Author: desk

  • তানোরে বৈরী আবহাওয়া আলুখেতে ক্ষতির আশঙ্কা

    তানোরে বৈরী আবহাওয়া আলুখেতে ক্ষতির আশঙ্কা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে গত কয়েক দিনে তীব্র শীতের প্রকোপের সঙ্গে হিমেল হাওয়া ও বেড়েছে ঘন কুয়াশা। এমন বৈবী আবহাওয়ায় আলুর ক্ষেতের ক্ষতি বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা কৃষকদের।
    তারা জানান, ছত্রাক আক্রমণসহ পাতা পঁচে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে আলুর উৎপাদন বা ফলন কম হবার শঙ্কা রয়েছে।
    সরেজমিন, উপজেলার তালন্দ ইউপির নারায়নপুর, লালপুর, দেবীপুর, কামারগাঁ ইউপির মাদারীপুর, মালার মোড় ও সাধুরহাট এলাকার বিভিন্ন আলুখেত ঘুরে দেখা যায়, ক্ষেতের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক। কেউ জমিতে বিষ, ছত্রাকনাশক স্প্রে করছে। আবার কেউ জমিতে সেচের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী ২ থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে আগাম আলু বাজারে নিতে চলছে জোর প্রস্তুতি।উপজেলার তালন্দ ইউপির নারায়নপুর গ্রামের কৃষক মইফুল আলী জানান, রাত থেকে প্রায় দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশা পড়ছে। একই সঙ্গে হিমেল হাওয়া ও প্রচন্ড ঠান্ডার কারণে শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। এতে আলুখেতের সঠিক পরিচর্যা করা যাচ্ছে না। কখানো কখানো দুপুরের দিকে রোদের দেখা মিলছে আবার মিলছে না। এতে আলুর পচন রোগের আশঙ্কা রয়েছে। একই কথা জানান, কামারগাঁ ইউপির মালার মোড়ের কৃষক আব্দুল ও আইয়ুব আলীসহ কয়েকজন কৃষক।আলু চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি বিঘা জমিতে ভাড়া, সার, কীটনাশক, বীজ, শ্রমিক, সেচসহ এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আলুর উৎপাদন বিঘাপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ মণ কখানো কখানে তার চেয়ে বেশি হতে পারে । বাজার দরের ওপর নির্ভর করে লাভ- লোকসানের হিসাব।
    সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, তানোরে
    চলতি মৌসুমে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ১৩ হাজার ৫৫০ হেক্টর এবং বীজের প্রয়োজন প্রায় ২০ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন। এবিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ডিডি) মাজদার হোসেন বলেন, বর্তমান আবহাওয়ায় আলুখেতে ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে। কৃষক চাইলে রিডোমিল গোল্ড প্রতি লিটার পানিতে দুই গ্রাম, অর্থাৎ ১০ লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ওষুধ ভালোভাবে মিশিয়ে স্প্রে করলে ভালো ফল পাবেন। এই আবহাওয়ায় আলুর কোনো ক্ষতির আশঙ্কা নেই বলে জানান তিনি। তবে তিনি স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কৃষকদের নিয়মিত যোগাযোগ করে কৃষি পরামর্শ গ্রহণের আহবান জানান।

    তানোর প্রতিনিধি।।

  • তেঁতুলিয়া বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে রাষ্ট্রদূতের পরিদর্শন

    তেঁতুলিয়া বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে রাষ্ট্রদূতের পরিদর্শন

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের মাননীয় রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারীর বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর পরিদর্শন। বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) সর্বউত্তরের জেলা প গড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে এই পরিদর্শন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহাগ চন্দ্র সাহা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রমুখ।

  • নড়াইলে বিলুপ্তপ্রায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী  বাপ-দাদার সেই পুরনো স্মৃতি লাঙ্গল-গরুর হালচাষ

    নড়াইলে বিলুপ্তপ্রায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বাপ-দাদার সেই পুরনো স্মৃতি লাঙ্গল-গরুর হালচাষ

