Blog

  • বাবুগঞ্জে জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপুর উঠান বৈঠক

    বাবুগঞ্জে জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপুর উঠান বৈঠক

    কেএম সোহেব জুয়েল :
    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বরিশাল -৩ বাবুগঞ্জ – মুলাদি আসনে বিজয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে ব্যাপক গণসংযোগ প্রচার-প্রচারণা, মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ওই আসনের জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব গোলাম কিবরিয়া টিপু।

    মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) বিকেল ৪ টায বাবুগঞ্জের জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের শিলনদিয়া বাজারে লাঙ্গল প্রতীকে ভোট চেয়ে প্রচার প্রচারণা শেষে লাঙ্গল প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য লাঙ্গল মার্কার প্রার্থী আলহাজ্ব গোলাম কিবরিয়া টিপু।

    ওই উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি বরিশাল – ৩ আসনের জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু বলেন- আসন্ন নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারলে পল্লীবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে এলাকার উন্নয়নে কাজ করবো। পল্লীবন্ধুর স্বপ্ন ছিলো ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত একটি নিরাপদ বাংলাদেশ। এদেশে যা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হয়েছে তা পল্লীবন্ধুর অবদান।পল্লীবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে বাবুগঞ্জ – মুলাদির জনতার সুখে-দুঃখে পাশে থাকবো। এ সময় তিনি আরো বলেন-

    যদি আমি তৃতীয় বারের মত এমপি নির্বাচিত হতে পারি আমার দুই উপজেলার অসমাপ্ত কাজ গুলি সমাপ্ত সহ ক্ষুদা মুক্ত ও দারিদ্র বিমোচনে কাজ করবো। এ ছারাও সার্বিক উন্নয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিবো।

    মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় লাঙ্গলের বিজয়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানিয়ে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সরদার খালেদ হোসেন স্বপন। অন্যান্যদের মাঝে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আসাদুল হক,জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সরদার তারেকুল ইসলাম তারেক, ব্রিগেেডিয়ার জেনারেল জাকারিয়া, গোলাম শাহারিয়া বাদল, জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন আলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মো: ইউসুফ খান বাবু উপেন চন্দ্র মন্ডল, রাজু খন্দকার এবং জাতীয় পার্টির ওই ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেত্রী বৃন্দ। অনুষ্ঠানের সঞ্চলনায় ও সার্বিক সহোযোগিতায় ছিলেন জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো: বাদল বিশ্বাস।

  • শার্শায় ৯ টি সোনার বার সহ যুবক আটক

    শার্শায় ৯ টি সোনার বার সহ যুবক আটক

    আজিজুল ইসলামঃ যশোরের শার্শা উপজলার গোগা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় এক কোটি ৭৯ হাজার টাকা মূল্যের ৯টি স্বর্ণের বারসহ এক যুবককে আটক করা হয়েছে।

    এক কেজি ০২২ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের বারসহ আটক যুবককে পাচারকারি বলছেন বিজিবি।

    বুধবার সকালে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খুরশীদ আনোয়ার জানান,
    মঙ্গলবার দুপুরে সীমান্ত পিলার ১৭/৭এস এর ৪২ আর পিলার হতে আনুমানিক এক কিমি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গোগা কলেজের সামনে থেকে স্বর্ণের বারসহ স্বর্ণ পাচারকারী মনিরুল হোসেনকে (২৪) আটক করা হয়।

    আটক মনিরুল হোসেন(২৪) শার্শা উপজেলার কালিয়ানী গ্রামের শামছুর রহমানের ছেলে।

    বিজিবি জানায়, স্বর্ণের একটি বড় চালান ভারতে পাচার হবে গোপন এমন সংবাদে গোগা বিজিবি ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে।পরে কলেজ রোডে অবস্থান কালে অটোভ্যানে করে একজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি সীমান্তের দিকে যেতে দেখা যায়। এ সময় তার গতিরোধ করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।পরে তার দেহ তল্লাশি করে জ্যাকেটের পকেটে অভিনব কৌশলে কস্টেপ মোড়ানো অবস্থায় লুকিয়ে ৯টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়।

    উদ্ধারকৃত স্বর্ণের ওজন এক কেজি ০২২ গ্রাম। যার বাজার মূল্য এক কোটি ৭৯ হাজার টাকা।

    এ ব্যাপারে আটক ব্যক্তিকে শার্শা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।সোনার চালানটি যশোরের ট্রেজারি শাখায় জমা করা হবে বলে লেফটেন্যান্ট কর্নেল খুরশীদ আনোয়ার জানান।

  • উপকূলে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় কোস্টগার্ডের কার্যক্রম জোরদার

    উপকূলে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় কোস্টগার্ডের কার্যক্রম জোরদার

    এস. এম সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট : দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে উপকূল এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোস্টগার্ডের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২ জানুয়ারী) দুপুর সাড়ে ১২টায় বাগেরহাটের মোংলা পশুর নদের পাড়ে লাউডোব এলাকায় তাদের নির্বাচনী টহল চালানো হয়। এসময় কোস্টগার্ডের মহা পরিচালক রিয়ার এ্যাডমিরাল আশরাফুল হক চৌধুরী উপস্থিত থেকে তাদের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এসময় তার সাথে ছিলেন, কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের (মোংলা বেইজ) জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ কিবরিয়া হক, কমান্ডিং অফিসার (অধিনায়ক) কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দিনসহ পদস্থ কর্মকর্তারা।

