Author: desk

  • নড়াইলে পুলিশের অভিযানে ডাকাতি মামলার সাজাপ্রাপ্ত পালাতক আসামী গ্রেফতার

    নড়াইলে পুলিশের অভিযানে ডাকাতি মামলার সাজাপ্রাপ্ত পালাতক আসামী গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
    নড়াইলে পুলিশের অভিযানে ডাকাতি মামলার সাজাপ্রাপ্ত পালাতক আসামী গ্রেফতার।
    নড়াইলে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করেছে নড়াইলের লোহাগড়া থানা পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, শনিবার দিবাগত রাতে শিপন ওরফে উজ্জ্বল মোল্যা (৪৫) নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনি লোহাগড়া উপজেলার লুটিয়া গ্রামের মোশারেফ মোল্যার ছেলে।
    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদ পেয়ে উপজেলার লুটিয়া গ্রামে আসামীর নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে লোহাগড়া থানার উপ- পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ মামুনুর রহমান ও সঙ্গীয় ফোর্স ডাকাতিসহ পাঁচটি মামলার আসামী ও আদালত কতৃক ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রাপ্ত উজ্জল মোল্যা কে গ্রেফতার করেন। উজ্জ্বল মোল্যা ডাকাতি মামলায় গত ২০১৬ সালে দণ্ডপ্রাপ্ত হন তিনি দীর্ঘ ৬ বছর পলাতক ছিলেন।
    লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন গোপন সংবাদ পেয়ে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করেছে লোহাগড়া থানা পুলিশ। শনিবার দিবাগত রাতে শিপন ওরফে উজ্জ্বল মোল্যা (৪৫) নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনি লোহাগড়া উপজেলার লুটিয়া গ্রামের মোশারেফ মোল্যার ছেলে।
    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদ পেয়ে উপজেলার লুটিয়া গ্রামে আসামীর নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে লোহাগড়া থানার উপ- পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ মামুনুর রহমান ও সঙ্গীয় ফোর্স ডাকাতিসহ পাঁচটি মামলার আসামী ও আদালত কতৃক ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রাপ্ত উজ্জল মোল্যা কে গ্রেফতার করেন। উজ্জ্বল মোল্যা ডাকাতি মামলায় গত ২০১৬ সালে দণ্ডপ্রাপ্ত হন তিনি দীর্ঘ ৬ বছর পলাতক ছিলেন।
    লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন গোপন সংবাদ পেয়ে আসামি কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ও ডিজিকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন সংবাদে হতাশ শিক্ষক সমাজ

    মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ও ডিজিকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন সংবাদে হতাশ শিক্ষক সমাজ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরকে নিয়ে শিক্ষকদের মারধর করা এবং এমপিওভুক্তির আবেদনে ঘূষ লেনদেনসহ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এম, রুহুল আমীন ও রংপুর বিভাগ এর দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক মোঃ বাদশা মিয়াকে জড়িয়ে বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত ভিত্তিহীন ও মিথ্যা-কুরুচিপুর্ণ ভূয়া সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে শিক্ষকরা। এমন সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়ে সংবাদটিকে মাদ্রাসা অধিদপ্তরের সুনাম নষ্ট করার একটা বৃহৎ ষড়যন্ত্র বলেও দাবী করেছেন দেশের মাদ্রাসা শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত বিভিন্ন সংগঠন।

