Author: desk

  • নড়াইলে মানব সভ্যতার সোনালী অতীত লাঙ্গল জোয়াল

    নড়াইলে মানব সভ্যতার সোনালী অতীত লাঙ্গল জোয়াল

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইল কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে মানব সভ্যতার সোনালী অতীত-ঐতিহ্য গ্রাম-বাংলার সেই চিরচেনা গরু-লাঙ্গল দিয়ে জমি চাষের দৃশ্য। নড়াইলে লাঙ্গল দিয়ে জমি চাষ এখন শুধুই স্মৃতি। এক সময় দেখা যেত সেই কাক ডাকা ভোরে কৃষকরা গরু ও কাঁধে লাঙল-জোয়াল নিয়ে বেরিয়ে যেত মাঠের জমিতে হালচাষ করার জন্য। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বর্তমানে আধুনিকতার স্পর্শে ও বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কারের ফলে কৃষকদের জীবনে এসেছে নানা পরিবর্তন। আর সেই পরিবর্তনের ছোঁয়াও লেগেছে কৃষিতে। তাই আর সকালে কাঁধে লাঙল-জোয়াল নিয়ে মাঠে যেতে আর দেখা যায় না কৃষকদের। কৃষি প্রধান বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে লাঙল, জোয়াল। আধুনিকতার ছোঁয়ায় হাল চাষের পরিবর্তে এখন ট্রাক্টর অথবা পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করা হয়।
    এক সময় হাল চাষ করার জন্য। আবার অনেকে গবাদিপশু দিয়ে হাল চাষকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়ে ছিলেন। আবার অনেকে, ধান গম, ভুট্টা, তিল, সরিষা, কলাই, আলু প্রভূতি চাষের জন্য ব্যবহার করতেন। নিজের সামান্য জমির পাশাপাশি অন্যের জমিতে হাল চাষ করে তাদের সংসারের ব্যয়ভার বহন করত।
    হালের গরু দিয়ে দরিদ্র মানুষ জমি চাষ করে ফিরে পেত তাদের পরিবারের সচ্ছলতা। আগে দেখা যেত কাকডাকা ভোরে কৃষক গরু, মহিষ, লাঙল, জোয়াল নিয়ে মাঠে বেড়িয়ে পড়ত। এখন আর চোখে পড়ে না সে দৃশ্য। জমি চাষের প্রয়োজন হলেই অল্প সময়ের মধ্যেই পাওয়ার টিলারসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে চালাচ্ছে জমি চাষাবাদ।
    তাই কৃষকরা এখন পেশা বদলি করে অন্য পেশায় ঝুঁকছেন। ফলে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে গরু, লাঙল, জোয়াল দিয়ে জমিতে হাল চাষ। নড়াইলের কৃষক উত্তম টিকাদার বলেন, ছোটবেলায় হাল চাষের কাজ করতাম। বাড়িতে হাল চাষের বলদ গরু ছিল ২-৩ জোড়া। চাষের জন্য দরকার হতো ১ জোড়া বলদ, কাঠের তৈরি লাঙল, বাঁশের তৈরী জোয়াল, মই, লরি (বাঁশের তৈরি গরু তাড়ানোর লাঠি), গরুর মুখে টোনা ইত্যাদি।
    আগে গরু দিয়ে হাল চাষ করলে জমিতে ঘাস কম হতো। অনেক সময় গরুর গোবর জমিতে পড়ত, এতে করে জমিতে অনেক জৈবসার হতো। ক্ষেতে ফলন ভালো হতো। এখন নতুন নতুন আধুনিক বিভিন্ন মেশিন এসেছে সেই মেশিন দিয়ে এখানকার লোকজন জমি চাষাবাদ করে। তাই এখনো গরু, মহিষ, লাঙল, জোয়াল নিয়ে জমিতে হাল চাষ করা এখন হারিয়ে যেতে বসেছে।
    গরুর লাঙল দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৬৬ শতাংশ জমি চাষ করা সম্ভব। আধুনিক যন্ত্রপাতির থেকে গরুর লাঙলের চাষ গভীর হয়। জমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি ও ফসলের চাষাবাদ করতে সার, কীটনাশক কম লাগতো। দিনে দিনে এভাবেই ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের গ্রামবাংলার ঐতিহ্য। নড়াইলে কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে মানব সভ্যতার সোনালী অতীত লাঙ্গল জোয়াল। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • সুনামগঞ্জে জেলা প্রশাসককে অনলাইন প্রেসক্লাবের বিদায়ী সংবর্ধনা