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী কোস্টগার্ড উপকূলীয় ৪৩টি ইউনিয়নের সার্বিক শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার নিমিত্তে ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩ থেকে ১০ জানুয়ারী পর্যন্ত মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের দায়িত্বে নিয়োজিত আছে। এসময় কোস্টগার্ডের মহা পরিচালক কোস্ট গার্ড কন্টিনজেন্ট সদস্যদের উদ্দেশ্যে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

    কোস্টগার্ডের ডিজি বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিবেশ সৃষ্টিতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড তাদের দায়িত্ব পালনে সদা তৎপর রয়েছে।
    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির বাগেরহাট প্রতিনিধি।

  • তেঁতুলিয়ায় আদালতের আদেশ অমান্য করে বিরোধপূর্ণ জমিতে মাটি কেটে ক্যানেল তৈরি

    তেঁতুলিয়ায় আদালতের আদেশ অমান্য করে বিরোধপূর্ণ জমিতে মাটি কেটে ক্যানেল তৈরি

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আদেশ অমান্য করে দখলের উদ্দেশ্যে ভেকু গাড়ী নামিয়ে বিরোধপূর্ণ গম খেতের আবাদি জমিতে মাটি কেটে ক্যানেল তৈরি করা হয়েছে। গত শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালের দিকে উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের হরবাবি নামক এলাকায় এই ক্যানেল তৈরির ঘটনাটি ঘটে।

    জানা গেছে, উপজেলার ২৯ নং জে.এল এর ভজনপুর দেবনগড় মৌজার এস.এ ৪৪৩ নং খতিয়ানে মৃত জহির উদ্দিনের ছেলে বেলাল হোসেনসহ ১২জন বাদী হয়ে গত ২০২২ সালের সেপ্টম্বর মাসের ১৯ তারিখ ১৩ জনকে বিবাদী করে ১৯দাগের ৮.৭৫ একর জমির উপর বিজ্ঞ তেঁতুলিয়া সহকারী জজ আদালত প গড়ে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার নালিশী মামলা দায়ের করেন। যার চলমান মোকদ্দমা নং- ৮৪/২০২২ (অন্য)। এরপর বিবাদীগণ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার নালিশী মামলাকে তোয়াক্কা না করে বিরোধপূর্ণ ২৯৮১ নং দাগের উপর আসলে বেলাল হোসেন গত ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসের ২৭ তারিখ ১৯দাগের উপর ৫জনের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প গড়ে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৪৪/১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং- এম.আর ৫৫৬। মামলাটি দাখিল হওয়ার পর আদালতের আদেশক্রমে মামলায় তফসিল বর্ণিত জমিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় ও উভয় পক্ষকে স্ব-স্ব অবস্থানে থাকার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশ। এতে নোটিশকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তেঁতুলিয়া মডেল থানার এএসআই পলাশ চন্দ্র রায়।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখতে ও জানতে পারা যায়, বেলাল হোসেন কর্তৃক বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প গড়ে দায়েরকৃত মামলার তফসিল বর্ণিত জমিতে গত ২০২৩ সালের ৩০ ডিসেম্বর শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য উভয় পক্ষকে স্ব-স্ব অবস্থানে থাকার নোটিশ প্রদানের সময় পুলিশ ও স্থানীয় ইউপি সদস্যের সামনে ২য় পক্ষরা আবাদী গম খেতের জমিতে ভেকু গাড়ী নামিয়ে বিরোধপূর্ণ ২৯৮১ নং দাগের পূর্বে ক্যানের খননের কাজ শুরু করেন। এরপর দক্ষিণে পাকা রাস্তার সাইটে বিকাল পর্যন্ত ক্যানেল খননের কাজ করতে থাকেন।
    বেলাল উপায় অন্ত খুঁজে না পেয়ে ১৪৪/১৪৫ ধারার আদেশ ভঙ্গের দায়ে দন্ড বিধি আইনের ১৮৮ ধারায় গত ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসের ৩১ তারিখ ৮জনকে প্রতিপক্ষ করে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প গড়ে আবেদন জানিয়েছেন। এতে প্রতিপক্ষরা হলেন, উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের সিদ্দিকনগর গ্রামের মৃত নজম উদ্দিন আমিনের ছেলে মোজাফফর হোসেন ও তার স্ত্রী ফরিদা বেগম, দেবনগড় ইউনিয়নের হাওয়াজোত শতরমগছ গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে হকিকুল ও হাফিজার রহমান, মৃত আব্দুল মতিনের ছেলে জুলফিকার, মৃত ইয়ার উদ্দীনের ছেলে এনামুল ও লতিফগছ হরবাবি গ্রামের মৃত সফিজ উদ্দিনের ছেলে তসির উদ্দিন।

    এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায়, বেলালের জন্মের আগ থেকেই তাঁর বাবা এসব জমি ভোগদখলে ছিলেন। তাঁর বাবার মৃত্যুর পর সে (বেলাল) আবাদে ভোগদখল করে আসছেন।

