Author: desk

  • সততা ও কর্মদক্ষতার প্রতীক ফুলপুরের পিআইও 	আশীষ কর্মকার

    সততা ও কর্মদক্ষতার প্রতীক ফুলপুরের পিআইও আশীষ কর্মকার

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন কর্মকান্ডের প্রকল্প বাস্তবায়ন ও আর্তমানবতার সেবায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে ইতিমধ্যে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আশীষ কর্মকার।

    সৎ-সাহস ও সদিচ্ছা থাকলে একদিন কঠিন কাজেও সফলতা অর্জন করা সম্ভব সাম্প্রতিক সময়ে তার কর্মকান্ডে এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। যে কারণে জনগণ প্রকল্পের উন্নয়ন ও সঠিক বাস্তবায়নে তাদের আস্থা ও নির্ভরতার প্রতিক হিসেবে খুঁজে পেয়েছেন পিআইও আশীষ কর্মকারকে।

    এর আগে তিনি হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে বাহুবল বাসীর প্রসংশার দাবীদার হয়ে গত ২০২২সালের ২২শে এপ্রিল ফুলপুর যোগদান করেন। যোগদানের পর পিআইও শাখাকে তিনি নিজের মত করে ঢেলে সাজিয়েছেন। উদ্যোগ নিয়েছেন দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত অনিয়ম আর দুর্নীতি দুর করে একটি আধুনিক জনপদ গড়ে তোলার।
    তার সততা ও কর্মদক্ষতায় ক্রমান্বয়ে বদলে গেছে পিআইও শাখার প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সার্বিক চিত্র। কমেছে জনভোগান্তী আর বৃদ্ধি পেয়েছে জনসেবার মান। তিনি প্রতিটি উন্নয়নের কাজকে বাস্তবায়ন করে এ উপজেলাকে উন্নত আধুনিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
    উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তিনি প্রতিটি প্রকল্পের কাজ স্ব-শরীরে পরিদর্শন করে সকল প্রকার উন্নয়নকে জনবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। তার কার্যালয় সবার জন্য উম্মুক্ত দ্বার হিসেবে পরিণত করেছেন।
    তিনি দাপ্তরিক কাজের বাইরে উপজেলার সব প্রান্তে রুটিন কাজের বাইরে কাজ করাসহ দায়িত্বশীলতা, সততা ও মেধা দিয়ে উপজেলার সকল প্রকল্প স্পটে দেখভাল করেন।প্রকল্পের কাজের গুনগত মান নিশ্চিত দেখে অর্থ ছাড়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি । কথা বলেন সব শ্রেণীর মানুষের সাথে এবং শোনেন তাদের দুঃখ কষ্টের কথা। নিয়মিত খোঁজ খবর নেন সমাজের অবহেলিত উন্নয়ন বঞ্চিত মানুষের। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সকল উন্নয়ন সেবা নিজ তত্ত্বাবধানে মানসম্মত করেতে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

    উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে টি-আর, কাবিখা, সোলার প্যানেল ও অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচিসহ বিভিন্ন প্রকল্প গণপূর্ত ও গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ও ১৪৭ ময়মনসিংহ-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য শরীফ আহমেদ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউল করিম রাসেল এবং ইউএনও এম সাজ্জাদুল হাসান মহোদয়ের আন্তরিক সমন্বয়ের কারণে উপজেলার মানুষের জন্য সরকারের দেওয়া সবগুলো অনুদানই যাচ্ছে প্রয়োজনীয় স্থানে।

    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাজের প্রশংসা করে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ বলেন, এত ভাল নম্র, ভদ্র পিআইও এ উপজেলায় আগে কখনো দেখিনি। তিনি অসহায় এবং গরীব মানুষের প্রকৃত বন্ধু। অন্যায় এবং অসৎ বক্তিদের কখনো প্রশ্রয় দেন না। যার কারনে সাধারন মানুষ পিআইওর ওপর আস্থা পেয়েছেন। এক কথায় তিনি একজন সততা ও কর্মদক্ষতার প্রতিক। তিনি একজন সৎ ও পরিশ্রমী মানুষ।যে কারণে তিনি স্বল্প সময়ে উপজেলার সকল মানুষের মাঝে হয়ে উঠেছেন এক অসাধারণ গল্পের মানুষ।