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে বিলুপ্তপ্রায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বাপ-দাদার সেই পুরনো স্মৃতি লাঙ্গল-গরুর হালচাষ। চাষি খেতে চালাইছে হাল, তাঁতি বসে তাঁত বোনে, জেলে ফেলে জাল, বহুদূর প্রসারিত এদের বিচিত্র কর্মভার, তারি পরে ভর দিয়ে চলিতেছে সমস্ত সংসার বিশ্ব।’ কবির এই অমর পঙ্ক্তিটি বাঙালির জীবনে আবার ফিরে এসেছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, এক সময় লাঙ্গল-গরুর হাল ছাড়া জমি প্রস্তুতের কথা চিন্তাই করা যেত না। কিন্তু কালের আবর্তে তা হারিয়ে গেলেও বাংলার এ অতীত ঐতিহ্যের চিত্র এখনও দেখা যায় নড়াইলের গ্রামগুলোতে। চিত্রা, নবগঙ্গা, কাজলা, আফরা, নলিয়া ও মধুমতি নদী বিধৌত নড়াইলে আদিকাল থেকে কৃষি কাজে ব্যবহার হতো হাল, লাঙ্গল ও মই। এই অঞ্চলের গৃহবধূরা শাড়ি পরে কোমরে খাবারের গামলা আর হাতে পানির ঘটি নিয়ে সকাল হলেই মাঠের আঁকা-বাঁকা মেঠোপথ ধরে খাবার নিয়ে যেত হালচাষির কাছে। কৃষকরা কাক ডাকা ভোর থেকেই মাঠের প্রান্তরে হালচাষ করত। কেউবা জমিতে বীজ রোপন করত। জমির চাষের ক্ষেত্রে গরুর হাল ও মই ব্যবহার হয়ে আসছে। এতে একজন লোক ও একজোড়া গরু অথবা মহিষ থাকত। এসবই বইয়ের পাতায় গল্পের মতো শোনায়। কিন্তু শীতকালীন সবজি চাষাবাদ, নিচু জমি কিংবা যান্ত্রিক পরিবহন ব্যবস্থার অপ্রতুলতার কারণে নড়াইলের কিছু কিছু এলাকার জমি চাষাবাদ করতে এখনও লাঙ্গল-জোয়ালের প্রয়োজন হচ্ছে। কারণ সবজি খেতে ট্রাক্টর দিয়ে হালচাষ করলে মই দিয়ে সমান করা যায় না। আবার জমিতে সারিবদ্ধভাবে চারা লাগাতে লাঙ্গলের ব্যবহার করতে হয়। অন্যদিকে, নিচু জমিতে ভারী ওজনের ট্রাক্টর কাদায় দেবে যাওয়ায় কৃষক লাঙ্গল দিয়ে চাষাবাদ করছেন। কালের আবর্তে আধুনিকতার যুগে যান্ত্রিকতানির্ভর যন্ত্র দিয়ে জমি চাষের সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে দিন-দিন হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের ধারক গরুর লাঙ্গল। তবে এ যুগেও নড়াইলের কিছু কিছু এলাকায় ফুরায়নি হালের গরুর লাঙ্গল দিয়ে জমি চাষ। ট্রাক্টর বা পাওয়ার ট্রিলারের আসায় গরু দিয়ে হালচাষ হয় না বললেই চলে। গ্রামীণ সমাজের অনেকেই চাষি গরু পালন ছেড়ে দিয়েছেন। অনেকেই বাপ-দাদার সেই পুরনো স্মৃতি গুলোকে আঁকড়ে ধরে সময় পার করছেন। সম্প্রতি নড়াইল সদর উপজেলার ভবানীপুর মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, ‘বিলুপ্তপ্রায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী গরুর লাঙ্গল দিয়ে একজন কৃষক জমি চাষ করছেন। তিনি ভবানীপুর গ্রামের পেশাদার হালচাষি মিজানুর শেখ। এই চাষি বলেন, পূর্বপুরুষের পেশা ছাড়িনি। হাল চাষের জন্য এক জোড়া বলদ গরু, লাঙল-জোয়াল, মই, ছড়ি, গরুর মুখের টোনা লাগে। গরুর লাঙ্গল দিয়ে মাটির গভীরে গিয়ে মাটি তুলে উল্টিয়ে রাখে। ওপরের মাটি নিচে পড়ে আর নিচের মাটি ওপরে। এতে জমিতে ঘাস কম হয়, আর হাল চাষের সময় গরুর গোবর সেই জমিতেই পড়ে এতে একদিকে যেমন জমিতে জৈব সারের চাহিদা পূরণ হয়, তেমনি ফসলও ভালো হয়।
    তিনি আরও বলেন, বলদ দিয়ে প্রতিদিন প্রায় তিন-চার বিঘা অন্যের জমি হালচাষ করি। এলাকার প্রায় ১৭-২০টি গ্রামের মধ্যে একাই আমি পেশাদার হালচাষি। সারা বছরই টাকার বিনিময়ে অন্যের জমিতে গরুর লাঙ্গল দিয়ে হালচাষ করি। তবে ট্রাক্টর বা পাওয়ারটিলারের প্রচলন হওয়ায় গরু দিয়ে হাল চাষের কদর কমে গেছে। কম সময়ে বেশি জমিতে চাষে সক্ষম হওয়ায় জমির মালিকরা ট্রাক্টর বা পাওয়ারটিলার দিয়ে জমি চাষ করছে। যে কৃষকরা গরু দিয়ে হাল চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করত কালক্রমে তারা পেশা বদল করে অন্য পেশায় চলে গেছেন। জেলার বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের হোগলাডাঙ্গা গ্রামের অপর এক পেশাদার হালচাষি রনজিত বিশ্বাস বলেন, আমাদের এলাকার অনেক জমি আছে যেগুলোর খালের ওপার। নিচু এলাকার নরম ভেজা কিংবা ছোট ছোট উঁচু-নিচু জমি। যেখানে চাষ ট্রাক্টর বা পাওয়ারটিলার দিয়ে সম্ভব হয় না। তাই এসব জমিতে লাঙ্গল-গরুর হাল ব্যবহার করি। এ ছাড়া গরুর হাল জমির গভীরে যায়, যা জমির উর্বরতার জন্য ভালো। এ জন্য এসব এলাকায় গরুর লাঙ্গল দিয়ে হালের কদর ও চাহিদা রয়েছে। এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর নড়াইল কার্যালয়ের উপপরিচালক দীপক কুমার রায় বলেন, হয়তো কোনো কোনো জায়গায় এমন জমি আছে যেখানে হাল চাষের জন্য ট্রাক্টর পাওয়ারটিলার দিয়ে সম্ভব হয় না। তাই এসব জমিতে কৃষক প্রয়োজনে লাঙ্গল-গরুর হাল ব্যবহার করে থাকতে পারেন। তবে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের এই যুগে পশু দিয়ে হালচাষ ছেড়ে কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে অভ্যস্ত হতে হবে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে ২ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক।

