Author: desk

  • ধামইরহাটে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকদের জাতীয়করণ ও শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির দাবীতে আলোচনা সভা

    ধামইরহাটে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকদের জাতীয়করণ ও শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির দাবীতে আলোচনা সভা

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষকদের জাতীয়করণ ও শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তি চালুর দাবীতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ১৯ অক্টোবর শনিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে ধামইরহাট স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আজাহার আলী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ওসি মো. মোজাম্মেল হক কাজী উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক সর্বশেষ ডাটাবেজকৃত ৭৪৫৩ টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণ ও উপবৃত্তি পুনরায় অনতিবিলম্বে চালুর দাবীতে প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন ধানতাড়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের, অন্যান্যের মধ্যে ভিমপুর স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম, মান্দার উপজেলার পীরপালী ইবতেদায়ী মাদারাসার প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম, মহাদেবপুর উপজেলার সারতা ইবতেদায়ী মাদরাসার প্রধান শিক্ষক নুরুল হক সহ জেলা-উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।
    বক্তাগন জানান, ধামইরহাট উপজেলায় ২২ টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার মধ্যে মাত্র ৪টি মাদরাসার প্রধান শিক্ষককে ২৫ শত টাকা ও সহকারী শিক্ষককে মাত্র ২৩ শত টাকা বেতন প্রদান করা হলেও বাকী ডাটাবেজভুক্ত ১৮ মাদরাসার শিক্ষক কর্মকর্মচারী অনাহারে-অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছেন এবং মানবেতর জীবন যাপন করছেন। অবিলম্বে তারা জাতীয়করণের দাবী জানান।

    আবুল বয়ান।

  • জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে নলকূপ পরীক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় দূর্নীতির অভিযোগ

    জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে নলকূপ পরীক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় দূর্নীতির অভিযোগ

    এনামুল হক সরকার।
    রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের রাজারহাটে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরাধীন
    পানি সরবরাহে আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পের আওতায় “নলকূপ পরীক্ষক” পদের নিয়োগ পরীক্ষা অসৎ উপায়ে/দূর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ প্রদানের বিরুদ্ধে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন খাদিমুল ইসলাম নামের এক বৈধ আবেদনকারী। অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, আবেদন পত্র যাচাই বাছাই অন্তে গত ১৬ জানুয়ারি ভাইবা পরীক্ষার জন্য আমাকে অংশগ্রহণ করিতে হইবে বলে আবেদন পত্রে সংযুক্ত আমার মোবাইল নাম্বারে পরীক্ষা সংক্রান্ত একটি বার্তা পাঠানো হয়। তারই প্রেক্ষিতে আমি উল্লেখিত তারিখে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য উপস্থিত হইলে হঠাৎ করে পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষাটি স্থগিত ঘোষণা করা হয়। কিন্তু আমি একজন প্রার্থী হওয়া সত্ত্বেও আমাকে পরবর্তী পরীক্ষার তারিখটি না জানিয়ে অসৎ উপায়ে কতিপয় কিছু প্রার্থীগণকে চুড়ান্ত করা হয় জানতে পারি। বিষয়টি জানার পর আমি গত ১৩ অক্টোবর তথ্য অধিকার আইনে মোঃ সানাউল্লাহ তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে তথ্য প্রাপ্তির জন্য আবেদন করি। অদ্যাবধি আমি এখনো তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে তথ্যপ্রাপ্ত হইনি।
    এবিষয়ে রাজারহাট উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কর্মকর্তা রনি রায়হান বলেন, আমার যোগদান করার মাত্র ছয় মাস হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনকৃত মনোনীত প্রার্থীদের প্রশিক্ষণ পরিচালনা করছি,প্রশিক্ষণ শেষে তারা মাঠে কাজ করবেন।

