Author: desk

  • পাইকগাছায় ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী মাধ্যমিক বিদ্যলয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্ততি সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছায় ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী মাধ্যমিক বিদ্যলয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্ততি সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী মাধ্যমিক বিদ্যলয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহষ্পতিবার বিকাল ৩ টায় প্রস্তুতি সভায় ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি অধ্যাপক ডাক্তার মোহম্মদ শেখ শহিদুল্লাহ কে আহবায়ক ও গদাইপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শেখ জিয়াদুল ইসলামকে কে সদস্য সচিব করে ৫১ বিশিষ্ট বাস্তবায়ন কমিটি করা হয়।যুগ্ম আহবায়ক হলেন, ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বদিউজ্জামান সরদার।
    এ ছাড়াও উপকমিটিতে রয়েছে, রেজিস্ট্রেশন কমিটির আহবায়ক শেখ কামরুল ইসলাম, সদস্য সচিব শিব শংকর রায়, অর্থ কমিটির আহবায়ক হাবিবুর রহমান, সদস্য সচিব কালিপদ সরকার, অব্যর্থনা কমিটির আহবায়ক, রাসেল মিস্ত্রি সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান, স্মরণিকা কমিটির আহবায়ক সুপ্রিয়া ঘোষ, সাংস্কৃতিক কমিটির আহবায়ক প্রজিৎ কুমার রায় সদস্য সচিব নুর আলী মোড়ল, প্রচার কমিটির আহবায়ক প্রকাশ ঘোষ বিধান সদস্য সচিব এস এম বাবুল আক্তার, সাজশর্যা কমিটির আহবায়ক জগন্নাথ দেবনাথ সদস্য সচিব সীমান দেবনাথ আপ্যায়ন কমিটির আহবায়ক রুমা আক্তার সদস্য সচিব কাজী আবুল বাশার, শৃঙ্খলা কমিটির আহবায়ক শওকত হোসেন, সদস্য সচিব কামাল আহম্মেদ মিল্টন। এ সময় আরো উপস্তিত ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মলঙ্গী, শেখ ফারুক আহম্মেদ, অসিম রায় চৌধরী, রজ্ঞন সরকার, মো: শাহিনুর রহমান, মোঃ আয়ুব আলী, সরদার খায়রুল ইসলাম, কৃষ্পপদ ভদ্র প্রমুখ।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পাইকগাছায় ইন্টারনেটে আসক্তির ক্ষতি শীর্ষক সেমিনার ও পুরস্কার বিতরণ

    পাইকগাছায় ইন্টারনেটে আসক্তির ক্ষতি শীর্ষক সেমিনার ও পুরস্কার বিতরণ

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় ৪৪তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলার সমাপনী,
    ইন্টারনেটে আসক্তির ক্ষতি শীর্ষক সেমিনার ও পুরুষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান
    বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নিবার্হী অফিসার মমতাজ বেগম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দিন ফিরোজ বুলু, সহকারী প্রোগ্রামার মৃদুল কান্তি দাশ, সহকারী অধ্যাপক আব্দুল আলীম, শিক্ষক রবিউল ইসলাম খান, প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, সাংবাদিক পূর্ণ চন্দ্র মন্ডল, শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস, প্রেমা মন্ডল, সাম্য সরকার ও সিনতিয়া ফারুক তনিয়া। অনুষ্ঠানে বিজয়ী এবং অংশগ্রহণকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরুষ্কার প্রদান করা হয়।

  • নড়াইলে বেড়িবাঁধের খাদ থেকে আ.লীগ নেতার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ

    নড়াইলে বেড়িবাঁধের খাদ থেকে আ.লীগ নেতার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ

