Author: desk

  • সিঙ্গাপুর যেতে হবেনা এই দেশ হবে সিঙ্গাপুর- আব্দুর রহমান

    সিঙ্গাপুর যেতে হবেনা এই দেশ হবে সিঙ্গাপুর- আব্দুর রহমান

    মোঃ মনিরুল ইসলাম,নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    আপনার যদি সামনে ২০২৪ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে আবারও প্রধানমন্ত্রী করতে পারেন, সিঙ্গাপুর যেতে হবেনা, এই দেশ সিঙ্গাপুরে পরিনত হবে
    ইনশাআল্লাহ।
    ৪৪-চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট) আসনে পহেলা ফেব্রুয়ারি একাদশ জাতীয় সংসদ উপ-নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জিয়াউর রহমানের নৌকা প্রতীকের বিজয়ী করার লক্ষে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান কালে এ কথা বলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান।

    তিনি আরও বলেন এদেশের হাজারো গরিব দুঃখী মানুষের ঘড়বাড়ির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। বিদ্যুৎ এর অনেক উন্নয়ন হয়েছে। জনগণের চলাচলে সুবিধার্থে প্রায় সব রাস্তাঘাট পাকা করে দিয়েছেন। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২আসনের মানুষের উন্নয়নে অনেক কাজ করেছেন। যা আপনারা নিজেরাই প্রমানিত।
    আপনার নৌকা ভোট দিবেন। এদেশের আরো অনেক কাজ রয়েছে সে গুলো
    আমাদের করতে হবে।
    আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদেরের সঞ্চালনায় নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
    আব্দর রহমান আরো বলেন, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি উপনির্বাচনে আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকুন, বিপুল ভোটে নৌকার প্রার্থী জিয়াউর রহমানকে নির্বাচিত করে প্রধানমন্ত্রীকে এই আসনটি উপহার দিবেন।
    সম্মানিত অতিথির বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা এসএম কামাল হোসেন।
    বিশেষ অতিরি বক্তব্য দেন দলটির দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আরাফাত, আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম আনোয়ার, জেলা আওয়ামী লীগের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি ও নৌকার প্রার্থী জিয়াউর রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস, শিবগঞ্জ ১আসনের সংসদ সদস্য ডা. শিমুল আহমেদ, নাচোল পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ খান ঝালু, নাচোল উপজেলা শাখা যুব মহিলা লীগের সভানেত্রী জান্নাতুন নাঈম মুন্নি।
    এছাড়াও আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, উপজেলা ছাত্রলীগ, পৌর ছাত্রলীগ,
    কলেজ শাখার ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, তাঁতি লীগ, শ্রমিক লীগের নেতৃববৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • মধুপুরে ভুট্রা গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

    মধুপুরে ভুট্রা গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
    টাঙ্গাইলের মধুপুরের জটাবাড়ী এলাকায় জমিতে লাগানো ভুট্রা গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা।
    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, জটাবাড়ী এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে জটাবাড়ী পুর্বপাড়া গ্রামের মৃত আঃ হামিদের ছেলে আল আমিনের জমিতে লাগানো ভুট্রা গাছ কেটে ফেলেছে প্রতিবেশী আঃ ছাত্তারের ছেলে সুলতান, মিনহাজ, কিতাব আলীর ছেলে নুরুল ইসলাম,ছামাদ ইয়াছিন পিতা মৃত নুরুল ইসলাম।
    ভুক্তভোগী আল-আমিন জানান, উক্ত ব্যক্তিদের সাথে দীর্ঘদিন যাবত জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে তারা বৃহস্পতিবার(২৬ জানুয়ারি)রাতে আমার চাষ করা ৫৬ শতাংশ জমি হতে প্রায় ২৫ শতাংশ জমির ভুট্রা গাছ কেটে বিনষ্ট করে এবং ২টি একাশি গাছ কেটে নিয়ে যায়। এতে প্রায় ৫৫ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে আল আমিন জানান। এব্যাপারে আল আমিন বাদী হয়ে মধুপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।এব্যাপরে মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন বিপিএম এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে দোষীদের ব্যাবস্হা নেয়া হবে।

