Author: desk

  • সিংড়ায় খেজুর গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত গাছিরা

    সিংড়ায় খেজুর গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত গাছিরা

    মোঃ এমরান আলী রানা সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি।
    আবহমান কাল থেকে বাংলায় নবান্নের উৎসব পালনে খেজুর গুড়ের কদর বেশি। তাই শীতের আমেজ শুরু হওয়ার সাথে সাথে চলনবিলাঞ্চলের সিংড়া উপজেলায় গাছিরা খেজুরের রস আহরণের জন্য গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, গাছিরা গাছ পরিষ্কার করার জন্য দা, দড়ি তৈরি, মাটির ঠিলে ক্রয় ও রস জ্বালানো জায়গা ঠিক করাসহ বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত রয়েছে।

    দুপুরের সূর্য মাথার উপর থেকে পশ্চিমে হেলতে শুরু করেছে। হালকা বাতাসে খেজুর গাছের লম্বা পাতা দোল খাচ্ছে। সেই ফাকে সোনালি সূর্যের রঙ্গিন আভা রসের হাড়িতে পড়ে চিকচিক করছে। খেজুর গাছের মাথায় উঠে দড়ি পেঁচিয়ে গাছ থেকে রস সংগ্রহের জন্য গাছের মাতি ও ময়লা পরিস্কার করছেন গাছিরা। কোমরের ডান পাশে পেঁচানো দড়িতে ছোট্ট বাঁশের খাঁচিতে কিছু ধারালো বাটাল আর পেছনে রসের হাড়ি ঝোলানো তাঁদের। দৃশ্যটি উপজেলার মহিষমারী থেকে সোনাপুর, পাঙ্গাশিয়া, কলম হয়ে শাঐল গ্রামীণ সড়কের। মনকাঁড়া এ দৃশ্য উপভোগ করার মত।

    গাছিরা বলেন, শীত চলে আসছে। এখন খেজুর গাছ তোলার সময়। খেজুর রসের গুড়-পাটালি তৈরি করে সিংড়া, কলম, হাতিয়ান্দহ, বিলদহর, শেরকোল, বিয়াশ, চাচকৈড়, নাটোর, মৌখাঁড়া, তেবাড়িয়া, নলডাঙ্গা, আহসানগঞ্জ ও তাড়াশ বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করা হয়। এখান থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে চলে যায়। এতে আমরা লাভবান হয়ে থাকি।

    উপজেলার পুঠিমারী গ্রামের কামরুল ইসলাম বলেন, বাড়িতে কয়েকটা খেজুর গাছ রয়েছে, নিজেই রস সংগ্রহ করে গুড় তৈরি করে বিক্রি করে থাকি।

    উপজেলার বেলোয়া গ্রামের গাছি মজিবর রহমান বলেন, প্রতিবছর এক’শ থেকে দেড়’শ খেজুরের গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে গুড় তৈরি করে থাকি। গাছের মালিককে ৪-৫ কেজি করে গুড় দিতে হয়।

    পৌর শহরের রফিকুল ইসলাম রপু নামের একজন গাছি জানান, কয়েকটা গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে গুড় তৈরি করছি। গুড়ের দাম বেশি পাবো তবে অন্যান্য খরচও বেশি।

    স্থানীয় গাছি ছাড়াও রাজশাহীর বাঘা উপজেলা থেকে প্রতি বছর গাছিরা এসে এ অঞ্চলে খেজুর গাছ ভাড়া নিয়ে রস থেকে গুড় তৈরি করে থাকেন। উপজেলার চৌগ্রাম, সোহাগবাড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় টাকা ও গুড়ের বিনিময়ে গাছ ভাড়া নিয়ে শত শত খেজুর রস সংগ্রহ করে সুমিষ্ট গুড় তৈরি করে বাজারজাত করছেন তারা।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সেলিম রেজা বলেন, খেজুর গাছ রোপণ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমরা কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। উত্তরাঞ্চলের খেজুর গুড়ের চাহিদা দেশজুড়েই। খেজুর গুড়ের মধ্যে পাটালী আর লালীই বেশি প্রসিদ্ধ। এ বছর গুড়ের দাম বেশি হওয়ায় গাছিরা লাভবান হবে বলে আমরা আশাবাদী।

    মোঃ এমরান আলী রানা
    সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি
    সিংড়া, নাটোর

