Author: desk

  • সুজানগরে চোরাই মোটরসাইকেল সহ আন্ত:চোর চক্রের তিন সদস্য আটক

    সুজানগরে চোরাই মোটরসাইকেল সহ আন্ত:চোর চক্রের তিন সদস্য আটক

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধিঃ পাবনার সুজানগরে মোটরসাইকেলসহ আন্ত:জেলা মোটরসাইকেল চোরচক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন উপজেলার রাধানগর গ্রামের টিপু প্রামানিকের ছেলে সানি প্রামানিক(১৯),বাগসোহা গ্রামের মখলেছুর রহমানের ছেলে রাসেল রহমান(২৪) ও সোনাপদ্মা গ্রামের শাহ আলম শেখের ছেলে সোহেল রানা ওরফে সাদ্দাম শেখ(৩১)। থানার ওসি আব্দুল হাননান জানান, তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে শনিবার রাতে বেড়া ও আমিনপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে একটি চোরাই মোটরসাইকেল সহ চোরচক্রের ওই তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • নড়াইল জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে মহিলা বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    নড়াইল জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে মহিলা বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে মহিলা বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) এর আওতায় মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার লোহাগড়া লক্ষ্মীপাশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ৷ উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, রবিবার ২৭ নভেম্বর সকাল এগারোটায় অনুষ্ঠেয় মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এস এম ছায়েদুর রহমান, জেলা শিক্ষা অফিসার, নড়াইল ৷ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল হামিদ ভূঁইয়া, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, লোহাগড়া, রোজিয়া সুলতানা , সভাপতি, ম্যানেজিং কমিটি,লোহাগড়া লক্ষ্মীপাশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে এবং কে এম রেজাউল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক, লোহাগড়া লক্ষ্মীপাশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ৷ উক্ত মহিলা সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মো ইব্রাহিম আল মামুন, জেলা তথ্য অফিসার, নড়াইল ৷ মহিলা সমাবেশে উপস্থিত বক্তারা বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রতিরোধ, নারী ও শিশুর প্রতি সকল প্রকার শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন রোধ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন ৷ এছাড়া শিশুদের করোনা টিকা প্রদান বিষয়ে মায়েদের সচেতন করা হয় ৷ ডেঙ্গু রোগের কারণ ও প্রতিরোধ বিষয়ে বক্তারা উপস্থিত নারীদের উদ্দেশ্যে বিস্তারিত বক্তব্য তুলে ধরেন৷ মহিলা সমাবেশে প্রায় দুই শতাধিক নারী উপস্থিত ছিলেন।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • অপ্রতুল বরাদ্দ ঝিনাইদহে ওএমএস’র চাল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে মানুষ

    অপ্রতুল বরাদ্দ ঝিনাইদহে ওএমএস’র চাল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে মানুষ

