Blog

  • বানারীপাড়ায় শান্ত সহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

    বানারীপাড়ায় শান্ত সহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ায় বিশারকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম শান্ত সহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নৌকা ও ঈগলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামী করার প্রতিবাদে ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩ জানুয়ারী) বিকালে বিশারকান্দি ইউনিয়নের উমারেরপাড় দাখিল মাদরাসার সামনে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যিনবার্হী সদস্য ও কৃষকলীগের যুগ্ম আহবায়ক শাহাদাৎ হোসেন রানা,উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যিনবার্হী সদস্য ও বিশারকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক উত্তম কুমার দাস,বর্তমান সাধারণ সম্পাদক জামাল পারভেজ প্রমুখ বক্তৃতা করেন। এসময় বানারীপাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ উদ্দিন আহমদ কিসলু, বিশারকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন বাহাদুর,যুগ্ম সম্পাদক নিরঞ্জন মন্ডল,সাংগঠনিক সম্পাদক মানিক মিয়া ও হান্নান মিয়া,দপ্তর সম্পাদক মহিবুল্লাহ আকন,প্রচার সম্পাদক ওয়াহিদুজ্জামান,সদস্য জলিল আর্ট,৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন তালুকদার,৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আইয়ুব আলী, ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন,৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি শাহীন মিয়া,সাধারণ সম্পাদক খোকন মিয়া, ৯নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন মাষ্টার, ইউপি সদস্য সেলিম মিয়া, ছাত্রলীগ নেতা আহাদুজ্জামান শামীম, শফিকুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম হিমু, হাবিবুর রহমান মুন্না, ইমরান হোসেন ইমু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত,বরিশাল-২ আসনে ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী ওয়াকার্র্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের নৌকার সমর্থকদের সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেরে বাংলার দৌহিত্র একে ফাইয়াজুল হক রাজুর ঈগল প্রতীকের সমর্থকদের হামলা-পাল্টা হামলা ও মটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী একে ফাইয়াজুল হক রাজুর মেয়ে তাহরিন হক বাদী হয়ে বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও বিশারকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম শান্তসহ ১৯জন যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সুনির্দিষ্ট ও ৪০/৫০জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেন।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি।।

  • গ্রামের রাস্তা আর কাঁচা থাকবে না- শিবলী সাদিক

    গ্রামের রাস্তা আর কাঁচা থাকবে না- শিবলী সাদিক

    জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

    দিনাজপুর-৬ আসনে আ’লীগ মনোনীত নৌকা প্রতিকের প্রার্থী শিবলী সাদিক এমপি বলেছেন,
    ‘গ্রামের কোনো রাস্তা আর কাঁচা থাকবে না। আপনাদের দুঃখ দুর্দশা আমি উপলব্ধি করি। করোনা মহামারি ও রাশিয়া, ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য বিশ্বের বাঘা বাঘা দেশের সাথে আমরাও পিছিয়ে গেছি। তা-নাহলে আপনাদেরকে কাঁচা রাস্তায় হাটতে হতো না। ইতোমধ্যে অনেক রাস্তার টেন্ডার হয়ে গেছে, জুন-জুলাই এর মধ্যে রাস্তাগুলো দৃশ্যমান হবে।

    বুধবার দুপুরে দিনাজপুর-৬ আসনের নির্বাচনী এলাকা বিরামপুর উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গণসংযোগ ও নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় হাজার হাজার মানুষের মুখে নৌকার স্লোগানে মুখর হয়ে উঠে চারপাশ।

    এমপি শিবলী সাদিক আরো বলেন, আমি মহান সংসদে বলেছি মাননীয় স্পিকার আমার এলাকার কৃষকের কান্না আর ভালো লাগে না। তারা শুধু পাকা রাস্তা চায়। আপনাদের দুর্দশার কথা ইতিপূর্বে কোনোও সংসদ সদস্য মহান সংসদে বলেননি। আপনাদের সন্তান শিবলী সাদিক বলেছেন। তাই বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে নৌকার সাথেই থাকতে হবে। এই বলে আগামী ৭ জানুয়ারি মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের দল আ’লীগের পতাকা তলে একত্রে থেকে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