  • পানছড়িতে পাকা ধান ঘরে তোলার প্রস্তুতি চলছে

    পানছড়িতে পাকা ধান ঘরে তোলার প্রস্তুতি চলছে

    মিঠুন সাহা,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    কার্তিকের শেষ হতেই মাঠগুলো ছেয়ে গেছে পাকা ধানে। শুরু হয়েছে কৃষকের ঘরে ধান উঠানোর প্রস্তুতি। অন্যবারের চেয়ে এবারও রেকর্ড পরিমাণ আমন ধানের ফলন হওয়ায় জেলার পানছড়ির কৃষকেরা আগে বাগেই ধান কাটা শুরু করেছেন আবার অনেকেই ধান কাটার প্রস্তুতিও নিচ্ছে।

    উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানতে চাইলে সহকারি কৃষি কর্মকর্তা অরুনাঙ্কর চাকমা জানান , গতবারের চেয়ে এবছর আমন ধানের চাষ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি হয়েছে। এবার উপজেলায় আউস ধানে ৭৬৫ হেক্টর ও আমন ধানে ৩৭৯৫ হেক্টর জমিতে চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো। উফশি জাতের আমন ধানে ৩৬৩৫হেক্টর ও স্থানীয় বিনি,কালোজিরা , ছক্কা পান্জা ১৬০ হেক্টর সহ মোট ৩৭৯৫ হেক্টর জমিতে ফসল উৎপাদিত হয়েছে । তবে সাম্ভাব্য হেক্টর প্রতি গড়ে উৎপাদিত ৫ দশমিক ৫ মেট্রিক টন হারে মোট ২০ হাজার ৮ শত ৭৩ মেট্রিক টন ধান উৎপাদিত হবে আশা করা যায়।

    উপজেলার নালকাটা,ঝাগুরনালা, শান্তিপুর, লতিবান, মন্জ আদাম, মির্জাবিল, পুজগাং, চেঙ্গী ,লোগাং , সুতকর্মা পাড়া , চৌধুরী পাড়া সহ বেশ কিছু গ্রামে গিয়ে দেখা যায় কৃষকেরা ধান কাটছেন ও অনেকেই কাটার প্রস্তুতি শুরু করেছেন। ধান কাটছেন মির্জাবিলের স্বর্ণা চাকমা । তিনি জানান, আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবার ফলন ভালো পেয়েছি। তবে সঠিক দামে বিক্রি করতে না পারলে ঘাটতি থাকবে।

  • ময়মনসিংহ সদর ভূমি অফিসে এসিল্যান্ডের দালাল বিরোধী অভিযানে আটক দালাল সাজারুল

    ময়মনসিংহ সদর ভূমি অফিসে এসিল্যান্ডের দালাল বিরোধী অভিযানে আটক দালাল সাজারুল

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলার ভূমি অফিসের দালালদের মহা আতঙ্কের নাম এখন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি (এসি ল্যান্ড) এইচ এম ইবনে মিজান । একের পর এক ভূমি অফিসের দালালদের পাকড়াও, গ্রেফতার, মুচলেকা আদায়পুর্বক সতর্কতার ধারাবাহিকতায় আবারো গ্রেফতার হল সাজারুল নামে পেশাদার এক দালাল।

    গ্রেফতারকৃত দালার সাজারুল ইসলাম জারুয়া ইউনিয়নের চান মিয়ার পুত্র বলে জানা গেছে।

    মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর ) দুপুর ১২ টার সময় সদর উপজেলার ৩জন ভূমি মালিকের কাছে নামজারী করা বাবদ ২০হাজার টাকা দাবী করে দর কষাকষি করার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার ভূমি ( এসিল্যান্ড) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম ইবনে মিজান ভ্রাম্যমান অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করেন। পরে আর কোনদিন দালালী করতে আসবেনা মর্মে দন্ডনীয় আইনে জরিমানা করে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন এসিল্যান্ড ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম ইবনে মিজান।

