Author: desk

  • বর্ণাঢ্য আয়োজনে  ঝিনাইদহে মহান বিজয় দিবস পালিত

    বর্ণাঢ্য আয়োজনে ঝিনাইদহে মহান বিজয় দিবস পালিত

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নানা কর্মসুচি পালিত হয়। শুক্রবার সুর্য্যদয়ের সাথে সাথে ঝিনাইদহ সদর থানা চত্বরে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিনের শুভ সুচনা ঘটে। সুর্য্যদয়ের সাথে সাথে সব সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।সকাল ৭টার ঝিনাইদহ মুক্তিযুদ্ধ সৃতিসৌধে জেলা জেলা প্রশাসন , আওয়ামলীগ,জেলা বিএনপি,প্রেসক্লাব এবং বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়।জেলা প্রশাসক মনিরা বেগম ,পুলিশ সুপার মোঃ আশিকুর রহমান ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেন করেন।সকাল ৯টার ঝিনাইদহ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কুচকাওয়াজ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের ক্রিড়া প্রতিযোগিতা ও শিশু একাডেমীতে শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণ করা । ঝিনাইদহ শিল্পকলা একাডেমীতে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে সংবর্ধনা প্রদান। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষ্যে হাসপাতাল, জেলখানা, শিশুকেন্দ্র, এতিমখানা ও ভবঘুরে কেন্দ্রে উন্নত খাবার পরিবেশন করা হয়। জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, গীর্জা প্যাগোডা ও অন্যান্য উপসানালয়ে দেশ এবং জাতীর মসৃদ্ধ কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে কাবাডি প্রতিযোগিতা, এবং বিকাল ৪টা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসন বনাম মুক্তিযোদ্ধা একাদশের প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় ।এ ছাড়া ঝিনাইদহ পুরাতন কালেক্টরেট চত্বরে ১৫ দিন ব্যাপী বিজয় মেলা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলমান রয়েছে। এদিকে জেলা আওয়ামীলীগ জেলা ওবিএনপির পক্ষ থেকে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং বিজয় র‌্যালি আয়োজন করা হয় র‌্যালির নেতৃত্ব দেন জেলা আওয়ামীলীগের মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু ও জেলা বিএনপির সভাপতি এড এম এ মজিদ।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।।

  • নাচোলে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া কে কেন্দ্র করে ধস্তাধস্তির মধ্যে দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত

    নাচোলে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া কে কেন্দ্র করে ধস্তাধস্তির মধ্যে দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত

    মোঃ মনিরুল ইসলাম,নাচোল,
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া কে কেন্দ্র করে ধস্তাধস্তির মধ্যে দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে।
    গতকাল শুক্রবার ১৬ই ডিম্বার সূর্যদয়ের সাথে সাথে বিজয় দিবসে নাচোল সরকারী কলেজ প্রাঙ্গনে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় আওয়ামীলীগের দু’গ্রপের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।

    মাইকে আওয়ামীলীগের পুষ্পস্তবক অর্পণের ঘোষনা দিলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রশিদ খান ঝালু ও তার সমর্থকরা এবং অপরদিকে উপজলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ও তার সমর্থকরা একই সাথে পুষ্পস্তবক অর্পণ দিতে গেলে ঐ সময় উভয় গ্রপের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।

    এসময় নাচোল থানাপুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

    বিজয় দিবসের কর্মসূচির মধ্যে উপজেলা প্রশাসন, নাচোল উপজেলা আওয়ামীলীগের দু’গ্রপ, উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগ, পৌর যুবলীগ, মহিলা দলের সভানেত্রী, নাচোল উপজেলা বিএনপি দল, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশাসন, আনসার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, ক্ষুদ্র ও নৃতাত্বিক গোষ্ঠি, হরিজন সম্প্রদায়’র পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করে হয়।

    পরে উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি গ্রুপ, আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে সাথে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন ও শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন।

    অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের পূর্বের ভাড়া দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে সাথে জাতীয় জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন ও শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন।

