Author: desk

  • আহত সাচিংপ্রু মারমার পাশে মহালছড়ি আদর্শ চাইল্ড স্কুল

    আহত সাচিংপ্রু মারমার পাশে মহালছড়ি আদর্শ চাইল্ড স্কুল

    রিপন ওঝা,মহালছড়ি।

    খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি সদর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বাবুপাড়াতে বসবাসকারী সাচিংপ্রু মারমা পাশে আজ ২৭নভেম্বর রবিবার মহালছড়ি আদর্শ চাইল্ড স্কুল কর্তৃপক্ষ ক্ষুদ্র সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছে।

    এ ক্ষুদ্র সহায়তা প্রদানের বিশেষ মুহুর্তে মহালছড়ি আদর্শ চাইল্ড স্কুল-এর পক্ষে প্রধান শিক্ষক মোঃ আলমগীর হোসেন জনি, সিনিয়র শিক্ষিকা রত্না চাকমা ও শিক্ষক মোঃ জামাল বাদশা উপস্থিত ছিলেন।

    প্রসঙ্গত যে, আহত শিশুটি মহালছড়ি বাবু পাড়া এলাকা বসবাস করে। সে গত ১৮ নভেম্বর মহালছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে অনুমানিক সকাল ৮.০০ঘটিকার দিকে মোটরসাইকেল ধাক্কা দিয়ে গুরুত্বর আহত করে পালিয়ে যায়। মোটরসাইকেল চালককে সনাক্ত করতে পারে নি। তখন শিশুটি রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে মাথায় বড় ধরনের আঘাত পায়। তৎক্ষনাৎ উন্নত চিকিৎসার জন্যে
    মহালছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো কিন্তু যথাযথ চিকিৎসার জন্যে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর মাথায় ও চোখের ইনফেকশনের জন্যে চট্টগ্রামে উন্নত চিকিৎসার জন্যে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
    বড়ই পরিতাপের বিষয় যে, পরিবারের আর্থিক সঙ্গতি না থাকায় চট্টগ্রামে উন্নত চিকিৎসার জন্যে প্রেরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। তারই ধারাবাহিকতায় মহালছড়ি আদর্শ চাইল্ড স্কুলের শিক্ষক/শিক্ষিকাগণের ক্ষুদ্র প্রয়াস। মহালছড়িসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক/শিক্ষিকাগণসহ শিক্ষার্থী এবং সমাজের বিত্তবানদের প্রতি সহযোগিতা কামনা করেছেন।

  • মহালছড়ি জোন কর্তৃক শান্তিচুক্তির রজত জয়ন্তী উপলক্ষে শীতবস্ত্র বিতরণ

    মহালছড়ি জোন কর্তৃক শান্তিচুক্তির রজত জয়ন্তী উপলক্ষে শীতবস্ত্র বিতরণ

    রিপন ওঝা, মহালছড়ি।

    মহালছড়ি জোনের আওতাধীন ভূয়াছড়ি সাবজোনে পার্বত্য শান্তি চুক্তির রজত জয়ন্তী উপলক্ষে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী,মহালছড়ি জোনের এমন সহায়তায় অসহায় পাহাড়ি-বাঙালি অত্যন্ত খুশি এবং আবেগ আপ্লুত হয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে উপস্থিত জনগণ বলেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন তথা মহালছড়ি জোনকে আমরা বরাবরই আমাদের পাশে পেয়ে আসছি। এলাকাবাসী রিজিয়ন সদর দপ্তরের এরূপ মহতী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। রিজিয়ন সদর দপ্তর ও মহালছড়ি জোন কর্তৃক এরূপ আর্ত-মানবতার সেবামূলক কর্মকান্ডের ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানা যায়।

    উক্ত এ মহতী অনুষ্ঠানে শীতবস্ত্র বিতরণের পরে রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, বিএসপি, এনডিসি, পিএসসি বিজিতলা ও ভূয়াছড়ি সাবজোন পরিদর্শন করেন।