    মামলার ১মপক্ষ (বাদী) মোঃ বেলাল হোসেন বলেন, ভজনপুর দেবনগড় মৌজার এস.এ ৪৪৩ নং খতিয়ানের অন্যতম রেকর্ডীয় মালিক বিবি করিমন নেছা আট আনা হিস্যায় তাঁর বাবার নিকট গত ১৯৭৫ সালের মে মাসের ২ তারিখ ৮১০২ নং কবলা দলিলের তফসিলে ১৫ দাগে ৫একর ৭৮শতক জমি বিক্রয় করে দখল হস্তান্তর করেন। এরপর ওই খতিয়ানে প গড় মুন্সেফ আদালতে ৪৩/৬৯ নং মামলায় গত ১৯৬৯ সালের এপ্রিল মাসের ২৪ তারিখের আদাশের ভিত্তিতে গত ১৯৭০সালের জানুয়ারি মাসের ১২ তারিখের সার্টিফাইট কপির মাধ্যমে ৩একর ৮৯শতক জমি পায়। জমির আদেশ পাওয়ার পর তাঁর বাবার নামে গত ২০০৪ সালে মার্চ মাসের ৩০ তারিখ ৮৫৮নং খারিজ খতিয়ান খুলেন। তারপর এস.এ ৪৪৩ নং খতিয়ানের রেকর্ডীয় মালিক ইজার উদ্দিন, মাহবুব, সামছুল আলম এবং হমিরন বেওয়ার নিকট হতে তাঁর বাবা সাড়ে তিন একর জমি ক্রয় করেন। শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করা অবস্থায় ভাই, বোন ও মায়ের নামে বর্তমান বিএস জরিপের সময় উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস স্বস্ত¡তার ভিত্তিতে ১২৪৭ নং ডিপি খতিয়ান প্রস্তুত করে দেন। বেলাল আরোও বলেন, ৪৭/৪৮ বছর ধরে ভোগদখলীয় জমি বিবাদী ফরিদা বেগম জবর দখল করার পাঁয়তারা করছেন। ফরিদা কোর্টের আদেশকেও মানছেন না। তাঁর গম খেতের জমিতে ভেকু নামিয়ে জবর দখল করার উদ্দেশ্যে ক্যানেল খুড়ছেন। থানা পুলিশের কাছে দৌড়ঝাঁপ করে কোনই সহযোগিতা পাচ্ছেন না তিনি। তিনি আদালতের নিকট এর সুষ্ঠু বিচার দাবি জানিয়েছেন।

    মামলার ২য়পক্ষ(বিবাদী) ফরিদা বেগম ও তাঁর স্বামী মোজাফফর হোসেন বলেন, তাঁরা পৈতৃক ও দানপত্র দলিল মূলে মালিক। বেলালের সঙ্গে তাদের ২০২২ সাল থেকে সালিশী বৈঠক হয়ে আসছে। গত ২০২২ সালের আগস্ট মাসের ১২ তারিখ তেঁতুলিয়া মডেল থানায় সার্ভিস হেল্প সেন্টারে এক বৈঠকের মাধ্যমে বেলাল তাদেরকে ৫৬শতক জমি ওই মাসের ২৯ তারিখ বুঝে দেয়ার কথা বলে দেয়নি। এরপর তাঁরা একজন স্থানীয় সার্ভেয়ার এনে ৫৬শতক জমি জরিপ করে খুঁটি ও তারকাটা বেড়া দেয়। এদিকে বেলাল তাদের খুঁটি ও তারকাটা বেড়া তুলে নিয়ে যায়। তারা বলেন, ৫৬শতক জমির কথা হলেও পাবেন ৩একর ৭শতক জমি। বেলাল বসার কথা বলে সময় পার করায় উপায় না পেয়ে এভাবে তাঁরা ভেকু নামিয়ে দখলের চেষ্টা করছেন। মামলার কথা জিজ্ঞাসায় তাঁরা বলেন, তাদেরও ১৪৪/১৪৫ মামলা করা হয়েছে। তাদের মামলা নং- ৫৫৭।

    ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল মমিনের কাছ থেকে জানতে চাইলে বলেন, তিনি এ বিষয়ে কোনো কিছুই জানেন না। তবে তিনি বলেন, এই জমি তাঁর দেখা মতে বেলাল আবাদ করছেন। বেলালের জন্মের আগ থেকে তাঁর বাবাও মৌসুমে আবাদ করে আসছেন।

    ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ ছলেমান আলী বলেন, ফরিদা ও বেলালের জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টি অবগত আছেন। বেলালের বিরুদ্ধে ফরিদা ইউনিয়ন পরিষদে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ফরিদা জমি পাবেন বলে জানান তিনি।

    এ ব্যাপারে তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজয় কুমার রায় জানান, আদেশ অমান্য কারীদের বিরুদ্ধে বেলাল লিখিত অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম ।

  • শৈলকুপায় নৌকার প্রার্থীসহ আ’লীগের ৪প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে ইসির মামলা

    শৈলকুপায় নৌকার প্রার্থীসহ আ’লীগের ৪প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে ইসির মামলা