    পথ সভায় আ’লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান ইউনুস আলী, ভাইস-চেয়ারম্যান মেজবাউল ইসলাম, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, উপজেলা ও ইউনিয়ন আ’লীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী-সমর্থক ছাড়াও নানা শ্রেণি-পেশার অসংখ্য মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    জাকিরুল ইসলাম জাকির
    বিরামপুর, দিনাজপুর।

  • সুন্দরবনে উপকূলে ২ মাস কাঁকড়া ধরা নিষেধাজ্ঞা, জেলেরা সরকারী সহায়তা দেওয়ার দাবী জানান

    সুন্দরবনে উপকূলে ২ মাস কাঁকড়া ধরা নিষেধাজ্ঞা, জেলেরা সরকারী সহায়তা দেওয়ার দাবী জানান

    এস. এম সাইফুল ইসলাম কবির,বিশেষ প্রতিনিধি : সুন্দরবনের উপকূলে নদনদী ও জলাভূমিতে বেড়ে ওঠা সব ধরনের কাঁকড়া আহরণ দুই মাস নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ। চলতি বছরের ১লা জানুয়ারি থেকে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুরো সুন্দরবনে এই নিষেধাজ্ঞার বলবৎ থাকবে। দুই মাস দরিদ্র পরিবারগুলোর খেয়ে না খেয়ে কষ্টে মানবেতর জীবন যাপন করতে হবে। তারপরও সরকারি নিয়ম তো মানতে হবে। জেলেরা সরকারী সহায়তা দেওয়ার দাবী জানান। বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারী এই দুই মাস প্রাকৃতিক মৎস্য সম্পদ মা কাঁকড়ার প্রধান প্রজনন মৌসুম। এসময়ে প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষে সরকারী ভাবে সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরার পাশ পারমিট বন্ধ রাখার নির্দেশনা রয়েছে। এই দু‘মাসে ডিমওয়ালা মেদী-মায়া কাঁকড়া বিভিন্ন নদী খালে কোটি কোটি বাচ্চা ছাড়ে। আর বনের উপকূলীয় এলাকার হাজারো জেলে এই কাঁকড়া ধরে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন।

    এছাড়া এই কাঁকড়া বিদেশে রপ্তানি করে ব্যবসায়ীরাও বছরে কোটি টাকা আয় করেন। বনবিভাগের তথ্যানুযায়ী সুন্দরবনের ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশ অংশে জলভাগের পরিমাণ ১ হাজার ৮৭৪ দশমিক ১ বর্গকিলোমিটার যা পুরো সুন্দরবনের আয়তনের ৩১ দশমিক ১৫ শতাংশ। সুন্দরবনের জলভাগে ২১০ প্রজাতির সাদা মাছ, ২৪ প্রজাতির চিংড়ি ও ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া রয়েছে। বনের এই প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় এবং মা কাঁকড়ার প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষে ৫৯ দিনের জন্য জেলেদের সুন্দরবনে প্রবেশ করে কাঁকড়া ধরার অনুমতি বন্ধ রাখেন। তবে এই দুই মাস কিভাবে পরিবার পরিজন নিয়ে সংসার চলবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন হাজারো জেলে। কালাবগি এলাকার জেলে সালাম মোল্যা বলেন, কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম শুরু হয়েছে। বনবিভাগ পাশ পারমিট বন্দো করে দিয়েছে তাই সুন্দরবন থেকে ৩ দিন আগে কাঁকড়া ধরা বন্ধ দিয়ে বাড়ি ফিরে এসেছি। শুধু আমি না আমার মত সকল জেলেও নৌকা দড়ি নিয়ে ফিরে এসেছে। আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল কোনো লোক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে যায় না। আর যারা যায় তারা অধিকাংশ অতি দরিদ্র পরিবার। নিষেধাজ্ঞা চলাকালে এই দুই মাস দরিদ্র পরিবারগুলোর খেয়ে না খেয়ে কষ্টে মানবেতর জীবন যাপন করতে হবে। তারপরও সরকারি নিয়ম তো মানতে হবে। তা ছাড়া কাঁকড়া ধরা বন্ধের সময়ে সরকারী কোনো ভাতার ব্যবস্থা থাকলে এমন কষ্ট হতো না। তিনি বন্ধের সময়ে সরকারী সহায়তা দেওয়ার দাবী জানান।