    সকাল ৮টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা বঙ্গবন্ধুর মুরালে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা আওয়ামী লীগসহ সকল শ্রেণীর অঙ্গসংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    ৮টা ১৫ মিনিটে উপজেলা পরিষদ মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলণ শেষে শান্তির প্রতীক পায়রা উড়ানো, সাড়ে ৮টায় পুলিশ, আনসার-ভিডিপি ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য কুচকাউয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শণ করা হয়।

    সকাল সাড়ে ১০টায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান ও বিকেল ৩টায় সকলের অংশগ্রহণে প্রীতি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
    পরে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন নাচোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহামেনা শারমীন,
    উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের, নাচোল পৌরসভার মেয়র আব্দুর রশিদ খান ঝালু,
    সহকারী কমিশনার ভূমি মিথিলা দাস, নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ মিন্টু রহমান, সাবেক বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান, ভাইস-চেয়ারম্যান মশিউর রহমান বাবু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জান্নাতুন নাঈম মুন্নি, নাচোল সরকারী কলেজে অধ্যক্ষ শ,ম আব্দুস সামাদ, মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ওবাইদুর, রহমানসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

  • ঝিনাইদহের ব্যস্ত সড়কের উপর গাছের  ডাল পড়ে আছে মাসের পর মাস

    ঝিনাইদহের ব্যস্ত সড়কের উপর গাছের ডাল পড়ে আছে মাসের পর মাস

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ শহরের ব্যস্ততম সড়কে কড়াই গাছের বড় বড় ডাল কেটে ফেলা রাখা হয়েছে। সড়কের প্রায় অর্ধেক জুড়ে গাছের ডাল বিপজ্জনক অবস্থায় রাখা হয়েছে। প্রায় দেড় মাস ধরে প্রধান সড়কের উপর এই ডাল পড়ে থাকলেও ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের কর্তা ব্যাক্তিদের নজর নেই। ফলে যান চলাচল ও পথচারীরা চরম ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছেন। অনেক সময় ঘটছে দূর্ঘটনা। কর্তৃপক্ষ বলছেন গাছের কাটা ডালের মুল্য নিদ্ধারন কাজের জন্য ওই স্থানে ফেলে রাখা হয়েছে। মুল্য নিদ্ধারন শেষে এগুলো সরিয়ে নেওয়া হবে। যতক্ষন মুল্য নিদ্ধারন কাজ শেষ না হচ্ছে ততক্ষন সরানো যাচ্ছে না। আর এই কাজে একটু বিলম্ব হওয়ায় ডাল সরানো সম্ভব হয়নি। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ঝিনাইদহ শহরের সরকারি কবরস্থান এলাকায় হামদহ-পায়রাচত্বর সড়কের উপর একটি বড় কড়াই গাছ ছিল। এই গাছের ডাল শুকিয়ে যাওয়ায় ঝিনাইদহ জেলা পরিষদর শুকনা ডালগুলো কেটে ফেলে। কাটা ডালগুলো সড়কের উপরেই ফেলা রয়েছে। গত নভেম্বর মাসের শুরুর দিকে গাছের ডালগুলো কাটা হয়। কাটার পর ডালগুলো যেভাবে রাস্তার উপর পড়েছিল ঠিক সেভাবেই রাখা হয়েছে।র্ দেড় মাস অতিবাহিত হলেও সড়কের উপর থেকে ডাল সরানো হয়নি। এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মালেক জনান, ঝিনাইদহ শহরের অতি ব্যস্ত সড়ক এটি। শহরের বাস ট্রার্মিনাল থেকে শহরের ভেতর দিয়ে পায়রা চত্বর হয়ে হাটের রাস্তা পেরিয়ে হামদহ বাইপাসে মিশেছে সড়কটি।এই সড়কেই রয়েছে সরকারী হাসপাতাল ও সরকারী উচ্চ বালক বিদ্যালয়। রাস্তার উপর গাছের ডাল পড়ে থাকায় মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। ইজিবাইক চালক নাসির উদ্দিন জানান, এই স্থানে এসে মাঝে মধ্যেই তারা ঝুঁকির মধ্যে পড়েন। পাশ দিয়ে একটা যানবাহন চলে এলে ডাল ফেলে রাখা যায়গাটি পার হওয়া মুশকিল হয়ে যায়। স্থানীয় দোকানদার মোঃ রাসেল হোসেন জানান, দেড় মাসের অধিক সময় হয়েছে গাছের ডালগুলো কাটা হয়েছে। এই ডালের কারনে সড়কটি দিয়ে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল বিঘœ হচ্ছে। তারপরও কর্তৃপক্ষের কোনো পদক্ষেপ নেই। অথচ প্রতিদিন হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ ঝুকি নিয়ে পথ চলছেন। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, গাছের ডালগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় তারা কেটেছেন। এগুলো পথচারীদের জীবনের ঝুঁিক হয়ে পড়েছিল। কাটার পর মুল্য নিদ্ধারনের কাজ চলছে। মুল্য নিদ্ধারন হয়ে গেলেই ডালগুলো সরিয়ে নেওয়া হবে। এই জন্য একটু সময় লাগছে। তবে ২ থেকে ৪ দিনের মধ্যে সরিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করবেন বলে জানান।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • মহান বিজয় দিবসে সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত

    মহান বিজয় দিবসে সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত

    হেলাল শেখঃ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র আশুলিয়া থানা শাখা ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের উদ্যোগে ৫১তম মহান বিজয় দিবসে সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর ২০২২ইং) ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইল-আব্দুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া চৌরাস্তায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র আশুলিয়া থানা শাখা অফিসে রাত ১২ টা ১ মিনিটে ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সকল বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার আশুলিয়া থানা শাখার সভাপতি সরদার বাচ্চু মিয়া, স ালনা করেন আশুলিয়া শাখার সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম সোহাগ।
    উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা প্রেসক্লাব এর সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক আওরঙ্গজেব কামাল, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও এশিয়ান টিভি’র স্টাফ রিপোর্টার এবং আশুলিয়া প্রেসক্লাবের সফল সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম খাঁন (লিটন), বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ চিশতী, আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কহিরুল ইসলাম খাইরুল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক ইমু, সাংগঠনিক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, আরও উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দেশেরপত্র পত্রিকার ঢাকা উত্তর প্রতিনিধি দাউদুল ইসলাম নয়ন, ঢাকার ডাক পত্রিকার আশুলিয়া প্রতিনিধি নাজমুল ইসলাম, আরও উপস্থিত ছিলেন আশুলিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য শাকিল শেখ, সাংবাদিক সবুজ খান, মোকাম্মেল মোল্লা সাগরসহ বিভিন্ন ক্লাবের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
    ২০২২ইং ১৫ই ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রতি বারের মতো এ বছরও মহান বিজয় দিবস ১৬ই ডিসেম্বর উপলক্ষে বিশেষ দোয়া’র আয়োজন করেন সাংবাদিক নেতা হেলাল শেখ। ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ যাদেরকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে সেই ঘাতক খুনিদের বিচার হোক, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা শহীদ হয়েছেন, সেই সকল শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধার সাথে সকল বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করা হয়। অতিথিগণ এসময় বক্তব্যে বলেন, মানবাধিকার কর্মীসহ “সাংবাদিকদের মান উন্নয়নে করনীয়” ও “বৃহত্তর ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য”। প্রধান অতিথি ও প্রধান আলোচক এবং বিশেষ অতিথিগণ বলেছেন, যাদের রক্তের বিনিময়ে লাল সবুজের পতাকা পেয়েছি আমরা সেই মানুষদের প্রতি সম্মান জানাই। সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করি। মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিকগণ ১৯৭১ সালে বিশেষ ভুমিকা রেখেছেন, অনেক সাংবাদিক শহীদ হয়েছেন। আর যারা আপনারা ভালো কাজ করেন, আমরা আপনাদের সাথে আছি, থাকবো। এসময় নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের অধিকার ও দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন এবং দেশবাসী সবাইকে ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীগণ।
    উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে সহযোগিতা করেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র কেন্দ্রীয় অর্থ সচিব কলিম উদ্দিনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বিজয়ের ৫১ বছর ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান জানানো হয় এবং সকল বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে তাদের জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়, এসময় মাওলানা আব্দুস সাত্তার দোয়া করেন। অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, পল্লী চিকিৎসক মোশারফ হোসেন ও পারভেজসহ আরও অনেকেই।

