Author: desk

  • ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচনে নৌকা মার্কার পক্ষে বক্তব্য দিচ্ছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রোমান ভুঁইয়া

    ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচনে নৌকা মার্কার পক্ষে বক্তব্য দিচ্ছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রোমান ভুঁইয়া

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার ৪নং ইয়ারপুর ইউনিয়ন উপ-নির্বাচনে ইয়ারপুরের গোরাট স্কুল মাঠে উঠান বৈঠকে নৌকা মার্কার নির্বাচনী প্রচারণায় ভোট চেয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন তিনবার ঢাকা জেলা শ্রেষ্ট করদাতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া।
    রবিবার (২৫ ডিসেম্বর ২০২২) বিকেলে ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের গোরাট স্কুল মাঠের উঠান বৈঠকে বক্তব্য দিচ্ছেন তরুণ নেতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া। এসময় তার বক্তব্যে ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন মুসা’র নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে এলাকাবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন।
    ঢাকার আশুলিয়ার ৪নং ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মোশারফ হোসেন মুসা নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইয়ারপুরের গোরাট স্কুলে উঠান বৈঠকে বক্তব্য দিয়ে তার নৌকা মার্কায় ভোট চেয়েছেন, এরপর রাতে তিনি একাধিক এলাকায় প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেন। আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ নৌকা মার্কার প্রচারণায় উপস্থিত থেকে ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন এবং দোয়া চেয়ে যাচ্ছেন। তারা ইয়ারপুর ইউনিয়নের প্রতিটি এলাকার মানুষের কাছে গিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট প্রার্থনা করছেন।
    উক্ত উঠান বৈঠকে সাভার উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন খান, আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহ্বায়ক কবির হোসেন সরকার, ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ড মেম্বার হাজী হালিম মৃধাসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক যুবলীগ নেতা আরিফ মাদবরসহ স্থানীয় কয়েক হাজার এলাকাবাসী।
    ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন উপ-নির্বাচনে নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশারফ হোসেন মুসা বলেন, আমি নৌকা মার্কায় ভোট চাই, সেই সাথে সবার কাছে দোয়া কামনা করছি। তিনি আরও বলেন, আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এলাকার রাস্তা-ঘাট ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য কাজ করবো। তিনি আরও বলেন, ই্য়ারপুর ইউনিয়নের কিছু এলাকায় বৃষ্টি না হলেও রাস্তায় সবসময় পানি জমে থাকে আমি চেয়ারম্যান হলে এসব সমস্যা থাকবে না। আমি চেয়ারম্যান হলে নয়নজুলি খালটি উদ্ধার করাসহ এসব সমস্যা সমাধান করবো। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর মার্কা নৌকা মার্কা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মার্কা-নৌকা মার্কা, আমাকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জনগণের সেবা করার সুযোগ দিন, আমি ইয়ারপুরবাসীর সেবা করতে চাই, আমাকে একটিবার সুযোগ দিন, আপনারা সবাই ভোট দিলে আমি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবো ইনশাআল্লাহ।
    সাভার উপজেলা নির্বাচন অফিসার রফিকুল ইসলাম জানান, আশুলিয়ার ৯টি ওয়ার্ডের ৪২টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলবে ২৯ ডিসেম্বর ২০২২ইং তারিখে। উক্ত ইয়ারপুর ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ৮৬ হাজার ৩৬১জন, এর মধ্যে পুরুষ ৪৫ হাজার ৮৯০জন ও নারী ভোটার ৪০ হাজার ৪৭১জন। তিনি আরও বলেন, আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে কাজ করে যাচ্ছি। ইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমেদ ভুঁইয়া মাষ্টার গত (২৮ অক্টোবর ২০২২ইং) মৃত্যুবরণ করায় উক্ত ইউনিয়নে উপ-নির্বাচন ঘোষণা করা হয়।

  • পিতার পাশেই চিরনিদ্রায় সাহিত হলেন বিএনপি নেতা আরেফিন

    পিতার পাশেই চিরনিদ্রায় সাহিত হলেন বিএনপি নেতা আরেফিন

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ;
    পিতার পাশে চির নিদ্রায় সাহিত্ হলেন বিএনপি নেতা আব্দুর রশিদ আরেফিন পঞ্চগড় উপজেলার ময়দানদিঘী ইউনিয়নের পাথারাজে বাড়ির পাশের গোরস্থানে । হাজার হাজার বিএনপি নেতাকর্মী জানাযার শরিক হয়ে চোখের জলে শেষবারের মতো বিদায় দিলেন প্রিয় নেতাকে গতকাল শনিবার
    দুপুরে পঞ্চগড় জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘণ্টাব্যাপি সংঘর্ষে পুলিশ বিএনপি নেতা-কর্মীদের দিকে লক্ষ্য করে প্রায় শতাধিক রাবার বুলেট, টিয়ারশেল এবং কাদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ। প্রাণ রক্ষাতে বিএনপির নেতারাও ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে বলে জানা যায় এতে পুলিশ বিএনপি ৫০ নেতাকর্মী আহত হন। নিহত আরফিনের স্ত্রী বলেন আমি বিএনপি’র কর্মসূচিতে যাচ্ছি এটাই শেষ কথা ছিল নিহতর ছোট ভাই এডভোকেট লিটন জানান আমার ভাইয়ের মৃত্যুর বিচার সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে চাই। এ বিষয়ে পঞ্চগড় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব কেন্দ্রীয় নেতা ফরাদ হোসেন আজাদ বলেন সব পুলিশ খারাপ নন কিছু অতি উৎসাহী পুলিশের কারণে এই ঘটনা ঘটে আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
    মহম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়