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের বিভিন্ন এলাকায় যখন নবান্ন উৎসব চলছে, তখন ওএমএস এ চাল বিক্রির ডিলারদের দোকানের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। ভোর থেকে লাইনে দাড়িয়েও চাল পাচ্ছে না অনেক মানুষ। চালের বরাদ্ধ কমিয়ে দেওয়ার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে খাদ্য বিভাগ থেকে বলা হচ্ছে। আবার অনেক সময় প্রভাবশালী ও মুখচেনা মানুষদের চাল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। জানা গেছে, জেলার ৬টি পৌরসভা এলাকায় পহেলা সেপ্টম্বর থেকে ওএমএস ডিলারদের মাধ্যমে চাল বিক্রি শুরু করে খাদ্য বিভাগ। আগে আসলে আগে পাবেন এমন ভিত্তিতে ২৪ জন ডিলারের মাধ্যমে ৩০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু হয়। প্রতি ডিলরকে প্রতিদিন দু’টন করে চাল বরাদ্ধ করা হতো। একজন ক্রেতা ৫ কেজি করে চাল কিনতে পারতো। এতে প্রতিদিন জেলায় ৯ হাজার ৬০০ জন সাশ্রয়ী মূল্যে চাল কিনতে পারতো। শুরুর থেকেই ডিলারদের ঘরের সামনে দরিদ্র মানুষের লাইন দেখা যায়। বর্তমানে চালের পরিমান কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। ডিলার প্রতি দৈনিক এক টন করে চাল বরাদ্ধ করা হচ্ছে। একজন ডিলারের কাছ থেকে দুশো জন চাল কিনতে পারছে। প্রতিদিন রাত থেকে ডিলারের দোকানের সামনে লম্বা লাইন পড়ছে। আর লাইনে দাড়ানো অর্ধেক মানুষ চাল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে। শুধু ঝিনাইদহ শহরের ডিলারদের ৫ টন আটা দেওয়া হচ্ছে। প্রতি কেজি আটার দাম ২৪ টাকা। সেখানেও লাইনে দাড়িয়ে অনেকে আটা পাচ্ছে না। শৈলকুপা শহরের প্রাণী সম্পদ অফিসের ডিলারের দোকানে চাল কিনতে আসা আউশিয়া গ্রামের আনজুরা বেগম বলেন, তিনি তিন দিন ঘুরেও চাল কিনতে পারেননি। লাইনে দাড়িয়ে থেকে জানতে পারেন চাল ফুরিয়ে গেছে। খালধারপাড়া গ্রামের রাশিদা বেগম বলেন, তিন দিন ঘুরার পর গত মঙ্গালবার তিনি চাল পেয়েছেন। ফরিদা বেগম নামে আরেক মহিলাও একই কথা বলেন। ওএমএস ডিলার খায়রুল ইসলাম মুকুল বলেন, প্রতিদিন ক্রেতা ভোর রাতে এসে দোকানের সামনে লাইন দেয়। তিনি বলেন, চালের পরিমান কমিয়ে দেওয়ায় অর্ধেক ক্রেতা ফিরে যায়। বিষয়টি নিয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ হাসান মিয়া জানান, ১৭ অক্টোবর থেকে সরকারের নির্দেশে ডিলার প্রতি বরাদ্ধ কমিয়ে এক টন করা হয়েছে। এ জন্য চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • ত্রিশালে কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়ন সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা

    ত্রিশালে কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়ন সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা

    স্টাফ রিপোর্টার: সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের C4D খাতের আওতায় ৫-১১ বছর বয়সী শিশুদের করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণে উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে কমিউনিটি ডায়ালগ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার (২৭ নভেম্বর)সকালে ত্রিশাল উপজেলার বৈলর ইউনিয়ন পরিষদ হল রুমে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ জেলার তথ্য অফিসার শেখ মো. শহীদুল ইসলাম।

    বৈলর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার মশিহুর রহমান শাহান শাহ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা তথ্য অফিসার শেখ মো. শহীদুল ইসলাম বলেন-শিশুদের এই টিকা বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। এটি খুবই নিরাপদ। যুক্তরাষ্ট্রে এই টিকা দেওয়া হচ্ছে। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর অনুমোদন দিয়েছে। যেসব টিকা এসেছে, প্রথম ডোজ নেয়ার ৮ সপ্তাহ পর ২য় ডোজ দিতে হবে। অক্টোবর মাস থেকে পুরোদমে টিকাদান শুরু হয়েছে।
    তিনি বলেন, চলমান কোভিড-১৯ মহামারী পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশের জনগণকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদানের লক্ষ্যে সারাদেশে ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম পরিচালনা চলমান রয়েছে। ভ্যাকসিনের বৈশ্বিক অপ্রতুলতা সত্ত্বেও সরকার বিশ্বের বহু দেশের আগে আমাদেরও দেশের আপামর জনসাধারণকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদানের আওতায় আনা হয়েছে।

    সহকারী তথ্য অফিসার মোঃ রোকনুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি এটিএম মনিরুজ্জামানসহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যগনসহ এলাকার গণ্যমান্য লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

  • পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে এক মাসের বরাদ্দের চাল উধাও

    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে এক মাসের বরাদ্দের চাল উধাও

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ঃ
    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ভিজিডির এক মাসের বরাদ্দের চাল উধাও। উপকারভোগীরা বঞ্চিত। অভিযোগের তীর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম এমু’র বিরুদ্ধে।