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে ২ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম অধিনায়ক, র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ মহোদয়রে দিক নির্দেশনায় ০৬/০১/২০২৩ ইং তারিখ সকাল ১১.০০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার এনায়েতপুর থানাধীন কেজির মোড়স্থ এনায়েতপুর মন্ডলপাড়া কবর স্থানের সামনে পাকা রাস্তার পার্শ্বে একটি মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ০২(দুই) কেজি গাঁজাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।

    গ্রেফতারকৃত আসামীঃ মোঃ হাসমত আলী(৩০), পিতা-মোঃ রহম আলী, সাং-ব্রাক্ষণ গ্রাম, থানা-এনায়েতপুর, জেলা-সিরাজগঞ্জ।

    গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতঃ উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাহাকে সিরাজগঞ্জ জেলার এনায়েতপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, এই মাদক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন যাবৎ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    মোঃ আবুল হাসেম সবুজ

    লেফটেন্যান্ট কমান্ডার বিএন

    ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার

    র‌্যাব-১২,সিপিএসসি,সিরাজগঞ্জ

  • প্রতিবন্ধীর জায়গায় ঘর তুলতে বাঁধা দেয়ার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

    প্রতিবন্ধীর জায়গায় ঘর তুলতে বাঁধা দেয়ার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

    হাফিজুর রহমান,
    নিজস্ব প্রতিবেদক:
    টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে প্রতিবন্ধির নিজ জমিতে ঘর তুলতে বাঁধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে আদালতে ১৪৪ ধারা মামলা দায়ের করেছেন ওই প্রতিবন্ধী।