    বুধবার(৩ জানুয়ারী) বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) কাজী মো. নূরুল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    সুন্দরবন বিভাগ জানায়, ‘জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি দুই মাস সুন্দরবনের নদ-নদী ও জলাভূমিতে বেড়ে ওঠা দেশের রপ্তানি পণ্য শিলা কাঁকড়াসহ সব ধরনের কাঁকড়ার প্রজনন মওসুম। এ সময়ের মধ্যে মা কাঁকড়ার ডিম থেকে প্রচুর পরিমাণ কাঁকড়া জন্ম নেয়। মা কাঁকড়া রক্ষার জন্যই প্রতি বছরের এ সময়ে সুন্দরবন থেকে কাঁকড়া আহরণ নিষিদ্ধ করে বন বিভাগ।

    এদিকে কাঁকড়া ব্যবসায়ীরা জানান, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা ও মোংলাসহ সুন্দরবন সন্নিহিত এলাকা থেকে কয়েক কোটি টাকার বিশ্বখ্যাত শিলা কাঁকড়া রপ্তানির জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। বিদেশে রপ্তানি করা কাঁকড়ার ৯৯ শতাংশ সুন্দরবন থেকে আহরণ করা হয়ে থাকে। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি এ দুই মাসে কাঁকড়া রফতানি শূণ্যের কোঠায় নেমে আসে। ফলে এর সঙ্গে জড়িত কয়েক হাজার মানুষ এ সময় বেকার হয়ে পড়ে। উল্লেখ্য ২০০৩-০৪ অর্থ বছরে কাঁকড়া রফতানিতে আয় দাঁড়ায় ১৪৬ মিলিয়ন ডলারে। এভাবে পর্যায়ক্রমে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে এর আয় পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেড়ে য়ায়। কাঁকড়া আহরণের সবচেয়ে বড় ভান্ডার সুন্দরবন।

    বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামের কাঁকড়া জেলে নিমাই চন্দ্র বালা জানান, আমার প্রধান পেশা সুন্দরবন থেকে কাঁকড়া আহরণ করা। বছরে এই দুই মাস আমি পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করি। দুই মাসের জন্য অন্য পেশায়ও যুক্ত হতে পারি না।

    বছরে দুইমাস বিকল্প কর্মসংস্থানের দাবি জানিয়ে, মংলার জয়মনি এলাকার কাঁকড়া জেলে শফিকুল ইসলাম বলেন, সরকার বিভিন্ন পেশার কর্মজীবিদের প্রনোদনা দেয় কিন্তু আমাদের জন্য কিছু নাই।

    বাগেরহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এ এস এম রাসেল জানান, কাঁকড়া নদী বা খালে বেড়ে উঠলেও এর প্রজনন হয় সাগরের মুখে বা গভীর সাগরে। তাই এই সময় কাকড়া গভীর সাগরের দিকে ছোটে। তাছাড়া এই সময় নদীর পানি থেকে সাগরের পানি গরম এবং নদীর পানির থেকে সাগরের পানির লবনাক্ততা বেশি থাকে। এসব কারণেও নদী খাল থেকে কাঁকড়া সাগরে ছুটে যায়। কাঁকড়া সাগরে ছুটে যাওয়ার মুহূর্তে যাতে তাদের ধরতে না পারে সে জন্য কাঁকড়ার অভায়ারণ্য সুন্দরনে মা কাঁকড়া রক্ষায় এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বন ব্যিভাগ। এছাড়া মা কাঁকড়ার যখন ডিম হয় তখন তাদের ধরা খুবই সহজ। তারা ক্ষুধার্থ থাকে। তাদের সামনে যে খাবার দেয়া হয় তারা দ্রুত তা খাওয়ার জন্য এগিয়ে আসে। এর ফলে প্রজনন মৌমুমে খুব সহজেই জেলেরা কাঁকড়া শিকার করতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, যদি এই সময় কাঁকড়া শিকার না করা হয় তাহলে পরবর্তী বছরে অধিক হারে কাকড়া উৎপাদন ও বিদেশে অধিক পরিমাণ রফতানি করা সম্ভব হয়।

    পূর্ব-সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) কাজী মো. নূরুল করিম বলেন, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এ দুই মাস কাঁকড়ার প্রজননের মৌসুম হওয়ায় এই সময় কাঁকড়া ধরা নিষিদ্ধ করা হয়। আর এই নিষিদ্ধ বলবৎ থাকে শুধু সুন্দরবন এলাকায়। তাই সুন্দরবন বিভাগ এটা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

