Author: desk

  • সুন্দরগঞ্জে এমপির হাতকে শক্তিশালীর লক্ষ্যে জাতীয় সংহতির আলোচনা সভা

    সুন্দরগঞ্জে এমপির হাতকে শক্তিশালীর লক্ষ্যে জাতীয় সংহতির আলোচনা সভা

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
    গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় স্থানীয় এমপি ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে জাতীয় যুব সংহতির এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার উপজেলা যুব সংহতির উদ্যোগে রামজীবন ইউনিয়নের বাজার মহাবিদ্যালয় শিক্ষক সম্মেলন কক্ষে ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার নেতাকর্মীদের নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা জাতীয় যুব সংহতির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিজের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা যুব সংহতির সভাপতি সাইদুর রহমান, সিঃ সহঃ সভাপতি, মোঃ শাহজাহান কবির মিঠু,, সহ সভাপতি, মোঃ শহিদুল ইসলাম, মাষ্টার বেলকা ইউনিয়ন সভাপতি,, মোঃ মমিনুল ইসলাম,, তারাপুর ইউনিয়ন সভাপতি পলাশ প্রমূখ

  • বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জের ১০ প্রতিষ্ঠানকে প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের চেক প্রদান

    বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জের ১০ প্রতিষ্ঠানকে প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের চেক প্রদান

    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    সুনামগঞ্জ জেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বীমা গ্রাহকদের বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করা হয়েছে৷ আজ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় পৌরশহরের একটি অভিযাত রেষ্টুরেন্টে প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি সিলেট শাখা এবং অগ্রনী ব্যাংক সুনামগঞ্জ ও দিরাই শাখার পক্ষ থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত যে সকল ঋণ গ্রহীতা তাদের ঋণের পক্ষে ইন্স্যুরেন্স করেছিলেন তাদেরকে বন্যার ঝুঁকিতে ক্ষতিস্বরূপ ৩০ লক্ষটাকার চেক হস্তান্তর করা হয়৷ চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিঃ এর মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জাহেদুল ইসলাম (জাহিদ) -এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদস্য বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ মোঃ নজরুল ইসলাম৷ তিনি তার বক্তব্যে বলেন, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিঃ সবসময়ই জনগণ ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে পাশে থেকে আস্থার সহিত প্রকৃত বন্ধুত্বের পরিচয় বহন করে চলছে৷ তারি ধারাবাহিকতায় আজ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জ ও দিরাই ব্রাঞ্চের অধীনে ব্যাংক ঋণের ঝুঁকিস্বরূপ আমাদের ইন্স্যুরেন্সে বীমা করান এবং নিয়মিত বীমা অনুসরণ করেছিলেন সে সকল জনগণ ও প্রতিষ্ঠানকে প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিঃ এর পক্ষ থেকে বীমা ক্ষতিপূরনের চেক হস্তান্তর করেছি৷ তিনি আরো বলেন, আমরা আশাকরি জনগণ ঋণের/লোনের ইন্স্যুরেন্স সম্পর্কে সচেতন থাকবে এবং আগামীতে আরো সচেতন হয়ে যথাযথ বীমা নিয়ম অনুসরণ করলে প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি পূর্ণ বীমা ক্ষতিপূরণ দিতে প্রস্তুত আছে৷ এসময় প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিঃ সিলেট শাখার সহ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সানাউল ইসলাম সুয়েজ এর সঞ্চালনায় সুনামগঞ্জ ব্রাঞ্চের, মেসার্স শাহজালাল স্টীল, কম্পেক্ট ফ্লাওয়ার মিল, নূর ফার্মেসী, মুমু এন্টারপ্রাইজ, এস এমটি ইন্ডাস্ট্রিজ, তামিম ষ্টোর এবং দিরাই অগ্রণী ব্যাংক শাখার, মেসার্স হাজী ফিলিং ষ্টেশন, কুয়েত অটো রাইসমিল, শাওন বস্ত্রালয়, মেসার্স শামসুদ্দিন সহ ১০টি প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতিপূরণ বাবদ চেক প্রদান করা হয়৷

  • অপহরণ করে মেয়েদের সাথে নগ্ন ছবি তুলে মুক্তিপণ দাবি”র‍্যাবের অভিযানে মূলহোতাসহ আটক-৪