    উজ্জ্বল রায় জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের কালিয়ায় শেখ আবু তালেব (৭৫) নামের এক আওয়ামী লীগ নেতার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উজ্জ্বল রায় জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, গত বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার গন্ধবাড়িয়া গ্রামের পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বেড়িবাঁধের খাদ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।
    আবু তালেব উপজেলার মাউলি ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ছিলেন।
    পুলিশ ও মৃত ব্যক্তির স্বজনেরা বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় আবু তালেব বাড়ি থেকে বের হন। দীর্ঘ সময় বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে খোঁজাখুঁজি করেন। একপর্যায়ে গ্রামের মসজিদের মাইকেও আবু তালেবের নিখোঁজের বিষয়টি ঘোষণা দেওয়া হয়। রাত ১২টার দিকে আবু তালেবের বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দূরে বেড়িবাঁধের খাদে তাঁর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
    স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্থানীয় ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি গঠন করতে অভিভাবক সদস্য নির্বাচন ছিল ১৪ নভেম্বর। কমিটির সভাপতি প্রার্থী ছিলেন আবু তালেব। আজ বৃহস্পতিবার সদস্যদের সমর্থনে সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার দিন ছিল। স্থানীয় লোকজনের ধারণা, মাদ্রাসা কমিটির নির্বাচন নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁকে হত্যা করা হতে পারে।
    মাউলি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রোজী হক বলেন, মাদ্রাসার গভর্নিং বডি নির্বাচন নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরে উত্তেজনা ছিল। এ ছাড়া সম্প্রতি গ্রামে আর কোনো বিষয়ে বিরোধ দেখা যায়নি। কিন্তু কী কারণে আবু তালেবের মৃত্যু হলো সেটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
    নড়াগাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুকান্ত সাহা প্রথম আলোকে বলেন, লাশটি বেড়িবাঁধের খাদের পানিতে পড়েছিল। প্রাথমিকভাবে শরীরে আঘাতের চিহ্ন বোঝা যাচ্ছে না। তবে লাশ উদ্ধারের সময় নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল। লাশ উদ্ধারের চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা আগে আবু তালেবের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গতকাল রাতেই লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্যমতে, আবু তালেবের মৃত্যুর পেছনে মাদ্রাসার নির্বাচনের বিষয়টি সামনে আসছে। সব কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উজ্জ্বল রায় জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • নড়াইলে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে তিনটি সরকারি হাসপাতালের কোনোটিতে নেই ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড

    নড়াইলে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে তিনটি সরকারি হাসপাতালের কোনোটিতে নেই ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে তিনটি সরকারি হাসপাতালের কোনোটিতে নেই ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড। নড়াইলে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। সরকারি হাসপাতালগুলোয় রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে জেলার তিনটি সরকারি হাসপাতালের কোনোটিতে নেই ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড। এ নিয়ে আতঙ্কে থাকেন পাশের অন্য রোগীরা। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, এদিকে জেলার পৌর এলাকার বাসিন্দারা ডেঙ্গুতে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। এ নিয়ে নড়াইল পৌর এলাকার অন্তত ১৫ জন বাসিন্দার সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তাঁরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঘরের দরজা-জানালা আটকিয়ে রেখেও মশার উপদ্রব থেকে রেহাই পাওয়া যাচ্ছে না। পৌর কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে উদাসীন।
    নড়াইল সদর হাসপাতালের সহকারী পরিচালক আসাদ উজ জামান মুন্সী বলেন, নড়াইলে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। কারণ, খাল, ডোবা, ড্রেন ও বাসার আশপাশে অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা। এতে মশা বেড়েছে।
    তবে নড়াইল পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা বলেন, পৌর এলাকায় মশকনিধনে ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। প্রতিটি ড্রেনে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে মশকনিধনের কাজ চলছে। আমরা চেষ্টা করছি।
    নড়াইলে রয়েছে তিনটি সরকারি হাসপাতাল। নড়াইল সদর হাসপাতাল এবং লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এই তিন হাসপাতালেই মূলত ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ওই তিন হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ মৌসুমে গত জুন থেকে এখন পর্যন্ত ৩২৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে দুজন মারা গেছেন। প্রথম রোগী ভর্তি হন ৭ জুন নড়াইল সদর হাসপাতালে। জুনে ভর্তি হওয়া দুজনের মধ্যে আরেকজন লোহাগড়া হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই তিন হাসপাতালে জুলাইয়ে ৬ জন, আগস্টে ২৩, সেপ্টেম্বরে ৬৬, অক্টোবরে ১৫১ জন ভর্তি হয়েছেন। নভেম্বরের ১৫ তারিখ পর্যন্ত ভর্তি হয়েছেন ৭৬ জন। বর্তমানে ১৬ জন রোগী তিন হাসপাতালে ভর্তি।
    হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত ভর্তি হওয়া জেলার মোট ৩২৪ জন রোগীর মধ্যে ২০৫ জন নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। লোহাগড়া হাসপাতালে ১০২ ও কালিয়া হাসপাতালে ১৭ জন ভর্তি হন। সদর হাসপাতালে লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলার রোগীরাও ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
    হাসপাতালের তথ্য ঘেঁটে দেখা গেছে, জেলার তিনটি পৌর এলাকায় এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি। এ ছাড়া নড়াইল সদর উপজেলার দেবভোগ, নিরালী, বীড়গ্রাম, বাঁশভিটা, কলোড়া, বাগডাঙ্গা, ভদ্রবিলা ও বাঁশগ্রাম; লোহাগড়া উপজেলার রায়পাশা, মল্লিকপুর, শামুকখোলা, কুমড়ি, দিঘলিয়া, কোলা ও লাহুড়িয়া এবং কালিয়া উপজেলার সালামাবাদ গ্রামের ডেঙ্গু রোগী বেশি পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রাম বা অন্য শহর থেকে আক্রান্ত হয়ে এ জেলার অনেক বাসিন্দা এসব হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। নড়াইল সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, হাসপাতালে আলাদা কোনো ডেঙ্গু ওয়ার্ড নেই। দোতলায় সাধারণ মহিলা ওয়ার্ড ও নিচতলায় সাধারণ পুরুষ ওয়ার্ডে অন্য রোগীদের পাশাপাশি ডেঙ্গু রোগী রাখা হয়েছে। হাসপাতাল থেকে মশারি দেওয়া হলেও সব ডেঙ্গু রোগী মশারি টানাননি।
    ৭ বছর বয়সী সংগীতা ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে সদর হাসপাতালে। তাকে রাখা হয়েছে দোতলায় সাধারণ মহিলা ওয়ার্ডের মাঝখানের একটি বিছানায়। মশারি টানানো নেই। পাশে বসে আছেন মা সুচিত্রা শিকদারসহ আরও একজন স্বজন। আশপাশের বিছানায় অন্য রোগীরা। সুচিত্রা জানান, গত শনিবার ভর্তি হয়েছে মেয়েটি। মশারি আছে কিন্তু টানানো হয়নি।
    নড়াইল সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক প্রেমানন্দ মণ্ডল বলেন, ১০০ শয্যার এ হাসপাতালে প্রতিদিন ২০০ থেকে ২৫০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। বারান্দায় বা মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রোগী বেশি, কক্ষ কম তাই আলাদা ডেঙ্গু ওয়ার্ড করা সম্ভব হয়নি।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • ঝিনাইদহে মেহগনী বাগান থেকে যুবকের লাল উদ্ধার

    ঝিনাইদহে মেহগনী বাগান থেকে যুবকের লাল উদ্ধার

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ভালকী গ্রামের মেহগনী বাগান থেকে জসিম উদ্দীন (৩৫) নামে এক যুবকের লাল উদ্ধার করেছে হরিণাকুণ্ডু থানা পুলিশ ।বৃহস্পতিবার সকালে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।জসিম উদ্দীন একই গ্রামের নাজিম উদ্দীনের ছেলে।পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ৯টার দিকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পার্শ্ববর্তী চারাতলা বাজারের উদ্দেশ্যে বের হয় জসিম এরপর আর ফিরে যায়নি। পরিবারের লোকজন রাতে অনেক খুঁজাখুঁজি করেও তাকে পায়নি, পরে বৃহস্পাতবার সকালে তার নিজ বাড়ির পেছনে মেহগনী বাগানে লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। লাশের গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তিনি পেশায় আলম সাধু চালাক বলে জানা গেছে। কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে এখনো জানা যায়নি।হরিণাকুণ্ডু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, পুলিশসহ আমি ঘটনা স্থলে এসেছি। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন তবে দ্রুতই এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করা হবে ।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশায় নতুন করে বুক বেঁধে কৃষক

    আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশায় নতুন করে বুক বেঁধে কৃষক

    মোঃ মনিরুল ইসলাম ,নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে এবার ফসলের মাঠজুড়ে দোল খাচ্ছে আমন ধান। বাতাসে দুলছে সোনালী শীস। সোনালী রঙ ধরার পাশাপাশি শুরু হয়েছে কটাছেড়া। আর আমনের পাকা শীষে সোনালী আভাদেখা দেখে বাম্পার ফলনের আশায় নতুন করে বুক বেঁধেছে কৃষক।
    এরইমধ্যে আগাম জাতের ধানগুলো কাটা-মাড়ার পাশাপাশি শুরু হয়েও গেছে আমনের কাটাছেঁড়া। আগাম জাতের ফলন মোটামুটি ভালো হচ্ছে এবং বাজারে দামও ভালো আছে। পাশাপাশি আমন ধানের ফলন ও দাম আরো ভালো হবে এআশায় নতুন করে বুক বেঁধেছে কৃষকরা।
    কৃষি অফিস ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে বর্তমানে আগামজাতের ধান কাটার পাশাপাশি আমন ধান ও কাটা শুরু হয়েছে।
    কৃষক ও কৃষি বিভাগের বরাত দিয়ে নাচোল প্রতিনিধি জানিয়েছেন উপজেলায় মাঠজুড়ে আমন ধানের কাঁচা-পাকা ধানের শীষের সমারোহ। স্বপ্ন দেখছে কৃষকরা। কেউ ধান কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছেন আবার কেউ কেউ কাটতে শুরু করেছে দিয়েছে।
    এদিকে চলতি বছর ভালো ফলন হবে বলে কৃষি বিভাগও জানিয়েছে।
    উপজেলার মাঠঘুড়ে দেখা গেছে, পাকা শীষের ভারে মাটিতে নুয়ে পড়ছে ধানগাছ। মাঠ জুড়ে চলছে ধানকাটার মহোৎসব। মাঠজুড়ে এখন সোনালী স্বপ্নের ছড়াছড়ি। রঙিন হয়ে উঠছে প্রান্তিক কৃষকের স্বপ্ন। অনেক কৃষক ধারণা করছেন, এবার ধানের উৎপাদন ভালো হবে এবং দামও ভালো পাবো, এমন আশায় নতুন করে বুক বেঁধেছে তারা।
    নাচোলের কৃষ্ণপুর গ্রামের কৃষক মনিরুল ইসলাম বলেন খরা ও বন্যা না থাকায় এ বছর ভালো ফলন হবে। তিনি চলতি মৌসুমে ১০ বিঘা জমিতে ৫১ ধানের আবাদ করেছেন। এবং গড় ফলন ২২মণ বিঘা হবে বলে তিনি আশা করছেন। সার কীটনাশক সেচ ও অন্যান্য খরচসহ বিঘাপ্রতি আনুমানিক ৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে বলেও তিনি জানান। তিনি ধান কাটা শুরু করে দিয়েছে।
    কামার জগদইল গ্রামের বশির আহমেদ জানান রোগবালাই ও ইঁদুরের আক্রমণ থেকে রক্ষায় কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা নানান পরামর্শ দিয়েছেন। ক্ষেতে ধান ভালো হয়েছে। শুরু থেকেই শেষ মুহূর্তের পরিচর্যা করছেন। ধান কাটার পর সরিষা, গমের, মুসর ও ধানের আবাদ করবেন বলে তিনি জানান।
    নেজামপুর ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রবিউল জানান, কৃষকদের জমিতে যথাযথ পরিচর্যাসহ সময়মতো সার ব্যবহারে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এবার প্রাকৃতিক দুর্যোগ তেমন একটা ছিল না।বাম্পার ফসল উৎপাদিত হবে বলে তিনিও ধারণা করছেন।

    এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুন নূর বলেন
    এবছর নাচোলে ২২হাজার ২৩৫ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষাবাদ হয়েছে। আমরা সবসময় কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে এসেছি। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় ক্ষেতের ধানের অবস্থা ভালো রয়েছে। উৎপাদন ও ভালো হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

  • ধামইরহাটে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা মঈন উদ্দিন এর জানাযায় মানুষের ঢল

    ধামইরহাটে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা মঈন উদ্দিন এর জানাযায় মানুষের ঢল

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মঈন উদ্দিন আর নেই। ইন্নালিল্লাহে… রাজেউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল (৬৩) বছর। পরিবারিক সূত্র জানায়, ১৬ নভেম্বর রাতে প্রতিবেশী আব্দুর রহিমের মেয়ের বিয়ের দাওয়াত খেয়ে মধ্যরাতে বাড়ি ফিরেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উত্তর চকযদু গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের একমাত্র সন্তান মঈন উদ্দিন। ১৭ নভেম্বর ভোররাতে বুকে ব্যথা অনুভব করায় তাকে ধামইরহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ধারনা করা হচ্ছে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়েই তার এই অকাল মৃত্যু। বৃহস্পতিবার বাদ আছর সরকারি এম এম কলেজ মাঠে জানাযা শেষে নিজ গ্রামেই দাফন সম্পন্ন করা হবে বলে স্থানীয়ভাবে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে। বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী মৃত মঈন উদ্দিন ১৯৯০ সালে ১ম বার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ২৫ মে তারিখে দায়িত্বভার গ্রহণ করে মাত্র দেড় বছরের দায়িত্বপালন কালে তৎকালীন বিএনপি সরকার উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত করলে ১৯৯১ সালের ২২ নভেম্বর তিনি উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের শেষ কর্মদিবস অতিক্রম করেন। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার উপজেলা পরিষদ পুনরায় চালু করলে ২০১৪ সালে ২য় বার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ওই বছরের ২৮ এপ্রিল পুনরায় উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে পূর্ণ মেয়াদ শেষ করেন। এছাড়াও রাজনৈতিক ভাবে তিনি জামায়াতের নওগাঁ জেলার পশ্চিম জেলা আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ধামইরহাট বাজার বণিক সমিতির একাধিক বারের সভাপতি ও পরবর্তীতে উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করেন তিনি। আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-২ আসনে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করার গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছিল জোরে শোরে। এ নিয়ে তিনি ইচ্ছাপোষন করে পত্রিকায় প্রচারনাও চালিয়ে যাচ্ছিলেন। দৈনিক সাতমাথা পত্রিকার ধামইরহাট উপজেলার প্রতিবেদকও ছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে জনপ্রিয় এই রাজনৈতিক ব্যক্তি তার বয়ঃবৃদ্ধ মা, স্ত্রী, ১ পুত্র ও ১ কন্যা সহ অসংখ্যা গুণগ্রাহী রেখে যান। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। বাদ আছর ধামইরহাট সরকারি এম এম ডিগ্রী কলেজ মাঠে তার জানাযায় নামে মানুষের ঢল

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • বানারীপাড়ায় ব্রিজে উঠতে লাগে বাঁশের মই।। অতিসত্ত্বর এপ্রোচের কাজ শেষ করার দাবি ভুক্তভোগীদের

    বানারীপাড়ায় ব্রিজে উঠতে লাগে বাঁশের মই।। অতিসত্ত্বর এপ্রোচের কাজ শেষ করার দাবি ভুক্তভোগীদের

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ সংবাদদাতা : বানারীপাড়ায় দুইটি গার্ডার ব্রিজ পার হতে পথচারীদের বাঁশের মই দিয়ে পার হতে হয়। বানারীপাড়ার রায়ের হাট থেকে ফাইজুল হক ব্রিজ পযর্ন্ত সড়কের মাঝের খালে দীর্ঘদিন ধরে গার্ডার ব্রিজের