    ভুক্তভোগী শারীরিক প্রতিবন্ধি মো. শাহ-আলম উপজেলার বালিভদ্র ইউনিয়নের কাকনিআটা গ্রামের মো. ওসমান গণির ছেলে। আর অভিযুক্ত ওই ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য মো. জাহাঙ্গীর আলম, তাঁর ভাই নান্নু ও মঞ্জু মিয়া গংরা।

    এদিকে ধনবাড়ী থানার এসআই রফিকুল ইসলাম গতকাল শুক্রবার তদন্তে গিয়ে স্থানীয়দের কথা শুনে এসেছে এবং তাঁরা জানান জায়গাটি ক্রয় সূত্রে মালিক ওই প্রতিবন্ধি।

    মামলার বিবরণ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বাগুয়া মৌজায় ৮৯৫ ও ৮৯৬ নং দাগের নিচু জমিটি প্রতিবন্ধির বাবা ক্রয় করে। একাংশ অংশ ভরাট করে চাষাবাদ শুরু করে এবং ২০ বছর পূর্বেই ঘর নির্মাণ করে। বাকি অংশ ভরাট করে বাড়ি নির্মাণ করতে গেলে ইউপি সদস্যের পরিবার বাঁধা দেয়।

    একই মৌজার ১১২০ ও ১১২১ নং দাগে ১০ শতাংশ জমিটি অভিযুক্তরা ৫০ বছরে আগে ক্রয় করে। সেখানে তাঁরা বাড়ি করে রেকর্ড করে নেন। কিন্তু প্রতিবন্ধির ওই দাগে চক্রান্ত করে মেম্বার বাঁধা দেন এবং প্রতিবন্ধি পরিবারকে হামলা চালিয়ে আহত করে।

    এলাকাবাসী শালীসি বৈঠক বসালে সাবেক পৌর মেয়র মুঞ্জুরুল ইসলাম তপনের উপস্থিতে মুচলেকা দেন এবং ৭ ধারা মামলাতেও মুচলেকা দিয়ে অভিযুক্তরা ছাড়া পান। কিন্তু বর্তমানে আবারও নানা ধরনের হুমকী দিয়ে আসছে প্রতিবন্ধি পরিবারকে।

    জমি দাতার ছেলে মোজাম্মেল হোসন বলেন, ‘ক্রয় সূত্রে জমির মালিক শাহ-আলম। জানতে চাইলে ওই ইউপি সদস্য বলেন, ‘তাঁরা মুচালিকা দিয়ে ছাড়া পান।’

    শাহ-আলম বলেন, ‘জমি পৈতৃক ও ক্রয় করা। ক্ষমতার অপব্যবহার করে বাঁধা দেন তাঁরা। এর সুষ্ঠু প্রতিকার চাই।’

    সবেক পৌর মেয়র মুঞ্জুরুল ইসলাম তপন বলেন, ‘জমিগুলো ওই প্রতিবন্ধির ও সকল কাগজপত্র সঠিক।’

  • ভূঞাপুরে মা-মেয়ে বাড়ী ফিরলেন লাশ হয়ে

    ভূঞাপুরে মা-মেয়ে বাড়ী ফিরলেন লাশ হয়ে

    হাফিজুর রহমান.টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি::
    টাঙ্গাইলের জেলার ভূঞাপুর উপজেলা সদর থেকে মা ও তার তিন বছর বয়সী ছোট্র মেয়ে কে নিয়ে বাড়ী ফিরছিলেন। পথিমধ্যে অটোভ্যানের সঙ্গে তেলবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে লাশ হয়ে বাড়ী ফিরতে হলো তাদের।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে ভূঞাপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব সড়কের উপজেলার বাগবাড়ী সেতুর ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন উপজেলার বিলচাপড়া গ্রামের কাপড় ব্যবসায়ী শহিদুলের স্ত্রী পারুল বেগম (৩৫) ও তার মেয়ে ছোঁয়া মনি (৩)। এসময় আহত হয় আরো চারজন। আহতদের উদ্ধার করে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

    ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান, নিহত পারুল বেগম তার মেয়েকে নিয়ে গ্রামের বাড়ী বিলচাপড়া যাওয়ার পথে ভূঞাপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু সড়কের বাগবাড়ী এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি তেলবাহী ট্রাকের সঙ্গে তাদের বহনকারী অটোভ্যানের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ঘাতক ট্রাক ও চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    হাফিজুর রহমান।