    উক্ত এ মহতী অনুষ্ঠানে তিন শতাধিক শীতার্তদের মাঝে ২৭ নভেম্বর ২০২২ রোজ রবিবার শীত বস্ত্র(কম্বল) বিতরণ করেন।

  • পেটে ব্যথা নিয়ে ভর্তি তিনটি ইঞ্জেকশন দেয়ার পরেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লো শিশু মাহেরা

    পেটে ব্যথা নিয়ে ভর্তি তিনটি ইঞ্জেকশন দেয়ার পরেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লো শিশু মাহেরা

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে অপচিকসায় ইসরাত জাহান মাহেরা নামে এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে ক্লিনিক ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ ক্লিনিক মালিক আবু সাঈদ মুন্সী ও কথিত চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে আটক করেছে। ক্লেনিকটির নার্স সহ স্টাফরা গা ঢাকা দিয়েছে। শুক্রবার রাতে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নারায়নপুর ত্রিমোহনী এলাকায় ইসলামী প্রাইভেট হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটে। শিশু মাহেরা ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাদপুকুর গ্রামের পিন্টু মিয়ার মেয়ে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীর সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকালে পেটে ব্যথা নিয়ে ইসরাত জাহান মাহেরা নামে ছয় বছরের এক শিশু ক্লিনিকে ভর্তি হয়। ভর্তির পরে চিকিৎসকের দেয়া ব্যবস্থাপত্র মোতাবেক শিশুটির শরীরে পরপর তিনটি ইঞ্জেকশন পুশ করে নার্সরা। ফলে সন্ধ্যা নাগাদ শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। শিশুটির মুমূর্ষ অবস্থা দেখে মা শামীমা আক্তার ডিউটিরত কথিত চিকিৎস আব্দুল্লাহ আল মামুনের শরণাপন্ন হলে তিনি ঝিনাইদহে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। রাত আটটার দিকে শিশুটি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। এদিকে অপচিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ সজনরা হাসপাতলে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। তারা ক্লিনিকে ঢুকে ডাক্তারের চেম্বার, অপারেশন থিয়েটার ও প্যাথলজিক্যাল কক্ষসহ আসবাবপত্র তছনছ করে। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ক্লিনিক মালিক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ মুন্সী ও কথিত চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে অপচিকিৎসার কারণে ইতিপূর্বে ওই ক্লিনিকটি একাধিকবার ‌ সিলগালা করে দেয় প্রশাসন। ক্লিনিকে সর্বক্ষণ কোন চিকিৎসক ও প্রশিক্ষিত নার্স ছাড়াই চলে আসছে বলে অভিযোগ। এ বিষয়ে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন সু্প্রা রানী দেবনাথ জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেবেন। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহের ডাকবাংলা পুলিশ ক্যাম্পের তদন্ত কর্মকর্তা মোল্লা তৌহিদুর রহমান জানান, শিশু মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে স্থানীয় একটি ক্লিনিক ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ক্লিনিক মালিক ও কথিত এক চিকিৎসককে নিয়ে আনা হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • ইসলামপুরে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে ভবন নির্মাণ অব্যাহত-রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা

    ইসলামপুরে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে ভবন নির্মাণ অব্যাহত-রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা

    মোঃ কাউছার উদ্দীন শরীফ ঈদগাঁও
    কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুরের নতুন অফিসে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে ভবন নির্মাণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

    সাপ্তাহব্যাপী চলমান এ ভবন নির্মাণ কাজ নিয়ে দু পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ।

    জানাযায়, চকরিয়া উপজেলার ফুলছড়ি মৌজার নাম জারী খতিয়ান নাম্বার ৮৪০, বিএস দাগ ৫১৩৭ আন্দর ৩০ করা,২৫০৩/১ দাগের ৪৫ করা ইসলামপুরের নতুন অফিস এলাকার শাকেরা বেগম গংয়ের ভোগদখলীয় মোট ৭৫ করা বশতভিটার উপর লোলুপ দৃষ্টি পড়ে স্থানীয় প্রভাবশালী চক্রের । এ চক্র জায়গাটি জবর দখলের চেষ্টা করলে শাকেরা বেগম গং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪ ধারার আবেদন করেন।

