মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
সাদা মণের মানুষ পন্চগড় যৌথ শ্রমিক ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠাতা আমৃত্যু সভাপতি,জেলা রিক্সা -ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন, জেলা কুলি শ্রমিক ইউনিয়ন, জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন, জেলা ঠিকাদার কল্যান সমিতি,জেলা রাজমিস্ত্রী শ্রমিক ইউনিয়ন সহ একটি জেলার প্রায় সকল শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।পাশাপাশি পন্চগড় জেলা জাসদ প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি পরবর্তীতে সভাপতি, মুজীববাদী ছাএলীগের সাবেক সাঃ সম্পাদক,পন্চগড় জেলায় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনকারী,পন্চগড় পৌরসভার সাবেক সফল মেয়র(চেয়ারম্যান) যুদ্ধকালীন মুজীব বাহিনীর আঞ্চলিক কমান্ডার,বিএলএফের অন্যতম সংগঠক সকলের প্রিয় বীর মুক্তিযোদ্ধা “নাজীম ভাই “। প্রয়াত নাজীম উদ্দিন আহাম্মদ পন্চগড় মুক্ত দিবসে ২৯নভেম্বর তোমাকে কৃতজ্ঞ চিত্তে স্বরনকরি।স্বজন প্রীতির রাজনৈতিক পরিমন্ডলে তোমাদের/তোমার মুল্যায়ন হয়না তবে পন্চগড়ের ইতিহাসের সাথে তুমি জীবিত রবে কৃষক শ্রমিক তথা আপামর জনতা হ্রদয়ে।
খারাপ তথা মন্দ নিয়ে আলোচনা সমালোচনা করতে স্বার্থবাদী নেতৃত্ব পচ্ছন্দ করে,ভালো মানুষকে স্বরনে রাখেনা।তাইতো এ সমাজ এতো বিশৃঙ্খল। এজন্যই কোন নেতার নেতৃত্বকে কেও সন্মান করেনা।
যেদিন থেকে ভালো মানুষকে তাঁর প্রাপ্য সন্মান দিবে সেদিন থেকে এ সমাজ সুশৃঙ্খল হবে এবং ভালো নীতি-নৈতিকতার দিকে এগিয়ে যাবে।
পন্চগড় মুক্ত দিবসে ২৯নভেঃসকল জীবিত মৃত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি মস্তক অবনত শ্রদ্ধা।
পন্চগড় মুক্ত দিবস।
Author: desk
-

পঞ্চগড়ের ক্ষণজন্মা নেতা নাজিম জাসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নিরহঙ্কারী ২৯ নভেম্বর পঞ্চগড় মুক্তি দিবস
-

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নিয়োগ বাণিজ্য- মাদ্রাসা’র অফিসে ভুক্তভোগীর তালা
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ তেঁতুলিয়া উপজেলায় প্রতিষ্ঠানের সুপার ও সভাপতির নেযা নিয়োগের ঘুষের টাকা আদায় করতে মাদ্রাসায় তালা লাগিয়ে দিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবারসহ স্থানীয়রা। রোববার (২৭ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের শিলাইকুঠি বালাবাড়ী দাখিল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
সকালের দিকে মাদ্রাসায় গিয়ে শিক্ষক শিক্ষার্থীরা অফিস কক্ষে একাধিক তালাবদ্ধ দেখতে পায়। এতে বিপাকে পড়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিবাবকরা। বিষয়টি কর্তৃপক্ষ জানলেও সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কেউ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।
স্থানীয়রা জানায়, নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগ দেয়ার কথা বলে স্থানীয় সুয়েল রানা নামের এক চাকুরি প্রার্থীর কাছ থেকে দফায় দফায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা নেয় মাদ্রাসাটির সুপারিন্টেন্ডেন্ট বদিরুল আলম সরকার ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি আমিন আলী (আর্মি)। শনিবার ২৬ নভেম্বর বিকালে শূন্য নৈশ প্রহরী পদে সুয়েল রানাকে নিয়োগ না দিয়ে সভাপতির ভাতিজাকে নিয়োগ দেয়ায় পরের দিন রোববার সকালে ঘুষের টাকা আদায়ের জন্য মাদ্রাসাটির অফিস কক্ষে তালা লাগিয়ে দিয়েছে ভুক্তভোগীরা। এতে বিপাকে পড়েছেন মাদ্রাসাটির শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। যদিও দ্বি-বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা সকাল ১০ টায় কিন্তু দুপুর হয়ে গেলেও দায় সারানোর লক্ষ্যে আড়াইটার দিকে কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা নেই শিক্ষার্থীদের। জানা যায়, প্রতিতিষ্ঠানটি ওই এলাকায় ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