  • পাঁচবিবিতে ইউপি বিএনপির সম্মেলনে ককটেল হামলা

    পাঁচবিবিতে ইউপি বিএনপির সম্মেলনে ককটেল হামলা

    নিরেন দাস।

    জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ধরঞ্জী ইউনিয়ন বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের মঞ্চস্থলে দূর্বত্তদের ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এসময় পাঁচবিবি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উভয় পক্ষকে ছত্র ভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।

    শনিবার(১৯) নভেম্বর বিকেলে ধরঞ্জী হাইস্কুল মাঠে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়,শনিবার ধরঞ্জী ইউনিয়ন বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। উক্ত সম্মেলনে জেলা উপজেলাসহ বিভিন্নস্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন। সম্মেলন উদ্বোধনের সময় জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের কালে বিএনপির পদ বঞ্চিত একটি গ্রæপ সম্মেলনের মঞ্চস্থলের পিছন থেকে ককটেল নিক্ষেপ করে। সেটি বিস্ফোরিত হওয়া মাত্র আগত নেতাকর্মীরা আতংকিত হয়ে পড়ে। এসময় পাঁচবিবি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ৩ ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ করে। পরে উভয় পক্ষকে ছত্র ভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিজেদের নিয়ন্ত্রনে আনেন। এ ঘটনায় সম্মেলনস্থল থেকে বেশ কয়েক জন বিএনপির নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ।

    পাঁচবিবি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সাইফুল ইসলাম ডালিম জানান, আমরা সম্মেলন শুরু করার মহুর্তে দূর্বত্তরা মঞ্চের পিছনে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।একারণে নেতাকর্মীরা ভয়ে দিগবিদিগ চলে যায়। তবে পরবর্তীতে পাড়ইল গ্রামে সংঘটিত হয়ে ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আব্দুল হাকিম মন্ডলকে সভাপতি হিসাবে ঘোষনা করেন বলেও তিনি জানান।

    এবিষয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (পাঁচবিবি সার্কেল) ইশতিয়াক আলম ফাঁকা গুলি করার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিএনপির একটি পদ বঞ্চিত গ্রুপ সম্মেলনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করেছিল। তবে পুলিশ এসে তাদের ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।

  • বানারীপাড়ায় ১২টি  সংখ্যালঘু পরিবারের পৈত্রিক বসতভিটা থেকে জোর পূর্বক উচ্ছেদের অভিযোগ

    বানারীপাড়ায় ১২টি সংখ্যালঘু পরিবারের পৈত্রিক বসতভিটা থেকে জোর পূর্বক উচ্ছেদের অভিযোগ

    এস মিজানুল ইসলাম,বিশেষ সংবাদদাতা।। উপজেলার কাজলাহার গ্রামের ১২ টি হিন্দু সংখ্যালঘু পরিবারের পৈত্রিক বসতভিটা জোর পূর্বক উচ্ছেদ করে সরকারি ভাবে ভূমিহীনদের জন্য আবাসন নির্মাণের কাজ শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। বাস্তবায়ন করছে উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা প্রকৌলী মোঃ মহাসিনুল হাসান। সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার লংঘিত হচ্ছে এমন অভিযোগ করেছে কাজলাহার গ্রামের ভুক্তভোগী পরিবার গুলো।

    বাংলাদেশ মানবাবিকার কমিশনের উপজেলা শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবরে লিখিত অভিযোগে তারা বলেন, সরকারি সম্পত্তিতে গৃহহীনদের জন্য আবাসন নির্মান হোক ভুক্তভোগীরা ও তার পক্ষে। কিন্তুু ভুক্তভোগীদের পৈত্রিক সম্পত্তি উপজেলা প্রশাসন দখল করে নয়।