  • মাগুরায় ৯৮ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

    মাগুরায় ৯৮ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

    রক্সী খান মাগুরা প্রতিনিধি – “বন্ধু মানেই ইচ্ছেগুলো এক ” এ শ্লোগান নিয়ে মাগুরায় এসএসসি ৯৮ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, অলোচনাসভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    আজ শনিবার সকাল ১১ টায় মাগুরা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ চত্বর থেকে এ উপলক্ষে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে পুনর্মিলনী আয়োজন কমিটির আহবায়ক মোঃ রাসেল রিমনের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রফেসর মোঃ আব্দুল হাকিম, অধ্যক্ষ মাগুরা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন মোঃ জিয়াউল হাসান প্রধান শিক্ষক মাগুরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, নির্মল কুমার জোয়াদ্দার প্রধান শিক্ষক মাগুরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। আলোচনা শেষে প্রাক্তন শিক্ষকদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
    এছাড়াও দিনব্যাপি খেলাধূলা ও জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে মাগুরা এসএসসি ৯৮ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে এসএসসি ৯৮ ব্যাচের ৩০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

    রক্সী খান ,মাগুরা।

  • রাজধানীতে কবর সংরক্ষণ নিরুৎসাহিত করতে ফি বাড়িয়েছে ডিএনসিসি

    রাজধানীতে কবর সংরক্ষণ নিরুৎসাহিত করতে ফি বাড়িয়েছে ডিএনসিসি

    মোঃ রাসেল সরকার//
    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) কবর সংরক্ষণে নিরুৎসাহিত করতে ফি বাড়িয়েছে। সেজন্য জারি করা হয়েছে নতুন নীতিমালা। আগে ১০, ১৫, ২০, ২৫ বছর পর্যন্ত কবর সংরক্ষণের সুযোগ ছিল। কিন্তু নতুন নীতিমালায় ১৫ বছর বা ২৫ বছর মেয়াদি কবর সংরক্ষণ করতে হবে। আগে বনানী কবরস্থানে ১৫ বছর কবর সংরক্ষণে যেখানে ফি ছিল ২৪ লাখ, এখন তা এক কোটি টাকা করা হয়েছে। একই কবরস্থানে আগে ২৫ বছরের জন্য কবর সংরক্ষণ ফি ছিল ৪৫ লাখ টাকা। এখন তা এক কোটি ৫০ লাখ টাকা করা হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, রাজধানীর ৬টি কবরস্থানে মরদেহ দাফনে ডিএনসিসি নতুন নীতিমালা জারি করেছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী কবর সংরক্ষণ করা যাবে ১৫ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত। সেজন্য একটি কবর সংরক্ষণে এক থেকে সর্বোচ্চ দেড় কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হবে। আগে ৬ থেকে ১১ লাখ টাকার মধ্যে একই সময় পর্যন্ত কবর সংরক্ষণ করা যেতো। মূলত কবর সংরক্ষণে নাগরিকদের নিরুৎসাহিত করতেই ফি বাড়ানো হয়েছে। সূত্র জানায়, রাজধানীর উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টর কবরস্থানে আগে ১৫ বছর কবর সংরক্ষণ ফি ছিল ৬ লাখ, এখন তা ৭৫ লাখ টাকা করা হয়েছে। আর ২৫ বছর কবর ফি ছিল ১১ লাখ, এখন তা এক কোটি টাকা করা হয়েছে। উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর কবরস্থানে ১৫ বছর কবর সংরক্ষণ ফি ছিল ৬ লাখ, এখন তা বেড়ে ৫০ লাখ টাকা করা হয়েছে। আর ২৫ বছরের কবর সংরক্ষণ ফি ৭৫ লাখ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টর কবরস্থানে আগে ১৫ বছর কবর সংরক্ষণ ফি ছিল ২৪ লাখ, এখন ৩০ লাখ টাকা করা হয়েছে। আর ২৫ বছরের ফি ৪৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ লাখ টাকা করা হয়েছে। মিরপুর কবরস্থানে আগে ১৫ বছর কবর সংরক্ষণ ফি ছিল ৬ লাখ, এখন তা ২০ লাখ করা হয়েছে। আগে ২৫ বছর কবর সংরক্ষণ ফি ছিল ১১ লাখ, এখন তা ৩০ লাখ করা হয়েছে। তাছাড়া রায়ের বাজার কবরস্থানে আগে ১৫ বছর কবর সংরক্ষণ ফি ছিল ৬ লাখ, এখন তা ১০ লাখ করা হয়েছে। আর ২৫ বছর কবর সংরক্ষণ ফি ছিল ১১ লাখ, এখন তা বাড়িয়ে ১৫ লাখ করা হয়েছে। সূত্র আরো জানায়, বিগত ২০০৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত কবরের জন্য স্থায়ী জায়গা কেনা বন্ধ হয়ে যায়। আর ২০০৮ সাল থেকে বিভিন্ন মেয়াদে কবর সংরক্ষণের ব্যবস্থা শুরু হয়ে এখনো তা অব্যাহত আছে। এখন সরকারি ফিসহ ঢাকার কবরস্থানে মরদেহ দাফন করতে ৬ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ হয়। সাধারণত ওই কবরগুলো এক থেকে দেড় বছর স্থায়ী হয়।
    এদিকে এ প্রসঙ্গে উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা জানান, গুলশান, বারিধারা ও বনানী এলাকায় তুলনামূলক ধনীরা বাস করে। তাদের পরিবারের কেউ মারা গেলে তারা সবার কবরই সংরক্ষণ করতে চায়। ওই সংরক্ষণকে নিরুৎসাহিত করতেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

