Blog

  • রাজশাহীতে ৪২ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারালেন ৩১ জন

    রাজশাহীতে ৪২ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারালেন ৩১ জন

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে কম ভোট পাওয়ার কারণে ৩১ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। ছয় আসনে অন্য ১১ জন প্রার্থী জামানতের টাকা ফেরত পাবেন। ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতেই নৌকার প্রার্থীর সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। স্বতন্ত্র না থাকা রাজশাহী-৩ আসনে নৌকার প্রার্থী একচেটিয়া ভোট পেয়েছেন। অন্য সব প্রার্থীই জামানত হারিয়েছেন।

    রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর সূত্র মতে, প্রত্যক প্রার্থীর কাছ থেকেই ২০ হাজার টাকা করে জামানত নিয়ে রাখে নির্বাচন কমিশন। জামানতের এই টাকা ফিরে পেতে হলে কোন নির্বাচনী এলাকায় যে পরিমাণ ভোট পড়ে তার সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট প্রার্থীকে পেতে হয়। তবে রাজশাহীর মোট ৪২ প্রার্থীর মধ্যে ৩১ জনই সাড়ে ১২ শতাংশ করে ভোট পাননি।

    রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ঢাকা সিনেমার চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহিও জামানত হারিয়েছেন। এই আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৯৩টি। জামানত ফিরে পেতে হলে প্রার্থীকে ২৭ হাজার ৪৭৫টি ভোট পেতে হতো। তবে মাহি পেয়েছেন ৯ হাজার ৯টি ভোট। ফলে তিনি জামানত ফিরে পাবেন না। এ আসনে শুধু নৌকার প্রার্থী ওমর ফারুক চৌধুরী ও আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম রাব্বানী জামানত ফেরত পাবেন। এ আসনে বেসরকারীভাবে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন ওমর ফারুক চৌধুরী। এ আসনে মাহিয়া মাহি ছাড়াও জামানত ফিরে পাবেন না এনপিপির নুরুন্নেসা, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের বশির আহমেদ, বিএনএফের আল সাআদ, তৃণমূল বিএনপির জামাল খান দুদু, বিএনএমের মো. শামসুজ্জোহা, জাতীয় পার্টির মো. শামসুদ্দীন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সহধর্মিনী আয়েশা আখতার জাহান ডালিয়া ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আখতারুজ্জামান।

    রাজশাহী-২ (সদর) আসনে ভোট দিয়েছেন ৯৩ হাজার ৪৪৩ জন ভোটার। জামানত রক্ষা করতে হলে প্রয়োজন ১১ হাজার ৬৮১টি ভোট। আসনের পাঁচজন প্রার্থী তা পাননি। তাই জামানত হারাচ্ছেন জাসদের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মাসুদ শিবলী, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের ইয়াসির আলিফ বিন হাবিব, বিএনএমের কামরুল হাসান, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মারুফ শাহরিয়ার ও জাতীয় পার্টির সাইফুল ইসলাম স্বপন। ৩১ হাজার ৪৬০ ভোট পেয়ে জামানত রক্ষা করেছেন নৌকার প্রার্থী বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা। ৫৫ হাজার ১৫৬ ভোট পেয়ে এখানে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা।

    রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী না থাকায় একচেটিয়া ভোট পেয়েছেন নৌকার প্রার্থী আসাদুজ্জামান আসাদ। তিনি ছাড়া এ আসনের অন্য ৫ প্রার্থীই জামানত হারিয়েছেন। আসনটিতে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৩৪টি। আসাদ একাই পেয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯০৯টি ভোট। ফলে জামানত হারাচ্ছেন বিএনএমের ভাইস চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি, জাতীয় পার্টির আব্দুস সালাম খান, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের এনামুল হক, বিএনএফের বজলুর রহমান ও এনপিপির সইবুর রহমান। জামানত রক্ষা করতে হলে তাদের প্রত্যেকের প্রয়োজন ছিল ২১ হাজার ৬৯১ ভোট।

    রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৭৯টি। এখানে জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ২১ হাজার ৬০ ভোট। এখানে নৌকার প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বিরাট ব্যবধানে হারিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান এমপি এনামুল হককে। অন্য সবাই জামানত হারিয়েছেন। জামানত হারানো চারজন হলেন- এনপিপির জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না, জাতীয় পার্টির আবু তালেব প্রামানিক, বিএনএমের সাইফুল ইসলাম রায়হান ও স্বতন্ত্র বাবুল হোসেন।

    রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৪৯টি। জামানত রক্ষায় প্রার্থীদের প্রয়োজন ছিল ২২ হাজার ২১৯ ভোট। তবে জাতীয় পার্টির আবুল হোসেন, সুপ্রিম পার্টির আলতাফ হোসেন মোল্লা, বিএনএমের শরিফুল ইসলাম ও গণফ্রন্টের মখলেসুর রহমান তা পাননি। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। এখানে ৩ হাজার ৫১ ভোটে স্বতন্ত্র ওবায়দুর রহমানকে হারিয়ে এমপি হয়েছেন নৌকার প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ দারা।

    রাজশাহী-৬ আসনের শামসুদ্দীন রিন্টু ও রাজশাহী-১ আসনের আখতারুজ্জামান প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন। তারপরও দুজনের ব্যালটে কিছু ভোট পড়েছে। তবে এই ৩১ প্রার্থীই সামান্য কিছু ভোট পেয়েছেন।

    রাজশাহীর রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, ‘জামানত ফেরত পেতে হলে মোট প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট প্রার্থীকে পেতে হয়। রাজশাহীতে যারা এই পরিমাণ ভোট পাননি, তাদের জামানত নির্বাচন কমিশন বাজেয়াপ্ত করবে। অন্যরা ফেরত পাবেন।’

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • সংবাদ সম্মেলনে মোতাহেরুল ইসলাম  পটিয়াকে কিশোর গ্যাং, ইয়াবা ও দুনীতিমুক্ত করা

    সংবাদ সম্মেলনে মোতাহেরুল ইসলাম পটিয়াকে কিশোর গ্যাং, ইয়াবা ও দুনীতিমুক্ত করা

    মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টার।।
    চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে নৌকার বিজয়ী প্রার্থী ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, দলের সকল নেতাকর্মীদের নিয়ে আগামীতে পটিয়াকে একটি স্মার্ট এবং আর্দশ উপ-শহর গড়বেন। তাছাড়া পটিয়াকে কিশোর গ্যাং, ইয়াবা ও দুনীতিমুক্ত করা হবে। গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্বতন্ত্র প্রার্থী সামশুল হক চৌধুরীর লোকজন নৌকার কর্মীদের বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচনের পরের দিন শোভনদন্ডী ও কুসুমপুরা ইউনিয়নে নৌকার সর্মথককে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করেছে। পটিয়ার হারানো ইমেজ ফিরিয়ে আনতে দলমত নির্বিশেষে সকলে ভুমিকা রাখতে হবে।
    মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে পটিয়ার নৌকার বিজয়ী প্রার্থী মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী এ কথা বলেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, সাবেক মহিলা এমপি চেমন আরা তৈয়ব, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি আইয়ুব আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ দাশ, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান ডা: তিমির বরণ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আ.ম.ম টিপু সুলতান চৌধুরী, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ ফারুক, স্বাস্থ্য সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল রশিদ, সদস্য রাশেদ মনোয়ার, নাছির উদ্দিন, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম এ আব্দুল মতিন চৌধুরী, কাজী আবু তৈয়ব, মোজাহেরুল আলম চৌধুরী, ডক্টর জুলকারনাইন চৌধুরী জীবন, সত্যজিত দাশ রুপু, গোলাম সরোয়ার চৌধুরী মুরাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তালেব, চেয়ারম্যান ইনজামুল হক জসিম, এহসানুল হক, মাহাবুবুর রহমান, শাহিনুর ইসলাম শানু, জাকারিয়া ডালিম, আমিনুল ইসলাম খান টিপু, আওয়ামী লীগ নেতা মুহাম্মদ ছৈয়দ,শাহাদাত হোসেন ফরিদ, আজিমুল হক, ঋষি বিশ্বাস, এডভোকেট এম হোসাইন রানা, আবুল হাসনাত খোকন, যুবলীগ নেতা আব্দুল হান্নান লিটন, হাসান উল্লাহ চৌধুরী, ইমরান উদ্দিন বশির।

    সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ যেসব প্রকল্পে অনিয়ম, দুর্নীতি হয়েছে সকলের অনুরোধে তদন্ত করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ভুমি অধিগ্রনের টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেন। তাছাড়া পটিয়ায় বন্ধ করা হবে ভুমিদস্যুতা। অতীতে যারা এসব কাজে জড়িত ছিলেন তাদেরকে সর্তক করে দেন।

  • ঝালকাঠির নলছিটিতে অগ্নীকান্ডে একটি বসতঘর পুড়ে ছাই

    ঝালকাঠির নলছিটিতে অগ্নীকান্ডে একটি বসতঘর পুড়ে ছাই

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি :

    ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলাধীন সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের মালোয়ার গ্রামে একটি বসতঘর আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জানুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক বারোটার সময় কে বা কারা মালোয়ার গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত মোসলেম উদ্দিন তালুকদারের ছেলে আরিফুর রহমান’র ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়। আরিফুর রহমান সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের ইউনিয়ন স্বেচ্ছা‌সেবক দলের সভাপতি।

    এ বিষয় স্থানীয় বাসিন্দা রাশেদুল ইসলাম জানান, গতকাল রাত আনুমানিক ১২টার দিকে আরিফ তালুকদারের বসতঘরে আগুন দেখে তাদের পাশের ঘরের লোকজন চিৎকার করলে আমরা ছুটে গিয়ে আগুন নিভানোর চেষ্টা করলেও ততক্ষনে সব পুড়ে সবকিছুই শেষ হয়ে গেছে। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় আমরা কিছুই করতে পারিনি। এসময় তাদের ঘরে কোন লোকজন ছিল না।

    নলছিটি ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. মফিজুর রহমান জানান, আমাদের অগ্নিকান্ডের খবর দেয়ার পর ঘটনাস্থ‌লে পৌঁছানোর আগেই সমগ্র ঘর পুড়ে ছাই হ‌য়ে গেছে। আগুন নিভানোর বিষয় স্থানীয়রা অ‌ভি‌যোগ ক‌রেন, ফায়ার সা‌র্ভিস‌কে ফোন দি‌লেও তারা আস‌তে অ‌নেক দে‌রি ক‌রে‌ছেন, যথাসম‌য়ে আসলে হয়‌তো কিছু মালামাল রক্ষা করা যেত ।

    এ বিষয় ক্ষতিগ্রস্ত আরিফ তালুকদার মুঠোফোনে বলেন, আমি বিরোধী দলের রাজনীতির সাথে জরিত থাকায় গত কয়েকমাস ধরে বাড়িতে থাকি না। ঘটনার সময় আমার পরিবারের কেউ বাসায় ছিল না। আগুন কিভাবে লেগেছে জানি না তবে প্রতিবেশীরা ফোন করে বলেছে আগুন লাগার পরে তারা কয়েকজনকে দৌঁড়ে যেতে দেখেছে। আগুনে আমার ঘরের মূল্যবান আসবাবপত্র সব পুড়ে গেছে। এতে আমার নগদ অর্থসহ প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।