    জুলাই ও আগস্ট দুই মাসের বরাদ্দের চাল গত ২৪ আগস্ট-২২ একসাথে উত্তোলন করে। কিন্তু এক মাসের বিতরণ করা হয়েছে এমন অভিযোগ উপকারভোগীদের।

    জানা যায়, দেবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নে ২০২১-২২ সালের ভিজিডি/ ভিডব্লিউবি আওতাধীন কর্মসূচির কার্ডধারী উপকারভোগীর সংখ্যা ৮৪৫ জন। তার বিপরীতে মাসে চাল বরাদ্দ পায় ২৫.৩৫০ মেট্রিক টন। স্থানীয়দের মাঝে কার্ড ভাগাভাগির জটিলতায় ২০২১ সালে জানুয়ারী থেকে চাল বিতরণ না করে, মার্চ মাস থেকে শুরু হয় চাল বিতরণ।

    তারপরও ২০২১ সালে দশ মাসের মধ্যে আট মাস দেয়া হয়েছে চাল। এদিকে ২০২২ সালের জুলাই ও আগস্ট দুই মাসের চাল একসাথে ২৪ আগস্ট উত্তোলন করে। কিন্তু এক মাসের চাল বিতরণ করা হয় এবং সকল উপকারভোগীদের কাছ থেকে ভিজিডি কার্ড নিয়ে রেখে দেয় ইউনিয়ন পরিষদ। আজও কার্ড ফেরত পায়নি তারা।

    এছাড়াও দুই বছরের ভিজিডি কার্ডে ২২ মাস পার হলেও চাল পেয়েছেন দুই বস্তা। আবার কেউ জানেন না তার নাম ভিজিডি কার্ডের তালিকায় রয়েছে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে অসংখ্য। কর্তৃপক্ষ বলেছে বিষয়টি আগেই শুনেছি তদন্ত চলছে প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • মুন্সীগঞ্জ‌ে টঙ্গীবাড়ী‌তে ইউপি সদস‌্য বিরুদ্ধে প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

    মুন্সীগঞ্জ‌ে টঙ্গীবাড়ী‌তে ইউপি সদস‌্য বিরুদ্ধে প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

    লিটন মাহমুদ।
    মুন্সীগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ

    মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপ‌জেলার কাঠা‌দিয়া শিমু‌লিয়ার ৩নংওয়া‌র্ডেের রাখারন ঠাটা পারা মস‌জিদ সংলগ্ন দেওয়ান বাড়ীর
    হা‌জী আঃ লত‌িফ ( ৬৫) পিতা আঃ হা‌ফিজুদ্দ‌িন
    নি‌জ অথ‌্যায়‌নে ৯০ হাজার টাকা এবং নি‌জের জ‌মি দি‌য়ে গত ১০\০৪\২০২২ইং তা‌রি‌খে সকাল ১১ ঘ‌টিকার সময় রাস্তা‌টি কাজ শুরু ক‌রি এবং সমাপ্ত ক‌রেন ।

    ভূক্তভ‌ুগী হা‌জি মোঃ হা‌জী আঃ লত‌িফ ( ৬৫) ব‌লেন , গত ১০\০৪\২০২২ইং তা‌রি‌খে আ‌মি আমার নি‌জের টাকা (৯০হাজার) ও নি‌জের জ‌মি দি‌য়ে এই ২০০ ( দুই শত ) ফুট রাস্তা ক‌রে‌ছি । ক‌িন্তুু অতান্ত দুঃ‌খের বিষয় কিছু দিন আ‌গে জান‌তে পা‌রি যে ,আমার এই রাস্তা‌টি প্রজেক্ট দে‌খি‌য়ে আমা‌দের ওয়া‌র্ডের মেম্বার মোঃখা‌লেক ১লক্ষ ৮টাকা আত্মসাত ক‌রে‌ছে ।

