Author: desk

  • ময়মনসিংহে  ৩ দিনব্যাপী কৃষি মেলার উদ্বোধন করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফ হোসাইন

    ময়মনসিংহে ৩ দিনব্যাপী কৃষি মেলার উদ্বোধন করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফ হোসাইন

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    দিন দিন জমি কমছে, কিন্তু বাড়ছে খাদ্য চাহিদা। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে বাড়াতে হবে ফসলের উৎপাদন। জমি যেহেতু বাড়ানো সম্ভব নয়, তাই কৃষি উৎপাদন বাড়াতে হলে ফসলের নিবিড়তা বাড়াতে হবে। এজন্য এক ফসলী জমিকে দুই ফসল, দুই/তিন ফসলী জমিকে তিন/চার ফসলী জমিতে রূপান্তরিত করতে হবে। কৃষিতে নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করতে হবে। সুষ্ঠুভাবে ফসলের জাত নির্বাচন করতে হবে, স্বল্পকালীন ফসলের আবাদ করার মাধ্যমে একই জমিতে একাধিক শস্য উৎপাদন করে ফসলের নিবিড়তা বাড়াতে হবে।

    মঙ্গলবার (২৫অক্টোবর ) সকালে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা পরিষদ মাঠে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পে”র আওতায় ময়মনসিংহ সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ৩ দিনব্যাপী কৃষি মেলার উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আশরাফ হোসাইন কৃষকদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।

    সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত কৃষি অফিসার জুবায়রা বেগম সাথীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন-উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (শাহীন), আঞ্চলিক কৃষি ও তথ্য যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ এ. এস. এম ফারহানা হোসাইন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ আব্দুস ছালাম, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আশরাফ আলী, কৃষকদের পক্ষ থেকে মত প্রকাশ করেন-কৃষক মোঃ নুর হাবীব।

    কৃষির উপর গুরুত্বআরোপ করে আশরাফ হোসাইন বলেন, বর্তমান সরকার কৃষিখ‍াতে ব্যাপক ভর্তুকি দিচ্ছে। কৃষিতে অগ্রগতি পেতে হলে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উন্নত জাতের ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। তবেই দেশের খাদ্যের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অন‍্যান‍্য কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।

  • ক্ষেতলালে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গৃহবধূকে নির্যাতন৷

    ক্ষেতলালে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গৃহবধূকে নির্যাতন৷

    এস এম মিলন নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

    জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে মামুদপুর ধনতলা এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিষয়ে পূর্বশত্রুতার জের ধরে গৃহবধূ বানু খাতুন (৪২) কে মারপিট করেন একই এলাকার প্রতিবেশীরা গত (২৪ অক্টোবর) সোমবার আনুমানিক সকাল ৯ টার দিকে নিজ ভিটাই গেলে এ ঘটনা ঘটে।

    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বানু খাতুনের স্বামী কৃষক কৃষি কাজে জন্য বাহিরে গেলে বানু খাতুন নিজ বাড়ি একই এলাকায়। বাগান বাড়ি জমিতে গেলে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পথ রোধ করে মারপিট করেন একই এলাকার প্রতিবেশী মোঃ ওকিল (৬০) পিতা-মৃত উজির সরদার লজির উদ্দীন (৬৮) পিতা- মৃতঃ অজির সরদার ,জলিল (৫০) অজির সরদার, মোঃ সবুজ (৪০) পিতা- খলিল মোঃ মজাদুল ইসলা ,(৪৫) পিতা মৃত লজির সরদার মোঃ আজাদুল ইসলাম (৩৬)- পিতা মৃত লজির সরদার মোঃখলিল (৫৫) পিতা মৃত অজির সর্ব সাং চৌমুহনী ধনতলা ক্ষেতলাল জেলা জয়পুরহাট।

    সরেজমিনে গিয়ে যানা যায়৷ ছেলে কাদের বলেন আমার মা বাড়ি থেকে আমাদের জমিতে যাওয়ার পথে আসামীগণ তার পথ আটকায়ে বিভিন্ন ধরনের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। আসামীরা তখনই এলোপাথাড়ি লাঠি, রড, দিয়ে মারপিট শুরু করে। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে ঘটনাস্থল থেকে প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে আহত অবস্থায় ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এরপর আমার মা বাদী হয়ে ক্ষেতলাল থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।

    ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্রামের একাধিক ব্যক্তি বলেন হায়দার আলী এই জমি বহু দিন আগে কবলা করেন এর পর থেকে হায়দার আলী ওই নিচু জমিতে মাটি ভারাট করে ফলের বাগন করে আমরা জানি হায়দার আলী ও তার ছেলে কাদের ক্রয় সূত্রে ভোগ দখল করে আসছে লোক মুখেশুনলাম নির্বাচনের সময় কাদের খলিল মেম্বরের হয়ে কাদের ভোট না করায় এই জমি দখলের চেষ্টা করে সেখানে মারা মারি ঘটনা ঘটেছে।

    অভিযোক্ত খলিল সহ অন্যান্য বলেন বানু খাতুন আমাদের জমিতে এসে আমাদের ঘর এবং জিনিসপত্র ভেঙ্গে দিয়ে নিজে নিজেই ঠেলা ঠেলি করে কাপড় ছিড়ে একাই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আমরা তাকে কিছুই করিনি৷ আদালতে জমির মামলা আছে আদালত যে রায় দিবে আমরা মেনে নিবো৷

    এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জাহিদুল হক বলেন। আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এবং ক্ষেতলাল থানার এসআই আঃ রহিম কে তদন্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ধামইরহাট সরকারি এম এম কলেজে ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিদায়-বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    ধামইরহাট সরকারি এম এম কলেজে ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিদায়-বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ধামইরহাট সরকারি এম এম কলেজ শাখার উদ্যোগে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবাগতদের বরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ২৬ অক্টোবর সকাল ১০ টায় কলেজ মাঠে ছাত্রলীগের সরকারি এম এম কলেজ শাখার সভাপতি সৌরভ বাবুর সভাপতিত্বে ও সম্পাদক সুমন বাবুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. শহীদুজ্জামান সরকার এম.পি বলেন, ‘দেশের স্বাধীনতা ও সকল সংগ্রামে ছাত্রলীগের অবদান অনস্বীকার্য, করোনা-মহামারি সকল দুর্যোগে ও বিপদকালীন সময়ে ছাত্রলীগ নিবেদিক প্রাণ হয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাড়িয়ে নজির স্থাপন করেছে।’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি দেলদার হোসেন, সহ-সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান আজাহার আলী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. শহীদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কবি এস এম আব্দুর রউফ, ওসি মোজাম্মেল হক কাজী, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা আকতার হোসেন, অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাব্বির রহমান রেজভী, বিশেষ বক্তা জেলা ছাত্রলীগের সম্পাদক আমানুজ্জামান শিউল, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আবু সুফিয়ান, সম্পাদক আহসান হাবীব পান্নু, ছাত্রলীগের সরকারি এম এম কলেজ শাখার সহ-সভাপতি রাজু ইসলাম, আবু জায়েদ রাশেদ, মেহেরুল ইসলাম, রিভার হোসেন, জাকির হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুরাদুজ্জামান, রকিবুল ইসলাম রকি, সাংগঠনিক সম্পাদক এ.কে নোমান, রাজিব হোসেন, মোরছালীন ইসলাম, পৌর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পাস্কায়েল হেমরম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে বিকেল ৩ টায় নষ্টনীড় ব্যান্ডের শিল্পীদের উপস্থাপনায় ও মীরাক্কেল খ্যাত তানভীর সরকারের উপস্থাপনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • সারাদেশব্যাপী বিএনপি -জামাত জোটের সন্ত্রাস, নৈরাজ্যের প্রতিবাদে হুমায়ুন কবীরের নেতৃত্ব মিছিল

    সারাদেশব্যাপী বিএনপি -জামাত জোটের সন্ত্রাস, নৈরাজ্যের প্রতিবাদে হুমায়ুন কবীরের নেতৃত্ব মিছিল

