Author: desk

  • শীতবস্ত্র নিয়ে শীতার্তদের পাশে শেরপুরের মানবিক  সাহেলা আক্তার

    শীতবস্ত্র নিয়ে শীতার্তদের পাশে শেরপুরের মানবিক সাহেলা আক্তার

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।
    শেরপুর লেডিস ক্লাব এর উদ্যোগে দরিদ্রদের মাঝে কম্বল বিতরন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে
    শেরপুর লেডিস ক্লাবের আয়োজনে কম্বল বিতরণ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করলে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ও লেডিস ক্লাব এর সভাপতি সাহেলা আক্তার। এসময় ৭০জন অসহায় ও ভাসমান মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

    পৌষের শুরুতেই শেরপুর জেলায় বেশ ভালভাবেই জেঁকে বসেছে শীত। দিনে সূর্যের দেখা মিললেও সন্ধ্যার পর ঘন কুয়াশা আর হিম শীতল বাতাসের এই শীতকাল সামর্থ্যবান মানুষদের কাছে বেশ উপভোগ্য হলেও অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষেরা রয়েছে নিদারুণ কষ্টে। কোনরকম ছেঁড়া বা তালিজোড়া কাপড় দিয়ে ঠান্ডা আবহাওয়ার মাঝেই শীতের এই প্রতিটি রাত কাটানো যেন তাদের কাছে দুঃস্বপ্নের মতো।

    কিন্তু এরই মাঝে জেলার সদর উপজেলায় ঘুরে ঘুরে ভাসমান ও অসহায় এই শীতার্ত মানুষগুলোর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের মাধ্যমে উষ্ণতার পরশ ছড়িয়ে দিয়েছ শেরপুর জেলা প্রশাসন। আর ঠান্ডার মাঝে হঠাৎ শীতবস্ত্র পেয়ে অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে শুধু অশ্রুসিক্ত নয়নে ধন্যবাদ জানান আয়োজকদের।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউ এনও) মেহনাজ ফেরদৌস,
    সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা জিন্নাত শহিদ পিংকি,লেডিস ক্লাব এর সদস্য মনিরা তোফায়েল,পুস্প পারভীন,শতরুপা তালুকদার সুস্মি, রিফাহ তাসনিয়া রহমানসহ লেডিস ক্লাব এর সদস্যগণ।

    এসময় জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তার জানান- শীতের শুরু থেকেই আমরা দরিদ্র জনগণের মধ্যে কম্বল বিতরণ শুরু করেছি।উপজেলা প্রশাসন থেকেও কম্বল প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। এই বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

    শীতবস্ত্র হাতে পাওয়া ভাসমান মানুষগুলোর অনুভূতি জানতে চাইলে অনেকে জানান, তাদের তিন বেলা পেট পুরে খাওয়া যখন স্বপ্ন যেখানে নেই মাথার উপরে ছাদ সেখানে প্রকৃতিও তাদের প্রতি কঠোর। প্রতি বছর যে কম্বল পায় তারা তা শীত গরম নেই সারাবছর ব্যবহার করতে হয় কারণ তা মাথার নিচে দিয়েই তো রাত কাটে তাদের। প্রতি বছর তীব্র শীতে সরকারি ও বেসরকারি অনেক মানুষ শীতবস্ত্র দিলেও এভাবে শীতের শুরুতে কেউ দেয়না তাই আবেগাপ্লুত হয়ে আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান তারা।

    এদিকে সার্বিক আয়োজন প্রসঙ্গে শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউ এনও) মেহনাজ ফেরদৌস জানান, শেরপুরের জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তার একজন আপামর মানবিক ব্যক্তিত্ব। তার উদ্যোগে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে জেলার সদর এলাকার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে শীতে শীতবস্ত্র ছাড়াও বিভিন্ন দুযোর্গকালীন সময়ে মানবিক সকল উদ্যোগ পরিচালিত হয়ে থাকে যা সত্যিই সকলকে অনুপ্রেরণা দেয়। তিনি জানান, করোনাকালীন সময়ে শত শত মানুষকে তারা খাদ্য সহায়তা প্রদানসহ ঈদ, পূজাসহ বিভিন্ন উৎসবে অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন জেলা প্রশাসন। ভবিষ্যতেও জেলা প্রশাসনের সহযোগীতা ও পরামর্শ মোতাবেক লেডিস ক্লাবের পক্ষ থেকে এমন মানবিক কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