    নির্মাণ কাজ চলছে। বর্তমানে ব্রিজের কাজ বন্ধ রয়েছে। এজন্য এপ্রোচের কাজ শেষ না হওয়ায় সড়কে চলাচলকারী যান বাহন পার হতে পারছে না। পথচারীরা বাঁশের মই দিয়ে বিপদজনক অবস্থায় পার হচ্ছে। এ সড়ক দিয়ে পার্শ্ববর্তী উপজেলা স্বরুপকাঠীর সাথে যোগাযোগ করতে দারুন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ব্রিজটি নির্মান ব্যয়ের বরাদ্ধ এক কোটি ৯৫ লক্ষ টাকা। ফাইজুল হক ব্রিজ এলাকার ভুক্তভোগী মোঃ জাকির হোসেন, অটোচালক আব্দুর রহিমসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, গুরুত্বপূর্ণ এসড়কের গার্ডার ব্রিজটি মেসার্স কহিনুর এন্টারপ্রাইজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এপ্রোচের কাজ সম্পন্ন না করে যেনতেন ভাবে বাঁশের মই লাগিয়েছে।

    সরেজমিনে দেখা যায়, একই ভাবে ফাইজুল হক ব্রিজ থেকে বানারীপাড়ার দরবেশ গেট পর্যন্ত সড়কের মাঝি বাড়ির সামনের একই প্যাকেজের গার্ডার ব্রিজের কাজের অবস্থাও একই রকম। এ ব্রিজ নির্মাণে ব্যয়ের বরাদ্ধ এক কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা। ভুক্তভোগীরা এ সড়কের গার্ডার ব্রিজ দু’টির এপ্রোচ কাজ অতিসত্ত্বর শেষ করার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

    এ ব্যাপারে উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মোঃ হুমায়ুন কবির জানান, একই প্যাকেজের গার্ডার ব্রিজের মূল কাজ শেষ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে যত দ্রত এপ্রোচের কাজ সম্পন্ন করে জনচলাচল করতে পারে সে ব্যবস্থা করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।#

