আনোয়ার হোসেন,
স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধি//
স্বরূপকাঠিতে স্বধীনতা বিরোধীদের সন্তানদের মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার পায়তারা বন্ধের দাবীতে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে। গতকাল শনিবার সকালে স্বরূপকাঠি –পিরোজপুর সড়কের বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় ওই মানববন্ধনে পাঁচ শতাধিক সদস্য অংশ নেয়। মানববন্ধন ও সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন ৯ম জাতিয় সংসদের সদস্য অধ্যক্ষ মো. শাহ আলম। সাবেক কমান্ডার কাজী সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় একাত্মতা প্রকাশ করে আরো বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হক, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার এমএ রাজ্জাক, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি জাহীদুল ইসলাম বিপ্লব। এর আগে সংসদ কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে এছাড়াও বক্তৃতা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রনি দত্ত, উপজেলা স্বেচ্ছা সেবক লীগের সভাপতি শহীদুল ইসলাম মিন্টু প্রমুখ। এসময় সকল মুক্তিযোদ্ধা ও পরিবারের সদস্যরা মাননীয়র প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী, মন্ত্রনালয়ের সচীব ও জামুকা পরিচালক বরাবরে আবেদন করার জন্য গনস্বাক্ষর প্রদান করে।
###
নেছারাবাদে ষাটোর্ধ্ব মাকে মারধর করার অভিযোগ
নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি//
নেছারাবাদে ষাটোর্ধ্ব মাকে মারধর করার অপরাধে ছেলে ও ছেলের স্ত্রীর নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মা
ফিরোজা বেগম। বেশ কিছু দিন ধরে মাকে মারধর করছিলেন বড় ছেলে দেলোয়ার হোসেন এবং তার স্ত্রী। মারধরের হাত থেকে বাঁচতে ঐ ষাটোর্ধ্ব মা গত বৃহস্পতিবার নেছারাবাদ থানায় একটা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে জানা য়ায়, বড় ছেলে ও তার স্ত্রী অত্যান্ত খারাপ ও পর সম্পদ লোভী প্রকৃতির লোক। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় ও বাড়ীর জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ চলিয়া আসিতেছে। ফিরোজা বেগমের ছেলেরা মায়ের কোন খোজ খবর রাখে না এমনকী কোন বরন পোষন দেয় না। তার স্বামীর সম্পত্তি এবং গাছ-পালা, ফল-ফলাদি জোর পূর্বক ভোগ দখল করে। তাকে কোন গাছ-পালা ফলা-
ফলাদি ভোগ দখল করিতে দেয় না। নানান অজুহাতে প্রায়ই সময় মাকে মারধর করে এবং পিটিয়ে ঘর থেকে বের করে দেয়।
এ বিষয়ে ফিরোজা বেগম বলেন,
গত মঙ্গলবার শাখ নিয়ে কুড়িয়ানা থেকে বাড়ীতে আসার সময় আমাকে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ শুরু করে। এক পর্যায় আমাকে এলোপাথারি ভাবে কিল ঘুষি মারে এবং গলা চাপিয়া ধরিয়া কালভার্টের উপর আছার মারে। আহত
অবস্থায় পরিয়া থাকলে এবং আমার ডাক চিৎকার করিলে আশ পাশের লোকজন আগাইয়া আসিয়া আমাকে নেছারাবাদ হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসা করায়।
এ বিষয়ে দেলোয়ার হোসেন মাকে মারার সত্যত শিকার করে বলেন, আমার মা কোন কথা শোনেনা ঘরের জিনিস পত্র নিয়ে চলে যায়।গাছ পালা ভেঙে ফেলেন। মাথায় একটু সমস্যা আছে কয়েকবার ডাক্তারও দেখিয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য বিকাশ মন্ডল জানান, তাদের পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যা আছে শুনছি, তবে আমাদের পরিষদে অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নিব।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার এস আই স্বপন চন্দ্র দে জানান, ঘটনার বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
####

Leave a Reply