Author: desk

  • ধামইরহাটে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    ধামইরহাটে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট নওগাঁ প্রতিনিধিঃ
    নওগাঁর ধামইরহাটে ৩রা নভেম্বর জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতার স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ৩ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৩ টায় আমাইতাড়া মোড়ে পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল মুকিত কল্লোলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ দেলদর হোসেন। পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও প্যানেল মেয়র মোঃ মুক্তাদিরুল হক মুক্তার সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আজাহার আলী, সহ সভাপতি আবু হানিফ, মোফাজ্জল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান আলী, জেলা পরিষদ সদস্য নুরুজ্জামান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোঃ জাবিদ হোসেন মৃদু, সহ সভাপতি সেলিম মাহমুদ রাজু, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহজাহান আলী কমল, সালেহ আহমদ, সিরাজুল ইসলাম, লুইছার রহমান, আলমপুর ইউনিয়নের সভাপতি ও চেয়ারম্যান ওসমান গনি, খেলনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমুল হোসেন, ধামইরহাট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান, পৌর যুবলীগের সভাপতি ফারুক হোসেন, সম্পাদক ও কাউন্সিলর মাহবুব আলম বাপ্পী, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ আবু সুফিয়ান হোসাইন, সম্পাদক আহসান হাবীব পান্নু, সরকারি এম এম কলেজ ছাত্র লীগের সভাপতি সৌরভ বাবু, সম্পাদক সুমন বাবু, পৌর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পাস্কায়েল হেমরম, সম্পাদক আনন্দ কুমার শীল প্রমুখ সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের দলীয় ও সহযোগি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ প্রতিনিধি।

  • আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আগৈলঝাড়ায় জাতীয় জেল হত্যা দিবস পালিত

    আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আগৈলঝাড়ায় জাতীয় জেল হত্যা দিবস পালিত

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    যথাযোগ্য মর্যাদায় বিস্তারিত কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের উদ্দ্যোগে জাতীয় জেল হত্যা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষে ৩ নবেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করেন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।
    পরে জাতীয় চার নেতাসহ সকল শহীদরে স্মরণে নীরবতা পালন করেন। শেষে নেতা কর্মীদের সমন্বয়ের র‌্যালী উপজেলার প্রধান সড়ক হয়ে মুক্তিযোদ্ধা অফিস ঘুরে দলীয় কার্যালয়ে শেষ হয়। দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈর সভাপতিত্বে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতসহ উপজেলা আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মী এবং ইউপি চেয়ারম্যানগন।
    পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতাসহ সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা ফজলুল হক।

  • গৌরনদীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জেল হত্যা দিবস পালিত

    গৌরনদীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জেল হত্যা দিবস পালিত

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের গৌরনদীতে জেল হত্যা দিবস-২০২২ উপলক্ষে র‌্যালী, আলোচনা সভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা আওয়ামী লীগ, পৌর ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় গৌরনদী বাসষ্ট্যান্ড দলিয় কার্যালয়ে র‌্যালী ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।
    উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এইচ এম জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গৌরনদী পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মো.হারিছুর রহমান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন-নাহান মেরী, অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল জেলা পরিষদের সদস্য রাজু আহামেদ হারুনর, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ আতিকুর রহমান শামীম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবু সাঈদ নান্টু, ইউপি চেয়ারম্যান, আবদুর রব সরদার, আবদুর রাজ্জাক হাওলাদার, গোলাম হাফিজ মৃধা, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক সরদার আবদুল হালিম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ নুরুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল হোসেন বাচ্চু, মো.মাসুম মল্লিক খোকন, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা মো. নান্টু হাওলাদার, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আনিসুর রহমান,
    সাধারন সম্পাদক সৈয়দ মাহাবুবুর রহমান, পৌর যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মো.আল-আমীন হাওলাদার, যুবলীগ নেতা কাজী মোস্তাফিজুর রহমান রনি,
    গৌরনদী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সৈয়দ নকিবুল হক, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুবায়ের ইসলাম সান্টু, সাধারন সম্পাদক লুৎফর রহমান দ্বীপ,
    সরকারী গৌরনদী কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক ভিপি মো.সুমন মাহমুদ, কাউন্সিলর মো.ইখতিয়ার হাওলাদার, মো.মিলন খলিফা,
    মো. সাখাওয়াত হোসেন সূজন, সাবেক কাউন্সিলর রেঝাউল করিম টিটু, কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক শরীফ নাহীয়ান হোসেন রাতুল,
    উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো.ইমরান মিয়া, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো.স্বপন হাওলাদার-প্রমূখ।

  • নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ক্ষোভে এসি খুলে নিয়ে গেলেন সাবেক চেয়ারম্যান

    নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ক্ষোভে এসি খুলে নিয়ে গেলেন সাবেক চেয়ারম্যান

    এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

    ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ক্ষোভে কার্যালয়ের নিজ রুমে লাগানো এসি খুলে নিয়ে গেছেন ইউপি চেয়ারম্যান। জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার তুলসীগঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাইকুল ইসলামের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে এসি খুলে নেওয়ার ঘটনা ঘটে।

    বুধবার (২ নভেম্বর) ক্ষেতলাল উপজেলার তুলসীগঙ্গা ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ওই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান হাইকুল ইসলাম প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি বিজয়ী হতে পারেননি। আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বজলুর রহমান খান চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাইকুল ইসলাম চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালে তার নিজ রুমকে শীতাতপ করার জন্য এসি লাগান। এবার নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার কারণে তিনি বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে তিনজন মানুষ এনে এসি খুলে নেন। এরপর ভ্যানে উঠায়ে নিয়ে যান।

    ইউনিয়ন পরিষদের এসি খুলে নেওয়ার খবর শুনে পরিষদ এলাকায় বিকেলে মানুষের ভিড় জমে। এসময় স্থানীয় কয়েকজন বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে লাগানো মানে এটি সরকারি টাকায় কেনা। তাহলে এই এসি কেন খুলে নিয়ে যাবে। এভাবে নিয়ে যাওয়া মানে চুরি করা। দিনদুপুরে কেন পরিষদের এসি চুরি করে নিয়ে গেল। আমরা এর বিচার চাই।

    এ বিষয়ে নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে হেরে যাওয়া হাইকুল ইসলাম বলেন, ওই এসি আমার ব্যক্তিগত টাকায় কেনা। যার জন্য আমি খুলে নিয়ে এসেছি।

  • মহালছড়িতে জেল হত্যা দিবস পালন

    মহালছড়িতে জেল হত্যা দিবস পালন

    রিপন ওঝা,মহালছড়ি।

    মহালছড়িতে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী অঙ্গ সংগঠন কর্তৃক আজ বৃহস্পতিবার ৩ নভেম্বর সকালের দিকে দলীয় কার্যালয়ের অস্থায়ী বেদীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করা হয় বিকাল ৫.৩০ঘটিকায় শহীদ জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পণ, জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের মধ্য দিয়ে শোকাবহ জেল হত্যা দিবস পালন করেছে।

    উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন মহালছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেতা জনাব রতন কুমার শীল, সঞ্চালনায় ছিলেন মহালছড়ি উপজেলা সাধারন সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন জসিম।

    আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি চিন্তাহরন শর্মা, নন্দন দে,সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ লাল মিয়া, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক রেজাউল হক মাসুদ , উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলাম, মহালছড়ি সরকারি কলেজ ছাত্র লীগের সভাপতি মোঃ হামিদুল ইসলাম।

    আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি মোঃ ফরিদ,সহসভাপতি মোঃ আলীম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ কুরাইশিন, জয় চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ধনঞ্জয় চৌধুরী।

    আলোচনা সভায় বক্তারা জেল হত্যা দিবসকে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র উল্লেখ করে বলেন, জাতীয় চার নেতা হত্যাকাণ্ড ছিল জাতির পিতাকে স-পরিবারে হত্যার ধারাবাহিকতা। এ ধরনের বর্বর হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। ষড়যন্ত্রকারীরা বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের অবদান রাখা চার নেতাকে হত্যা করার মাধ্যমে বাংলার মাটি থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নাম চিরতরে মুছে ফেলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস এবং বাঙালি জাতিকে নেতৃত্বশুন্য করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল। সেদিন যে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল তা আজও বন্ধ হয় নি। তারা শোককে শক্তিতে পরিণত করে” ২০৪১ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সকলকে যার যার অবস্থান থেকে ভুমিকা রাখতে সকলের প্রতি আহবান জানান।