  • র‌্যাব-১২’র পৃথক অভিযানে সিরাজগঞ্জ ও পাবনায় ১৩ লক্ষ টাকার হেরোইন এবং ৫,০১,১৬০/- টাকার জাল নোটসহ ৩ জন শীর্ষ ব্যবসায়ী আটক।

    র‌্যাব-১২’র পৃথক অভিযানে সিরাজগঞ্জ ও পাবনায় ১৩ লক্ষ টাকার হেরোইন এবং ৫,০১,১৬০/- টাকার জাল নোটসহ ৩ জন শীর্ষ ব্যবসায়ী আটক।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এর ধারাবাহিকতায় ১৫/১২/২০২২ ইং তারিখ বিকেল ০৩.৩০ ঘটিকায় গোপন সাংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২ এর স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল পাবনা জেলার সুজানগর থানাধীন ০৩ নং নাজেরগঞ্জ ইউনিয়নের অর্šÍগত রামনগর(পূর্বপাড়া) গ্রামস্থ ০১ নং আসামী মীর মঞ্জুরুল ইসলামের নিজ বাড়িতে একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫,০১,১৬০/-(পাঁচলক্ষ একহাজার একশত ষাট) টাকার জাল নোটসহ ০২ জন শীর্ষ জাল টাকা ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়া ও তাহাদের নিকট থেকে জাল টাকা তৈরির কাজে ব্যবহৃত ০১ টি ল্যাপটপ,০১ টি কালার প্রিন্টার এবং অন্যান্য সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। উল্লেখ যে ০১ নং আসামী মীর মঞ্জুরুল ইসলাম জাল টাকা তৈরির একজন দক্ষ কারিগর ও ব্যবসায়ী এবং ২ নং আসামী মোঃ আলিফ হোসেন জাল টাকা বিভিন্ন জেলায় সরবারহ করে আসছিল।

    গ্রেফতারকৃত আসামীঃ ১। মোঃ মীর মঞ্জুরুল ইসলাম(৩১), পিতা-মীর আব্দুল মালেক, সাং-রামনগর, থানা-সুজানগর, জেলা-পাবনা ২। মোঃ আলিফ হোসেন(২৪), পিতা- মোঃ শাহজাহান আলি, সাং-যয়রামপুর(মধ্যপাড়া), থানা-লালপুর, জেলা-নাটোর।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, এই জাল টাকা ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন যাবৎ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে পাবনা, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন জেলায় অবৈধ জাল টাকা সরবারহ করে আসছিল।

    গ্রেফতারকৃত জাল টাকা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম চলমান।

    ২। গত ১৫/১২/২০২২ ইং তারিখ সন্ধ্যা ৭.৪০ ঘটিকায় গোপন সাংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২ এর স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানাধীন গোলচত্বর সংলগ্ন পাঁকা রাস্তার উপর একটি মাদক উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ১৩০(একশত ত্রিশ) গ্রাম হেরোইনসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।

    গ্রেফতারকৃত আসামীঃ ১। মোঃ মজিবর রহমান (৬৬), পিতা-মৃত ইমাজ উদ্দিন, সাং-ভোবনপাড়া, থানা-গোদাগাড়ী, জেলা-রাজশাহী ।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, এই মাদক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন যাবৎ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করত জব্দকৃত আলামতসহ তাহাকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    মোঃ আবুল হাসেম সবুজ

    লেফটেন্যান্ট কমান্ডার বিএন

    ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার

    র‌্যাব-১২,সিপিএসসি,সিরাজগঞ্জ

    মোবা-০১৭৭৭৭১১২৫৮

  • মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টে মহান বিজয় দিবস ২০২২ উদযাপিত

    মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টে মহান বিজয় দিবস ২০২২ উদযাপিত