  • গোদাগাড়ীতে ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল রানা পিতা মাদকসহ প্রেফতার

    গোদাগাড়ীতে ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল রানা পিতা মাদকসহ প্রেফতার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহেল রানার পিতা মজিবুর রহমানকে (৫৪) হেরোইনসহ গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে তার বাড়ীর সামনে থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মজিবুর রহমান উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের উজানপাড়া গ্রামের মৃত আয়েশ উদ্দিনের ছেলে।

    রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আব্দুল হাই বলেন, আমাদের কাছে পূর্ব থেকে গোপন সংবাদ ছিলো মাটিকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহেল রানার বাবা মজিবুর রহমান হেরোইন বেঁচা কেনার জন্য তার এলাকায় অবস্থান করছে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আতিক ও রুহুল আমিনের নেতৃত্বে সেখানে অভিযান চালালে তার বাড়ীর সামনে থেকে মজিবুর রহমানের কাছে থাকা ৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধারসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    ওসি আরো জানান, আমাদের কাছে তথ্য ছিলো আরো বেশী পরিমাণে হেরোইন আছে তবে তার কাছে পাওয়া যায়নি।যে পরিমাণ পাওয়া গেছে তা দিয়েই গোদাগাড়ী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং ৩২।

    গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম রাত সাড়ে ১০ টার দিকে জানান, রাজশাহী জেলা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানি তবে থানায় এখনো দেয়নি ডিবি পুলিশ।

    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক ও প্রকৃত ভালো কর্মী হওয়া এতো সহজ নয়

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক ও প্রকৃত ভালো কর্মী হওয়া এতো সহজ নয়

