লেখকঃ মো: হায়দার আলী |। এক সময়ে আমাদের দেশে বর্ষা ও শরতকালে বিলে-ঝিলে শোভাবর্ধন করে ফুটে থাকতো মনোহারি পদ্মফুল। ‘ওহে পদ্মফুল, ভোরের হাওয়ার শীতল স্পর্শে দুলছো দোদুল-দুল। সে সাথে দুলছে গ্রাম বাংলার লাখ কোটি মানুষের মন। তা তুমি ভাই ফুটবে কখন ? সূর্যদেব উঠবে যখন, তার দিপ্তিতে দিপ্ত হয়ে ফুটবে তবে ফুল! সরোবরের জল বয়ে যাচ্ছে।’
আমাদের দেশে বর্ষা ও শরৎকালে বিলে-ঝিলে শোভাবর্ধন করে ফুটে থাকতো মনোহারি পদ্মফুল। কিন্তু প্রকৃতি বৈরিতায় আগের মতো বিল-ঝিলের জৌলুস হারিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি পদ্মফুলসহ আরও অনেক জলজ উদ্ভিদ আজ প্রায় বিলুপ্ত হতে চলেছে।
কিন্তু প্রকৃতি বৈরিতায় আগের মতো বিল-ঝিলের জৌলুস হারিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি পদ্মফুলসহ আরও অনেক জলজ উদ্ভিদ আজ প্রায় বিলুপ্ত হতে চলেছে।
পদ্মফুলের বৈজ্ঞানিক নাম- । ইংরেজিতে যাকে বলা হয়ে থাকে। সাধারণত এটি বা ওহফরধহ হিসেবে পরিচিত। এটি ভারতের জাতীয় ফুল। পদ্ম পরিবারের অর্ন্তভুক্ত বর্গের অর্ন্তগত একপ্রকার হার্ব জাতীয় জলজ উদ্ভিদ।
পদ্মফুল উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলে জন্মে থাকে। ইরান, চীন, জাপান, নিউ গায়েনা, বাংলাদেশ, ভারত ও অষ্ট্রেলিয়াসহ পৃথিবীর বেশ কিছু দেশে পদ্ম জন্মে।
গোল পাতা, ফুল বৃহৎ এবং বহু পাপড়িযুক্ত ফুল পদ্মা। সাধারণত বোঁটার উপর খাড়া, ৮-১৫ সেমি চওড়া। ফুলের রং লাল, গোলাপি ও সাদা, সুগন্ধিযুক্ত। হিন্দুদের দুর্গাপূজার প্রিয় ফুল। ফুল ও ফলের ভেষজগুণ আছে। পদ্মের মূল, কান্ড, ফুলের বৃন্ত ও বীজ খাওয়া যায়। পুরাতন গাছের কন্দ এবং বীজের সাহায্যে এদের বংশবিস্তার হয়।
পদ্মফুল সৌন্দর্য, বিশুদ্ধতা ও পবিত্রতার প্রতীক। বিশুদ্ধতা, সৌন্দর্য ও পবিত্রতার প্রতীক হওয়ায় নিচু বংশকূলে জন্মগ্রহণ করে বিখ্যাত বা উচ্চ পর্যায়ে অধিষ্ঠিত হলে তখন সেই ব্যক্তিটি ‘গোবরে পদ্মফুল’ নামক বাগধারায় পরিণত হয় এই পদ্মের কারণে।
প্রাচীনকাল থেকে বিভিন্ন ধমীর্য় আচার অনুষ্ঠানে অনেক উদ্ভিদ ব্যবহৃত হয়ে আসছে, এসব উদ্ভিদকে বলা হয় ঝবপৎবফ চষধহঃ বা ‘পবিত্র গাছ’। যেমন- বড়ই গাছ ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের নিকট পবিত্র গাছ হিসাবে সুপরিচিত। তুলসী, বট, পাইকর, কলাগাছ ও পদ্ম সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিকট পবিত্র গাছ হিসাবে পুজা-পাবর্ণাদিতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে সেই সুপ্রাচীনকাল থেকেই। লুম্বিনী নামক স্থানে বটগাছের নিচে তপস্যা করে গৌতম বুদ্ধ সিদ্ধি লাভ করেছিলেন বলেই তো বটগাছ আজ বৌদ্ধ ধর্মের পবিত্রতার প্রতীক। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপুজায় পদ্মফুলের প্রয়োজন হয়।