    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আশীষ কর্মকার এর সাথে কথা হলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, জনগনকে সেবা দেয়াই আমাদের মূল লক্ষ। আমি চেষ্টা করি সরকার যে দায়িত্বটুকু দিয়েছেন তা সঠিক ভাবে পালন করতে।তিনি আরও বলেন, জনপ্রতিনিধি ও সরকারী কর্মকর্তারা সকলেই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করি তাহলে অবশ্যই সরকারের সকল কাজই জনগণের কল্যানে আসবে।

  • স্বরূপকাঠিতে আওয়ামীলীগের ওয়ার্ড সভাপতিকে বিএনপি নেতার হুমকি

    স্বরূপকাঠিতে আওয়ামীলীগের ওয়ার্ড সভাপতিকে বিএনপি নেতার হুমকি

    আনোয়ার হোসেন।
    স্বরূপকাঠি উপজেলা প্রতিনিধি //

    “তিন মাস পরে আওয়ামীলীগ খুঁজে পাওয়া যাবেনা” দল ক্ষমতায় আসতে আছে। এমন দুঃসাহসিক হুমকি দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য শাকিল সিকদারের বিরুদ্ধে। গুয়ারেখা ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের ওয়ার্ড সভাপতি মিন্টু ফকির এমন অভিযোগ করেন ।

    সম্প্রতি কুদ্দুস সিকদারের একটি মুরগির খামার নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। ঐ রিপোর্টে মিন্টু ফকির সাংবাদিকের ক্যামেরার সামনে খামারটির বিষয়ে বক্তব্য দেন। কুদ্দুস সিকদারের খামারের দুর্গন্ধে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ এবং খামার অন্যত্র অপসরন বিষয়ে কথা বলেন। তারই জের ধরে মিন্টু ফকিরকে কুদ্দুস সিকদার এর ছেলে শাকিল অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলে, দল ক্ষমতায় আসতে আছে তিন মাস পরে দেখা যাবে। আওয়ামিলীগকে তখন খুজেও পাওয়া যাবেনা। এক পর্যায়ে উভয়ের মধ্যে মারামারি হয়।

    মিন্টু ফকির আরো জানায়, শাকিল মাদক সেবন করে। তার নেতৃত্বে এলাকায় একটি মাদকচক্রটি গড়ে উঠেছে। তার পালিত বাহীনির ওইসব লোকেরা ছোটখাটো নানান ব্যবসার আড়ালে মাদক বেচাকেনা করছেন।

    ঐ চক্রটি সকলের চোখে ফাকি দিয়ে ইউনিয়নের কলাখালি, শ্রীরামকাঠি, উপজেলার সীমান্ত ঝালকাঠি জেলার হিমানন্দকাঠি, সিমান্ত আটঘর থেকে মাদক বহন করছেন। বহনকৃত ওইসব মাদক খুব সহজেই তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন এলাকার যুব সমাজের মধ্যে। এ বিষয়ে আমি পাটিকেল বাড়ি পুলিশ ফাড়িত অফিসার ইনচার্জের অভিযোগ করেছি।

    আরো জানা যায়, শাকিল সিকদারের পিতা অত্র এলাকার একজন প্রভাবশালি জনৈক কুদ্দুস সিকদারের ছেলে। তার বাবা সাবেক চেয়ারম্যান ছিলো। শাকিল তার পিতার সাইনবোর্ডে এলাকায় দাপিয়ে বেড়ায় সর্বত্র। শাকিলের নেতৃত্বে গোটা এলাকার বখাটে উঠতি বয়সি বেশ কিছু ছেলেদের নিয়ে গড়ে উঠেছে একটি বাহীনি। এ নিয়ে চিন্তিত এলাকার অভিবাভক সমাজ।

    তারা করফা, এগারগ্রাম, পাটিকেলবাড়ী, রাজবাড়ী এলাকার বিভিন্ন অলিগলিতে সন্ধ্যা থেকে বিচরন করেন গভীর রাত অবধি। তারা কয়েকটিভাগে ভাগ হয়ে মোটর সাইকেল করে মাদক এনে ছড়িয়ে দেন ওইসব এলাকায়। তাদের মাদকের বিরুদ্ধে কেহ কোন প্রতিবাদ করলেই তাকে হতে হয় শারিরীক মৌখিক লাঞ্চিত। তাই ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চাচ্ছেনা শাকিল এর কুর্মের বিরুদ্ধে।

    তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে শাকিল অস্বীকার করে বলেন, এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। আমি বিএনপি করি কিভাবে আমি বিরোধী দলে থেকে সরকারের বিরুদ্ধে এসব কথা বলি। বরং মিন্টু ফকির আমাকে এবং বিএনপিকে নিয়ে গালিগালাজ করছে বিএনপির কেউ এলাকায় থাকতে পারবেনা রগ কেটে ফেলবো। সে একটা আওয়ামীলীগের ওয়ার্ড সভাপতি সে আমাকে যে ভাবে হুমকি ধামকি দিয়েছে আমিতো রীতিমতো ভয়তে এলাকা থেকে ঢাকায় চলে এসেছি।

    এবং মাদকের বিষয়ে শাকিলের কাছে জানতে চাইলে সে বলে, আমি কখনোই মাদকের ব্যবসা করিনায়। মাকদের সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা নাই। এলাকার ছেলেপান আমার কাছে আসে। একদল লোক তা দেখে ইস্নানিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

    এ বিষয়ে পাটিকেলবাড়ীর ফাড়ির ইনচার্জ মুজিবুর রহমান জানান, শাকিল সিকদার মিন্টু ফকিরকে মারধর করেছে বলে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। যাহার তদন্ত চলমান। নেছারাবাদ পুলিশ সব সময় মাদকের বিরুদ্ধে। মাদকের বিষয়ে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। সে যদি মাদকের সাথে জড়িত থাকে অবশ্যই ব্যাবস্থা নেয়া হবে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।

  • আজ বাংলাদেশ কবি-লেখক ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি  কবি মাইদুল ইসলাম মুক্তার ইন্তেকাল

    আজ বাংলাদেশ কবি-লেখক ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি মাইদুল ইসলাম মুক্তার ইন্তেকাল

    রংপুর থেকে বিভাগীয় প্রধান আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন। —

    না ফেরার দেশে চলে গেলেন বাংলাদেশ কবি-লেখক ফোরাম এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি মাইদুল ইসলাম মুক্তা। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন.)
    মাইদুল ইসলাম মুক্তা (১৯৮৩-২০২৩) ভাই আমাদের মাঝে আর নেই, আজ সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৪০ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেছেন। তিনি স্ত্রী, ৩ সন্তান বহু ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ী রেখে পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে গেলেন। চাকরি ও ব্যাবসায়িক কারনে ঢাকায় জন্মজেলা বগুড়া। তিনি প্রজন্ম ফাউন্ডেশন প্রতিষ্টা করেন মানুষের কল্যাণের জন্য।
    দীর্ঘ ১ যুগ কাল থেকে কবি,লেখক, গিতীকার,সুরকার, যন্ত্রশিল্পী,উপস্থাপক, সংগঠক,প্রকাশক,সম্পাদক সহ অসংখ্য গুনেগুন্নান্নিত একজন সফল মানুষ।
    নিবেদিত প্রান এই মানুষের সাথে পরিচয় হওয়ার পর থেকেই তার একটি অন্যতম চাওয়া সাহিত্য সংগঠন করা।যেমন ইচ্ছে তেমন কাজ। তার হাত দিয়েই সংগঠনের জন্ম হলো বাংলাদেশ কবি-লেখক ফোরাম। আমাকে কেন্দ্রীয় কমিটির বড় বড় দেয়ার একটি পর্যায়ে কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করেন।
    রংপুর বিভাগীয় কমিটির মাধ্যমে দেশবিদেশের লেখকদের নিয়ে কবি-লেখক মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয় রংপুরে, যার নেতৃত্ব দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক জয়িতা নাসরিন নাজ ,অনুষ্ঠানে দেশ বরেন্য লেখক বৃন্দ উপস্থিত হয়। এই আয়োজন সফল হলে পরের বছর ঢাকার কেন্দ্রীয় শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় কবি-লেখকদের জাতীয় সম্মেলন। এর কিছু দিন পরই করোনার মহামারী আমাদের কবি-লেখকদের স্ব শরিরে বিচ্ছিন্ন করে রাখলেও কবি মাইদুল ইসলাম মুক্তা ভাই ছিলেন বেশ সরোব।
    একসাথে ঘুরে বেরানোর অনেকগুলো স্মৃতি আছে কবি মুক্তা ভাই এর সাথে, তিনি ছিলেন মিশুক, নম্র,ভদ্র,বিনয়ী, বহু গুনেগুনান্নিত। সামনে পরিকল্পনা ছিলো বেশ বড় আয়োজনে দেশবিদেশের কবি-লেখকদের নিয়ে সম্মেলন করার,সে প্রত্যাশা আপাতত স্থগিত হলো। সামনে পরিকল্পনা করে নিশ্চয়ই কবিকে স্মরণ করে বিশেষ আয়োজন করা হবে।
    বাংলাদেশ কবি-লেখক ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্টাতা সভাপতি মাইদুল ইসলাম মুক্তা ভাইয়ের মৃত্যুতে গভীর শোকবার্তা জানিয়েছেন সাফল্য সাহিত্য সংস্কৃতি পরিবার বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জয়িতা নাসরিন নাজ, সহসভাপতি কবি শরিফ আহমাদ,কবি ইদি আমিন, কবি দেলোয়ার হোসেন রংপুরী,কবি নাজিরা পারভীন, কবি খেয়ালী মোস্তফা, কবি মনিরুজ্জামান শাহীন গাইবান্ধা সাহিত্য একাডেমি, ডাঃ হারুন স্মৃতি পাঠাগার, সাফল্য কিন্ডারগার্টেন স্কুল,বাংলাদেশ কবি-লেখক ফোরাম রংপুর বিভাগীয় কমিটি,গাইবান্ধা, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, দিনাজপুর, লালমনিরহাট,নীলফামারী,কুড়িগ্রাম, রংপুর জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ।

