Author: desk

  • ধামইরহাটে যুবদলের ৪৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত

    ধামইরহাটে যুবদলের ৪৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ

    ধামইরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ৩১ অক্টোবর সোমবার বেলা ১১ টায় ধামাইরহাট বিএনপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কর্মসূচির সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক তহিদুল ইসলাম। যুব দলের কার্যক্রম তুলে ধরে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন নওগাঁ জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দেওয়ান মোহাম্মদ ফারুক, প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক খায়রুল আলম গোল্ডেন, বিশেষ বক্তা সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুম হায়দার টিপু। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক ফেরদৌস খান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ধামইরহাট পৌরসভার সাবেক প্রশাসক মাহবুবুর রহমান চৌধুরী চপল, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আখরাজুল ইসলাম, পৌর বিএনপি’র সাবেক সম্পাদক রেজোয়ান হোসেন, যুবদল নেতা রুহুল হোসেন সুমনের সঞ্চালনায় বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ অগ্নিঝরা বক্তব্য প্রদান করেন।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • নাগেশ্বরীতে নকল সোনার বার সহ গ্রেপ্তার ২

    নাগেশ্বরীতে নকল সোনার বার সহ গ্রেপ্তার ২

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
    কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে নকল সোনার বারসহ কচাকাটা থানা পুলিশ কর্তৃক দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

    ৩০অক্টোবর আনুমানিক রাত ৯টায় দিকে থানার কেদার ইউনিয়নের গোলেরহাট বাজার থেকে এসআই আব্দুর রব তার সঙ্গী ফোর্স নিয়ে এ দু‍‍`জনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের বানুরকুটি গ্রামের আব্দুল কাদের মিয়ার ছেলে হাসিবুল ইসলাম মোনেম (২০) ও দুলাল মিয়ার ছেলে আব্দুল করিম (৩২)।

    পুলিশ জানায়, রোববার রাত নয়টার দিকে থানার কেদার ইউনিয়নের গোলের হাটের পাকা রাস্তার উপর মোটরসাইকেল যোগে আসা ওই দুই যুবকের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে জিজ্ঞাসাবাদ ও দেহ তল্লাশি করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে সোনা সাদৃশ্য দুই ভরি ওজনের একটি বার ও ওইরুপ আর একটি মাটির বস্তু পাওয়া যায়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি রেজিষ্ট্রেশন বিহীন মোটর সাইকেলসহ দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মূর্তজা জানান, গ্রেপ্তার দুইজনকে ১৫১ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার দুপুরে কুড়িগ্রাম আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে দুবলার শুটকি মৌসুম, ব্যস্ত সময় পার করছে জেলেরা

    মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে দুবলার শুটকি মৌসুম, ব্যস্ত সময় পার করছে জেলেরা