    সদর সহকারী কমিশনার ভূমি এসিল্যান্ড এইচ এম ইবনে মিজান জানান- মঙ্গলবার ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ভূমি অফিস থেকে সাজারুল নামের এই দালালকে আটক করা হয়েছে।
    তিনি জানান-আটককৃত দালাল বিভিন্ন মানুষকে নামজারি করে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধ অর্থ দাবি করতেন। তথ্য পেয়ে অভিযুক্ত সাজারুল ইসলাম কে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৮ ধারায় জরিমানা করা হয় ও মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম ইবনে মিজান জানান, ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ভূমি অফিসে যোগদানের পর থেকে পেশাদার/অপেশাদার প্রায় ১০-১৫ জন দালালকে গ্রেফতার করে সদর উপজেলা ভূমি অফিসকে দালালমুক্ত ঘোষনা করার অনেকদুর অগ্রসর করতে সক্ষম হয়েছি, যা ইতিমধ্যে সরকারের ভূমি মন্ত্রনালয়েরও দৃষ্ঠি আকৃষ্ট হয়েছে। ভূক্তভোগী, পেশাদার ও সচেতন মহলের যে কারো নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে ভূমি অফিসকে সম্পুর্ন দালালমুক্ত করতে এবং হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা নিশ্চিতকরণে
    দালাল চক্রের বিরুদ্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

  • তারাগঞ্জে দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কর্মে ফাঁকির অভিযোগ

    তারাগঞ্জে দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কর্মে ফাঁকির অভিযোগ

    খলিলুর রহমান খলিল , নিজস্ব প্রতিনিধি:
    ৪ কক্ষ বিশিষ্ট দ্বিতল ভবন। বিদ্যালয়ের সামনে উড়ছে জাতীয় পতাকা। শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে ও বারান্দায় বাঘ- বকরি খেলায় ব্যস্ত। বিদ্যালয়ে খাতায় কলমে ৪জন শিক্ষক থাকলেও ৩জন শিক্ষকই অনুস্থিত ১জন শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সামাল দিতে ব্যস্ত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে ইমানগঞ্জহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।

    উপজেলা শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে মনোরম পরিবেশে এ বিদ্যালয়ের অবস্থান থাকলেও শিক্ষাব্যবস্থা ঝিমিয়ে পড়েছে। শিক্ষার নামে চলছে তেলেসমাতি কারবার। শিক্ষার্থীদের সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কয়টি বিষয়ের পাঠদান হয়েছে বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তারা বলে, আমাদের প্রতিদিন ৩টি বিষয়ের ক্লাস হওয়ার কথা থাকলেও এ পর্যন্ত মাত্র ১টি ক্লাস হয়েছে। বাকি ক্লাসের খবর নাই। স্যারেরাও স্কুলে নাই।

    বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হাফিজা বেগম জানান, আমাদের প্রধান শিক্ষক কাজ আছে বলে বিদ্যালয় থেকে বেড় হয়েছেন। কি কাজ তা জানি না। একজন সহকারী শিক্ষক একটি ক্লাস নিয়ে বাড়িতে ভাত খেয়ে ও নামাজ পড়ে আসবেন। আরেকজন ছুটিতে আছেন।

    দুপুর ১টা ১৪ মিনিটে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আইয়ুব আলীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের জন্য ২বার চেষ্টা করলেও রিসিভ করেননি তিনি।

    একই অবস্থা দেখা গেছে শ্যামগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনন্ত কুমার রায়ে বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার কারনে বিদ্যালয়ে সঠিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা অফিস যাওয়ার ছলে কর্মে ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ফলে শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যঘাত ঘটেছে।

    সকাল সাড়ে ১০টায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ে দুটি শ্রেণী কক্ষে পাঠদান চলছে। অফিস কক্ষের দড়জা খোলা ছিল। প্রধান শিক্ষক অনন্ত কুমার অফিসে নেই। একজন সহকারী শিক্ষককে প্রধান শিক্ষক অফিসে না থাকার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্যার একটু আগে বাইরে গেলেন। মনে হয় স্যার তারাগঞ্জে যাবেন। স্কুল থেকে ফেরার পথে দেখা যায় এলাহীর বাজারের একটি দোকানে কয়েকজন লোকের সাথে খোশগল্পে মেতে আছেন তিনি। সেখানে সাংবাদিকদের দেখতে পেয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসে যাওয়ার অজুহাত দেখান।

    সকাল ১১ টা ১০ মিনিটে প্রধান শিক্ষকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে প্রথম বার তিনি ফোনটি কেটে দেন। দ্বিতীয়বার ফোন দিলে ফোন রিসিভ করে তিনি রাগান্বিত হয়ে বলেন, আমি এখন ব্যস্ত আছি। তারাগঞ্জে শিক্ষা অফিসে যাচ্ছি বলে ফোনটি কেটে দেন।