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তারের দায়ে ঝিনাইদহ-১ আসনে নৌকার প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী আব্দুল হাইসহ তার চার সমর্থকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার শৈলকুপা উপজেলা নির্বাচন অফিসার তায়জুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে আব্দুল হাই এমপির বিরুদ্ধে শৈলকুপা থানায় তিনটি মামলা হলো। মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন, শৈলকুপা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম, হাকিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইকু শিকদার ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি শামিম হোসেন মোল্লা। মামলা দায়েরর খবর নিশ্চত করে শৈলকুপা উপজেলা নির্বাচন অফিসার তায়জুল ইসলাম জানান, গত ১৫ ডিসেম্বর ফুলহরি ইউনিয়নের কাজীপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আয়োজিত জনসভায় নৌকা প্রতিকের এজেন্ট ব্যবতিত অন্য কোন প্রার্থীর এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে দিবে না মর্মে নৌকার সমর্থক হুমকী প্রদান করেন। বিষয়টি তদন্তে প্রমানিত হওয়া সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০০৮ এর বিধি ৮ এর ১১ ও ১২ বিধান লঙ্ঘিত হয়েছে। এছাড়া শৈলকুপা হল বাজার ও স্থানীয় স্কুল, মীর্জাপুর ইউনিয়নের চড়িয়ার বিল বাজারেও আচরণ বিধি লঙ্গন করে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো হয়। এসব ঘটনার সঙ্গে আসামারী জড়িত ছিলেন মর্মে প্রমানিত হয়। ফলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপ-সচিব (আইন) মোঃ আব্দুস সালামের আদেশক্রমে শৈলকুপা উপজেলা নির্বাচন অফিসার তায়জুল ইসলাম এই মামলা করেন। শৈলকুপা উপজেলা নির্বাচন অফিসার তায়জুল ইসলাম আরো জানান, নৌকার প্রার্থী আব্দুল হাইয়ের বিরুদ্ধে আরো একটি মামলা দায়েরের পক্রিয়া চলমান রয়েছে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • গোদাগাড়ীতে হেরোইনসহ  র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার মসজিদের ইমাম- বিষয়টি টক অফ দ্যা কান্টি

    গোদাগাড়ীতে হেরোইনসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার মসজিদের ইমাম- বিষয়টি টক অফ দ্যা কান্টি

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সাধুর মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০০ গ্রাম হিরোইনসহ মহিশালবাড়ী (পুরাতন) জামে মসজিদের ইমামকে গ্রেফতার করেছে এক র‌্যাব ৫ এর সদস্যগণ। বিষয়টি টক অফ দ্য কান্টিতে পরিনত হয়েছে। তার গ্রেফতারের পর নিন্দা প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। কমিটির লোকজন জেনে শুনে কেন একজন মাদক ব্যবসায়ী বছরের পর বছর ইমাম রেখেছেন এমন প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। কেউ বলছেন সে চর থেকে এসে ইমামতির আড়ালে মাদক ব্যবসা করতেন তার বাড়ী চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের যাতায়াত ও সুসম্পর্ক ছিল।
    তার প্রেফতারের খবর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার প্রচারনাকে পেছনে ফেলেছে।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র‌্যাব নিয়মিত জঙ্গী, অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, অস্ত্রধারী অপরাধী, ভেজাল পণ্য, ছিনতাইকারী, ধর্ষণ, অপহরনসহ মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে আসছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার (১ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে গোদাগাড়ী থানাধীন গোদাগাড়ী- কাঁকন‌হাট সড়কের সাধুরমোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে খালিদুজ্জামান ওরফে কাওসার নামে এক মাদক-কারবারিকে গ্রেফতার করে। সে এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি।

    ধৃত আসামী অবৈধ হিরোইন অজ্ঞাত স্থান হতে গোপনে সংগ্রহ করিয়া রাজশাহী জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করার জন্য যাচ্ছিল এসময় তাকে সন্দেহ হলে তার দেহ তল্লাশি করে ১০০ গ্রাম হিরোইন উদ্ধার করে ।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীকে অবৈধ মাদকদ্রব্য হেরোইন সংক্রান্তে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায় যে, উক্ত হিরোইন বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসতেছিল। সে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী

    স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী খালিদুজ্জামান কাউসার মহিশালবাড়ী শাহ সুলতান রহ. কামিল মাদ্রাসার ফাজিলের ছাত্র ও গোদাগাড়ী পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের মহিশালবাড়ী পুরাতন জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব। এই ইমামতির আড়ালে তিনি দীর্ঘদিন হতে হেরোইনের ব্যবসা করে আসছিল। র‌্যাবের জালে ধরা পাড়ায় এলাকাবাসী মাঝে প্রশ্ন জেগেছে আমারা কার পেছনে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেছে, সে একজন কুখ্যাত মাদক সম্রাট। আল্লাহ আমাদের সবাইকে মাফ করে দিন।

    সে একজন কুখ্যাত মাদক চোরাকারবারী। মাদক ব্যবসা করে সে শূন্য থেকে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ তার পর বটবৃক্ষ হয়েছেন। মসজিদ কমিটির সদস্যদের অবহিত না করে তিনি কখনও কখনও রাজশাহী, নাটোর, সিলেট, ঢাকা চলে যেতেন। মাসে মাসে হোন্ডা পরিবর্তন করতেন, সর্বশেষ সাড়ে তিন লাখ টাকার হোন্ডা ব্যবহার করতেন এ মাদক চোরাকারবারী ইমাম।