  • ত্রিশালে ‘ট্রাক’ প্রতীকের গণজোয়ার,বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরতে কাজ করছে কর্মী সমর্থকরা

    ত্রিশালে ‘ট্রাক’ প্রতীকের গণজোয়ার,বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরতে কাজ করছে কর্মী সমর্থকরা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) সংসদীয় আসনে এগিয়ে আছে গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক ‘ট্রাক’
    নির্বাচনের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে ততই ট্রাকের হর্ণের শব্দ ভাসছে গ্রাম-গঞ্জের সর্বস্তরের গণমানুষের মাঝে। ভোটারদের ভাবনা, বিপুল সংখ্যক সমর্থকের গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণায় নতুন মাত্রা পেয়েছে জনগণ মনোনীত স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ত্রিশাল পৌরসভার তিনবারের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোঃ এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ এর ‘ট্রাক’ প্রতীক। হেভিওয়েট এই প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে নির্বাচনী মাঠ কাঁপাচ্ছেন উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।
    গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে ভোটাররা তাকেই বেছে নিয়েছেন। তারা জনগণের মনোনীত স্বতন্ত্র প্রার্থী আনিছের ট্রাক প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করার অঙ্গিকার নিয়ে মাঠে কাজ করছেন। তারা ট্রাক প্রতীকের পক্ষে নিরলস গণসংযোগ ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। মাঠে আছেন আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের একাংশের নেতা-কর্মী ও সমর্থক, ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের বড় অংশ, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজসহ বিশাল সমর্থক গোষ্ঠি। আনিছের ‘ট্রাক’ প্রতীকের গণজোয়ার ধরে রাখতে সমর্থকরা নতুন নতুন কৌশলে প্রচারণা চালাচ্ছেন। নির্বাচনী গান ও কথা নিয়ে প্রচার কাজে অংশ নিয়েছেন সাংস্কৃতিক কর্মীরা। অপরদিকে ভোট প্রদানের আগ্রহে দিন কাটাচ্ছেন ট্রাক প্রতীকের সমর্থকরা।

    শক্তিশালী স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম সদস্য ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি । ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী আনিছ উপজেলার একজন জনপ্রিয় গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতিবিধ। সরকারের উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা। নিজের অবস্থান, বলয় ও ভোট ব্যাংক থাকার কারণে বিপুল সংখ্যক সমর্থকের অনুরোধে তিনি পৌরসভার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করে ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসনে এমপি প্রার্থী হয়েছেন। মূলত তার কারণেই সর্বস্তরের ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। ৩রা জানুয়ারী বুধবার পর্যন্ত আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মাঝে ভোটযুদ্ধের অবস্থা বিশাল ব্যবধান লক্ষ্য করা গেছে। পৌর এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা,মানুষের সাথে সভ্যআচরণ,মানবিকতাসহ নানান কারণে ‘ট্রাক’ প্রতীকের পক্ষে সৃষ্টি হয়েছে গণজোয়ার।

    হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী এবিএম আনিসুজ্জামান এর ট্রাক প্রতীকের পক্ষে অবস্থান নিয়ে নির্বাচনী মাঠ কাঁপিয়ে বেড়ানো ময়মনসিংহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ডজনখানেক নেতা প্রতিদিন বিভিন্ন মতবিনিময় ও উঠান বৈঠকে বক্তব্যে বলেন, আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাতিঘর জননেত্রী শেখ হাসিনা সবার জন্য এবারের সংসদ নির্বাচন উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। নির্ভয়ে পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন। এ কারণেই আমরা জনগণের পছন্দের প্রার্থী আনিছের ‘ট্রাক’ প্রতীকের পক্ষে মাঠে নেমেছি। নেতারা বলেন, ত্রিশাল আসনের সর্বস্তরের ভোটারদের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের উল্লেখযোগ্য নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা আমাদের সাথে রয়েছেন। আমরা ৭ জানুয়ারি ট্রাক প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করে ঘরে ফিরবো ইনশাআল্লাহ। নেতারা আরো বলেন, এবিএম আনিসুজ্জামানের গ্রহণযোগ্যতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, বলিষ্ঠ ভূমিকা, বিচক্ষণতা ও মানুষের পাশে থাকার কারণে আমরা ‘ট্রাক’ প্রতীকের পক্ষ নিয়েছি।
    নির্লোভ ও পরোপকারী আনিসুজ্জামান নানান কারণেই গুরুত্বপূর্ণ। তাকে বিজয়ী করতে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে চলছে তোড়জোড়। বিবেচনা করা হচ্ছে জনপ্রিয় প্রার্থী হিসেবে। সম্মানজনক ভোট ব্যবধানে ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী আনিছ বিজয়ী হবেন বলে পর্যবেক্ষক মহলের ধারণা। অবহেলিত ত্রিশাল উপজেলাবাসীর উন্নয়নে সর্বস্তরের ভোটাররা এরই মধ্যে ‘ট্রাক’ প্রতীকের পক্ষে একজোট হয়েছেন। ভোটারদের মতে, কাঙ্খিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করে সর্বস্তরের মানুষের স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন একমাত্র এবিএম আনিসুজ্জামান । গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে ভোটাররা তাকেই বেছে নিয়েছেন। তারা জনগণের মনোনীত স্বতন্ত্র প্রার্থী আনিছের ট্রাক প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করার অঙ্গিকার করেছেন।