    হেলাল শেখঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক বা ভালো কর্মী হওয়া এতো সহজ নয়। বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাস জানতে হলে বেশি বেশি বই পড়তে হবে। ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শুভ জন্মদিন এবং ১৫ আগস্ট মৃত্যু বার্ষিকী। বিশেষ করে একটি কথা হলো শক্রমুক্ত হোক দেশ স্বাধীনতা সে আমার-স্বজন হারিয়ে পাওয়া একমাত্র স্বজন, স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রিয় মানুষগুলোর রক্তে কেনা অমূল্য ফসল লাল সবুজের পতাকা। একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতা। বাংলাদেশের স্থপ্রতি বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ ও দেশের জন্য মরতে পারি প্রয়োজনে মহারণ, তবুও শক্রমুক্ত হোক বাংলাদেশ থেকে, এই কথাগুলো আমরা ভুলতে পারি না, যা শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন তা এখন ইতিহাস।
    পূর্ব থেকে পশ্চিমে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পতাকা বুকে নিয়ে ঐক্যে সেদিন গোটা দেশ, একটি কথা একটি আশা শক্রমুক্ত হবে বাংলাদেশ। লাখো মায়ের আহাজারি, স্বাধীনতা তোমার লাগি ঝড়ছে পাহাড় পরিমাণ রক্ত, কত অশ্রুবারি হয়েছে বাংলার মানুষের। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে গড়লো যারা নতুন দেশ, তারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, তাদের রক্তে আজ এই বাংলাদেশ স্বাধীন। আমরা পেয়েছি লাল সবুজের পতাকা। দেশ ও জাতির স্বার্থে যারা কাজ করেছেন, যারা স্বাধীনতার জন্য হাসি মুখে জীবন দিয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, আর যারা রাজনৈতিক ফায়দা নিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ভাংচুর করে এবং অপমান করে আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, বর্তমানে বাংলাদেশে নেতার অভাব নেই কিন্তু প্রকৃত ভালো কর্মীর অভাব।
    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক হয়ে অনেকেই ফেসবুক নেতা, ফেসবুক সাংবাদিক বনে গেছেন, তারা বেশিরভাগ ব্যক্তি যা পায় তাই খায়, দলের শীর্ষ নেতা ও পুলিশ অফিসারের সাথে ছবি তুলে সেই ছবি দেখিয়ে দুষ্টুলোকগুলো ফায়দা নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর করে বিভিন্ন ফায়দা নিতে যারা চেষ্টা করছে, সঠিকভাবে তাদেরকে শনাক্ত করাসহ তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হোক। সবখানে সিন্ডিকেট করে কোটি কোটি টাকার অবৈধ কারবার করছে কিছু নেতা ও জনপ্রতিনিধি-এতে জটিলতা সৃষ্টি করছে তারা। কিছু প্রভাবশালীরা অবৈধ কর্মকান্ড পরিচালনা করতে কিছু শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ও ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে ফায়দা লুটছে। তাদের মুখে বঙ্গবন্ধুর নাম মানায় না, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক বা প্রকৃত কর্মী হওয়া সহজ বিষয় না। শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের যারা হত্যা করেছে তাদের বাংলার মাটিতে কঠিন শাস্তি দাবি করছি।
    শেখ মুজিবুর রহমানসহ মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকারের মধ্যদিয়ে জাতীয় দিবসগুলো পালন করে আসছে জাতি। সবাইকে বাংলাদেশের ইতিহাস জানা দরকার। বাংলাদেশের নাম লেখা হতো না, লাল সবুজের পতাকা উঁড়তো না, যদি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে এই দেশ স্বাধীন না হইতো। ইতিহাস পড়–ন, দেশ ও জাতির সম্পর্কে সবকিছু জানুন, শেখ মুজিবুর রহমানের কেমন নীতি ছিলো, কেমন মানুষ ছিলেন তিনি। কোথায় প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে? ইতিহাস কি বলে?, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সভায়, ২ মার্চ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান নায়ক হিসেবে বলা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।
    বিশেষ করে ২৪তম বিসিএস ২০০৩ সালের ১২২ পাতায় কম্পিউটার বিসিএস প্রিলিমিনারী গাইডের সুত্র: বাংলাদেশের মোট জমির পরিমাণ ৩কোটি ৬৬ লক্ষ ৭০ হাজার একর। বাংলাদেশে মাথাপিছু আবাদী জমির পরিমাণ প্রায় ২৫ একর (২৫শতাংশ)। বাংলাদেশের মোট শ্রমশক্তির কতভাগ লোক কৃষি কাজে নিয়োজিত, তা আমরা অনেকেই জানিনা। তথ্যমতে প্রায় ৬৬ভাগ মানুষ কৃষি কাজ করেন, কিন্তু আবাদী জমিতে বাড়ি ঘর ইটভাটা ও কল কারখানা হওয়ায় এখন ফসলি জমি কমে যাচ্ছে। প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে। এরপর ২০০২ সালে ৪র্থ কৃষি শুমারি হয় এরপর ২০২২ সালে। কৃষি জমি ও কৃষকের উন্নয়নের জন্য ২০০০ সাল পর্যন্ত মহাপরিকল্পনা নেয়া হয় কিন্তু দেশের রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ বা সেতু নির্মাণ করছে সরকার-এতে তেমন কোনো সমস্যা হচ্ছে না, এতে যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত হচ্ছে, শেখ মুজিবুর রহমান এর স্বপ্ন বাস্তবায়ন হচ্ছে। তথ্যমতে কয়েক বছর আগেও বাংলাদেশে জনসংখ্যা ছিলো মাত্র ৭ কোটি, যা বর্তমান ২০২২ইং সালে প্রায় ১৮ কোটির মতো। মানুষের খাদ্য বস্ত্র ও চিকিৎসা সেবা সঠিকভাবে চলছে।
    বর্তমানে উন্নয়নমুখী সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার দলের নেতাকর্মীরা দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন, এরইজন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার। ধন্যবাদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা দেশরতœ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। লিখতে গিয়ে থামতে মন চায় না, শেখ মুজিবুর রহমান তোমাকে আমরা ভুলিনি আর কোনদিন ভুলবো না। সারাদেশে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, জাতীয় শ্রমিকলীগ ও শ্রমিক সংগঠনসহ আওয়ামী সহযোগি সংগঠনের সকল নেতাকর্মীসহ বাঙ্গালি জাতি জাতীয় শোক দিবস ও বিজয় দিবস পালন করে যাচ্ছেন, সবাইকে ধন্যবাদ। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জানা যাবে কারা প্রকৃত ভাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক ও প্রকৃত কর্মী?। কারা নৌকা মার্কার বিজয়ের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

  • আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা মার্কার পক্ষে গণসংযোগে নেতাকর্মীসহ জনতার ঢল

    আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা মার্কার পক্ষে গণসংযোগে নেতাকর্মীসহ জনতার ঢল

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার ৪নং ইয়ারপুর ইউনিয়ন উপ-নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ডের জামগড়া এলাকায় নৌকা মার্কার পক্ষে নির্বাচনী গণসংযোগে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও জনতার ঢল মানুষের চোখে পড়ার মতো।
    রবিবার (১৮ ডিসেম্বর ২০২২) বিকেলে ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন উপ-নির্বাচনে ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মোশারফ হোসেন মুসা’র নৌকা মার্কার পক্ষে মাঠে সরাসরি প্রচারণায় অংশগ্রহণ করছেন সাভার পৌরসভার মেয়র হাজী আব্দুল গনি, ঢাকা জেলা শ্রেষ্ট করদাতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া, সাভার উপজেলা আওয়ামীলীগ, আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগ ও ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, থানা যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ হাজার হাজার মানুষ এই গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন।
    আশুলিয়ার ৪নং ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা মোশারফ হোসেন মুসা’র সাথে উক্ত গণসংযোগে অংশগ্রহণ করেন আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার-আওয়ামীলীগ নেতা হাজী হালিম মৃধা, আশুলিয়া শাখার ইয়ারপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সফল সভাপতি নুরুল আমিন সরকারসহ দলীয় নেতা কর্মীগণ এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ নৌকা মার্কার প্রচারণা গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন। তারা ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের প্রতিটি এলাকায় নৌকা মার্কার পক্ষে গণসংযোগ করে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
    ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন উপ-নির্বাচনে নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী মোল্লা মোশারফ হোসেন মুসা বলেন, আমি নৌকা মার্কার সবার কাছে ভোট চাই, সেই সাথে সবার কাছে দোয়া কামনা রইলো। আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এলাকার রাস্তা-ঘাট ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য দ্রুত কাজ করার চেষ্টা করবো। তিনি আরও বলেন, ই্য়ারপুর ইউনিয়নের কিছু এলাকায় বৃষ্টি না হলেও রাস্তায় প্রায় সময় পানি জমে থাকে, বৃষ্টি হলেতো প্রায় সময়কাল ধরে রাস্তায় হাটু পানি হয়ে যায়। এলাকার নয়নজুলি খালটিও প্রভাবশালীদের দখলে রয়েছে বলেও তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, আমি চেয়ারম্যান হলে নয়নজুলি খালটি উদ্ধার করাসহ এসব সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করবো। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর মার্কা নৌকা মার্কা, আওয়ামী লীগের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মার্কা-নৌকা মার্কা, আমাকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জনগণের সেবা করার সুযোগ দিন, আমি ইয়ারপুরবাসীর সেবা করতে চাই, আমাকে একটিবার সুযোগ দিন, আমি নৌকা মার্কায় ভোট চাই।
    সাভার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, আশুলিয়ার ৯টি ওয়ার্ডের ৪২টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর ২০২২ইং তারিখে। উক্ত ইয়ারপুর ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ৮৬ হাজার ৩৬১জন, যার মধ্যে পুরুষ ৪৫ হাজার ৮৯০জন ও নারী ভোটার ৪০ হাজার ৪৭১জন। তিনি আরও বলেন, আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে কাজ করে যাচ্ছি। ইয়ারপুর ইউনিয়নের তিনবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমেদ ভুঁইয়া মাষ্টার সাহেব গত (২৮ অক্টোবর ২০২২ইং) মৃত্যুবরণ করায় উক্ত ইউনিয়নে উপ-নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