    এ ব্যপারে শনিবার ১৯ নভেম্বর সকালে
    সরেজমিনে কমিশন নেতৃত্ববৃন্দ উপস্থিত হলে ক্ষতিগ্রস্থ পিন্টু বড়াল, ধীরেন বড়াল, পরেশ, সুধান্য বড়াল, সুভাষ সহ কয়েকটি মুসলমান পরিবারের ইদ্রিস আলী আকন, শাহাদত সরদার একই অভিযোগ করেন। সেখানে দেখা যায় দীর্ঘদিন ধরে সংখ্যালঘু ও অন্যান্য পরিবার বসবাস করে আসছে। তারা জানান, আমাদের দলিল, রেকর্ড এবং পর্চা থাকা সত্ত্বেও উপজেলা প্রশাসন ১৫ নভেম্বর হটাৎ করে আমাদের ধানের ক্ষেত, পানের বরজ ও ঘর ভেকু দিয়ে ভেঙ্গে এবং পকুর ভড়াটের কাজ শুরু করে। তারা অভিযোগ করেন, উপজেলা ভূমি অফিসের অসাধু সার্ভেয়ার মোঃ সুমন এক তরফা এবং জমি চিহ্নিত করেন। সরকারি মাপে যে জমি তাতে কোনভাবেই আবাসনের ঘর নির্মান করা যায়না। এ জন্যই আমাদের উচ্ছেদ করে জমি বেশি দেখিয়ে এ কাজ শুরু করে। তারা বলেন, আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি বুঝিয়ে দিয়ে সরকারি সম্পত্তিতে আবাসন নির্মাণ করলে কোন আপত্তি নেই। আমরা বিষয়টি জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা প্রশাসনকে লিখিত ভাবে জানালে তারা কোন গুরুত্ব দেননি।

    এব্যপারে বরিশাল জেলা মানবাধিকার প্লাটফরম সদস্য এবং বানারীপাড়া উপজেলা বাংলাদেশ মানবাবিকার কমিশনের সাধারণ সম্পাদক এস মিজানুল ইসলাম এবং সভাপতি এটিএম মোস্তফা সরদার জানান, অভিযোগের সত্যতা রয়েছে। অভিযোগকারী সংখ্যালঘুদের পৈত্রিক সম্পত্তি বুঝিয়ে নাদিয়ে উচ্ছেদ করা মানবাধিকার লংঘন এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করা হচ্ছে।

    এব্যপারে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মহসিনুল হাসান বলেন সরকারি সার্ভেয়ারের মাপ অনুযায়ী আমরা কাজ করছি। এব্যপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিপন কুমার সাহা বলেন, আমরা ৪ মাস পুর্বে জমি মেপে লাল নিশান দিয়েছি। তখন কেউ আপত্তি করেনি। এখন কাজ শুরু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা আদালতের নিষেধাজ্ঞা পেলে বিষয়টি দখা হবে। কমিশনের অন্যান্যেদর মধ্যে ছিলেন মোঃ সাইফুল ইসলাম, আব্দুল আউয়াল প্রমূখ।#

  • বানারীপাড়ায় বাংলা একাডেমির মহা পরিচালক কবি নুরুল হুদা সংবর্ধিত

    বানারীপাড়ায় বাংলা একাডেমির মহা পরিচালক কবি নুরুল হুদা সংবর্ধিত

    এস মিজানুল ইসলাম,বিশেষ সংবাদদাতা।। বৃহস্পতিবার১৭ নভেম্বর রাত ৮ টায় বাংলা একাডেমির মহা পরিচালক একুশে পদকপ্রাপ্ত, বরেণ্য কবি নুরুল হুদা বানারীপাড়ায় সংবর্ধিত হয়েছেন। বানারীপাড়ার পৌরসভার উদ্যোগে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মেয়র এ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীল সভাপতিত্ব করেন। এ সময় মহা পরিচালক কবি নুরুল হুদা সহ তার সফর সঙ্গিদের পুষ্পগুচ্ছ দিয়ে পৌরবাসীর পক্ষে বরণ করেন মেয়র সুভাষ চন্দ্র শীল। প্রভাষক ও কবি আশ্রাফুল হাসান সুমনের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন, কবি ও কথা সাহিত্যিক বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসহাক খান, বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ রবিউল হক, বানারীপাড়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আফরোজা বেগম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি দেবাশীষ দাস প্রমূখ। উপস্থিত অতিথি ছিলেন কবির সফর সঙ্গী বাংলা একাডেমির উপ পরিচালক কবি ফারহান ইসরাক, রাইটার্স ক্লাবের সহ সম্পাদক ইউসুফ রেজা, বানারীপাড়ার প্রগতি লেখক সংঘের সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম, পৌর প্যানেল মেয়র প্রভাষক এমাম হোসেন সহ বিভিন্ন শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান, কবি ও লেখক বৃন্দ।