  • উজিরপুরে ইউপি সদস্য  ও তার ছেলের তান্ডব , আহত – ৬

    উজিরপুরে ইউপি সদস্য ও তার ছেলের তান্ডব , আহত – ৬

    জুনায়েদ খান সিয়াম,
    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরের শোলক ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম সরদার ও তার ছেলে ফাহিম সরদারের তান্ডবে আমেরিকান প্রবাসী সহ ৩ জনের আহতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় শোলক ইউনিয়নরে ধামুরা টেম্পুষ্ট্যান্ডে বাপ ছেলে আমেরিকান প্রবাসী রাহাত, ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম ও জালিছ মাহামুদ রনিকে কুপিয়ে আহত করেছে। স্থানীয় ও আহত সূত্রে জানা যায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আমেরিকান প্রবাসী রাহাত নিজ খরচে কাংশীতে মসজিদ নির্মানের জন্য স্থানীয় মুসল্লিদের সাথে আলোচনা করার সময় কাংশী গ্রামের ইউপি সদস্য সিরাজ এর ছেলে ফাহিম, সাঈদ, সহ কিছু সন্ত্রাসীরা প্রবাসী রাহাতের কাছে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। বিষয়টি ইউপি সদস্য সিরাজ সরদারকে বুধবার সকালে জানাতে গেলে উল্টো তিনি রাহাত ও স্থানীয়দের সাথে খারাপ আচরণ করে। বিষয়টি স্থানীয়রা ইউপি চেয়ারম্যান হালিম সরদারের ছেলে চঞ্চল সরদারকে জানায়। চঞ্চল সরদার বিষয়টি জিজ্ঞাসা করতে গেলে ইউপি সদস্য সিরাজ, তার ছেলে ফাহিম সরদারের সাথে বাগ বিতন্ডা শুরু হলে উভয় পক্ষের সাথে সংঘর্ষ শুরু হয়। শোলক ইউনিয়নের ক্যাম্প ইনচার্জ রুহুল আমিন সহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়কে শান্ত করতে চেষ্টা করেন। এ সময় ইউপি সদস্য সিরাজ ও তার ছেলে ফাহিম সরদার ইউপি চেয়ারম্যানের জামাতা রফিকুল ইসলাম ও রাহাতকে কুপিয়ে আহত করে। এ সময় কাম্পের পুলিশ ইউপি সদস্য সিরাজের দোকান থেকে ধারালো দেশীয় রামদা উদ্ধার করে। ঘটনাটি শুনে উজিরপুর মডেল থানার ওসি জাফর আহম্মেদ ও তদন্ত ওসি তহিদুজ্জামান সোহাগ অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের আধাঘন্টা পরে শোলক ও বড়াকোঠা ইউনিয়নের জিরো পয়েন্ট নামক স্থানে ইউপি সদস্যের ছেলে ফাহিম সরদার দেশীয় অস্ত্র ও রামদা দিয়ে জালিছ মাহামুদ রনি(৩০) কে উপর্যপুরি কুপিয়ে গুরুত্বর আহত করে পালিয়ে যায়। বর্তমানে রনিকে গুরুত্বর অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় আহত প্রবাসী রাহাত ও জালিছ মাহামুদ রনি পৃথক পৃথক ভাবে উজিরপুর মডেল থানায় ২টি মামলা দায়ের করেন। আহত জালিছ মাহামুদ রনি বলেন কোথাও কোন ঝামেলা হয়েছে কিনা আমি জানতাম না হঠাৎ করে ইউপি সদস্যের ছেলে ফাহিম কি কারনে আমাকে রামদা দিয়ে কুপিয়েছে তা আমার জানা নেই। ক্যাম্প ইনচার্জ এ.এস.আই রুহুল আমিন বলেন ঘটনাস্থলে এসে উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করি। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি রামদা উদ্ধার করে। অভিযুক্ত ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যান গ্রুপের সাথে আমাদের বিরোধ চলে আসছে তাই আমাদেরকে ফাসানোর জন্য প্রতিপক্ষরা মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে। উল্টো তারা সন্ত্রাসী হামলা করে আমাদেরকে আহত করেছেন। উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাফর আহম্মেদ বলেন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। এব্যাপারে থানায় একাধিক অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • খাগড়াছড়িতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