    অনেক দিন তিনি মসজিদে ফজরে ইমামতি করতে আসতেন না। তার শালক মুয়াজ্জিনকে দিয়ে ইমামতি করাতেন। তিনি জোর তদবির করে শালককে মুয়াজ্জিন হিসেবে নিয়োগ করেছেন। মাঝে মধ্যে মসজিদে ফরজের নামাজের আজানও দেয়া হত না। শালক দুলা ভাই অনুউপস্থিত থাকতেন। এজন্য মুসাল্লীগণ তাদের উপর ক্ষিপ্ত ছিলেন এবং মসজিদ কমিটি ফয়েক দফা ইমাম পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন কিন্তু প্রশাসনের তালিকাভুক্ত মাদকব্যবসায়ীরা কথিত ইমাম কাউসারের পক্ষ নেয়ার কারনে তাকে বাদ দিতে পারেন নি বলে কমিটির এক সদস্য দাবী করেন।

    ১৫ বছর ধরে সে এখানে বসবাস করছেন। প্রকৌশলী গোলাম মোস্তেফা ও খাতিজা খাতুনের বাড়ী ভাড়া থাকলেও বর্তমানে ১৫ লক্ষাধিক টাকা দিয়ে জমি ক্রয় করে বাড়ী নির্মান করেছেন। বাড়ীতে বিলাস হোন্ডা, রাজকীয় আসবাবপত্র, ২০ লক্ষাধিক টাকার সম্পদ রয়েছে। ছাত্র জীবনে নাম মাত্র মাসিক ৮ হাজার টাকার বেতনে ইমামতি করে এত অর্থ সম্পদের উৎস কোথায় জনমনে প্রশ্ন?

    অনেক সময় তাকে প্রশাসনের তালিকাভুক্ত মাদকব্য বসায়ীদের সাথে বিভিন্ন স্থানে গভীর রাত পর্যন্ত আড্ডা দিতে দেখা যায়। সে যে মাদককারবারী সাথে জড়িত এলাকাবাসী সন্দেহ করতেন। কিন্তু বলতে পারতেন না।

    উল্লেখ্য তার ভাই গোদাগাড়ী পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের আলিপুর জামে মসজিদের খতিব ( ইমাম) মাদক সম্রাট মাও. মোঃ জাকির হোসেন ৩১০ গ্রাম হেরোইনসহ হাতেনাতে র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হন।

    নাটোর জজকোর্টের অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম জানান, ২০২২ সালের ২২ মে বনপাড়া বাইপাসে যাত্রীবাহী বাস থেকে ৩শ ১০ গ্রাম হেরোইনসহ জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে থানায় সোপর্দ করা হয়।
    গ্রেফতারকৃত জাকির ঘটনার পর থেকেই কারাগারে রয়েছেন। মামলার স্বাক্ষ্য গ্রহণ ও প্রমাণ শেষে জাকির হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও একলাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেন আদালত। বর্তমানে তিনি জেল হাজতে রয়েছে। তারা পারিবারিকভাবে মাদক কারবারের জড়িত।

    আটককৃত ব্যক্তি হলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রানীনগর এলাকার লোকমান হোসেনের ছেলে। তার পিতা লোকমান হোসেন রানীনগর দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক বলে জানা গেছে।

    এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তারা কয়েক ভাই চর রানিনগর এলাকা থেকে এসে বিভিন্ন স্থানে আস্তানা গেড়ে ইমামতি করার যোগ্যতা না থাকলেও মাদক ব্যবসা আড়াল করতেই লেবাসধারি ইমামের পথ বেছে নিয়েছেন। মাদক ব্যবসা করে অল্প সময়ে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন।

    মূলত মাদক ব্যবসায় সমস্যা হওয়ার কারণে তার ভাই জাকির হোসেন ইমামতি থেকে ছুটি নিয়ে ঘন ঘন নাটোর, পাবনা, ঢাকা, বরিশাল, সিলেট ও ভারতে গমন করতেন। এলাকার ১ টব কেজি স্কুলের সহকারি শিক্ষক হিসেবে আছে তারই নিজ ভাই এবং তার স্ত্রী। সেখানে চলে মাদক ক্রয় বিক্রয় বলে অভিযোগ রয়েছে। তার আর এক ভাই মাও. হাফিজুর রহমান গোদাগাড়ী উপজেলা সদরে ফাজিলপুর জামে মসজিদের খতিব ( ইমাম) হিসেবে কর্মরত অবস্থায় দেড় বছর আগে জেএমবি ও মাদকের সাথে সংশ্লিষ্টতার আভিযোগে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) হাতে গ্রেফতার হন। দীর্ঘ ৫ মাস পর ছাড়া পান, তার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করেন এবং ওই সংস্থা তাকে তিন মাস পূর্বে এককই অভিযোগে মাও. হাফিজুর কে গ্রেফতার করেন, তিনি জামিনে ছাড়া পেয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহনীর চোঁখ ফাকি দিয়ে সৌদি আরবে পালিয়ে যান বর্তমানে সেখানেই তিনি অবস্থান করছেন।