    মোংলা প্রতিনিধি।
    মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে দুবলার শুটকি মৌসুম। এ মৌসুম চলবে ১লা নভেম্বর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত। ৫ মাস ধরে জেলেরা থাকবেন এ চরে। চরে থাকার জন্য ঘর, মাছ শুকানো চাতাল, মাঁচা ও শুটকি মাছ সংরক্ষণের গোডাউন তৈরিতে ব্যস্ত কাজ করছেন জেলে-মহাজনেরা। এসব সম্পন্ন করেই জেলেরা গভীর সমুদ্রে নানা প্রজাতির মাছ আহরণে ট্রলার নিয়ে নেমে পড়বেন। প্রজাতি ভেদে মাছ বাছাই করে কাঁচা ও শুটকি তৈরি করে বাজারজাত করে থাকেন জেলে-মহাজনেরা।গতবারের তুলানায় এবার দুবলার চরে জেলেদের সমাগম বেশি হয়েছে। গত মৌসুমে সাড়ে ৯শ জেলে ঘর দেয়া হলেও এবার দেয়া হয়েছে সহস্রাধিক। বেড়েছে ডিপো ও দোকান ঘরের সংখ্যাও। ১ হাজার ৩০টি জেলে-মহাজনদের ঘর, ৬৩ টি ডিপো ও ৯৬টি দোকান ঘরের অনুমোদন দিয়েছে বনবিভাগ। ১০৩০টি ঘরে জেলে-মহাজনেরা থাকবেন, ৬৩ টি ডিপো মালিক জেলেদের কাছ থেকে মাছ কেনা-বেচা করবেন, ৯৬টি দোকানের মধ্যে মুদি, জ্বালানী তেল, সেলুন ও ওষুধসহ বিভিন্ন দোকান দিয়ে জেলেদের চাহিদা পূরণ করে থাকেন। শুরু হতে যাওয়া এ মৌসুমে জেলেদের নির্বিঘ্ন করতে টহল ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে থাকবেন র‍্যাব, কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী, বনবিভাগ।
    তবে সাগরে দস্যুতা না থাকায় এখন জেলেরা নির্ভয়ে মাছ শিকারসহ শুটকির কারবার করতে পারছেন।
    তবে এ সকল জেলেদের দাবী চরে টেকসই সাইক্লোন শেল্টার, বয়া বাতি, দুর্যোগ সংকেত, সুপেন পানির ব্যবস্থা করার। আর তাদের বড় দাবী হলো একটি অস্থায়ী ভাসমান হাসপাতাল স্থাপনের। কিন্তু তাদের এ দাবী দীর্ঘ বছরে পূরণ হয়নি। জেলেরা বলেন, হাসপাতালটি খুবই জরুরী, কারণ চরে জেলেরা হঠাৎ করেই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হন। তখন হাসপাতালের অভাবে আহত ও অসুস্থদেরকে ট্রলারে নিয়ে যেতে হয় শহরে। তারা আরো বলেন, আমরা প্রতি মৌসুমে কয়েক কোটি টাকা সরকারকে রাজস্ব দিয়ে আসছি, কিন্তু আমাদের একমাত্র সুচিকিৎসার ব্যবস্থার দাবী থাকলেও তা উপেক্ষিত। আমরা সরকারের কাছে জোর দাবী জানাই একটি ভ্রাম্যমান হাসপাতাল, আর হাসপাতাল না হওয়া পর্যন্ত একটি হাইস্পিড বোটের ব্যবস্থা করবেন, তাহলে অসুস্থ ও আহতদেরকে দ্রুত চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হবে। সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, চরে একটি মৌসুম ভিত্তিক হাসপাতাল দেয়ার প্রস্তাবনা ও পরিকল্পনা রয়েছে। আপাতত হাসপাতাল না থাকলেও হাসপাতালের আদলে ওষুধের দোকানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর দুর্যোগ সর্তক করতে চরে টেলিটকের নেটওয়ার্ক রয়েছে। তবে সেখানে আশ্রয় কেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তাও রয়েছে বলে জানান তিনি।

  • সময় নষ্ট না করে লেখাপড়ায় করে ভাল রেজাল্ট করতে চেয়ারম্যান শাহানশাহের আহবান

    সময় নষ্ট না করে লেখাপড়ায় করে ভাল রেজাল্ট করতে চেয়ারম্যান শাহানশাহের আহবান

    ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বইলর কানহর এ ডি এস আলিম মাদ্রাসার ২০২২সালের আলিম পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা উপলক্ষে আলোচনা সভা,মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (৩১অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টা মাদ্রাসার হল রুমে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মফিজুল ইসলাম।