  • জাতীয় মাছ ইলিশ ও কিছু কথা

    জাতীয় মাছ ইলিশ ও কিছু কথা

    লেখকঃ মোঃ হায়দার আলীঃ প্রখ্যাত লেখক হুমায়ূন আহমেদ পদ্মার ইলিশ চেনার একটি মোক্ষম উপায় বােল দিয়েছেন আমাদের। ইলিশ রান্নার একটি বইয়ের ভূমিকা লিখতে গিয়ে সেখানে তিনি লিখেছেন- ইলিশ দ্রুত বেগে ছুটতে গিয়ে পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীর উপর নির্মিত হার্ডিঞ্জ ব্রিজের স্প্যানে ধাক্কা খেয়ে ওদের নাক বোঁচা হয়ে যায়। আর নাক ভাঙা সেই ইলিশগুলোই নাকি আসল পদ্মার ইলিশ। ইলিশের প্রতিটি ঝাঁকে কম করে হলেও এক-দুই লাখ মাছ থাকে। অনেক সময় আরো বেশিও থাকতে পারে। এখন তো ইলিশের খরা চলছে।

    কবি সতেন্দ্রনাথ দত্ত ১৯১৫ সালে একটি কবিতা লিখেছিলেন- হালকা হাওয়ায় মেঘের ছাওয়ায়/ইলশে গুঁড়ির নাচ/ইলশে গুঁড়ির নাচন দেখে/নাচছে ইলিশ মাছ। এই ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি নামটা কিন্তু এমনি এমনি হয়নি। অতি সামান্য ঝিরঝিরে বৃষ্টির মধ্যে নদীর পানির সঙ্গে মিশে থাকা ইলিশের একমাত্র খাদ্য ফাইটো প্লাঙ্কটন (সবুজ শ্যাওলা জাতীয় উদ্ভিদ) পানির উপরের স্তরে ভেসে ওঠে। আর সেগুলো খেতে ইলিশের ঝাঁকও উঠে আসে নদীর উপরে। পদ্মার ইলিশের স্বাদ অতুলনীয় হওয়ার মুখ্য কারণটিই হচ্ছে, বর্ষা-মৌসুমে এই সবুজ শ্যাওলা জাতীয় উদ্ভিদ পদ্মা নদীতে পাওয়া যায় সবচেয়ে বেশি।

    ইলিশ (বৈজ্ঞানিক নাম:Tenualosa ilisha) বাংলাদেশের জাতীয় মাছ। এটি একটি সামূদ্রিক মাছ, যা ডিম পাড়ার জন্য বাংলাদেশ ও পূর্ব ভারতের নদীতে আগমন করে। বাঙালিদের কাছে ইলিশ খুব জনপ্রিয়। এ ছাড়াও ইলিশ খাদ্য হিসেবে ভারতের বিভিন্ন এলাকা যেমন, পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা, ত্রিপুরা, আসামেও অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মাছ। ২০১৭-এ বাংলাদেশের ইলিশ মাছ ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

    বাংলা ভাষা, ভারতের আসাম এর ভাষায় ‘ইলিশ’ শব্দটি পাওয়া যায় এবং তেলেগু ভাষায় ইলিশকে পোলাসা (তেলুগু: పులస Pulasa বা Polasa) আখ্যায়িত করা হয়। পাকিস্তানের সিন্ধ ভাষায় বলা হয় (সিন্দু: پلو مڇي Pallu Machhi), ওড়িয়া ভাষায় (ওড়িয়া: ଇଲିଶି Ilishii) গুজরাটে ইলিশ মাছ মোদেন (স্ত্রী) বা পালভা (পুরুষ) নামে পরিচিত। ইলিশ অর্থনৈতিক ভাবে খুব গুরুত্বপূর্ণ গ্রীষ্মমন্ডলীয় মাছ। বঙ্গোপসাগরের ব-দ্বীপাঞ্চল, পদ্মা-মেঘনা-যমুনা নদীর মোহনার হাওরে থেকে প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে ইলিশ মাছ ধরা হয়। এটি সামুদ্রিক মাছ কিন্তু এই মাছ বড় নদীতে ডিম দেয়। ডিম ফুটে গেলে ও বাচ্চা বড় হলে (যাকে বাংলায় বলে জাটকা) ইলিশ মাছ সাগরে ফিরে যায়। সাগরে ফিরে যাবার পথে জেলেরা এই মাছ ধরে। এই মাছের অনেক ছোট ছোট কাটা রয়েছে তাই খুব সাবধানে খেতে হয়।
    আর পদ্মায় সাধারণত তিন রকম ইলিশ পাওয়া যায়। পদ্ম ইলিশ, চন্দনা ইলিশ আর গুর্তা ইলিশ। পদ্ম ইলিশের দেহ চকচকে রুপোলি এবং পিঠের দিকে সবুজ আভা। পদ্ম ইলিশের মধ্যে মেয়েরা পুরুষের চেয়ে আকারে একটু বড়। চন্দনা ইলিশের দেহে রুপোলি হলেও পিঠে কালো, হলুদ ও কমলা রঙের ছটা থাকে। এদের প্রকৃত আবাস সমুদ্রে, তবে নদী মোহনায় এদের কখনো কখনো পাওয়া যায়। কারণ বর্ষাকালে এরা মাঝে মাঝে নদীতে বেড়াতে আসে। আকারে এরা পদ্ম ইলিশের চেয়েও ছোট। ‘গুর্তা ইলিশ’ মূলত এরা উপকূলীয় সাগর এবং সাগর মোহনায় বাস করে।

    নদীর মোহনা থেকে সাত-আট কিলোমিটারের মধ্যেই এদের চলাফেরা করতে দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের কাছে চন্দনা ও গুর্তা ইলিশের জীবনযাত্রা এখনো রহস্যজনক।
    আর বর্ষা মৌসুমে প্রতিদিন নদী থেকে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়লেও একদল সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের জন্য প্রতিনিয়তই ইলিশের দাম ওঠা-নামা করে। আর এই সিন্ডিকেট চক্রের জন্যই নাকি ইলিশের প্রকৃত মূল্য পায় না গরিব মৎস্যজীবীরা। লাভবান হন সিন্ডিকেটের হোতারা।