  • প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে পাইকগাছায় অবাধে চলছে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরী

    প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে পাইকগাছায় অবাধে চলছে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরী

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা)।।
    খুলনার পাইকগাছায় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে অবাধে চলছে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরীর কারখানা। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পরেও যেন নড়েচড়ে বসেছে কয়লা কারখানার মালিকরা। অবৈধ কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরীর চুল্লি গগে ওঠায় পরিবেশ বিপর্যয় তৈরি হচ্ছে। এ নিয়ে গত ২৫/২৬ ফেব্রুয়ারী গনমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।খবর প্রকাশে সংশ্লিষ্ঠ প্রশাসন পরিবেশ সুরক্ষায় উপজেলার চাঁদখালী অবৈধ কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরীর কারখানা বন্ধ করতে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
    অবৈধ চুল্লি ধ্বংস বা বন্ধে অভিযান পরিচালনা করেন খুলনা বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রট মো. আসিফুর রহমান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম।এসময়ে ৬৯টি চুল্লির মধ্যে স্কেভেটর দিয়ে ৫টি ধ্বংস করা হয়েছিলো। বাকী কয়লা চুল্লি গুলো বন্ধ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়। মানবিক কারনে ১ মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ কার্যক্রম বন্ধ ও অপসারণ করার শর্তে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবু শাহাজাদা ইলিয়াস সুপারিশ করায় কর্তৃপক্ষ বিবেচনায় নেন।এক মাস অতিবাহিত হওয়ার পরেও বন্ধ হয়নি কয়লার চুল্লি, আবারও নড়েচড়ে বসেছেন মালিকপক্ষ।
    জানাযায়,একটি চুল্লিতে প্রতিবার ২০০ থেকে ৩০০ মন পর্যন্ত কাঠ পোড়ানো হয়। প্রতিবার কমপক্ষে ২৫ হাজার মন কাঠ পোড়ানো হয়। প্রতিমাসে প্রত্যেকটি চুল্লিতে ৩ থেকে চারবার কাঠ পুড়িয়ে কয়লা করা হয়। ফলে প্রতিমাসে কয়লার চুল্লিতে ৮০ হাজার থেকে ১ লক্ষ মন কাঠ পোড়ানো হয়। ফলে ধ্বংস হচ্ছে প্রাকৃতি সহ সামাজিক বন। মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশের। বিষাক্ত ধোঁয়ায় এলাকায় বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন, প্রকৃতি ধ্বংসসহ মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে থাকলেও অদৃশ্য কারনে এতদিন কর্তৃপক্ষ্য নিরব ছিলো। অধিক লাভজনক হওয়ায় সবদিক ম্যানেজ করে এই অবৈধ ব্যবসায় নেমে পড়েছেন এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি।
    স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, চুল্লির কারনে রাস্তা দিয়ে চলা যায় না। চোখ জ্বালা করতে থাকে।দম বন্ধ হয়ে আসে। এ সকল কাঠ কয়লার চুল্লির বিষাক্ত ধোঁয়ার কারনে পথচারী সহ পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোতে বসবাস করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।বিশেষ করে চোখের বিভিন্ন সমস্যা সহ শ্বাসতন্ত্র জনিত সমস্যা যেন লেগেই থাকে। চুল্লি মালিকরা সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।
    কাঠের চুল্লিতে ব্যবহার, অধিক জনসংখ্যার চাপ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বন উজাড় হচ্ছে। বনজ সম্পদ রক্ষা করা না হলে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটবে, যার প্রভাব পড়বে প্রকৃতিতে। দিনের পর দিন এমনি ভাবে বনজ সম্পদ কেটে চলেছে যার কারণে পরিবেশ আজ বিপর্যয়ের মুখে।
    কয়লা চুল্লির মালিক মিঠু’র কাছে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের বলেন কোন ব্যবসা বৈধ নয় সব ব্যবসায় অবৈধ, আমরা গরীব মানুষ সামান্য ছোট পরিসরে ব্যবসা করি।আমরা কোনো শিল্পপতি না।
    খুলনা বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (সিনিয়ার সহকারী সচিব) মোঃ আসিফুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছি ঐখানে নতুন করে আরো কিছু চুল্লি তৈরি হয়েছে। আমরা গতবার যখন অভিযান চালাই আমরা অনেক বাধার সম্মুখীন হয়েছিলাম।কিছু নারীরা আমাদেরকে বাধা সৃষ্টি করেছিলো। আমারা অতিশীঘ্রই অভিযান চালাবো এবং এমন ভাবে প্রস্তুতি নিয়ে যাবো, যে সবগুলো ভেঙ্গে দিতে পারবো।
    পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম বলেন,৬৯ টি কাঠপুড়িয়ে কয়লা তৈরীর চুল্লির ভিতরে স্কেভেটর দিয়ে ৫টি ধ্বংস করা হয়েছিলো বাকিগুলো মানবিক দৃষ্টিতে তাদেরকে এক মাস সময় দিয়েছিলাম সমস্ত কাঠের চুল্লি অপসারণ করার জন্য কিন্তু এখনো পর্যন্ত তারা অপসারণ করেনি।আমরা ইতিমধ্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি খুব দ্রুতই পূনরায় অভিযান চালাবো এবং সবগুলো চুল্লি অপসারণ করাবো।পরিবেশ অধিদপ্তর কে বার্তা পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছি।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • র‌্যাব-১২’র পৃথক অভিযানে ৩ জন  মাদক ব্যবসায়ী আটক