তবে শাপলা ও পদ্ম বলা যায় একই সূত্রে গাঁথা কাছাকাছি প্রজাতির দুটি জলজ উদ্ভিদ। নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর, ডোবা ও জলাশয়ে একসময় শাপলা ও পদ্মের অবাধ বিচরণ ছিল। পদ্ম, শাপলা, শালুক, কলমি, হেলেঞ্চা, ঘেচু প্রভৃতি উদ্ভিদ প্রতিবেশি হিসাবে একে অন্যকে জড়িয়ে জলাশয়ে উপস্থিত থেকে নিজেরা প্রস্ফুটিত হয়ে রূপ-সৌন্দর্য সুধা প্রকৃতির মাঝে অকাতরে বিলিয়ে দিতো স্বমহিমায়।
‘পদ্ম’ শুধু যে বিশুদ্ধতা, সৌন্দর্য ও পবিত্রতার প্রতীক হিসাবে মানুষের মনোহরণই করে তা নয়, পদ্মফুল প্রস্ফুটিত ও পরিপক্ক হয়ে যখন পদ্মখোঁচায় রূপ নেয়, তখন আর এক অন্য রকম স্বাদ বা অনুভূতি।
পদ্মকাঁটাকে অগ্রাহ্য করে যারা পদ্মখোঁচা খেয়েছেন, তাঁরা হয়তো আজও তার রসদ অনুভব করতে পারবেন।
এ প্রসঙ্গে কবিতার পঙক্তিমালা কে না উচ্চারণ করে- ‘কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে, দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহিতে ?,
শুধু কাঁটাকে অতিক্রম করার মধ্যে যে ভীতি সঞ্চারবোধ তা কিন্তু নয়, পদ্মফুল ও পদ্মখোঁচাকে পেতে অনেক সময় বিষধর সাপের বিপত্তিও কম বড় ছিল না। বড় বড় পদ্ম পাতার আবরণে লুকিয়ে থাকতো বিষধর সাপ। আর এই প্রতিকূলতাকে জয় করে পদ্মফুল ছিনিয়ে আনার মধ্যে যে তৃপ্তি ও আনন্দ তার মজাই আলাদা।
পদ্মফুল আর পদ্মখোঁচার সাথে ‘শাপলাফুল’ আর ‘ভ্যাট’ আহরণ ছিল অন্য আর এক রস আস্বাদন। শাপলার ভ্যাট থেকে তৈরি হতো খৈ ও মোয়া। পদ্মের ব্যবহার শুধু এই গন্ডীর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, তা কিন্তু নয়। খাদ্য ও ওষুধি গুণ হিসাবে পদ্ম আজ সারা বিশ্বে সমাদৃত।
‘সুগন্ধি’ বা ‘অ্যারোমা’ হিসাবে প্রসাধনী শিল্পে পদ্ম ব্যবহৃত হচ্ছে। গবেষকরা প্রমাণ করেছেন, পদ্মের এন্টি অবেসোজেনিক ও এন্টি ডায়াবেটিক ঔষুধি গুণ আছে। এছাড়াও রয়েছে ন্যুসিফেরিন, অ্যাপোরফিন ও আরমেপ্যাভিন জাতীয় অ্যালকালয়েড।
হাট-বাজারে লবণ ও অন্যান্য জিনিসপত্র বাঁধার কাজে এবং মেলায় গুড়, চিনি, বাতাসা, নারু, মোয়া, মুড়ি, মুড়কি পদ্মপাতায় সুন্দরভাবে টোপলায় বেঁধে একসময় বিক্রি করতো দোকানদারেরা। সহজলভ্য ও পরিবেশ বান্ধব হওয়ায় এটির ব্যবহার ছিল অতুলনীয়।
শুধু পদ্মই নয়, শাপলা, শালুক, কলমি, হেলেঞ্চাসহ অন্যান্য জলজ উদ্ভিদ সংরক্ষণে প্রকৃতিবিদ, পরিবেশ বিজ্ঞানী ও উদ্ভিদ বিজ্ঞানীদের ভাবতে হবে এখনই।
পরিশেষে বলতে চাই, প্রিয়জনকে উপহার হিসাবে পদ্মফুলের চেয়ে অন্য ভাল কিছু আর কি হতে পারে? আর পদ্মের যদি সৌন্দর্য বা বাহার বৈচিত্র্যই যদি মানুষকে আকৃষ্ট না করতো, তাহলে ‘কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন’ প্রবাদটিই বা এলো কোথা থেকে?