    এ ব্যাপারে নলছিটি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মুরাদ আলী ব‌লেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থ‌লে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখনও কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি, পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • খাগডহর  ইউনিয়নে শীতার্তদের মাঝে চেয়ারম্যান বাদলের কম্বল বিতরণ

    খাগডহর ইউনিয়নে শীতার্তদের মাঝে চেয়ারম্যান বাদলের কম্বল বিতরণ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের সদর উপজেলার খাগডহর ইউনিয়নের হতদরিদ্র শীতার্ত জনগোষ্ঠীর মাঝে গণতন্ত্রের মানসকন্যা মানবিক প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহীনীর সার্বিক সহযোগীতায় শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেক ছাত্রনেতা আবু সাঈদ বাদল।

    মঙ্গলবার (৯জানুয়ারী) সকালে ইউপি কার্যালয় প্রাঙ্গনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সার্বিক সহযোগীতায় ইউনিয়নের প্রায় ৭শত শীতার্ত হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করেন চেয়ারম্যান আবু সাঈদ বাদল।

    জনতার চেয়ারম্যান আবু সাঈদ বাদল জানান, দেশের অন্যান্য এলাকার মত আমাদের এলাকাতেও শীতের তীব্রতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শীতে বয়স্ক, গরীব নারী পুরুষেরাই বেশী কষ্ট পাচ্ছেন। তাদের কষ্টের কথা চিন্তা করে বাংলার সফল প্রধানমন্ত্রী মানবতার ফেরিওয়ালা দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে আমার ইউনিয়নের বৃদ্ধ নারী-পুরুষসহ সকল শীতার্ত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরনের ব্যাবস্থা করেছি। আমি চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় অত্র ইউনিয়নের কোন মানুষ কষ্টে থাকবেনা।

    এসময় তিনি শেখ হাসিনার প্রশংসা করে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মানবিক নেত্রী। তার উপহার হিসেবে সারাদেশে অসহায় মানুষের জন্য দুই মাস ব্যাপী শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সার্বিক সহযোগীতায় আমার ইউনিয়নের ৭শত শীতার্ত মানুষদের কম্বল বিতরণ করেছি । তিনি বলেন- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গরীব অসহায় মানুষের বন্ধু হিসাবে সবসময় পাশে থাকে এবং আগামী যেকোন দুর্যোগে অবহেলিত মানুষের পাশে থাকবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, দেশে শীতের তীব্রতা বাড়ায় দরিদ্র ও অসহায় মানুষ অত্যাধিক কষ্ট পাচ্ছে। আমাদের এই কর্মসূচি পৌষ ও মাঘ মাস পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। শীত এলেই দরিদ্র অসহায় মানুষ শীতে কাতর হয়ে যায়, খাবারের চেয়েও তাদের শীত নিবারণ জরুরী হয়ে পড়ে।

    তিনি সরকারের পাশাপাশি সমাজের বৃত্তবানদের প্রতিও এই মহৎ কাজ করার আহবান জানিয়ে দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

    এছাড়া, সমাজের বিত্তশালীদের শীতার্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে আমাদের নজর দিতে হবে গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষ, শিশু ও বয়স্কদের প্রতি। মানবতার পাশে দাঁড়ানোই হচ্ছে সর্বোত্তম কাজ। এসময় ইউনিয়ন পরিষদের অন্যান্য মেম্বার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বঙ্গবন্ধু দিয়েছেন স্বাধীনতা, আর তার কন্যা দিয়েছেন উন্নত সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ-মোঃ রশীদুজ্জামান

    বঙ্গবন্ধু দিয়েছেন স্বাধীনতা, আর তার কন্যা দিয়েছেন উন্নত সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ-মোঃ রশীদুজ্জামান