    এ প্রসঙ্গে একটি গল্প মনে পড়ে গেল, ১২৭২ খিস্টাব্দে ইংল্যান্ডে রাজা প্রথম অ্যাডওয়ার্ডের রাজত্বকালে একটি রাজকীয় সনদের মাধ্যমে লন্ডন শহরে প্রথম মৎস্য ব্যবসায়ীদের সমিতি করার অনুমতি প্রদান করা হয়। অ্যাডওয়ার্ডের উদ্দেশ্য ছিল মহৎ। তিনি আইন করে দিয়েছিলেন যে মৎস্য ব্যবসায়ীরা এক শিলিং-এ এক পেনির বেশি মুনাফা করতে পারবে না। সেই সঙ্গে বিদেশি কোনো ব্যবসায়ীকেও অংশীদার হিসেবে নিতে পারবে না মৎস্য ব্যবসায়ীরা। কিন্তু মৎস্যজীবী সমিতি আসলে সমিতির অন্তরালে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মাছের ব্যবসায় একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার শুরু করে দেয়। এক সময় এই সিন্ডিকেট সদস্যরা এতটা বিত্তশালী ও শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে তাদের কেউ কেউ প্রচুর অর্থ খরচ করে বিভিন্ন শহরের মেয়র নির্বাচিত হয়ে যায় এবং আরও বেশি করে ক্ষমতা খাটাতে থাকে। আর এ কারণে দ্বিতীয় অ্যাডওয়ার্ড ক্ষমতায় এসেই পার্লামেন্টে আইন প্রণয়ন করেন যে, মাছ ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত কেউই আর মেয়র হতে পারবে না।

    ইংল্যান্ডে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ছিল সেই আট-ন’শ বছর আগে। অথচ আমাদের দেশে তথ্যপ্রযুক্তির এই একবিংশ শতকেও সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের জন্য বঞ্চিত হচ্ছে, মেহনতি গরিব মৎস্যজীবীরা। পাঠকদের জন্য একটি বিস্ময়কর তথ্য তুলে ধরা হলো।

    বিগত বেশ কিছু বছর ধরে ইলিশ মাছের উপর গবেষণা করছেন দিগেন বর্মন নামে এক মৎস্য অনুরাগী। তিনি বঙ্গোপসাগর ও দিঘাতে বেশ কয়েক বছর ধরে ইলিশ মাছ ধরছেন, এমন কয়েকজন জেলের সঙ্গে কথা বলে অবাক হয়েছেন, যখন তারা তাকে বলেছে- “এবার আমরা সমুদ্রে অনেক ছোট ছোট ইলিশ মাছ ধরেছি। যা আমরা বিগত ২০ বছরের মধ্যে কখনো দেখিনি। কিন্তু সিন্ডিকেট এর কারনে দাম কমছে না কোন ভাবে।

    যদিও ইলিশ লবণাক্ত পানির মাছ বা সামুদ্রিক মাছ, বেশিরভাগ সময় সে সাগরে থাকে কিন্তু বংশবিস্তারের জন্য প্রায় ১২০০ কিমি দূরত্ব অতিক্রম করে ভারতীয় উপমহাদেশে নদীতে পারি জমায়। বাংলাদেশে নদীর সাধারণ দূরত্ব ৫০ কিমি থেকে ১০০ কিমি। ইলিশ প্রধানত বাংলাদেশের পদ্মা (গঙ্গার কিছু অংশ), মেঘনা (ব্রহ্মপুত্রের কিছু অংশ) এবং গোদাবরী নদীতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। এর মাঝে পদ্মার ইলিশের স্বাদ সবচেয়ে ভালো বলে ধরা হয়। ভারতের রূপনারায়ণ নদী, গঙ্গা, গোদাবরী নদীর ইলিশ তাদের সুস্বাদু ডিমের জন্য বিখ্যাত। ইলিশ মাছ সাগর থেকেও ধরা হয় কিন্তু সাগরের ইলিশ নদীর মাছের মত সুস্বাদু হয় না। দক্ষিণ পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশেও এই মাছ পাওয়া যায়। সেখানে মাছটি পাল্লা নামে পরিচিত। এই মাছ খুব অল্প পরিমাণে থাট্টা জেলায় ও পাওয়া যায়। বর্তমানে সিন্ধু নদীর জলস্তর নেমে যাওয়ার কারণে পাল্লা বা ইলিশ আর দেখা যায় না।

    কথায় বলে মাছের রাজা ইলিশ টিভি বিজ্ঞাপনে নব্বই দশকের সাড়া জাগানো একটি স্লোগান পর আজও মানুষের মুখে মুখে। ইলিশ পছন্দ করে না এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া ভার। পদ্মার ইলিশের কথা ভাবতেই অনেকের জিভে পানি এসে যায়। ইলিশ দিয়ে নানা রকম মুখরোচক রান্না হয়।

    যেমন সরষে ইলিশ, ইলিশ পোলাও, ইলিশ দোপেঁয়াজো, ইলিশ পাতুরি, ইলিশ ভাজা, কলা পাতায় ইলিশ, স্মোকড ইলিশ, ইলিশের মালাইকারি, ইলিশের টক ইত্যাদি। ২০১৭ সালে বাংলাদেশের ইলিশ মাছ ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

    একটি ইলিশের সর্বাধিক দৈর্ঘ্য ৬০ সেমি.। বড় আকারের ইলিশের ওজন হয় প্রায় ২.৫ কিলোগ্রাম। স্ত্রী মাছ দ্রুত বাড়ে এবং সচরাচর পুরুষ ইলিশের চেয়ে আকারে বড় হয়। এ মাছ এক থেকে দুই বছরে প্রাপ্তবয়স্ক হয়। ইলিশ সারা বছর সাগরে থাকে। শুধু ডিম পাড়ার সময় নদীতে আসে। নদীর ইলিশ বেশি উজ্জ্বল, কিছুটা রূপালী হয়। সাগরের ইলিশ লম্বা, সরু হয়। সাগরের ইলিশ তুলনামূলক কম উজ্জ্বল হয়।

    মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের ইলিশ বিষয়কপ্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আনিসুর রহমান বলেন, সাগর থেকে ইলিশ যখন ডিম ছাড়ার জন্য নদীতে আসে, মানে উজানে আসে তখন নদীর যে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণী খায়। ইলিশ মাছ তার কারণে তার শরীর বেটে ও মোটা হয়। নদীর ইলিশ তুলনামূলক স্বাদ ভালো হয়। কারণ, সমুদ্র থেকে ইলিশ নদীতে ঢোকার পরে নদীর উজানে মানে স্রোতের বিপরীতে যখন চলে, সে সময় এদের শরীরে ফ্যাট বা চর্বি জমা হয়। এই ফ্যাট বা তেলের জন্যই ইলিশের স্বাদ হয়। বিশ্বের মোট উৎপাদিত ইলিশের ৮৬ শতাংশই বাংলাদেশে আহরণ করা হয়।

    আর বাংলাদেশের মোট ইলিশ উৎপাদনের ৬০ ভাগ আসে বরিশাল অঞ্চল থেকে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৭-০৮ অর্থবছরে দেশে ইলিশের উৎপাদন ছিল ২ লাখ ৯০ হাজার টন। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে তা বৃদ্ধি পেয়ে হয় ৫ লাখ ১৭ হাজার টন। সূত্র জানায়, ২০১৯-২০২০ সমাপ্ত অর্থবছরে সেই রেকর্ড ভেঙে এখন পর্যন্ত ইলিশের উৎপাদন ৫ লাখ ৩৩ হাজার টনে উন্নীত হয়েছে। অর্থাৎ গত ১১ বছরের ব্যবধানে দেশে ইলিশ উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ৮৪ শতাংশ।

    তথ্যানুযায়ী, ১০ বছর আগে দেশের ২১টি উপজেলার নদ-নদীতে ইলিশ পাওয়া যেত। বর্তমানে ১২৫ থেকে ১৩০টি উপজেলার নদ-নদীতে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। দেশে প্রায় ৭ হাজার বর্গ কিলোমিটার জুড়ে রয়েছে ইলিশের অভয়াশ্রম।

    ইলিশ উৎপাদনের অব্যাহত প্রবৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশকে ইলিশ উৎপাদনের রোল মডেল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশ রয়েছে প্রথম স্থানে। রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ ও সাধারণ মানুষের সচেতনতার কারণে বাংলাদেশে গত তিন বছরে দেশের ইলিশের উৎপাদন আকৃতি ও ওজন বেড়েছে। বাংলাদেশে উৎপাদন বাড়লেও অন্য দেশগুলোতে কমেছে। উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি ইলিশের গড় দাম গত এক বছরে ২০ শতাংশ কমেছে।

    বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমারসহ নানা দেশে ইলিশ উৎপাদন হয়। ইলিশের জীবনচক্র বেশ বৈচিত্র্যময়। খাদ্য বিষয়ক লেখক শওকত ওসমান জানান, ইলিশ সমুদ্র থেকে এসে নদীতে ডিম ছাড়ার পর বাচ্চা ইলিশ আবার সমুদ্রে ফিরে যায়। অন্য সব মাছের চেয়ে ইলিশের প্রজনন ক্ষমতা বেশি।

    বড় আকারের একটি ইলিশ ২০ লাখ পর্যন্ত ডিম পাড়ে। ইলিশ সারা বছর ডিম পাড়লেও সবচেয়ে কম পাড়ে ফেব্রুয়ারি-মার্চে এবং সবচেয়ে বেশি সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে। ইলিশ নীল-সবুজ শৈবাল, ডায়াটম, ডেসমিড, কোপিপোড, রটিফার ইত্যাদিও খেয়ে থাকে। তবে এদের খাদ্যাভ্যাস বয়স ও ঋতুর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। পুষ্টিগুণে ইলিশ অনন্য।

    ১০০ গ্রাম ইলিশে প্রায় ২১ দশমিক ৮ গ্রাম প্রোটিন। ১৮০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ৩.৩৯ গ্রাম শর্করা, ২.২ গ্রাম খনিজ ও ১৯.৪ গ্রাম চর্বি। তাছাড়া আরও রয়েছে উচ্চ পরিমাণ ওমেগা তিন ফ্যাটি এসিড, নায়াসিন, ট্রিপ্টোফ্যান, ভিটামিন, বি ১২, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামসহ অন্যান্য ভিটামিন ও মিনারেলস। আরও আছে জিঙ্ক, ক্রোমিয়াম, আয়রন, সেলেনিয়ামের মতো খনিজও রয়েছে ইলিশ মাছে। জিঙ্ক ডায়াবেটিস রোগীদের পক্ষে খুব ভালো। সেলেনিয়াম অ্যান্টি অক্সিডেন্টের কাজ করে। ইলিশ মাছে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি এবং ই।

    ইলিশ মাছে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ একেবারেই কম। অন্য দিকে প্রচুর পরিমাণ ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকায় রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে হার্ট থাকে সুস্থ। ইলিশ মাছে রয়েছে আয়োডিন, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক, পটাশিয়াম। এছাড়া ভিটামিন এ ও ডি-র চমৎকার উৎস হল ইলিশ মাছ।

    মস্তিষ্কের ৬০ শতাংশই তৈরি ফ্যাট দিয়ে। যার অধিকাংশই ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। যারা নিয়মিত মাছ খান তাদের বয়সকালে ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা অনেক কম দেখা যায়। শিশুদের মস্তিষ্কের গঠনেও সাহায্য করে ডিএইচএ। ইলিশ মাছ তেলে ভাজলে ফ্যাট ক্যালারির পরিমাণ বেড়ে যায়।