    বইলর বইলর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার মশিউর রহমান শাহানশাহ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার শাহানা রহমান, ইউপি সদস্য আব্দুল লতিফ মজনু, সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার হাসনা বেগম সহ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল,সহকারী শিক্ষকবৃন্দ ও অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রাত্তন ছাত্র-ছাত্রী, প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানে সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার মশিউর রহমান শাহানশাহ বলেন লেখা-পড়ার পাশা-পাশি নৈতিক শিক্ষা ও আধুনিক বিজ্ঞানের জ্ঞান সম্পর্কে ধারণা থাকা খুবই প্রয়োজন,কোরআন থেকে জ্ঞান আহরণ করে মানুষ চাদঁ,নক্ষত্র,নতুন নতুন গ্রহ আবিস্কার করেছে, পৃথিবীর মানুষ আজ জ্ঞান বিজ্ঞান দিয়ে বহু আধুনিক যন্ত্রপাতি আবিস্কার করেছে,আগামীতে আরো এগিয়ে যাবে।

    তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোশ্যে বলেন,প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে ভাল ভাবে পড়ালেখা করে পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করতে হবে,সময় খুবই মূল্যবান অযথা সময় নষ্ট করার মত সময় এখন নাই। যে যত বেশী সময়ের মূল্য দিয়ে সময়কে লেখা পড়ায় জ্ঞান আহরনের কাজে ব্যয় করবে,সে ততবেশী জীবনে উন্নতি সাধন করতে পারবে।

    বক্তারা বলেন, আজকের শিক্ষিত জনগোষ্ঠী আগামী দিনের দেশের কর্ণধার,একটি শিক্ষিত জাতি কখনো পিছিয়ে থাকে না,শিক্ষায় জাতির মেরু দন্ড,জ্ঞানী বলেছেন, আমাকে একটি মা দিলে আমি একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দিবো। তাই আমাদের ছেলে মেয়েদের সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে,ইসলামের প্রকৃত জ্ঞানের বাণী সমাজে প্রচার করে সমাজ তথা দেশ থেকে জঙ্গীবাদ,সন্ত্রাস দুর করতে হবে।

  • গৌরীপুরে প্রয়াত আ’লীগ নেতা কাদির  চেয়ারম্যান  স্মরণে আলোচনা, মিলাদও দোয়া মাহফিল

    গৌরীপুরে প্রয়াত আ’লীগ নেতা কাদির চেয়ারম্যান স্মরণে আলোচনা, মিলাদও দোয়া মাহফিল

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও রামগোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল কাদির এর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

    সোমবার (৩১শে অক্টোবর) গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে এই উপলক্ষে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়ে।
    এর আগে নবম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে প্রয়াত গুণি ওই নেতার কবরে পুষ্পার্ঘ অপর্ণ করে উপজেলা আওয়ামী লীগ, পৌর আওয়ামী লীগ, সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    প্রয়াত এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের স্মরণে বিকালে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হলে সভায় ভার্চ্যুয়াল সভাপতিত্ব করেন গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নিলুফার আনজুম পপি।

    উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ সাহার সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারন সম্পাদকবৃন্দ সহ উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

    এসময় বক্তারা বলেন- প্রয়াত রাজনীতিক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও রামগোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল কাদির তার মেধা ও শ্রমের মাধ্যমে উপজেলা আওয়ামী লীগকে আগলে রেখেছিলেন পরম মমতায়। তিনি মৃত্যুর পর দলে এক অপূরণীয় শূণ্যতার সৃষ্টি হয়। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন জেলা আওয়ামী লীগ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়া তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছিলেন জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। নবম মৃত্যু বার্ষিকীতে গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ দলের জন্য আব্দুল কাদির এর ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

    বক্তব্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ সাহা বলেন, গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করার পিছনে আব্দুল কাদির এর ভূমিকা অপরিসীম, যা আওয়ামী লীগ সবসময় স্মরন করে। বক্তব্য শেষে মরহুমের আত্নার শান্তি কামনায় দোয়া পড়ানো হয়।