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা( খুলনা) ॥
    খুলনা – ৬ আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু দিয়েছেন স্বাধীনতা, আর তার কন্যা দিয়েছেন উন্নত সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ বিশ্ব সভায় আজ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে । দলীয় নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে মোঃ রশীদুজ্জামান বলেন, দলে চলবে শুদ্ধী অভিযান । দলীয় নিয়ম শৃঙ্খলা সকলকে মেনে চলতে হবে। দলকে সুসংগঠিত করায় আমার মূল লক্ষ্য। আমি দলকে এমন ভাবে সুসংগঠিত করব যাতে আগামী দিনে সকল নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের যিনিই প্রার্থী হবেন তাকে যেন কষ্ট করতে না হয়। দল সুসংগঠিত থাকলে বিএনপিসহ দেশ বিরোধী কেহ কখনো মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। সোমবার দুপুরে খুলনার পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার ইকবাল মন্টুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার প্রেম কুমার মন্ডল, উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ খায়রুল আলম, জেলা সদস্য শেখ আনিছুর রহমান মুক্ত, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সমীরণ সাধু, যুগ্ম সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিহাব উদ্দিন ফিরোজ বুলু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, ইউপি চেয়ারম্যান কাওসার আলী জোয়ার্দ্দার, কাজল কান্তি বিশ্বাস, আব্দুল মান্নান গাজী, কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বিশ্বাস ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ গোলদার, আ’লীগ নেতা জিএম ইকরামুল ইসলাম, হেমেশ চন্দ্র মন্ডল, সরদার বজলুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন খোকন, নির্মল চন্দ্র অধিকারী, শংকর দেবনাথ, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুনসুর আলী গাজী, নির্মল বৈদ্য, মঙ্গল মন্ডল, হেদায়েত আলী টুকু, কৃষ্ণ পদ মন্ডল, উপজেলা কৃষকলীগের সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি তৃপ্তি রঞ্জন সেন, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক মৃণাল কান্তি বাছাড়, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পার্থ প্রতিম চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক ফাইমিন সরদার। এ সময় দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুরাল ও পরে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পঞ্চগড়ে চার বারের সংসদ সদস্য সুজন, প্রথম বারের মতো নাঈমুজ্জামান

    পঞ্চগড়ে চার বারের সংসদ সদস্য সুজন, প্রথম বারের মতো নাঈমুজ্জামান

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প গড়-২ আসনে (বোদা ও দেবীগঞ্জ) জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন টানা চতুর্থবারের মতো নৌকা প্রতীকে জয়ী হয়েছেন। প গড়-১ আসনে (সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী) জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নাঈমুজ্জামান ভূইয়া প্রথমবারের মতো দলের মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

    রোববার (৭ জানুয়ারি) রাত সোয়া ১০টার দিকে প গড়ের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম ভোট গণনা শেষে বেসরকারিভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

    ঘোষিত ফলাফলে জানা যায়, প গড়-১ আসনে নাঈমুজ্জামান ভূইয়া নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ২৪ হাজার ৭৪২ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাট ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ২১০ ভোট।

    নাঈমুজ্জামান ভূইয়া প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছিলেন। সেই সঙ্গে তিনি নতুন মুখ হিসেবে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন। এর আগে তিনি এটুআই প্রকল্পের জনপ্রেক্ষিত কর্মকর্তা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। এ ছাড়া তিনি আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক উপ-কমিটি এবং তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপ-কমিটির সহসম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

    এখানে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) মশিউর রহমান ১ হাজার ৩৯৯ ভোট, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের সিরাজুল ইসলাম ১ হাজার ৪৮১ ভোট, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) আবদুল ওয়াদুদ ১ হাজার ৩৭১ ভোট এবং মুক্তিজোটের প্রার্থী মো. আব্দুল মজিদ ৭৪৩ ভোট পেয়েছেন। মোট ৪ লাখ ৩৬ হাজার ৯২৩ জন ভোটারের মধ্যে ১ লাখ ৯২ হাজার ৫৭৯ জন ভোটাধিকবার প্রয়োগ করেছেন। এ আসনে প্রাপ্ত ভোটের হার ৪৪ দশমিক শূন্য ৮।

    অপর দিকে প গড়-২ আসনে রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৮১ হাজার ৭২৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী লুৎফর রহমান পেয়েছেন ৭ হাজার ৬২৭ ভোট। এ আসন থেকে নূরুল ইসলাম এবার নিয়ে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন। নূরুল ইসলাম ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে পরাজিত হয়েছিলেন। এরপর ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন তিনি।

    প গড়-২ আসনে তৃণমূল বিএনপির আবদুল আজিজ ৪ হাজার ৪২০ ভোট এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) আহমাদ রেজা ফারুকী ৪ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়েছেন। মোট ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৯৪১ জন ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৭ হাজার ২৫০ জন ভোটাধিকবার প্রয়োগ করেছেন।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • ঝিনাইদহে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা অর্ধশত বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট  আহত ১০

    ঝিনাইদহে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা অর্ধশত বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট আহত ১০

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সহিংসতায় অর্ধশত বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে এ ঘটনায় আহত হয়েছে নারীসহ অন্তত ১০ জন। সোমবার (০৮ জানুয়ারি) সকালে সদর উপজেলার পোড়াহাটি ইউনিয়নের বারইখালী, হীরাডাঙ্গা ও সুরাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানায়, রোববার (০৭ জানুয়ারি) নির্বাচনে ঝিনাইদহ-২ আসনে সতন্ত্র প্রার্থী নাসের শাহরিয়ার জাহেদী মহুল নির্বাচিত হন। ফলাফল ঘোষণার পর সদরের ওই তিন গ্রামে উত্তেজনা দেখা দেয়।এরই জের ধরে সকালে মহুলের সমর্থক পোড়াহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম হিরনের অনুসারীরা বারইখালী, হীরাডাঙ্গা ও সুরাপাড়া গ্রামে হামলা চালায়। হামলাকারীরা অন্তত ৫০টি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে। বাধা দেওয়ায় নারীসহ আহত হয় অন্তত ১০ জন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মোঃ আজিমুল আহসান বলেন,”ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • নড়াইলে মাশরাফি দ্বিতীয়বার নির্বাচিত হয়ে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস

    নড়াইলে মাশরাফি দ্বিতীয়বার নির্বাচিত হয়ে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//

    নড়াইল ২ আসনে দ্বিতীয়বার সদস্য নির্বাচিত হয়ে মাশরাফি বিন মুর্তজা তার নিজ ফেসবুক আইডিতে নাড়াইলের টেকসই উন্নয়ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন। মাশরাফি যা লিখেছেন:-

    সম্মানিত নড়াইলবাসী, আসসালামু আলাইকুম।
    সারাদিন অত্যন্ত উৎসব মুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে আপনারা আপনাদের মূল্যবান ভোটাধিকার প্রদান করেছেন। মহান আল্লাহ’র রহমতে আপনাদের মূল্যবান রায়ে আমি আগামী পাঁচ বছরের জন্য আবারো আপনাদের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি।

    এজন্য আমি প্রথমে মহান আল্লাহ’র দরবারে শুকরিয়া জানাই। বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। সশ্রদ্ধ অভিবাদন ও বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে, যার অনুপ্রেরণা আমার রাজনীতির শক্তি।

    প্রিয় নড়াইলবাসী,
    যে ভালোবাসা আমাকে সবসময় আপনারা দিয়েছেন, আজ আমি আবার নতুন করে সেই ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছি। এই অমূল্য ভালোবাসার প্রতিদান আমি কোনকিছু দিয়ে দিতে পারবো না। আপনাদের অকৃত্রিম ভালোবাসার জন্য আপনাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা, আমার শ্রদ্ধা। আমি যেন জন্মভূমি নড়াইল- লোহাগড়ার টেকসই উন্নয়নে কাজ করতে পারি, সেজন্য সবসময় আপনাদের সহযোগিতা, পরামর্শ ও দোয়া কামনা করছি।