ভুক্তভোগী তোফাজ্জল হোসেন জানান, করোনাকালীন সময়ে সুপার বদিরুল আলম সরকার আমার ছেলেকে চাকুরি দিবে মর্মে ছেলেকে বিয়ে দিয়ে যৌতুকসহ এ পর্যন্ত সাড়ে ৫ লাখ নিয়েছেন। গতকালকে ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে সভাপতির ভাইয়ের ছেলেকে নিয়োগ দিয়েছেন। এবিষয়ে সুয়েল রানা বাদী হয়ে রোববার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সহ-সুপারিন্টেন্ডন্ট ওসমান গণি জানান, মাদ্রাসায় আলোচনা হয়েছে নিয়োগ দিয়ে যা ডোনেশন আসবে সেটা দিয়ে মাদ্রাসার উন্নয়ন কাজে ব্যবহার করা হবে। এখন শুনছি নিয়োগের টাকা সুপার-সভাপতিসহ ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছেন।
প্রথমে গণমাধ্যমের নিকট সুপারিন্টেন্ডেন্ট বদিরুল আলম সরকারের নিকট মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ছুটিতে থাকায় মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান। পরে তিনি ফোনে কথা বলতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করেন এবং ফোন কেটে দেন নতুবা ফোন বন্ধ করে রাখেন। এসময় সভাপতি আমিন আলীর মুঠোফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। এতকিছু হওয়ার পরেও দু’জনের কেউই প্রতিষ্ঠানে আসেননি। স্থানীয়দের ধারণা তাঁরা দু’জনই ভাগবাটোয়ারা করে ঘুষের টাকা আত্মসাৎ করাই ভয়ে প্রতিষ্ঠানে আসছেননা।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শওকত আলী জানান, তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহাগ চন্দ্র সাহার নির্দেশে ঘটনাস্থলে আসেন। সুপার কোনো ছুট নিয়েছেন কিনা জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, আমার নিকট হতে কোনো ছুটি নেইনি। তিনি আরোও বলেন, সরাসরি ঘটনাস্থলে এসেছি অফিসে কেন অনুপস্থিত এবং প্রতিষ্ঠানের এই অবস্থা হওয়ায় তার (সুপারের) প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।মুুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।
-

নড়াইলের কালিয়া ডাকবাংলো উদয়-রবির পৈত্রিক বাড়ি
উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
নড়াইলের কালিয়া ডাকবাংলো উদয়-রবির পৈত্রিক বাড়ি। নড়াইল জেলা শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে কালিয়া উপজেলা। উপজেলার উপকণ্ঠে আছে একটি ডাকবাংলো। ‘কালিয়া ডাকবাংলো বলেই সবাই চেনে বাড়িটিকে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, সেই ব্রিটিশ আমলের দ্বিতল বাড়ি। বাড়িটির স্থাপত্যশৈলী, দেয়ালের কারুকাজ আর প্রশস্ত পরিসর দেখে অনুমান করা যায় যে এটি এক সময় জমিদার বাড়ি ছিল। বর্তমান প্রজন্মের কেউ বলতে পারে না বাড়িটি কাদের ছিল। এই ডাকবাংলোটি আসলে বিশ্বখ্যাত সেতার বাদক পন্ডিত রবিশঙ্কর এবং তার ভাই নৃত্যশিল্পী উদয় শঙ্করের পৈত্রিক ভিটেবাড়ি। অথচ এ প্রজন্মের অনেকেই তা জানেন না। বাড়িটি থেকে মাত্র ৩শ গজ দূরে কালিয়া আব্দুস সালাম ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীরাও বলতে পারেননি পন্ডিত রবিশঙ্কর ও উদয় শঙ্করের আদি ভিটা কোথায়।
পন্ডিত রবিশঙ্কর ও উদয় শঙ্করের পৈত্রিক ভিটা ১ একর ৭০ শতাংশ জমি নিয়ে অবস্থিত। স্থানীয়রা জানান, এর পরিধি আরও বেশি ছিল। ১৯৪৩ সালের পর থেকে এ বাড়িতে কেউ না থাকায় বেশির ভাগ জমি দখল হয়ে গেছে। বাংলদেশ স্বাধীনতা লাভের পর থেকে বাড়িটাকে ডাকবাংলো হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বাড়ির সামনেই ছোট একটি মাঠ। মাঠের চারপাশে পাকা রাস্তা। বাড়িটিকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে কালিয়া বাজার, বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, পৌর ভবন, উপজেলা অফিস।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির সামনের ফাঁকা জায়গায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছের ৮-১০টি নার্সারি এবং ইজিবাইক স্ট্যান্ড। পশ্চিম পাশে শহীদ মিনার এবং তার সামনে পানের পাইকারি হাট বসানো হয়েছে। দেখার যেন কেউ নেই। পৌর কর্তৃপক্ষ এখান থেকে বাড়তি আয়ের জন্য পানের হাট এবং ইজিবাইক স্ট্যান্ড বসিয়েছে বলে জানা যায়।