পদ্মফুল সংরক্ষণের জন্য বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে সচেতন মহল মনে করে।
Author: desk
-

ওহে পদ্মফুল, তুমি ছিলে শরৎকালে পুকুর, বিল-ঝিলের জৌলুস
-

গোদাগাড়ীর ঔষুধ ব্যবসায়ীর মজিবুর রহমানের ইন্তেকাল। বিকাল ৪ টায় নামাজে জানাযা
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ গোদাগাড়ী উপজেলার মহিশালবাড়ী মহল্লার বিশিষ্ট ঔষুধ ব্যবসায়ী, মজিবুর ফার্মেসীর মলিক মজিবুর রহমান (৫৫) বৃহস্পতিবার রাত ১১ টার সময় ঢাকার হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন)
মজিবুর রহমান মৃত্যু কসিমুদ্দিন ছেলে, প্রকৌশলী আইন্যাল হকের ছোট ভাই। ফার্মেসীর মালিক মোঃ মজিবুর রহমান দীর্ঘদিন থেকে ঔষুধের ব্যবসা করে আসছিলেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী, বৌমা, সাব্বির রহমান ও সানজিদুর রহমান নামে ২ ছেলেসহ অসংখ্য আত্নীয়স্বজন রেখে গেছেন। আজ শুক্রবার বিকাল ৪ টায় গোদাগাড়ী পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের মহিশালবাড়ী গোরস্থানে নামাজের জানাজা দাফন করা হবে।মোঃ হায়দার আলী
রাজশাহী। -

নীলফামারীতে বৃদ্ধার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারী সদর প্রতিনিধি।
নীলফামারীর ডোমার উপজেলার পূর্ব হরিণচড়া শশীটারি এলাকার ইনসান আলী (৬৭) নামের এক বৃদ্ধার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। তিনি ওই এলাকার মৃত নছিমদ্দিনের ছেলে।
মৃত ইনসান আলীর স্ত্রী মারজিনা খাতুন বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল। বুধবার দিবাগত রাতে একসাথে ঘুমাতে যাই। রাত আনুমানিক দুইটার দিকে বিছানায় আমার স্বামীকে দেখতে না পেয়ে বাড়ীর বাইরে আম গাছের সাথে তাকে গলায় ফাঁস অবস্থায় ঝুলে থাকতে দেখি। তারপর আমার চিৎকার শুনে বাড়ীর অন্যান্য লোকজন দৌড়ে বাড়ির বাইরে আসেন।
এ ব্যাপারে হরিণচড়ার ইউপি চেয়ারম্যান রাসেল রানা বলেন, আমি প্রায় ১৫বছর ধরে ইনসান আলীকে মানসিক রোগী হিসেবে দেখে আসছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
ডোমার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ উন নবী জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে। এবং তার ছেলে ডোমার থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন।
-

মোর সবকিছু আগুন পুরি ছাই করি দেইল মুই এখন বউ বাচ্চা ধরি কোটে থাকিম
খলিলুর রহমান খলিল তারাগঞ্জ রংপুর প্রতিনিধিঃ
রংপুরের তারাগঞ্জ বাজার সংলগ্ন উতর গোয়ালপাড়ায় গত বৃহস্পতিবার রাত ৯.৩০ মিনিটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায় নরেন চন্দ্রর বাড়িতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে আগুন লেগে যায়, এতে খুব দ্রুত সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে ছেলে শ্রী অবিনাশ চন্দ্র রায় ও শ্রী নিতন চন্দ্র রায়ের বাড়িতে, পুড়ে ছাই হয়ে যায় ৪ টি শোবার ঘর ১টি রান্নাঘরসহ নগদ অর্থ , স্বর্ণালংকার, হাস, মুরগি, চালসহ প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মালামাল । এলাকাবাসী আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে থাকায় আগুন অন্যান্য বাড়িতে ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। এলাকাবাসী তারাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসে কল দিলে খুব দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ৪০ মিনিট পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।