    গত ঈদুল আযহার জামায়াতে ৪৫ মিনিট দেরী করে এসেছিলেন ইমাম কাউসার মাদক ব্যবসায়ীদের সুসম্পর্ক থাকার কারণ, যখন তখন ছুটি নিয়ে বাহিয়ে যাওয়ার কারণ জানতে চেয়েছিলেন কমিটির সদস্য প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম ক্ষোভ করে বলেন, কমিটির সদস্যরা ইমামের তুয়াজ করেন, ইমাম তো যা ইচ্ছে তাই করবেন। ইতিপূর্বে পত্রিকায় ইমামের মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে নিউজ প্রকাশ হওয়ায় বেশীর ভাগ সদস্য এ ইমামকে বাদ দেয়ার পক্ষে মতামতদেন। কিন্তু কমিটির সভাপতি নূর বকত হাজি, সদস্য নূরুল ইসলাম ফিটু তাকে ভুল স্বীকার করে রাখার পক্ষে জোরালো মতামত দেন। পরে ইমাম কুকর্মের জন্য ভুল স্বীকার করেন এবং ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে মসজিদে ইমামতি করবেন এমর্মে অঙ্গিকার করেন বলে ওই যাত্রা রেহায় পান।
    এ ব্যপারে আলহাজ্ব নূর রকত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি নিউজটি ফটোকপি করে পড়েছিলাম, ইমাম সাহেব ও পড়েছেন। কার ভিতরে কি আছে আমরা তো এটা বুঝতে পারি না। গ্রেফতারের কয়েক দিন আগেই আমরা মিটিং করে তাকে বাদ দোয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করি।

    এ ব্যপারে বিশিষ্ট আলেম, প্রবীন খতিব মাও. আব্দুল মান্নান বলেন, একধরনের সমজিদ কমিটির সদস্যগণ কোন প্রকার যোগ্যতা, সদনপত্র না দেখে কম বেতনে ছাত্রদেরকে ইমাম, খতিব নিয়োগ দিচ্ছেন, তারা বির্তর্কিক ক্ষুদবা দিয়ে মানুষকে ভুল পথে পরিচালিত করছেন, রাষ্ট্রবিরোধী কাজ করছেন। এরা কথায় কথায় মিথ্যা বলেন। ইমামের আড়ালে মাদক ব্যবসা করে, মাদকসহ গ্রেফতার হাওয়ার পর প্রকৃত ইমাম, আলেমগণ আজ বেকায়দায় পড়ছেন। লজ্জা পাচ্ছেন, বিভিন্ন প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে। এদের কঠোর শাস্তি হওয়া প্রয়োজন, যেন আর কোন ইমাম মাদকের সাথে সংশ্রিষ্ট হতে না পারে।

    গোদাগাড়ীতে মাদকের ছড়াছড়িতে রীতিমত হতাশ গনমাধ্যমকর্মী, সাধারণ মানুষ ব্যক্তিবর্গ। ইমামদের হেরোইন ব্যবসার সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি আলেম সমাজসহ সবাইকে ভাবিয়া তুলেছেন। মানুষ নানাভাবে টিচ করছেন। এদের কঠোর শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। যেন আর কোন লেবাসধারি মাদক ব্যবসায়ী হতে না পারে। আর মসজিদ কমিটির উচিৎ যোগ্যতা অনুয়ায়ী সনদপত্র যাচাই বাছাই করেই ইমাম ও খতিব নিয়োগ দেয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। কম বেতনে ইমামতি করতে রাজি হন এধরনের মাদক ব্যবসায়ী কথিত ইমামগন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে ২৩ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার- পিকআপ জব্দ

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে ২৩ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার- পিকআপ জব্দ

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় অদ্য ০২ জানুয়ারি ২০২৪ খ্রিঃ ভোর রাত ০৪.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২’র সদর কোম্পানির একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানাধীন আরএস রেল গেইটের পাশে মেসার্স শিমলা স্টোরের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর” একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ২৩ কেজি গাঁজাসহ ০২ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও তাদের সাথে থাকা মাদক দ্রব্য গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় ও বহনের কাজে ব্যবহৃত ০১টি পিকআপ, ০২টি মোবাইল এবং নগদ ৩৫০০ টাকা জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামি ১। মোঃ বিপ্লব মিয়া (৩৫), পিতা- মোঃ সাজু মিয়া, ২। মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (২০), পিতা- মোঃ শফিউল ইসলাম, উভয় সাং- তাজহাট টিবি হাসপাতাল, পোঃ- আলমনগর, থানা- কোতয়ালী, জেলা- রংপুর।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামিদ্বয় দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে সিরাজগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের মোবাইলে যোগাযোগের মাধ্যমে পিকআপযোগে মাদক দ্রব্য গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা রয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ উপরোক্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি ইলেক্ট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়াতে প্রদর্শনের জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হলো।