  • চট্রগ্রামের ৩৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হলেন মো.আসলাম, সা. সম্পাদক জিয়াউল হক সুমন

    চট্রগ্রামের ৩৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হলেন মো.আসলাম, সা. সম্পাদক জিয়াউল হক সুমন

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

    চট্টগ্রামের ইপিজেড থানাধীন দক্ষিণ হালিশহর ৩৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত।
    ১৭ নভেম্বর,রোজ বৃহস্পতিবার সকালে ইপিজেড থানাধীন দক্ষিণ হালিশহর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গনে এই ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নগর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজম নাছির উদ্দিন।

    এ সময় তিনি আগামী নির্বাচনে নৌকার জয়লাভে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন। স্বাধীনতাবিরোধী পরাশক্তি ও অগ্নিসন্ত্রাস নির্মূলে সাধারণ জনগণ নৌকায় ভোট দিবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    সম্মেলন শেষে মো. আসলামকে সভাপতি ও জিয়াউল হক সুমনকে সাধারণ সম্পাদক করে দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে করে ২৬ বছর পর নতুন মুখ পেলো ৩৯ নম্বর দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।কমিটিতে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পদায়ন করায় খুশি হয়েছেন নেতাকর্মীরা।

  • কৈনপুরা তরুণ সমাজের উদ্যোগে চার দিন ব্যাপী কার্তিক পূজা

    কৈনপুরা তরুণ সমাজের উদ্যোগে চার দিন ব্যাপী কার্তিক পূজা

    পটিয়া প্রতিনিধি:
    আনোয়ারা উপজেলার চাতরী ইউনিয়নের কৈনপুরা গ্রামে তরুণ সমাজের উদ্যোগে চার
    দিনব্যাপী সার্ব্বজনীন শ্রীশ্রী কার্তিক পূজা গত বুধবার (১৬ নবেম্বর)
    থেকে শুরু হয়েছে। প্রথমদিন পূজার বোধন ও মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন
    ঝিনু বালা দাশ। দ্বিতীয়দিন ১৭ নবেম্বর (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় আলোচনা
    সভা, বস্ত্র বিতরণ, সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। কৈনপুরা
    কার্ত্তিক পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নন্দন ঘোষের সভাপতিত্বে ও সাধারণ
    সম্পাদক শিমুল দাশ বাবুর পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন- সংবর্ধিত অতিথি ও
    ৮নং চাতরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন সোহেল, সংবর্ধিত অতিথি
    পূজা উদযাপন পরিষদের অর্থ সম্পাদক রাজন দাশ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন-
    ঝিনু বালা দাশ, পংকজ দেবনাথ, ইউপি মেম্বার নিতাই চন্দ্র দে, ইউপি মেম্বার
    মিনু আকতার, ইউপি মেম্বার আবদুল মান্নান, জগন্নাথ দাশ, প্রধান সমন্বয়কারী
    সুদীপ দে ও পূজা পরিষদের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে রাতে আলোকসজ্জা ও
    থিমস্ প্রদর্শন করা হয়। আজ অনুষ্ঠানের তৃতীয় দিন (শুক্রবার) গীতা পাঠ
    করেন- বিশিষ্ট গীতাপাঠক বিধান চৌধুরী। পরে দুপুরে ও রাতে অন্নপ্রসাদের
    ব্যবস্থা করা হয়েছে। কাল শনিবার (১৯ নবেম্বর) পুজার সমাপনী দিবসে কার্তিক
    পূজার বিজয়ী র‌্যালী ও প্রতীমা বিসর্জন করবে। এতে পৌরহিত করবেন শ্রী
    ভবতোষ চক্রবর্ত্তী ঝুন্টু, তন্ত্রধারক থাকবেন পুলক চক্রবর্ত্তী।