  • ঘাটাইলে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

    ঘাটাইলে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

    রায়হান ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি :
    রুখবো দুর্নীতি, গড়বো দেশ হবে সোনার বাংলাদেশ। এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দুর্নীতি দমন কমিশন ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে ঘাটাইল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে দুর্নীতি বিরোধী বির্তক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩০ মে) সকাল ১১টায় দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বীরমুক্তিযুদ্ধা আলহাজ্ব অধ্যাপক মতিয়ুর রহমান খান এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুনিয়া চৌধুরী।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,
    দূর্নীতি দমন কমিশন টাঙ্গাইল দূর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী -পরিচালক মোঃ নুর আলম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম,মাধ্যমিক একাডেমি সুপার ভাইজার ফখরুল ইসলাম

    ঘাটাইল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আজহারুল ইসলাম,দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন,দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ও দেশ টিভি জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মোঃ আতিকুর রহমান।

    মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন
    ঘাটাইল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সম্রাট বাবর। বিচারক মন্ডলীর দায়িত্ব পালন করছেন চৈথট্র গন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শফিকুল ইসলাম,মমরেজ গলগন্ডা পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু হানিফ খান,সাধুটি নজিব উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম।

    এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন,ঘাটাইল মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও রামপুর পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হাসান আলী, সালেহা ইউসুফজাই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বুলবুলি বেগম,মুকুল একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খন্দকার তাহাজ্জদ হোসেন ঘাটাইল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ খলিলুর রহমান মিয়াসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।

    বির্তক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছেন ঘাটাইল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় বনাম সালেহা ইউসুফজাই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় উচ্চ বিদ্যালয়।

    বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সালেহা ইউসুফজাই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং রানার্স আপ হয়েছে ঘাটাইল সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরুষ্কার বিতরণ করা হয়।