  • ময়মনসিংহে  ডিসির  হুইল চেয়ার পেয়ে  খুশীতে ঘরে ফিরলেন দুই প্রতিবন্ধী

    ময়মনসিংহে ডিসির হুইল চেয়ার পেয়ে খুশীতে ঘরে ফিরলেন দুই প্রতিবন্ধী

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ ॥ ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার বাসকড়ি গ্রামের একই পরিবারের দুই প্রতিবন্ধী ভাইয়ের পাশে দাড়ালো জেলা প্রশাসক এনামুল হক । পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদেরও এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।
    ওই সময় তিনি বলেন, এই দুই প্রতিবন্ধী ভাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সার্বিক সহযোগিতা করবে জেলা প্রশাসন। তাদের নাম মারুফ (২৫)ও রাকিব (২০)।

    ত্রিশাল উপজেলার বইলর ইউনিয়নের বাসকড়ি গ্রামে বসবাস করে ভ্যান চালক ওয়াজেদ আলীর পরিবার।পরিবারটির উপার্জনের অবলম্বন দুই ভাই
    মারুফ ও রাকিব শারীরিক প্রতিবন্ধী। স্ব-শরীরে চলাফেরা করা তাদের যেখানে সম্ভব নয়,সেখানে সংসারের চাহিদা পুরণে উপার্জন করতে অপারগ হওয়ায় এ পরিবারের দুর্ভোগের শেষ নেই। জেলা প্রশাসক বিষয়টি অবগত হয়ে তাদের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে সহযোগিতার বাড়ান।

    প্রতিবন্ধী দুই ভাইয়ের নিকটাত্মীয় একজন বলেন, রক্তে সমস্যার কারণে বড় ছেলে মারুফ (২৫) ১২বছর বয়স থেকে ও ছোট ছেলে রাকিব (২০) ৯ বছর বয়স থেকে শারীরিক ভাবে দুর্বল হওয়া শুরু করে শারীরিক প্রতিবন্ধীর রুপ নেয়। চলাফেরা করতে পারেনা। সময়ের সঙ্গে, সমাজের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করতে করতে এরা এখন ভীষণ ক্লান্ত। বয়স বাইরা যাওয়ায় এখন কারোরই নিজের ওপর ভরসা নাই। অভাবের কারণে এরা অহন নিজের জীবনের প্রতি ভালোবাসা হারায়া ফেলছে। তাদের পারিবারিক অবস্থা অস্বচ্ছল হওয়ায় প্রতিবন্ধী দুই ভাইকে নিয়ে পরিবারটি দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন। জেলা প্রশাসক এনামুল হক এর মাধ্যমে হহুল চেয়ার পেয়ে তাদের মাঝে আনন্দের সীমা নেই।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), পুলক কান্তি চক্রবর্তী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো: সফিকুল ইসলাম,
    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) নজরুল ইসলাম সহ প্রতিবন্ধী দুই ভাইয়ের নিকটাত্মীয়রা।

    জন্মের একজন ১২বছর বয়স থেকে ও আরেকজন ৯বছর বয়স থেকে বিছানায় পড়ে থাকা
    শারীরিক প্রতিবন্ধী দুই মারুফ ও রাকিব তাদের পরিবারের করুণ চিত্র নিয়ে সোমবার সকালে বলতে গিয়ে অশ্রুসিক্ত হন।

    এদিকে জেলা প্রশাসকের মানবতায় হুইল চেয়ারে বসতে পেরে হাসি ফুটেছে প্রতিবন্ধী মারুফ ও রাকিব এর মুখে। হুইল চেয়ারটি পাওয়ার পর তাতে বসে বাড়ির আশপাশ ঘুরে দেখতে পারবেন এই আনন্দে আবেগে আপ্লূত হন।

    মারুফ ও রাকিব এর বাবা ভ্যান চালক ওয়াজেদ আলী
    সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই দুই প্রতিবন্ধী ছেলেকে নিয়ে আমি অনেক কষ্টে আছি আমি। আমাদের এই দুর্ভোগে পাশে দাড়িয়ে মানবতার পরিচয় দেওয়ায় জেলা প্রশাসক স্যারের প্রতি আমি ধনবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। এদের চিকিৎসা করাতে গিয়ে আমি আমার সমস্ত উপার্জন ব্যয় করেছি। বর্তমানে শুধু ঘরের ভিটেটা আছে। বর্তমানে আমি অসুস্থ। অসুস্থ শরীর নিয়ে ভ্যান চালনোর পাশাপাশি দিনমজুর কাজ করে যা আয় হয়, তা দিয়ে কোনোমতে সংসার চালাই। শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলে দু’টির সু-চিকিৎসা করাতে পারলে হয়তো ভালো হতে পারতো।