    মূলত- মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর হচ্ছে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর একটি নবসৃষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান। গত ২০১৫ সালের আগস্ট মাস হতে কাকরাইলের জাতীয় স্কাউট ভবনে সম্পূর্ণ ভাড়া অফিসে এ দপ্তরের কার্যক্রম শুরু হয় । স্বল্প পরিসরে অফিস কার্যক্রম ঠিকমত পরিচালিত না হওয়ায় এবং কর্মকর্তাদের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় বর্তমানে “গাইড হাউস (৭ম এবং ১০ম তলা ), নিউ বেইলি রোড, ঢাকা-১০০০” ভাড়ার ভিত্তিতে এ দপ্তরের কার্যক্রম সুনামের চলছে ।
    মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে ৭৯৫৪ টি এমপিও ভূক্ত মাদরাসায় ১,৫০,৮০০ জন শিক্ষক ও কর্মচারীদের প্রতি মাসে বেতন ও ভাতা দেয়া হচ্ছে। এছড়াও ১৫১৯ টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ৪,৫২৯ জন শিক্ষকদের অনুদান দেয়া হচ্ছে। এই বিপুল সংখ্যক মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের প্রশাসনিক এবং একাডেমিক বিষয়ে মনিটরিং এর সার্বিক দায়িত্ব মাদ্রাসা শিক্ষা অধদিপ্তরের। এ অধিদপ্তরের প্রশাসনিক অধিক্ষেত্র সমগ্র বাংলাদশ। এমপিও ভূক্তকরণ, শিক্ষক এমপিও ভূক্তকরণসহ মাদ্রাসা শিক্ষার একাডেমিক এবং কাঠামোগত উন্নয়নের ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে পরার্মশ দেয়া এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা অধিদপ্তরের প্রধান কাজ। বর্তমানে মেমিস এর মাধ্যমে অনলাইন পদ্ধতিতে এমপিওভুক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও (বেতন-ভাতা) আবেদন দ্রুতসময়ে প্রক্রিয়াকরণ ও সরাসরি শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রদান/বিতরণ নিশ্চিতকরণ করা হয়।

    নানান সমস্যায় জর্জরিত ডুবতে বসা মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের এই গুরুত্বপূর্ণ কার্যালয়টি বর্তমানে যেখানে সুনাম অর্জনে যোগ্য নেতৃত্বের কল্যাণে’, সেখানে অসৎ উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদে কেবল একজন সৎ, আদর্শবান ও দক্ষ মহাপরিচালক এম, রুহুল আমীন স্যারকে অসম্মানিত হন-নি বরং অধিদপ্তরেরও সম্মানহানি হয়েছে বলে আমরা মনে করেন তারা। অনাকাঙ্ক্ষিত, মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ গোটা শিক্ষক সমাজকে চরমভাবে বিস্মিত, ব্যথিত ও মর্মাহত করেছে বলে দাবী করেন তারা ।প্রতিবেদনে শিক্ষকদের মারধর করা এবং এমপিওভুক্তির আবেদনে স্বচ্ছতা নিয়ে অহেতুক প্রশ্ন তোলায় শিক্ষকগণ বিস্মিত ও হতবিহ্বল। রিপোর্টে নিয়োগের দুর্নীতি তুলে ধরা হয়েছে, এটি মুলত একটা ভূয়া বিষয়,যেকোন প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ মুলত প্রতিষ্ঠান প্রধান ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিই তদারকি করেন,ডিজির পক্ষ থেকে একজন প্রতিনিধি সদস্য থাকেন। একক ভাবে ডিজির প্রতিনিধি সদস্যের নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ থাকেনা,সুতরাং সেখানে ডিজি বা তার প্রতিনিধির দুর্নীতি /অনিয়ম করার সুযোগ নেই।