    মোঃ‌বিল্লাহ দেওয়ান ব‌লেন ,আ‌মি দীর্ঘদিন বি‌দে‌শে ছিলাম ,আমা‌দের বাড়ী‌তে যাতায়‌তের ভা‌লো কোন রাস্তা নাই ,তাই এবার আ‌মি বি‌দেশ থে‌কে এ‌সে নিজে দের টাকায় এই রাস্তা তৈয়ারী কর‌ি নি‌জে‌দের যাতা‌য়া‌তের জন‌্য । কিন্তুু অত‌্যান্ত প‌রিতা‌পের বিষয় এই যে, কিছু দি‌ন আ‌গে জান‌তে পা‌রি যে ,আমা‌দের ওয়া‌র্ডের মেম্বার মোঃখা‌লেক মিয়া আমা‌দের টাকায় তৈয়ারী রাস্তা‌টি প্রজেক্ট দে‌খি‌য়ে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) অ‌ফিস থে‌কে নি‌জেই ১লক্ষ ৮হাজার টাকা উত্ত‌োলন ক‌রে পু‌রো টাকা আত্মসাত ক‌রে‌ছে।

    তি‌নি আ‌রো ব‌লেন,এ বিষ‌য়ে আ‌মি ,টঙ্গীবাড়ী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) অ‌ফিসে যোগা‌যোগ কর‌লে দা‌য়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমা‌কে ব‌লেন প্রজেক্ট‌র নামে মেম্বার মোঃখা‌লেক মিয়া নি‌জেই ১লক্ষ ৮হাজার টাকা উত্ত‌োলন করার বিষয় টি আমা‌কে নিঃ‌চিত ক‌রে‌ন ।

    ৩ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোঃ খা‌লেক মেম্বার
    সাথে কথা হলে তিনি আমা‌দের কে জানান,
    এই রাস্তায় চেয়ারম‌্যান সা‌হেব বরাদ্দ দি‌য়ে‌ছে আমরা নতুন মেম্বার হ‌য়ে‌ছি আমরা তো কিছুই জা‌নি না এই রাস্তার বরাদ্দ কৃত টাকা চেয়ারম‌্যান সা‌হে‌বের ছোট ভাই পু‌নোরায় টাকা উ‌ঠি‌য়ে নি‌য়ে‌ছে । তি‌নি আ‌রো ব‌লেন ,ফেরত নেয়া টাকা দি‌য়ে প‌রিবর্ততে রাস্তার জন‌্য ইট সহ অ‌ফি‌সিয়াল কা‌জে ব‌্যয় করা হ‌বে । এ রাস্তা নি‌য়ে এলাকায় সা‌লিস হ‌য়ে সা‌লি‌সের মা‌ধ্যেমে কিছু দিন সময় দেওয়া বিবাদমান সমস‌্যার করার জন‌্য ।

    কাঠা‌দিয়া শিমু‌লিয়ার ইউপি চেয়ারম্যান মোঃআ‌নিছুর রহমা‌নের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এবিষয় আ‌মি কিছুই জা‌নি না,আমার বিরুদ্ব‌ে যে অ‌ভি‌যোগ আনা হ‌য়ে‌ছে তা সন্পূর্ন ভিত্তিহীন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার
    কাঠা‌দিয়া শিমু‌লিয়া ইউনিয়নবাসী আমায় ভালবাসে বিধায় আমি এবার জয়লাভ করেছি। আমি কোন দুর্নীতি বা কোন প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করি নাই করবো না।

    এ বিষয় টঙ্গীবাড়ী উপ‌জেলার নিবার্হী কর্মকর্তা আমা‌দের কে জানান , এমন কোন তথ‌্য আমার জানা নেই ।ত‌বে এ বিষয়‌ে আ‌মি জে‌নে বিস্তা‌রিত বল‌তে পার‌বো ।

  • নীলফামারীতে ইট-ভাটা মালিকদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

    নীলফামারীতে ইট-ভাটা মালিকদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারী।

    সারাদেশের ন্যায় বৈধ পদ্ধতির জিগজ্যাগ ইটভাটা প্রস্তুত লাইসেন্স ছাড়পত্র প্রাপ্তির জটিলতা ও কয়লা সংকট সমাধানের দাবিতে নীলফাফারাী জেলার প্রায় অর্ধ শতাধিক ইটভাটা মালিক ও শ্রমিকরা মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেছেন।

    রোববার (২৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জেলার কয়েকশত শ্রমিক কর্মচারী ও ইটভাটা মালিকগন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

    মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি
    স্মারকলিপি প্রদান করেন। ইটভাটা মালিক সমিতির জেলা সভাপতি দেওয়ান সেলিম আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ এর স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ২০১৩ সালে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক সংশোধিত আইনে উল্লেখ করা
    হয়েছে, বর্তমান ১২০ ফুট উচ্চতার চিমনীর পরিবর্তে আগামী ২ বছরের মধ্যে
    জিগজ্যাগ হাইব্রিড কিলন্, হফম্যান কিলন, ভ্যার্টিকক্যাল শ্যাফট্ কিলন,
    ট্যানেল কিলন ইত্যাদি ইট ভাটায় রূপান্তর করতে হবে।

    পরিবেশ অধিদপ্তরের জারিকৃত আদেশ অনুযায়ী আমরা পর্যায় ক্রমে জিগজ্যাগ
    ভাটায় রূপান্তর অব্যাহত। কিন্তু ২০১৩ সালের ইটভাটা নিয়ন্ত্রণ আইনে
    জিগজ্যাগ ভাটা বৈধ পদ্ধতি উল্লেখ থাকলেও উক্ত আইনের ৮নং ধারার কারনে দেশের অধিকাংশ জিগজ্যাগ ইটভাটার মালিকগণ ছাড়পত্র ও লাইসেন্স পাচ্ছেনা এবং ১২০ ফিট স্থায়ী উচ্চতার চিমনির মালিকগণ জিগজ্যাগে রূপান্তর করতে পারছে না।

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ২০১৯ সালের সংশোধিত আইন জারী করলেও জিগজ্যাগ ভাটার জন্য ৮(৩)(ঙ) ধারার পরিবর্তন করেনি। এ অবস্থায় দেশে ইট উৎপাদনের ক্ষেত্রে একটি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।

    এসময় বক্তব্য রাখেন, ইট-ভাটা মালিক সমিতির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ফজলার রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক আরশাদ আনোয়ার এছাড়াও ইট-ভাটা মালিক আতিকুল ইসলাম (আতিক), একরামুল হক বাদশা, জামিয়ার রহমান, জাফর ইকবাল পলাশ, হাজী অকছেদ আলী ও আব্দুল হাইসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

  • কমলা চাষে জয়পুরহাটের ইমরান হোসেন উজ্জ্বলের সাফল্য

    কমলা চাষে জয়পুরহাটের ইমরান হোসেন উজ্জ্বলের সাফল্য

    এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

    জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ভিকনী গ্রামে সমতল ভূমিতে কমলা চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন উদ্যোক্তা ইমরান হোসেন ও তার স্ত্রী সুমি বেগম। এরইমধ্যে বাগান থেকে কমলা বিক্রিও শুরু করেছেন এই দম্পতি। কমলার আকার বড় আর স্বাদেও বেশ মিষ্টি।

    কৃষিক্ষেত্রে গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ইমরান হোসেনের সফলতার কথা কম বেশি অনেকেই জানেন। এমন প্রত্যন্ত গ্রামের ইমরান হোসেন কৃষি কাজকে বেছে নিয়ে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন দেখে সত্যিই অবাক লাগে।

    জানা গেছে, তরুণ এই উদ্যোক্তা ইমরান হোসেনের টেলিকমের দোকানের ব্যবসা ছিল। করোনার সময় ব্যবসায় মন্দা দেখা দেয়। এরপর কৃষিকাজের দিকে মনোযোগ দেন। নিজের চিন্তা থেকে এক বিঘা জমিতে রোপণ করেন কয়েকটি কমলার চারা। সেই চারাগুলো থেকে গ্রাফটিং করে আরও চারা বাড়ান। এখন তার বাগানে ১৩০টি কমলার গাছ রয়েছে। কমলাগুলো বারি-২ জাতের। ১৩০টি গাছের মধ্যে ৬০টি গাছে কমলা ধরেছে। প্রতিটি গাছে ১৫-৪০ কেজি পর্যন্ত কমলা ধরেছে। প্রতি কেজি কমলা পাইকারি ১৩০ টাকা করে দাম বলছেন ব্যবসায়ীরা।