    অপহরণ করে মেয়েদের সাথে নগ্ন ছবি তুলে মুক্তিপণ দাবি”র‍্যাবের অভিযানে মূলহোতাসহ আটক-৪

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    নওগাঁয় সাধারণ মানুষকে অপহরণ করে মেয়েদের সঙ্গে নগ্ন ছবি তুলে মুক্তিপণ দাবি করতেন এমন ৪ জন অপহরণকারীকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৫) জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা। এ সময় একজন ভিকটিম কে উদ্ধারও করেছে র‍্যাব সদস্যরা।

    বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে জয়পুরহাট র‌্যাব-৫ ক্যাম্পের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে নওগাঁ শহরের পাটালির মোড় থেকে তাদের আটক করা হয়।

    আটককৃতরা অপহরণকারীরা হলেন- নওগাঁ পৌর শহরের পাটালির মোড় এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে দুলাল হোসেন (৩৮), লুৎফর রহমানের ছেলে ইমরান হোসেন হিরা (৩৬), সদর উপজেলার কাঠ খৈইর এলাকার তাহের আলীর ছেলে হুজুর আলী (৪০), ও হাট-নওগাঁ এলাকার আক্তারুল জামানের ছেলে মেহেদী হাসান রনি (২০)।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, আটককৃত ৪ জন দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে অপহরণ করে দুলাল হোসেনের ভাড়া বাসায় আটকে রেখে বিভিন্ন মেয়েদের সঙ্গে উলঙ্গ ছবি তুলে মুক্তিপণ দাবি ও আদায় করত। এই সিন্ডিকেটের সদস্য সংখ্যা ৮ থেকে ১০ জন, যাদের নেতৃত্বে দিতেন দুলাল হোসেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত বুধবার (১৭ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ভিকটিম আব্দুস সামাদকে জমির কাগজ দেখানোর নাম করে দুলাল হোসেন ও হুজুর আলী ওরফে ভুনা উভয় মিলে অপহরণকারী দুলালের বাসায় নিয়ে আসে। এরপর ভিকটিমকে এক নারীর সঙ্গে উলঙ্গ ছবি তুলে ও ভিডিও করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া এবং ভিকটিমের আত্মীয়-স্বজনের কাছে বিলিয়ে দেওয়ার নাম করে তার কাছে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এরপর মুক্তিপণ হিসেবে ভিকটিম তার পরিবারের কাছে ফোন দিয়ে ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে অপহরণকারীদের প্রদান করে। পরবর্তীতে অপহরণকারীরা আরও ৭৫ হাজার টাকা দাবি করে এবং টাকা না দিলে অপহরণকারীকে দুলালের বাসায় আটকে রাখে।

    এমন সংবাদের ভিত্তিতে জয়পুরহাট র‌্যাব-৫ ক্যাম্পের একটি চৌকশ আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে মূল হোতা দুলাল হোসেনসহ ৪ জন অপহরণকারীদের আটক করে। এ সময় ভিকটিমকে উদ্ধারসহ ভিকটিমের মুক্তিপণ দেওয়া বাবদ ৫০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।

    পরবর্তীতে আটককৃত অপরহণকারীদের বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব জানায়।

  • বেনাপোল চেকপোস্টে স্টোরের আড়ালে অবৈধ ও নিষিদ্ধ ঔষুধের ব্যবসা, ১২০০ পাতা ঔষধ জব্দ

    বেনাপোল চেকপোস্টে স্টোরের আড়ালে অবৈধ ও নিষিদ্ধ ঔষুধের ব্যবসা, ১২০০ পাতা ঔষধ জব্দ

    আজিজুল ইসলাম, বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল চেকপোস্টে স্টোরের আড়ালে অবৈধ ও নিষিদ্ধ ঔষুধের ব্যবসা করার সময় একটি স্টোর থেকে অবৈধ পথে আসা ভারতীয় ঔষধের একটি চালান জব্দ করেছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) সকালে বেনাপোল চেকপোস্টের একটি স্টোর থেকে এ ঔষুধের চালানটি জব্দ করে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ।

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ ঔষধের চালান এনে, বেনাপোল চেকপোস্টের একটি স্টোরে জমা করছে এক যুবক। এমন খবরে, চেকপোস্টের ওই স্টোরে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে ১২০০ পাতা ঔষুধ জব্দ করা হয়।