    র‌্যাব-১২’র পৃথক অভিযানে ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম অধিনায়ক, র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ মহোদয়রে দিক নির্দেশনায় ১৮/১২/২০২২ ইং তারিখ বিকাল ৪.৩০ ঘটিকায় লেফটেন্যান্ট কমান্ডার বিএন মোঃ আবুল হাশেম সবুজ এর নেতৃত্বে র‌্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানাধীন রেলওয়েষ্টেশন এর বিপরিত পার্শ্বে সিরাজগঞ্জ হইতে ঢাকা মুখী হাইওয়ে পাকা রাস্তার উপর একটি মাদক বিরোদ্ধী অভিযান চালিয়ে ১৪৪ (একশত চুয়াল্লিশ) বোতল ফেন্সিডিলসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।

    গ্রেফতারকৃত আসামীঃ ১। মোঃ সাব্বির হোসেন(২২), পিতা- মোঃ মৃত মোবারক হোসেন, আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু ২। মোঃ সবুজ ইসলাম(১১) ,পিতা-মৃত শাহিন উভয় সাং-মারাধার, থানা- হরিপুর, জেলা-ঠাকুরগাঁ।

    গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করত উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাহাদেরকে সিরাজগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    ২। মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম অধিনায়ক, র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ মহোদয়রে দিক নির্দেশনায় ১৮/১২/২০২২ ইং তারিখ সন্ধ্যা ৭.৩০ ঘটিকায় লেফটেন্যান্ট কমান্ডার বিএন মোঃ আবুল হাশেম সবুজ এর নেতৃত্বে র‌্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন মালশাপাড়া এলাকায় একটি মাদক বিরোদ্ধী অভিযান চালিয়ে ২৭(সাতাশ) বোতল ফেন্সিডিল এবং এবং ০৪(চার) পিচ ইয়াবাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।

    গ্রেফতারকৃত আসামীঃ মোঃ মাহমুদুল হক মামুন(৩৭), পিতা- মোঃ আব্দুল হক, গ্রাম-মালশাপাড়া (এস বি ফজলুল হক রোড), থানা ও জেলা- সিরাজগঞ্জ।

    গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করত উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাহাকে সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, এই মাদক ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন যাবৎ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    স্বাক্ষরিত…….