    বিজ্ঞ আদালত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে উক্ত জায়গার বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা এসিল্যন্ডকে মতামতসহ রিপোর্ট এবং চকরিয়া থানাকে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার নির্দেশ দেন।

    চকরিয়া থানার পুলিশের এএসআই মোঃ শরীফ হোছাইন কে দায়িত্ব দেন।স্থাপনা নির্মাণ কিছু দিন বন্ধ থাকলেও সাপ্তাহব্যাপী আদালতে নির্দেশ অমান্য করে নির্মাণ কাজ চলছে।

    এ ব্যাপারে শাকেরা বেগম জানান, বর্ণিত উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের নতুন অফিস জুম নগর এলাকার সৈয়দ করিমের ছেলে মঞ্জুর আলম স্থানীয় প্রভাবশালী ও সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় রাতদিন কাজ করছে আমার বশতভিটায়। পুলিশের কথাও শুনছে না এ প্রভাবশালীরা।

    অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মঞ্জুর আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠোফোনে জানান,শাকেররা বেগমের ছেলের কথায় কাজ করছিলাম।

    এবিষয়ে স্থানীয় ইসলামপুর ইউনিয়নের ৫ নাম্বার ওয়ার্ডের এমইউপি সদস্য আব্দু শুক্কুরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মুঠোফোনে বলেন, পুলিশ ভবন নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেয়ার পর থেকে কাজ করা হয়নি।

    এ বিষয়ে চকরিয়া থানার এএসআই মোঃ শরীফ হোছাইনের সাথে কথা হলে উভয় পক্ষ কে শান্তি শৃংখলা রক্ষার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছিল এ বিষয়ে এসিল্যন্ড তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।

    এলাকাবাসী এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কা করছে এবং বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এড়াতে প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • অপহরণের ১০ দিন পর খবর মিলল আয়াতকে ৬ টুকরা করে নদীতে ফেলে দেয়া হয়েছে – সাবেক ভাড়াটিয়া আবির আলী আটক

    অপহরণের ১০ দিন পর খবর মিলল আয়াতকে ৬ টুকরা করে নদীতে ফেলে দেয়া হয়েছে – সাবেক ভাড়াটিয়া আবির আলী আটক

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

    চট্টগ্রামের ইপিজেড থানাধীন এলাকা থেকে নিখোঁজ পাঁচ বছর বয়সী আয়াতকে শ্বাস রোধে হত্যার পর মরদেহকে ছয় টুকরা খন্ড খন্ড করে নদীতে ফেলে দেন আয়াতের দাদা বাড়ির সাবেক ভাড়াটিয়া আবির আলী নামের এক যুবক। এ ঘটনায় আবিরকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পুলিশ সুপার নাঈমা সুলতানা।

    আবির আয়াতের দাদা বাড়ির সাবেক ভাড়াটিয়া। তিনি নগরের আকমল আলী সড়কে মায়ের সঙ্গে থাকেন। ১৯ বছর বয়সী এ যুবক তৈরি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।

    নাঈমা সুলতানা বলেন, ‘মুক্তিপণ দাবির উদ্দেশ্যে (আয়াত) নামের মেয়েটিকে অপহরণ করে তাদের সাবেক ভাড়াটিয়া আবির আলী। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তাকে গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে আকমল আলী সড়ক থেকে আটক করা হয়। সে হত্যার কথা স্বীকার করেছে।’

    তিনি আরও বলেন,‘আবির জানিয়েছে, মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে ঘটনার দিন বিকেলে আয়াতকে সে অপহরণের চেষ্টা করে। এ সময় চিৎকার করলে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে। পরে মরদেহ আকমল আলী সড়কের বাসায় নিয়ে ছয় টুকরা করে। খণ্ডিত মরদেহ দুটি ব্যাগে ভাগ করে নিয়ে গিয়ে বেড়িবাঁধ এলাকায় নদীতে ফেলে দেয়। সেসব আমরা উদ্ধারের চেষ্টা করছি,তবে মরদেহ টুকরা করার কাজে ব্যবহার করা বঁটি ও অ্যান্টি কাটার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।’