  • দাপুনিয়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির কমিটির অনুমোদন, সুরুজ আহবায়ক-আবুল হোসেন সদস্য সচিব

    দাপুনিয়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির কমিটির অনুমোদন, সুরুজ আহবায়ক-আবুল হোসেন সদস্য সচিব

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা পল্লীমাতা বেগম রওশন এরশাদ এমপির নির্দেশনা মোতাবেক জাতীয় পার্টির সদর উপজেলার সাংগঠনিক কার্যক্রম কে আরো তরান্বিত করার মাধ্যমে জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্বপ্নের সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার লক্ষে দলকে শক্তিশালী সংগঠনের পরিণত করার লক্ষে জাতীয় পার্টি ময়মনসিংহের সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়ন শাখার আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় পার্টি ময়মনসিংহ সদর উপজেলা কমিটি। অনুমোদিত কমিটি ৩রা নভেম্বর দুপুরে জাতীয় সংসদের বিরোদী দলীয় নেতা,ময়মনসিংহের মহিয়সী নারী বেগম রওশন এরশাদ এমপির বাসভবনে সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির বর্ধিত সভায় নেতৃবৃন্দের হাতে হস্তান্তর করেন জাতীয় পার্টি সদর উপজেলা আহবায়ক কমিটির আহবায়ক ও পরানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হানিফ সরকার ও সদস্য সচিব আবজাল হোসেন হারুন। জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপির বিশ্বস্ত আস্থাভাজন ময়মনসিংহ মহানগর জাতীয় পার্টির আহবায়ক ডাঃ কে আর ইসলাম ও সদস্য সচিব আব্দুল আউয়াল সেলিম এর দিকনির্দেশনা মোতাবেক সদর উপজেলা আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক বৃন্দের সুপারিশ ও সর্বসম্মতিক্রমে সিরাজুল ইসলাম সুরুজ কে আহবায়ক ও আবুল হোসেনকে কে সদস্য সচিব করে ৫১ বিশিষ্ট জাতীয় পার্টির দাপুনিয়া ইউনিয়ন কমিটির অনুমোদন দেন সদর উপজেলা কমিটির আহবায়ক আবু হানিফ সরকার ও সদস্য সচিব আবজাল হোসেন হারুন। কমিটিতে যুগ্ম আহবায়ক পদে যথাক্রমে শহিদুল ইসলাম মাষ্টার,রফিকুল ইসলাম মিশু,জামান মিয়া,আব্দুল মোমেন,কাজল মিয়া,বাক্কা মিয়া,সোলাইমান আকন্দ কবির,নিলু মাষ্টার কে নিযুক্ত করা হয়েছে।

    এসময় ময়মনসিংহ সদর উপজেলার জাতীয় পার্টির আহবায়ক ও পরানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হানিফ সরকার সদস্য সচিব আবজাল হোসেন হারুন সহ সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সকল যুগ্ম আহবায়ক গণ উপস্থিত ছিলেন ।

    এসময় বক্তব্যে – ময়মনসিংহ সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা, ময়মনসিংহের মানবিক নেত্রী,উন্নয়নের রুপকার মহিয়সী নারী বেগম রওশন এরশাদের সুস্বাস্থ্য ও সুস্থতায় কামনায় দোয়া চেয়ে জাতীয় পার্টিকে ময়মনসিংহ জেলায় একটি শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করার মধ্য দিয়ে আগামী নির্বাচনে ময়মনসিংহ জাতীয় পার্টি তথা লাঙ্গল প্রতীকের বিজয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দ
    পরে তিনি দাপুনিয়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দের হাতে অনুমোদিত কমিটি হস্তান্তর করেন।

  • গৌরীপুরে পপি-সোমনাথ এর নেতৃত্বে জাতীয় চার নেতাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করলেন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ

    গৌরীপুরে পপি-সোমনাথ এর নেতৃত্বে জাতীয় চার নেতাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করলেন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ
    ময়মনসিংহের গৌরীপুরে জেল হত্যা দিবসে জাতীয় চার নেতাকে শোক আর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ।

    দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে সকালে
    দলীয় অফিসে কোরআন খানি মিলাদ, বিশেষ দোয়া, শোক র‌্যালি ও আলোচনা সভাসহ নানা আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

    দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় থেকে শোক র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন করা হয়। পরে দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নিলুফার আনজুম পপির সভাপতিত্বে জাতীয় চার নেতার স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ শাহা এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন
    গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারন সম্পাদকবৃন্দ এবং অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

    আলোচনা সভা শেষে ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুসহ নিহত সকলের প্রতি, স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহতদের প্রতি ও ৩ নভেম্বর জেলখানায় নিহত হওয়া সকল শহীদদের আত্নার শান্তি কামনায় দোয়া পড়ানো হয়।

    এসময় বক্তারা জাতীয় চার নেতার আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরে বলেন, দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের এ দেশের মানুষ সারা জীবন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। যে অপশক্তি জাতির পিতা ও তার পরিবার, জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে সেই শক্তি এখনো ওৎ পেতে আছে। তারা বারে বারে দেশের শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিনষ্ট করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের বিষয়ে সজাগ থাকতে সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।

  • ইসলামের প্রচার ও প্রসারে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা ইতিহাসে চিরদিন লেখা থাকবে- এইচ এম ফারুক

    ইসলামের প্রচার ও প্রসারে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা ইতিহাসে চিরদিন লেখা থাকবে- এইচ এম ফারুক

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে ইসলামের প্রকৃত পরিচর্যাকারী ছিলেন বলে মন্তব্য করে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী যুব লীগের যুগ্ম আহবায়ক এইচ এম ফারুক বলেছেন, বঙ্গবন্ধু উদার চেতনার অধিকারী একজন খাঁটি ঈমানদার মুসলমান ছিলেন।
    তিনি বলেন- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কখনও ইসলামকে রাজনৈতিক উদ্দেশে ব্যবহার করেননি। বাংলাদেশকে সব ধর্মের মানুষের জন্য শান্তির দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি সচেষ্ট ছিলেন।

    বুধবার (২রা নভেম্বর) ময়মনসিংহ সদর উপজেলা চর ঈশ্বরদিয়ার চর বড়বিলা দারুস সুন্নাহ হাফিজিয়া ও মহিলা মাদ্রাসার উদ্যোগে দিস্তারবন্দী উপলক্ষে স্থানীয় এলাকাবাসী ও যুবসমাজের সার্বিক সহযোগীতায়
    ৬ষ্ঠ বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) এর মহাসচিব অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজিজ এর অনুপস্থিতিতে তার পক্ষে বক্তব্যে এসব এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়নে যেমন নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তেমনি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি ও মূল্যবোধের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ইসলামের প্রচার ও প্রসারেও নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেমন একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের স্থপতি ছিলেন, তেমনি বাংলাদেশে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় ইসলামের প্রচার-প্রসারের স্থপতিও তিনি।

    যুবলীগ নেতা বলেন, পাকিস্তান আমলে হজযাত্রীদের জন্য কোনো সরকারি অনুদানের ব্যবস্থা ছিল না। বঙ্গবন্ধুই স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে প্রথম হজযাত্রীদের জন্য সরকারি তহবিল থেকে অনুদানের ব্যবস্থা করেন এবং হজ ভ্রমণ কর বাতিল করেন। ফলে হজ পালনকারীদের আর্থিক সাশ্রয় হয়। এইচএম ফারুক বলেন, মানুষকে এ অশান্তি থেকে মুক্তি দিতে পারে ইসলাম। তাই আল কুরআনের আলো প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান। তাদেরকে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে ভুমিকা রাখার অনুরোধ করে তিনি আরো বলেন, ইসলামের প্রচার ও প্রসারে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা ইতিহাসে চিরদিন লেখা থাকবে। বঙ্গবন্ধুর সাড়ে ৩ বছর এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ইসলামের খেদমতে যে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে পৃথিবীতে তার দৃষ্টান্ত বিরল।

    বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথ অনুসরণ করে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ মুজিবুর রহমান ইসলাম ধর্মের প্রসারে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন উল্লেখ করে এইচ এম ফারুক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় কর্মকাণ্ডকে যথাযোগ্য মর্যাদায় আসীন করেছেন। ইসলাম ধর্মের প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের জন্য মুসলিম সম্প্রদায়কে উৎসাহী করার কৃতিত্ব সম্পূর্ণ তার।