  • রাঙ্গাবালীতে সংরক্ষিত বনে মধু সংগ্রহ;  হামলায় আহত ১

    রাঙ্গাবালীতে সংরক্ষিত বনে মধু সংগ্রহ; হামলায় আহত ১

    রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী):
    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে সংরক্ষিত বনে অ‌বৈধভা‌বে মধু সংগ্রহ নিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় সবুজ(৩৬) নামের একজন আহত হয়েছে। সোমবার উপজেলার মৌডুবী ইউনিয়নের বাধঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    জানা যায়, সোমবার মৌডুবী ইউনিয়নের ১১ নং গ্রামের আব্দুর রব ও সবুজ আকন বাধঘাট এলাকার মৌডুবী ফরেষ্ট ক্যাম্পের আওতাধীন সংরক্ষিত বনে মধু সংগ্রহে যায়। সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেয়া একই ইউনিয়নের ভূইয়াকান্দা এলাকার হাসেম পাটোয়ারীর ছেলে ইলিয়াছ পাটোয়ারীর লোকজন পিছন থেকে সবুজ আকনের উপর হামলা চালায়।
    সবুজ আকন জানান, আমি বনের ভিতর দিয়ে একা হাটতেছিলাম এমন সময় পিছন থেকে এসে একজন আমাকে লাঠি দিয়ে মারধর শুরু করে। পরে ইলিয়াসের সাথে থাকা দুলাল আমাকে দা দিয়ে কোপ দিতে চাইলে আমি হাত দিয়ে বাধা দেয়ায় আমার হাতে কোপ লে‌গে হাত কেটে যায়। পরে তারা ৮/১০ জন মি‌লে আমাকে মারধর করে জখম করে তাদের এলাকায় তু‌লে নিয়ে যায়। সেখান স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে।
    এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইলিয়াস পাটোয়ারী মারধরের কথা স্বীকার করে ব‌লেন, আমরা ফরেষ্টার`র (বন কর্মকর্তা) কাছ থেকে মধু সংগ্রহের জন্য লিজ নিয়ে‌ছি। আর আমাদের লিজ নেয়া বাগানে তারা বারবার মধুর বাসা ছ্যাকতে ( মধু সংগ্রহে ) যাওয়ায় আমরা তাদের বাধা দেই। আমাদের ভিতর একজন তাকে মারধর করে। বন কর্মকর্তার কাছ থেকে কিভাবে লিজ নেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আমরা যে পরিমাণ মধু পাই তার তিন ভাগের একভাগ ফরেষ্টারকে দেই। এজন্য ফরেষ্টার (বন কর্মকর্তা) আমাদের মধু সংগ্রহের জন্য লিজ দেন।
    এ বিষয়ে মৌডুবী বনবিভাগ কার্যলয়ের বিট কর্মকর্তা সোহেব খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, “কাউকে বন লিজ দেয়া হয় নি। বনে মধু সংগ্রহ, কাঠ সংগ্রহ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কেউ অবধৈভাবে মধু ও কাঠ সংগ্রহ করে থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
    উপজেলা রেঞ্জ অফিসার অমিতাভ বসু বলেন, অবৈধভাবে মধু সংগ্রহ করা আইনত দন্ডনীয়। বনবিভাগ থেকে এ ধরনের লিজ দেয়া বন্ধ রয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সত্যতা সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • জয়পুরহাটে এনএ মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে স্কুল শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা

    জয়পুরহাটে এনএ মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে স্কুল শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    জয়পুরহাটে এন এ নামে এক মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে আব্দুর রহমান নামে (১৫) এক মাদকাসক্ত স্কুলশিক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে।

    নিহত আব্দুর রহমান জয়পুরহাট সদর উপজেলার দিওর গ্রামের লদু মিয়ার ছেলে। সে জয়পুরহাট পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।

    মঙ্গলবার (৩০ মে) সকালে জয়পুরহাট শহরের গুলশান মোড় প্রিন্সের চাতাল শিশু উদ্যান সংলগ্ন শ্রী বিপ্লব কুৃমার (পিটার)এর পরিচালিত এনএ মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত স্কুল শিক্ষার্থী আব্দুর রহমানের পরিবার হত্যাকরীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন।

    জয়পুরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত জানান,মাদকাসক্ত আব্দুর রহমানকে পরিবারের সদস্যরা তাকে দুই বছর পূর্বে এন এ নামে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করিয়ে দেন। এখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ মঙ্গলবার সকালে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়।খবর পেয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়েছে।