    এসময় ওই স্টোরের মালিক বেনাপোল পোর্ট থানার বড়আঁচড়া গ্রামের জীবন কুমার (২৪) নামে এক যুবক ঘটনাস্থল থেকে কৌশলে পালিয়ে যায়।

    বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, এ বিষয়ে আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • শার্শা সীমান্ত থেকে সাড়ে ৬ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার

    শার্শা সীমান্ত থেকে সাড়ে ৬ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার

    আজিজুল ইসলাম বেনাপোল (যশোর): শার্শার পাঁচ ভূলাট সীমান্ত থেকে ৯ কেজি ৫৫৮ গ্রাম ওজনের ৮২ পিচ স্বর্ণ ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে বার্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা। এসময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

    বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার সময় শার্শা উপজেলার পাঁচ ভূলাট সীমান্ত এলাকা থেকে এ চালান আটক করা হয়।

    পলাতক আসামি হলেন, বেনাপোল পোর্ট থানাধীন পুটখালি গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে মেহেদী হাসান।

    খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর রহমান জাননা, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের একটি চালন ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে শার্শা উপজেলার পাঁচ ভূলাট সীমান্তের রহমত পুর গ্রাম দিয়ে যাবে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে সন্দেহ ভাজন এক মোটরসাইকেল আরোহিকে গতিরোধ করা জন্য বেরিকেড দেওয়া হয়। এসময় পলাতক আসামি মেহেদী বেরিকেড অমান্য করে স্পিড বাড়িয়ে স্বর্ণ নিয়ে পালাতে গেলে মোটরসাইকেল নিয়ে পড়ে যায়। পরে সে মোটরসাইকেল ফেলে কৌশলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে মোটরসাইকেলর মধ্যে থেকে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৯ কেজি ৫৫৮ গ্রাম ওজনের ৮২ পিচ স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।

    তিনি আরো জানান, উদ্ধারকৃত স্বর্ণের আনুমানিক বাজার মূল্য ৬ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। এছাড়া উদ্ধারকৃত স্বর্ণ শার্শা থানায় হস্তান্তর করা হবে।এবং পলাতক আসামিকে আটকের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।

  • গোদাগাড়ীতে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন  করা হবে-  আইন শৃঙ্খলা সভায় বক্তাগণ

    গোদাগাড়ীতে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে- আইন শৃঙ্খলা সভায় বক্তাগণ

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী।। রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা, যৌতুক, চোরাচালান, সন্ত্রাস, আইসিটি ও নাশকতা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ১৪ নভেম্বর সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা পরিষদ অডিটারিয়ামে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জানে আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল মালেক ।

    বক্তব্য প্রদান করেন, গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি মোঃ কামরুল ইসলাম, মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাংবাদিক কলামিষ্ট মোঃ হায়দার আলী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. মোঃ রাশেদুল হাসান শাওন, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আলমগীর কবীরসহ
    মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, দপ্তরের প্রধানগণ সুধিজন উপস্থিত ছিলেন।

    বক্তরা বলেন, বিভিন্ন দপ্তরের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীরা খুবই শক্তিশালি, মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশ, বিজিপি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত সদস্যরা এখন বীর দাপটে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এরা কার সাহসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন আপনারা জনগনের উপর দোষ দিয়ে আপনারা দায়িত্ব এড়িয়ে যাবে না। গত মাসে সাড়ে ১০ কেজি হেরোইন, ৫ কেজি গাঁজ, ১০ হাজার বোতল ফেনসিডিল, হাজার হাজার পিস ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।

    সীমান্ত এলাকায় কাঁটা তারের বেড়া থাকা শর্তেও হেরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা, মদসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য আসে কি করে। আপনারা আরও মাদকের বিরুদ্ধে আন্তরিক হলে কোন মাদকদ্রব্য দেশে আসবে না। গোদাগাড়ীতে অনেক মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। মাদকবদ্র্য প্রতিরোধে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকদের একযোগে কাজ করতে হবে। কিছু কিছু দোকানের আড়ালে গভীর রাত পর্যন্ত বেচাকেনা হয়। রাত সাড়ে ১০ টার পর সকল দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    হেরোইন, ইয়াবা, ইদানিং গাঁজা, মাদক ব্যপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে। মহিশালবাড়ী গরুর হাটে, বিদিরপুর ক্লাব, প্রেমতলী, নিমতোলা, রাজাবড়ি, পিরিজপুর, আলিমগজ্ঞ, গোপালপুর প্রভূতি স্থানে মাদকের হাট বসে। এরা খুব শক্তিশালি তাই এদের বিরুদ্ধে তথ্য দিতে ভয় পায়। মাদক আসে সীমান্ত দিয়ে, বিজিপি সজাগ থাকলে ৯০ ভাগ মাদক আসা বন্ধ হয়ে যাবে। মাদক ব্যবসা কমে যাবে।