    শিক্ষক সমাজ বলেন,ফরিদপুরের আদমপুর এ, কে দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার সুপার ওয়াহিদুজ্জামান মিয়াসহ ওই মাদ্রাসার আরও দুই শিক্ষক এমপিওভুক্তির আবেদন চুড়ান্ত করতে কয়েকজন কর্মকর্তা তাদের কাছ থেকে ১৪ লাখ টাকা নিয়েছেন বলে সংবাদে যে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে তা একটি বানোয়াট তথ্য বলে মনে করা হচ্ছে। এখানে টাকাটা কয়েকজন কারা নিয়েছেন তার কোন নির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেন নি। পরিদর্শক বাদশা মিয়া স্যারের বিষয়ে যে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে সেটিও একটি গুজব বলেই মনে করছেন শিক্ষক নেতৃবৃন্দ অভিজ্ঞমহল। কারণ তার বিরুদ্ধে আদৌ কেন অভিযোগ দায়ের করতে পারনেনি বা কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই তাহলে কি ব্যবস্থা নিবেন কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া তিনি রংপুর বিভাগের পরিদর্শক হিসাবে দায়িত্বে রয়েছেন, তাহলে ফরিদপুরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের বক্তব্য ষড়যন্ত্র মূলক এটা আমরা অনেকেই পরিষ্কার। অথচ যেকোন প্রতিষ্ঠান এমপিওভূক্ত করতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিও নীতিমালা সংশোধন করেছে সরকার। সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী— নতুন এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের পাঠদান, একাডেমিক স্বীকৃতি, শিক্ষক-কর্মচারীর সনদ-কাগজপত্র জেলা ও উপজেলার কমিটির মাধ্যমে সরেজমিনে যাচাই করা হবে। এতে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল-কলেহজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ এর ২৬ (গ) অনুচ্ছের ক্ষমতাবলে ১৭.২ নম্বর সংশোধন করা হয়েছে।

    জারি করা পরিপত্র অনুসারে যাচাই শেষে সবঠিক থাকলে প্রতিষ্ঠান প্রধান অনলাইনে আবেদন করবেন। জেলা-অঞ্চল পর্যায়ের কমিটি অনলাইনে পাওয়া আবেদনগুলোর সংশ্লিষ্ট স্তর যাচাই করবেন। যাহা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারেদের মাধ্যমে যাচাই বাছাই করা হয়। শিক্ষা অধিদপ্তরে কোন প্রকার সিন্ডিকেট নেই,এটা একটা কাল্পনিক তথ্য বলেও মনে করছেন শিক্ষা বিশ্লেষকরা।

    শিক্ষক নেতারা বলেন- মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে এম, রুহুল আমীন গত ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখে মাদ্রাসা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের কার্যক্রম যেখানে ইতোমধ্যে দেশব্যাপী প্রশংসিত ও সমাদৃত হয়েছে, স্বচ্ছতা ও সততার প্রতি দেশের মেধাবীদের অনুপ্রাণিত করেছে এবং ঘুষ-তদবির-অসদুপায় এর চোয়ালে সজোরে চপেটাঘাত করেছে, সেখানে এমপিও নিয়ে এমন প্রশ্ন তোলায় আমাদের মনে সন্দেহের দানা বাসা বাঁধে যে এরা আসলে কী চায়? নিজ স্বার্থে অন্ধ শক্তি একটি স্বচ্ছ এমপিওভূক্তি প্রশ্নবিদ্ধ করার লক্ষ্যে শুরু থেকেই কাজ করে আসছে,যা শিক্ষক সমাজ এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের জন্য লজ্জাজনক এবং হুমকিস্বরূপ।এছাড়া মহা পরিচালক এম রুহুল আমিন এর স্বচ্ছতায় গ্রহণযোগ্য সেবা পেতে শুরু করেছে দেশের মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা। পাঠ দানে ও গবেষণায় তাদের যথেষ্ট আগ্রহ ও পারদর্শিতা দেখিয়ে যাচ্ছে, তখন এমন বানোয়াট ও অসত্য তথ্য প্রচার শিক্ষকদের হতাশ করে তুলেছেন।
    পরিচালক কে, এম, রুহুল আমীন একজন স্বচ্ছ ও শিক্ষকবান্ধব মহাপরিচালক । ১১ তম বিসিএস (প্রশাসন ক্যাডার) এর সদস্য এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অতিরিক্ত সচিব। তার বাড়ী মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলায়।