  • নাঙ্গলকোটে সাবেক সাংসদ জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়ার ১৮তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

    নাঙ্গলকোটে সাবেক সাংসদ জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়ার ১৮তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

    আব্দুর রহিম বাবলু :
    কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের গণমানুষের নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়ার ১৮ তম মৃত্যু বার্ষিকী ২৭ জানুয়ারী শুক্রবার নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন সদস্য সচিব, উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতি সভাপতি ও ঢালুয়া ইউপি চেয়াম্যান নাজমুল হাসান ভূঁইয়া বাছিরের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বাদ ফজর কোরআন খতম, সকাল সাড়ে ১০টায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, ১১টায় পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কবর জিয়ারত এবং দুপুর ১২টায় তাবারুক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

    উল্লেখ্য সাবেক সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়া ১৯৪৮ সালে নাঙ্গলকোট উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি নাঙ্গলকোটবাসীকে কাঁদিয়ে চিরবিদায় নিয়ে চলে যান।
    দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, নাঙ্গলকোট উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি শামছু উদ্দিন কালু, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলী হোসেন চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক আবু ইউসুফ ভূঁইয়া, কুমিল্লা জেলা পরিষদ সদস্য আবু বকর সিদ্দিক আবু, নাছরিন আক্তার মুন্নি, উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতি সাধারণ সম্পাদক ও মৌকরা ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুদ্দিন আলমগীর, বাঙ্গড্ডা ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান মজুমদার, এয়াকুব আলী মজুমদার, রায়কোট দক্ষিণ চেয়ারম্যান আবুল কালাম ভূঁইয়া, সাবেক চেয়ারম্যান মজিবুল হক মজিব, মক্রবপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মর্তুজা চৌধুরী মুকুল, হেসাখাল ইউপি চেয়াম্যান ইকবাল বাহার মজুমদার, বটতলী ইউপি চেয়াম্যান আব্দুল জলিল, আদ্রা উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম, জোড্ডা পূর্ব ইউপি চেয়াম্যান নূরুল আফসার, উপজেলা আ’লীগ প্রচার সম্পাদক শাহ খোরশেদ আলম, উপজেলা ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক সুমন, উপজেলা স্বেচ্চাসেবকলীগ সভাপতি ওমর ফারুক মামুন, সাধারণ সম্পাদক শেখ রাসেল মজুমদার, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ সাবেক সহ-সভাপতি হাসান খোরশেদ ভূঁইয়া ফরহাদ, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতি হারুনুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ, উপজেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আলী নোয়াব, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুল ইসলাম রুবেল, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন ইউনিয়ন আ’লীগ ও এর আঙ্গ সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ।
