জীবন মানেই টাকার পকেট। এই টাকা ছাড়া চলে না তেলের গাড়ি, হয় না সুন্দর সঙ্গী। হায়রে জীবন টাকা ছাড়া চলেই না তেলের গাড়ি। টাকা যাবে না ওই সাড়ে তিন হাত কবরে, কি করা হয়েছে জীবনের স য়?। মানুষের চিত্র ও স্মৃতি ছাড়া আর কিছুই থাকবে না তোমার আমার, বিদায় বন্ধু এই দেখাই শেষ দেখা হয়ত।

  • নড়াইলের মধুমতী সেতু চালু হওয়ায় নৌকার মাঝিরা বেকার হয়ে পড়েছেন ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন শঙ্কায়

    নড়াইলের মধুমতী সেতু চালু হওয়ায় নৌকার মাঝিরা বেকার হয়ে পড়েছেন ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন শঙ্কায়

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
    নড়াইলের মধুমতী সেতু চালু হওয়ায় নৌকার মাঝিরা বেকার হয়ে পড়েছেন ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন শঙ্কায়। নড়াইলের লোহাগড়ার কালনা ঘাটে মধুমতী সেতু হওয়ায় নৌকা পারাপার নেই। নিজের নৌকার পাশে মলিনমুখে বসে আছেন নাসির মোল্লা।
    তকদীর মোল্লা (৫৬) প্রায় ৪০ বছর ধরে নড়াইলের লোহাগড়ায় মধুমতী নদীর কালনা ঘাটে নৌকা পারাপর করে আসছিলেন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বাপ-দাদার পেশাও ছিল এটি। সম্প্রতি মধুমতী সেতু চালু হওয়ায় তকদীরসহ আরও অনেকেই বেকার হয়ে পড়েছেন। এখন সংসার কীভাবে চালাবেন, তা নিয়ে আছেন দুশ্চিন্তায়।
    লোহাগড়ার চরকালনা গ্রামের বাসিন্দা তকদীর মোল্লা। বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি তাঁর পুরোনো ইঞ্জিনচালিত নৌকাটির ইঞ্জিন খুলে ফেলেছেন। নৌকাটি তিনি ভেঙে ফেলবেন। নৌকার কাঠ জ্বালানি হিসেবে বিক্রি করার কথা ভাবছেন। তকদীর মোল্লা বলেন, নৌকা পারাপার করে খরচ বাদ দিয়ে প্রতিদিন তাঁর ৮০০-১০০০ টাকা থাকত। এর ওপর চলত সংসার। চার ছেলেমেয়ে স্কুল-কলেজে পড়াশোনা করছে। এখন ভাবছেন সংসার চালাতে কার্গো জাহাজে চাকরিতে যাবেন।
    সুরুজ মোল্লার (৫৫) নেই জমিজমা। তিনিও প্রায় ৩৫ বছর ধরে নৌকা পারাপারের পেশায় ছিলেন। তাঁর ছয় সদস্যের সংসার চালানো নিয়ে এখন দিশাহারা। কী করবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন। নাসির মোল্লা (৩৪) ঘাটে নৌকার পাশে মলিনমুখে বসে ছিলেন। শিশুকাল থেকে নৌকা চালিয়ে সংসারের খরচ জোগান দিতেন তিনি। ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন শঙ্কায় পড়েছেন। একই অবস্থা বাদশা মিয়ার, তবিবর রহমান ও ওবায়দুর শেখসহ অন্যদের।
    গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘাট এলাকায় গিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১০ অক্টোবর মধুমতী সেতু চালু হওয়ার পর থেকে তাঁরা বেকার হয়ে পড়েছেন। যাঁদের পুরোনো নৌকা ছিল, তা ভেঙে ফেলছেন। অন্য নৌকাগুলো সারি সারি ঘাটে বাঁধা। যুগ যুগ ধরে এ পেশায় তাঁদের পরিবারের লোকজন। এর অধিকাংশই মধুমতী নদীর ঘাট এলাকার দুই পারের বাসিন্দা। এ ঘাটে ৪৮টি নৌকা সার্বক্ষণিক নৌকা পারাপারে নিয়োজিত ছিল। এ পেশায় জড়িত ছিলেন তাঁদের পরিবারের লোকজন।