    তিনি বলেন, ইসলামের প্রচার-প্রসারে বঙ্গবন্ধুর অবদান এবং তারই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের অবদান অনেক। এ সরকার মসজিদ মন্দিরের যে উন্নয়ন করেছে তা কল্পনাতীত। ১০ হাজার কেটি টাকা ব্যয়ে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি নজিরবিহীন।

    তিনি বলেন, করোনাকালীন মসজিদের ঈমাম ও মোয়াজ্জিনদের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। কওমি মাদ্রাসাকে স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার। বঙ্গবন্ধু কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন এখন সরকারি অর্থে পরিচালিত অন্যতম একটি বৃহৎ সংস্থা হিসেবে বিশ্বনন্দিত। তিনি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কে আরও ত্বরান্বিত করতে আগামী নির্বাচনে আবারও সকলকে নৌকায় ভোট দেওয়ার আহবান জানান এবং তার বড় ভাই স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ স্বাচিপ এর মহাসচিব অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজিজ এর জন্য সকলের দোয়া প্রত্যাশা করেন।

    এসময় ময়মনসিংহ খাগডহর জামিয়া আশরাফিয়া প্রিন্সিপাল ও শায়খুল হাদিস আল্লামা তাজুল ইসলাম কাসেমী,ভালুকা তালাব কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি শফিক বিন নূরী,ময়মনসিংহ ক্বওমী মহিলা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুঞ্জুরুল ইসলাম জামালী,৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন বেপারী, মুফতি জহিরুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা মাসুম বিল্লাহ সোহাগসহ স্থানীয় এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

  • মোংলায় পূজা-অর্চনা ও পদাবলী কীর্তনের মধ্যদিয়ে শ্যামা পূজা উদযাপন

    মোংলায় পূজা-অর্চনা ও পদাবলী কীর্তনের মধ্যদিয়ে শ্যামা পূজা উদযাপন

    বায়জিদ হোসেন, মোংলা:
    মোংলায় নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্যদিয়ে উদযাপিত হচ্ছে শ্যামা পূজা। উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নের দক্ষিণ চাঁদপাই সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে মঙ্গলবার শুরু হয় শ্যামা পূজার পূজা-অর্চনা। মন্দির কমিটি ও গ্রামবাসীর আয়োজনে এ পূজা উদযাপন হচ্ছে। পূজার অর্থ ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা করেন প্রবাসী দীপু মৃধা। দক্ষিণ চাঁদপাই গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী দীপু মৃধার উদ্যোগে এবারই প্রথম দক্ষিণ চাঁদপাই সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে শ্যামা পূজা উদযাপিত হচ্ছে। আগামীতেও প্রতি বছর এ শ্যামা পূজা করার কথা জানিয়েছেন পূজার ব্যবস্থাপক দীপু মৃধা ও পূজা উদযাপন কমিটির উপদেষ্টা শ্রীমতি সুসমা মৃধা। দক্ষিণ চাঁদপাই সার্বজনীন দুর্গা মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি শংকর মন্ডল বলেন, গত ২৪ অক্টোবর অমাবশ্যার তিথিতে শ্যামা পূজার দিন ছিলো। কিন্তু ওই সময়ে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের কারণে তখন করা সম্ভব হয়নি। তাই মঙ্গলবার থেকে শ্যামা পূজা উদযাপন করা হচ্ছে। শ্যামা পূজার পাশাপাশি বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পরিবেশিত হচ্ছে পদাবলী কীর্তন। এতে খুলনার তেরখাদার রাম কৃঞ্চ সম্প্রদায় পরিবেশন করছেন নিমাই সন্নাসী পালা আর বাগেরহাটের কচুয়ার অশোক মিত্র সম্প্রদায় পরিবেশন করছে ভক্ত নরোত্তম পালা। পূজা ও কীর্তন উপভোগে দিন গড়িয়ে গভীর রাত পর্যন্ত মন্দির চত্বরে সহস্রাধিক নারী-পুরুষ ভক্তের সমাগম ঘটে। পূজা ও কীর্তন পালা শেষে শুক্রবার দিনের জোয়ারে শ্যামা পূজার প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হবে বলে জানান মন্দির কমিটির নেতা শংকর মন্তল। এদিকে এ পূজাকে ঘিরে সেখানে বসেছে মেলার আদলে বিভিন্ন দোকানপাটও।