    বিজয়ের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমি ধন্যবাদ জানাই যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করেছেন আমার নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগ ও লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সেইসকল সম্মানিত নেতৃবৃন্দকে। আমি ধন্যবাদ জানাই বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, কৃষক লীগসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে। সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়ায় ধন্যবাদ জানাই নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে। ধন্যবাদ জানাই সম্মানিত সাংবাদিক বন্ধুদের।

    আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে আগামী পাঁচবছর নতুন উদ্যমে কাজ করতে চাই।
    জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • ঠাকুরগাঁও-১ও২ আসনে নৌকা এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে লাঙ্গল বিজয়ী

    ঠাকুরগাঁও-১ও২ আসনে নৌকা এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে লাঙ্গল বিজয়ী

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঠাকুরগাঁও জেলার ৩টি সংসদীয় আসনে বেসরকা‌রি ফলাফ‌লে আওয়ামী লীগ মনোনীত দুই নৌকার প্রার্থী ও জাতীয়পা‌র্টির লাঙ্গল প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

    জানা যায়,৭ই জানুয়ারী ২০২৪ রোববার রাত ৯টায় ঠাকুরগাঁও রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃমাহবুবু‌র রহমান তার সম্মেলন কক্ষে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
    ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ১৮৫টি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের রমেশ চন্দ্র সেন(নৌকা) ২লাখ ৫হাজার ৩১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয়পা‌র্টির মো. রাজিউল ইসলাম(লাঙ্গল) পেয়েছেন ১৩ হাজার ৯৪০ভোট।
    ঠাকুরগাঁও-২ আসনের ১০৪টি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের মো. মাজহারুল ইসলাম(নৌকা) ১ লাখ ১৫ হাজার ৪১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামীলীগ স্বতন্ত্র
    আলী আসলাম জুয়েল(ট্রাক) পেয়েছেন ৫৭ হাজার ২৪৫ভোট।এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের ১২৮টি কেন্দ্রে জাতীয়পা‌র্টির হাফিজ উদ্দিন আহ‌ম্মেদ (লাঙ্গল)-১লাখ ৬হাজার ৭১৪ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়ার্কাসপা‌র্টির গোপাল চন্দ্র রায়(হাতুড়ী) পেয়েছেন ৬৪হাজার ৮২১ভোট।

  • লালমনিরহাট-৩টি আসনে নৌকার জয় লাভ

    লালমনিরহাট-৩টি আসনে নৌকার জয় লাভ

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
    সারাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহন শেষে। লালমনিরহাট-৩টি আসনের গণনা শেষে নৌকার প্রার্থী জয়লাভ ।জেলার ৩টি আসনে লালমনিরহাট-১ বীর মুক্তিযোদ্ধা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন এম পি, ২-বীর মুক্তিযোদ্ধা সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান আহম্মেদ এম পি, ৩-জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান, তিনজন জয় লাভ করেন। গত(৭ জানুয়ারি)২০২৪ইং রবিবার নির্বাচন শেষে ফলা ফল অনুযায়ী লালমনিরহাট-১ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেন, নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৯০ হাজার ৩৪ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের মো.আতাউর রহমান প্রধান, পেয়েছেন ৭৪ হাজার ১৫৮ ভোট। লালমনিরহাট-২-বীর মুক্তিযোদ্ধা সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান আহম্মেদ,নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৪৩৪ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের মো.সিরাজুল হক, পেয়েছেন ৫১ হাজার ৩৩৮ ভোট। লালমনিরহাট-৩- আসনে এ্যাডঃ মতিয়ার রহমান নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৩৩৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের মো. জাবেদ হোসেন পেয়েছেন ১২ হাজার ৯৯৭ ভোট। লালমনিরহাট-৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী করেছেন মোট ১৯প্রার্থী।

    হাসমত উল্লাহ ।