বাড়ির মালিক নরেন চন্দ্র রায়ের সাথে কথা হলে তিনি আহাজারী করে কাঁদতে কাঁদতে বলেন। মোর সবকিছু আগুন পুরি ছাই করি দেইল। মুই এখন বউ বাচ্চা ধরি কোটে থাকিম। টাকা,পয়সা,চাল,ডাল,হাড়ি, পাতিল সব পুরি ছাই হয়া গেইছে বলে কাঁদতে থাকেন। আগুন লাগার খবর পেয়ে সাথে সাথেই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান লিটন, ২ নং কুর্শা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আফজালুল হক সরকার, ইউপি সদস্য আবুল কালাম, সমাজ সেবক আব্দুস সাত্তর, ওই সময় পোল্ট্রি ব্যবসায়ী ও জাতীয় পার্টির চাঁদখানা ইউনিয়নের সভাপতি শফিকুল ইসলাম সফির সাথে কথা হলে তিনি খুবই দুঃখ প্রকাশ করে বলেন।হঠাৎ করে এমন অগ্নি কান্ডর খবর পেয়ে ছুটে আসি এলাকাবাসীর সাথে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। আব্দুস সাত্তার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সংবেদনা জানিয়ে বলেন, আমি সব সময় এলাকাবাসীর পাশে আছি থাকব আমার যতটুকু সাধ্য এই ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে সাহায্য করবো আর এলাকার জনপ্রতিনিধি,বিত্তবান, ব্যবসায়ীদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন তিনি। তারাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ বলেন, ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত, খবর পাওয়া মাত্রই আমারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ৬০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি।উপজেলা চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান লিটন বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে খাবার সামগ্রী ও কম্বল দেয়া হয়েছে আগামীকাল নগদ অর্থ ও ৩ বান্ডিল টিন দেওয়া হবে।
-

ধামইরহাটে চকময়রাম সরকারি ও সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ৯৪ ব্যাচের পূনর্মিলনী
আবুল বয়ান,ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
নওগাঁর ধামইরহাটে ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চকময়রাম মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও ধামইরহাট সফিয়া পাইলট
উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ৯৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পূনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।২৫ নভেম্বর ৯৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ও উপজেলার স্বনামধন্য দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় এসএসসি ৯৪ ব্যাচের ৩য় বর্ষ পুনর্মিলনী উপলক্ষে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম খেলাল ই রব্বানী ও সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান সাবু। উপজেলার আমাইতাড়া মোড় হতে শোভাযাত্রাটি উপজেলা প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূর্ব বাজার পেট্রোল পাম্পে সমবেত হয়। শোভাযাত্রা শেষে এসএসসি ৯৪ ব্যাচের সকল প্রাক্তন ছাত্ররা একত্রিত হয়ে আনন্দ আমেজের মধ্য দিয়ে ঐতিহ্যবাহী পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারে বনভোজনের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পূনর্মিলনী অনুষ্ঠানের ৯৪ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার সিনিয়র সাব-এডিটর হাসান শাহরিয়ার, প্রাক্তন শিক্ষার্থী সরকারী এম এম কলেজের প্রদর্শক আবু সাইদ, প্রাক্তন শিক্ষার্থী অডিটর কুদরত ইলাহী বাবু, প্রাক্তন শিক্ষার্থী কাউন্সিলর আমজাদ হোসেন, প্রাক্তন শিক্ষার্থী অধ্যক্ষ হারুনুর রশীদ, প্রাক্তন শিক্ষার্থী প্রধান শিক্ষক রাশেকিন প্রমুখসহ উক্ত ব্যাচের সকল শিক্ষার্থীগণ উপস্থিত ছিলেন।আবুল বয়ান
ধামইরহাট, নওগাঁ। -

রেডক্রিসেন্ট নির্বাচনে পানছড়িতে ভোট চেয়ে বাড়ি বাড়ি ছুটে চলেছেন সহ সভাপতি প্রার্থী এডভোকেট জসিম উদ্দিন মজুমদার
মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।
আগামী ৬ ডিসেম্বর খাগড়াছড়ি ইউনিটের ২০২৩-২০২৫ মেয়াদে কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচনে
খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের সকল আজীবন সদস্যদের নিকট ভোট প্রত্যাশা করে বাড়ি বাড়ি ছুটে যান সহ সভাপতি প্রার্থী এডভোকেট জসিম উদ্দিন মজুমদারসোমবার (২১ নবেম্বর) সকাল ১০ টার সময় পানছড়ির আজীবন সদস্যদের নিকট ছুটে যান এবং ভোট প্রত্যাশা করে দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেন।
এই সময় রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের আজীবন সদস্য রায়হান আহমেদসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
-

আশুলিয়ায় শতাধিক শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু তাজরীন ট্রেজেডির ১০ বছর আজ
হেলাল শেখঃ বাংলাদেশের ইতিহাসে পোশাক শিল্পের দ্বিতীয় বিভীষিকায় কালো অধ্যায়ের এক নাম তাজরীন ট্রেজেডির ১০ বছর আজ। ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর উক্ত পোশাক কারখানায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান ১১৩ জন শ্রমিক। এ ঘটনায় আহত হন আরও প্রায় ৩শতাধিক শ্রমিক। সেই দিনের ভয়ংকর স্মৃতি মনে হলে আজও আতংকে আঁতকে ওঠে অনেকেই। ওই দিনের মানুষ পোড়া গন্ধ এখনো ভুলতে পারেনা হাজারও শ্রমিকসহ ওই এলাকার মানুষ।
ঢাকা জেলার প্রধান শিল্পা ল আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় স্থাপিত সেই তাজরীন ফ্যাশনের পোড়া অবস্থায় আজও দাঁড়িয়ে আছে ভবনটি। ১১৩জন শ্রমিকের প্রাণখেকো ভবনটি দেখে অনেক মানুষ এখনো ভয় পান। জরাজীর্ণ ভবনটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্টরা।
বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর ২০২২ইং) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তাজরীন ট্রাজেডির ১০বছর পর সেখানে ভবনটির সামনে মনে হয় তাজা প্রাণ কান্না করছে, নিরবতা সুনসান শব্দ, পুরো ভবনজুড়ে যেন দগদগ করছে সেই ২৪ নভেম্বরের ক্ষত স্মৃতি। ঘটনার দিন দেখা যায়, আগুনের প্রচ- তাপে বেঁকে যাওয়া জানালার গ্রিলগুলো চোখে ভাসিয়ে তুলছে সেই দিনের ভয়াবহতা। বরাবরই তাজরীন ফ্যাশন ট্র্যাজেডির বর্ষপূর্তিতে এসে কারখানার ফটকটি ভেতর থেকে বন্ধ পাওয়া যায়। সেখানে ওই ভবনটিতে দেখভাল করার জন্য মালিকপক্ষের একজন লোক সবসময় ভেতরে থাকেন। গণমাধ্যম কর্মী, সাংবাদিক দেখলেই লোকটি দ্রুত ওই ভবনের গেটটি আটকে বন্ধ করে দেন, তিনি কারো সাথে কথা বলেন না।
বিশেষ করে একপাশে ভাঙা সীমানা প্রাচীর দিয়ে ওই ভবনের ভেতরটা কিছু অংশ দেখা যায়, পিলারগুলোর বেশিরভাগের প্লাস্তারা খসে পড়ছে। দেখা যায়, কিছু পিলার মেরামতও করা হয়েছে। সিঁড়িঁ ঘরে আগুনের লেলিহান শিখার সেদিনের ভয়াবহতা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, কালচে দাগের দেয়ালগুলো যেন সবকিছুই বলে দিচ্ছে সেই দিনের ভয়ংকর ঘটনার কথা। ভবনের ছাদের বাইরের অংশেরও পলেস্তার খসে পড়েছে।
উক্ত তাজরীন ভবনের পাশের বাড়ির মালিক আকবর মীর ও খোরশেদ সাহেব গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, এই ভবনটি বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। প্রায় ৮০ফুট উঁচু এই বিল্ডিং যদি ধইসা পড়ে তাইলে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হইবো। দেখা যায়, ওই বিল্ডিংয়ের সামনের রাস্তা দিয়া অনেক মানুষ চলাচল করেন, ভবনটি ভাঙলে রাস্তার উপর আইসা পড়তে পারে। স্থানীয়রা জানান, এই বিল্ডিংয়ের চারদিকে কমপক্ষে শতাধিক বাসা বাড়ি আছে, তারা অনেকেই বলেন, ১০ বছর ধরে আমরা সবাই আতঙ্কের মধ্যে আছি। স্থানীয়দের দাবি-এই পোড়া মানুষের আর্তনাদের ভবনটি তারা কেউ আর দেখতে চান না।
বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অরেবিন্দু বেপারী বিন্দু গণমাধ্যমকে বলেন, তোবা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান তাজরীন ফ্যাশনের মালিক দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে সুপরিকল্পিত ভাবে কারখানায় আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। এ ঘটনায় ১১৩জন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনার সাথে জড়িত কারো কোনো শাস্তি হয়নি বলে তিনি জানান। ভুক্তভোগীরাসহ এলাকাবাসীদেরকে উক্ত ব্যাপারে অভিযোগ দিতে হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানান। তারা বলেন, অভিযোগ দিলে তখন আমরা পদক্ষেপ নিতে পারবো। উপজেলা প্রশাসনকে বললে ইউএনও মহোদয় মার্ক করে দিলে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে টিম পাঠানো হবে।