স্থানীয় প্রবীণ সুজিত কুমার চৌধুরী (৭২) বলেন, ‘রবিশঙ্কর এবং উদয় শঙ্কর বাবুদের আমি দেখিনি। তবে বাপ-দাদার মুখে শুনেছি ব্রিটিশ আমলেই তার বাপ-দাদা বাড়িঘর ফেলে ভারতে চলে যান। সেখানেই জন্ম হয় পন্ডিত রবিশঙ্কর ও উদয় শঙ্করের। তারা কখনোই এখানে আসেননি। ফলে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা এসব জায়গা দখল করে ভোগ করছেন। কিছু জায়গা সরকারের খাস খতিয়ানভুক্ত হয়েছে।
স্থানীয় অপর এক প্রবীণ কালীদাস বিশ্বাস বলেন, পন্ডিত রবিশঙ্কর ও উদয় শঙ্করের পৈত্রিক ভিটা দেখতে মাঝে মধ্যে দেশের নানা জায়গা থেকে লোকজন আসেন। কলকাতা থেকেও কবি-সাহিত্যিক ও গবেষকরা আসেন। কিন্তু পর্যটকদের হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হয়। তিনি এ বাড়িটাকে প্রত্নতত্ব বিভাগের আওতায় সুরক্ষার দাবি জানান। ‘বাড়িটি রক্ষা করা গেলে ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবময় অংশকে সুরক্ষিত করা হবে। সেই সঙ্গে এটিকে ঘিরে বাড়বে পর্যটকদের আনাগোনা। ফলে পুরো উপজেলার অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়বে। সরকারের রাজস্বও বাড়বে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।
জাতীয় পার্টির জি এম কাদের পর্যটনমন্ত্রী থাকাকালে কালিয়া পরিদর্শনে আসেন। তখন তিনি এলাকাবাসীকে জানিয়েছিলেন, গোপালগঞ্জে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর বাড়িসহ সমাধিস্থল, সুন্দরবন, চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান, চারণকবি বিজয় সরকার, প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ড. নিহার রঞ্জন গুপ্ত, জারি সম্রাট মোসলেম উদ্দীন বয়াতীর বাড়ি, পন্ডিত রবিশঙ্কর ও উদয় শঙ্করের পূর্বসূরিদের বাড়ি, বড়দিয়া নৌ-বন্দরকে ঘিরে পর্যটন এলাকা করা হবে। সরকারের তৎকালিন পর্যটন মন্ত্রীর সে আশ্বাস আজও পূরণ হয়নি। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে। -

ঝিনাইদহ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতি সম্পাদকসহ সাত পদে জয়ী
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। রোববার রাতে বেসরকারি ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে। বিএনপি পন্থী পরিষদ থেকে সভাপতি হিসাবে অ্যাডভোকেট রবিউল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট আকিদুল ইসলাম জয়ী হয়েছেন। সভাপতি পদে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট মোজাম্মেল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক পদে এডভোকেট শেখ আব্দুল্লাহ মিন্টু প্রতিদ্বন্দিতা করেন। এছাড়া সহ-সভাপতি পদে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল থেকে অ্যাডভোকেট রাশিদুল হাসান জাহাঙ্গীর, ক্রীড়া ও প্রমোদ সম্পাদক পদে মোস্তাফিজুর রহমান মন্ডল, তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক পথে এডভোকেট বিনা খাতুন এবং সদস্য পদে অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান মিথুন ও অ্যাডভোকেট মুশফিক ওয়ালিদ ইমরোজ জয় লাভ করেন। এছাড়া আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্যানেল থেকে বিভিন্ন পদে ১২ জন নির্বাচিত হয়েছেন। তথ্য নিয়ে জানা গেছে ঝিনাইদা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ১৯ টি পদে ৩৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ২৯১ জন ভোটারের মধ্যে ২৮১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অ্যাডভোকেট মোঃ আবু তালেব। তাকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম। নির্বাচন চলাকালীন সময়ে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু ভোট পর্যবেক্ষণ করেন। এদিকে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল থেকে শীর্ষ পদে জয়লাভ করায় জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা নবনির্বাচিত কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।ঝিনাইদহ
আতিকুর রহমান -

বানারীপাড়ায় বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য কাচারী ঘর
এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ সংবাদদাতা : বানারীপাড়া উপজেলার বিগত দিনে অনেক বাড়ির দরজায় দেখা যেতো কাচারি ঘর। আর্থিক অবস্থা একটু ভালো হলেই বাড়ির সামনে দরজায় (বাড়িতে ঢোকার পথে) বানানো হতে কাচারি ঘর। প্রতিদিন সকাল বেলা প্রতিবাড়ির কাচারি ঘরে ধর্মীয় শিক্ষার আয়োজন করা হতো। বিশেষ করে কুরআন, হাদিস, মাছআলা-মাছায়েল ও মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ইসলামী শিক্ষার এক অনন্য ভূমিকা পালন করা হতো কাচারি ঘরে। এসব কাচারি ঘরগুলো মক্তব হিসেবেও ব্যবহার করা হতো। সে কচারি ঘর এখন বিলুপ্তির পথে।
একজন আলেম বা মাদরাসার ছাত্র রাখা হতো-এসব ঘরে। তিনি ৫ ওয়াক্ত নামাজের সময় আযান দেওয়া আশে পাশের মানুষদের ডেকে নামাজ আদায় করানো সহ বাড়ির নারী, পুরুষ ও শিশুদেরকে ইসলামী নিয়ম নীতি ও রীতিনীতি পালনে উদ্বুদ্ধ করতেন। এইসব কাচারি যুক্ত বাড়ির আশেপাশে কোমলমতি শিশুদেরকে সকাল সন্ধ্যা লেখাপড়া শিখানো হতো। বাড়ির দরজার মক্তবগুলোতে আদব কায়দা, কোরআন ও নামাজ শিক্ষাসহ ধর্মীয় এবং নৈতিক শিক্ষার মূল কেন্দ্র হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলো। যা প্রায় বাড়িতেই দেখা যেতো।
কালের বিবর্তনে বাংলার ঐতিহ্যবাহী সেই সংস্কৃতি এখন নেই। তখনকার সময় প্রত্যেক কাচারি ঘরগুলোতে লজিং মাষ্টার বা একজন আলেম থাকতো। আবার দূর থেকে এসেও শিক্ষকরা বাড়ির ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া শিখানোর পাশাপাশি বাড়িতে মেহমান আসলে বিশ্রামের জন্য প্রাথমিকভাবে কাচারি ঘরে অবস্থান করতো। সালিশ বৈঠক, রাতভর আনন্দ ফুর্তি হতো এই কাচারি ঘরে। বাস্তবতা হলো এখন আর এসব দেখা যায় না। আবার কিছু কিছু বাড়িতে মক্তব বা কাচারি ঘর থাকলেও বর্তমানে তা জরাজীর্ণ ও অবহেলিতভাবে পড়ে আছে।
উপজেলার সলিয়া বাকপুর গ্রামের মো. আফজাল হোসেন জানান, দিন দিন আমরা বিদেশি সংস্কৃতির দিকে ঝুঁকছি। বিদেশি সিরিয়াল আর মোবাইলে আসক্ত হয়ে দেশের ঐতিহ্য ভুলে যাচ্ছি। সকাল বেলায় শিশুদের মক্তবে যাওয়ার দৃশ্য এখন নেই। আধুনিকতা এবং আকাশ সংস্কৃতির কারনে বাড়ির দরজার সেই কাচারি ঘর ও নেই।#
-

সুনামগঞ্জে নারীদের মাঝে ১০টি সেলাই মেশিন নগদ অর্থ বিতরণ করেন শ্রমিকলীগ সভাপতি সেলিম আহমদ
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জ স্বপ্নের ঠিকানা নারী কল্যাণ সমিতির নারীদের মাঝে ১০টি সেলাই মেশিন, নগদ অর্থ ও মাষ্টার টেবিল প্রদান করেন সুনামগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ও সুনামগঞ্জ ১আসনের নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী সেলিম আহমদ। সোমবার দুপুরে পৌর শহরের আরপিন নগরস্থ পৌর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুনামগঞ্জ স্বপ্নের ঠিকানা নারী কল্যাণ সমিতির সভানেত্রী ও পৌরসভার ৪,৫,৬নং ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলার সাবিনা চৌধুরী মনির সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নিজস্ব তহবিল থেকে নারীদের প্রশিক্ষণের জন্য ১০টি সেলাই মেশিন, নগদ অর্থ ও মাষ্টার টেবিল প্রদান করেন জেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি সেলিম আহমদ।