    ইলিশে কারও কারও অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে। ইলিশ খাওয়ার বেলায় এই বিষয়টি লক্ষ্য রাখতে হবে। এক জরিপে দেখা গেছে, মাওয়া ঘাটের হোটেলগুলোতে শতকরা ৯০ ভাগই ইলিশের নাম করে সার্ডিনসহ অন্য মাছ বিক্রি করা হয়। তাই মাওয়ায় ইলিশ খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। ঢাকার কারওয়ানবাজার, যাত্রাবাড়িসহ বেশ কিছু জায়গায় ইলিশের পাইকারি বাজার। এসব জায়গা থেকে কম দামে ভালো ইলিশ কেনা সম্ভব।

    মাছে ভাতে বাঙালি’ প্রবাদটি যেন হারিয়ে যেতে বসেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং মাছের আকালে মানুষের পাতে ভাতের সঙ্গে মাছ রাখা কঠিন হয়ে গেছে। জাতীয় মাছ ইলিশ যে ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে কিনে খাবেন সে উপায়ও নেই। সাগরের গহিনে নিরাপত্তার অভাবে ভারত ও মিয়ানমারের দিকে মৎস্যসম্পদ চলে যায়। আবার দেশে যে পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ে তার কিছু অংশ পুঁজার উপহার হিসেবে ভারতে পাঠানো হয়। এতে করে দেশের সাধারণ মানুষের ভাতের প্লেটে ইলিশ দূরহ হয়ে পড়ে। কিন্তু মৎস্যবিজ্ঞানীদের সুপারিশ অনুযায়ী ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে সরকারের ‘প্রজননের সময় ইলিশ ধরা’ নিষিদ্ধ উদ্যোগে সফলতা এসেছে। ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করায় এবার ডিম ছেড়েছে ৮৪ শতাংশ মা ইলিশ। অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে চলতি বছর সর্বোচ্চ সংখ্যক মা ইলিশ নদীতে ডিম ছেড়েছে। বলা যায় ইলিশ উৎপাদনে এবার বিপ্লব ঘটতে যাচ্ছে।

    জানা যায়, নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করায় উপকূলের ৭ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকাসহ অভ্যন্তরীণ নদ-নদীতে প্রায় ৮৪ শতাংশ মা ইলিশ ডিম ছেড়েছে। এরমধ্যে ৫২ ভাগ মা ইলিশ ২২ দিনের মূল প্রজননকালীন সময়ে সম্পূর্ণ ডিম ছাড়ে। পরবর্তী ৭ দিনে বাকি ৩২ শতাংশ ডিম ছেড়েছে। বিভিন্ন নদ-নদীতে তিনটি ধাপে চালানো গবেষণার ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ ফলাফল পেয়েছে চাঁদপুর মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট।

    এদিকে জেলে ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, আগামী জাটকা রক্ষার অভয়াশ্রম কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করা গেলে এবার ইলিশ উৎপাদনে এক বিপ্লব ঘটবে। গবেষকেরা বলছেন, ইলিশে আবার সুদিন ফিরছে। মৎস্যবিজ্ঞানীদের দেওয়া সুপারিশ অনুযায়ী ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করায় এবার কমপক্ষে ৫ থেকে ৭ লাখ মেট্রিক টন ইলিশ উৎপাদন সম্ভব হবে। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) এক গবেষণায় বলা হয়, বলেশ্বর নদ দেশের ইলিশের বড় উৎস। সেখান থেকে বছরে আরও ৫০ হাজার মেট্রিক টন অতিরিক্ত ইলিশ আহরণ করা সম্ভব। বলেশ্বর নদের মোহনায় বিষখালী, পায়রা, আন্ধারমানিক ও লতাচাপলী নদ-নদী এসে মিশেছে। ওই পথ দিয়ে ইলিশসহ অন্যান্য মাছ বঙ্গোপসাগর থেকে নদের উজানে প্রবেশ করে। বলেশ্বর নদের সঙ্গে পূর্ব সুন্দরবনের বিভিন্ন নদী ও খাল যেমন ভোলা নদী, বেতমোরী গাঙ, সুপতি খাল, দুধমুখী খাল ও ছোট কটকা খাল এসব সংযুক্ত। বলেশ্বর নদ হয়ে ইলিশসহ অন্যান্য মাছ এসব খাল ও নদ-নদীতে প্রবেশ করে।
    মৎস্য অধিদফতরের দেয়া তথ্যমতে, দেশে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ইলিশ উৎপাদন হয়েছিল ৩.৮৮ লাখ মেট্রিক টন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৩.৯৫ লাখ মেট্রিক টন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৪.৯৭ লাখ মেট্রিক টন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৫.১৭ লাখ মেট্রিক টন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৫.৩৩ লাখ মেট্রিক টন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ইলিশ উৎপাদন হয়েছে ৫.৫ লাখ মেট্রিক টন এবং গেল ২০২০-২১ অর্থবছরে উৎপাদন হয়েছে ৫.৬৫ লাখ মেট্রিক টন।

    অনেক বাঙালি হিন্দু পরিবার বিভিন্ন পূজার শুভ দিনে জোড়া ইলিশ বা দুই টি ইলিশ মাছ কেনে। সরস্বতী পূজা ও লক্ষ্মী পূজায় জোড়া ইলিশ কেনা খুব শুভ লক্ষন হিসেবে মনে করা হয়। কিন্তু এই প্রথা পূর্ব বাংলার (আজকের বাংলাদেশের) বাঙ্গালী হিন্দুদের মাঝে প্রচলন ছিল এখন যাদের অনেকেই ভারত বিভাগের পর পশ্চিমবঙ্গে, আসাম ও ত্রিপুরায় বাস করে। তাদের অনেকে লক্ষ্মী দেবীকে ইলিশ মাছ উৎসর্গ করে। অনেকেই ইলিশ উৎসর্গ ছাড়া পূজাকে অসম্পূর্ণ মনে করে।