    স্বাক্ষরিত-

    মোহাম্মদ ইলিয়াস খান

    স্কোয়াড্রন লীডার

    কোম্পানী কমান্ডার

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানী, সিরাজগঞ্জ।

    ফোন-০১৭৭৭৭১১২৫৮

  • পাটগ্রামে বিএনপির মিছিল ও লিফলেট  বিতরণ অনুষ্ঠিত

    পাটগ্রামে বিএনপির মিছিল ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠিত

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।
    লালমনিরহাট জেলা কালীগঞ্জ উপজেলার
    বিএনপি কতৃক দেশব্যাপী ডামি নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের জনমত তৈরির লক্ষ্যে পাটগ্রাম উপজেলায় লিফলেট বিতরণ, বিক্ষোভ মিছিল করেছে পাটগ্রাম উপজেলা ও পৌর বিএনপি। গত ১জানুয়ারী ২০২৩ইং সোমবার বিকালে জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বিএনপির যৌথ উদ্যোগে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধানের নেতৃত্বে লিফলেট বিতরনে বিএনপি ও এর অংগসংগঠনের বিপুল পরিমাণ নেতাকর্মী এতে অংশগ্রহণ করে। মিছিলটি পাটগ্রাম পৌরসভা হতে শুরু হয়ে পাটগ্রাম -বুড়িমারী মহাসড়কে গিয়ে শেষ হয়। এরপর এক সংক্ষিপ্ত পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‌ জাতীয়তাবাদী দলের মোস্তফা সালাউজ্জামান ওপেল সভাপতি পৌর বিএনপি পাটগ্রাম, জাকির হোসেন সুমন সদস্য সচিব উপজেলা যুবদল পাটগ্রাম, একরামুল হক কিরন আহবায়ক উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল পাটগ্রাম, আসাদুজ্জামান রাসেল সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক পৌর স্বেচ্ছাসেবক দল পাটগ্রাম, সহ অংগসংগঠনের বিপুল পরিমাণ নেতাকর্মীরা এতে অংশগ্রহণ করে। এসময় বক্তারা বলেন, সরকার যতই দমন পীড়ন করুক না কেন বিএনপি এই পাতানো নির্বাচন হতে দেবে না। খুব শীঘ্রই দেশবাসী তা জানতে পারবে। বক্তারা ডামি নির্বাচন বর্জনসহ সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনে নেতাকর্মী সহ সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান।

    হাসমত উল্লাহ।

  • বাগেরহাটে ৪টি আসনে নৌকা শক্ত অবস্থায়

    বাগেরহাটে ৪টি আসনে নৌকা শক্ত অবস্থায়

    এস. এম সাইফুল ইসলাম কবির,বিশেষ প্রতিনিধি :বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা ভোটের মাঠে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। নির্বাচনে জয়-পরাজয়ে প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান অনেক বেশি হবে; এমন আভাস ভোটের মাঠে। বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনে নৌকা প্রতীকের ব্যাপক প্রচার দেখা গেছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী সভা-সমাবেশে নারী-পুরুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

    জেলার বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, শহর থেকে শুরু করে গ্রামে, পাড়া মহল্লার অলিতে গলিতে মানুষের মধ্যে নির্বাচন ঘিরে চলছে আলোচনা। তবে কোনো কোনো ভোটার মনে করছেন, এই নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে নির্বাচনটি আরও জমে উঠত। তবে এবারের নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের মধ্যে বেশি আগ্রহ লক্ষ করা গেছে। তারা প্রথম ভোট দিতে পারবে বলে, কোন প্রার্থীকে ভোট দেবে তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। তারা মনে করেন নির্বাচনে জয়-পরাজয়ে প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান অনেক বেশি হবে; এমন আভাস তরুণসহ সাধারণ ভোটারদের। বাগেরহাটে মোট চারটি আসনের মধ্যে বাগেরহাট-৩ ও বাগেরহাট-৪ আসনে নৌকার সঙ্গে ঈগলের জমজমাট লড়াই হবে মনে করেন এই এলাকার ভোটাররা। তবে জয়ের ব্যাপারে সব প্রার্থীই আশাবাদী। এদিকে চারটি আসনে কয়েকজন প্রার্থীর জামানত হারানোর আশঙ্কাও রয়েছে। বাগেরহাটের চারটি আসন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়-
    নবম, দশম এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসন আওয়ামী লীগের দখলে রয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং স্বতন্ত্র মিলে মোট ২৬ জন প্রার্থী লড়ছেন। এদিকে পোস্টারে ছেয়ে গেছে বিভিন্ন এলাকা। সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগে ব্যস্তসময় পার করছেন প্রার্থীরা।
    বাগেরহাট-১বাগেরহাট-১ এই আসনে মোট প্রার্থী ছয় জন। এই আসনে নৌকার প্রার্থী শেখ হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী এইচ এম আতাউর রহমান, তৃণমূল বিএনপি প্রার্থী মো. মাহফুজুর, বিএনএম প্রার্থী মনজুর হোসেন শিকদার, লাঙলের প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান, এনপিপির প্রার্থী বাসুদেব গুহ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।বাগেরহাট-১ আসনে মোট প্রার্থী ছয় জন। এই আসনে মোট ভোটার তিন লাখ ৫২ হাজার ৮২১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৭৯ হাজার ৩৯৭, নারী ভোটার এক লাখ ৭৩ হাজার ৪২৩ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার একজন।
    বাগেরহাট-২

    বাগেরহাট-২ এ আসনে নৌকার প্রার্থী শেখ তন্ময়, লাঙলের প্রার্থী হাজরা শহিদুল ইসলাম বাবলু, স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম আজমল হোসেন, তৃণমূল বিএনপি প্রার্থী মরিয়ম সুলতানা, জাকের পার্টির প্রার্থী খান আরিফুর রহমান, বিএনএম প্রার্থী সোলায়মান শিকদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।আসনে মোট প্রার্থী ছয় জন। এই আসনে মোট ভোটার তিন লাখ ২০ হাজার ১৪১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৫৯ হাজার ৫০৭, নারী ভোটার এক লাখ ৬০ হাজার ৬৩২ এবং তৃতীয় লিঙ্গের দুই জন।
    বাগেরহাট-৩