    উপজেলার বসুদেবপুর, মাদারপুর, গোপালপুর, মিষ্টির দোকানের সামনে হিরোইন, ইয়াবা, ফেনসিডিলের কারবার চলে এছাড়া রাজাবাড়ী, প্রেমতলী হাসপাতাল এলাকা, রেলবাজার মনির হোটেল, কসাইপাড়া, মহিশালবাড়ী গরুরহাট, সুলতানগজ্ঞ, ফিরোজচত্তর, সুলতানগজ্ঞ, বাসুদেবপুর, পিরিজপুর, কুমুরপুর, মাদারপুর, শিবসাগর প্রভূতি এলাকায় অবাদে হোরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্নধরের মাদকসেবন, বেচাবিক্রিসহ ছোটবড় অপরাধ হয়। ওই স্থানে অভিযান ও মোবাইল কোর্টসহ মাদকব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন।

    এসময় ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, কোন পুলিশের সাথে মাদক ব্যবসায়ীদের সখ্যতা থাকে প্রমান করতে পারেন তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। থানায় আসতে দালাল লাগবে না। জি.ডি করার জন্য এক দালাল ৫ শ টাকা উৎকোচ গ্রহন করায় তাকে গ্রেফতার জেল হাজাতে প্রেরন করা হয়েছে। শ্রমিক, ভ্যানচালকসহ যে কেউ আসতে পারেন, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। কোন মাদক ব্যবসায়ী, শিশু নির্যাতন, কোন আপরাধ করে পার পাবে না। সুলতানগঞ্জ থেকে রাজশাহী পর্যন্ত মাদক কারবার চলে।

    অন্যান্য বক্তাগণ তাদের বক্তব্যে আরো বলেন, গোদাগাড়ীর আইনশৃঙ্খলা ভালই আছে, তবে আরও ভাল রাখার জন্য উপজেলার পুলিশ, বিজিপি, সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অনেক সচেতন হতে হবে। গোদাগাড়ীর একটাই বদনাম মাদক, হিরোইন, ইয়াবা, ফেনসিডিল,গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরণের মাদক ব্যবসায়ী গডফাদার এখানে রয়েছে। গোদাগাড়ীতে পুলিশের তালিকাভুক্ত ১৭৩ জন মাদকব্যসায়ী রযেছে। তাদেরকে গ্রেফতার করলে মাদক ব্যবসা কমে আসে

    প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেছেন তাই কোনভাবে মাদকব্যবসায়ীরা যেন কোনভাবে পার পেতে না পারেন সেজন্য তাদের বিরুদ্ধে শক্ত মামলা, চার্জসীট প্রদান করতে হবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    গোদাগাড়ী, রাজশাহী।

  • গোদাগাড়ীতে ১২ বছরের শিশু হত্যা করলো ৩ বছরের শিশুকে

    গোদাগাড়ীতে ১২ বছরের শিশু হত্যা করলো ৩ বছরের শিশুকে

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সাড়ে ৩ বছরের শিশু মাহিকে হত্যা করেছে ১২ বছরের আরেক শিশু হিজবুল্লাহ আব্বাস মিম নামের ৭ম শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্র।

    হত্যার শিকার মাহি খাতুন উপজেলার আলোকছত্র গ্রামের মিলন খানের মেয়ে। আর হত্যার সাথে জড়িত হিযবুল্লাহ আব্বাস মিম একই এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই বোন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল ১০ টার দিকে থেকে মাহি বাড়ী থেকে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরে না পেয়ে সামাজিক গণমাধ্যমে খোঁজ চেয়ে পোস্টও দেওয়া হয়।

