Author: desk

  • চট্টগ্রাম  দক্ষিণ জেলা বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ রহিমের ২য়-মৃত্যুবাষিকী পালিত

    চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ রহিমের ২য়-মৃত্যুবাষিকী পালিত

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বীর পটিয়ার কৃতি সন্তান, মরহুম আলহাজ্ব এম এ রহিম সাহেব এর ২য় মৃত্যু বাষিকী উপলক্ষে, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম পটিয়া ১২ আসনের সাবেক এমপি, গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান জুয়েল ও পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য,ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি, বদরুল খায়ের চৌধুরী,, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য ও মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ, দক্ষিণ জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি, আলমগীর তালুকদার টিপু, রহিম সাহেব এর ছোট ভাই, সাবেক ছাত্রনেতা, জিল্লুর রহমান, পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক, সাবেক ছাত্রনেতা, চেয়ারম্যান ইউনুস মিয়া, পৌরসভা বিএনপি নেতা, ইদ্রিস পানু, বিএনপি নেতা, বছিরুল আলম, রিজুওনাল হক, পৌরসভা কৃষক দলের আহবায়ক, হাজী নজরুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ সভাপতি, আনোয়ার হোসেন মিয়া, পটিয়া পৌরসভা শ্রমিক দলের সভাপতি, মোহাম্মদ আবছার, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, গাজী মনির, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক, জমির উদদীন আজাদ, যুবদল নেতা, খোকন শাহ, মোহাম্মদ সোহেল,মোহাম্মদ আলী, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদল নেতা, তারেক রহমান, মোহাম্মদ এমরান, সহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন,।

  • ঠাকুরগাঁওয়ে পাক হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে র‍্যালি শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    ঠাকুরগাঁওয়ে পাক হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে র‍্যালি শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    গীতি গমন চন্দ্র রায়।।ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ৩ ডিসেম্বর ২০২২ সকালে পাক হানাদার মুক্ত দিবস-২০২২ উপলক্ষে বর্নাঢ্য র‍্যালী ও শোভা যাত্রা বের হয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা পৌর শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।

    র‍্যালী শেষে জেলা প্রশাসক সভা কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন এমপি,বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার মোঃজাহাঙ্গীর হোসেন,জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি সাদেক কুরাইশী,পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা বন্যা,ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অরুণাংশু দত্ত টিটু,ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায় প্রমুখ।উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মোঃমাহাবুবুর রহমান। এছাড়া ও এইদিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    উক্ত অনুষ্ঠান শেষে ৩১তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও ২৪তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালন উপলক্ষে হুইল চেয়ার বিতরণ করেন।

    জানা যায় ১৯৭১ সালের ৩ রা ডিসেম্বর পাকিস্তানী হানাদারের সাথে মুক্তি যুদ্ধ করে মুক্তি লাভ করে।তাই নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই দিবসটি ঠাকুরগাঁও জেলা হানাদার মুক্ত দিবস হিসেবে পালিত হয়।

    গীতি গমন চন্দ্র রায়।

  • আগামী নির্বাচনে খেলা হবে হlওয়া ভবন,সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে–ওবায়দুল কাদের

    আগামী নির্বাচনে খেলা হবে হlওয়া ভবন,সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে–ওবায়দুল কাদের

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
    আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আগামী নির্বাচনে খেলা হবে হাওয়া ভবনে থেকে যারা সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ ও দুর্ণীতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে, লুটপাটের বিরুদ্ধে খেলা হবে- খেলা হবে এই ডিসেম্বর বিজয়ের মাসে।

    তিনি আরও বলেছেন, ‘আক্রমণ হলে পাল্টা আক্রমণ হবে কী না তা সময়ই বলে দেবে। বিএনপির নেতাকর্মীরা রাস্তায় কয়দিন থাকবে তা আমরা জানি না, তবে রাজপথ আমাদের দখলে থাকবে। কারণ আমরা আকাশ থেকে পড়িনি, জনগণের মাঝ থেকে আমরা এসেছি।’

    শনিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তারেক রহমান লন্ডন থেকে হুংকার দিচ্ছেন রাজপথ দখলের। ১০ তারিখের অনেক আগেই পল্টনে তাঁবু টানাচ্ছে বিএনপি, হাড়ি-পাতিল আনছে। কোথায় পাচ্ছে এই টাকা। তাদের এই অর্থের উৎস খোঁজা হচ্ছে।’

    ড. কামাল হোসেন বিএনপিকে সমাবেশের টাকা দিচ্ছে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘ড. কামাল হোসেন ট্যাক্স ফাঁকি দিয়েছেন, অর্থপাচার করেছেন। বাংলাদেশের রাজনীতির রহস্যময় পুরুষ এই কামাল হোসেন। সবার অর্থের উৎস খোঁজা হচ্ছে।’

    তিনি বলেন, রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ হচ্ছে, জনসমাগম নেই, মাঠ ফাঁকা। আর ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে জনতার ঢল। তিল ধারণের ঠাঁই নেই।

    দীর্ঘ ৬ বছর পর ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী।

    জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক খোকার সভাপতিত্বে সম্মেলনের সঞ্চালনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল এবং মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মোহিত উর রহমান শান্ত।

    সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক ধর্মপ্রতিমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বাবু অসিম কুমার উকিল, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফ আহমেদ, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ বাবু, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরুসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    সম্মেলন উপলক্ষে শনিবার ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই নগরীর সার্কিট হাউস মাঠে জড়ো হন আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকরা। জেলার ১৩টি উপজেলা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সম্মেলনস্থলে আসেন তারা। দুপুরের মধ্যেই সম্মেলনস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

    সম্মেলনে প্রথম অধিবেশন সমাপ্ত হলে দ্বিতীয় অধিবেশনে এহতেশামুল আলমকে সভাপতি ও এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলকে সাধারন সম্পাদক করে ময়মনসিংহ জেলা ও সিটি করপোরেশনের মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটুকে সভাপতি ও মোহিত উর রহমান শান্তকে সাধারন সম্পাদক করে মহানগর আওয়ামীলীগের নতুন কমিটির ঘোষণা করা হয়।

  • আওয়ামী লীগ ১৭৩ দিন হরতাল করেছিল রাজশাহীতে মীর্জা ফখরুল

    আওয়ামী লীগ ১৭৩ দিন হরতাল করেছিল রাজশাহীতে মীর্জা ফখরুল

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী।। তত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া এ দেশের আর কোন নির্বাচন হবে না বলে আবারো মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন আওয়ামী লীগ ১৭৩ দিন হরতাল করেছে। সেই তত্ববধায়ক সরকারের অধিনে পাঁচটি নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেছে। এখন সেই তত্ববাধায়ক সরকারকে তারা ভয় পায়।

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১০ তারিখের সমাবেশ নিয়ে সরকারের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। সেদিন নাকি তারা উড়ে যাবে। জনগণের প্রতি তাদের আস্থা নেই। চোরের মন পুলিশ পুলিশ। নয়াপল্টনে এর আগে অনেক সমাবেশ করেছি, তখন তো সমস্যা হয়নি। এখন কেন এত সমস্যা? শনিবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজশাহীর হাজী মুহম্মদ মহসীন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে (মাদরাসা মাঠ) বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, যে দেশে গণতন্ত্রকে প্রতিদিন হত্যা করা হচ্ছে, সেই দেশের সরকার প্রতিদিন সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের কথা বলছে। সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। আমরা কোন দেশে বাস করছি, যে দেশে প্রধানমন্ত্রী খারাপ কাজ করলেও সমালোচনা করা যায় না। আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্র একটাই- যেমন করেই হোক ক্ষমতায় বসে থাকা। তিনি বলেন, এই দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করা হবে।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, রাজশাহী থেকেই ১৯৬৯ সালে যখন আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শামসুজ্জোহা নিজের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন। রাজশাহীর মাটি বিএনপির ঘাঁটি। রাজশাহীর মাটি উর্বর। জিয়াউর রহমানের বাড়িও রাজশাহীর বগুড়াতে। পদ্মা, মহানন্দা নদী বেষ্টিত জনতা আজ রুখে দাঁড়িয়েছে। পাবনার ঈশ্বরদীর জাকারিয়া পিন্টুসহ ৯ জনকে অন্যায়ভাবে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। ২৫ জনের যাবজ্জীবন দিয়েছে। তাতে কি আপনারা ভয় পাবেন? তাতে কী পাবনার লোক ভয় পাবেন?

    মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ এখন আর রাজনৈতিক দল নেই। লুটেরাদের দলে পরিণত হয়েছে। তাই এই সরকারকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হচ্ছে। ব্যাংক খালি করা হচ্ছে। রিজার্ভ খালি করা হচ্ছে। সেখানে ৩৭ জন কৃষককে ২৫ হাজার টাকার জন্য জেলে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই সরকার আমাদের রাজনৈতিক কাঠামো নষ্ট করেছে। আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে ১১ জনকে গান পাউডার দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, রাজশাহী এখন উর্বর হয়েছে। ধানের শীষকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আমাদের আন্দোলন বিএনপিকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নয়, তারেক রহমানকে দেশে আনার জন্য নয়, আমাদের আন্দোলন মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য। আর কতকাল মানুষ কষ্ট করবে। মানুষের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। অর্ধনৈতিক অবস্থায় ধস নেমেছে। নিরপেক্ষ সরকারের মাধ্যমেই পার্লামেন্ট গঠন করা হবে। জাতীয় সরকার গঠন করা হবে। ১৪ থেকে ১৫ বছর ধরে আমরা অনেক নির্যাতিত হচ্ছি। আমাদের অনেক নেতাকর্মী গুম হয়েছে। ইলিয়াস আলীর মেয়ে এখনো পথ চেয়ে থাকে কখন বাবা আসবে। এই পরিবেশ থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।

    মির্জা ফখরুল বলেন, গত ১৪ বছরে ১৯ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। মেগা উন্নয়নের কথা বলে, বিনা পয়সার সার দিবে, চাল দিবে, ঘরে ঘরে চাকরি দিবে। এখন আমাদের ছেলেরা চাকরি পায় না।

    মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার জঙ্গি আক্রমণের ধুয়া তুলেছে। যখন সরকারের দরকার হয়- এবার বিএনপিকে ধরতে হবে, তখন তারা জঙ্গি তৈরি করে। নিজেরা বাস পুড়িয়ে, ককটেল মেরে বলে বিএনপি অগ্নিসন্ত্রাস করছে।

    সরকার ভয়ে আছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘চোরের মন পুলিশ পুলিশ এদের অবস্থা এ রকম। কিছু হলেই দুঃস্বপ্ন দেখে। বিএনপি আইলো, বিএনপি আইলো, তারেক রহমান আইলো, তারেক রহমান আইলো।’

    তিনি বলেন, বিএনপির যে আন্দোলন, তা খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী করার জন্য নয়, তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করার জন্য নয়, বা তাদের দলের নেতাদের মন্ত্রী হওয়ার জন্য নয়, এ আন্দোলন ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার আন্দোলন।

    নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির মহাসচিব বলেন, এই সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। তাদের রুখে দিতে না পারলে সব অর্জন শেষ হয়ে যাবে। দুর্বার গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটাতে হবে।