    ওসি আরও জানান, ওই মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি থাকা আবু জাফর নামে একজন মাদকাসক্ত ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে। তাকে আটকের জন্য পুলিশি অভিযান চলমান রয়েছে।

    উক্ত ঘটনার বিষয়টি নিয়ে এনএ মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক শ্রী বিপ্লব কুমার(পিটার)এর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে। কোন ভাবেই তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

  • ভুরুঙ্গামারীতে মরা শংকোষ খাল খননের নামে অর্থ হ‌রিলুটের অভিযোগ

    ভুরুঙ্গামারীতে মরা শংকোষ খাল খননের নামে অর্থ হ‌রিলুটের অভিযোগ

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
    কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ইআইআর প্রকল্প) আওতায় বৈশা‌খের আসন্ন বৃ‌ষ্টি মৌসুমে ৬টি প্যাকেজে ১কোটি ৫৯লাখ টাকা ব্যয়ে মরা শংকোষ খাল খননের নামে অর্থ হ‌রিলুটের পায়তারা করাসহ খাস জমি ছাড়াও কৃষকের নিজ নামীয় ও ক্রয়কৃত জমি জোরপুর্বক খননের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    লিখিত অভিযোগ ও সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ইআইআর প্রকল্প) রংপুর সাকের্লের আওতায় নাগেশ্বরী বিএমডিএ অফিসের সহকারী প্রকৌশলী মাহবুব আলমের তত্ত্বাবধানে বৈশা‌খের আসন্ন বৃ‌ষ্টি মৌসুমে ভুরুঙ্গামারী উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের মরা শংকোষ নদীর ভেল্লিকুড়ি থেকে হুচারবালা ত্রিমোহনী পর্যন্ত ৬হাজার ৯শ মিটার এলাকা মেসার্স খান ট্রেডার্স ৫টি ও মোসলেম উদ্দিন ট্রেডার্স ১টি প্যাকেজে ১কোটি ৫৯লাখ টাকা ব্যয়ে মরা শংকোষ নদী পুনঃ খনন শুরু হলেও প্রকল্পের কাজে নানা অনিয়ম ও অর্থ হ‌রিলুটের অভিযোগ। নাগেশ্বরী বিএমডিএ সহকারী প্রকৌশলী মাহবুব আলম, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও চর ভুরুঙ্গামারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মানিক উদ্দিনের যোগসাজশে মরা শংকোষ নদী খাল খননের নামে খাস জমি ছাড়াও শতাধিক কৃষকের নিজ নামীয় ও ক্রয়কৃত সম্পত্তি প্রায় ৬শত একর ফসলি জমিতে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের ভয় দেখিয়ে জোরপুর্বক নামমাত্র খাল খনন করে অর্থ আত্মসাতে পায়তারা করছেন ঠিকাদার। ফসলী জমি হারিয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পথে বসেছেন অভিযোগ করেন অনেক কৃষক।

    আঃ জলিল, হাসেন আলী, মজিবর রহমান, নজর আলী, সমসের আলী, মাইদুল ইসলাম, ময়নাল হকসহ অনেক কৃষক অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে বৃ‌ষ্টি মৌসুম। শংকোষ নদী‌তে পা‌নি‌তে ভ‌রে গেছে। খাষ জমি ছাড়াও আমাদের বৈধ দুই ফসলি জমিতে খাল খনন করছে বিএমডিএর ঠিকাদা‌র। বাধাঁ প্রদান করতে গেলে চর ভুরুঙ্গামারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মানিক উদ্দিন, সাইদুর রহমানসহ কয়েকজন নেতা উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের ভয় দেখিয়ে জোরপুর্বক নামমাত্র খাল খনন করে অর্থ আত্মসাতে পায়তারা করছে। আমরা ফসলি জমি হারিয়ে পথে বসেছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেও প্রতিকার হচ্ছে না। উধ্বতর্ন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

    ঠিকাদা‌র মোসলেম উদ্দিন বলেন, বিএমডিএ অফিসের নির্দেশনা দেরিতে পাওয়ায় বর্ষা মৌসুমে কাজ শুরু করেছি। বিএমডিএ ও উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে খাল খনন করা হচ্ছে। এ বিষয়ে নাগেশ্বরী বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলীর কাছ থেকে জেনে নিন।