  • নাচোলে ককটেল বিস্ফোরণে ২ পুলিশ কনেস্টবল আহত

    নাচোলে ককটেল বিস্ফোরণে ২ পুলিশ কনেস্টবল আহত

    মোঃ মনিরুল ইসলাম,নাচোল,
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল পৌর এলাকার শ্রীরামপুর অক্সফোর্ড একাডেমীর পাশে ককটেল বিস্ফোরণে দুই পুলিশ কনেস্টবল আহত হয়েছে। আহতরা হলেন, কনেস্টবল পলাশ ও আলমগীর। ঘটনাস্থল থেকে ৫ টি তাজা ককটেল উদ্ধার করেছে নাচোল থানা পুলিশ। আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের (একাংশের) কর্মীসভা হওয়ার কথাছিলো।

    সেখানে পুলিশ বাধা দিলে ছাত্রদলের কর্মীরা সভাস্থল ত্যাগ করে। ওই সময় হঠাৎ ককটেল বিস্ফোরিত হলে ২জন পুলিশ কনেস্টবল আহত হয়। পরে সভাস্থলের পাশ থেকে ৫টি তাজা ককটেল উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

    নাচোল থানার অফিসার
    ইনচার্জ মিন্টু রহমান জানান,
    থানার অনুমতি ছাড়াই তারা সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিলে পুলিশ জানতে পেরে বাধা দিলে ঘটনা স্থল ত্যাগ করার মুহূর্তে এ ঘটনা ঘটে।
    এই ঘটনায় মামলার দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এখন পর্যন্ত কেউ আটক হয়নি।

  • পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় চোলাইমদসহ নারী আটক

    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় চোলাইমদসহ নারী আটক

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়:
    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় চোলাই মদসহ মনারানী বাশ ফোড় (৫০) নামে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ।

    আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার (২০ নভেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলা হাজতে প্রেরণ করা হয়। এর আগে শনিবার (১৯ নভেম্বর) রাতে তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়নের চৌরাস্তা বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করে তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশ।

    জানা যায়, মাদক ব্যবসায়ী মনারানী তেঁতুলিয়া উপজেলার সাহেবজোত গ্রামের রাম বাবুর স্ত্রী।

    এজাহার সূত্রে জানা যায়, মাদক কেনাবেচার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেঁতুলিয়া চৌরাস্তা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন থানা পুলিশ। এসময় মনারানী বাশ ফোড় নামে ওই নারী চৌরাস্তা বাজার এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে তাকে মাদক বিক্রির সময় হাতেনাতে আটক করা হয়। এসময় নারী পুলিশ দ্বারা তার দেহ তল্লাশী করা হলে তার কাছে থাকা প্লাস্টিকের বাজারী ব্যাগ থেকে ৫০০ এমএল পরিমাণের ২৩টি নীল রংয়ের প্লাস্টিকের বোতলে মোট ১১ লিটার ৫০০ এমএল দেশিয় তৈরী চোলাই মদ জব্দ করে তাকে থানায় নেয়া হয়। জানা যায়, ১১ লিটার ৫০০ এমএল চোলাই মদের বাজার মূল্য দুই হাজার তিনশত টাকা।

    তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ চৌধুরী আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুপুরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • ঝিনাইদহ পৌরসভার চেক জালিয়াতি প্রমানিত  সাবেক পৌর নির্বাহী ও হিসাবরক্ষক মকলেচ বরখাস্ত

    ঝিনাইদহ পৌরসভার চেক জালিয়াতি প্রমানিত সাবেক পৌর নির্বাহী ও হিসাবরক্ষক মকলেচ বরখাস্ত