  • গত এক বছরে ৭৫০মোবাইল উদ্ধার করে মালিকের হাতে তুলে দিয়ে প্রশংসিত কোতোয়ালি পুলিশ

    গত এক বছরে ৭৫০মোবাইল উদ্ধার করে মালিকের হাতে তুলে দিয়ে প্রশংসিত কোতোয়ালি পুলিশ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    হারানো মোবাইল ফোন খুঁজে মালিকের কাছে পৌঁছে দেয়া ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের একটি সাফল্য। এই সাফল্যে গ্রাম-গঞ্জের মানুষের মাঝে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশে ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। সর্বপ্রথম এই উদ্যোগ নেয় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের এএসআই আমীর হামজা । তার এই উদ্যোগে মানুষের মাঝে পুলিশের যে প্রশংসা ছড়িয়েছেন তা দেখে ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলার পুলিশ এ কার্যক্রম শুরু করেছে।

    সেই ধারাবাহিকতায় রবিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় কোতোয়ালী মডেল থানা ওসি শাহ্ কামাল আকন্দ,নগরীর চায়ের দোকানী হিরণ, সাবেক মেম্বার ইসমাইল হোসেন, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেজিস্টার আফরোজা বেগম, কলেজ ছাত্র ফারুক, চাকরী জীবি মারুফ, সালমান,কৃষক রাকিবুল, ছাত্র সাজিদ, ব্যাবসায়ী জনি, বাদশা ফার্ণিচার ব্যাবসায়ী মালিকেরহাতে তাদের সখের হারানো মোবাইল তোলে দেন।

    এপযন্ত কোতোয়ালী মডেল থানা গত এক বছরে ৭৫০ টি মোবাইল উদ্ধার করে দেওয়া হয়েছে। মোবাইল উদ্ধার করে এএসআই আমীর হামজা নিজে সুনাম কুড়াচ্ছে ঠিক সুনাম বৃদ্ধি করছে জেলা পুলিশের।
    এএসআই আমীর হামজাকে অবশ্যই পুলিশের শ্রেষ্ঠ পদক পদকের দাবী জানাই ময়মনসিংহবাসী। হারানো ফোন খুঁজে বের করার এই চ্যালেঞ্জ জয় করা তিনি দায়িত্ব বলে মনে করেন।

    মোবাইল ফোন পেয়ে চায়ের দোকানি হিরণ জানান, আমি একজন ছোট চায়ের দোকানি। আমি অনেক শখ করে অল্প অল্প টাকা জমিয়ে শখের মোবাইল ফোনটি কিনি। মোবাইল ফোনটি হারিয়ে যাওয়ার পর মনটা অনেক খারাপ হয়ে যায়। আজ হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনটি হাতে পেয়ে অনেক খুশি হয়েছি। আমি কোতোয়ালী থানার ওসি স্যারসহ সকল পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞা জানান।

    কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ্ কামাল আকন্দ জানান, মানুষকে সতর্ক করতে উদ্যোগ নিয়েছে থানা পুলিশ। কোতোয়ালী পুলিশ সার্বক্ষণিক আন্তরিক হয়ে জনগণের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। মোবাইল উদ্ধারের পর কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মালিকরা হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফেরত পেয়ে খুশি। এতে জনগণের মাঝে পুলিশের প্রতি আস্থা দিন দিন বাড়ছে। ফোনটি ফেরত পেয়ে হাসিমাখা মুখ দেখে আমরাও অনেক আনন্দিত। এভাবে প্রতিটি জনগণের পাশে থাকবে কোতোয়ালী থানা পুলিশ।