    চর ভুরুঙ্গামারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মানিক উদ্দিনের মুঠোফোনে সাংবাদিকের পরিচয় পাওয়া মাত্র ফোন কেটে দেন।

    নাগেশ্বরী বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মাহবুব আলম বলেন, সম্পত্তি নিজের বলে দাবি করলে কি নিজের হয়। অনলাইনে জমির কাগজপত্র যদি বাইবেল কুরআন হতো তাহলে দেশটা অনলাইনে চলতো।

    বিএমডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী কুড়িগ্রাম মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সহকারী প্রকৌশলী কে বলা হয়েছে এসিল্যান্ড ও ইউএনও এবং উপজেলা চেয়ারম্যানকে জানিয়ে কাজ করবেন। লোকজনের যদি কোন অভিযোগ থাকে ইউএনও অভিযোগ দেবেন। আমরা কাজ বন্ধ করে দেবো।

    কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের খাল খননের বিরুদ্ধে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে সত্যত্যা পেলে খাল খনন বন্ধসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • ঝালকাঠিতে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠিতে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

    রিপোর্ট : ইমাম বিমান

    ঝালকাঠিতে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ৩০মে মঙ্গলবার সকালে ঝালকাঠি জেলা পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আফরুজুল হক টুটুল সভাপতিত্বে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ঝালকাঠি জেলা পুলিশে কর্মরত সকল অফিসার ও ফোর্সের সাথে মতবিনিময় করেন, একই সাথে তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শ্রবণ করেন এবং তা সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন।

    উক্ত কল্যাণ সভা শেষে ঝালকাঠি জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ, পুলিশ পরিদর্শক মোঃ নাসির উদ্দিন সরকার,(ঝালকাঠি সদর থানা), শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী এসআই(নিঃ)/মোঃ আরিফীন ইসলাম, শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী এসআই (নিঃ)/সুবর্ণ চন্দ্র দে, এএসআই (নিঃ)/মোঃ কাওসার আহম্মেদ সিদ্দিকীকে সম্মাননা স্মারক ও অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হয়। উক্ত সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, শংকর কুমার দাস, (ক্রাইম আন্ড অপস) জনাব মোঃ মাসুদ রানা, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( রাজাপুর সার্কেল ) সহ জেলা পুলিশের সকল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • ডাসারে যথাযথ মর্যাদায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪২ তম শাহাদাত বার্ষিকী উদযাপন

    ডাসারে যথাযথ মর্যাদায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪২ তম শাহাদাত বার্ষিকী উদযাপন

    রতন দে, মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ
    মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসারে যথাযথ মর্যাদায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪২ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে কালকিনি ও ডাসার উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে ডাসারে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতার নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় জিয়াউর রহমানের ৪২ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
    কালকিনি পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন বেপারীর সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনাসহ বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রোগমুক্তি কামনা করা হয়।
    আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-গনশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালকিনি উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল সালাম বেপারী,জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক এ্যাডঃ মাসুদ রানা পারভেজ,কালকিনি উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারন সম্পাদক রেজাউল ইসলাম,ডাসার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মন্নান সরদার,সিডি খান ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম, শশিকর ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক প্রেমানন্দ্র সরকার,কাজীবাকাই ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক মোঃ সেলিম চৌধুরী,আলীনগর ইউনিয়নের সভাপতি মিন্টু সরদার,কয়ারিয়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মোঃ দিদার হাওলাদার,মোঃ মোশারফ হোসেন,কালকিনি উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম বেপারী,সদস্য সচিব নাজমুল চৌকিদার,কালকিনি উজেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক সিকদার মামুন,যুবদল নেতা শামিম মোল্লা,কাওছার হোসেন নান্না,বায়জিদ সরদার,ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম,বনী আলিম,মাইদুর রহমান রুবেলসহ কালকিনি,ডাসার উপজেলা বিএনপি ও বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির সহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
    এ সময় প্রধান অতিথি মোঃ আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়াউর রহমান সহ সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
    পাশাপাশি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও দেশের মানুষের গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সাধারন জনগন সহ সকলের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য, দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব তারেক রহমানের নির্দেশে আগামী আন্দোলন কর্মসূচিতে ঝাপিয়ে পড়ার আহবান করেন।