    মোঃ আবুল হাসেম সবুজ

    লেফটেন্যান্ট কমান্ডার বিএন

    ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার

    র‌্যাব-১২,সিপিএসসি,সিরাজগঞ্জ

    মোবা-০১৭৭৭৭১১২৫৫

  • মালদ্বীপে বাংলাদেশ দূতাবাসে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস অনুষ্ঠিত

    মালদ্বীপে বাংলাদেশ দূতাবাসে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস অনুষ্ঠিত

    মোঃ আবদুল্লাহ কাদের, মালদ্বীপ থেকে ঃ- এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়ঃ “থাকব ভালো, রাখব ভালো দেশ, বৈধপথে প্রবাসী আয়-গড়ব বাংলাদেশ”।
    শনিবার (১৮ ডিসেম্বর) ২০২২ স্থানীয় সময় সকাল ১১ টায় মালদ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশনারে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ হাইকমিশনারের কল্যাণ সহকারী আবদুল্লাহ আল মামুন পাঠান। শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলওয়াত করেন মাওলানা মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার রিয়াল এডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ।

    অনুষ্টানে রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীর বানীসমূহ পাঠ করেন যথাক্রমে বাংলাদেশ দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব মোঃ মিজানুর রহমান ভূঁইয়া, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আব্দুস সালাম, মিস শিরিন ফারজানা ও কনস্যুলার সহকারী মোঃ ইবাদ উল্লাহ।
    অনুষ্ঠানে হাইকমিশনের দূতালয় প্রধান (শ্রম সচিব) মোঃ সোহেল পারভেজ স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন, তিনি তার বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের প্রবাসে বাংলাদেশীদের কর্মসংস্থানের উদ্যেগ শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করেন। তিনি প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রালয় ও এর অধীনস্থ সংস্থাসমূহের প্রবাসীদের বিভিন্ন উল্লেখ্যযোগ্য সেবা সমূহ যেমন প্রবাসীদের সন্তানদের শিক্ষা বৃত্তি, প্রতিবন্দ্বী সন্তানের বৃত্তি, চিকিৎসা সহায়তা, মৃতদেহ দেশে প্রেরণ, মৃত ব্যক্তির ক্ষতিপূরণ, দক্ষ জনশক্তি গঠনে বিটিসি কর্তৃক প্রশিক্ষন, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ঋন ইত্যাদি বিষয় তুলে ধরেন। এছাড়া মালদ্বীপে বাংলাদেশের ভাবমূর্তী উজ্জল করতে সকলকে বৈধভাবে কাজ করা ও বৈধ ভাবে রেমিটেন্স প্রেরণের জন্য অনুরোধ করেন।

    উল্লেখ্য আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসে প্রবাসী বাংলাদেশীদের পক্ষ হতে বক্তব্য প্রদান করেন ন্যাশনাল ব্যাংক মানি ট্রান্সফার এর সিইও জনাব মাসুদুর রহমান, ভিউ কনস্ট্রাকশন প্রাঃ লিঃ এর চেয়ারম্যান জনাব দুলাল হোসেন ও রেডক্রিসেন্ট এর সদস্য জনাব কামাল হোসেন। তারা প্রবাসীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা, প্রবাসে হয়রানি রোধ ও বৈধ পথে রেমিটেন্স প্রেরণের ইত্যাদি বিষয়ে গুরত্বারোপ করেন।
    প্রধান অতিথি বাংলাদেশ হাইকমিশনার রিয়াল এডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ বক্তব্যে প্রধান করে বলেন মহান বিজয়ের মাসে “আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস-২০২২“ এর শুভক্ষনে প্রবাসে থাকা সকল অভিবাসী ও তাঁদের পরিবারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিন্দন জানান। তিনি আরও বলেন অভিবাসীরা নিজদেশ ছাড়াও প্রবাসে সমান গুরুত্বপূর্ন। তারা নিজ দেশ ছাড়াও অন্যদশের অর্থনিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি প্রবাসীদের বৈধ ভাবে রেমিটেন্স প্রেরণের মাধ্যমে দেশ গঠনে অংশগ্রহনের আহবান জানান। তিনি এসময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয় ও প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক স্থাপনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

    আলোচ্য আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষ্যে সচেতনামূলক একটি ভিডিও ক্লিপ প্রদর্শন করা হয়।

    পরিশেষে বাংলাদেশ দূতাবাসের মিশনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী উপস্থিত ছিলেন।