    খাগড়াছড়িতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

    মিঠুন সাহা, পার্বত্য প্রতিনিধি

    খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপারের সার্বিক সহযোগিতায় জেলার বিভিন্ন উপজেলায় দরিদ্র ও অসহায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম-বিএমএসএফ খাগড়াছড়ি জেলা শাখা।

    বুধবার বিকেলে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর’এর সার্বিক সহযোগিতায় সংগঠনটির খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল দীঘিনালা উপজেলার পশ্চিম কাঁঠালতলী, মধ্য বোয়ালখালী, অনাথ আশ্রম ও বেতছড়ি এলাকার দরিদ্র ও অসহায় শীতার্তদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কম্বল বিতরণ করেন।

    এ সময় দীঘিনালা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সোহাগ মিয়া, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা দীঘিনালা উপজেলা শাখার সহ সভাপতি মিজানুর রহমান সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক মান্না মুৎসুদ্দী প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে খাগড়াছড়ি জেলা সদরে সংগঠনটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফারহানা আক্তার,ও অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন, দূর্গম এলাকায় গিয়ে দরিদ্র ও অসহায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।

    একইসময় জেলার পানছড়িতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সদস্য রাশেদুজ্জামান ওলী, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মিঠুন সাহা ও কার্যনির্বাহী সদস্য ইসমাইল হোসেন প্রমূখ কম্বল বিতরণ করেন।

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম-বিএমএসএফ এর কেন্দ্রীয় সদস্য রাশেদুজ্জামান ওলী খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর’এর এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে সমাজের বিত্তবানদের আর্ত মানবতার কল্যানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

  • চট্টগ্রাম বন্দরের আমদানীকৃত ৩৫২পিচ বিভিন্ন রংয়ের কাপড়ের রোল সহ ২জন কে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ

    চট্টগ্রাম বন্দরের আমদানীকৃত ৩৫২পিচ বিভিন্ন রংয়ের কাপড়ের রোল সহ ২জন কে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ

    মোঃ ‌ শহিদুল ইসলাম
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা (বন্দর ও পশ্চিম) বিভাগের অভিযানে ২ টি কভারভ্যানসহ চোর চক্রের ২ সদস্য কে আটক করেছে গতকাল রাতে।
    বন্দর ও পশ্চিম জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিঃ ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত)মুহাম্মদ আলী হোসেনের সার্বিক দিকনির্দেশনায়, পুলিশ পরিদর্শক মোঃ হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে টিম স্পেশালের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতোয়ালী থানাধীন শাহ আমানত (রঃ) মাজার রোডস্হ (জেল রোড) মেসার্স এন ইসলাম এন্টারপ্রাইজ নামক দোকানের সামনে থেকে ৩৫২ পিস বিভিন্ন রংয়ের কাপড়ের রোল ও ০২ টি কভারভ্যানসহ গ্রেফতার করেন। আটককৃতরা হলেন মোঃ ইলিয়াস ও মোঃ শাহজাহান।

    গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা অভ্যাসগতভাবে বন্দর থেকে আমদানীকৃত কাপড়ের রোল ফ্যাক্টরির উদ্দেশ্যে রওনা করে টেরীবাজার ও ঢাকার পার্টির নিকট বিক্রয় করে দেয় মর্মে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।
    তাদের নিয়মিত মামলা দায়ের করে বিঞ্জ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন নগর গোয়েন্দা পুলিশ।