    মীর্জা ফখরুল বলেন, আর কতকাল মানুষ কষ্ট করবে। মানুষের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। অর্ধনৈতিক অবস্থায় ধস নেমেছে। ১৪ থেকে ১৫ বছর ধরে আমরা অনেক নির্যাতিত হচ্ছি। আমাদের অনেক নেতাকর্মী গুম হয়েছে। ইলিয়াস আলীর মেয়ে এখনো পথ চেয়ে থাকে কখন বাবা আসবে। এই পরিবেশ থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।
    রাজশাহী মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ইশার সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ইকবাল মাহমুদ চৌধুরী টুকু, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সহসাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন শওকত, রাজশাহীর সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, সাবেক এমপি নাদিম মোস্তফা প্রমুখ।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • রাজশাহী কারাগারে এক আসামির ফাঁসি কার্যকর

    রাজশাহী কারাগারে এক আসামির ফাঁসি কার্যকর

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহী কারাগারে গোদাগাড়ীর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত ১০ টা ১ মিনিটে রকিবর রহমান ওরফে ওকিবর নামের ওই আসামীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তার বাড়ি গোদাগাড়ী উপজেলার নিমতলা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে।

    রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আব্দুল জলিল জানান, ১৯৯৯ সালের একটি হত্যা মামলায় রকিবর রহমানের মৃত্যুদন্ড দেন আদালত। এরপর তার প্রাণভিক্ষার আবেদন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নাকচ হলে বুধবার দিবাগত রাতে ফাঁসি কার্যকর করা হয়। ফাঁসি কার্যকরের পর লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • গৌরনদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাই‌কেল আ‌রোহী কলেজ ছাত্র চয়ন দাস নিহত

    গৌরনদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাই‌কেল আ‌রোহী কলেজ ছাত্র চয়ন দাস নিহত

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশাল জেলার গৌরনদীতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বরিশাল পলিটেকনিক্যাল কলেজের ছাত্র আগৈলঝাড়া উপজেলার মধ্য শিহিপাশা গ্রামের মন্টু দাস এর পুত্র
    চয়ন দাস (১৯) নিহত হয়েছে। ০৩ ডিসেম্বর শনিবার সকাল আনুমানিক ১১ টায় বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর নামক স্থানে এই দুর্ঘটনায় ঘটে।জানা যায় শ্যামলী পরিবহনের সাথে এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন। আরো জানা যায় চয়ন দাস তার মামাতো ভাইয়ের সাথে বরিশাল হতে মোটরসাইকেল যোগে আসার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

  • বানারীপাড়ায় পার্বত্য শান্তি চুক্তির রজত জয়ন্তীতে আলোচনা ও আনন্দ র‌্যালী অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় পার্বত্য শান্তি চুক্তির রজত জয়ন্তীতে আলোচনা ও আনন্দ র‌্যালী অনুষ্ঠিত

    এস মিজানুল ইসলাম ॥ বানারীপাড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫ তম বর্ষপূর্তির রজত জয়ন্তী উদযাপন করা হয়েছে। শুক্রবার ২ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় দিবসটি পালন উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় থেকে দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকসহ নানা শ্রেণী-পেশার নারী-পুরুষের অংশ গ্রহণে বিশাল একটি আনন্দ র‌্যালী বের হয়ে পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তৃতা করেন, বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. শাহে আলম। এর আগে র‌্যালীর প্রাক্কালে দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন বরিশাল-২ আসনের আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসেন সানার সঞ্চালনায় এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনিরুল ইসলাম মনি, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও বানারীপাড়া পৌর মেয়র এ্যাড. সুভাষ চন্দ্র শীল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা, বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি খিজির সরদার ও আক্তার হোসেন মোল্লা, যুগ্ম সম্পাদক সুব্রত লাল কুন্ডু, অধ্যাপক জাকির হোসেন ও প্রভাষক আশরাফুল হাসান সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন-উর-রশিদ স্বপন, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন সরদার ও নুরুল হুদা, ইউপি চেয়ারম্যান আ. জলিল ঘরামী, সাইফুৃল ইসলাম শান্ত ও মাষ্টার সিদ্দিকুর রহমান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আ. মন্নান মৃধা, ওমর ফারুক ও আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এটিএম মোস্তফা সরদার, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়াও আনন্দ র‌্যালীতে উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠন ও বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড’র নেতাকর্মীসহ নানা শ্রেণী পেশার নারী-পুরুষ অংশ গ্রহণ করেন। #