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ পৌরসভার সাবেক পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা আজমল হোসেন ও হিসাব রক্ষক মকলেচুর রহমান ফেঁসে গেছেন। তারা চেক জালিয়াতি করেছেন মর্মে তদন্তে প্রমানিত হয়েছে। ফলে এই দুই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার (২০ নভেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের ওয়েব সাইট থেকে এ তথ্য জানা গেছে। মন্ত্রানালয় থেকে জারীকৃত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয় ঝিনাইদহ পৌরসভার ফান্ড তছরুপ ও চেক জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় আজমল ও মকলেচুরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ পৌর শাখা-১ এর উপ-সচিব আব্দুর রহমান এই প্রজ্ঞাপন জারি করেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঝিনাইদহ পৌরসভার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা আজমল হোসেন বিভিন্ন সময় হিসাব রক্ষক মকলেচুর রহমানের সহায়তায় ৩৮টি চেকের মাধ্যমে ৭৪ লাখ ৫৮ হাজার ৮২ টাকা অবৈধ ভাবে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। বর্ণিত অভিযোগের বিষয়ে হিসাব রক্ষক মকলেচুর রহমান দোষ স্বীকার করে সম্প্রতি তদন্ত কর্মকর্তার কাছে লিখিত দেন। মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে চেক জালিয়াতির ঘটনাটি তদন্ত করেন ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক দপ্তরের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ইয়ারুল ইসলাম। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ঝিনাইদহ পৌরসভার সাবেক মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু চেক জালিয়াতির বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ২০২১ সালের ২৭শে জুন তার দপ্তরের ২৯৬ নং স্মারকে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব (পৌর-১ শাখা) বরাবর চিঠি দেন। সেই চিঠির আলোকে মন্ত্রনালয় একটি তদন্ত কমিটি করে প্রতিবেদন প্রেরণ করার নির্দেশনা জারি করে। ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক দপ্তরের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ও ঝিনাইদহ পৌরসভার সাবেক প্রশাসক ইয়ারুল ইসলাম চেক জালিয়াতির ঘটনাটি তদন্ত করে মন্ত্রনালয়ে প্রতিবেদন প্রেরণ করেন। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় এই ব্যবস্থা গ্রহন করেন বলে জানা গেছে। এদিকে ঝিনাইদহ পৌরসভার নতুন মেয়র দায়িত্ব গ্রহনের আগেই চেক জালিয়াতির ৭৪ লাখ ৫৮ হাজার ৮২ টাকা জমা হয় পৌরসভার একটি একাউন্টে। হিসাব রক্ষক মকলেচুর রহমান এই টাকা সোনালী ব্যাংকের ২৪০৭০০৪০০০৩১৬ নম্বর একাউন্টে জমা দিলেও ঝিনাইদহ পৌরসভার একাউন্টস সেকশনে তার কোন ডকুমেন্ট নেই। নতুন মেয়র শাহরিয়ার জাহেদী হিজল দায়িত্ব গ্রহনের পর বিষয়টি জানাজানি হলেও এখনো বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে রয়েছে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ২৭৮ গ্রাম হেরোইনসহ ০১ জন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক ; প্রাইভেটকার জব্দ।

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ২৭৮ গ্রাম হেরোইনসহ ০১ জন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক ; প্রাইভেটকার জব্দ।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    এর ধারাবাহিকতায় ২০/১১/২০২২ ইং তারিখ বিকেল ০৪:৫৫ ঘটিকায় গোপন সাংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২’র সদর ও স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন রামারচর বাজারস্থ নিউ রুপালী হোটেলের সামনে পাকা রাস্তার উপর একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশী চালিয়ে ২৭৮(দুইশত আঠাত্তর) গ্রাম হেরোইনসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়াও মাদক বহনের কাজে ব্যবহৃত ০১ টি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত আসামীঃ মোঃ আলিম শেখ (৫২), পিতা- মৃত কাবিল শেখ, সাং-পোড়াবাগ, থানা ও জেলা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, এই মাদক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন যাবৎ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    স্বাক্ষরিত…….