  • পুলিশ-বিএনপির ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, নিহত ১, অবশেষে মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে গ্রামের বাড়িতে

    পুলিশ-বিএনপির ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, নিহত ১, অবশেষে মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে গ্রামের বাড়িতে

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
    পঞ্চগড়ে বিএনপির গণমিছিলকে কেন্দ্র করে পুলিশ এবং বিএনপি নেতা-কর্মীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটেছে। এঘটনায় আব্দুর রশিদ আরেফিন (৫১) নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হন। এতে আহত হয়েছেন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৫০ জন।
    শনিবার দুপুরে পঞ্চগড় জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘণ্টাব্যাপি সংঘর্ষে পুলিশ বিএনপি নেতা-কর্মীদের দিকে লক্ষ্য করে প্রায় শতাধিক রাবার বুলেট, টিয়ারশেল এবং কাদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ। অপরদিক থেকে বিএনপি নেতা-কর্মীরাও ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে।
    এর আগে, দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বাতিল এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচনসহ ১০ দফা দাবিতে গণমিছিলের প্রস্তুতি নেয় বিএনপি। বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতা-কর্মীরা ছোট ছোট মিছিল নিয়ে জড়ো হতে থাকে সেখানে। পরে দলটি গণ মিছিল বের করলে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হন। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতা-কর্মীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়।
    নিহত বিএনপি নেতা আব্দুর রশিদ আরেফিনের বাড়ি পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ময়দানদীঘি ইউনিয়নের পাথরাজে। তিনি ময়দানদীঘি ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক।
    বিএনপি নেতা হাবিব আল আমিন ফেরদৌস বলেন, তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিয়ে পরিস্থিতি ঘোলা করেছে। পুলিশের রাবার বুলেট নিক্ষেপ এবং লাঠিচার্জে আমাদের প্রায় অর্ধশত নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। অনেকেই গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। অবশেষে ময়নাতদন্ত শেষে ১:৩০ মিনিট মরদেহ ও তার গ্রামের বাড়িতে এ সময়ে আগে হৃদয়বিদারক অবতারণা হয়। এ সময় বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা ফরহাদ হোসেন আজাদ উপস্থিত ছিলেন।
    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়

  • নড়াইলে জামায়াতের আমিরের মুক্তির দাবিতে ঝটিকা মিছিল

    নড়াইলে জামায়াতের আমিরের মুক্তির দাবিতে ঝটিকা মিছিল

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের মুক্তির দাবিতে নড়াইল শহরে প্রায় ৪০টি মোটরসাইকেলে শতাধিক জামায়াত নেতা ঝটিকা মিছিল করেছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, এ সময় শহরের রূপগঞ্জ বাজার এলাকায় আসলে কয়েক আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা ধাওয়া করলে মিছিল কারিরা একটি মোটর সাইকেল ফেলে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ সাইকেলটি উদ্ধার করেছে। জেলা মৎস লীগের সহসভাপতি সায়েদ আলী শান্ত ও যুবলীগ নেতা হুমায়ুন কবির জানান, শনিবার সকাল ৬টার দিকে জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের প্রায় ১০জন নেতা-কমী আ. লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনে যাওয়ার জন্য রূপগঞ্জ দাড়িয়ে ছিলাম। এ সময় নড়াইল জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের মুক্তির দাবিতে প্রায় ৪০টি মোটরসাইকেলে শতাধিক জামায়াত নেতা-কর্মী মিছিল করে রুপগঞ্জ এলাকায় আসলে আমরা লাঠিসোটা নিয়ে ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়। এ সময় মিছিল কারিদের মধ্যে একজন যশোর-ল ১৩-৫৫৯৭ নম্বর প্লেটের একটি মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যায়। তারা জানান, একটি সাইকেলে ৩জন করে ছিলেন এবং অনেকের মুখ মাফলার দিয়ে ঢাকা ছিল। মিছিলটি শহরের পুরানো বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে আসে। এ ব্যাপারে জেলা জামায়াতের আমির আতাউর রহমান বাচ্চুকে ফোন নম্বর সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। পরে প্রত্যক্ষদর্শীদের দেখামতে জামায়াত সমর্থক আব্দুল মান্নানকে ফোন করলে তিনি বলেন, ‘আমার থাকার প্রশ্নই ওঠে না এবং আমি জামায়াতের নেতাও নই। জামায়াত সমর্থন করেন কিনা প্রশ্ন করা হলে তিনি ‘এটা মানুষের ব্যক্তিগত বিষয়’ বলে জানান। এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি মোঃ মাহমুদুর রহমান জানান, ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। সাইকেলের মালিক বলে কেউ এখনও দাবি করেনি। তবে অফিস খুললে বিআরটিএ এর কাছ থেকে মোটরসাইকেলের মালিকের নাম পাওয়া যাবে।

  • আজ ২৫শে ডিসেম্বর শুভ ‘বড়দিন’ (ক্রিসমাস)

    আজ ২৫শে ডিসেম্বর শুভ ‘বড়দিন’ (ক্রিসমাস)

    গোপালগঞ্জ/বানিয়ারচরঃ আজ ২৫শে ডিসেম্বর শুভ বড়দিন। বড়দিন বা ক্রিসমাস একটি বাৎসরিক খ্রীষ্টীয় উৎসব। এটি খ্রীষ্টানদের জন্য সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান। প্রায় ২০২২ বছর আগে এই দিনে ত্রাণকর্তা প্রভু যীশু খ্রীষ্ট জেরুশালেম নগরীর বেথলেহমে মা মারীয়ার গর্ভে জন্মগ্রহন করেন। বিশ্বের প্রায় ২৫২ কোটি খ্রীষ্টান জনগোষ্ঠী আজ ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্য সহকারে বড়দিন পালন করছে। পবিত্র বাইবেলে যীশুর জন্মের বিষয়ে এই কথা বর্ণিত আছে: “আর মা মারীয়া আপনার প্রথমজাত পুত্র প্রসব করিলেন, এবং তাঁহাকে কাপড়ে জড়াইয়া যাবপাত্রে শোয়াইয়া রাখিলেন, কারণ পান্থশালায় তাঁহাদের জন্য স্থান ছিল না” (লূক ২: ৭)।