    এস মিজানুল ইসলাম।।

  • গৌরনদীতে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫তম বার্ষিকী রজত জয়ন্তীতে আনন্দ র‌্যালী

    গৌরনদীতে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫তম বার্ষিকী রজত জয়ন্তীতে আনন্দ র‌্যালী

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের গৌরনদীতে ব্যাপক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ শুক্রবার বিকালে ঐতিহাসিক পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫তম বার্ষিকী রজত জয়ন্তী উদযাপন করা হয়েছে।এ উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অংগ সংগঠনের উদ্যোগে বর্নাঢ্য র‌্যালী ,আলোচনা সভা ও দোয়ার অনুষ্ঠান হয়েছে। উপজেলা সদরের দলীয় কার্যালয় থেকে বর্নাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।পরে আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের সামনে উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এইচ,এম জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন,উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক-পৌরমেয়র হারিছুর রহমান হারিছ । অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন,বরিশাল জেলা পরিষদের সদস্য এইচ,এম হারুন-অর রশিওদ ,উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি মোঃ আবু সাইদ নান্টু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান ফরহাদ মুন্সি,পৌর আ.লীগের সভাপতি মনির হোসেন মিয়া,ইউপি চেয়ারম্যান,আবদুর রব সরদার,আবদুর রাজ্জাক হাওলাদার, গোলাম হাফিজ মৃধা,সৈয়দ নজরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল হোসেন বাচ্চু,উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আনিসুর রহমান,সাধারন সম্পাদক সৈয়দ মাহাবুবুর রহমান ,পৌর যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মো.আল-আমীন হাওলাদার,উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুবায়ের ইসলাম সান্টু, সাধারন সম্পাদক লুৎফর রহমান দ্বীপ , পৌর কাউন্সিলর মো.মিলন খলিফা, মো.সাখাওয়াত হোসেন সূজন,কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক শরীফ নাহীয়ান হোসেন রাতুল, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ নুরুল হক,উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো.স্বপন হাওলাদার-প্রমূখ।পরে দলীয় কার্যালয়ে দোয়া-মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়। দোোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন গৌরনদী পৌর মেয়র মোঃ হারিছুর রহমান।।

  • দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়

    দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ;
    দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে শীত। পাল্লা দিয়ে কমছে তাপমাত্রাও। হিমালয় থেকে আসা পাহাড়ি হিমেল হাওয়ার সঙ্গে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ে থাকে পুরো জেলা।

    শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে ১২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, যা দেশের সর্বনিম্ন বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ।

    হিমালয়ের কাছে হওয়ায় পঞ্চগড়ে বরাবরই শীতের প্রকোপ বেশি থাকে। শীতকালে বেশির ভাগ সময় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করে প্রান্তিক এ জেলায়।

    দিনে রোদের তীব্রতা থাকলেও সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে শীত। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে কুয়াশাও। ভোর পর্যন্ত কুয়াশাচ্ছন্ন থাকছে বিভিন্ন এলাকা। তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে জনজীবন।

  • পাহাড়ে শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ভূমি সমস্যা সমাধান দরকার

    পাহাড়ে শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ভূমি সমস্যা সমাধান দরকার