  • সুজানগর উপজেলা ছাত্রলীগের অনুমোদন দেওয়া কমিটি একদিন পরেই বাতিল করল জেলা ছাত্রলীগ

    সুজানগর উপজেলা ছাত্রলীগের অনুমোদন দেওয়া কমিটি একদিন পরেই বাতিল করল জেলা ছাত্রলীগ

    এম,এ আলিম রিপন(সুজানগর)পাবনাঃ পাবনার সুজানগর উপজেলা ছাত্রলীগ কর্তৃক অনুমোদনের একদিন পরেই শুক্রবার উপজেলার দুলাই ইউনিয়ন শাখা কমিটি স্থগিত এবং উপজেলার সরকারি ডাঃ জহুরুল কামাল ডিগ্রি কলেজ শাখা কমিটি বাতিল ঘোষণা করেছে জেলা ছাত্রলীগ। শুক্রবার(৬ জানুয়ারী) পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক মীর রাব্বিউল ইসলাম সীমান্ত স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক মীর রাব্বিউল ইসলাম সীমান্ত জানান, সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদনের এখতিয়ার উপজেলা ছাত্রলীগের না থাকলেও সুজানগর উপজেলা ছাত্রলীগ সরকারি ডাঃ জহুরুল কামাল ডিগ্রি কলেজ শাখা কমিটি অনুমোদন দেওয়ায় নতুন ওই কমিটি বাতিল এবং উপজেলার দুলাই ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি সম্মেলন না করেই এবং ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী না হওয়ায় উপজেলা ছাত্রলীগ কর্তৃক অনুমোদিত এ কমিটি স্থগতি করা হয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার(৫ জানুয়ারী) সজল আহসান সৌরভকে সভাপতি, মো.ইমন খানকে সাধারণ সম্পাদক এবং শুভ আলম ও রাকিবুল ইসলাম পায়েলকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে দুলাই ইউনিয়ন ছাত্রলীগ এবং উপজেলার সরকারি ডাঃ জহুরুল কামাল ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের মো.ওয়াহিদুজ্জামান জুয়েলকে সভাপতি, হাসিবুল হাসান, শান্ত ও শেখ ইফতেখার আহমেদ রবিন সহ-সভাপতি, আব্দুল আলিম প্রাং সাধারণ সম্পাদক,শেখ রাকিব ও শেখ কারিম যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এবং সৌরভ আলী ও নাসিম হোসেনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে এক বছরের জন্য নতুন কমিটি অনুমোদন দেন সুজানগর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম তমাল ও সাধারণ সম্পাদক তুষার আহমেদ। তবে জেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের সাথে পরামর্শ করেই নতুন ওই কমিটিগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল বলে দাবী করেন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম তমাল ও সাধারণ সম্পাদক তুষার আহমেদ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • গ্রামে গ্রামে পুকুর খাল ও নদী খননের নামে চলছে মাটি বানিজ্য নেতা দালাল ও জনপ্রতিনিধিদের সিন্ডিকেট

    গ্রামে গ্রামে পুকুর খাল ও নদী খননের নামে চলছে মাটি বানিজ্য নেতা দালাল ও জনপ্রতিনিধিদের সিন্ডিকেট