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সারাদেশব্যাপী বিএনপি -জামাত জোটের সন্ত্রাস, নৈরাজ্যের প্রতিবাদে পটিয়া উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা সফল করার লক্ষ্যে মিছিল সহকারে যোগদান করেন দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক, পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উপস্থিত ছিলেন যুব নেতা মোঃ বেলাল হোসেন, বদিউল আলম,মোঃ শাকিল,মো হাসান মোঃ মোহাম্মদ নাঈম, শুভ মো:ফাহিম মো:রানা সহ যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।

  • টাঙ্গাইলের মধুপুরে ভুয়া চিকিৎসককে ১ লাখ টাকা জরিমানা

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে ভুয়া চিকিৎসককে ১ লাখ টাকা জরিমানা

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে মো. মাসুদ আহমেদ নামের এক ভুয়া চিকিৎসককে একলাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
    বুধবার (২৬অক্টোবর) বিকেলে শহরের জামালপুর রোডে হাসপাতাল গেইটের বিপরীতে শাহাজালাল ফার্মেসি এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়েএই জরিমানা আদায় করেন
    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার ভূমি মো. জাকির হোসেন। তিনি জানান, মো. মাসুদ আহমেদ বেশ কিছুদিন ধরে শাহাজালাল ফার্মেসি এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চেম্বার করে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিলেন। তিনি রোগীদের আকৃষ্ট করতে এমবিবিএস(ঢাকা),সিসিডি (বারডেম) এফসিপিএস মেডিসিন ডিগ্রী লাগিয়ে ভিজিডিং কার্ড, প্যাড ও চিকিৎসাপত্র তৈরি করে রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। তিনি বিভিন্ন ক্লিনিকের সাথে আতাত করে রোগীদের হাজার হাজার টাকা পরিক্ষা নিরিক্ষার জন্য হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
    দীর্ঘদিন চিকিৎসাপত্র দেওয়া মাসুদ আহমেদ চিকিৎসা বিদ্যায় লেখাপড়া না করেই মানুষের সাথে প্রতারণা করছেন এমন সংবাদের ভিত্তিতে মো. জাকির হোসেন ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। ওই আদালতে মাসুদ তার প্রতারণার কথা স্বীকার করে বলেন, আমার সকল ডাক্তারী উপাধি ও সার্টিফিকেট ভুয়া আমি কোন ডাক্তার নই।
    এ সময় শাহাজালাল ফার্মেসির মালিক মো. সাদিকুর রহমানকে ভুয়া ডাক্তারের চেম্বার বসানোর জন্য ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। এ সময় মধুপুর থানার এস আই মামুনুর রশীদ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে আইনশৃঙ্খলায় সহযোগিতা করেন।

  • নাগরপুর ঐতিয্যবাহী চারাবাগ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

    নাগরপুর ঐতিয্যবাহী চারাবাগ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

    মোঃ শহীদুল ইসলাম
    নাগরপুর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
    নাগরপুর ঐতিয্যবাহী চারাবাগ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মুফতি জহিরুলইসলাম এর সঞ্চালনায় প্রধান বক্তার আলোচনা করেন আন্তর্জাতিক ক্ষ্যাতিসম্মপন্ন মুফাসসিরে কুরআন হযরত মাওলানা মোঃ হাফিজুর রহমান (দাঃবাঃ) দ্বিতীয় আলোচক ছিলেন জাগোয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাওঃ হেদায়েতুল্লা খান আজাদী সাহেব উভয়ে দুনিয়ার মানুষ কিভাবে মুক্তি পেয়ে আল্লাহর জান্নাতে যাইতে পারে সেই বিষয় নিয়ে। পরিশেষে সকলের জন্য দোয়া করে মাহফিল শেষ করেন।

  • ক্ষেতলাল তুলশীঙ্গগা ইউপি ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য প্রার্থী টাকার বিনিময়ে প্রার্থীতা প্রত্যাহার

    ক্ষেতলাল তুলশীঙ্গগা ইউপি ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য প্রার্থী টাকার বিনিময়ে প্রার্থীতা প্রত্যাহার

    এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

    জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় দুটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে চলছে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা। আগামী (২নভেম্বর) উপজেলার ২টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন।
    প্রত্যাহারে এক দিন আগে প্রার্থীতা প্রত্যহারের গোপন চুক্তির অডিও ভিডিও ক্লিপ ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। কেও বলে ১০ লাখ কেও বলে ৯ লাখ টাকার বিনিময়ে এক ইউপি সদস্য প্রার্থীকে জিতিয়ে দেওয়ার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন সেই অডিও এরই মধ্যে জনরস সৃষ্টি হয়েছে । যেখানে টাকা-পয়সা লেনদেন এবং লক্ষ্য বাস্তবায়নে পুরো পরিকল্পনার তথ্য ফাঁস হয়েছে।
    জানা গেছে আগামী ২ (নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে ক্ষেতলাল উপজেলার তুলসীগঙ্গা ও বড়তারা ইউপি নির্বাচন। উক্ত নির্বাচনে তুলসীগঙ্গা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের দাশড়া উত্তর পাড়া ফকির পাড়া এলাকা হতে দ্বিতীয় বারের মতো মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করেন ছানোয়ার হোসেন এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শাহারুল ইসলাম মেহেদুল। নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিলো গত (৭ অক্টোবর) তার আগেই মেম্বার ছানোয়ার তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শাহারুল ইসলাম কে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে মনোনয়ন প্রত্যাহারের দিন মনোনয়ন প্রত্যাহার করিয়ে নিয়েছেন। এখন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় মেম্বার হওয়ার পথে। এ নিয়ে এলাকায় জনমনে বিভিন্ন গুঞ্জন উঠেছে।
    নির্বাচনি এলাকায় স্থানীয় মনঝার বাজারে সরজমিনে গিয়ে বেশকিছু স্থানীয় ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা গেছে। টাকার বিনিময়েই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কে বসিয়ে দিয়ে এখন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় মেম্বার হচ্ছেন ছানোয়ার। বিভিন্ন চায়ের দোকানে শুধু এমন আলোচনা সমালোচনার ঝড়। ভোটারদের মাঝেও৷ এলাকায় কিছু পাতি নেতারা মোটা অংকের টাকা খেয়ে শাহারুলকে বসিয়ে ছানোয়ার মেম্বার হলো ৷ অযোগ্য নেতারা ভুল সিদ্ধান্তের চেয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় বেশি হারিয়ে যায়৷
    এবিষয়ে মেম্বার ছানোয়ার এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ভোটের অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। তার শশুর আমার হয়ে কাজ করছে। এলাকার মুরব্বিগণ ও প্রার্থী আমার কাছে প্রস্তাব করে ৮শতাংশ জায়গা আমি নিকটস্থ মসজিদের নামে লিখে দিলে আমার বিপক্ষের প্রার্থী তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করবে। সেই অনুযায়ী আমি জমি মসজিদের নামে লিখে দেওয়ার অঙ্গিকার করি। পরে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়। আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, টাকা পয়সা বা কোন প্রকার লেনদেন হয়নি। এসব মিথ্যা ও বানোয়াট। ওই সময় স্বাক্ষাত নেওয়া শেষে এক জনৈক ব্যক্তি জন্মনিবন্ধনের স্বাক্ষর নিতে আসা নারী বলেন, আপনি ১০ লক্ষ টাকায় মেম্বারি কিনে নিয়েছে৷ আমাদের ভোট কি ভাবে কিনলেন৷
    মসজিদ কমিটির সদস্য আলাল সহ একাধিক ব্যক্তি বলেন মসজিদের জমি ছানোয়ার কেন দান করবে। আজ নির্বাচনে এসেছে মসজিদকে ঘিরে সমালোচনার ঝড় হচ্ছে। জমি দানের মাধ্যমে দুই প্রার্থী আপোষ করে একজন মেম্বার হয়েছে এটি গুজব। দান কখনো ঢোল পিটিয়ে হয় না। মাত্র দেড় শতক জমি এওয়াজবদল করা হয়েছে৷এটি পৃরানো ঘটনা শুনেছি ভোট বিক্র হয়৷ এখন দেখতেছি প্রার্থী বিক্র৷
    এবিষয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শাহারুল ইসলাম মেহেদুলের কাছে জানতে চাইলে বলেন, নির্বাচনে যদি আমি ফেল করি তবে আর্থিকভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হবো। আমি যাদের রাজনৈতিক গুরু মনে করি তারা আমাকে এই বিষয়টি বুঝিয়ে বললে আমি মনোনয়ন প্রত্যাহার করি। আর্থিক লেনদেন এর কথা স্বীকার করে বলেন, এটা অভ্যন্তরিন বিষয় দয়া করে আর জানতে চাইবেন না।
    ফাঁস হওয়া অডিও ভিডিতে শোনা যায়, শাহারুল বলেন আমার ফিল্ড খুব ভালো। এলাকাবাসি আমাকে ব্যাপক শ্রদ্ধা করেন। কিন্তুু আমার রাজনীতিক অভিভাবকের পরার্মশে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছি৷ ওই ভিডিওতে তাকে আরো বলতে শোনা যায়, টাকা আমি পেয়েছি৷ সেই টাকা তাও আবার আমার কর্মীদের বিলিয়ে দিয়েছি৷৷
    সরজমিনে নির্বাচনি তুলশিগঙ্গা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড এলাকায় গিয়ে লোকমূখে শোনা যায়, সাধারণ ভোটারদের ভোট নিয়ে প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীরা ব্যবসা খুলেছে। টাকার বিনিময়ে সাধারণ ভোটারদের ভোটাধিকার এরা খর্ব করেছে। কয়েক বছর পর ভোট মন খুলে ভোট দেবো তা আর হলো না। স্থানীয় নির্বাচনেও এই রকম ডিজিটাল কারচুপির নতুন কৌশল। সেই কৌশলের অংশ হিসাবে সাহারুল ইসলাম মেহেদুল মোটা অংকের টাকা খেয়ে ভোট থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
    সদ্য সাবেক ইউপি সদস্য ছানোযার হোসেন পেশায় ছিলেন একজন ভটভটি চালক। পরে কীটনাশক ব্যবসার মধ্যে দিয়ে গত ৫ বছরের মধ্যে কোটিপতি বনে গেছেন। জনস্রোতি আছে, বগুড়া মোকামতলা থেকে ভেজাল ঔষধ আমদানি করে কৃষকের মাঝে বিক্রয় করেন। কয়েক বার পুলিশ অভিযান দিলেও ভেজাল কীটনাশক সরবরাহকারী এই ছানোয়ার হোসেন থাকেন উপজেলা প্রশাসনের অন্তরালে। ফলে অল্প দিনের মধ্যেই আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যান।
    এ ব্যাপারে ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রির্টানিং অফিসার আনিছার রহমান বলেছে, কোনভাবেই আচরণবিধি লঙ্ঘনের সুযোগ নেই। টাকা দিয়ে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন এ ব্যাপারে এখনও কোনো অভিযোগ আসেনি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • ধেয়ে আসছে সিত্রাং, মোকাবেলায় মোংলায় জরুরি সভা, ১০৩টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত

    ধেয়ে আসছে সিত্রাং, মোকাবেলায় মোংলায় জরুরি সভা, ১০৩টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত

    মোংলা প্রতিনিধি
    সিত্রাং মোকাবেলায় মোংলায় জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ১০৩টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। আজ রোবাবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কমলেশ মজুমদারের কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বলা হয়, সিত্রাংয়ের অধিক ঝুঁকিতে উপজেলার চিলার জয়মনিরঘোল, চাঁদপাই ইউনিয়নের কাইনমারী, কানাইনগর ও বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের শেলাবুনিয়া এলাকা অধিক ঝুঁকিতে রয়েছে। ১০৩টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, সাইক্লোন পরিস্থিতিতে পৌর শহর ও উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে এক হাজার ৩২০ জন সিপিবির সদস্য কাজ করবেন। পাশাপাশি কাজ করবে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী, বিজিবি, বন্দর কর্তৃপক্ষ, পৌর কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন এনজিও। সতর্ক সংকেত ৫ নম্বর অতিক্রম করলেই সবাইকে আশ্রয় কেন্দ্রমুখী করতে কাজ করবে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টরা।
    জরুরি সভায় উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, এনজিওকর্মীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। সেখানে বেশির ভাগ আশ্রয়কেন্দ্রই দুর্বল ও ঝুঁকিপূর্ণ বলে মতামত দিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা। এদিকে, সিত্রাং কেন্দ্রিক সরকারি খাদ্য সহায়তা না পৌঁছালেও উপজেলা প্রশাসনের ৫০০ মানুষের জন্য শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করার কথা জানিয়েছে।
    আগামীকাল সোমবার বিকেল ৫টায় আবারও সভা ডাকা হয়েছে। অন্যদিকে, মোংলা আবহাওয়া অফিস ইনচার্জ অমরেশ চন্দ্র ঢালী জানান, বন্দরে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত জারি করা হয়েছে। আজ রোববার রাত ৯টায় এই হুঁশিয়ারি জারি করা হয়।

  • বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব ময়মনসিংহ জেলা সম্মেলন-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়

    বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব ময়মনসিংহ জেলা সম্মেলন-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়

    উজ্জ্বল রায়:
    “মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধতা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সর্বস্তরের সাংবাদিক জাগো …. “ এই শ্লোগানে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ময়মনসিংহ জেলা সম্মেলন-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়।

    বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাংবাদিক সংগঠন বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব (গভঃ রেজিঃ নং ৯৮৭৩৬/১২) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক ফরিদ খানের নির্দেশে দেশব্যাপী বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ।

    ২১ অক্টোবর (শুক্রবার) ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় ময়মনসিংহ জেলা সম্মেলন । বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ময়মনসিংহ জেলা ও বিভাগের সভাপতি খালেদুজ্জামান পারভেজ বুলবুলের সভাপতিত্বে সদরের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম হাবিবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয় জেলা সম্মেলন।

    সম্মেলন উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সিনিয়র সাংবাদিক জিয়া উদ্দিন আহমেদ। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক ফরিদ খান। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ও গবেষক স্বপন ধর।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে সম্মেলন সভায় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পাল, মোঃ মাহবুব রেজা করিম (সিআইপি), নিজাম মল্লিক নিজু সম্পাদক সাপ্তাহিক পশর, মোঃ আবুল হাসেম রায়হান সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ কৃষকলীগ ময়মনসিংহ মহানগর, ও শামীম তালুকদার সভাপতি বাংলাদেশ প্রেসক্লাব নেত্রকোনা জেলা । আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন মোস্তাফিজুর বাসার ভাষানী ।

  • পঞ্চগড়ে মানহানিকর বক্তব্য উপস্থাপন করার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

    পঞ্চগড়ে মানহানিকর বক্তব্য উপস্থাপন করার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ;
    গত(১৭ অক্টোবর) জেলা পরিষদ নির্বাচন। পঞ্চগড় বিষয় নিয়ে এ্যাডভোকেট আবু বক্কর সিদ্দিক পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী এ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন এমপি ও সিনিয়র সহ-সভাপতি পঞ্চগড় ১ আসনের এমপি আলহাজ্ব মজাহারুল হক প্রধান, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো: আনোয়ার সাদাত সম্রাট সহ জেলা আওয়ামী লীগের সকল নেতৃবৃন্দ সম্মানিত জন প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে সামাজিক গণমাধ্যম ফেসবুক এবং সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা ভিত্তিহীন কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর বক্তব্য উপস্থাপন করার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    পঞ্চগড় জেলা পরিষদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আয়োজনে পঞ্চগড় প্রেসক্লাব হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    উপস্থিত সংবাদ সম্মেলনে সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম পল্লব লিখিত বক্তব্যে বলেন,আওয়ামী লীগের মনোনীত জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু তোয়াবুর রহমানের সহোদর ভাই এ্যাডভোকেট আবু বক্কর সিদ্দিক ২০১৬ সালে জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়ে পরাজয় বরণ করার পর সম্মানিত ভোটারবৃন্দ কে মামলা, পেশিশক্তি ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক অর্থ ফেরত নেন যা এবারের জেলা পরিষদ নির্বাচনে এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে।

    আবু বক্কর সিদ্দিক জেলা আইনজীবী সমিতিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে জামায়াত বিএনপির প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন, যাহা সংগঠনবিরোধী।

    আবু বক্কর সিদ্দিক বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগের নেতাদের বিপক্ষে প্রকাশ্য কটাক্ষ করে কথাবার্তা বলেন।