  • উৎসব মুখর পরিবেশে মোংলায় চাঁদপাই ইউনিয়নে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা

    উৎসব মুখর পরিবেশে মোংলায় চাঁদপাই ইউনিয়নে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা

    বায়জিদ হোসেন, মোংলাঃ
    স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা-উন্মুক্ত বাজেট উন্নয়নের সফলতা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উৎসব মুখর পরিবেশে
    মোংলার ১ নং চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদের ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের উম্মুক্ত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ মে) সকাল ১১ টায় ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোল্লা মো. তারিকুল ইসলাম’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উম্মুক্ত বাজেট সভায় বক্তৃতা রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপকংর দাশ, মোংলা থানার অফিসার ইনসার্জ মোহাম্মাদ সামসুদ্দীন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো.মোস্তাফিজুর শেখ, চাঁদপাই মেছেরসাহ্ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বদেশ মন্ডল, প্রমূখ। এ সময় শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা, স্থানীয় আওয়ামীলীগের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ পরিষদে বর্তমান ও সাবেক ইউপি সদস্যরা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ বছর ৩ কোটি ৬০ লাখ ৫ হাজার ২৯৬ টাকা আয়, ৩ কোটি ৫৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩’শ ১৬ টাকা ব্যয়, এবং ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯ শো ৮০ টাকা উদ্বৃত্ত রেখে বাজেট ঘোষণা করেন ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা মো. তারিকুল ইসলাম। ইউনিয়নের যোগাযোগ, অসহায় ও গরিব মানুষ সহায়তা, কর্মহীনদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ও ক্রীয়া সাংস্কৃতি স্ব্যাস্থ্য ও স্যানিটেশন, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যাবস্থাপনা,(বৃক্ষরোপন), মানব সম্পদ উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যাবস্থাপন, ঘুর্ণিঝড়ে এলাকায় ক্ষয়-ক্ষতির সহায়তা ও ত্রান, তথ্য প্রযুক্তি, খেলাধুলা, বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধি, মাতৃত্বকালীন ভাতা এবং মুক্তিযোদ্ধা ভাতাসহ আরো অনেক দিক বিবেচনায় রেখে এবারের বাজেট ঘোষনা করা হয়। বাজেট ঘোষণা ও পরিকল্পনা সভা পরিচালনা করেন চাঁদপাই ইউনিয়নের সচিব অভিজিৎ দাশ সাওন। উম্মুক্ত বাজেট ও পরিকল্পনা সভায় ইউনিয়নের সকল শ্রেণীর পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। চেয়ারম্যান মোল্লা মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, প্রতি বাজেট ঘোষণার সময়ই আমি চেষ্টা করি একটি জনবান্ধব বাজেট উপস্থাপন করার। আমরা যে বাজেট তৈরি করি তা সব সময় আমাদের ইউনিয়নের মানুষের কথা মাথা রেখেই করি। চেয়ারম্যান বলেন, এ বাজেট যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অবকাঠামো উন্নয়ন থেকে শুরু করে অর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে সহায়ক হবে। আমি চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী এ ইউনিয়নকে একটি স্মার্ট ইউনিয়নে পরিনত করতে। সেই সাথে আধুনিক মডেল ও সেরা ইউনিয়ন হিসাবে গড়ে তুলতে চাই, এই জন্য ইউনিয়নবাসীর মান উন্নয়নের কথা বিবেচনা করেই এবছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। এলাকার সাধারণ জনগণ মনে করেন তার ভেতর স্বচ্ছতা আছে বলেই তিনি বিগত কয়েক বছর যাবত একইভাবে এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের উপস্থিতিতে বাজেট ঘোষণা করে আসছেন। তাই এলাকাবাসী উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নেই এধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে বাজেট ঘোষণা ও ইউপি চেয়ারম্যানদের কাজের স্বচ্ছতা দেখতে চান। বাজেট অনুষ্ঠান শেষে চাঁদপাই ইউপি পরিষদের পক্ষ থেকে উপস্থিত আগাত অতিথি দের জন্য মধ্যাহ্নভোজ আয়োজন করা হয়।