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    কঠোর আইন আছে কৃষি জমির মাটি কাটা যাবে না। পুকুর খননের মাটি পুকুর পাড়ে রাখতে হবে। এলজিইডির গ্রামীন সড়কের ক্ষতি হয় সে জন্য মাটি নিয়ে ভারি যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ। আইন ভঙ্গ করলে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা ও জেলের বিধান রয়েছে। কিন্ত এ সব আইন আর বিধি নিষেধ কেবল কাগজে, বাস্তবে নেই। ঝিনাইদহ জেলায় শীত মৌসুম আসলে মাটি কাটার হিড়িক পড়ে যায়। গ্রামে গ্রামে এখন মাটি বিক্রির ধুম পড়ে গেছে। কথিত আছে প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই মাটি সিন্ডিকেটের এই মহোৎসব চলছে। কিন্তু প্রতিকার নেই। বরং ধুমছে চলছে মাটি কেনাবেচার রমরমা বানিজ্য। ফলে ৬ উপজেলায় এলজিইডির গ্রামীন রাস্তা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। পাকা রাস্তায় মাটি পড়ে বিপজ্জনক অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। এদিকে রাস্তা রক্ষার জন্য ২০২০ সালের ৩ ডিসেম্বর ১৯৫২ সালের বিল্ডিং কনষ্ট্রাকশন এ্যক্টের ৩ ধারা মতে একটি পরিপত্র জারী করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের (উন্নয়ন-২) উপ-সচিব জেসমিন পারভিন। ওই আইনের দন্ডবিধির ১৮৬০ এর ধারা ৪৩১ মোতাবেক সরকারী রাস্তার ক্ষতি সাধন ফৌজদারী দন্ডনীয় অপরাধ। এই আইনে ৫ বছরের কারাদন্ড, জরিমানা বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে। ফলে সরকারী রাস্তার ক্ষতি সাধন হয় এমন কাজ করা যাবে না। অথচ আইন বাস্তবায়নে রহস্যজনক উদাসিন প্রশাসন। সরজমিন তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কুমরাবাড়িয়া ধোপাবিলা গ্রামের জসিম নামে এক ব্যক্তি রাতের আধারে মাটি বিক্রি করছেন। কোন বিধি নিষেধ তিনি মানছেন না। মধুহাটী ইউনিয়নে নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দেদারছে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে। সদর উপজেলার বাথপুকুর গ্রামের গাজী আব্দুল হালিম, একই গ্রামের পিকুল, আলী আকবর মেম্বর, দশমী গ্রামের সাইদ বঙ্গাল, মোহাম্মদজুমা গ্রামের উজ্জল, কোটছাঁদপুর উপজেলায় বলুহর বাসষ্ট্যান্ড পাড়ার আরাফাত, লক্ষিপুরের জিলানী, পাল্লা ফুলবাড়ির সাইদুল, দোড়া পাচলিয়া গ্রামের রাব্বি হাসান, শাহজাহান আলী, নারায়নবাড়িয়ার শরিফুল ইসলাম, তালসারের জাহিদ মেম্বর, বলুহর বারোমেসে ব্রীজের তরিকুল মাটি কেটে বিক্রি করছেন। এদিকে মহেশপুরে করতোয়া নদীতে খননযন্ত্র বসিয়ে অবৈধভাবে বালি তুলছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. মাজহারুল হক ওরফে স্বপন। বালি তুলে তিনি নদীর কিছুটা দূরে রাখা হচ্ছে। যন্ত্র বসিয়ে এভাবে বালু তোলার কারণে নদীর পাড় ভাঙনের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আশপাশের চাষের জমির ক্ষতি হবে বলে তাঁরা জানান। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, মহেশপুর উপজেলার পশ্চিম-দক্ষিণ পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া করতোয়া নদীর হুদোপাড়া গ্রামে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু তোলা হচ্ছে। বালি তোলা শ্রমিক আসাদুল ইসলাম, সোহেল হোসেন ও শাহিনুর রহমান জানান, চেয়ারম্যান তাঁদের চুক্তিতে এখানে এনেছেন। এখানে তিন সপ্তাহ হলো তাঁরা বালু তুলছেন। তাঁরা ৭৮ ফুট গভীর করে বালি তুলছেন। বালি তোলার সঙ্গে চেয়ারম্যান জড়িত থাকায় তাঁরা প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না। এর আগে মহেশপুর উপজেলার বৈচিতলা বেড়ের মাঠ এলাকায় কপোতাক্ষ নদ থেকে অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলন করে আলোচনায় আসেন স্থানীয় পৌর মেয়রের ভাই মনিরুল ইসলাম ওরফে মিন্টু খান মহেশপুর প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থায় নিতে পারেনি। এ বিষয়ে পান্থপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাজহারুল হক বলেন, এই বালু তোলায় এলাকার কোনো ক্ষতি হবে না। ইউনিয়নে তাঁর বিপক্ষে একটি পক্ষ রয়েছে, যাঁরা তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন। যে স্থানে বালু তোলা হচ্ছে, সেই স্থানের পাশের জমি তাঁর। ফলে ভাঙন হলে ক্ষতি তারই হবে। মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নয়ন কুমার রাজবংশী বলেন, তিনি বিষয়টি অবগত নন। তবে এ জাতীয় ঘটনা থাকলে দ্রæত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান। এদিকে জেলা প্রশাসনের একটি সুত্র জানায়, অভিযোগ পাওয়া মাত্রই ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। কোটচাঁদপুরের তালসার এলাকার হাজিপাড়ায় জনৈক হাবিবুর রহমান হাবিব ও সদর উপজেলার সাধুহাটী কৃষি ফার্মের পেছনে শহিদ নামে এক ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • নড়াইলে পুলিশের অভিযানে ডাকাতির ৫ মাস পর ৩ ডাকাত গ্রেফতার