    নৌকায় শুধু ঘাট পারাপারের কাজেই নয়, নদীতে বিনোদনের জন্য বা বনভোজন করতে অনেকে ভাড়া নিতেন। প্রশাসনও কাজে লাগাত এসব নৌকা। সেতু হওয়ায় এখন এ পেশা ছাড়তে হচ্ছে তাঁদের।
    বাদশা মিয়া ও তবিবর রহমানসহ বেশ কয়েকজন জানালেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা গত সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেয়ে প্রথম যেদিন এ ঘাট দিয়ে নড়াইল এসেছিলেন, সেদিন লাখো জনতা ঘাটে অপেক্ষা করছিল। মাশরাফি ও তাঁর সঙ্গীদের তাঁরা নৌকায় করে পার করে দিয়েছিলেন। এখন তাঁর কাছে ও সরকারের কাছে দাবি, মধুমতী সেতুর নিচে অনেক জায়গা, এখানে একটি সুন্দর পার্ক (বিনোদন কেন্দ্র) স্থাপন করা হোক। তাহলে ঘাটের নৌকার শ্রমিক ও ক্ষুদ্র দোকানিরা বেঁচে থাকতে পারবেন।
    ছয় লেনের দৃষ্টিনন্দন মধুমতী সেতু চালুর পর থেকে লোকজন সেখানে আসছেন। ভবিষ্যতেও মানুষ সেতুটি দেখতে আসবেন। সেখানে পার্ক থাকলে এলাকার গরিব মানুষের নানাভাবে কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে মনে করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা আরও জানান, সেতুর পাশে ফেরিঘাটকে কেন্দ্র করে খাবার হোটেল, মুদি দোকান ও চায়ের দোকানসহ ৫২টি ক্ষুদ্র দোকান গড়ে উঠেছিল। এখন অধিকাংশ দোকানই বন্ধ হয়ে গেছে।
    যুবক হাবিল মোল্লা চা, পান ও বিস্কুট বিক্রি করতেন। এর ওপরই চলত তাঁর সংসার। খাবার হোটেল চালাতেন বাবলু শেখ (৪২)। তাঁর হোটেলও সেতু উদ্বোধনের পর থেকে বন্ধ আছে। বাবলু শেখ বলেন, সেতুর নিচে ও পাশে বিনোদন কেন্দ্র স্থাপনের ভালো পরিবেশ আছে। সরকারি বা বেসরকারিভাবে বিনোদন কেন্দ্র গড়ে উঠলে তাঁদের মতো বেকার হয়ে পড়া মানুষের একটা উপায় হতো। এলাকার মানুষও বিনোদন সুবিধা পেত।
    নৌকা শ্রমিকেরা জানালেন, মধুমতী সেতু উদ্বোধনের পর রাতে মাশরাফি বিন মুর্তজা সেতু দিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন। তখন নৌকা শ্রমিকেরা সেতুতে তাঁকে আটকিয়ে তাঁর কাছে কর্মসংস্থান ও বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবি জানান। মাশরাফি বিষয়টি নিয়ে কাজ করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
    এর আগে মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেছিলেন, ঘাট-সংলগ্ন কালনায় অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে ওঠার প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন। সেটি হলে ঘাট এলাকার মানুষের নানাভাবে কর্মসংস্থান তৈরি হবে। ধীরে ধীরে বিনোদন কেন্দ্রও গড়ে উঠবে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • নওগাঁয় পাঁচদিনব্যাপী ভরতনম ও উদয়শঙ্কর ডান্স ষ্টাইল কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    নওগাঁয় পাঁচদিনব্যাপী ভরতনম ও উদয়শঙ্কর ডান্স ষ্টাইল কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁয় ৫ দিন ব্যাপী ভরতনট্টম ডান্স ও উদয়শঙ্কর ডান্স ষ্টাইল ওয়ার্কশপ শুরু হয়েছে। নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাব এবং সর্বভারতীয় সঙ্গীত ও সংস্কৃতি পরিষদ ইন্ডিয়া যৌথভাবে এই কর্শালার আয়োজন করে।