    জানা যায়, সাবেক সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী। জীবদ্দশায় তিনি আওয়ামী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭৭ সালে জীবনের প্রথম নির্বাচনে নাঙ্গলকোটের ঢালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী হন। বিপুল জনপ্রিয়তার কারণে ১৯৭৯ সালে তিনি আওয়ামী লীগের দূর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন লাভ করেন। তরুণ বয়সে নৌকার কান্ডারি। জীবনের প্রথম সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পরবর্তীতে এরশাদ মন্ত্রীসভার প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমদকে বিশাল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে সারাদেশে আওয়ামী লীগের মাত্র ৩৯ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়া ছিলেন অন্যতম একজন। প্রথমবার এমপি নির্বাচিত হয়ে তিনি চৌদ্দগ্রামের হোমনাবাদ অঞ্চল এবং লাকসাম উপজেলার অবহেলিত পাঁচটি ইউনিয়নের সমন্বয়ে নাঙ্গলকোট উপজেলা (থানা) গঠনের প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করেন। এরই প্রেক্ষিতে ১৯৮৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর নাঙ্গলকোট উপজেলা প্রতিষ্ঠা হয়; উপজেলা প্রতিষ্ঠার পূর্বে এটি লাকসাম ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলার অংশবিশেষ ছিল।
    জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়া ১৯৮৬ এবং ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কিন্তু তিনি সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। ১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে বিশাল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি নাঙ্গলকোটে ব্যাপক উন্নয়ন করেন। ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়া আওয়ামী লীগের মনোনয়ন লাভ করেন। কিন্তু ওই নির্বাচনে তিনি পরাজিত হয়। প্রয়াত জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়া খুবই সাধারণ জীবন যাপন করতেন। ব্যাপক জনপ্রিয়তায় তিনি নাঙ্গলকোটের মাটি ও মানুষের খেতাব লাভ করেন।
    ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়া নাঙ্গলকোটবাসীকে নিঃশব্দে কাঁদিয়ে চিরবিদায় নিয়ে চলে যান। তাঁর তিনটি জানাজায় লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশগ্রহণ করে। নিজ বাড়ি বদরপুরে বাড়ির পার্শ্বে পুকুর ধারে সবুজ বৃক্ষে ঘেরা শ্যামল মাটিতে তাকে অন্তিম শয়ানে শায়িত করা হয়।

  • ঝালকাঠিতে কাভার্ডভ্যানের চাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    ঝালকাঠিতে কাভার্ডভ্যানের চাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির রাজাপুরে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঝালকাঠি-পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে নৈকাঠি (পালবাড়ি) নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় রাস্তার দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

    নিহত দুই মোটরসাইকেল আরোহী হলো রাজাপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব রাজাপুর এলাকার মৃত আব্দুল করিম হাওলাদারের ছেলে মো. আলি হায়দার মহারাজ (৫৩) ও আংগারিয়া এলাকার মৃত নাজেম আলী তালুকদারের ছেলে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন শাহিন (৫৬)।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বসুন্ধারা গ্রুপের গ্যাসের সিলিন্ডারবাহী একটি কাভার্ড ভ্যান (খুলনা মেট্রো উ-১১-০১৪৫.) পিরোজপুর থেকে ছেড়ে এসে বরিশালের দিকে যাচ্ছিলো। বিপরীত দিক রাজাপুর থেকে একটি মোটরসাইকেলে দুই আরোহী পিরোজপুর যাচ্ছিল। এ সময় মোটরসাইকেল ও কাভার্ডভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়।

    খবর পেয়ে থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে এবং লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

    রাজাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ পুলক চন্দ্র রায় বলেন, চালক পালিয়ে গেলেও কাভার্ডভ্যানটি আটক করা হয়েছে। পরিবারের সাথে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • ৪ লাখ টাকা দামের ভটভোটি উদ্ধার  সঙ্গে দুই জন চোর আটক