শ্রমিক নেতা রাকিবুল ইসলাম সোহাগ বলেন, তাজরীন পোশাক কারখানার অনেক শ্রমিক কোথাও চাকরি না পেয়ে চায়ের দোকান দিয়ে কোনো রকম সংসার চালাচ্ছেন। তিনি দাবী করেন, উক্ত অগ্নিকান্ডের ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারের খবর কেউ রাখেন না, ১০ বছর কিভাবে এই পরিবারগুলো চলছে তা বলে বুঝানো কঠিন। তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্টদের অনেকের সাথে এ ব্যাপারে আলোচনা করা হলেও তারা তেমন গুরুত্ব দিচ্ছেন না, আমরা সামান্য কিছু শ্রমিকদের সহযোগিতা করলেও অনেকেই অবহেলিত শ্রমিক, সবার কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, আহত শ্রমিকদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করুন আর এই অগ্নিকা-ের যেসকল শ্রমিক নিহত ও আহত হয়েছিলো সেসকল শ্রমিক এবং তাদের পরিবারকে এই মালিকের নতুন কোনো কারখানা অথবা হাসপাতাল বানিয়ে তাদেরকে পূর্ণবাসন করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানান এই শ্রমিক নেতা। তিনি আরও বলেন, মালিক পক্ষ যদি তা না করেন তাহলে এই মালিক পক্ষকে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি গার্মেন্টর্স ওয়ার্কাস লীগের পক্ষ থেকে, আমরা চাই শ্রমিকরা তাদের সুবিচার পাক। -

ঝিনাইদহে একই সাথে স্বামী ও স্ত্রীর আত্মহত্যা
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কালীচরণপুর ইউনিয়নের হাটবাকুয়া গ্রামের মাঠ থেকে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করা স্বামী ও স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে ঝিনাইদহ পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।মৃতরা হলেন-সদর উপজেলার তালতরা হরিপুর গ্রামের চুনু শেখের ছেলে রমজান হোসেন রুজিব (২০) ও তার স্ত্রী হরিণাকুন্ডু উপজেলার বিন্নি গ্রামের গোলাম হোসেনের মেয়ে মুক্তা খাতুন (১৮), প্রেমের সস্পর্কে তাদের বিয়ে হয় ।স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, সকালে গ্রামের মাঠে রুজিব ও মুক্তা খাতুনের গাছে ঝুলে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় । পরে পুলিশ এসে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।হাটগোপালপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই বিল্লাল হোসেন জানান, গাছের সাথে মেয়ের ওড়না দিয়ে দিয়ে স্বামী ও স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে। মেয়ের পরিবারের লোকজন তাদের বিয়ে মেনে নেয়নি না নেওয়ায় তারা এই কান্ড ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছেে। আজ বৃহস্পতিবার মেয়ের পরিবারের লোকজন মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য আসার কথা ছিল। মেয়েটি তার বা হাতে মেহেদি দিয়ে লিখেছে,সব আমার মায়ের দোষ,আমরা চলে যাচ্ছি।ঝিনাইদহ
আতিকুর রহমান। -

ঈদগাঁওতে পরিমাণে কম দেওয়ার অভিযোগে জরিমানা গুনলো পেট্রোল পাম্প
মোঃ কাউছার উদ্দীন শরীফ ঈদগাঁও
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার পেট্রোল পাম্পগুলোকে জরিমানার সঙ্গে সঙ্গে এই মালিকদেরও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। কিন্তু সেগুলো কিছুই করা হয় না। এজন্য মাঠ পর্যায়ে জ্বালানি তেল নিয়ে জালিয়াতি থামছে না।
তেল বিপণনের ক্ষেত্রেও এমন কিছু করা সম্ভব হলে সাধারণ মানুষ আরও ভাল সেবা পেত বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, পেট্রোল পাম্পগুলোর তেল ক্রয় এবং বিক্রয়ের তথ্য ডিজিটাল প্রক্রিয়াতে রাখা গেলে সাধারণ মানুষকে তারা ফাঁকি দিতে পারতো না।