    প্রেসক্লাব মিলনায়তনে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালার উদ্বোধন করেন নওগাঁর জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদি হাসান। প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: কায়েস উদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ছিলেন কর্মশালার কনডাক্টর কলকাতার প্রখ‍্যাত নৃত‍্য প্রশিক্ষক সুমি সেন কুন্ডু, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর শরিফুল ইসলাম খান, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এএসএম রাইহান আলম, সাধারন সম্পাদক শফিক ছোটন, যুগ্ম সম্পাদক খন্দকার আব্দুর রউফ পাভেল, কার্যকরি সদস‍্য ওমর ফারুখ ও ওবায়দুল হক, স্থানীয় নৃত্যপ্রশিক্ষক মোরশেদা বেগম শিল্পী, সুলতান মাহমুদ ও লিজা সুলতান উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় স্থানীয় নৃত্যঞ্জলী একাডেমী, নৃত‍্য নিকেতন ও নৃত্য রঙ একাডেমীসহ বিভিন্ন নৃত্য প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬০ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশগ্রহণ করছে।

    আগামী ১৯ অক্টোবর কর্মশালার সমাপ্ত হবে।#

    রওশন আরা পারভীন শিলা
    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি।

  • নওগাঁয় বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস উদযাপিত

    নওগাঁয় বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস উদযাপিত

    নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁয় বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস- উদযাপন করা হয়েছে। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এক আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়।

    জেলা প্রশাসন, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং প্রতিবন্ধী ও সায‍্য কেন্দ্র আয়োজিত এ আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নূর মোহাম্মদ। জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদি হাসান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    ” দৃষ্টিজয়ে ব্যবহার করি, প্রযুক্তি নির্ভর সাদাছড়ি” শিরোনামে আলোচনাসভায় বক্তব‍্য রাখেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: শরিফুল ইসলাম খান, নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: কায়েস উদ্দিন, জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, জেলা পরিসংখ‍্যান বিভাগের উপ-পরিচালক ফায়সাল আহম্মেদ, সমাজসেবা অফিসের সহকারী পরিচালক মোহতাসিমবিল্লাহ এবং আশার আলো অটিষ্টিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক অছিম উদ্দিন।

    পরে ১৫ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে স্মার্ট সাদাছড়ি বিতরন করা হয়।#

    রওশন আরা পারভীন শিলা
    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি।

  • ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ফেলে যাওয়া যুবতী মেয়েটি কে ?

    ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ফেলে যাওয়া যুবতী মেয়েটি কে ?