    ৪ লাখ টাকা দামের ভটভোটি উদ্ধার সঙ্গে দুই জন চোর আটক

    নওগাঁ পোরশা থানা প্রতিনিধিঃ মোঃ তোফাজ্জল হোসেন

    বেশ কিছু দিন থেকে এলাকায় কিছু কিছু চোরের উৎপাত পরিলক্ষিত হলেও তারা বর্তমানে ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকলেও গতরাতে একটি মারাত্মক চুরি হয়েছে নিতপুর ইউনিয়ন এর যমুনার বাগান থেকে বসবাস কারী মোঃ আব্দুর রহিম পটলের ৪ লাখ টাকা দামের একটি ভটভটি গাড়ি সেই চুরি হওয়া ভটভটিটি উদ্ধার করেছে পোরশা থানা পুলিশ বাহিনী শুধু তাই নয় সঙ্গে দুই জন চোর একজন হলো আবু তাহের এর পুত্র কামাল ২১ ও জেনারেল এর পুত্র আসাদুজ্জামান ২০ গাড়ি সহ দুই চোর কে আটক করা হয়েছে নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাকা রাস্তা থেকে পোরশা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ জহুরুল হক সাহেব এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • আই ই বি নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত দাসকে ১৫নং ব্যালটে ভোট দিন

    আই ই বি নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত দাসকে ১৫নং ব্যালটে ভোট দিন

    আজ দৃশ্যমান ডিজিটাল বাংলাদেশ,স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে এই স্লোগান কে সামনে রেখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ভীশন ২০৪১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ও আইআর ৪ এর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায়, দেশের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড শক্তিশালী বজায় রাখতে,ডেল্টা প্লান-২১০০ বাস্তবায়নে প্রকৌশলীদের সমাজের ভুমিকা অনস্বীকার্য।

    আপনারা হয়তো সকলে অবগত রয়েছেন ২০২৩ -২০২৪ বছর মেয়াদে ৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আই ই বি নির্বাচন।
    উক্ত নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ (বিপিপি) এর চট্টগ্রাম কেন্দ্রের মনোনীত প্রার্থী হিসাবে লোকাল কাউন্সিল মেম্বার পদে
    ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত দাসকে মনোনীত করা হয়েছে। যাহার ব্যালট নাম্বার ১৫। তাই আমরা ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত দাসকে মনোনীত করার জন্য ১৫নং ব্যালটে আপনাদের মহামুল্যবান ভোটের প্রত্যাশা করছি।

    ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত দাস আপাদমস্তক একজন সাধারন মানুষ তার সিরিয়াল নম্বর ১৫ বলাবাহুল্য যে ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত দাস ছাত্রজীবন থেকেই আই ই বি (Institution of Engineers Bangladesh) চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সহিত বিভিন্ন কমিটির সহিত অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। এছাড়াও তিনি প্রায় বিগত ২৮ বছর যাবৎ আই ই বি তে তার পদচারনা ছিলো,বর্তমানে আছে ও ভবিষ্যতেও থাকবে। তিনি আপনাদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হলে আপনাদের সকল পরামর্শ এবং মতামত কে প্রাধান্য দিয়ে যেকোন কাজে সর্বদা সচেষ্ট থাকবে। তাই আপনাদের মহামুল্যবান ভোট ১৫ নং ব্যালটে দিয়ে তাকে জয়যুক্ত করবেন এই প্রত্যাশা রইলো।

    প্রচারে- আই ই বি (Institution of Engineers Bangladesh) এর ভোটারগন।

  • বানিয়াধলায় বীরমুক্তিযোদ্ধা রহমান ফকির এর বাৎসরিক ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত

    বানিয়াধলায় বীরমুক্তিযোদ্ধা রহমান ফকির এর বাৎসরিক ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সদর উপজেলার সীমান্ত এলাকার পাশ্ববর্তী ত্রিশাল উপজেলার বানিয়াধলা গ্রামের ওলি কুলের শিরোমণি, তৌহিদের বাদশা চামারা শেখ ফকির এর নাতি মরহুম ছমেদ আলী মুন্সীর সন্তান বর্তমান গদীনশীল পীর বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান ফকির এর ৩৭ তম বাৎসরিক ওরশ মোবারক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৭জানুয়ারী) রাত ১০ টায় ত্রিশাল উপজেলা কাঁঠাল ইউনিয়নের বানিয়াধলা গ্রামে বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান ফকির এর নিজ বাড়ীতে এই ওরশ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ওরশ মাহফিল উপলক্ষে বিশাল বাউল সঙ্গীত অনুষ্ঠিত হলে এতে দেশবরেণ্য বাউল শিল্পীরা গান পরিবেশন করেন।