  • পাইকগাছায় নির্মানাধীন পিচের রাস্তায় নিম্মমানের ইট-খোয়া বন্ধে ইউএনও দপ্তরে অভিযোগ

    পাইকগাছায় নির্মানাধীন পিচের রাস্তায় নিম্মমানের ইট-খোয়া বন্ধে ইউএনও দপ্তরে অভিযোগ

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    খুলনার পাইকগাছায় একটি নির্মাণাধীন পিচের রাস্তায় নিম্মমানের ইট,খোয়া ও বালি ব্যবহার করায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার দপ্তরে গণস্বাক্ষরিত অভিযোগ হয়েছে।
    অভিযোগে প্রকাশ,উপজেলার ঘোষাল-মটবাটী গ্রামের ভিতরে এক কিলোমিটার পিচের রাস্তায় প্রাথমিক কাজ শুরু হয়। এক বছরের অধিক সময় চলে গেলেও কাজ শেষ হয়নি। রাস্তা খুঁড়ে রাখার ৮ মাস পরে তাতে কাঁদা মিশ্রিত বালি ব্যবহার করা হয়েছে। সম্প্রতি রাস্তায় ব্যবহার করা হচ্ছে খুবই নিম্নমানের ইটের খোয়া। অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তায় সিডিউল অনুযায়ী পিকিট ব্যবহার করতে বলায় কাজে নিয়োজিত দায়িত্বরতরা কোন গুরুত্ব না দিয়ে ইচ্ছেমতো কাজ করছে। একারণে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে বুধবার সকালে গণস্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ করেছেন। এলাকাবাসীর দাবী নিম্মমানের ইট সামগ্রীর পরিবর্তে সিডিউল মোতাবেক মালামাল ব্যবহার করা হোক। এব্যাপারে ঠিকাদার আছমত আলীর সাথে মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করে পরে তা বন্ধ করে রাখায় তার মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি। উপজেলা প্রকৌশলী অফিসে যোগাযোগ করা হলে সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল্লা আল মামুন জানান কাজটা সাবলীজে অন্য কেউ করছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার অভিযোগ পেয়েছেন বলে জানান। তাবে তিনি বলেন যিনিই কাজ করেন না কেন তা সঠিক ভাবে করতে হবে। নয়-ছয় করে কোন কাজ করা যাবেনা

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা

  • ঝিনাইদহে নির্বাচনের পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ

    ঝিনাইদহে নির্বাচনের পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ প্রদাণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে শহরের কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ মিলনায়তনে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে জেলা নির্বাচন অফিস। এতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এস এম রফিকুল ইসলাম, জেলার সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিয়া আক্তার চৌধুরী, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামানসহ অন্যান্যরা এজেন্টদের প্রশিক্ষণ প্রদাণ করেন।জেলার ৪ টি আসনের ২৬ জন প্রার্থীর ১৩০ জন এজেন্টকে নির্বাচনে ভোটগ্রহণে করণীয় নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদাণ করা হয়। শেষে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে পোলিং এজেন্টদের শপথ করান জেলা প্রশাসক এস এম রফিকুল ইসলাম।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।।

  • ঝিনাইদহে  সড়ক দুর্ঘটনায় আলমসাধুর দুই যাত্রী নিহত

    ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় আলমসাধুর দুই যাত্রী নিহত

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে আজ সকালে সড়ক দুর্ঘটনায় আলমসাধুর দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। বুধবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটি ইউনিয়নের রাঙ্গিয়ারপুতা গ্রামের মৃত আব্দুল সাত্তারের ছেলে আলী হোসেন (৭০) ও রবিউল ইসলামের ছেলে মাহফুজুর রহমান (২০) । নিহতরা সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা। প্রত্যক্ষদর্শী সাদিকুর রহমান ও নিহত মাহফুজুরের বাবা রবিউল ইসলাম বলেন, আজ ভোরে চারজন মিলে দুই আলমসাধুতে চড়ে মাগুরা যাচ্ছিলাম পাটখড়ি আনতে। ঘন কুয়াশার কারণে তেমন কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। পথে মধুপুর নামক স্থানে পৌঁছালে পেছনের গাড়িটা দেখতে পাই রাস্তার পাশে পড়ে আছে। তারপর ওদের দুজনকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তারা মারা যায়।