    এর আগে গত ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রামের ইপিজেড থানার বন্দরটিলার নয়ারহাট বিদ্যুৎ অফিস এলাকার বাসা থেকে পার্শ্ববর্তী মসজিদে আরবি পড়তে যাওয়ার সময় নিখোঁজ হয়েছেন। আলিনা ইসলাম আয়াত। পরদিন এ ঘটনায় ইপিজেড থানায় তার বাবা সোহেল রানা নিখোঁজের ডায়েরি করেছেন বলে জানা যায়।

  • ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এমপি দবিরুল ইসলামের অনুদান প্রদান

    ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এমপি দবিরুল ইসলামের অনুদান প্রদান

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।স্টাফ রিপোর্টার।।ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সাড়ে ৪ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেছেন এমপি দবিরুল ইসলাম।

    জানা যায়,শুক্রবার বিকাল ৫টা থেকে রাত ১০পর্যন্ত বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ধনতলা ইউনিয়নের লাহিড়ী ঠুমনিয়া,ধূকুরঝাড়ী সিন্দুর পিন্ডি,ঠুমনিয়া মাশানতলা,টাকাহারা,বানাঁগাও, জোতপাড়া,খোচাবাড়ী,আনসারহাট,পূনিপুকুর, ফুটানীরহাট এলাকায় উপস্থিত হয়ে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা কমিটির নিকট অর্থ হস্তান্তর করেছেন ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মাজহারুল ইসলাম।

    এ সময় তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের এমপি আলহাজ্ব মোঃ দবিরুল ইসলাম এমপির বিশেষ বরাদ্দ থেকে এসব অনুদানের টাকা প্রদান করা হয়েছে।

    উক্ত অনুদান প্রদানেরর সময় উপস্থিত ছিলেন- ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী সহ সভাপতি সমর কুমার চ্যাটাজী নুপুর,ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ দুলাল রব্বানী,সাধারণ সম্পাদক অমিকান্ত শাহ, সহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

    বরাদ্দকৃত প্রতিষ্ঠান হলো ঠুমনিয়া মহিরউদ্দীন সমজিদ -৫০,০০০ হাজার টাকা, সিন্দুরপিন্ডি হরিবাসর ৫০,০০০ হাজার টাকা, ঠুমনিয়া মাশানতলা কালি মন্দির -৫০,০০০ হাজার টাকা,জোতপাড়া নলপানিয়া কালি মন্দির -৫০,০০০০, হাজার টাকা,খোচাবাড়ী রিকূয়েন্সী ক্লাব -৫০,০০০ হাজার টাকা, আনসার হাট হাফিজিয়া মাদ্রাসা -৫০,০০০ হাজার টাকা,পুনিপুকুর দুর্গা মন্ডপ -৫০০০০ হাজার টাকা, ফুটানি জামে মসজিদ। -৫০,০০০ হাজার টাকা।

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি
    স্টাফ রিপোর্টার।

  • ত্রিশালে হার্ড এটাকে মৃত ৩ ভ্যান চালকের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চেয়ারম্যান কদ্দুস মন্ডল

    ত্রিশালে হার্ড এটাকে মৃত ৩ ভ্যান চালকের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চেয়ারম্যান কদ্দুস মন্ডল

    ময়মনসিংহের ত্রিশালের মঠবাড়ী ইউনিয়নের রায়মনি গ্রামে হার্ট এট‍্যাকে মারা যাওয়া সেই তিন ভ্যান চালকের পরিবারে খোজ নিয়ে তাদের পরিবারের সদস্যদের সহযোগীতায় পাশে দাড়িয়েছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল কদ্দুস মন্ডল। তাহাদের মৃত্যুতে অসহায় হয়ে পড়া ৩টি পরিবারেট পরিবারের মাঝে তিনটি বিধবা কার্ড বরাদ্ধ দিয়ে তিনহ নিজে গিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন এবং প্রয়োজনে আরো সহযোগীতা দেওয়ার ব্যাপারেও আশ্বস্ত করেন চেয়ারম্যান।