    ডেস্ক রিপোর্টঃ

    যথাযোগ্য মর্যাদা এবং ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টে মহান বিজয় দিবস ২০২২ উদযাপিত হয়েছে। মহান বিজয় দিবস ২০২২ উপলক্ষে ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত ট্রাস্টের প্রধান কার্যালয় স্বাধীনতা ভবন, মোহাম্মদপুরে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ার-১, মিরপুরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সসহ অন্যান্য ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, ধানমন্ডির ৩২ নম্বর এবং ট্রাস্টের প্রধান কার্যালয় স্বাধীনতা ভবনে অবস্থিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, স্বাধীনতা ভবন ও অন্যান্য ভবনে আলোকসজ্জা ও ব্যানার প্রদর্শন, বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিলসহ নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    ১৬ ডিসেম্বর ২০২২ শুক্রবার সকাল ৯:০০ এবং ১০:০০ ঘটিকায় যথাক্রমে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর এবং ট্রাস্টের প্রধান কার্যালয় স্বাধীনতা ভবনে অবস্থিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন হুইলচেয়ারধারী, খেতাব প্রাপ্ত ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা, মৃত খেতাব প্রাপ্ত, মৃত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যগণ এবং ট্রাস্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। সকাল ১১:০০ ঘটিকায় মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম মাহাবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা শুরু হয়। সভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন ট্রাস্ট্রের সচিব (উপসচিব) তরফদার মোঃ আক্তার জামীল। এছাড়া স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আমজাদ হোসেন, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আনোয়ার হোসেন পাহাড়ী বীরপ্রতীক , যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আব্দুল মাজেদ, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন মোল্লাসহ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাগণ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আবদুল লতিফ।

    আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিলো বাংলার মানুষের নিজের একটি দেশ হবে, সৃষ্টি হবে নিজস্ব ভূখণ্ড। শোষণের যাঁতাকলে নিষ্পেষিত বাঙালি স্বাধীন দেশে মুক্তির স্বাদ নেবে। তিনি বাঙালিকে ধাপে ধাপে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য তৈরি করেছিলেন। তার নেতৃত্বেই মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বাংলার আপামর জনসাধারণ। তাঁর স্বপ্ন সফল করতে বাঙালি ১৯৭১ সালে এক সাগর রক্ত ঢেলেছে। ৩০ লাখের বেশি প্রাণ আর লাখো নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে নিজেকে মুক্ত করেছে দীর্ঘকালের নাগপাশ আর বঞ্চনা থেকে। লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং সরকারের উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত রাখতে সকলকে একযেগে কাজ করার আহবান জানান বক্তারা।

    আলোচনা শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারবর্গ এবং মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মত্যাগকারী বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরবর্তীতে বেলা ৩:০০ ঘটিকায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর সহযোগিতায় এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের (বামুকট্রা) উদ্যোগে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্য/উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সন্ধ্যায় ট্রাস্ট প্রধান কার্যালয়সহ ট্রাস্টের অন্যান্য ভবনে আলোকসজ্জা করা হয়।

  • গোদাগাড়ীসহ উত্তরাঞ্চলে  মৌ চাষীরা বিশেষ কায়দায় মধু সংগ্রহ করছেন

    গোদাগাড়ীসহ উত্তরাঞ্চলে মৌ চাষীরা বিশেষ কায়দায় মধু সংগ্রহ করছেন

    মোঃ হায়দার আলী, রাজশাহীঃ হলুদের চাদরে ঢাকা রাজশাহীর গোদাগাড়ীসহ উত্তরাঞ্চলের ফসলের মাঠগুলো। যতদূর দৃষ্টি যায় শুধু সরিষা ফুলের হলুদ আর হলুদ। সরিষা ক্ষেতের পাশে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে মৌচাষিরা। এক হাত বৌল্লা বার হাত শিং উড়ে যায় বৌল্লা ধা তিং তিং। সে বৌল্লা দিয়ে সুস্বাদু মধু সংগ্রহে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন মৌ চাষীরা।

    এ মধু চাষ লাভজনক হওয়ায় আগ্রহ বাড়ছে স্থানীয় চাষিদের। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও স্থানীয় মৌ চাষীদের পাশাপাশি পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নাটোরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে মৌ-খামারি গোদাগাড়ীর প্রত্যন্ত অঞ্চলে সরিষা ফুল থেকে বিশেষ কায়দায় মধু সংগ্রহ করছে। তাদের সংগৃহীত এই রাজশাহী, নাটোর, বগুড়া পাবনা ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করছেন।