    ২০১৬ সালে জেলা পরিষদ নির্বাচনে জোরপূর্বক অর্থ ফেরত নেয়ার কারণে বিভিন্ন ইউনিয়নের সম্মানিত ভোটারবৃন্দ প্রার্থীর সহোদর ভাইদের ব্যবহারে অসন্তুষ্ট হয়ে দলীয় প্রার্থীকে ভোট প্রদান করে নাই।

    ভোট চলাকালীন সময় আবু বক্কর সিদ্দিকের নেতৃত্বে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে অশ্লীল স্লোগান এর কারণে ভোটাররা মোটরসাইকেল প্রতীকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।

    বিভিন্ন উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণায় জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে সাথে না নিয়ে প্রচারণা চালানো বা অভিহিত না করা।

    সম্মানিত গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগকে জানাতে চাই,জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক নেতৃত্বে সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নিঃস্ব ব্যবস্থাপনার দলীয়ভাবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।

    পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাননীয় রেলপথ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন এমপি,সিনিয়র সহ-সভাপতি পঞ্চগড় ১ আসনের এমপি আলহাজ্ব মজাহারুল হক প্রধান, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো: আনোয়ার সাদাত সম্রাট সহ জেলা আওয়ামী লীগের সকল নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলনে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে হেও প্রতিপন্ন করে। যা সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া অত্যাবশ্যক।

    সর্বশেষ পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে সভাপতি পদে প্রার্থী আবু তোয়বুর রহমান ও তার সহোদর ভাই আবু বক্কর সিদ্দিক সক্রিয় প্রার্থী ছিলেন। এতে এটা স্পষ্ট হয়ে যায় তাদের মধ্যে পরিবারিক অন্তঃকোন্দল ছিল। পরবর্তী সময়ে এক ভাই প্রার্থী হয়ে অপর ভাই জেলা পরিষদ নির্বাচনের আহবায়ক কমিটিতে কেন্দ্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।আমরা আশঙ্কা করছি নির্বাচনে কেন্দ্র সচিবের রহস্যজনক ভূমিকার কারণে প্রার্থীর পরাজয় হয়েছে।

    সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে গত(২১ অক্টোবর)সংবাদ সম্মেলন করেছেন আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।

    পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির উজ্জল বলেন, যিনি কাল এখানে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন, নিজেকে আওয়ামী লীগের কর্মী দাবি করেন, আওয়ামী লীগের নেতা দাবি করেন অথচ তিনি সরাসরি একটি সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে পঞ্চগড় জেলা আওয়ামীলীগের তিনি কলঙ্কিত করেছেন
    তিনি সাংবাদিক সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া তাদের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশের তিনি ইতিমধ্যে জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দকে কলঙ্কিত করেছেন এটি আমি আমার পৌর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং তার বিরুদ্ধে আপনাদের মাধ্যমে জননেত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর কন্যা ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি।

    সাবেক যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ক আবু সারওয়ার বকুল বলেন,সিদ্দিক সাহেব যে সাংবাদিক সম্মেলন করল উনি কারোর সাথে কোন পরামর্শ করল না জেলা আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতাদের সাথে পরামর্শ করতে পরতো উনি একাই এসে দলের একটা বদনাম করে আমাদেরকে একটা হেও প্রতিপন্ন করল আমরা চাই আগামী দিনে আজকে জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমাদের আবেদন এরকম যারা ঊশৃংখল এবং দলের বিরুদ্ধে যারা অপপ্রচার করে আবু বক্কর তার মধ্যে একজন। সেই কারণে আমি মনে করি আগামী দিনে যে উনি জেলা আওয়ামী লীগ করার যোগ্যতা নেই।

    এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন ,বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক জাকির হোসেন, সাবেক যুগ্মসাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মির্জা সারওয়ার হোসেন, সাবেক প্রচার সম্পাদক বাবু বিপেন চন্দ্র রায়,সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোশারফ হোসেন,জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী রেজিয়া খাতুন,সাবেক জেলা আওয়ামীলীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক নুর নেহার নুরি,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজি আল তারিক,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নিলুফার ইয়াসমিন প্রমুখ।