  • চারঘাটে এখন হিরোইন গাঁজা ফেনসিডিলের সর্গরাজ্য

    চারঘাটে এখন হিরোইন গাঁজা ফেনসিডিলের সর্গরাজ্য

    নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ
    রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় এখন হাতবাড়ালেই মিলে হিরোইন, গাঁজা, ফেনসিডিল ও ইয়াবা টেবলেট, এই উপজেলা সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায়, দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে মাদক কারবারিদের মাদকের রমরমা ব্যবসা। এসব -অসৎ মাদক ব্যবসায়ীদের কারনেই মাথা চাঁড়া দিয়ে উঠেছে, উঠতি বয়সের কিশোর গ্যাং। মাদকের নিশায় আসক্ত হয়ে -দল বেধে, করে বেড়াচ্ছে বিভিন্ন অপকর্ম, নষ্ট হচ্ছে যুব সমাজ,এলাকা বাসীর৷ অভিযোগ। প্রসাশনের গাফিলতির কারণে, মাদক চোরাকারবারিদের হাতে নষ্ট হচ্ছে স্কুল কলেজ পড়ুয়া যুবসমাজ। নষ্ট ছেলে -মেয়ে দের ভবিষ্যৎ। দিনের পর দিন, মাদকদ্রব্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে- মোটা অংকের টাকা চুক্তি করে, এই ব্যবসা চালাতে হয় বলে, জানান এলাকার এক মাদক ব্যাবসায়ী । প্রশাসনের সঙ্গে এই ব্যবসায়ীদের মাসিক চুক্তি থাকার কারনে, হিরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা ও গাঁজা, ব্যাবসায়ী, ছড়িয়ে পড়েছে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে । খোঁজ নিয়ে জানা- যায় -যে,
    চারঘাট উপজেলাটি সীমান্তবর্তী এলাকা -হওয়ায় বহুল পরিচিত সারদা স্টেশন সংলগ্নে- এলাকার আশে-পার্শের গ্রামগুলো তে- দুর দুরান্ত থেকে আসা মাদক সেবন কারিদের ভিড় লেগেই থাকে । প্রশাসনের সহায়তায় চলচ্ছে, চামটা গ্রামে রমরমা মাদক ব্যবসা। স্টেশনের- পার্শে -বৃহৎতম বানিজ্যিক এলাকা বানেশ্বরহাট থাকায় প্রতিদিন লক্ষ, লক্ষ টাকার মাদক বিক্রয় করে মোটা অঙ্কের টাকার পাহাড় গড়ে তোলেছে অসৎ ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘদিন থেকে, চোরাকারবারিরা মাদক বেচা-কেনা করে আসছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায়, মাদক পাচার করে কোটি -কোটি টাকার মালিক হয়েছে, এ -এলাকার অনেক মাদক ব্যবসায়ী, এদের মধ্যে কয়েকজন ব্যাক্তি মাদকের গডফাদার হিসাবে পরিচিত, তাদের মধ্যে কয়েকটি যাইগায় মাদক সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। চামটা, হলিদাগাছি, তাতারপুর, ইউসুফপুর, বাদুড়িয়া চারঘাট বেলপুকুরের সীমান্তবর্তী হওয়াই ব্যাপক চলছে মাদক ব্যবসা।মাঝে মাঝে বেলপুকর থানা পুলিশ দুই এক জনকে আটক করলেও প্রায়ই মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠে।
    বালুদিয়াড়, চারঘাট, মাদকের গডফাদার হিসাবে জানাযায়, চামটা গ্রামের মৃত্য মহর আলীর ছেলে- শাহ্ আলম,(৩৪) ও মৃত্য আবেদের ছেলে -কালু (৪২) এবং হলিদা গাছি গ্রামের হিরোইন (আসরাফ),(৩৭)
    বালুদিয়াড় গ্রামের মৃত্য খালেক আলীর ছেলে ইয়াবা ইদ্রিস(বেকারি ) (৫০)নামের ব্যাক্তি নাম মাত্র বেকারি ফেক্টারী দিয়ে রেখেছে তার চোক্ষু আড়ালে ইয়াবা,হিরোইন, ও ফেনসিডিল তার মুল ব্যবসা। এই ব্যাবসা করে দুইটা বহুতল ভোবন স্থাপনা করেছে বলে জানা যায়।
    পুরান পাইট খালি মজিবুর রহমানের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২) হাবিবুরের ভাই মতিউর রহমান(৪২)মৃত্য -ওয়াদ আলীর ছেলে আকবর(৩২) হলিদা গাছি তালতলা, একই গ্রামের আকবরের চাচাত ভাই- বিচ্ছাদ আলী,(৩৯) মৃত্য কুদ্দুস আলীর ছেলে আব্দুল আলী (কালু) (৪৫)মাড়িয়া পশ্চিম পাড়ার ছাইদুরের ছেলে ফেনসি রাসেল(৩১) যদিও সে ইয়াবা, ও হিরোইন, বেচা কিনা করে পাশাপাশি ফেনসিডিল ব্যবসায়ী নামে পরিচিত।চামটা মৃত্য মটর হোসেনের ছেলে মতিবর(৪১) আকবরে ছেলে শাহাবুর মেম্বার(৩৬) বানেশ্বর পুর্ব্যপাড়া,একই গ্রামের রইহিদুলর স্ত্রী শুরাইয়া(৩৫) তার মেয়ে প্রতিবন্ধী হওয়ায় প্রশাসনের নাকের ডুগাদিয়ে হরদম চালিয়ে যাচ্ছে মাদকের ব্যবসা, মৌগাছি গ্রামে আওয়ালের ছেলে শুভ নামের এক সর্স প্রশাসনের হাতে ধরা মাদক গুলো চাচি কাজোলি লিটনের স্ত্রী,কাজলীর মেয়ে জামাই আজাদের ছেলে নাইম। এরা সকলে মিলে প্রশাসনের যোগসাজসে মাদক বিক্রয় করে যাচ্ছে।মাদক বিক্রেয় টাকা দিয়ে শুভো বহুতল বিশিষ্ট বাড়ি নির্মাণ করেছে বলে জানাযায়।হাকিম আলীর ছেলে মুন্জুর(৩১) হলিদাগাছি জাগিরপাড়া মৃত্য আসলাম মেম্বারের ছেলে আন হোসেন(২৭)হলিদাগাছি জাফের পুর দুই বার অস্ত্র মামলায় আটক হয়েছিলো। মৃত- নাজিমুদ্দিনের ছেলে কাজিমুদ্দিন(৪০)
    গাঁশিবপুর তাতারপুর ও চামটা
    গ্রামে –সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়
    যে, বিভিন্ন উপজেলা থেকে ভিন্ন ভিন্ন মোটরসাইকেলও পাইভেটকার গাড়িতে, আসা মাদক সেবন কারীদের ভিড় লেগে আছে। এতে করে বেড়েছে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও খুন, আতংকে আছে প্রতিটা ছেলে -মেয়ের বাবা, নষ্ট হচ্ছে যুবসমাজ। মাদক সেবনের কারনে বেড়েছে বিবাহ বিচ্ছেদ,ভেঙ্গেছে অনেক মেয়ের ঘর সংসার। কষ্ট পাচ্ছে ছোট ছোট ছেলে -মেয়েরা। মাদক সেবীদের হাতে নষ্ট হচ্ছে ছাত্রদের ভবিষ্যৎ, লাঞ্চিত হচ্ছে মাদক সেবিদের মা -বাবা, অনাহারে অনেকের পরিবারের কাটছে দিন। এত কিছুর পরেও বিবেকে নাড়া দিচ্ছেনা বর্তমান সচেতন মহলের মানুষের অন্ধকারের ঘর। এই এলাকায় বিভিন্ন -জায়গায় প্রকাশ্যে চলচ্ছে, মাদক বেচাকিনা । সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ -দিলেও কোন প্রোকার সুফল পাচ্ছে না বলে -অভিযোগ এলাকা বাসির । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তারা বলে -অল্পবয়সী কিসর গ্যাং ব্যাঙের ছাতার মত, দিনে -দিনে বেড়ে চলেছে। এসব ছেলে মেয়েদেরএকাধিক অভিভাবকেরা জানান, মাদক ক্রয়বিক্রয় ঠেকাতে না পারলে , কিসোর গ্যাংঙ্গের ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা আগামীতে বিপথে নেমে জাতিকে ধংশের মুখে টেনে নিয়ে জাবে । এব্যপারে চারঘাট মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মাহাবুবুল আলম এর সঙ্গে মুঠোফোনে অনেক বার যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন রিসিফ করেন নাই।#