সেলাই মেশিন বিতরণ কালে সেলিম আহমদ বলেন বর্তমান সরকার নারীদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। আমি বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শের একজন সৈনিক হিসেবে আমার নিজস্ব তহবিল থেকে যতটুকু সম্ভব অসহায় মানুষের কল্যাণে এ জেলায় কাজ করে যাচ্ছি। তারই অংশ হিসেবে নারীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একটি পরিবার স্বাবলম্বী হবে সেই প্রত্যাশা করি। তিনি আরও বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শকে আমি আমার বুকে লালণ করি তারই অংশ হিসেবে মানুষে পাশে আছি এবং থাকব।
বিতরণ কালে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক রেজাউলকরিম, সুনামগঞ্জ অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি একে মিলন আহমদ,পৌর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক তৈয়বুর রহমান, যুগ্ম আহবায়জ তানভীর আহমদ,সুনামগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক কে এম শহীদুল ইসলাম, সদস্য টিপু, ব্যবসায়ী মিঠু আহমদ প্রমূখ। -

কালের পরিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে কেরোসিনের কুপি
মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট প্রতিনিধি।।
লালমনিরহাট জেলায় কালের পরিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী কেরোসিনের কুপি।এক সময়ে রাতে কেরোসিনের কুপি নিয়ে ছুটে চলতেন এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়িতে ও হেরিকেল নিয়ে ছুটে চলতেন এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে।বৃদ্ধ থেকে শুরু করে যুবোগ ও মধ্যবয়সী সহ সবাই রাতে কেরোসিনের কুপি নিয়ে বের হতেন।কেরোসিনের কুপি নিজের কাজের পাশাপাশি ব্যবহার হতো বিভিন্ন লোকের রাতের অনুষ্ঠানের কাজে। কিন্তু আধুনিকায়নে বিভিন্ন সোলার, ব্যাটারী জ্বলিত বালপ,ক্যারেন্ট হওয়া এলাকায় আলোতে ভরপুর।যার কারণে হারিয়ে যাচ্ছে একমাত্র ঐতিহ্যবাহী কেরোসিনের কুপি ও হেরিকেন।
কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা যায়,তখনকার সময়ে কেরোসিনের কুপি মেরামতের জন্য হাট বাজারে দোকান দিয়ে বসত ।এছাড়া অনেকে গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে কেরোসিনের কুপি মেরামত করেদিতেন।কিন্তু এখন আর কেরোসিনের কুপি ব্যবহার না করার ফলে কুপির মিস্ত্রীদের এখন আর দেখা যায় না। এবং হাটে বাজারে প্রতি দোকানে বিভিন্ন ডিজাইনের তৈরি করা কুপি ও হেরিকেল বিক্রিয হতো।
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের লতাবর ঢাকাইয়া টারী সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাহ্ আলম বলেন, আগে প্রতিদিন সন্ধ্যা হলে দেখা যেতো প্রত্যকের বাড়িতে কেরোসিনের কুপি ও হেরিকেল কিন্তু এখন প্রতি বাড়িতে বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিকস ও ক্যারেন্ট হওয়ার কারণে এখন আর কেরোসিনের কুপির প্রয়োজন হয় না। আমি নিজেও ছোট বেলায় কেরোসিনের কুপি জ্বালিয়ে লেখা পড়া করেছি।
কালীগঞ্জ উপজেলার বুড়িরহাট এলাকার কেরোসিনের কুপি ও হেরিকেলের মেকার নুরম্মোহামদ,বলেন এক সময় কেরোসিনের কুপি ও হেরিকেল ছারা অন্য কিছু জ্বালানো যেত না।কিন্তু এখন এলাকায় বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিকস ও ক্যারেন্ট হওয়ায় এখন আর কেরোসিনের কুপি ও হেরিকেল প্রয়োজন হয় না।তবে কেরোসিনের কুপি ও হেরিকেল থাকলেও তা কেউ ব্যবহার করে না।এতে মেরামতের কাজ হয় না।যার কারণে এই পেশা ছাড়তে হয়েছে।তিনি আরও বলেন,সময়ের আবর্তে এক সময় কেরোসিনের কুপি ও হেরিকেল দেখতে যেতে হবে জাদুঘরে। নতুন প্রজন্ম হয়তো জানবেওনা কেরোসিনের কুপি ও হেরিকেলের ইতিহাস।