    নড়াইলে পুলিশের অভিযানে ডাকাতির ৫ মাস পর ৩ ডাকাত গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে পুলিশের অভিযানে ডাকাতির ৫ মাস পর ৩ ডাকাত গ্রেফতার। নড়াইলের লোহাগড়ার চরবগজুড়ি গ্রামের নাহিদ আলমের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনার পাঁচমাস পর তিনজন ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে লোহাগড়া থানা পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় থানার হলরুমে এ তথ্য জানিয়েছেন নড়াইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো: দোলন মিয়া। এ সময় লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাসিরউদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ঠ তদন্তকারী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. দোলন মিয়া জানান, নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার চরবগজুড়ি গ্রামের মৃত রজিবর রহমানের ছেলে জাহাজে কর্মরত নাহিদ আলমের বাড়িতে বিগত ২০২২ সালের বছরের ৫ আগষ্ট রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়। ডাকাতরা পাট কাটার শ্রমিকের ছদ্মবেশে ওই বাড়িতে অবস্থান করে। পরবর্তীতে ডাকাতরা তাদের সুবিধাজনক সময়ে পরিবারের সদস্যদের চেতনানাশকদ্রব্য খাইয়ে অজ্ঞান করে বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকাসহ প্রায় চার লাখ টাকার মালামাল ডাকাতি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় নাহিদ আলম বাদি হয়ে গত বছরের ৬ আগষ্ট লোহাগড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা লোহাগড়া থানার এসআই সুজিত সরকার তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাতির ঘটনায় জড়িতদের সনাক্ত ও তাদের অবস্থান নিশ্চিত করেন। বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে বাগেরহাট সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় বাগেরহাট জেলার কচুয়া থানার গজালিয়া গ্রামের আহম্মদ শেখের ছেলে ফেরদৌস শেখ (৩৫), বাগেরহাট সদর উপজেলার খানপুর গ্রামের ইউনুচ হালদারের ছেলে জিয়া হালদার ( ৪০) ও নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের চর লংকারচর গ্রামের জলিল গাজীর ছেলে বাহার গাজীকে (২৩) গ্রেফতার করেন। এসময় ডাকাতদের কাছ থেকে ডাকাতি হওয়া মালামালের মধ্যে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয় এবং বাকি মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা অব্যহত রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • পঞ্চগড়ে  চলছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ

    পঞ্চগড়ে চলছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ

    বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ;
    পঞ্চগড়ে চলছে কোন কোনে বাতাস সহ কুয়াশা ও মৃদু শৈত প্রবাহ গত কয়েকদিন ধরে উঠানামা মাঝে মাঝে এক পসলা রোদ দেখা দিলেও থাকে না বেশিক্ষণ। যারা দিনে আনে দিনে খান মানুষেরা চরম কষ্টের দিনাতিবাদ করছে করছে। বয়স্ক শিশুরা ঠান্ডা জনিত কারণে হয়ে বিভিন্ন অসুখে আক্রান্ত হয়ে পঞ্চগড়ে আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে দেখা যাচ্ছে। নির্দিষ্ট কাজের চেয়ে ঘর থেকে বের হন না সাধারণ মানুষ তেতুলিয়া আবহাওয়া অধিদপ্তর কর্মকর্তা রাসেল শাহ জানান আজ সকাল ৯ ঘটিকার সময়
    ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে এরমধ্যে উঠা নামাও করছে আরো কয়েকদিন চলবে।

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি