Blog

  • নড়াইলে গাঁজা ও গাঁজার গাছসহ গ্রেফতার ২

    নড়াইলে গাঁজা ও গাঁজার গাছসহ গ্রেফতার ২

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে//
    নড়াইলে ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে গাঁজা ও গাঁজার গাছসহ দুইজন গ্রেফতার। মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মোঃ আবুল কালাম আজাদ (৩৭) নামের একজন গাঁজা চাষীকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মোঃ আবুল কালাম আজাদ (৩৭) নড়াইল জেলার কালিয়া থানার চাচুড়ী ইউনিয়নের কলিমন গ্রামের মৃত লায়েক হোসেনের ছেলে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, বুধবার (৩ জানুয়ারি) বিকালে নড়াইলের কালিয়া থানাধীন ধৃত আসামির বসতবাড়ির পশ্চিম পাশে নিজ মালিকানাধীন জমিতে চাষকৃত গাঁজা গাছসহ তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছাব্বিরুল আলম এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) মোঃ ফারুক হোসেন, এএসআই (নিঃ) আনিসুজ্জামান, এএসআই (নিঃ) মাহফুজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মোঃ আবুল কালাম আজাদ (৩৭) কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামীর নিজ জমি থেকে চাষকৃত অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা গাছ জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে কালিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অপরদিকে, নড়াইলে দুই’শ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার গ্রেফতার একজন। মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মোঃ আব্দুল্লাহ ভূঁইয়া (৩০) নামের একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মোঃ আব্দুল্লাহ ভূঁইয়া (৩০) নড়াইল জেলার কালিয়া থানার পুরুলিয়া গ্রামের মৃত আহমদ ভূঁইয়ার ছেলে। বুধবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে নড়াইল সদর থানাধীন বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের রামসিদ্ধির মোড় হতে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছাব্বিরুল আলম এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) মোঃ ফারুক হোসেন, এএসআই (নিঃ) আনিসুজ্জামান, এএসআই (নিঃ) মাহফুজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মোঃ আব্দুল্লাহ ভূঁইয়া (৩০) কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামীর নিকট থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য দুই’শত গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

  • সুজানগর শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবসর জনিত বিদায় সংবর্ধনা প্রদান

    সুজানগর শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবসর জনিত বিদায় সংবর্ধনা প্রদান

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর(পাবনা)ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল জব্বারকে অবসর জনিত বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। সুজানগর অফিসার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার এ বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সুজানগর অফিসার্স ক্লাবের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকারের সভাপতিত্বে এবং সুজানগর অফিসার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেনের স ালনায় অনুষ্ঠিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম, উপজেলা মৎস্য অফিসার নূর কাজমীর জামান খান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সোলাইমান হোসেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার নাজমুল হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা ও বিদায়ী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল জব্বার । শেষে বিদায়ী শিক্ষা অফিসার আব্দুল জব্বার কে অফিসার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। প্রসঙ্গত,গত ২০২২ সালে ২৪ ফেব্রয়ারী আব্দুল জব্বার সুজানগর উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০২৪ সালের ২ জানুয়ারী তিনি অবসর গ্রহণ করেন। এর আগে তিন ১৯৮৯ সালে নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলায় সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসেবে তার কর্ম জীবন শুরু করেন এরপর ২০১৩ সালে পদোন্নতি পেয়ে তিনি রাজশাহীর দূর্গাপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার, কুস্টিয়ার খোকসা,রাজশাহীর বাঘমারা, বগুড়া সদর উপজেলা, বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলা এবং সর্বশেষ সুজানগর উপজেলায় উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।ব্যক্তি জীবনে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তানের জনক। তার ছেলে হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এবং মেয়ে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • তাঁতিবন্দ ইউনিয়নের হতদরিদ্র মানুষেরা পেল শীতবস্ত্র

    তাঁতিবন্দ ইউনিয়নের হতদরিদ্র মানুষেরা পেল শীতবস্ত্র

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর(পাবনা)ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার তাঁতিবন্দ ইউনিয়নের দুই শতাধিক অসহায় দরিদ্র,দুস্থ মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র(কম্বল) বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার তাঁতিবন্দ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অসহায়, দরিদ্র ও দুস্থ মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র(কম্বল) বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকার। এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, তাঁতিবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা, ইউপি সচিব রেজাউল করিমসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। শীতবস্ত্র বিতরণকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকার বলেন শীত নিবারণের জন্য যাদের ন্যূনতম শীতের গরম কাপড় নেই। সেই সকল অসহায় হত দরিদ্র মানুষদের কষ্ট কিছুটা লাঘব করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে এই সহযোগিতা।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • রাজশাহী-১ চেনা পথে থাকতে চাই ভোটারগণ

    রাজশাহী-১ চেনা পথে থাকতে চাই ভোটারগণ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি এই সংসদীয় আসনে প্রার্থীদের গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা জমে উঠেছে। প্রতিদিন কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রার্থীরা ভোট প্রার্থনা করে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে, চায়ের কাপেও ঝড় উঠেছে। এলাকার কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ ভোটারগণ নিজ নিজ পচ্ছন্দের প্রার্থীর পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক মর্যাদা, আর্থিক স্বচ্ছলতা ও রাজনৈতিক দুরদর্শিতা ইত্যাদি যোগ্যতা তুলে ধরে আলোচনায় মুখর।এদিকে আলোচনায় আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী ওমর ফারুক চৌধুরী নৌকা প্রতিক নিয়ে অন্যদের থেকে যোজন যোজন দুরুত্বে এগিয়ে রয়েছেন।
    অভিজ্ঞ মহলের অভিমত ফারুক চৌধুরী প্রতিষ্ঠিত, পরীক্ষিত ও আদর্শিক নেতৃত্ব এবং চেনা পথ। এখানে ফারুক চৌধুরী দীর্ঘ প্রায় আড়াই দশক ধরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। রাজনীতি থেকে শুরু করে সরকারের অলিগলি সব পথ তারা চেনা। মানুষ চেনা পথের সঙ্গে থাকতে চাই। আর উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চেনা পথের কোনো বিকল্প নাই। ফলে মানুষ নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত করার মতো ঝুঁকি নিবেন না। কারণ সরকার দলীয় প্রার্থী ব্যতিত এলাকার উন্নয়ন হবে না। যার জ্বলন্ত উদাহরণ রাজশাহী সিটি কর্পোরেসন। নৌকার বিপক্ষে ভোট দিয়ে কিভাবে উন্নয়ন বঞ্চিত হয়েছিল। আবার
    নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হলে তার পথ ঘাট অলিগলি চিনতেই ৫ বছর পেরিয়ে যাবে। তাহলে এলাকার উন্নয়ন হবে কি ভাবে ? এছাড়াও এই আসন দুর্গম ও প্রত্যন্ত পল্লী বেষ্টিত আয়তনের দিক দিয়ে দেশের অস্টম বড় এলাকা। অধিকাংশক্ষেত্রে তানোরে দুএক জন প্রার্থীর কিছু সমর্থক বা ভোটার থাকলেও গোদাগাড়ীতে তেমন উল্লেখ করার মতো সমর্থক বা ভোটার নেই। এমনকি গোদাগাড়ীর অনেক এলাকার মানুষ তাদের কখানো চোখে দেখেননি বা চেনেন না। অনেকের পক্ষে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট দেবার মতো সক্ষমতা নাই। একজন প্রার্থীর জামানত ফেরত পেতে গেলেও প্রায় ৫০ হাজার ভোট প্রয়োজন। তাছাড়া গোদাগাড়ীর প্রতিটি গ্রামে গণসংযোগ বা পরিচিতি হতে গেলেও একজন ব্যক্তির ৫ বছর পেরিয়ে যাবে।
    অন্যদিকে দীর্ঘ প্রায় আড়াই দশকে ফারুক চৌধুরী এই আসনের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় গিয়েছেন। প্রতিটি বাড়ির মানুষ তাকে চেনেন জানেন। দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের মাঝে পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক নেতৃত্ব হিসেবে ফারুক চৌধুরীর আলাদা পরিচয় রয়েছে।
    অনুসন্ধানে জানা গেছে, এমপি ফারুক চৌধুরী এবার দিয়ে একটানা ৬ বার দলীয় মনোনয়ন পেয়ে একটানা তিনবার সাংসদ নির্বচিত হয়েছেন এবং একবার শিল্প প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে দাযিত্ব পালন করেছেন। তার দীর্ঘ প্রায় আড়াই দশকের রাজনৈতিক জীবনে তিনি হয় তো সবার উপকার করতে পারেন নি, এটা যেমন সত্য, ঠিক তেমনি সত্য তার দ্বারা কোনো মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। তিনি করো জমিদখল করেননি, কারো নামে মিথ্যা মামলা করননি, অফিস পাড়ায় কোনো দালাল রাখেননি, নাই স্বজনপ্রীতি তবে আদর্শচ্যুত একশ্রেণীর রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে তার মতবিরোধ রয়েছে যেটা
    রাজনৈতিক মতবিরোধ যার সঙ্গে ভোটার ও সাধারণ মানুষের কোনো সম্পৃক্ততা নাই।
    স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল এবারের নির্বাচনে ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে অন্যদের তুলনা করতেই নারাজ। কারণ হিসেবে বলছে, এমপি ফারুক চৌধুরী তার দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের রাজনৈতিক জীবনে তানোর-গোদাগাড়ী থেকে তিনি প্রতিদিন যদি ৫ জন করে মানুষের উপকার করে থাকেন, তাহলে ৩৬৫ দিনে ১৮২৫ জন এবং ২০ বছরে ৩৬ হাজার ৫০০ জন মানুষের সরাসরি উপকার করেছেন।
    তাহলে উপকারভোগী এই মানুষগুলো তো এখানো এমপির পক্ষে মাঠে আছে। এছাড়াও এই আসনের দুটি উপজেলা, ৪টি পৌরসভা এবং ১৬টি ইউনিয়নের (ইউপি) আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের প্রতিটি ওয়ার্ডের সাংগঠনিক নেতাকর্মী ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে রয়েছেন।
    রাজশাহী-১ আসনে আওয়ামী লীগের ওমর ফারুক চৌধুরী (নৌকা), বিএনএমের শামসুজ্জোহা (নোঙর), বিএনএফের আল-সাআদ (টেলিভিশন), তৃণমূল বিএনপির জামাল খান দুদু (সোনালী আঁশ), এনপিপির নুরুন্নেসা (আম), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের বশির আহমেদ (ছড়ি), জাতীয় পার্টির শামসুদ্দীন (লাঙল), মাহিয়া মাহি (ট্রাক), গোলাম রাব্বানী (কাঁচি) ও আয়েশা আক্তার জাহান ডালিয়া (বেলুন) প্রতীক নিয়ে প্রতিদন্দীতা করছেন।
    রাজশাহী-১ আসনে ৪টি পৌরসভা ও ১৬ টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। এই আসনে ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৪০ হাজার ২১৮ জন। দুই উপজেলা মিলে ভোটকেন্দ্র ১৫৮টি। ভোটকেন্দ্রের কক্ষের সংখ্যা ৯৯৪ টি। অস্থায়ী ভোট কক্ষের ৫১ টি। নতুন ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৩ টি। এআসনে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৯ হাজার ৬৫৩ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ২০ হাজার ৫৬৪ জন। একজন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন।

  • রাজশাহী-১ আসনে গোদাগাড়ী পৌরসভার ২ ওয়ার্ডে ২ এমপি প্রার্থী। প্রচার প্রচরণায় এগিয়ে ৩ প্রার্থী

    রাজশাহী-১ আসনে গোদাগাড়ী পৌরসভার ২ ওয়ার্ডে ২ এমপি প্রার্থী। প্রচার প্রচরণায় এগিয়ে ৩ প্রার্থী

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী : ভিআইপি আসন হিসেবে পরিচিত রাজশাহী ১, এখানে সাধারণত বরাবরই হেবিওয়েট প্রার্থীগণ নির্বাচন করে থেকেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
    তবে এ আসনে গোদাগাড়ী পৌরসভার ২ ওয়ার্ডে ২ এমপি প্রার্থী। প্রচার প্রচরণায় এগিয়ে ৩ প্রার্থী।
    গোদাগাড়ী পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডে
    বিএনএম’ এর মনোনীত শামসুজ্জোহা বাবু (নোঙর) প্রতীক নিয়ে এবং পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডে এনপিপির মনোনীত নুরুন্নেসা (আম) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিষয়টি টক অফ দ্যা কান্টিতে পরিনত হয়েছে। সচেতন মহল বলছেন, এমন কতগুলি ব্যক্তি এমপি প্রার্থী হয়েছেন, তাদের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা এমন তলানীতে রয়েছে, যারা ইউপির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ারতো দূরের কথা, ওয়ার্ডের মেম্বার, কাউন্সিলর পদে নির্বচন করে জামানত হারাবেন, তারাই আবার বড় বড় কথা বলছেন যা সত্যি হাস্যকর, সাধারন জনগন এটা মেনে নিতে পারছেন। সংসদ সদস্য পদটি কী এত নীচে নেমে গেল যে সেই প্রার্থী হয়ে যাবেন। এটা কী ছেলে হাতের মোয়া না খেলনা। এমন কি সাধারন ভোটারগণ ভোট দেয়ার প্রবনতা হারিয়ে ফেলেছেন, তার পরেও প্রার্থীর গ্রহনযোগ্যতা, জনপ্রিয়তা দেখে ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার আগ্রহ হারিয়েফেলেছ। সে যাই হউক।

    এ আসনে নৌকার পথের কাঁটা আওয়ামীলীগ। তার পরেও প্রচার প্রচারণায় এগিয়ে রয়েছেন ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি। তিনি এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। শতভাগ উপবৃত্তির ব্যবস্থা করা, বিভিন্ন ভাতা ব্যবস্থা করা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুত, কৃষি, যোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, ভূমি সর্বক্ষেতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে ইতিপূর্বে কোন এমপি মন্ত্রী করতে পারেন নি। এসব উন্নয়নকে পুঁজি করে নৌকা প্রতীকের লোকজন প্রচারণায় এগিয়ে চলেছেন।

    এ আসনে বড় চমক একজন চলচিত্র নায়িকা ভোটে অংশ নিয়েছেন। যার কারণে এ আসনের আদিবাসী নারী, যুবক, যুবতীদের নজর মাহিয়া মাহির দিকে।অনেক আগে থেকেই কথার ম্যারপ্যাুঁচে এ আসনটির মাঠ গরম করে রেখেছেন।

    বিশেষ করে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে তিনজনকে ভোটে অংশ নিতে আদালত পর্যন্ত দৌঁড়াতে হয়েছে। আবার কেউ অনেক দেরিতে প্রার্থীতা ফেরত পেয়েছেন। তারপরও সব প্রার্থী আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছেন জয়ের মালা গলায় পরায় আশায়। তবে এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের শক্তিশালি স্বতন্ত্র চার প্রার্থীর মধ্যে একজন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এখনো মাঠে আছেন শক্তিশালি তিন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
    এলাকার সচেতন মহল বলছেন, এ আসনে নৌকার প্রার্থীকে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। তবে তিন স্বতন্ত্র প্রার্থীর চেয়ে এখনো নৌকার পালে বাতাস বেশি বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা। নৌকার প্রার্থী, অনেক বেশী শক্তিশালী, ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন এবং তিনি প্রচার প্রচারণায় এগিয়ে রয়েছেন।

    রাজশাহী-১ আসনে আওয়ামীলীগ থেকে বর্তমান এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী (নৌকা),
    গোলাম রাব্বানী (কাঁচি), মাহিয়া মাহি (ট্রাক) বিএনএফের আল-সাআদ (টেলিভিশন), তৃণমূল বিএনপির জামাল খান দুদু (সোনালী আঁশ), এনপিপির নুরুন্নেসা (আম), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের বশির আহমেদ (ছড়ি), জাতীয়পার্টির শামসুদ্দীন (লাঙ্গল), আয়েশা আক্তার ডালিয়া (বেলুন), আখতারুজ্জামান আক্তার (ঈগল) প্রতিক, বিএনএম’র শামসুজ্জোহা বাবু (নোঙর), নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।

    গত ১৫ বছর ধরে এ আসনে রাজত্ব করেছেন বর্তমান এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী এই আসন থেকে তিনি একবার শিল্পপ্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন।

    তবে গোলাম রাব্বানী ও মাহিয়া মাহি লোকজন প্রকাশ্যে ভোটের মাঠে ব্যাপকহারে প্রচার করছেন ১৫ বছরে ওমর ফারুক চৌধুরির শিক্ষক পিটানো, নিয়োগ বানিজ্য, নেতা কর্মীদের সাথে খারাপ আচারন, সর্বশেষ তার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আওয়ামীলীগ নেতা নাজমুল হকের মোবাইল ভেঙ্গে সবার সামনে হাতে ধরিয়ে দেয়ার ব্যপারটি। এতে করেও কোন লাভ হবে না বলছেন ওমর ফারুক চৌধুরীর লোকজন। নৌকার বিজয় হবেই।

    তিনি দ্বাদশ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পাবেন না এমনটাও ধারণা করেছিলেন অনেকেই। যার কারণে এই আসনে নৌকা প্রত্যাশির সংখ্যা বেশি ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পুনঃরায় নৌকা উঠেছে ওমর ফারুক চৌধুরির হাতেই। তিনি নৌকা পেলেও আওয়ামী লীগেরই শক্তিশালী স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম রাব্বানী, মাহিয়া মাহি, আয়েশা আক্তার ডালিয়ার মত শক্ত প্রার্থীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসনটি উদ্ধার করতে হবে ফারুক চৌধুরিকে। বলা যায়, ফারুক চৌধুরীর বিপরীতে তিনজন প্রার্থী অনঢ় অবস্থান নিয়েছেন।

    আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের নিখাদ ভালবাসায় গোলাম রাব্বানীকে ঘিরে একটা শক্ত বলয় অনেক আগে থেকে গড়ে উঠেছে। রাব্বানী ব্যতিত এই বলয় কারো পক্ষে আনা সম্ভব নয়।

    রাজনৈতিক নীতিনির্ধারক মহলেও আলোচনার ঝড় তুলেছে গোলাম বাব্বানী পক্ষ তারা শক্তভাবে অবস্থান করছেন। তিনি বিজয় নিশ্চিত জেনেও মুন্ডুমালা পৌর নির্বাচনে প্রার্থী হননি। তবে তার ঘনিষ্ঠজন প্রার্থী হয়ে বিশাল ভোটের ব্যবধানে মেয়র নির্বাচিত হন।

    জানা গেছে, স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এক সময়ের অবিসংবাদিত নেতা, বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, পাঁচন্দর ইউপির দুইবারের সাবেক চেয়ারম্যান, মুন্ডুমালা পৌরসভার দু’বারের সাবেক মেয়র খ্যাতি সম্পন্ন বর্ষিয়ান রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও জননেতা গোলাম রাব্বানি রাজনীতিতে তাঁর হারানো গৌরব ফেরাতেই তিনি এমপি নির্বাচন করছেন। তিনি বিজয়ের ব্যপারে শতভাগ আশাবাদী। লোকজন ১৫ বছরের ক্ষমতার অবসান নিয়ে মাঠে নেমেছে রাব্বানীর পক্ষে। যারা অনেকেই এতদিন ফারুক চৌধুরীর সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন, হালুয়ারুটি খেয়েছেন, তাদের অনেকেই ফারুক চৌধুরী তথা নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে গোলাম রাব্বনী ও চিত্র নায়িকা পক্ষে প্রকাশ্য প্রচার প্রচারনা চালাচ্ছেন।

    জানা গেছে, গত ১৫ বছর ওমর ফারুক চৌধুরি এই আসনে রাজত্ব করলেও আওয়ামী লীগকে এক কাতারে আনতে পারেন নি। যার কারণে এই আসনে আওয়ামী লীগের মধ্যে সেভেনস্টার তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে ফারুক চৌধুরী মুষ্টিমেয় কিছু নেতাকর্মীদের মূল্যয়ন করার কারণে তানোর-গোদাগাড়ীতে বিগত দিনে তার বিরোধীতাকারীদের সংখ্যাই বেশি ছিল। বর্তমানও বিরোধীতাকারীর সংখ্যা একেবারে কম নয় বলেও মনে করছেন নেতাকর্মীরা। এ কারণে এবার ফারুক চৌধুরীকে জয়ী হতে হলে অনেক বেগ পেতে হবে, এমনটা বলছেন নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা।

    এ আসনে আওয়ামী লীগেরই শক্তিশালী স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন গোলাম রাব্বানী। এ আসনে গোলাম রাব্বানীর নিজস্ব ভোট ব্যাংক রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন থেকে এ আসনটি বাগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলেও পারেননি। দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনেও তিনি নৌকা প্রত্যাশি ছিলেন। কিন্তু পান নি। গোলাম রাব্বানী একজন হেবিওয়েট প্রার্থী বলেও মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা। বর্তমান তার সাথে যোগ হয়েছে অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী আক্তরুজ্জামান। আক্তার নির্বাচন থেকে সরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম রাব্বানীকে সমর্থন দিয়েছেন। এতে গোলাম রাব্বানীর হাত আরো শক্তিশালি হয়েছে।

    আওয়ামী লীগেরই অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী চিত্র নায়িকা মাহিয়া মাহি। তিনি বেশ কয়েক বছর ধরে তানোর গোদাগাড়ীতে আসা-যাওয়া করেছেন। মাহি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার আবেদনকারী ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি নৌকা পাননি। নৌকা না পেলেও তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। এবার মাহিকে নিয়েই মূলত এই আসনে আলোচনা-সমালোচনা বেশি হচ্ছে। মাহিকে সাধারণ মানুষ সিনেমার পর্দায় দেখেছেন। কিন্তু এবার সামনে থেকে প্রিয় নায়িকাকে দেখার আশায় লোকজন তার গণসংযোগে হাজির হচ্ছেন। মাহিকে যারা ভোট দেবেন তারা তো বটেই, যারা ভোট দিবেন না তারাও তাকে দেখার জন্য উপস্থিত হচ্ছেন গণসংযোগে।

    সেই জায়গা থেকে মাহি অল্প সময়ের মধ্যে নিজের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন। এখন মাঠ পর্যায়ে দেখা যাচ্ছে, ফারুক চৌধুরির বড় শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বি বলতে গোলাম রাব্বানী, মাহিয়া মাহি ও ডালিয়া । ফারুক চৌধুরীকে জয়ী হতে হলে এই ৩ জন প্রার্থীকে পেছনে ফেলে জয়ী হতে হবে। যদিও নেতা কর্মীরা বলছেন, ফারুক চৌধুরীপুনঃরায় এ আসনে নির্বাচিত হবেন। কারণ তিনি এলাকার অনেক উন্নয়ন করেছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংখ্যাও বেশি। তিনি নির্বাচনী মাঠে নেমে নিজের ভুলত্রুটি স্বীকার করে ভোটারদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। যার কারণে ফারুক চৌধুরির উপর যারা ক্ষিপ্ত ছিলেন তাদের কেউ কেউ ফিরে এসে তার সাথে কাজ করছেন। নতুন করে ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মানেক, দেওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আক্তারউজ্জামান, রাজাবাড়ীহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান, সাবেক মেয়র রংলাল বাবুর স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস, তার দেবর অলিউর রহমান, সাবেক কাউন্সিলর শাহাজামাল, মাহাবুব মেম্বার, অনেক ত্যাগি প্রভাবশালী নেতা প্রকাশ্যে ফারুক চৌধুরী বিরোধীতা করছেন। গোপনে অনেকে বিপক্ষে অবস্থা করছেন।
    ওমর ফারুক চৌধুরী নির্বাচনী সভায় তার বক্তব্যে বলছেন, আমাদের আওয়ামীলীগের ৮০ হাজার নেতা, কর্মী ঐক্যজোট হয়ে নৌকাকে বিজয়ী করার জন্য কাজ করছে, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকাকে বিজয়ী করবে ভোটারগন। তিনি অবশ্যই জনসম্মুখে মানুষের নিকট অতীতের ভুলের জন্য ক্ষমা চাচ্ছেন।

    এ দিকে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ওমর ফারুক চৌধুরীর ভোট ব্যাংক হিসেবে খ্যাত আদিবাসীদের মাঝে গভীরভাবে মিশে গেছে। তাদেরকে জড়িয়ে ধরা, তাদের বাচ্চাকে কোলে নেয়া, তাদের সাথে নাচা, গান গাওয়া, তাদের সাথে খাওয়াসহ সব কিছু করছেন। আদিবাসীগণ মাহিয়া মাহির পাঁ ধুয়ে দিচ্ছেন, ফুল দিয়ে বরণ করে নিচ্ছেন। মাহি সিনেমা স্টাইলে বক্তব্য দিচ্ছেন, আমার নির্বাচন ফারুক চৌধুরী সাহেবের বিরুদ্ধে, তিনি যে, ১৫ বছর জমিদারী স্টাইলে আপনাদের নির্যাতন করেছে, আপনাদের মেরেছে তার বিরুদ্ধে, উনি শিক্ষক পিটিয়েছেন, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করতে পারে নি। আপনাদের সেঁচের পানি দিতে পারেন নি এর জন্য আপনাদের জীবন দিতে হয়েছে, নিয়োগ বানিজ্য করে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেছে তার বিরুদ্ধে আমার নির্বাচন। আপনারা যদি আমাকে ভোটদিয়ে এমপি নির্বাচন করেন আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি সিনেমা করা ছেড়ে দিব, শিক্ষকদেন ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নিব। এখানে এসে আপনাদের সাথে থেকে যাব। এসব বক্তব্য উপস্থিত হাজার হাজার মানুষের হৃদয়কে নাড়া দিচ্ছে। তিনি যেখানে যাচ্ছেন সেখানে হাজার হাজার মানুষ আগে থেকে ভীড় করছেন। ভোটের বিষয়ের চেয়ে তাকে এক নজর দেখার বিষয়টি বড় করে দেখছে অনেকেই।

    মোঃ হায়দার আলী
    গোদাগাড়ী, রাজশাহী।

  • পাইকগাছায় নৌকা প্রতীকের জনসভায় এসএম কামাল নৌকায় ভোট দিলে দেশের মানুষ শান্তিতে থাকে

    পাইকগাছায় নৌকা প্রতীকের জনসভায় এসএম কামাল নৌকায় ভোট দিলে দেশের মানুষ শান্তিতে থাকে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ॥
    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন বলেছেন, নৌকায় ভোট দিলে এবং আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়, দেশের মানুষ শান্তিতে থাকে। মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বৃদ্ধি পায়। গৃহহীন মানুষরা জমি সহ ঘর পাই। দুস্থ ও অসহায় মানুষরা সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টুনির আওতায় আসে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় থাকলে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে যায়। দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্নতা অর্জন করে। সাধারণ মানুষ স্বল্পমূল্যে খাদ্য সামগ্রী কিনতে পারে। দেশের কোন মানুষ না খেয়ে থাকেনা। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। কোন মানুষ ন্যায় বিচার থেকে বি ত হয় না। উন্নয়ন, অগ্রগতি ও অর্থনীতিতে এগিয়ে যায়। মানুষ উন্নত জীবন-যাপন করে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এ নেতা বলেন, জামায়াত-বিএনপি উন্নয়ন এবং গণতন্ত্রে বিশ^াসী নয়। এ জন্য তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে নির্বাচন প্রতিহত করতে নানা ধরণের ষড়যন্ত্র এবং নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। এসব ষড়যন্ত্রে বিদেশে বসে মদদ দিচ্ছে খালেদা পুত্র তারেক রহমান। তিনি বলেন, উৎসবমূখর পরিবেশে ভোট প্রদানের মাধ্যমে বিএনপি জামায়াতের সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে। নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনা মনোনীত প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। তিনি সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে দলীয় নেতাকর্মী সহ এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বুধবার বিকালে পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর ফুটবল মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত খুলনা-৬ আসনের নৌকা প্রতীকের বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টুর সভাপতিত্বে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ রশীদুজ্জামান। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু ও যুগ্ম সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাসের স ালনায় জনসভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের নেতা ইঞ্জিনিয়ার প্রেম কুমার মন্ডল, আলহাজ¦ শেখ মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক ডাঃ শেখ মোহাঃ শহীদ উল্লাহ, খায়রুল আলম, শেখ আনিছুর রহমান মুক্ত, কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিএম মহসীন রেজা, সাধারন সম্পাদক নিশিথ রঞ্জন মিস্ত্রী, আওয়ামী লীগনেতা সমীরণ সাধু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, শেখ জিয়াদুল ইসলাম জিয়া, কওছার আলী জোয়াদ্দার, রিপন কুমার মন্ডল, আব্দুল মান্নান গাজী, কাজল কান্তি বিশ^াস, কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন, নূরুল ইসলাম কোম্পানি, আছের আলী মোড়ল, এসএম বাহারুল ইসলাম, আব্দুস সামাদ গাজী, শাহ নেওয়াজ শিকারী, জেলা পরিষদ সদস্য রবিউল ইসলাম, নাহার আক্তার, আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু, সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুল মজিদ গোলদার, আব্দুর রাজ্জাক মলঙ্গী, আলহাজ¦ মুনছুর আলী গাজী, রুহুল আমিন বিশ^াস, আমির আলী গাইন, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিঃ মাহাফুর রহমান সোহাগ, নির্মল অধিকারী, শেখ ইকবাল হোসেন খোকন, বিজন রায়, বিভূতি ভূষন সানা, নির্মল মন্ডল, কবিতা দাশ, মৃণাল কান্তি বাছাড়, পার্থ প্রতীম চক্রবর্তী ও ফাইমিন সরদার।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • লক্ষ্মীপুর-(১)আসনের স্বতন্ত্র  প্রার্থী আলোচিত পবন প্রার্থিতা ফিরে পেলেন

    লক্ষ্মীপুর-(১)আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আলোচিত পবন প্রার্থিতা ফিরে পেলেন

    নাজিম উদ্দিন রানাঃলক্ষ্মীপুর-(১) রামগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য স্বতন্ত্র (ঈগল) প্রার্থী হাবিবুর রহমান পবন উচ্চ আদালত থেকে তার প্রার্থিতা ফিরে পেলেন।

    বুধবার (৩ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. ইকবাল কবির এবং বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করছেন পবন।

    এর আগে মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) দুপুর ইসির উপ-সচিব মো. আব্দুছ সালাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে নির্বাচনী অপরাধ ও অনিয়মের অভিযোগ এনে প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছিল।
    এদিকে বুধবার বিকেল ৪ টার পবন তার ফেইসবুক একাউন্টে একটি পোস্ট দিয়ে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    তিনি তার ফেসবুক আইডিতে লিখছেন-আলহামদুলিল্লাহ। অবশেষে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে প্রার্থিতা ফেরত পেলাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এবং নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা।

    পবন কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও লক্ষ্মীপুর-১ রামগঞ্জ আসনের স্বতন্ত্র (ঈগল) প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের মাঠে নৌকার সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে চলছে।

    গত ৩০ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টা ২২ মিনিটে পবন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারকে ০১৯০৪৮৩১৮৮৪ নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ফোন করে অশোভন কথা বলেন। তিনি রিটার্নিং অফিসার ও পুলিশ সুপারকে তিন দিনের মধ্যে বদলিসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করেছেন।

    এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে গত ৩০ ডিসেম্বর ইসি সচিব বরাবর চিঠি পাঠান সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার। তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২ এর ধারা ৯১ই এর কজ (২) এর বিধান অনুযায়ী লক্ষ্মীপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী পবনের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় ইসি। এতে মঙ্গলবার পবনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে সারা দেশের মধ্যে প্রার্থিতা।

  • ময়মনসিংহ-৬ জনপ্রিয়তায় এগিয়ে সেলিনা

    ময়মনসিংহ-৬ জনপ্রিয়তায় এগিয়ে সেলিনা

    ষ্টাফ রিপোর্টার
    ময়মনসিংহ-৬ ফুলবাড়িয়া আসনে ঈগল প্রতীক নিয়ে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিনা আক্তার সালমা। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফুলবাড়িয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত ময়মনসিংহ-৬ আসনে আরো একাধিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ভোট যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন।

    তারা হলেন আওয়ামী লীগের বর্তমান সাংসদ এডভোকেট মোসলেম উদ্দিন (নৌকা), জাতীয় পার্টির মাহফিজুর রহমান বাবুল (লাঙ্গল),জাতীয় পার্টির স্বতন্ত্র ডাঃ কে আর ইসলাম (কেটলি), আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক সরকার (ট্রাক) সহ আরো একাধিক প্রার্থী।

    রবিবার (৩১ডিসেম্বর) সরেজমিনে তৃণমূলের একাধিক নেতা ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভোটের যুদ্ধে জনপ্রিয়তার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন সেলিনা বেগম সালমা। করোনাকালীন সময়ে নিজ অর্থায়নে মানুষকে সহায়তা দেওয়া, সব সময়ে জনগণের পাশে থেকে সহায়তা করা, এলাকার শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, অসহায় ও দরিদ্রদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়া, কন্যাদায়গ্রস্ত বাবার মেয়ের বিয়েতে অর্থ সহায়তা দেওয়া, গরিব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের আর্থিক সহায়তা, চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা, খাবার বিতরণ, মসজিদ মাদরাসা ও এতিমখানার উন্নয়নে সহায়তা করা, মানবিক এবং সামাজিক নানা কল্যাণকর কাজের জন্য এলাকার জনগণের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছেন তিনি।

    সাধারণ মানুষ বলছে, ২০১৪ সালে এ আসন থেকে নির্বাচিত বর্তমান সাংসদ এমপি হয়ে বর্তমান সময় পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগেও তিনি একাধিকবার নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে এই এলাকার ভোটারদের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারেন নি তিনি।

    সেলিমা বেগম সালমা এলাকার উন্নয়নে পরীক্ষিত নেত্রী। স্বামী-স্ত্রী দুইজন মিলে মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন, তা অন্য কোনো এমপির দ্বারা হয়নি।
    এ কারণে আমরা তাকেই নির্বাচিত করতে চাই। জনকল্যাণকর কাজের কারণে তার জনপ্রিয়তা সব প্রার্থীর শীর্ষে। আমরা আশা করছি, এ অঞ্চলের মানুষ এলাকার উন্নয়নের কথা চিন্তা করে তাকেই ঈগল প্রতীকে বিজয়ী করবেন।

    জাতীয় শ্রমিকলীগ ফুলবাড়িয়া উপজেলার আহবায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল বলেন, সেলিমা বেগম সালমা এলাকায় অনেক, কলেজ, মাদারাসা, রাস্তাঘাট নির্মাণে সহযোগীতা করেছেন। বেকার যুবকদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগীতা করায় এলাকায় কোনো চাঁদাবাজ নেই। এজন্যই আমরা তাকে ভোট দেব।

    বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাসান মাহমুদ সেলিম বলেন, এই অঞ্চলে আওয়ামী লীগকে সংঘটিত করার ক্ষেত্রে সেলিমা বেগম সালমার অবদান অনেক। তিনি বলেন, উপজেলার এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে সেলিমা বেগম সালমার সহযোগীতার মানবিক হাতের ছোঁয়া লাগেনি। সর্বোপরি এলাকার মানুষ তাকে ভালোবাসে।
    সব মিলিয়ে মানুষ তাকেই ভোট দেবে।

    এদিকে,স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমা বেগম সালমা প্রতিদিন সকাল থেকে রাত অবধি যাচ্ছেন মানুষের কাছে। ভোটারদের উদ্দেশে নানান প্রতিশ্রুতিসহ বর্তমান সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরছেন।

    বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় পায়ে হেঁটে জনসংযোগ করার সময় বাড়ির নারী ভোটারসহ শিশুদের পরম মমতায় মাথায়-গালে হাত দিয়ে আদরের পরশ বুলিয়ে বুকে টেনে নিয়ে নিজের নির্বাচনী প্রতীক ঈগল মার্কায় ভোট চাইছেন।

    স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমা বেগম সালমা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সহযোগি হতে চাই। ময়মনসিংহ-৬ আসনকে স্মার্ট আসন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করে আজীবন শেখ হাসিনার একজন সৈনিক হিসেবে ময়মনসিংহ-৬ ফুলবাড়িয়া আসনকে আওয়ামী লীগের ঘাটি হিসেবে তৈরি করতে কাজ করে যাচ্ছি।

    সেলিমা বেগম সালমা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় থাকায় সাধারণ মানুষ আজ নানা সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। তাই আসন্ন নির্বাচনে শেখ হাসিনা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের উম্মুক্ত করেছেন। জনগণের মনোনীত প্রার্থী হিসাবে ঈগল প্রতীকে ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

  • মারুফ চৌধুরী আয়োজিত গোপালগঞ্জের গোবরায় নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    মারুফ চৌধুরী আয়োজিত গোপালগঞ্জের গোবরায় নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি।

    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গোপালগঞ্জ-২ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী জননেতা শেখ ফজলুল করিম এমপি’র পক্ষে গোপালগঞ্জ পৌরসভার ১৩নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন গোপালগঞ্জ পৌরসভার ১৫ নং ওয়ার্ড এর পৌর আওয়ামী লীগ নেতা মারুফ চৌধুরী।
    নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব সমাজের আইকন, জননেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি’র কনিষ্ঠ পুত্র, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম।

    বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাব উদ্দিন আজম, দপ্তর সম্পাদক মো. ইলিয়াস হক, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক মেয়র রেজাউল হক সিকদার রাজু, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক শেখ মো. রফিকুল ইসলাম মিটু, থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী লিয়াকত আলী, সাধারণ সম্পাদক আবু সিদ্দিক সিকদার, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম কবির, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলিমুজ্জামান বিটু, থানা যুবলীগের সভাপতি জাহেদ মাহামুদ বাপ্পি।
    নির্বাচনী মতবিনিময় সভা সঞ্চালনা করেন গোপালগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের নেতা গোবরার কৃতী সন্তান মো. মারুফ চৌধুরী।

    ১৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাবুদ্দিন মৃধার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, গোবরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জিকরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইমরান চৌধুরী , পৌর আওয়ামী লীগ নেতা মারুফ চৌধুরী, পৌর আওয়ামী লীগের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন সহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

    নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় গোপালগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে দেশের উন্নয়ন হয়। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল দেশ হিসাবে দাঁড় করিয়েছে, যা বিশ্বের উন্নত দেশ গুলো দৃষ্টান্ত স্বরূপ বাংলাদেশের দিকে লক্ষ্য করছে।

  • রাজারহাটে পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৪জন

    রাজারহাটে পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৪জন

    রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি :

    রাজারহাট থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাবেক রাজারহাট সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জামায়েত হোসেন খোকন চৌধুরীসহ বিশেষ অভিযানে ৪জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।

    গ্রেপ্তারকৃত আসামি রাজারহাট সদর ইউনিয়নের চান্দামারী মন্ডল পাড়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত জহিজল হকের পুত্র। এছাড়াও রাজারহাট থানা পুলিশের এসআই মো: আতিক নুর এসআই মো:ফারুক হোসেন ও এসআই শাকিলুর রহমানসহ সঙ্গীয় ফোর্সের রাতভর বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিকৃত তিন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। তারা হলেন রাম রতন পালপাড়া গ্রামের দুলাল চন্দ্র দাসের পুত্র রাখাল দাস(২৫),চতুর্ভুজ এলাকার মমতাজ আলীর পুত্র বদিউজ্জামান বদি(৪৬) এছাড়াও চাকিরপশার ইউপির পাঠক পাড়া গ্রামের আবদুল জলিল মিয়ার পুত্র রুস্তম(৩০) গ্রেপ্তার হয়েছেন।বুধবার(৩ জানুয়ারি) বিকেলে রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আসামীদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    এনামুল হক সরকার
    রাজারহাট কুড়িগ্রাম