  • আগৈলঝাড়ার রত্নপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অমিও লাল চৌধুরী আর নেই

    আগৈলঝাড়ার রত্নপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অমিও লাল চৌধুরী আর নেই

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    আগৈলঝাড়া উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং মোহনকাঠি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যলয় ও কলেজ এর অবসরপ্রাপ্ত প্রভাষক সদা হাসোজ্জল অমিয় লাল চৌধুরী (৬৫) আর নেই।
    দীর্ঘদিন যাবত তিনি বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে শ্বাসকষ্ট জনিত রোগে শুক্রবার সকাল নয়টায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, পাঁচ মেয়ে নাতি-নাতনীসহ বহু আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।
    অমিও লাল চৌধুরীর মৃত্যুতে তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সিনিয়র সদস্য পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীণ কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী), আওয়ামী লীগ সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি। অমিও লাল চৌধুরীর মরদেহে মন্ত্রী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর পক্ষে শেষ শ্রদ্ধা বিদেন করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈ, সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত। শুক্রবার বিকেলে নিজ বাড়ি রত্নপুর ইউনিয়নের রত্নপুর গ্রামে (হাওলা) পারিবারিক শ্মশানে অমিও লাল চৌধুরীর শেষ কৃত্যানুষ্ঠানে তাঁর স্বজনসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সিরাজদিখানে গভীর রাতে গৃহবধূ প্রেমিকার ঘরে পরকীয়া প্রেমিক পাকরাও, থানায় হস্তান্তর

    সিরাজদিখানে গভীর রাতে গৃহবধূ প্রেমিকার ঘরে পরকীয়া প্রেমিক পাকরাও, থানায় হস্তান্তর