    হিযবুল্লাহ আব্বাস মিম এই সময়ের মধ্যে মাহিকে বাসায় নিয়ে গিয়ে আনুমানিক ১১ টার দিকে হত্যা করে ওই বাসার মধ্যেই বস্তাবন্দি করে লাশ লুকিয়ে রাখে। হিযবুল্লাহ আব্বাসের মা জাহানারা বেগম একজন স্কুল শিক্ষিকা। তিনি বিকেলে বাসায় আসলে বস্তাবন্ধি লাশ দেখতে পেয়ে লুকানোর চেষ্টা করে।

    এরই মাঝে নিহত মাহির ভাই, বাবা ও গ্রামের লোকজন তার বাসায় খুজতে গেলে হত্যা করে লাশ বস্তাবন্দি করা আছে বিষয়টি টের পেলে এলাকায় জানাজানি হয়। পরে পুলিশকে খবর দিলে গোদাগাড়ী মডেল থানা পুলিশ হিযবুল্লাহ আব্বাসের বাড়ীর একটি ঘর থেকে বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে ও হত্যায় জড়িত হিযবুল্লাহ আব্বাস মিমকে পুলিশ আটক করে।

    লাশ উদ্ধারের সময় নিহত মাহি খাতুনের গলায় তার দিয়ে বাঁধা ছিলো। এছাড়াও চাকু দিয়ে দুই পায়ের রগ কাটা হয়। হত্যায় ব্যবহৃত চাকুটি লুকিয়ে রাখা হয় তবে পুলিশ তা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়ে।

    গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, নিজে হত্যা করেছে এই কথা হিযবুল্লাহ আব্বাস মিম স্বীকার করেছে। গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তাকে আরো জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এই বিষয়ে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। নিহত মাহির বাবাকে থানায় আসতে বলা হয়েছে। মামলা দায়ের হলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে হবে।

    কেনো হত্যা করা হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, আমরা জানতে পেরেছি হত্যার সাথে জড়িত হিযবুল্লাহ আব্বাস মিম খুবই বাজে ছেলে, এলাকায় যাকে তাকে মারধর ও চুরি করে থাকে

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছেনা তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ-অভিযানে অব্যাহত

    কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছেনা তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ-অভিযানে অব্যাহত