    মোঃ আবুল হাসেম সবুজ

    লেফটেন্যান্ট

    স্কোয়াড কমান্ডার

    র‌্যাব-১২,সিপিএসসি,সিরাজগঞ্জ।

    মোবাঃ ০১৭৭৭-৭১১২৫৮

  • ভোলার বোরহানউদ্দিনে ৭ বছরের অসুস্থ স্বামীকে বাঁচাতে অসহায় স্ত্রীর সাহায্যের আবেদন

    ভোলার বোরহানউদ্দিনে ৭ বছরের অসুস্থ স্বামীকে বাঁচাতে অসহায় স্ত্রীর সাহায্যের আবেদন

    মোঃ ছাইফুল ইসলাম-(জিহাদ), নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড মোল্লা বাড়ীর মোঃ ইউসুফ মোল্লা ও নিরূপা বেগম (৬৫) এর একমাত্র ছেলে মোঃ খোরশেদ আলম (৩৫) এর দীর্ঘ ৮বছর আগে দর্জি কাজ করে তার মা ও স্ত্রীকে নিয়ে সুখে শান্তিতে জীবন যাপন করতেন। কয়েক বছর পর মোঃ খোরশেদ আলমের ঘরে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়, আদর করে তার নাম রাখা হয় সুখি বেগম। তাদের নিয়ে খোরশেদ আলম সুখে শান্তিতে জীবন যাপন করতে থাকেন। কিন্তু এই সুখ তাদের ভাগ্যে বেশি দিন রইলো না।

    এ বিষয়ে খোরশেদ আলমের পরিবার জানান, তাদের ঘরে কন্যা সন্তান জন্মের কয়েক মাস পরেই নাম না জানা একটি রোগে আক্রান্ত হন খোরশেদ আলম। তাদের কাছে টাকা না থাকায় তাকে কোনো উন্নত চিকিৎসা করাতে পারেননি। পরবর্তী সময়ে স্বামী চিকিৎসা ও সংসার টিকিয়ে রাখতে কাজ করতে শুরু করে তার স্ত্রী ‌।এই ভাবে খেয়ে না খেয়ে তার অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে দীর্ঘ ৭ বছর কেটে যাওয়া আর আস্তে আস্তে খোরশেদ আলমের রোগ বৃদ্ধি। টাকার অভাবে কোনো ভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে পারছেন না। এভাবে’ই প্রতিদিন মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে খোরশেদ আলম। যতদিন যাচ্ছে খোরশেদ আলমের অবস্থা ততই খারাপ হচ্ছে। এখন খোরশেদ আলমের পরিবার কিছুই চায় না শুধু চায় খোরশেদ আলমকে উন্নত চিকিৎসা করাতে । তাই খোরশেদ আলমের চিকিৎসার জন্য হৃদয়বান দানশীল ব্যক্তিদের কাছে তার পরিবারের আকুল আবেদন কোন হৃদয়বান দানশীল ব্যক্তি যদি তাদেরকে সাহায্য ও আর্থিক সহযোগিতা করে, তাহলে খোরশেদ আলমের চিকিৎসা করাতে পারবেন। তাই হৃদয়বান দানশীল ব্যক্তিদের কাছে অনুরোধ আপনারা যে যেখান থেকে পারেন যেভাবে পারেন খোরশেদ আলমের পরিবারকে সহযোগিতা করে তাদের পাশে দাড়ান।

    অসুস্থ খোরশেদ আলমের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করুনঃ (বিকাশ)01402697395

  • সভাপতি জসিম, সম্পাদক সোহেল  পটিয়া পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ড আ’লীগের  ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন

    সভাপতি জসিম, সম্পাদক সোহেল পটিয়া পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ড আ’লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন

    পটিয়া প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি ও পটিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যখন বাংলাদেশ উন্নয়ন অগ্রয়াত্রায় উন্নয়নশীল দেশে এগিয়ে যাচ্ছে তখন বিএনপি – জামায়াত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। বিএনপি পিছনে দরজা ক্ষমতা যেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তাই আওয়ামী লীগের জেলা, উপজেলা ও পৌরসভায় পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত করতে কাজ করছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাই আনতে হবে। তাই আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীদের সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। তিনি গতকাল শনিবার পটিয়া পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
    পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডস্থ মাইফুলা কবির কারিগরি স্কুল মাঠে ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি আবদুর রহিমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পৌরসভার মেয়র আইয়ুব বাবুল, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক হারুনুর রশিদ। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন পৌরসভা আ’লীগের সভাপতি আলমগীর আলম, প্রধান বক্তা ছিলেন সাধারণ সম্পাদক এম এন এ নাছির, বক্তব্য রাখেন পৌর আ’লীগের সহ সভাপতি ফজলুল হক আল্লাই, ওয়াহিদুল আলম, কাউন্সিলর গোফরান রানা, কাউন্সিলর কামাল উদ্দিন বেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন, সাইফুল্লাহ পলাশ, নুরুল করিম, ওয়াহিদুল আলম কালু, নাজিম উদ্দিন, হাবিবুল হক পিপলু, এটিএম শাহজাহান, মোহাম্মদ শাহজাহান, পৌরসভা যুবলীগের সহ সভাপতি নোমান টিপু, পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক রবিউল হোসেন খোকন, ছাত্রলীগ নেতা ইকবালুর রহমান ওপেল, তারেকুর রহমান, সজিবুল ইসলাম জনি, মোহাম্মদ সোহেল।
    অনুষ্ঠানের প্রধান অধিবেশনে আলোচনা সভা শেষে পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত করেন। কাউন্সিল দের সর্বসম্মতিক্রমে দ্বিতীয় অধিবেশনে ৪নং ওয়ার্ড আ’লীগের মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন সভাপতি ও মোহাম্মদ সোহেল কে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। নব গঠিত কমিটির অন্যান্য পদে আগামী পনের দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি পৌরসভা আ’লীগের সভাপতি সম্পাদকের নিকট নাম জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

  • পটিয়ার কচুয়ায় ইউনিয়নে দুইশ পরিবারকে নজির আহমেদ ফাউন্ডেশনের খাদ্য বিতরন

    পটিয়ার কচুয়ায় ইউনিয়নে দুইশ পরিবারকে নজির আহমেদ ফাউন্ডেশনের খাদ্য বিতরন

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    পটিয়া উপজেলার কচুয়ায় ইউনিয়নে অসহায় ২শ পরিবারের মাঝে নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে।
    ১৯ নবেম্বর (শনিবার) বিকেলে স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে আলোচনা সভা ও খাদ্য সামগ্রী আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরন করা হয়েছে। এতে বক্তব্য রাখেন-ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা কাজী মুর্শেদ, কুসুমপুরা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, যুবলীগ নেতা ইউছুফ খাঁন, ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব নজরুল ইসলাম, কচুয়ায় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ময়ুরী আক্তার বর্ষা, যুবলীগ নেতা শেখ ফারুক, টিংকু দাশ, শাহনেওয়াজ খাঁন, পটিয়া প্রেসক্লাব সভাপতি নুরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, পুলক দে ও রোটন দে প্রমুখ।
    দেশরত্ম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. জুলকারনাইন চৌধুরী জীবন পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় অসহায় মানুষের মাঝে যাতে খাদ্য সামগ্রী বিতরন অব্যাহত রাখতে পারে সজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • চাটমোহরে সড়ক দূর্ঘটনায় স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু

    চাটমোহরে সড়ক দূর্ঘটনায় স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু

    মোঃ শাহ আলম,চাটমোহর পাবনা প্রতিনিধিঃ

    পাবনার চাটমোহরে গত শনিবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে সড়ক দূর্ঘটনায় মর্মান্তিক এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়। নিহত শিক্ষক বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর ইউনিয়নের পারকোলা গ্রামের মৃতঃ আঃ সুবাহান পরামানিকের ছেলে। ও কুরশাইট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক।

    এলাকাবাসী ও প্রত্যাক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, চাটমোহর উপজেলাধীন হরিপুর ইউনিয়নের সোন্দভা নামক স্থানে (শনিবার ১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যার দিকে অটোভ্যান থেকে ছিটকে পড়ে খড়িবাহী ট্রলীর নিচে পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই শিক্ষক সোহরাব হোসেন হেলালী।

    এ ব্যাপারে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জালাল উদ্দিন জানান,কারো কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

    সংবাদদাতা
    মোঃ শাহ আলম।