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    কথাবার্তায় অসংলগ্ন ২০ বছর বয়সী যুবতী মেয়েটি নিজের নাম বলছেন লুনা খাতুন। বাড়ি পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মাদারবাড়ি গ্রামে। তাকে শনিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে একটি প্রাইভেট কারে কে বা কারা ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ফেলে রেখে যায়। এখন তিনি হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঝিনাইদহ ফিমেল মেডিসিন ওয়ার্ডের ইনচার্জ ছায়েরা খাতুন জানান, শনিবার বেলা ১২টার দিকে কথিত লুনা খাতুন নামে ওই যুবতি মেয়েকে জরুরী বিভাগ থেকে মেডিসিন ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। মেয়েটি প্রথমে কথা বলতে না পারলেও এখন পারছে। কিন্তু তার কথাবার্তায় অসংলগ্নতার ছাপ রয়েছে। মেয়েটির দাবী দুই বছর আগে তিনি তার দেবর রুহুল আমিন ও শ^শুড়ি মেরিনা বেগমের সঙ্গে ঝিনাইদহে ঘুরতে আসেন। এখানে তার ননদ সুলতানা বেগম ভাড়া থাকেন। ননদের স্বামী মিজান একটি ওষুধ কোম্পানীতে চাকরী করেন। তিনি বলেন ঘুরতে বের হওয়ার পর একটি মেয়ে তাকে ইজিবাইকে করে অপহরণ করে ঝিনাইদহ শহরের একটি বাসায় আটকে রাখে। ঝিনাইদহের ওই বাসায় রেখে তাকে মারধর করা হতো। তার মাথায় আঘাত করা হয়েছে। কেটে নেওয়া হয়েছে মাথার চুল। খাওয়ানো হতো ঘুমের বড়ি। নিয়মিত নির্যাতন ও ঘুমের বড়ি সেবনের ফলে তার মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেছে বলেও তিনি গনমাধ্যমকর্মীদের জানান। তার দেয়া ভাষ্যমেত, এসএসসি পরীক্ষার আগে ২০১৯ সালে একই গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে জুলফিক্কার আল আমিনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তার স্বামী ঢাকায় উবার চালান। লুনা পরিচয়দানকারী ওই যুবতী দাবী করেন তিনি মাদারবাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০২০ সালে এসএসসি পাস করেন। তার পিতা রফিকুল ইসামের মুদির দোকানও মাদারবাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশে। তার মামা আব্দুল হান্নান পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলে দাবী করেন। কি কারণে কিডন্যাপ করা হলো এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, তার স্বামীর সঙ্গে শারমিন তানিয়া ওরফে লাইজু নামে আরেক যুবতীর সম্পর্ক থাকায় তাদের চক্রান্তে তাকে অপহরণ করা হতে পারে বলে তিনি দাবী করেন। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ ফালগুনি রানী জানান, বেলা ১১টার দিকে মেয়েটিকে কে বা কারা জুরুরী বিভাগে ফেলে রেখে যায়। মেয়েটির কথাবার্তা অসংলগ্ন। তিনি সঠিক ভাবে কিছু বরতে পারছেন না। ঝিনাইদহ স্পেশাল ব্রাঞ্চের এএসআই আমিরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালে মেয়েটির তথ্য নিয়ে যাচাই বাছাই করছি। তার দেয়া তথ্য মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আমরা পিরোজপুরের নাজিরপুর থানায় এ বিষয়ে কোন জিডি হয়েছে কিনা খোঁজ নিচ্ছি।

  • ঝিনাইদহে জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দি দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী’র পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন

    ঝিনাইদহে জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দি দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী’র পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    আগামীকাল সোমবার অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ নির্বাচনেকে সামনে রেখে প্রতিদ্বন্দি দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী একে ান্যের বিরুদ্ধে টাকা ছাড়ানো ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছেন। শনিবার দুপুরে শহরের পবহাটি এলাকায় আনারস প্রতিকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম হারুন অর রশীদ তার নিজস্ব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। অন্যদিকে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে আওয়ামীলীগ সমর্থিত চশমা প্রতিকের প্রার্থী কনক কান্তি দাসের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন সদর উপজেলা আওয়ামলীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম হিরন। তিনি লিখিত অভিযোগে দাবী করেন, প্রতিপক্ষ স্বতন্ত্র প্রার্থী স্থানীয় সৃজনী এনজিওর পরিচালক। তিনি তার কর্মীদের দিয়ে রাতের আঁধারে ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে টাকা দিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন এবং কোরআন ছুয়ে আনারস প্রতিকে ভোট দেবার আঙ্গীকার করে নিচ্ছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কোন প্রতিকার মিলছে না। এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হারুন অর রশিদ লিখিত বক্তেব্যে অভিযোগ করেন, প্রতিদ্বন্দী চেয়ারম্যান প্রার্থী চশমা প্রতিকের কনক কান্তি দাসের সমর্থকরা তার ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিচ্ছেন। এর আগে আমার সমর্থকদের মারধর করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানে হামলাও করেছে। নির্বাচনের দিন ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে বাধা প্রদান করার চেষ্টা করছেন। এ বিষয়ে নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য একাধিক বার লিখিত অভিযোগ দিলেও তারা কোন ব্যবস্থা নেননি। উল্লেখ্য আগামীকাল আগামী ১৭ অক্টোবর ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে দুই জন চেয়ারম্যান প্রার্থী ও সদস্যপদে ৩৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্ব›িদ্বতা করছেন।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।