    বাগেরহাট-৩ এ আসনে নৌকার প্রার্থী উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, তৃণমূল বিএনপি প্রার্থী মেনোয়াল সরকার, জাসদ প্রার্থী শেখ নূরুজ্জামান মাসুম, জাপার প্রার্থী মো. মনিরুজ্জামান মনির, বাংলাদেশ কগ্রেসের প্রার্থী মফিজুল ইসলাম গাজী, বিএনএম প্রার্থী সুব্রত মণ্ডল, ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র বিদ্রোহী প্রার্থী মো. ইদ্রিস আলী ইজারাদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।আসনে মোট প্রার্থী সাত জন। এই আসনে মোট ভোটার দুই লাখ ৫৪ ৮৫৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ২৭ হাজার ১৩৭ জন, নারী ভোটার এক লাখ ২৭ ৭১৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের একজন।
    বাগেরহাট-৪

    বাগেরহাট-৪ এ আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ, ঈগল প্রতীক নিয়ে জামিল হোসেন, নোঙর প্রতীক নিয়ে রেজাউর রহমান রাজুসহ আরও চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।মোট প্রার্থী সাত জন। এই আসনে মোট ভোটার তিন লাখ ৫৩ হাজার ৩১৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৭৮ হাজার ৪৫ জন, নারী ভোটার এক লাখ ৭৫ হাজার ২৬৭ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের দুই জন।

    বাগেরহাট-১ আসনে নৌকার প্রার্থী বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুস্পুুত্র এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই বর্তমান সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীন, বাগেরহাট-২ আসনে নৌকার প্রার্থী শেখ হেলাল উদ্দীনের ছেলে বর্তমান সংসদ সদস্য শেখ তন্ময়, বাগেরহাট-৩ আসনে নৌকার প্রার্থী বর্তমান বন, পরিবেশ ও জলবায়ুবিয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-মন্ত্রী হাবিবুন নাহার এবং বাগেরহাট-৪ আসনে নৌকার প্রার্থী ছাত্রলীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সাবেক সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ।

    বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ কামরুজ্জামান টুকু বলেন, সারাদেশের মতো বাগেরহাটেও নানা ক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। এলাকার মানুষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর খুশি। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে মানুষ আবারো নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করবে।

    তিনি বলেন বলেন, বাগেরহাটে আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ এবং যে কোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী।

    বাগেরহাট জেলা প্রশাসক ও রিটানিং অফিসার মোহা. খালিদ হোসেন জানান, জেলার চারটি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং স্বতন্ত্র হিসেবে ২৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরি মধ্যে সব ধরণের প্রস্ততি সম্পন্ন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে তদারকি করছেন। চারটি আসনেই আইনশৃংখলা পরিস্থিতি ভাল রয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোথাও অপ্রিতকর ঘটনা ঘটেনি। কোনো ধরণের অভিযোগ পেলেই সাথে সাথে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। বাগেরহাটে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করছে। বাগেরহাটের চারটি আসনেই শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখোর পরিবেশে সুষ্ঠভাবে এবং সুন্দরভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদি। সাত জানুয়ারি ভোটারদের কেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগরে আহবান জানান রিটানিং অফিসার।

    বাগেরহাটের পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত খান বলেন, বাগেরহাটের সর্বত্রই শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করছে। নির্বাচনে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য পুলিশ কাজ করছে। বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের পর্যাপ্ত সংখ্যক ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন আইনশৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যরা মাঠে কাজ করছে। শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোটাররা যাতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে এজন্য আইনশৃংখলাপরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে পুলিশ সুপার জানান।

  • বাগেরহাটে সাইনবোর্ড-বগী আঞ্চলিক মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৫

    বাগেরহাটে সাইনবোর্ড-বগী আঞ্চলিক মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৫

    এস. এম সাইফুল ইসলাম কবির,বিশেষ প্রতিনিধি :বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. রেজাউল ইসলাম নান্নু ফরাজি (৫৭) নামে কলেজের এক করনিক নিহত হয়েছে। এ সময় আরো ৫ জন আহত হন। নিহত রেজাউল ইসলাম নান্নু ফরাজি শরণখোলা উপজেলার মাতৃভাষা কলেজের করনিক ও খাউলিয়া ইউনিয়নের বড়পরি গ্রামের নুরুল ইসলাম ফরাজীর ছেলে।

    আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে সাইনবোর্ড-বগী আঞ্চলিক মহাসড়কের পল্লীমঙ্গল বাজার এলাকায় একটি লোকাল বাস যাত্রীবাহী ইজিবাইক ও কয়েকজন পথচারীকে ধাক্কা দিলে গুরুতর আহত হন নান্নু।
    তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়ার পথে সকাল ১০টার দিকে তিনি মারা যান। তার মরদেহ মোরেলগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    দুর্ঘটনায় অপর আহতরা হলেন রবিউল ইসলাম (১৮), সম্রাট হাওলাদার (২০), আমির হোসেন মোল্লা (৬০) ও সবুজ শেখ (২৫)।

    মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শামসুদ্দিন এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।