    বরিশাল ধর্মপ্রদেশের বিশপ ইম্মানুয়েল কানন রোজারিও’র পৌরহিত্যে ২৪ ডিসেম্বর রাত ১০টায় গোপালগঞ্জের বানিয়ারচর ধর্মপল্লীর গীর্জায় বড়দিনের ধর্মীয় কার্যক্রম শুরু হয়। এ অনুষ্ঠানে ধর্মপল্লীর খ্রীষ্টভক্তগণ অংশগ্রহণ করেন এবং রাত ১২টায় আনন্দ-উল্লাসে যীশুর জন্মদিন পালন করেন। এই একই ধর্মীয় অনুষ্ঠান পরের দিন সকালেও আয়োজন করা হয়। গীর্জার অনুষ্ঠানে বিশপ মহোদয়কে সহায়তা করেন বানিয়ারচর ধর্মপল্লীর পাল-পুরোহিত রেভাঃ ফাদার ডেভিড ঘরামী। বড়দিনে ক্যাথলিকদের প্রতিটি গীর্জায় পবিত্র ‘খ্রীষ্টযাগ’ উৎসর্গ ও খ্রীষ্টভক্তদের মাঝে ‘খ্রীষ্টপ্রসাদ’ বিতরণ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মূল পর্ব।

    বিভিন্ন প্রয়োজনে এলাকার বাইরে যারা বসবাস করেন তারা বড়দিন উপলক্ষ্যে নিজ গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন এবং স্বপরিবারে গীর্জায় অংশগ্রহণসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন উপলক্ষ্যে ধর্মপল্লীর খ্রীষ্টভক্তগণ সম্মিলিতভাবে দুপুর বেলায় চার্চ প্রঙ্গনে এক বিশেষ প্রীতিভোজে অংশগ্রহন করেন। বড়দিনের আনন্দকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয় রাতের ধর্মীয় কীর্তন যা দলে দলে পরিবেশন করা হয়।

    এরপর বিকেল ৪টায় রেভাঃ ফাদার রিচার্ড বাবু হালদারের সঞ্চালনায় এবং ধর্মপল্লীর পাল-পুরোহিত রেভাঃ ফাদার ডেভিড ঘরামীর সভাপতিত্বে বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময় সহ এক উন্মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন বিশপ ইম্মানুয়েল কানন রোজারিও। এ সভায় এলাকার সর্বস্তরের খ্রীষ্টভক্তগণ অংশগ্রহন করেন এবং চার্চের উন্নতিকল্পে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।

    ঢাকায় অবস্থিত ইস্পাহানী ইসলামিয়া চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহকারি পরিচালক নিকোলাস বিশ্বাস বলেনঃ বড়দিনের দুটি দিক রয়েছে; এর একটি হল আত্মিক এবং অন্যটি হল বাহ্যিক। উপহার প্রদান, সংগীত পরিবেশন, বড়দিনের শুভেচ্ছা-কার্ড বিনিময়, গীর্জার ধর্মোপাসনা, সম্মিলিত প্রীতিভোজ, ক্রিসমাস ট্রি, ঘর-বাড়ি পরিস্কার-পরিচ্ছন্নকরণ, উজ্জল তারকা উত্তোলন এবং যীশুর জন্মদৃশ্য ফুটিয়ে তোলার জন্য গোশালাঘর প্রস্তুতসহ এক বিশেষ ধরনের আলোকসজ্জার প্রদর্শনী বড়দিন উৎসব উদ্‌যাপনের অঙ্গ হয়ে উঠেছে। এছাড়া সুসজ্জিত সান্তাক্লজ কর্তৃক ছোটদের জন্য বড়দিনে উপহার আদান-প্রদান বেশ জনপ্রিয়। আমরা যারা যীশু খ্রীষ্টকে জগতের ত্রাণকর্তারূপে বিশ্বাস করি তাদের কাছে এদিনের তাৎপর্য অনেক। নতুন পোশাক, নানা খাবারের আয়োজন ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আনন্দ-স্ফূর্তি করা এদিনের মূল তাৎপর্য নয়, বরং এর প্রকৃত তাৎপর্য পারমার্থিক বা আধ্যাত্মিক। এজন্য বড়দিনে গীর্জার উপাসনায় যোগ দেওয়া সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।

    ৩৬৫ দিনের মধ্যে ২৫শে ডিসেম্বর দিনটি সময়ের ব্যাপ্তিতে বড় নয় কিন্তু মানবজাতির ত্রাণকর্তার জন্মদিন হিসেবে এর গুরুত্ব সর্বাধিক। আকাদেমি বিদ্যার্থী বাংলা অভিধানে যীশু খ্রীষ্টের জন্মোৎসবটিকে বাংলায় ‘বড়দিন‘ আখ্যা দেওয়ার কারণটির ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলা হয়েছেঃ ২৩ ডিসেম্বর থেকে দিন ক্রমশঃ বড়ো এবং রাত ছোটো হতে শুরু করে। বাংলায় ‘বড়দিন‘ নামকরণের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, “মর্যাদার দিক থেকে এটি একটি বড়দিন। যীশু যেহেতু এক বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য ধর্ম ও দর্শন দিয়ে গেছেন। সুতরাং যিনি এতো বড় ধর্ম ও দর্শন দিলেন ২৫শে ডিসেম্বর তাঁরই জন্মদিন। সে কারণে তাবৎ বিশ্বের খ্রীষ্টানগণ এটিকে বড়দিন হিসেবে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে।।