এউপজেলার পেট্রোল পাম্পগুলোতে পরিমাণে কম দেওয়ার অভিযোগ বেশ পুরনো। কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাকারিয়ার অভিযানেই এর প্রমাণ মিললো।
বুধবার ২৩ নভেম্বর বিকালে ঈদগাঁও উপজেলার বাস স্টেশনসহ বিভিন্ন এলাকার ৫ টি পেট্রোল পাম্পে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, ঈদগাঁও উপজেলার খোদাই বাড়ী এলাকার রাশেদ ফিলিং স্টেশন গরু বাজার এলাকার মেসার্স করিম এন্ড ব্রাদার্স ফিলিং স্টেশন ফিলিং স্টেশনকে মোবাইল কোর্টে ওজন পরিমাণ ও মানদণ্ড আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা লংঘনের দায়ে ১৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মেসার্স আশরাফ আলী ফিলিং স্টেশন, ইমন ফিলিং স্টেশন, ফয়েজ এন্ড ব্রাদার্স ফিলিং স্টেশনকে যথাযথ মান বজায় রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
একই দিনে উপজেলার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ইজিপিপি+ প্রকল্প ও ঈদগাঁ ইউনিয়নের দরগাহ পাড়া গ্রামে মুজিব শত বর্ষের গৃহ নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাকারিয়া।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পেট্রোল পাম্পে পরিমাণে কম দেওয়াসহ নানা অভিযোগে জ্বালানি বিভাগ নিয়মিত অভিযান পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসকদের অনুরোধ করে। উপজেলা প্রশাসন থেকে পেট্রোল পাম্পে মাঝে-মাঝে অভিযান পরিচালনা করা হলে বড় রকমের অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে পাম্পগুলোতে যাতে পরিমাপে কম না দেয়, সে বিষয়ে আমরা বার বার সতর্ক করা হয় জানিয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাকারিয়া বলেন, মোবাইল কোর্টে ওজন পরিমাণ ও মানদণ্ড আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা লংঘনের দায়ে দুটি ফিলিং স্টেশনে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এবং তিনটি কে সতর্ক করা হয়।
-

সুজানগরে ককটেল বিস্ফোরণ ও উদ্ধার, বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
এম এ আলিম রিপনসুজানগর ঃ পাবনার সুজানগরে ককটেল বিস্ফোরণ ও উদ্ধারের ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ কে প্রধান আসামী করে স্থানীয় বিএনপির অর্ধ শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বুধবার রাতে মামলা করেছে পুলিশ। এর আগে গত মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে সুজানগর পৌরসভার তিন নং ওয়ার্ডের ভবানীপুর(কুটিপাড়া) নামক স্থানে সাদ্দামের দোকানের সামনের কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ সময় খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ একাধিক অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করে। সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আব্দুল হাননানঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বৃহস্পতিবার জানান, ককটেল বিস্ফোরণ ও উদ্ধারের ঘটনায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত অর্ধ শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধের থানায় মামলা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে। উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ জানান, বিএনপির নেতাকর্মীদের ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় ফাঁসাতে পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের এটি একটি সাজানো নাটক। আগামী ৩ ডিসেম্বর বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশে যাতে সুজানগর উপজেলার নেতাকর্মীরা অংশ নিতে না পারে সে জন্য এ ঘটনা সাজানো হয়েছে ।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।