    মাজেদুর রহমান( মাজদার)
    পুঠিয়া রাজশাহী।

  • মধুপুরে পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    মধুপুরে পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ

    ‘ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ বেরীবাইদ ইউনিয়ন শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বুধবার(১৬ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বেরীবাইদ দূর্গা মন্দিরে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। মধুপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক সুশিল কুমার দাস এর সভাপতিত্বে সম্মেলনের প্রথম পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ডাঃ সুরেশ সরকার, পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবু সাধন মজুমদার,
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাবু শ্রী কুমার গুহ নিয়োগী, বাবু নিশি রঞ্জন সাহা, বাবু কমলেশ চন্দ্র রায়, উপাদক্ষ যত্নেশর দেবনাথ, প্রভাত চন্দ্র সরকার, অধ্যাপক হিতৈষী মানিক চন্দ্র বসু, সুবোধ সেন গোবিন্দ মজুমদার, মদন গাজী, জয় দে সরকার, শুভ চৌহান, সুদর্সন সিংহ কৃষ্ণ, প্রবীর বর্মন, ইউপি সদস্য বিষু বৈষ্ণব, তাপস পাল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন, অন্যান্যদের মধ্যে বেরিবাইদ ইউনিয়নের সকল সনাতনি মানুষের উপস্থিতি তে সর্বসম্মতি ক্রমে বেরিবাইদ ইউনিয়ন এর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বেরিবাইদ ইউনিয়ন এর পূজা উদযাপন পরিষদ এর সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন মাগন্তি নগর বটতলা পূজা কমিটির সভাপতি বাবু খোকন বর্মন ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন তরুন সমাজ সেবক বেরিবাইদ ইউনিয়নের বাবু গনেশ বৈষ্ণব, অধ্যাপক সুশিল কুমার দাস আগামী দুই বছরের জন্য এই কমিটি ঘোষনা দেন।