    উদ্যোক্তা ইমরান হোসেন বলেন, আমি ক্ষুদ্র ব্যবসা করতাম। ব্যবসায় মন্দা দেখা দিলে অন্য কিছু করার চিন্তা মাথায় আসে। অনেক চিন্তার পর অনলাইনে সার্চ করে কৃষির কথা ভাবতে থাকি এবং এই কৃষি পেশায় চলে আসি। দেখলাম আধুনিক কৃষির কোনটাতে লাভবান বেশি হওয়া যায়। এরপর কমলা চাষে উদ্বুদ্ধ হই।

    ইমরান বলেন আমরা বাইরের দেশ থেকে কমলা আমদানি করে থাকি। এতে অনেক টাকা রিজার্ভ থেকে চলে যায়। সকলে যদি কমলা চাষে উদ্বুদ্ধ হই, তাহলে রিজার্ভের টাকা থেকে এসব ফল আমদানি করতে হবে না। এজন্য বেকার যুবক যারা আছেন, তারা কমলা চাষে উদ্বুদ্ধ হতে পারেন। এর চেয়ে আর সহজ কোনো চাষ নেই।
    কৃষি বিভাগ থেকে সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে এই উদ্যোক্তা বলেন, চাষের প্রথম দিকে অনেক ধরনের খারাপ মন্তব্য শুনতে হয়েছে। কমলা হবে না, হলেও ভালো হবে না, ছোট, তিতা হবে। তবে তা হয়নি। অনেক সুন্দর কমলা হয়েছে। এখন সেই মানুষরাই সাধুবাদ জানাচ্ছে।
    ইমরানের স্ত্রী সুমি বলেন কমলা বাগানের বয়স প্রায় তিন বছর। অনেক পরিশ্রমের ফলে সুফল আসছে। অনেকেই অনেক কথা বলেছেন। কিন্তু এখন তারা প্রশংসা করছেন। কমলা অনেক ভালো এবং সুমিষ্ট। আমি সংসারে কাজের পাশাপাশি বাগান পরিচর্যা করি।

    কমলা কিনতে আসা গোপীনাথপুর এলাকার জাহিদ হাসান লেমন বলেন, আমি কমলা বাগানের বিষয়টি জেনে এখানে এসেছি। বাগানটি দেখে আমার খুব ভালো লেগেছে। আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে ফলের বাগান আছে। সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছ আছে, কিন্তু কমলার গাছ নেই। আমি উদ্যোক্তা ইমরান হোসেন ভাইয়ের থেকে কয়েকটি গাছ কিনে আমার বাগানে রোপণ করবো

    আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম হাবিবুল হাসান বলেন, সমতলে ইমরানের কমলা চাষ একটি বিপ্লব। কমলা সাইট্রাস জাতীয় ফল, এটি পাহাড়ে হয়। কিন্তু এটি এখন সমতলেও হচ্ছে। অনেক বেকার যুবক চাইলে কমলা চাষ করতে পারেন। উপজেলা কৃষি বিভাগ, প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্বুদ্ধ হয়ে কমলা চাষের সুযোগ রয়েছে। যারা তরুণ উদ্যোক্তা আছে তারা এগিয়ে আসুন। চাকরির সোনার হরিণের পেছনে না ছুটে আপনিই উদ্যোক্তা হয়ে অন্যদের চাকরি দেওয়ার কথা ভাবুন।

  • নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বিএনপির ৫২ নেতাকর্মীর নামে মামলা

    নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বিএনপির ৫২ নেতাকর্মীর নামে মামলা

    হুমায়ুন কবির কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি।
    নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন ভূইয়া দুলালের নাম উল্লেখসহ ৫২ নেতাকর্মী ওঅজ্ঞাত আরো বেশ কয়েক জনের নামে কেন্দুয়া থানার পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা হয়েছে।

    এ মামলায় পৌর বিএনপির সভাপতি খোকন আহমেদসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার করে নেত্রকোনা আদালতে পাঠায় পুলিশ।

    কেন্দুয়া থানার পুলিশ সুত্রে জানা যায়, এসআই তানভীর মেহেদী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেছেন।

    কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি কাজী হোসেন পিপিএম সাংবাদিকদের জানান, সরকার পতনের লক্ষে শুক্রবার (২৫ নভেম্বর)সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার আশুজিয়া ইউনিয়নের বীরগঞ্জ বাজারে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে দলটির নেতাকর্মীরা জড়ো হন।
    খবর পেয়ে কেন্দুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ৩-৪ টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা পালিয়ে যান।
    এ সময় পুলিশ বিএনপির ৯ নেতাকর্মীকে আটক করে এবং অবিস্ফোরিত ৪টি ককটেল উদ্ধার করে।

    এ ঘটনার কেন্দুয়া থানার এসআই তানভীর মেহেদী বাদী হয়ে এ দুইটি মামলা দায়ের করেছেন।

    হুমায়ুন কবির কেন্দুয়া নেত্রকোনা থেকে।

  • বানারীপাড়ায় অবশেষে আবাসনের কাজ স্থগিত

    বানারীপাড়ায় অবশেষে আবাসনের কাজ স্থগিত

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিবেদক।। অবশেষে আবাসনের কাজ স্থগিত করেছে প্রশাসন। বানারীপাড়া উপজেলার কাজলাহার গ্রামে ১২টি সংখ্যালঘু পরিবারের পৈত্রিক ও রেকর্ডিয় সম্পত্তি দখল করে উপজেলা প্রশাসন গৃহহীনদের জন্য আবাসন নির্মানের জন্য ভেকু দিয়ে ফসলী জমি ও বালু দিয়ে পুকুর ভরাটের কাজ শুরু করে। এসময় ভুক্তভোগীরা ব্যক্তিগত সম্পত্তি বাদ দিয়ে সরকারি সম্পত্তিতে আবাসন নির্মানের দাবি জানান। কিন্তুু প্রশাসন তাদের কোন দাবির কথা শোননি। ভুক্তভোগীরা বানারীপাড়া উপজেলা মানবাধিকার কমিশনের বরাবরে তাদের মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগ করেন। ওই স্থানে বরিশাল জেলা মানবাধিকার প্লাটফরমের সদস্য ও উপজেলা মানবাধিকার কমিশনের সাধারণ সম্পাদক এস মিজানুল ইসলাম, সভাপতি এটিএম মোস্তফা সরদার, সাইফুল ইসলাম, আব্দুল আউয়াল ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন। এসময় তারা ভুক্তভোগীদের অভিযোগের সত্যতা পান। তিন মাস পূর্বে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মোঃ সুমন ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সরকারি সম্পত্তির চেয়ে ১২ টি হিন্দু পরিবারের সম্পত্তি জোর পূর্বক ১৫ থেকে ২৫ ফুট জমি সরকারি বলে লাল নিশান দিয়ে চিহ্নিত করে। পরে উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ মহসিনুল হাসান কাজ শুরু করেন। এসময় পানের বরজ ও ফসলি জমি ভেকু দিয়ে কেটে কাজ শুরু করেন।
    এ ব্যপারে মানবাধিকার কমিশনের নেত্রীবৃন্দ এবং উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দেবাষীস দাস এবং সম্পাদক ও কাউন্সিলর গৌতম সমাদ্দার উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিপন কুমার সাহার সাথে মতবিনিময় করলে তিনি পুনরায় সরকারি ও ভূক্তভোগীদের সার্ভেয়ারের সমন্বয়ে সম্পত্তি মেপে চিহ্নিত করেন। তাতে সরকারি সার্ভেয়ার মোঃ সুমন ভুক্তভোগীদের সম্পত্তি সরকারি দখলের মধ্যে নিয়েছেন দেখা যায়। তিনি নিজের মাপকে সঠিক বলে স্থির থাকেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার দ্বিতীয়বার অপর সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে পুনরায় মাপজোক করান। তাতে ভুক্তভোগী সার্ভেয়ারের মাপ সঠিক হিসেবে চিহ্নিত করেন।
    এ ঘটনার পরে শুক্রবার বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিপন কুমার সাহা আবাসনের নির্মাণ কাজ স্থগিত করেন। তিনি এ প্রতিবেদকে জানান, নতুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি সুরাহা করবেন।#

    এস মিজানুল ইসলাম।