    রিপন ওঝা,মহালছড়ি।

    ২ডিসেম্বর রোজ শুক্রবার মহালছড়ি উপজেলার ৩নং ক্যায়াংঘাট ইউনিয়নের করল্যাছড়ি হাইস্কুল মাঠে আজ পার্বত্য চুক্তির ২৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিশাল গণসমাবেশ ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি।
    উক্ত সমাবেশে ২রা ডিসেম্বর উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বিমল কান্তি চাকমা সভাপতিত্ব করেন।
    এ সময়ে আরো উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিস কাকলী চাকমা,মাইসছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ প্রতিটি এলাকা হতে আগত জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
    আয়োজিত সমাবেশে জেএসএস কেন্দ্রীয় কমিটির ও জাতীয় নেতৃবৃন্দগণ বলেন সংগঠনের নেতারা পাহাড়ের ভূমি সমস্যা নিরসনে পার্বত্য চুক্তি মোতাবেক ভূমি কমিশনের বিধিমালা প্রণয়নপূর্বক দ্রুত বিচারিক কার্যক্রম শুরু করা, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আলােকে ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি কার্যকর রাখা।
    আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, ভূমি ব্যবস্থাপনা, উপজাতীয় আইন ও সামাজিক বিচার কার্যাবলী ও ক্ষমতা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে হস্তান্তর করাসহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি।
    পাহাড়ের ভূমি সমস্যা নিরসনে পার্বত্য চুক্তি মোতাবেক ভূমি কমিশনের বিধিমালা প্রণয়নপূর্বক দ্রুত বিচারিক কার্যক্রম শুরু করা, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আলােকে ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি কার্যকর রাখা। আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, ভূমি ব্যবস্থাপনা, উপজাতীয় আইন ও সামাজিক বিচার কার্যাবলী ও ক্ষমতা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে হস্তান্তর করাসহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি।

    আয়োজিত সমাবেশে কেন্দ্রিয় তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সুধাকর ত্রিপুরা বলেন, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার রাজনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে সুষ্ঠু সমাধানের লক্ষে স্বাক্ষরিত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পঁচিশ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, এই সুদীর্ঘ সময়েও পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির দুই তৃতীয়াংশ ধারাগুলোই অবাস্তবায়িত অবস্থায় রয়ে গেছে।
    উদ্বেগের বিষয় যে, ২০০৯ সাল থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরকারী আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার এক যুগের অধিক রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকলেও চুক্তির মৌলিক বিষয়গুলো আগের মতই অবাস্তবায়িতই রয়ে গেছে। আইন বিষয়ক সম্পাদক সুদর্শন চাকমা জানান, আজকে পার্বত্য চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি উদযাপন করছি প্রতিবাদের সাথে। এতো বছর পরেও সরকার আমাদের ধারাগুলো অবাস্তবায়ন অবস্থায় ফেলে রেখেছে, এটা অত্যান্ত দুঃখজনক। পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে চুক্তি বাস্তবায়ন করতে হবে। আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ জানাই যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে চুক্তি বাস্তবায়ন করে। তাহলে শান্তি ফিরে আসবে।
    পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির মৌলিক বিষয় সমূহের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় অধ্যুষিত অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের আওতাধীন বিষয় ও কার্যাবলী কার্যকরণ এবং উক্ত পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত করণ, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরােধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন এর বিধিমালা চূড়ান্তকরণ, আভ্যন্তরীণ জুম্ম উদ্বাস্তু ও ভারতপ্রত্যাগত জুম্ম শরনার্থীদের জায়গা-জমি প্রত্যর্পণ ও তাদের নিজস্ব জায়গা-জমিতে পুনর্বাসন, অনুপ্রবেশকারী বাঙালিদেরকে পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরে সম্মানজনকভাবে পুনর্বাসন, চুক্তির সাথে সামঞ্জস্য বিধানের জন্য অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আইনসমূহ সংশােধন, অস্থানীয়দের নিকট প্রদত্ত ভূমি ইজারা বাতিলকরণ, পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল চাকুরীতে জুম্মদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিন পার্বত্য জেলার স্থায়ী অধিবাসীদের নিয়ােগ ইত্যাদি বিষয়গুলাে বাস্তবায়নে সরকার অদ্যাবধি কোন ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করে নি।