হাসমত উল্লাহ।
-

হাসপাতালে মায়ের মৃত্যু,বুকে পাথর চেপে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সেই সুমাইয়া পাশ করেছে
মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
পানছড়িতে হাসপাতালে মায়ের মৃত্যু,বুকে কষ্ট নিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সুমাইয়া আক্তার জিপিএ ৪.০৬ পেয়ে পাশ করেছে।
উল্লেখ্যঃখাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় সাঁওতাল পাড়া এলাকার রফিকুল ইসলাম এর সহধর্মিণী ইব্রাহীম এর মা মৃত্যু বরণ করেছেন ।আর এইদিকে মায়ের মৃত্যুর সংবাদ শুনে মেয়ে সুমাইয়া আক্তার অজ্ঞান হয়ে গেলে তাকে হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়।তারপর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সেলাইন ও ঔষধ দেন।
অন্যদিকে সেইদিন তার এসএসসি বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা।সবাই শোকে কাতর। এই দিকে বিষয়টি খোঁজ পান পানছড়ি থানার ওসি আনচারুল করিম। তিনি তাকে সেলাইন দেওয়া অবস্থায় মানসিক সাপোর্ট ও উৎসাহ দিয়ে পরীক্ষার সেন্টারে নিয়ে যান।চাপা কষ্ট বুকে নিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে মেয়ে সুমাইয়া আক্তার। সে পানছড়ি বাজার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী।
-

পানছড়িতে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত ১২ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে,শতকরা পাশের হার ৭০.৬৬%
মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।
বছরের বেশির ভাগ সময় কেটেছে ঘরবন্দি।করোনার প্রভাব,বাকিটা অনলাইন ক্লাস এবং অ্যাসাইনমেন্ট। এমন সব কার্যক্রমের মধ্যেই এসএসসি ২০২২ পরীক্ষায় মেধার স্বাক্ষর রেখেছে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (২৮ নবেম্বর) দুপুর ১২ টার সময় প্রকাশিত ফলাফলে এই তথ্য জানা যায়।
খাগড়াছড়ির পানছড়িতে এসএসসি ২০২২ পরীক্ষায় মাদ্রাসা সহ ১০ টি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে গত বছরের চাইতে এবছর পাশের হার ও জিপিএ ফাইভ দুই বেড়েছে।
এই ১০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ ফাইভ অর্জন করে যার বেশির ভাগ আসে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে।আর কয়েকটি আসে ব্যবসা ও মানবিক বিভাগ থেকে।এইছাড়া পানছড়ি উপজেলায় শতকরা পাশের হার ৭০.৬৬%
এর মধ্যে পানছড়ি বাজার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ১৬৩ জন শিক্ষার্থী তার মধ্যে পাশ করে ১১৮ জন।পাশের হার ৭২.৩৯%। এইছাড়া বরাবরের মতো জিপিএ ৫ এর দিক দিয়েও এগিয়ে রয়েছে পানছড়ি বাজার উচ্চ বিদ্যালয়।যার মধ্যে রয়েছে সাতজন বিজ্ঞান বিভাগ থেকে আর একজন ব্যবসা বিভাগ থেকে।
বিজ্ঞান বিভাগ থেকে রয়েছে শ্রাবন্তী দে,প্রতিভা চাকমা,রুমানা আক্তার, মাহফুজুর রহমান সিপাত,অনিক চাকমা,সুপৃতি চাকমা,নুসরাত নাদিয়া, ব্যবসা বিভাগ থেকে লতিফা আক্তার টুম্পা।গতবার এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ ফাইভ পেয়েছিল ৬ জন শিক্ষার্থী।
পানছড়ি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৬৯ জন শিক্ষার্থী তার মধ্যে পাশ করে ৫৬ জন।পাশের হার ৮১.১৬%। জিপিএ ৫ অর্জন করে দুজন শিক্ষার্থী। যার মধ্যে মানবিক বিভাগ থেকে সুদেব চাকমা আর বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অনুরণ চাকমা।এইছাড়া কারিগরি শাখা থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয় ৭১ জন শিক্ষার্থী। পাশ করে ৬৮ জন পাশের হার ৯৫.৭৭℅।
লোগাং উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৯০ জন শিক্ষার্থী তার মধ্যে পাশ করে ৬৮ জন।পাশের হার ৭৫.৫৬%।
লোগাং বাজার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৯৮ জন শিক্ষার্থী তার মধ্যে পাশ করে ৮৫ জন।পাশের হার ৮৫.৭১%।জিপিএ ৬ অর্জন করে একজন শিক্ষার্থী।সে হলো ব্যবসা বিভাগ থেকে জান্নাতুল ফেরদৌস।