    সুনামগঞ্জে জেলা প্রশাসককে অনলাইন প্রেসক্লাবের বিদায়ী সংবর্ধনা

    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ
    সুনামগঞ্জে জেলা প্রশাসক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনকে বিদায় সংবর্ধনা দিয়েছে সুনামগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাব।

    রবিবার (৪ ডিসেম্বর ) দুপুর ১২ঘটিকায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাকে এই ফুলেল শুভেচছা সহ সম্মাননা দেয়া হয়।

    সুনামগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দি বাংলাদেশ টুডে এবং দৈনিক মুক্ত খবর পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি এ কে মিলন আহমেদ এর সভাপতিত্বে সংগঠনের সহ সভাপতি ও আনন্দ টিভি এবং দৈনিক আজকের দর্পন পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি এমরান হোসেনের পরিচালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও আমাদের সুনামগঞ্জ পত্রিকার আইন উপদেষ্টা এডভোকেট শামীমজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আমার বার্তা জেলা প্রতিনিধি মোঃ আফজাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি কে এম শহিদুল ইসলাম, এডভোকেট রনি, প্রমুখ।

    এ সময় অনলাইন প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দরা জেলা প্রশাসক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনকে তার কর্মকালীন সময়ে জেলা এবং জেলাবাসীর ক্যলাণে বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে ও ভয়াবহ বন্যায় নিরন্তরভাবে কাজ করে যাওয়ায় তাকে ধন্যবাদ জানানো হয়। পরে জেলা প্রশাসককে অনলাইন প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও ফুলেল শুভেচ্ছার মধ্যদিয়ে বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

  • চুপ

    চুপ

    আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন

    চারিপাশে, ধুম পড়েছে
    টাকা লুটের ধুম,
    চুপ চুপ চুপ,
    ভাংবে ওদের ঘুম।

    চোর চোট্টা রাঘব বোয়াল
    চুপটি করে থাকে,
    করবে চুরি গাট্টি টাকার
    নকশা ভিষণ আকেঁ ।

    গোটা শরীর লেপটে আছে
    টাকা লুটের ফন্দি,
    জিও এবং এনজিও হোক
    করতে হবে বন্দি ।

    থাকেন এরা চুপটি করে
    কাজ বাগাতে ঘুষ
    এদের মুখোশ খুলতে হবে
    তবেই হবে হুঁশ ।

    খুব সচেতন লেখক সমাজ
    কলমটা কি বেকার,
    চুপটি করে থাকলে হবে
    খুব জরুরী লেখার।

  • বেনাপোলে অসুস্থ যাত্রীদের সেবায় হুইল চেয়ার উপহার দিলেন সুলতান মাহমুদ বিপুল

    বেনাপোলে অসুস্থ যাত্রীদের সেবায় হুইল চেয়ার উপহার দিলেন সুলতান মাহমুদ বিপুল

    আজিজুল ইসলাম, বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াতকারী অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী যাত্রীদের সেবায় ৫টি হুইল চেয়ার উপহার দেন যশোর সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ বিপুল।

    সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার সময় বেনাপোল চেকপোস্টে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের হাতে এ উপহার তুলে দেওয়া হয়।

    উপহার প্রদান শেষে যশোর সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও মেসার্স সুলতান মাহমুদ সিএন্ডএফ এজেন্টের স্বত্বাধিকারী সুলতান মাহমুদ বিপুল বলেন, বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে প্রতিদিন শতশত বয়স্ক, প্রতিবন্ধি ও অসুস্থ পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত করেন। ভারত – বাংলাদেশ যাতায়াতের সময় ঘন্টা পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অসুস্থ যাত্রীরা আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের যাতায়াত সহজ করতে ৫টি হুইল চেয়ার প্রদান করেছি।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের রাজস্ব কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