    পবা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, এ উপজেলায় মোট আবাদ প্রায় ২ হাজার ১শ হেক্টর। অনেক মৌচাষি মৌবাক্স স্থাপন করা হয়েছে। এ বছর তেল ফসলের আবাদ বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল তারই ধারাবাহিকতায় প্রচুর পরিমাণে সরিষা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আগামী বছর বিদেশ থেকে তেল বিশেষ করে সয়াবিন তেলের আমদানি কমবে বলে আশাবাদী। সেই সাথে এইসব সরিষার জমি থেকে মৌ বাক্স স্থাপন করে মধু সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং পরাগায়নে সহায়তা হবে সরিষার ফলন বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়।
    উপজেলার এক জায়গাতেই প্রায় ২০০ মৌলবাক্স স্থাপন করা হয়েছে। এখান থেকে প্রতি সপ্তাহে ১২ মন মধু পাওয়া যায়

    গোদাগাড়ী উপজেলার একটি সূত্র জানায়, এবছর ৭ হাজর ২শ ১০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। বারিত
    সরিষা-১৪ জাত ২ হাজার ৮শ ৪৫ হেক্টর, বারি সরিষা-১৫ জাত ২ হাজার ৬শ ৯০ হেক্টর, বারি সরিষা-১৭ জাত ২শ ৩৫ হেক্টর, এছাড়া বিনা সরিষা সহ স্থানীয় কিছু জাত চাষ হয়েছে। এছাড়া প্রতি সরিষা জমি থেকে বাড়তি আয় করতে অনেক বেকার যুবক এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকগণ মৌবাক্স স্থাপন করেছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর গোদাগাড়ী সকল ধরনের কারিগরী সহযোগিতা করছে এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করছেন। তিনি আরও বলেন, ২০ জনের মত গোদাগাড়ী উপজেলার মৌ চাষী কিছু বাহিরে থেকেও আসে। সারা বছর সরিষা আম, লিচু সরিষা থেকে প্রায় ৪/৫ টন মধু উৎপাদন হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা। এই মধু সংগ্রহ চলবে আগামী এপ্রিল পর্যন্ত।

    খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে সরিষার ভালো আবাদ হয়েছে। মধু সংগ্রহের জন্য ক্ষেতের পাশে সারিবদ্ধভাবে বসানো হয়েছে কয়েকশ মৌবাক্স। সকালে মধু সংগ্রহের জন্য খোলে দেয়া হয় মৌবাক্সগুলো। মৌমাছিরা ফুলে ফুলে বসে মধু সংগ্রহ করে বাক্সের চাকে জমা করে। আর প্রতি সপ্তাহে একবার মৌবাক্স থেকে মধু সংগ্রহ করেন মৌয়ালীরা। মেশিনের মাধ্যমে মধু সংরক্ষণ করে বাজারজাতের ব্যবস্থা করেন।

    সিরাজগঞ্জ থেকে আসা মৌ-খামারের মালিক মো. জামাল শেখ বলেন, ২০০৩ সালে আমি বাক্স নিয়ে মৌখামার শুরু করি। বর্তমানে আমি এ কাজে ভালই লাভবান হচ্ছি। হুজরাপুর এলাকার আব্দুর রাজ্জাক মাস্টার বলেন, মৌচাষী সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহ ব্যবসাটি বেশ লাভ জনক। সপ্তাহের একদিন মৌ চাষিরা বিশেষ কায়দায় মধু সংগ্রহ করেন। এখানে খাঁটি মধু পাওয়া যায়। গুনগত মান ভালো হওয়ায় ৫শ’ টাকা থেকে ৬শ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আমি ৫০০ টাকা দিয়ে ১ কেজি ক্রয় করছি।

    উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অতুনু সরকার বলেন, মধু সংগ্রহ লাভজনক হওয়ায় দিনে দিনে বেকার যুবকদের আগ্রহ বাড়ছে। মৌমাছি শুধু মধুই সংগ্রহ করে না, ফসলের জন্য ক্ষতিকারক কীটপতঙ্গ মেরে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষকদের সহায়তা করে থাকে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • বাগেরহাটে নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে পালিত হচ্ছে মহান বিজয় দিবস

    বাগেরহাটে নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে পালিত হচ্ছে মহান বিজয় দিবস

    এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট)প্রতিনিধি:বাগেরহাটে নানা কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও মহান বিজয় দিবস পালিত হচ্ছে। শুক্রবার সকালে বাগেরহাট শহরের দশানী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যে দিয়ে দিনটির শুভ সূচনা হয়। প্রথমেই বাগেরহাটের জেলা প্রশাসন মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। পরে পুলিশ সুপারসহ সরকারি প্রতিষ্ঠান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংষ্কৃতিক সংগঠন শহীদদের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এসময় বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হকসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
    বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশের অনেক অর্জন রয়েছে। দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে রয়েছে। শিক্ষা, গ্রাম গঞ্জের রাস্তাঘাটের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে পারলে বঙ্গবন্ধু যে শোষণমুক্ত সোনার বাংলা বিনির্মানের স্বপ্ন দেখতেন তা বাস্তবায়ন হবে।
    এছাড়াও বিজয় দিবসে হাসপাতাল, শিশু সদন ও কারাগারে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিজয় দিবস উপলক্ষে বাগেরহাটের সব সরকারি, আধা সরকারি ও শায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে আলোকসজ্জ্বা করা হয়েছে।
    অপরদিকে মোরেলগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে ৫২তম মহান বিজয় দিবসের কর্মসুচি শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকাল পৌনে ৭ টায় উপজেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, পৌরসভা, প্রেস ক্লাব, ফায়ার সার্ভিস, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড, উপজেলা স্কাউটস স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে।
    উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. শাহ্-ই-আলম বাচ্চু, নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. লিয়াকত আলী খান, ডা. কামাল হোসেন মুফতি, ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক, ফাহিমা ছাবুল, স্কাউট কমিশনার হোসনেয়ারা হাসিসহ সরকারি বেসরকারি সকল দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

    এ ছাড়াও সরকারি সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজ, সরকারি বালিকা বিদ্যালয়, রওশর আরা মহিলা ডিগ্রী কলেজ, জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি) টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পক্ষ হতে মুক্তিযুদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে মাল্যদান করেন।

    দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, উপজেলা হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পৃথক পৃথক কর্মসুচি পালন করছে।##

  • মহান বিজয় দিবসে বীর সৈনিকদের প্রতি ময়মনসিংহ পিবিআই পুলিশের শ্রদ্ধা

    মহান বিজয় দিবসে বীর সৈনিকদের প্রতি ময়মনসিংহ পিবিআই পুলিশের শ্রদ্ধা

    ১৬ ডিসেম্বর,২০২২ মহান বিজয় দিবসকে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষে দিনভর কর্মসূচির প্রথম প্রহরে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি
    পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)
    ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার রকিবুল আক্তার এর নেতৃত্বে বিনম্র শ্রদ্ধা জানান পিবিআই ময়মনসিংহের পুলিশ কর্মকর্তারা। শুক্রবার (১৬ডিসেম্বর) ভোরে
    ময়মনসিংহে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনা মা বোনদের প্রতি তারা এই শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।

    পিবিআই ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার রকিবুল আক্তার বলেন- দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানি বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। ফলে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামে একটি নতুন স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে এই মহান বিজয় অর্জিত হয়েছে সেইসব বীর সৈনিকদের সম্মান আর শ্রদ্ধা জানাতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।
    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণের সময় পিবিআই, ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার মোঃ রবিকুল আক্তার এর সাথে পিবিআই ময়মনসিংহের সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • তারাকান্দায় মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছে উপজেলা প্রশাসন

    তারাকান্দায় মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছে উপজেলা প্রশাসন

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহের তারাকান্দায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নানান কর্মসূচি মধ্যে দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস
    পালিত হয়েছে।

    দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক করে বীর সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান উপজেলা পরিষদ, উপজেলা আওয়ামীলীগ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এর আগে
    সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে থানা চত্বরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়।

    উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত প্রশাসনের বিভিন্ন সহ কর্মকর্তাগণকে সাথে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    একই দিনে তারাকান্দায় কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ডিসপ্লে, শারীরিক কসরত এবং উপজেলা হলরুমে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত।

    উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এড.ফজলুল হক ও ভাইস চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম নয়ন ও সালমা আক্তার কাকন।

    উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবু প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী রনু ঠাকুর ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব বাবুল মিয়া সরকার,সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদস্য মেজবাউল আলম রুবেল চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম রাজুসহ আওয়ামীলীগের সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।