  • আওয়ামী লীগের নতুন কমিটিকে অভিনন্দন

    আওয়ামী লীগের নতুন কমিটিকে অভিনন্দন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এবং সাধারণ সম্পাদক পদে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের পুনঃর্নিবাচিত হওয়ায় তাদের
    তানোর পৌর আওয়ামী লীগের আগামীর নেতৃত্ব বিশিষ্ট সমাজসেবক ও তরুণ উদ্যোগক্তা আলহাজ্ব আবুল বাসার সুজন এবং তানোর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সচিব রামিল হাসান সুইট আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। পৃথক পৃথক
    অভিনন্দন বার্তায় তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও
    জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ আরও শক্তিশালী ও গতিশীলতা লাভ করবে।
    তারা আরো বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করি যে; শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবিচল বাংলাদেশের জন্য সংগ্রাম ও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে সংহত করতে আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
    প্রসঙ্গত, গত শনিবার বিকেল তিনটায় রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে দশমবারের মতো আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।আর সাধারণ সম্পাদক পদে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

  • ঝিনাইদহে নাশকতা ও বিস্ফোরক মামলা এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও ব্যাংক কর্মচারীসহ ১১ জন গ্রেফতার

    ঝিনাইদহে নাশকতা ও বিস্ফোরক মামলা এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও ব্যাংক কর্মচারীসহ ১১ জন গ্রেফতার

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এবার এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও ব্যাংক কর্মচারীসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদেরকে নাশকতা ও বিস্ফোরক মামলায় আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে। শনিবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটকরা হলেন উপজেলার ফয়লা এলাকার খবির উদ্দিনের ছেলে ফিরোজ কবির, আড়পাড়া এলাকার আলম হোসেনের ছেলে আশিক হোসাইন, একই এলাকার শেখ আব্দুল মজিদের ছেলে জামাল উদ্দিন, বানুড়িয়া এলাকার ইসমাইল হোসেনের ছেলে শফিকুল ইসলাম, রাড়ীপাড়া এলাকার ইকরাম শেখের ছেলে তরিকুল ইসলাম, সুবর্ণসারা এলাকার নিজাম উদ্দিনের ছেলে মহিন উদ্দিন, একই এলাকার আনছার বিশ্বাসের ছেলে রমজান আলী, রামচন্দ্রপুর এলাকার গোলাম নবীর ছেলে রিপন মোল্যা, বড় ধোপাদী এলাকার মোস্তফা মোল্যার ছেলে রাসেল হোসেন, কুল্যাপাড়া এলাকার হেদায়েত মোল্যার ছেলে আমানত আলী মোল্যা ও ঝনঝনিয়া এলাকার মোশারফ হোসেনের ছেলে তানজীল হোসেন। এর মধ্যে আশিক হোসাইন সরকারি মাহতাব উদ্দিন কলেজের এইচএসসি বিএম শাখার পরীক্ষার্থী ও আমানত আলী মোল্যা জনতা ব্যাংকের কর্মচারী। জানা গেছে, গত ৪ ডিসেম্বর উপজেলার বারবাজার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৪০/৫০ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম। আটক ১১ জনকে এই মামলার আসামি হিসেবে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সেকেন্দার আবু জাফর জানান, বারবাজার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অফিস লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটনার মামলার এজাহারভুক্ত ৭ আসামি হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়েছেন। শনিবার রাতে অভিযানে আরও ১১ জনসহ ওই মামলায় এ পর্যন্ত ২০ জনকে আটক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।।

  • ABETS টাইগার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    ABETS টাইগার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পটিয়া উপজেলা।
    ABETS টাইগার গোল্ডকাপ ফুটবল টু্নামেন্ট’২৩ উদ্বোধন উপলক্ষে KDS বাংলো অডিটোরিয়াম এ এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাঁইদাইর ইয়াং টাইগার ক্লাবের স্থায়ী পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাসেম মেম্বার। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,ইয়াং টাইগার এর প্রতিষ্ঠাতা সিনিয়র সদস্য মো আবু বক্কর সিদ্দিক, ABETS এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইদ্রিস চৌ অপু, ABETS এর প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন বাবু,সাবেক অর্থ সম্পাদক ইছহাক এবং ABETS এর সহ-সভাপতি হাসেম বাহাদুর,ক্রীড়া সম্পাদক মামুন উদ্দিন জীবন,উক্ত অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উক্ত সভার কো-অর্ডিনেটর সেলিম রেজা, আল আরাফাহ ইসলামি বাংকের শাখা ব্যবস্থাপক হালিশহর ব্রাঞ্চ।

  • পটিয়া নজির আহমেদ ফাউন্ডেশনের উদ্যােগে আবারো খাদ্য সামগ্রী বিতরন

    পটিয়া নজির আহমেদ ফাউন্ডেশনের উদ্যােগে আবারো খাদ্য সামগ্রী বিতরন

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    পটিয়া উপজেলার কাশিয়াইশ ইউনিয়নে নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের উদ্যােগে এলাকার অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও বীজ বিতরন করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে কাশিয়াইশ ইউনিয়নের ভান্ডারগাঁও এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে খাদ্য সামগ্রী ও বীজ বিতরন করা হয়েছে।
    সাবেক ইউপি সদস্য মীর মোঃ আইয়ুবের সভাপতিত্বে ও দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ নেতা আবদুল কাদেরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন- কুসুমপুরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মোঃ মোরশেদ, যুবলীগ নেতা ইউছুফ খাঁন, ফাউন্ডেশনের অর্থ সচিব নজরুল ইসলাম।
    আলোচনা সভা শেষে এলাকার ১২০ জন অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও বীজ বিতরন করা হয়েছে। সকলের সহযোগিতা পেলে এ কার্যক্রম চলমান রাখা হবে৷