    প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি জানতে চাইলে বুড়িরহাট ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ওনাকে তো আমি এখন অফিসে আসতে বলিনি। দুপুরের পর আসতে বলেছি।
    তিনি আরও বলেন, আমার কাছে আগে স্কুল, পরে অফিস। এটা আমি সবসময় শিক্ষকদের বলি।

    উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আঞ্জুমান আরা বেগম বলেন, বিষয়টি জানা ছিলোনা আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। এর তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • শিশু হত্যা মামলায় জয়পুরহাটে ১৪ বছর পর ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    শিশু হত্যা মামলায় জয়পুরহাটে ১৪ বছর পর ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শিশু হত্যা মামলায় প্রায় ১৪ বছর পর ৪ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। এছাড়া সশ্রম কারাদন্ড প্রাপ্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সোমবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নূরুল ইসলাম এ রায় প্রদান করেন।

    কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, জেলার ক্ষেতলাল পৌর এলাকার সূর্যবান গ্রামের মৃত.মোবারক মন্ডলের ছেলে বাবলু মন্ডল,একই গ্রামের মৃত.ইংরাজ মন্ডলের ছেলে আমিনুল ইসলাম ওরফে লালু,মৃত.আঃ কাদেরের ছেলে আব্দুল হামিদ ও ফিতা মিয়ার ছেলে কাজল।

    মামলার বিবরণে জানা যায়, ক্ষেতলাল উপজেলার সূর্যবান গ্রামের ওবাইদুর রহমান গত ২০০৮ সালের ৩ মে সকাল ৮ টায় রাজমিস্ত্রী কাজের সন্ধানে এলাকার বাহিরে যান এবং শিশুটির মা শিরিনা আক্তার ঝিয়ের কাজ করার জন্য ক্ষেতলালের জাকস অফিসে যান। প্রতিদিনের ন্যায় ওবাইদুর রহমানের শ্বাশুড়ীর কাছে তার ৮ বছরের পুত্র সন্তান শিশু তানভীর ও ১০ বছরের মেয়ে হাবিবাকে রেখে যান। ওই দিন সন্ধ্যা ৭ টায় ওবাইদুর ও তার স্ত্রী কাজ শেষে বাড়িতে ফিরে দেখে তার শিশু পুত্র তানভীর বাড়িতে নেই। সে সময় শিশুর বাবা-মা ও আত্মীয় স্বজনরা চারদিকে খোঁজাখুজি করে শিশুটির কোন সন্ধান পেলেও। এক পর্যায়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার সময় ওবাইদুর রহমান এর বাড়ির পশ্চিম পার্শে জনৈক আনিছুর রহমানের পুকুরে পানিতে শিশু তানভীরের মরদেহটি স্থানীয়রা দেখতে পায় এবং তাদের সহযোগিতায় পুকুর থেকে শিশু তানভীরের মরদেহটি উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসলে এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।

    এলাকাবাসী ও নিহত শিশুর পরিবার জাতীয় দৈনিক যায়যায়কাল কে জানান,কারাদণ্ড প্রাপ্তদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের চলে আসছিলো। তারা পূর্বপরিকল্পিত ভাবে ওবাইদুর রহমান এর পরিবারকে অপূরনীয় ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে তার পুত্র সন্তান শিশু নৃশংসভাবে গলা টিপে হত্যা করে পুকুরে ফেলা হয়। ঘটনার রাতে আসামিরা বাদীর বাড়ির আশেপাশে ঘুরা ফিরা করতে দেখে। এই ব্যাপারে শিশুটির বাবা ওবাইদুর রহমান বাদী হয়ে ঘটনারদিন রাতে ক্ষেতলাল থানায় আসামীদের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে ক্ষেতলাল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সিদ্দিকুর রহমান মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত করে গত ১২/০৮/২০০৮-ইং সালে তারিখে আসামীদের বিরুদ্ধে অত্র মামলায় অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।

    ওই মামলায় ১০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৯ জন সাক্ষীকে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে প্রদান করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন,এ্যাড.নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল-পিপি ও এ্যাড.গকুল চন্দ্র মন্ডল-এপিপি। আসামী পক্ষ থেকে মামলা পরিচালনা করেন এ্যাড.এ, ই, এম খলিলুর রহমান,এ্যাড.মোস্তাফিজুর রহমান ও এ্যাড.আহসান হাবীব চপল প্রমুখ।