  • বঙ্গবন্ধুর ছবি বাদ দিয়ে দুই ভাইয়ের ছবি দিয়ে সরকারী টাকায় ম্যুরাল নির্মাণ করায় সমালোচনার মুখে এমপি রতন

    বঙ্গবন্ধুর ছবি বাদ দিয়ে দুই ভাইয়ের ছবি দিয়ে সরকারী টাকায় ম্যুরাল নির্মাণ করায় সমালোচনার মুখে এমপি রতন

    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

    সুনামগঞ্জের নবগঠিত মধ্যনগর উপজেলা চত্বরে এডিবি’র বরাদ্দ থেকে কোন প্রকার টেন্ডার ছাড়াই কোটেশনের মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা ব্যায় দেখিয়ে মাত্র ৩লাখ টাকায় জাতির জনকের ছবি বাদ দিয়ে স্থানীয় এমপি রতন ও তার ভাই ধর্মপাশা উপজেলা চেয়ারম্যান রুকনের ছবি ব্যবহার করায় প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে।

    মঙ্গলবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাতির জনকের ছবি বাদ দিয়ে সরকারী টাকায় এমপি রতন ও তার ভাই উপজেলা চেয়ারম্যান রুকন এর ছবি ছড়িয়ে পড়লে নিন্দার ঝড় উঠে। নানান অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত সুনামগঞ্জ-১ আসনের বির্তকিত এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতন আবারও আলোচনার শীর্ষে জেলা জুড়ে। সরকারী টাকায় নির্মিত মুর‌্যালে জাতির জনকের ছবি বাদ দিয়ে রতন-রুকনের ছবি সংযুক্ত করায় জাতির জনককে চরম অপমানকারী এমপি ও তার ভাইয়ের দৃষ্টান্তুমুলক শাস্তির দাবি জানিয়ে মধ্যনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্য্য নির্বাহী কমিটির সদস্য সাজেদা আহমেদ স্মারক লিপি দাখিল করেছেন। সাজেদা আহমেদ জানান, বঙ্গবন্ধুর মুর‌্যাল স্থাপন না করেই এই ত্রয়ী মুর‌্যালটি স্থাপনের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গুরুত্বহীন করার অপচেস্টাকারীদের আইনানুগ শাস্তির দাবী জানাচ্ছি। সেই সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুর‌্যালকেও বিকৃত করে রতন-রুকন ভ্রাতৃযুগলের প্রতিকৃতি সম্বলিত ত্রয়ী মুর‌্যাল নির্মান করেও প্রধানমন্ত্রীকে হেয় প্রতিপন্ন করার দৃষ্টতা প্রদর্শনকারীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি। এ নিয়ে স্থানীয় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে চরম উত্তেজনা ও নিন্দার ঝড় বইছে।

    মধ্যনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পরিতোষ জানান, জাতির জনকের ছবি বাদ দিয়ে স্থানীয় এমপি ও তার ভাই অন্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন রুকনের ছবি ব্যবহারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছি । সেই সাথে বঙ্গবন্ধুকে তিরস্কারকারী এমপি রতন ও তার ভাই রুকনের ছবি সরানোসহ তাদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী করছি।

    এ ব্যাপারে ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুনতাসির হাসান জানান, ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে এডিপি’র বরাদ্দ থেকে মধ্যনগর উপজেলা চত্বরে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি সম্বলিত মুর‌্যাল তৈরীর নির্দেশনা ছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত মুর‌্যালের ছবি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। অন্য কাহারো ছবি ব্যবহার করা হলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হবে।

    সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, দুই ভাইয়ের ছবি স্থাপনে কোন পারমিশন নেয়া হয়নি। বঙ্গবন্ধুর সাথে কোন তুলনা হয় না। বঙ্গবন্ধুর মুর‌্যালের সাথে অন্য কাহারো ছবি দেয়া যাবে না। এ বিষয়টি আমার জানা নাই। এখন জানলাম। আমি খোঁজ খবর নিব।

    এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এর বক্তব্য জানতে চাইলে তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ০১৭১৫০২০৮৩৩ এর বার বার কল দিলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

    ##