পূজগাঙ মুখ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ১০২ জন শিক্ষার্থী তার মধ্যে পাশ করে ৬৯ জন।পাশের হার ৬৭.৬৫%।এর মধ্যে জিপিএ পাঁচ পায় একজন শিক্ষার্থী।সে হলো বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অদিথ চাকমা।
উল্টাছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৬১ জন শিক্ষার্থী তার মধ্যে পাশ করে ৩২ জন।পাশের হার ৫২.৪৬%।পানছড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৪০ জন শিক্ষার্থী তার মধ্যে পাশ করে ১৫ জন।পাশের হার ৩৭.১৫%।নালকাটা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৩৫ জন শিক্ষার্থী তার মধ্যে পাশ করে ২৩ জন।পাশের হার ৬৫.৭১%।পানছড়ি ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা থেকে ৩১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয় পাশ করে ১৬ জন।মধ্যনগর আলিম মাদ্রাসা থেকে ২৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।
পাশ ১৩ জন।এই কৃতী শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপ কালে তারা জানান, বাবা, মা ও শিক্ষকদের অনুপ্রেরণায় এই ফলাফল অর্জন করেছি আমরা।আগামী দিন গুলোতে আমরা আরও ভালো ফলাফল করে সমাজ ও দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।
পানছড়ি বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অলি আহমেদ জানান, ‘বরাবরের মতই পানছড়ি বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের সাফল্য দেখিয়েছে।মূলত ঘরে ঘরে গিয়ে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার খোঁজ খবর নেয়া, ক্লাসে পড়া বুঝে নেয়াসহ শিক্ষক-অভিভাবকদের চেষ্টার কারণে এমন সাফল্য এসেছে।’তিনি কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
পানছড়ি পূঁজগাঙ মুখ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার দেব জানান,পূঁজগাঙ মুখ উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন ছাত্রী জিপিএ ফাইভ অর্জন করায় আমরা খুবই আনন্দিত।এই ছাড়া আমাদের বাজার উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়,লোগাং উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ ফাইভ অর্জন করায় আমরা অনেক বেশি আনন্দিত ও গর্বিত।এসএসসি ২০২২ পরীক্ষায় কৃতকার্য সব শিক্ষার্থীদের আমি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।
-

পটিয়ায় এবার কৃষকের পাশে দাঁড়ালেন নজির আহমেদ ফাউন্ডেশন
মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
পটিয়া নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশন এবার উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের থানা মহিরা গ্রামে কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আবাদি জায়গা অনাবাদি না রাখার জন্য মঙ্গলবার বিকেলে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্নজাতের বীজ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেন।এসময় বক্তব্য রাখেন- কুসুমপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকারিয়া ডালিম, আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর মেম্বার, কুসুমপুরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক কাজী মোঃ মোরশেদ, যুবলীগ নেতা ইউছুফ খাঁন, কুসুমপুরা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আলহাজ্ব খোরশেদ আলম, নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের অর্থ সচিব নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে দুই শতাধিক পরিবারের মাঝে নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. জুলকারনাইন চৌধুরী জীবনের পক্ষে বীজ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়।