    লিটন মাহমুদ,

    মুন্সীগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ

    মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে জান্নাতুল ফেরদৌস (২২) নামে এক গৃহবধূর বসত ঘরে অবৈধভাবে মেলামেশা করতে এসে কাউসার (২১) নামে এক প্রেমিক যুবককে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ১২ টার দিকে উপজেলার মধ্যপাড়া ইউনিয়নের মালপদিয়া গ্রামে ওই গৃহবধূর কুয়েত প্রবাসী স্বামী মোঃ সুমনের বসত ঘর থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে ভুক্তভোগী সুমনের পরিবার ও স্থানীয়রা ইউপি সদস্য বক্কর খানের মাধ্যমে পরদিন শুক্রবার ভোরে আটক প্রেমিক যুবক ও অভিযুক্ত গৃহবধূকে মধ্যপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দারস্থ করা হলে আইনি বি়ভিন্ন জটিলতার কারণে এবিষয়ে তিনি সমাধান দিতে না পেরে প্রেমিক যুগলকে সিরাজদিখান থানা পুলিশে হস্তান্তর করেন। স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, টংগীবাড়ী উপজেলার আমতলা গ্রামের জাহাঙ্গীর শেখের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসের সাথে ইসলামী সরিয়ত মোতাবেক পার্শ্ববর্তী সিরাজিদখান উপজেলার মালপদিয়া গ্রামের মৃত ফরহাদের ছেলে সুমনের সাথে বিয়ে হয়। তাদের ওরশে একটি পুত্র সন্তান জন্ম লাভ করে। বিয়ের পর সুমন প্রবাশে কুয়েত চলে যায়। সে প্রবাসে থাকার সুবাদে তার তার স্ত্রী বিভিন্ন ছেলের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পরে। স্ত্রীর পরকীয়ায় জড়িয়ে পরার বিষয়টি জানতে পেরে স্ত্রীর নিকট জানতে চাইলে এ নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্যসহ শুরু হয়। সুমন তার স্ত্রীকে ফেরাতে না পারার কারণে বিষয়টি পারিবারিক কলহে রূপ নেয়। এক পর্যায়ে সুমন বিষ পানে আত্নহত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। সে সময় সুমন ছুটিতে দেশে ছিলেন। এর কিছুদিন পর সুমন দেশ ত্যাগ করে কুয়েত চলে গেলে স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস পরকীয়ার সম্পর্ক চালিয়ে যায়। সুমন বিদেশে থাকাকালীন সময় তার স্ত্রী অজ্ঞাত এক ছেলের হাত ধরে শ্বশুর বাড়ি ত্যাগ করে। খোঁজ নিয়ে সুমনের পরিবারের লোকজন জানতে পারেন তাদের বৌ পিত্রালয়ে না গিয়ে অন্য কোন এক ছেলের সাথে অজানায় পাড়ি জমিয়েছে। পরে জান্নাতুল ফেরদৌসের এক খালুর অনুরোধে সাদা কাগজে লিখিত নিয়ে সুমনের স্ত্রীকে বাড়িতে তোলে শ্বশুর বাড়ীর লোকজন। এ ঘটনার মাসেক খানেকের মধ্যে পুনরায় একই ছেলের সাথে শ্বশুর বাড়ী থেকে পালিয়ে যায় গৃহবধূ জান্নাতুল ফেরদৌস। দ্বিতীয় বার একই অপরাধ করে বাড়ির বৌ পালিয়ে গেলে সুমনের স্ত্রীকে বাড়িতে না তুলে তালাকের মনোস্থ করেন পরিবারের লোকজন৷ স্থানীয়, রাজনৈতিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের অনুরোধে কোলের ছেলের ভবিষ্যত ও সামাজিকতাসহ স্থানীয় লোকজনের তিরস্কারের পরোয়া না করে শেষ বারের মত জান্নাতুল ফেরদৌসকে তিনশত টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে ঘরে তোলেন সুমনের পরিবার। শ্বশুর বাড়ী ফেরার পর জান্নাতুল ফেরদৌসের চলাচল ও আচারন স্বাভাবিক থাকলেও কিছুদিন পর থেকে পূর্বের চলাচল ও আচার আচরণ লক্ষ করে বাড়ির লোকজনসহ প্রতিবেশীরা তাকে চোখে চোখে রাখেন মর্মে ঘটনার বর্ণনায় জানা যায়। গত বৃহস্পতিবার রাত ১১ টার দিকে সুমনের প্রতিবেশী এক নারী সুমনের ঘরে একজন মানুষ ঢুকছে এমন মানুষের ছায়া দেখতে পেরে তার সন্দেহ হলে ওই নারী বাড়ির লোকজনকে বিষয়টি জানান। পরে বাড়ীর লোকজন জান্নাতুল ফেরদৌসকে তার ঘরে দুয়ার খুলতে বলে ভিতর থেকে সাড়া শব্দ না পেয়ে ঘন্টা খানেক চেষ্টার পর ব্যর্থ হয়ে ইউপি সদস্য বক্কর খানকে ডেকে এনে প্রতিবেশী ও অণ্যান্য লোকজন নিয়ে জোরপূর্বক দুয়ার খোলার চেষ্টা করলে ভিতর থেকে দুয়ার খুলে দেওয়া হয়।এসময় উপস্থিত লোকজন এক যুবককে খাটের উপর বসা দেখতে পান। এসময় ওই যুবককে জিজ্ঞেস করা হলে পরকীয়া প্রেমের টানে প্রেমিকা গৃহবধূ জান্নাতুল ফেরদৌস আমন্ত্রণে তার বসত ঘরে প্রবেশের কথা স্বীকার করে। বিষয়টি ওইদিন রাতে ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ করিমকে মুঠোফোনে জানানো হয় এবং সকাল সাড়ে ১০ টায় পরিষদের হল রুমে উভয় পক্ষের লোকজন ডেকে সমাধানের চেষ্টা করেন চেয়ারম্যান মোঃ করিম। এসময় পরকীয়া প্রেমিক ও প্রেমিকার ভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য ও বিভিন্ন আইনি জটিলতার কারণে সমাধানে ব্যর্থ হয়ে পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়।
    ভুক্তভোগী সুমনের মাতা মোসাঃ হাসিনা বেগম বলেন, পাশের বাড়ির একজন রাত ১১ টার দিকে সুমনের বৌএর ঘরে মানুষ ঢোকার ছায়া দেখে এসে বাড়িতে বলে। আমাদেরও সন্দেহ হলে দুয়ার খোলার জন্য চেষ্টা করি। দুয়ার না খোলায় পরে মেম্বারকে জানাই। উনি এসে লোকজন নিয়ে দুয়ার খুলতে গেলে ভিতর থেকে খুলে দেয়। পরে ওই ছেলেকে খাটে বসা পাই।