    ওরস মাহফিল উপলক্ষে প্রতি বছরের ন্যায় এই বছরেও বাউল গানের আয়োজন করে ওরশ মাহফিল কমিটি। ওরশ কমিটির সভাপতি জসিম উদ্দিন এর সভাপতিত্বে মাহফিলে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন কাঁঠাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরে আলম ছিদ্দিকী আলম,ভাবখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক রমজান আলী,জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ এর সদস্য ভাবখালী ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রনেতা সাংবাদিক আরিফ রববানী, জাতীয় শ্রমিকলীগ সদর উপজেলা শাখার সদস্য আল আমিন, ভাবখালী ইউনিয়ন জাতীয় শ্রমিকলীগের সদস্য সচিব জসিম উদ্দিন প্রমুখ।

    ওরশ কমিটির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান মেম্বারের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ওরশ কমিটির ,সাধারণ সম্পাদক হাইজুল মিয়া,সহ-সভাপতি অজিত মিয়া,প্রচার সম্পাদক সাদেক মিয়া,কোষাধ্যক্ষ শহিদ মিয়া,সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা কলিম উদ্দিন, রুহুল আমিন,আদিল মিয়া,হেলাল উদ্দিন, রতন মেকার,শফিকুল ইসলাম ফকির সহ সকল সদস্য এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান ফকির এর মুরিদ ভক্ত ও আশেকানবৃন্দ।

  • মাদকসেবী, মাদক কারবারিরা দেশ জাতি ও সমাজের শত্রু, তাদের সাথে কোন আপোষ নেই-ওসি শাহ কামাল আকন্দ

    মাদকসেবী, মাদক কারবারিরা দেশ জাতি ও সমাজের শত্রু, তাদের সাথে কোন আপোষ নেই-ওসি শাহ কামাল আকন্দ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেছেন, মাদকসেবী, মাদক কারবারিরা দেশ জাতি ও সমাজের শক্র। মাদকসেবিা নিজে এবং তার পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করছে। মাদকের কারণে খুন, সন্ত্রাস, হানাহানি বৃদ্ধি হচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাসীদের সাথে কোন ধরনের আপোষ নেই। মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীরা যত বড় আর যতই ক্ষমতাশালী হোক না কেন আইন শৃংখলা বাহিনী তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে কোন দ্বিধা করবে না।

    শুক্রবার (২৭জানুয়ারী) রাত ৮টায় মাইজবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন।

    ওসি শাহ কামাল আকন্দ আরো বলেন, আপনার সন্তান কখন, কোথায় এবং কার সাথে চলাফেরা করে তা নিশ্চিত করুন। এলাকাবাসী সচেতন হলে অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে। মাদকসেবি, মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী, জুয়াড়ি ও ভুমিদস্যুদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন। এই গ্রামকে অপরাধমুক্ত করা হবে। আগামী এক মাসের মধ্যে এই গ্রামে কোন অপরাধী থাকতে পারবে না। এক মাস পরও আবারো সমাবেশ করা হবে। তথ্যদাতাদের নাম পরিচয় গোপন রেখে মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, থানায় মামলা, জিডি, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে কেউ হয়রানি হবেন না।
    আলহাজ্ব মোঃ রুহুল আমীন মাস্টারের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মাইজবাড়ি এলাকাবাসীর আয়োজনে এই সমাবেশ হয়।

    খাগডহর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মাহমুদুল হাসানের (কামরুল) সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর মোঃ আবুল বাশার।

    মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ এবং এলাকা গড়তে প্রশাসনকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে এছাড়া বক্তব্য রাখেন, নাইম হাসান খান, মোজাম্মেল হক তোজা, আলহাজ্ব আব্দুল জব্বার, মাওলানা জোবায়ের হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, মাওলানা আব্দুল করিম, মোখলেছুর রহমান হাক্কু, জিয়াউর রহমান জিয়া, হেলাল উদ্দিন, খলিলুর রহমান খলিল, আকরাম আলী, সিরাজুল ইসলাম, রাশিদুল ইসলাম রবিন। পরে মাহমুদুল হাসান কামরুলকে আহবায়ক করে মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া ও ভুমিদস্যু প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়।