    এবিষয়ে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী এ্যাড.নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল-পিপি,মঙ্গলবার সকালে জাতীয় দৈনিক যায়যায়কাল কে ৪ জন আসামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • ধামইরহাটে ৩ হাজারের অধিক কৃষকের মাঝে কৃষি প্রনোদনা বিতরণ করলেন এমপি শহীদুজ্জামান সরকার

    ধামইরহাটে ৩ হাজারের অধিক কৃষকের মাঝে কৃষি প্রনোদনা বিতরণ করলেন এমপি শহীদুজ্জামান সরকার

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে ৩ হাজারের অধিক কৃষকের মাঝে কৃষি প্রনোদনা বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তরের উদ্যোগে ২০২২-২৩ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক পরিবারকে বিনামূল্যে বিভিন্ন বীজ ও রাসায়নিক সার সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. শহীদুজ্জামান সরকার এমপি।

    মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২ টায় উপজেলা হলরুমে ইউএনও আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে কৃষি প্রনোদনা বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আজাহার আলী, সরকারি এম এম কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ মো. শহীদুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা, ওসি মোজাম্মেল হক কাজী, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ তৌফিক আল জোবায়ের, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ আসাদুজ্জামান, সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষন বিষয়ক কর্মকর্তা আলেফ উদ্দিন, সিনিয়র সাংবাদিক এম এ মালেক, সাংবাদিক জাহিদ হাসান প্রমুখ।
    উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ তৌফিক আল জোবায়ের জানান, বিভিন্ন ক্যাটাগরির তালিকাভুক্ত কৃষককে গম ২০ কেজি, ভুট্টা ২ কেজি, সরিষা ১ কেজি, মসুর ডাল ৫ কেজি, মুগ ডাল ৫ কেজি, খেসারি ডাল ৮ কেজি, সূর্যমুখী ১ কেজি, চিনাবাদাম ১০ কেজি এবং পেঁয়াজ বীজ ১ কেজি করে মোট ৮ টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভার ৩ হাজার ২২০ জন কৃষককে এ কর্মসূচিতে এসব উপকরণ সহায়তা দেওয়া হবে।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • পটিয়ায় মৃত্যু বার্ষিকী পালিত মুক্তিযোদ্ধা এসএম ইউসুফ ছিলেন ত্যাগী ও  আদর্শিক নেতা

    পটিয়ায় মৃত্যু বার্ষিকী পালিত মুক্তিযোদ্ধা এসএম ইউসুফ ছিলেন ত্যাগী ও আদর্শিক নেতা

    মহিউদ্দীন চৌধুরীঃ মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এসএম ইউছুপ ত্যাগী ও আর্দশিক নেতা ছিলেন৷ তিনি দলের জন্য অনেক কিছু করেছেন। যদিও বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাজনীতিতে ত্যাগের মূল্যায়ন কম। বিশেষ কিছুলোকের কারণে প্রধানমন্ত্রীর সকল অর্জন ধবংস হচ্ছে। এসএম ইউছুপের রাজনীতিক জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে যাওয়ার আহবান জানান।

    এই নেতার ৬ষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নে নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের উদ্যাগে দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভায় বক্তারা একথা বলেন৷

    এসময় বক্তব্য রাখেন- নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা কাজী মোরশেদ, জাহাঙ্গীর মেম্বার, ইউসুফ খাঁন, ফাউন্ডেশনের অর্থ সচিব নজরুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা খোরশেদ আলমসহ আরো অনেকে।

    দোয়া মাহফিলের পূর্বে মরহুম কবরস্থানে নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডক্টর জুলকারনাইন চৌধুরী জীবনের পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

  • আগৈলঝাড়ায় ফ্রিজে রাখা গরুর মাংসে রক্ত মিশিয়ে বিক্রি, বিক্রেতার এক মাসের কারাদণ্ড

    আগৈলঝাড়ায় ফ্রিজে রাখা গরুর মাংসে রক্ত মিশিয়ে বিক্রি, বিক্রেতার এক মাসের কারাদণ্ড

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ফ্রিজে সংরক্ষণ করা গরুর মাংসে পুরোনো রক্ত মিশিয়ে তাজা মাংস বলে বিক্রির অপরাধে বাদল সরদার নামে এক ব্যক্তিকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) সকালে উপজেলা সদর বাজারে অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। এসময় ফ্রিজে সংরক্ষণ করা গরুর মাংসে রক্ত মিশিয়ে বিক্রির অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে বাদলকে এই কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
    মাংস বিক্রেতা বাদল সরদার পাশের গৌরনদী উপজেলার লাখেরাজ কসবা গ্রামের মজিবর সরদারের ছেলে। তিনি আগৈলঝাড়া উপজেলা সদর বাজারে দীর্ঘদিন ধরে গরুর মাংস বিক্রি করেন।
    ইউএনও মোঃ সাখাওয়াত হোসেন জানান, ফ্রিজে সংরক্ষণ করা গরুর মাংসে পুরোনো রক্ত মিশিয়ে তাজা মাংস বলে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে- ক্রেতাদের এমন অভিযোগ পেয়ে তিনি সেখানে যান। বাদল সরদারের দোকানে গিয়ে একটি পলিথিনের মধ্যে পুরোনো রক্ত এবং ফ্রিজে সংরক্ষণ করা গরুর মাংস বিক্রি করতে দেখতে পান। এসময় মাংসের রং দেখে সন্দেহ হলে জানতে চাইলে বাদল বিষয়টি প্রথমে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে বাদল জানান, ফ্রিজে রাখলে ওই মাংস সাদা হয়ে যায়। তাই ফ্রিজে রাখা পুরোনো রক্ত মিশিয়ে তাজা গরুর মাংস বলে বিক্রি করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এটা ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা। ফ্রিজে রাখা গরুর মাংসে পুরোনো রক্ত মিশিয়ে তাজা মাংস বলে বিক্রির অপরাধে বাদল সরদারকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
    উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, রঙ লাল ও তাজা দেখাতে পুরাতন রক্ত মিশিয়ে মাংস বিক্রি করা হচ্ছিল। যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। তিনি কোথাও এ ধরনের মাংস বিক্রি করতে দেখলে ক্রেতাদের প্রশাসনকে জানানোর অনুরোধ করেন।

  • নাগেশ্বরীতে গিরাই নদী খনন না করেই বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ

    নাগেশ্বরীতে গিরাই নদী খনন না করেই বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে গিরাই নদী পুরোপুরি খনন না করেই বিএমডিএর প্রকৌশলীদের যোগসাজশে বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ বিরুদ্ধে।

    জানা গেছে, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ইআইআর প্রকল্প) রংপুর সাকের্লের আওতায় নাগেশ্বরী অফিসের তত্ত্বাবধানে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ ২টি প্রকল্প নাগেশ্বরী পুরাতন পৌর বাজারের রুইয়ারপাড় হতে বোয়ালের দাঁড়া পর্যন্ত গিরাই নদীর দুই কিলোমিটার পুনঃ খনন কাজ ৫০লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২০২১সালের ডি‌সেম্ব‌রে মাসে কাজ শুরু করে ২০২২সা‌লের মার্চ মাসের ম‌ধ্যে খাল খনন কাজ সমাপ্ত করার কথা থাক‌লেও এক‌টির কাজ ক‌রে বিল গ্রহন ক‌রে কিন্তু অপর একটির কাজ‌ শেষ না করায় তার বিল‌ আট‌কি‌য়ে রাখা হয়। সাম্প্রতি সেই অসমাপ্ত প্রকল্পের কাজ অসমাপ্ত রেখেই সহকারী প্রকৌশলী (চঃ দাঃ) মো. আলমগীর কবীর ও ভারপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ না‌হিদ আ‌লীর (মুলপদ সহকারী মেকা‌নিক) যোগসাজ‌শে ২৫লাখ টাকা বিল উ‌ত্তোল‌নের অ‌ভি‌যোগ উ‌ঠে‌ছে মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি শেখ পারভেজ এর বিরু‌দ্ধে।

    অভিযোগ রয়েছে সহকারী প্রকৌশলী আলমগীর কবীর ও নাহিদ আলীর সা‌থে ঠিকাদার প্রতি‌নি‌ধি চুক্তিবদ্ধ হয়ে খাল খনন কাজ সম্পন্ন হওয়ার প্রতিবেদন দেয় এবং সেই প্রতি‌বেদন অনুযায়ী বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কতৃপক্ষ রংপুর সার্কেলের (ইআইআর) প্রকল্প পরিচালক ঠিকাদার‌কে বিলের চেক প্রদান করে। গিরাই খালটির অর্ধেক খনন করায় এটি কোনো কাজেই আসছে না। বিলের বাধঁ ভাঙ্গাসহ বিলের গভীরতা না থাকায় একদিকে চাষাবাদে পানি সংকট ও অন্যদিকে কৃষিপণ্য আনা- নেওয়ায় ভোগান্তিতে ক্ষুব্ধ চাষি।