    ভুক্তভোগী সুমনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠোফোনে কুয়েত থেকে বলেন, তার কোন চাওয়া পাওয়া অপুরন রাখিনি। সে এ নিয়ে কয়েকবার চলে গেছে। ছেলেটার কথা ভেবে সব মাফ করে বাড়িতে এনেছি। এবার আর আমি তাকে রাখবো না। মধ্যপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ করিম বলেন, বিষয়টি জানার পর পরিষদে উভয় পক্ষকে ডাকানো হয়। উভয় পক্ষের বক্তব্যই শুনেছি। সে অনুসারে আমি সমাধান করতে পারি নি। তাই ওসি সাহেবেকে ফোন করে তাদের তুলে দিয়েছি। আইনি ভাবে যা হয় তাই হবে। সিরাজিখান থানার ওসি একেএম মিজানুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তারা এখন থানায় আছে। আইনগত ব্যাবস্থা প্রক্রিয়াধীন। আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়ার পর বাচ্চার বেপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

  • টাঙ্গাইলের মধুপুরের ঐতিহ্যবাহী বড় বাড়ীতে মিলন মেলা অনুষ্ঠিত

    টাঙ্গাইলের মধুপুরের ঐতিহ্যবাহী বড় বাড়ীতে মিলন মেলা অনুষ্ঠিত

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কুড়ালিয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বড়বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয়েছে মিলন মেলা। বড় বাড়ীর কৃতিসন্তান শোয়েব আহমেদ রাজু এর আয়োজনে শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) বাদ জুম্মা তার নিজ বাড়ীতে ১৯৮৩ ব্যাচের ঢাকা ভার্সিটির বন্ধুবান্ধব নিয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ মিলন মেলায় বিভিন্ন দপ্তরের অবসর প্রাপ্ত উর্ধতন কর্মকর্তাগন, ব্যবসায়ীগন সহ দেশের বিভিন্ন স্হানের বন্ধুবান্ধব উপস্হিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্হিত ছিলেন মধুপুরের কৃতিসন্তান দেশ ফার্মাসিটিউক্যাল কোম্পানির মালিক লুৎফর রহমান, মধুপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর মন্টু, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ডাঃ মীর ফরহাদুল আলম মনি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ, মধুপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র মাসুদ পারভেজ, সাবেক মেয়র সরকার সহিদ,শহীদ স্মৃতি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুর রশিদ খান চুন্ন, কুড়ালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, মহিষমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহি উদ্দিন মহির, আব্দুল লতিফ, প্রেসক্লাব মধুপুরের সভাপতি আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক বাবুল রানা সহ এলাকার গন্য মান্য ব্যাক্তিবর্গ।