  • বানারীপাড়ায় এমপি শাহে আলমের মায়ের  মৃত্যুতে দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় এমপি শাহে আলমের মায়ের মৃত্যুতে দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিবেক। সোমবার ১৯ ডিসেম্বর বাদ আসর বানারীপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বরিশাল -০২ আসনের এমপি মোঃ শাহে আলমের মা রিজিয়া বেগমের মৃত্যুত দোয়া ও মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া অনুষ্ঠানে যোগ দেন বরিশালের ডিআইজি এসএম আখতারুজ্জামান, বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি এ্যড: তালুকতার মো: ইউনুস, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হাবিবুর রহমান খান, বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড: সুভাষ চন্দ্র শীল, উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ সভাপতি মোঃ গোলাম ফারুক, সম্পাদক মাওলাদ হোসেন সানা, সাবেক সভাপতি গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা, উজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, দলীয় সভাপতি, সম্পাদক সহ বানারীপাড়া ও উজিরপুর আওয়ামীলীগ সহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, কর্মকর্তাবৃন্দ এবং মরহুমার আত্মীয় স্বজন সহ দলীয় কর্মীবৃন্দ। দোয়া ও মিলাদে মুনাজাত পরিচালনা করেন বরিশাল এবায়দুল মসজিদের পেশ ইমাম।#

  • শোক সংবাদ পীরগঞ্জে- বীর মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহিম খান আর নেই

    শোক সংবাদ পীরগঞ্জে- বীর মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহিম খান আর নেই

    আবু জাহেদ, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার সাবেক বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইব্রাহিম খান (৭০) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি উপজেলার রঘুনাথপুর ৪নং ওয়ার্ডের মুন্সিপাড়া স্থায়ী বাসিন্দা। গতকাল রবিবার সকাল সাড়ে সাতটায় দিনাজপুর আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে ও আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসারে নেতৃত্বে পুলিশের একদল চৌকস সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার দেন। গত রবিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে পীরগঞ্জ পাবলিক ক্লাব মাঠে জানাজা শেষে পীরডাঙ্গী কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়। তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

    আবু জাহেদ
    পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও

  • কচাকাটায় নারীবান্ধব শিক্ষা নিশ্চিতে সিএসও নেটওয়ার্কের উদ্যোগে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    কচাকাটায় নারীবান্ধব শিক্ষা নিশ্চিতে সিএসও নেটওয়ার্কের উদ্যোগে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    কুড়িগ্রাম নাগেশ্বরীর কচাকাটায় নারীবান্ধব শিক্ষা নিশ্চিতে সিএসও নেটওয়ার্কের উদ্যোগে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল জাপানের অর্থায়নে ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কারিগরী সহায়তায় ইএসডিও কর্তৃক বাস্তবায়নকৃত জেন্ডার রেসপন্সিভ স্কুল এন্ড কমিউনিটি সেফটি ইনিশিয়েটিভ (জিআরএসসিএসআই) প্রকল্পের আওতায় শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) দিনব্যাপি কচাকাটা বহুমূখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে উক্ত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নাগেশ্বরী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আমিনা বেগম অনন্যা। আরও বক্তব্য রাখেন ইএসডিও প্রকল্প ম্যানেজার গোলাম ফারুক, কচাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাদত হোসেন মন্ডল, বল্লভের খাস ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম আব্দুর রাজ্জাক, কচাকাটা থানা শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দুস সফিক সরকার,কবি আব্দুস সালাম,কচাকাটা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুজ্জামান কবীর,মাদারগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাফী প্রমূখ। কর্মশালায় দুর্যোগ প্রবণ এলাকার শিক্ষার্থীদের দুর্যোগ বিষয়ে অধিক দক্ষতা অর্জন, নারী বান্ধব শিক্ষা নিশ্চিত ও বিদ্যালয় নিরাপত্তা পরিকল্পনা বান্তবায়নের লক্ষ্যে আলোকপাত করা হয়। কর্মশালায় স্থানীয় সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষক প্রতিনিধি, সংবাদকর্মী, শিক্ষার্থী, জনপ্রতিনিধি অংশগ্রহন করেন।