    বৃহস্পতিবার (২৫নভেম্বর) সন্ধ্যায় মৃত্যু বরণ কারী সেই তিন ভ্যানচালকের বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী সহ পরিবারের সকলের খোঁজ খবর ও সান্ত্বনা দিয়ে তার দুই সন্তানের লেখা – পড়াসহ তাদের ভরন পোষনের বিষয়েও সার্বিক সহযোগীতার আশ্বাস দেন।

    এবিষয়ে চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুস মন্ডল জানান, মানুষ মরণশীল,তবে একেক জনের মৃত্যু একেক উচিলায় হয়ে থাকে। এই তিন ভ্যান চালক ভ্যান চালিয়ে সংসার চালালো,হঠাৎ হার্ড এটাকে তাদের মৃত্যুতে তাদের পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছে।আমি যতদিন চেয়ারম্যান আছি তাদের পাশে দাড়াবো,ভবিষ্যতে চেয়ারম্যান না থাকলেও আমার সাধ্যমতো ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে তাদের পরিবারের জন্য সহযোগীতা করবো ইনশাআল্লাহ। এই সময় তিনি এলাকাবাসীকে অসহায় পরিবারের সকল সদস্যদের সার্বিক সহযোগিতায় এগিয়ে আসার পাশাপাশি মৃত তিন ব‍্যক্তির (ভ্যান চালক) আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ও শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সু-স্বাস্থ্য কামনা করেন
    এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডপর মেম্বারসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গরা।

  • মুক্তাগাছায় জাপা নেতৃবৃন্দের  পছন্দের নেতা রওশন ভক্ত ক্বারী মাওলানা বুলবুলি

    মুক্তাগাছায় জাপা নেতৃবৃন্দের পছন্দের নেতা রওশন ভক্ত ক্বারী মাওলানা বুলবুলি

    ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় জাতীয় পার্টির দলীয় নেতাকর্মীদের পছন্দের নেতা আস্থা ও ভরসার প্রতীক
    ক্বারী মাওলানা আব্দুল মতিন বুলবুলি।যিনি জাতীয় পার্টির প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান মরহুম হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সহধর্মীনি ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপির নেতৃত্বে মুক্তাগাছায় জাতীয় পার্টির কার্যক্রম কে তরান্বিত করে দলকে সাংগঠনিক ভাবে আরো এগিয়ে নিতে দলের তৃর্ণমুল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রেখে তাদের সাথে রওশন এরশাদের হাতকে শক্তিশালী করতে মতবিনিময় করে যাচ্ছেন। সদা হাস্যজ্বল এ নেতা ইতোমধ্যে দলীয় নেতাকর্মীদের মন জয় করতে সমর্থ্য হয়েছেন।

    মুক্তাগাছার জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের ভাষ্য-কোন দালাল,জুয়ারী ও বেইমানদের সাথে তারা রাজনীতিতে সক্রিয় হবেনা, যারা নেতা হওয়ার পর নেতা বানানোর কারিগরকে বুলে যায়, তারা স্বার্থের জন্য দলের কর্মীদেরকেও বুলতে দ্বিধা করবে না, রাজনীতি করলে একজন সৎ ও নীতিবাদী নেতৃত্ব প্রয়োজন। ক্বারী মাওলানা আব্দুল মতিন বুলবুলির মাঝে সেই নীতি আর সততা রয়েছে।যে নেতা তাদের সুখ-দুঃখ বুঝবে, তাদের ব্যাথায় ব্যাথিত হবে এমন নেতৃত্বকেই তারা নির্বাচন করতে বদ্ধ পরিকর। এসকল বিবেচনায় মুক্তাগাছা উপজেলায় ক্বারী মাওলানা আব্দুল মতিন বুলবুলির বিকল্প নেই বলেও দাবী উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের।

  • ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগের সাঃ সম্পাদক পদে তৃর্ণমুলের চয়েজ প্রার্থী  দুঃসময়ের নেতা অনু

    ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগের সাঃ সম্পাদক পদে তৃর্ণমুলের চয়েজ প্রার্থী দুঃসময়ের নেতা অনু

    আর্তমানবতার সেবায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্তকারী সময়ের আলোচিত সামাজিক ব্যক্তি, অসংখ্য অগণিত সামাজিক সংগঠন ও সমাজ সেবক তৈরির নিপুন কারিগর, গরিব দুঃখী আর অসহায় মানুষের আশা বিশ্বাস আর ভালো বাসার শেষ আশ্রয়স্থল, ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, বর্তমান জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, রাজপথ কাঁপানো সাবেক ছাত্র নেতা শরীফ হাসান অনু আসন্ন জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে লড়বেন। তারুণ্যের তারুণ্য যৌবনকালে ভালোবাসায় আওয়ামী রাজনীতির দুঃসময়ে দুঃসাহসি নেতা শরীফ হাসান অনু কে নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলে থাকেন। কারো দৃষ্টিতে অনু একজন পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক নেতা, কারো দৃষ্টিতে মানবতার প্রতীক, কারো দৃষ্টিতে একজন দক্ষ সংগঠক, আবার কারো কারো দৃষ্টিতে ময়মনসিংহের মাটিতে আওয়ামীলীগের রুপকথার নেতা।

    রাজনীতির বাজারে অনেক ধরনের খেলা এবং মেলা বসে থাকে, সেই খেলা এবং মেলাতে যারা জয় হতে পারে তাদেরকে বাহ্ বাহ্ দিয়ে থাকেন অনেকে। কিন্তু কর্মী প্রিয় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের আস্থাভাজন নেতা শরীফ হাসান অনুর রাজনৈতিক অংঙ্গনে আকাশ ছোয়া জনপ্রিয়তা দেখে অনেকেই হিংসাহিত হচ্ছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। দুঃসময়ে যারা মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে রাজনীতির সাগরে পাড়ি দিয়েছিলেন তাদের মধ্যে একজন অনু।এই জেলায় তার রাজনীতির সাংগঠনিক দক্ষতা চ্যালেঞ্জ করার মতো কেউ আছে বলে ময়মনসিংহের মানুষ মনে করে না। অনেকেই উপরের আশির্বাদ ও মহব্বতে রাতারাতি নেতা পরিণত হলেও তিনি ভিন্নতর। যে ব্যাক্তি রাজপথ দিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে এই জেলায় তার তুলনা সে নিজেই, অন্য কারো সাথে তার রাজনৈতিক কৌশল তুলনা করার মত নয়। ময়মনসিংহে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে দুঃসাহসী নেতার ভূমিকায় অবতীর্ণ ছিলো তার।

    এক প্রকার বলা যায় যখন সারাদেশে আওয়ামী লীগের কর্মীনিধন চলছিলো তখন ময়মনসিংহের রাজপথে সাহসী হয়ে প্রতিহত করত সব।যা আজকের প্রেক্ষাপটে রুপকথার কাহিনী।

    ময়মনসিংহ-৩ গৌরীপুর আসন, এই আসনের সাধার ভোটার ও রাজনৈতিক নেতাদের সুপরিচিত একটি নাম, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ হাসান অনু।

    এই জেলার জনগণ ও দলীয় কর্মীদের সাথে কথা বললে জানাযায়, দলের দুঃসময়ে তার ভূমিকার কথা। বিশেষ করে বিরোধী দল থাকার সময় মাঠ থেকে সংগঠনকে ধরে রেখেছিল ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা শরীফ হাসান অনু।