  • নাগরপুর ঐতিয্যবাহী সহবতপুর ক্বওমী ওলামা পরিষদের বাৎসরিক  মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

    নাগরপুর ঐতিয্যবাহী সহবতপুর ক্বওমী ওলামা পরিষদের বাৎসরিক মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

    মোঃ শহীদুল ইসলাম
    নাগরপুর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
    নাগরপুর ঐতিয্যবাহী সহবতপুর ক্বওমী ওলামা পরিষদের বাৎসরিক মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাওঃ আরিফুল ইসলাম ও হাফেজ রাশেদুল ইসলামের এর সঞ্চালনায় প্রধান বক্তার আলোচনা করেন আন্তর্জাতিক ক্ষ্যাতিসম্মপন্ন মুফাসসিরে কুরআন হযরত মাওলানা মোঃ খোরশেদ আলম কাসেমী (দাঃবাঃ) দ্বিতীয় আলোচক ছিলেন মাওঃ মুফতি আঃ রহমান দাঃ বাঃ উভয়ে দুনিয়ার মানুষ কিভাবে মুক্তি পেয়ে আল্লাহর জান্নাতে যাইতে পারে সেই বিষয় নিয়ে।অন্যান্যের উপস্থিত ছিলেন মাওঃ আলী আকবর নগরপুরী, মাওঃ ইলিয়াস হোসেন, মাওঃ রফিকুল ইসলাম আমিনী, মুফতি হারুন প্রমূখগণ। রশীদ পরিশেষে সকলের জন্য দোয়া করে মাহফিল শেষ করেন।

  • মধুপুরে ভোক্তা অধিকার অবহিতকরণ ও বাস্তবায়ন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

    মধুপুরে ভোক্তা অধিকার অবহিতকরণ ও বাস্তবায়ন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

    আঃ হামিদ মধুপুর( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ
    টাংগাইল মধুপুরে ভোক্তা অধিকার অবহিতকরণ বাস্তবায়ন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অবহিতকরণ ও বাস্তবায়ন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
    উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমীন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ছরোয়ার আলম খান আবু। এসময়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর বিভিন্ন ধারা উপধারা তুলে ধরে বিস্তারিত আলোচনা করেন মধুপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জাকির হোসেন,। উক্ত সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহমেদ নাসির, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান যষ্টিনা নকরেক, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা শাকুরা নাম্নী,, মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বজলুর রশিদ খান চুন্নু, মধুপুর আদর্শ ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। এছাড়া উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, সহ ছাত্র ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বরিশালের পুলিশ সুপার  মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম আগৈলঝাড়া থানা পরিদর্শনে

    বরিশালের পুলিশ সুপার মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম আগৈলঝাড়া থানা পরিদর্শনে

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালে নবনিযুক্ত জেলা পুলিশ সুপার মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম আগৈলঝাড়া থানা পরিদর্শনে আসেন ৩১ অক্টোবর সোমবার। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, গৌরনদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আল-বেরুনী, আগৈলঝাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ গোলাম সরোয়ার,
    গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আফজাল হোসেন,
    আগৈলঝাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মোঃ মাজহারুল ইসলাম, আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক বি এম মনির হোসেন, আগৈলঝাড়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম, মোঃ মিজানুর রহমান মিসু, নুরে আলম সিদ্দিক,মিল্টন, মোঃ শফিউদ্দিন,মোঃ তারিকুল ইসলাম, মোঃ শফিকুল ইসলাম, মোঃ রমজান আলি, মোঃ আলি হোসন, এ এস আই গৌরবাঙ্গ, সোহাগ, খায়রুল, সুব্রত, আবুসালে, মিতা সেন, আবুল বাশারসহ পুলিশ সদস্য গন।
    এর আগে পুলিশ সুপার মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম আগৈলঝাড়া পৌছলে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।