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় দালাল চক্র কর্তৃক গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ, কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছেনা তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ-অভিযান অব্যাহত আছে বলে দাবী করছেন কর্তৃপক্ষ।
    বুধবার (১৬ নভেম্বর ২০২২ইং) তারিখে সকাল ১০ টা থেকে ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের বাগবাড়ি ইউসুফ মার্কেটসহ বিভিন্ন বাসা বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করছেন সাভার তিতাস কর্তৃপক্ষ, এ অভিযানে ৫ শতাধিক বাসা বাড়ির অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। তাদের দাবি-পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংযোগ দেওয়ার পরিস্থিতি বা সক্ষমতা আপাতত নেই, তাই গ্রাহকদের আশায় ঝুলিয়ে না রেখে গ্যাস সংযোগ স্থায়ীভাবে বন্ধ রাখার জন্য সরকারি সিদ্ধান্তটি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে-কথাগুলো বলেছেন, সাভার তিতাস কর্তৃপক্ষ ও জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব আনিছুর রহমান।
    সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ার কাঠগড়া, ইউসুফ মার্কেট, তাজপুর, এদিকে জামগড়া গফুর মন্ডল স্কুল এলাকা, মীর বাড়ি, চিত্রশাইল এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগের ছড়াছড়ি। তথ্যমতে, এসব অবৈধ সংযোগ দাতারা হচ্ছে জামগড়া এরাকার নাজিমউদ্দিন, সোহেল মীর, সাঈদ মীর, শামীম, শরীফ, মোস্তফা, মদিনা হোটেলের সেলিমসহ ১৫-২০ এবং তাজপুর এলাকায় হানিফ ও সিরাজসহ ১০-১২ জনের দালাল চক্রসহ আরও অনেকেই তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ থেকে অগ্নিকান্ডে নারী ও শিশুসহ গত দুই বছরে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে, শতাধিক মানুষ দগ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। এদিকে সিলিন্ডার গ্যাসের বোতলের দাম বেড়েই চলেছে, ওষুধের দোকান, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাসের বোতল।
    সরকারের এই সিদ্ধান্তে দুই শ্রেণীর গ্রাহক সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন, এদের মধ্যে এক শ্রেণি হলো সাভার আশুলিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বাসা বাড়ি ও ফ্ল্যাটের মালিকেরা। আরেকটি হলো বিভিন্ন আবাসন কোম্পানিগুলো। তাদের মধ্যে অনেকেই গ্রাহকদের গ্যাসের পাইপলাইনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আবাসন কোম্পানির অনেকেই বলেন, এখন গ্যাসের সংযোগ না পেলে তাদের প্লট, জমি ও ফ্ল্যাট বিক্রি হচ্ছে না। তারা অনেকেই দাবি করেন যে, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ব্যবসা বাণিজ্য ভালো না, এরপর বন্যায় মানুষের অভাব বাড়ছে, জিনিসপত্রের দাম বেড়েই চলেছে। এর মধ্যে আবার গ্যাস সংযোগ নতুন করে আর কেউ পাচ্ছেন না, এতে গ্রাহকরা বেশি বিপাকে পড়েছেন।
    জানা গেছে, ২০১৮ইং সালে এলএনজি আমদানি শুরুর পর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা গ্যাসের সংযোগ নতুন করে শুরু হওয়ার কথা নীতিনির্ধারণী মহলেও শুনা যাচ্ছিল। তখন ঢাকা ও সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন জেলা উপজেলায় অবৈধ সংযোগের সংখ্যা আরো বাড়িয়ে দেয় দালাল চক্র সিন্ডিকেটগুলো। গ্রাহকদের তারা আশ্বাস দেয়, কিছুদিন পরে গ্যাসের নতুন বৈধ সংযোগ দেওয়া শুরু করলে তারা এগুলোকে বৈধ করে দেবেন কিন্তু এখন সব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পালায় এই গ্রাহকদের সংযোগও কাটা পড়ছে। জানা গেছে, সরকারি ভাবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বেশ জোরেসোরেই মাঠে নেমেছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।
    জানা গেছে, একটি অভিযানে সরকারের লক্ষাধিক টাকা খরচ হচ্ছে, অভিযানের দুইদিন পর আবার সেখানে অবৈধ সংযোগ দেয়া হয়, আবার অভিযান চালানো হয়, এতে সরকারের বেশি ক্ষতি হচ্ছে। গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোকে কিছুদিন আগে জ্বালানি বিভাগ উক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়ে তা বাস্তবায়নের আদেশ দিয়েছে। সূত্র জানায়, ডিমান্ড নোট ইস্যু হওয়া এবং টাকা জমা দেওয়া গ্রাহকদের আবেদনও বাতিল করা হবে। তাদের অর্থ ফেরত দেবে সংশ্লিষ্ট বিতরণ কোম্পানিগুলো। বিতরণ সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, নতুন সংযোগের জন্য ডিমান্ড নোট ইস্যু হওয়া এবং প্রয়োজনীয় ফি জমা দেওয়া গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখের মতো সারাদেশে। গ্যাস ও খনিজ সম্পদ খাতের নেতৃত্ব প্রদানকারী সংস্থা পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, বৈধ অবৈধ নানা উপায়ে এই শ্রেণির গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৮ লাখ হবে।
    দেশে সবচেয়ে বড় গ্যাস বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী আলী ইকবাল মোঃ নুরুল্লাহ বলেন, এ বিষয়ে গত বৃহস্প্রতিবার মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েছি। গৃহস্থালিতে আর গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে না। যেসব গ্রাহক সংযোগের জন্য আবেদন করেছেন এবং টাকা জমা দিয়েছেন, তাদের নাম আমাদের তথ্যভান্ডারে রয়েছে। আগামী রবিবার এ বিষয়ে আমরা একটি সভা করে সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের রোডম্যাপ তৈরি করবো। বিঃ বা সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে বা অন্য কোনো উপায়ে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। দেশে গ্যাস বিতরণে নিয়োজিত অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, পশ্চিমা ল গ্যাস কোম্পানি ও সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি। এই সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, আগামী সোমবার সভা করে তারা সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের রূপরেখা ঠিক করবেন। উক্ত ব্যাপারে জ্বালানি বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, গ্যাসের অবৈধ সংযোগ কোনোভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছে না। নানা প্রলোভন দেখিয়ে জনগণকে গ্যাসের অবৈধ সংযোগ নিতে বাধ্য করে কিছু দালাল চক্র। আবার অনেক গ্রাহকও নানাভাবে তদবির-প্রচেষ্টায় অবৈধ সংযোগ নেন। এখন স্থায়ীভাবে আবাসিক সংযোগ বন্ধ হওয়ায় নতুন করে অবৈধ সংযোগ নেওয়া অনেকটাই বন্ধ হয়ে যাবে। জানা গেছে, ঢাকার প্রধান শিল্পা ল আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বাসা বাড়িতে প্রায় লক্ষাধিক অবৈধ সংযোগ রয়েছে।
    সাভার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিঃ ব্যবস্থাপক (জোবিঅ) প্রকৌশলী আবু সাদাৎ মোহাম্মাদ সায়েম এর কাছে জানতে চাইলে গত তিন বছরের অভিযানের বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, সাভার ও আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের বৈধ গ্রাহক সংখ্যা ৫২ হাজারের বেশি হবে। শিল্প গ্রাহক সংখ্যা ১৫০০। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারী দালালদের বিরুদ্ধে সাভার থানায় ৬টি ও আশুলিয়ায় ৪২টি মামলাসহ প্রায় ৫০টি মামলা করা হয়েছে। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারী দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে বলেও তিনি জানান। এক স্থানে ৬-৮ বার অভিযান করা হলেও আবার অবৈধ সংযোগ দেয়া হয়। তাহলে সরকারের কত টাকা খরচ হচ্ছে এর হিসাব জানা দরকার। সরকার প্রতি বছরে কত কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে জানতে চায় সচেতন মহল।

  • নাচোলে ফায়ার সার্ভিসের মহুড়া ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত

    নাচোলে ফায়ার সার্ভিসের মহুড়া ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত

    মোঃ মনিরুল ইসলাম,নাচোল,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-২০২২ উদযাপন উপলক্ষে যান্ত্রিক র্র্যালী ও মহুড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে নির্বাহী অফিসার মোহাইমেনা শারমিনের সভাপতিত্বে ও নাচোল ফায়ার সার্ভিসের আয়োজনে আগুন নেভানোর মহুড়া অনুষ্ঠিত হয়।
    মহুড়ায় দেখানো হয় যে, বাড়ি ঘরে চুলা বা গ্যাস চুলা কিংবা যে কোন ধরনের আগুন লাগলে কি ভাবে নিভানো যায় সে বিষয়ের উপর অতিথি ও উপস্থিত বৃন্দদের দিয়ে প্র্যাকটিকাল মহুড়া সেখান ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন বিআরডিবি অফিসার হারুন আর রশিদ, প্রোগ্রামার অফিসার আতিকুল ইসলাম, একটি বাড়ি একটি খামারের সমন্বয়কারী হাবিবুর রহমান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অফিসার ইউসুফ আলী, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আব্দুন নূর, তথ্য আপা খাদিজা বেগমসহ অন্যান্যোরা।

  • নড়াইলে বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৭ জানুয়ারি থেকে ১৪ দিন ব্যপি মেলা অনুষ্ঠিত হবে

    নড়াইলে বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৭ জানুয়ারি থেকে ১৪ দিন ব্যপি মেলা অনুষ্ঠিত হবে

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে ৭ জানুয়ারি থেকে ১৪ দিন ব্যপি সুলতান মেলা বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৯৮তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ১৪ দিনব্যাপী ‘সুলতানমেলা’ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৭ থেকে ২০ জানুয়ারি। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, এক আলোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এসএম সুলতান ফাউন্ডেশন ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নড়াইলের সুলতানমঞ্চ চত্বরে এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে।
    জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন-অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ফখরুল হাসান, সিভিল সার্জন ডাক্তার নাছিমা আক্তার, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন খান নিলু, নড়াইল পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরাসহ এসএম সুলতান ফাউন্ডেশনের সদস্যরা।
    ১৪ দিনব্যাপী মেলায় চিত্র প্রদর্শনী, চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি, সুলতানের জীবনাদর্শের ওপর আলোচনা, লাঠিখেলাসহ গ্রামীণ খেলাধুলা, ভলিবল, কুস্তি, সুলতান পদক প্রদান ছাড়াও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে।
    একুশে ও স্বাধীনতা পদকসহ একাধিক সম্মাননায় ভূষিত বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইলের মাছিমদিয়ায় বাবা মেছের আলী ও মা মাজু বিবির ঘরে জন্মগ্রহণ করেন।
    ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর অসুস্থ অবস্থায় যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।