    ময়মনসিংহে খুব কম মানুষ আছে যারা অনুর সহযোগীতা পাননি। অধিকাংশ মানুষের সুখে দুঃখে সব সময় পাশে ছিলেন তিনি। রাজনীতি করতে গিয়ে অনু বিএনপি জামাত জোটের আমলে বেশ কয়েক বার হামলা মামলার শিকার হয়েছিলেন। তবুও সংগঠনের হাল ছাড়েননি তিনি। বিএনপি জামাত বিরোধী আন্দোলনে ময়মনসিংহে অনুর নেতৃত্তে প্রথমে ছাত্রলীগ পরে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে আন্দোলনে ব্যাপক ভাবে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। অনু কোনো সময় বিএনপি জামাতের সাথে আঁতাত করেননি। ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক দলীয় কর্মীরা বলেন, অনু নিজ স্বার্থে কখনো হামলা-মামলার শিকার হননি বরং রাজনীতি করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামীলীগকে এই জেলায় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করে জনগণের আধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে আন্দোলন এবং হামলা-মামলার স্বীকার হয়েছিলেন ।১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগে যোগদানের মাধ্যমে অনুর রাজনীতি শুরু হয়েছে। এর পর তিনি ১৯৮৮-১৯৯১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সদস্য ও শহর ছাত্রলীগের আহবায়ক, ১৯৯১-১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, ১৯৯৬-২০০২পর্যন্ত জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি,
    ২০০২-২০০৪পর্যন্ত ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক, ২০০২-২০০৬ পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য,২০০৪-২০১০ সাল পর্যন্ত ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির পদসহ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে সর্বশেষ ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনেে সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হয়ে অদ্যাবধি দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

    শরীফ হাসান অনুর হাত ধরে এই জেলায় অনেক বিশ্বস্ত নেতা-কর্মী তৈরী হয়েছে। অনু বিশ্বস্ত নেতা হিসাবে প্রমানিত ও পরিচিত। জেলা আওয়ামী লীগের আসন্ন কাউন্সিলে এবার তাকে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হিসাবে দেখার আগ্রহ দেখাচ্ছে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা। ত্যাগী ও নির্যাতিত দুঃসময়ের এই নেতা জেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বে আসলে দলের ত্যাগী ও নির্যাতিত দুঃসময়ের নেতাকর্মীরা দলে স্থান পাওয়ার মাধ্যমে হাইব্রিড ও বসন্তের কোকিলমুক্ত ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগ দেখা যাবে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

  • কালীগঞ্জে সার ও গম বীজ বিতরন

    কালীগঞ্জে সার ও গম বীজ বিতরন

    মো.হাসমত উল্লাহ, লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় চলতি মৌসুমে গম বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকেরা। গম বপনে ব্যস্ত হয়ে পরেছে গ্রাম বাংলার কৃষকরা ভালো ফলনের আশায়।

    কালীগঞ্জ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের কৃষকরা কৃষি অফিস থেকে গম বীজ ও সার সংগ্রহ করেন।উপজেলার কৃষি অফিস থেকে গম বীজ ও সার সংগ্রহ করেছেন কৃষক । প্রতি জন কৃষক পেয়েছেন ১০কেজি ডি এ পি সার ১০কেজি এম ও পি ২০কেজি গম। ২০০হেক্টর জমিতে গম রোপন লক্ষ মাত্রা।

    কালীগঞ্জ উপজেলায় গম বীজ ও সার বিতণর কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন, ও উপজেলার সকল কৃষি কর্মকর্তা কর্মচারী ও ৮টি ইউনিয়নের গম বীজ সার সংগ্রহ কারিরা উপস্থিত ছিলেন।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন,বলেন ভালো বীজে ভালো ফলন হয়। এবং রোগ বালাই কম হয়।ভালো জায়গাতে গম বীজ বপন করেন। অনুকূল আবহাওয়া থাকালে এবং নিবিড় পরিচর্যাসহ যথা সময়ে জমিতে সার কীটনাশক ও সেচ দিলে এবার লক্ষ মাত্রা পূরন হবে বলে আশা করছি।

    বীজ ও সার সংগ্রহ কারি এক কৃষক এর সাথে কথা বলে জানাযায় গত বছর অফিসের বীজ নিয়ে যে ফলন হয়েছে এবার অনুকূল আবহাওয়া থাকালে এবারো ভালো ফলনের আশকরছি। তাই সকল কৃষক ভাইদের বলি সবাই ভালো বীজ দিয়ে কৃষি আবাদ করবেন।

    হাসমত উল্লাহ।।