    স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, নামমাত্র গিরাই নদী খনন করায় কোন উপকারে আসবেনা আমাদের। ঠিকাদার মেশিনপত্র নিয়ে সরে পড়েন।

    মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ (নওগাঁ) প্রতিনিধি শেখ পারভেজ জানান, আমরা গিরাই নদীর কাজ খনন শেষ করে বিল উত্তোলন করেছি।
    নাগেশ্বরী বিএমডিএর সহকারী মেকানিক, সহকারী প্রকৌশলী সরেজমিনে কাজ দেখে রংপুরে বিলের জন্য প্রতিবেদন দিয়েছেন এবং রংপুর সার্কেলের (ইআইআর) প্রকল্প পরিচালক আমাকে বিলের চেক দিয়েছেন।

    অপরদিকে প্রকল্প প‌রিচালক হা‌বিবুর রহমান খা‌নের মৌ‌খিক নি‌র্দেশে ১৪নং গ্রেডভুক্ত কর্মচারী না‌হিদ আলী‌কে অপক‌র্মের উ‌দ্দে‌শ্যে উপ-সহকারী প্রকৌশলীর দা‌য়িত্ব প্রদান করা হ‌য়। না‌হিদ আলী তার পূ‌র্বের কর্মস্থলগু‌লোতে একইভা‌বে অপক‌র্মে জ‌ড়িত থাকারো তথ্য পাওয়া গে‌ছে।

    নাগেশ্বরী বিএমডিএর সহকারী মেকানিক নাহিদ আলী (উপ-সহকারী প্রকৌশলী ভারপ্রাপ্ত) বলেন, সহকারী প্রকৌশলী আলমগীর কবীর বলতে পারবেন।

    নাগেশ্বরী বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলী আলমগীর কবীর জানান, আমি কুড়িগ্রাম, নাগেশ্বরী ও উলিপুর উপজেলার দায়িত্বরত। এখন ব্যস্ত আছি পরে কথা কথা বলবো।

    বিএমডিএর কুড়িগ্রাম নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিননুরাইন খান বলেন, আমি অসুস্থ আছি। কথা বলতে পারছি না।

    বহুমুখী উন্নয়ন কতৃপক্ষ রংপুর সার্কেলের (ইআইআর) প্রকল্প পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান খানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

    নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা জাহান বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে অনিয়ম পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুর রশীদ এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, তদন্ত টিম গঠন করে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • মধুপুরে জেলা পরিষদের নির্বাচন স্থগিত

    মধুপুরে জেলা পরিষদের নির্বাচন স্থগিত

    মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:
    টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে মধুপুর কেন্দ্রে বাদ পড়া ভোটারদের আবেদনের প্রেক্ষিতে নির্বাচন স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। বাদ পড়া ভোটারদের পক্ষে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি মোহাম্মদ আলী।
    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ১৭ অক্টোবর টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে মধুপুর কেন্দে ১৫৭ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৮৪ জন। বাকী ৭৩ জন ভোটার তাদের ভোট দিতে পারেনি। এ কারনে ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
    মধুপুর উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলা পরিষদ নির্বাচনে তফসিল কালীন সময়ে যে তালিকা হয়েছিলো পরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। ঐ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নতুন ও পুরানো সদস্যদের মধ্যে যারা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে সেই সকল সদস্যদের নাম আজকে নির্বাচনের ভোটার তালিকা নেই। ফলে নতুন ও পুরোনো অনেক ভোটারগণ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। এতে ভোটাররা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
    প্রার্থী ও বাদপড়া ভোটারদের অভিযোগ, তারা ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ায় ভোট দিতে পারেননি। ভোট দিতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাড়ী ফিরে যান।
    রিটকারি আইনজীবি মোহাম্মদ আলী জানান, জেলা পরিষদ নির্বাচনে মধুপুর কেন্দ্রে যোগ্য ভোটাররা বাদ পড়ায় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দেয়া হয়েছিল। মহামান্য হাইকোর্ট পিটিশনটি আমলে নিয়ে এক মাসের জন্য ১ নং কেন্দ্রের নির্বাচন স্থগিতাদেশ দিয়েছেন।