  • মধুপুরে মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমুলক সভা অনুষ্ঠিত

    মধুপুরে মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমুলক সভা অনুষ্ঠিত

    আঃ হামিদ মধুপুর( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ
    টাঙ্গাইলের মধুপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবি ও মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    সোমবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে মধুপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা ইয়াসমীন এর সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    উক্ত প্রস্তুতিমুলক সভায় প্রথমে ১ মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরোয়ার আলম খান আবু।
    অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফি উদ্দিন মনি, ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহমেদ নাসির, উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) মো. জাকির হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ- সভাপতি ডা.মীর ফরহাদুল আলম মনি, ওসি তদন্ত মুরাদ হাসান সহ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা বৃন্দ, সকল সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিকগন। অনুষ্ঠানে আগামী ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস ও ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন এবং বিভিন্ন দিগ-নির্দেশনা মুলক মুক্ত আলোচনা করা হয়।

  • ভিজিডির চাল আত্মসাতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

    ভিজিডির চাল আত্মসাতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ;
    গত ২৯ নভেম্বর প্রকাশিত সংবাদের দেবীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাল আত্মসাতের অভিযোগ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর জেলা প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.গোলাম ফেরদৌস কে আহবায়ক করে আগামী ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন চেয়েছেন জেলা প্রশাসক মো.জহুরুল ইসলাম। তিনি বলেন তদন্ত প্রতিবেদন পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    জানা যায়,দেবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নে ২০২১-২২ সালের ভিজিডি/ ভিডব্লিউবি আওতাধীন কর্মসূচির কার্ডধারী উপকারভোগীর সংখ্যা ৮৪৫ জন। তার বিপরীতে মাসে চাল বরাদ্দ পায় ২৫.৩৫০ মেট্রিকটন।গত জুলাই ও আগস্ট মাসের বরাদ্দের চাল একসাথে উত্তোলন করে এক মাসের বিতরন করা হয়েছে এমন অভিযোগ উপকারভোগিদের।এছাড়াও দুই বছরের ভিজিডি কার্ডে ২২ মাস পার হলেও চাল পেয়েছেন দুই বস্তা। কেউ জানেন না, তার নাম ভিজিডি কার্ডের তালিকায় রয়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.গোলাম ফেরদৌস বলেন,লিখিত অভিযোগ যেহেতু নাই, আমি আগেই তদন্ত শুরু করেছি।জানতে পেরেছি সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর চাল বিতরণ করেছেন।তদন্ত কমিটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এখন পর্যন্ত কোন চিঠি পাইনি।পেলে পুনরায় তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করব।

  • পঞ্চগড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে পাথর শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা

    পঞ্চগড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে পাথর শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
    করোনাকালিন সময়ের আগ থেকে দীর্ঘ তিন বছর ধরে সনাতন পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকায় স্থবিরতা দেখা দিয়েছে দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। দেশে চলমান ডলার সংকটের কারণে স্থলবন্দর গুলোতে নতুন করে পাথর আমদানিতে এলসি পাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। তাই সংকটের এই সময়ে দেশীয় খনিজ সম্পদ পঞ্চগড়ের পাথর শিল্পকে সনাতন পদ্ধতিতে পাথর কোয়ারী হিসেবে ইজারা দিয়ে দেশের চলমান উন্নয়ন কাজে ব্যবহার করার জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় পাথর শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
    ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাথর শিল্পকে সনাতন পদ্ধতিতে পাথর কোয়ারী হিসেবে ইজারা দিয়ে আবারও পাথর উত্তোলন করতে দেয়া হলে দেশে সংকট ময় সময়ে যেমন স্বচ্ছলতা ফিরবে শ্রমিক, ব্যবসায়ীদের, তেমনি কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ করতে পারবে সরকার।
    পাথর উত্তোলন বন্ধের তিন বছর পর পাথর শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের অবস্থা জানতে সরেজমিনে জেলার পঞ্চগড় সদর উপজেলাসহ তেঁতুলিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শণ করা হয়। এতে করে পাথর উত্তোলনের কর্মক্ষেত্রে ব্যস্থ যায়গা গুলোতে দেখা গেছে এক সুনশান স্থবিরতা। একই অবস্থা দিনমুজুর নিম্ন আয়ের পাথর শ্রমিকদের বাড়িতেও।
    তবে পঞ্চগড়সহ তেঁতুলিয়া উপজেলায় পাথর উত্তোলন বন্ধ হওয়ার পর কিছু সংখ্যাক পাথর ব্যবসায়ী বিভিন্ন দেশ থেকে আনা পাথর সংগ্রহ করে দিন অতিবাহীত করলেও সংকট আবারও বাধা হয়ে দাড়িয়েছে। এদিকে ডলার সংকটের এই সময়ে পঞ্চগড়ে খনিজ সম্পদ পাথর সনাতন পদ্ধতিতে উত্তোলন করা হলে একটু স্বস্থি ফিরবে উত্তরের এ জনপদে। তাই ভিন্ন দেশ থেকে পাথর আমদানি না করে দেশিয় সম্পদ কাজে লাগিয়ে দেশের রিজার্ভ ঘাটতি অনেক অংশে কমে আসবে।
    পঞ্চগড় পাথর বাজার ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী ও ব্যবসায়ী ডিজার হোসেন বাদশা বলেন, এই মুহূর্তে দেশে চলমান উন্নয়ন কাজের জন্য পর্যপ্ত পরিমাণ পাথর প্রয়োজন। তাই আমদানি নির্ভর না হয়ে দেশিয় খনিজ সম্পদ কাজে লাগাতে পারলে যেমন কর্মসংস্থান পাবে হাজার হাজার শ্রমিক, তেমনি উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি হবে।
    পাথর ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান মনির বলেন, পূর্বের ন্যায় আমাদের এই পঞ্চগড়ে সনাতন পদ্ধতি পাথর উত্তোলন করতে দেয়া হয়। তাহলে যেমন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা বাঁচবে তেমনি সরকারেরও অনেকটা উন্নয়ন হবে।
    তেঁতুলিয়ার পাথর শ্রমিক ইদ্রিস আলী, আকবর হোসেন ও আব্দুর রহিম বলেন, আমরা দিন আনে দিন খাই। গত কয়েক বছর ধরে ঠিক মত কাজ পাচ্ছি না। আগে পাথর উত্তোলন করে মোটামুটি পরিবারকে নিয়ে সুন্দর ভাবে দিন অতিবাহীত করছিলাম। কিন্তু একটা অজানা ঝড়ে সব আটকে গেছে। সরকারের কাছে আমাদের জোর দাবী আমাদের এই পঞ্চগড়ে সনাতন পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলন করার অনুমতি দিলে আমাদের মত হাজার হাজার দরিদ্র পরিবারের পাথর শ্রমিক একবেলা পেট ভরে খেতে পারবে।
    পঞ্চগড় পাথর ও বালি ব্যবসায়ী যৌথ ফেডারেশনের সভাপতি হাসিবুল হক প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান বলেন,পঞ্চগড়ে আমাদের এই সংগঠন ছোট বড় নদীর পাথর কোয়ারী থেকে মোট ১৯টি মহালে ইজারা নিয়ে কাজ করতো। প্রতি বছরে ইজারা নিয়ে সনাতন পদ্ধতিতে কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো। কিন্তু গত তিন বছরে ইজারা বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা যেমন মানবেতর জীবন যাপন করছে, তেমনি ব্যবসায়ীরাও। তবে সব দিক বিবেচনা করে নির্দিষ্ট ভাবে স্থান উল্লেখ করে পুনরায় সনাতন পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলনের অনুমতি প্রদান করেন তবে পঞ্চগড়ের শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা একটা নতুন জীবন পাবে। কারণ শতভাগ পরিবেশকে সংরক্ষিত রেখে পঞ্চগড়ে সনাতন পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলন সম্ভব। আমরা আশাবাদি সরকার অনুমতি দিলে আমরা পরিবেশ রক্ষায় সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করে শুধু মাত্র সনাতন পদ্ধিতে পাথর উত্তোলন করবোl

  • ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস পালিত র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস পালিত র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঠাকুরগাঁওয়ে মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউট আঞ্চলিক কার্যালয় ঠাকুরগাঁও এর আয়োজনে বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস ৫ই ডিসেম্বর-২০২২ সোমবার ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।এবং পরে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এ আলোচনায় মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ঠাকুরগাঁও জেলার আয়োজনে আলোচনা সভায় কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোঃআব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মো: মাহবুবুর রহমান,বিশেষ অতিথি সিভিল সার্জন ডা: নুর নেওয়াজ আহমেদ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: আসাদুজ্জামান,বাংলাদেশ বেতারের অঞ্চলিক পরিচালক মোঃআব্দুর রহিম,ঠাকুরগাঁও মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন আঞ্চলিক কার্যালয়ের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, বিএডিসি কন্ট্রাক্ট গ্রোয়ার্সের উপ-পরিচালক মো. ফারুক হোসেন,ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোঃআবুল কালাম আজাদ,ঠাকুরগাঁও পৌরসভার প্যানেল মেয়র মো:আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী,এনএসআই সহকারি পরিচালক রেজাউল হক প্রমুখ।সে সময় এ অনুষ্ঠানে বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস উপলক্ষে একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করেন।

  • মানবাধিকার কর্মীসহ ‘সাংবাদিকদের বৃহত্তর ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য’-১৬ই ডিসেম্বর উপলক্ষে আলোচনা

    মানবাধিকার কর্মীসহ ‘সাংবাদিকদের বৃহত্তর ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য’-১৬ই ডিসেম্বর উপলক্ষে আলোচনা

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়ায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র উদ্যোগে ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার কর্মীসহ “সাংবাদিকদের মান উন্নয়নে করনীয়” আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    সোমবার (৫ ডিসেম্বর ২০২২ইং) দুপুরে ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া জালাল প্লাজার (২য় তলায়) ফ্যান্টাসী কর্ণার চাইনিজ এন্ড থাই রেস্টেুরেন্টে এ আলোচনা সভার আয়োজন করেন আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের নেতৃবৃন্দ। প্রথম পর্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হাজী জমত আলী দেওয়ান ও প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এশিয়ান টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার ও আশুলিয়া প্রেসক্লাবের সফল সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম খাঁন (লিটন)।
    উক্ত আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জাতীয় দৈনিক চৌকস পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ), এ অনুষ্ঠান স ালনা করেন দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার রাকিবুল ইসলাম সোহাগ। এর পরে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার আশুলিয়া থানা কমিটির শাখা অফিস উদ্বোধন করেন এই সংস্থার চেয়ারম্যান ও দৈনিক চৌকস পত্রিকার সম্পাদক এস এম নজরুল ইসলাম, এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার অর্থ সচিব ও দৈনিক চৌকস পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কলিম উদ্দিন।
    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার আশুলিয়া থানা কমিটির সভাপতি ঘোষণা করা হয় সরদার বাচ্চু মিয়াকে, তিনি অফিস উদ্বোধন অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কহিরুল ইসলাম খাইরুল, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক ইমু, দৈনিক চৌকস পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার আলতাব হোসেন, আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, ক্লাবের সদস্য ও দক্ষিণ অ লের সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম রিজভী, পলাশ হাওলাদার, সবুজ খান, বাংলার ডাক পত্রিকার প্রতিনিধি সোহেল রানা, দৈনিক দেশেরপত্র পত্রিকার ঢাকা উত্তর প্রতিনিধি দাউদুল ইসলাম নয়ন, ঢাকার ডাক পত্রিকার আশুলিয়া প্রতিনিধি নাজমুল ইসলাম, গ্রামীণ টিভি’র সম্পাদক আতিয়ার ইসলাম, আশুলিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য মানুন মোল্লা, মশিউর রহমান, শাকিল শেখ, বিজয় বার্তা পত্রিকার প্রতিনিধি ইমরান খাঁন, রিপন মিয়া, দৈনিক সময়ের কন্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি তিশা আক্তার ও বিভিন্ন ক্লাবের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ শতাধিক সাংবাদিক এই সভায় অংশগ্রহাণ করেন।
    বিশেষ করে মহান বিজয় দিবস ১৬ই ডিসেম্বর উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ যারা শহীদ হয়েছেন, সেইসকল বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং দেশের সকল বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করা হয়। অতিথিগণ এ সময় বক্তব্যে বলেন, মানবাধিকার কর্মীসহ “সাংবাদিকদের মান উন্নয়নে করনীয়” আলোচনা সভায় আমরা বলতে চাই “বৃহত্তর ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য”। প্রধান অতিথি ও প্রধান আলোচক এবং বিশেষ অতিথিগণ বলেছেন, প্রকৃত সাংবাদিকরা ভালো কাজ করবেন আমরা আপনাদের সাথে আছি, থাকবো। এ সময় নেতৃবৃন্দরা সাংবাদিকদের অধিকার ও দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন এবং দেশবাসী সবাইকে ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। সবশেষে দুপুরের খাবারের আয়োজন করা হয়, উক্ত আলোচনা সভায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র সংশ্লিষ্টরা এই সুন্দর আয়োজনটি করায় সবাইকে ধন্যবাদ জানান নেতৃবৃন্দ।

  • ময়মনসিংহ সদরে ৪৪তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদযাপিত

    ময়মনসিংহ সদরে ৪৪তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদযাপিত

    স্টাফ রিপোর্টার॥ ‘স্মার্টফোনে আসক্তি, পড়াশোনার ক্ষতি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ময়মনসিংহ সদরের আয়োজনে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায়, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরের তত্ত্বাবধানে, ৪৪ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ- ২০২২ এর শুভ উদযাপিত হয়েছে।
    সোমবার ৫ ডিসেম্বর সকাল ময়মনসিংহ সদরের সহকারী কমিশনার ভূমি এসিল্যান্ড এইচ এম ইবনে মিজান ৪৪ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ- ২০২২ এর শুভ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান শাহিন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুস সালাম,একাডেমিক সুপারভাইজার নারায়ন চন্দ্র দাস,জাকির হোসেন সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের উর্ধতন কর্মকর্তাগণ।

    সহকারী কমিশনার ভূমি এসিল্যান্ড এইচ এম ইবনে মিজান বলেন- বিজ্ঞানের প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফেইসবুক সহ বিভিন্ন আবিষ্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে কোটি-কোটি টাকা নিচ্ছে প্রতিবেশী দেশগুলো।আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা যদি কোন আবিষ্কার করে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে পারে তাহলে দেশ আর্থিকভাবে আরো এগিয়ে যাবে।

    বক্তারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ আয়োজনের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বিজ্ঞানের বিষ্ময়কর আবিষ্কার এবং বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতিগুলো জনসাধারণ ও শিক্ষার্থীদের দেখিয়ে ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিজ্ঞান শিক্ষায় উৎসাহিত করে তুলতে হবে। স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার সম্পর্কে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক করে বলেন আমাদের সন্তানদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি এর অতিরিক্ত ব্যবহারের বিষয়ে সচেতন থাকতে আহবান করেন। এর আগে সহকারী কমিশনার ভূমি এসিল্যান্ড এইচ এম ইবনে মিজান অন্যান্য অতিথিদের সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ-২০২২ এ অংশ নেওয়া বিভিন্ন প্রকল্পের আবিষ্কারক বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন প্রজেক্ট ঘুরে দেখেন। মেলায় সদর উপজেলার দাপুনিয়া ডি কে জিএস ইউনাইটেড কলেজ,হলি চাইল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল,ক্যান্টমেন্ট পাবলিক স্কুল,লেতু মন্ডল উচ্চ বিদ্যালয়,নাজিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় ঘাগড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় সহ উপজেলার মোট ৮টি প্রতিষ্ঠান অংশ গ্রহণ করেন। আলোচনা সভা শেষে-সোলার সিটি,উন্নত গ্রামীণ জীবন যাত্রা, বাস্তব উপকরণের মাধ্যমে জ্যামিতিক আকার আকৃতির ধারণ প্রদান/ লাভ সহ বিভিন্ন প্রকল্পের আবিষ্কারক বিজ্ঞানীদের পুরস্কার তুলে দেন সহকারী কমিশনার ভূমি ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সহ অন্যান্য অতিথিগণ।