Blog

  • বানারীপাড়ায় অগ্নিকান্ড।। কামারপট্টির ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাঁই

    বানারীপাড়ায় অগ্নিকান্ড।। কামারপট্টির ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাঁই

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ সংবাদদাতা॥ বানারীপাড়া পৌরসভার বাজারের কামার পট্টিতে অগ্নিকান্ডে তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাঁই হয়েছে। সোমবার ৯ জানুয়ারী মধ্যরাত ২.৩০ এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। জানা যায়, সোমবার রাত আড়াইটার দিকে বন্দর বাজারের কামার পট্টিতে অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে বানারীপাড়ার ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন আয়ত্তে আনার পূর্বেই সুধীর কর্মকার, গণেশ কর্মকার ও ঝালাইকার কৃষকান্ত রায়ের মেশিন ও মালপত্রসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়।

    এছাড়া পাশের রোদেলা শপিং মল আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান পাঁচ লক্ষাধিক টাকার মত । সময় মতো ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে আরও বড় ধরণের ক্ষতির হতো। অগ্নিকান্ডের সঠিক কারন জানা যায়নি। তবে ব্যবসায়ীরা জানান বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিটের জন্য এ ঘটনা ঘটতে পারে।

    বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ গোলাম ফারুক ক্ষতিগ্রস্তদের ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এছাড়া মঙ্গলবার ৯ জানুয়ারী সকালে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডাক্তার অন্তরা হালদার ও থানার ওসি মাইনুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন। ইউএনও এসময় ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আশরাফী মনির ক্ষতিগ্রস্থদের সহযোগিতা করার কথা জানান। এসময় থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মমিন উদ্দিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার মহসিন-উল হাসান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। #

    এস মিজানুল ইসলাম ।।

  • রাজশাহী-১ আসনে  জামানত হারালেন ৯ জন

    রাজশাহী-১ আসনে জামানত হারালেন ৯ জন

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১১ জন প্রার্থী। এই ১১ প্রার্থীর মধ্যে নৌকার মনোনিত প্রার্থী ওমর ফারুক চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি গোলাম রাব্বানী। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোটে অংশ গ্রহণ করেন।

    এই দুই প্রার্থী ছাড়া বাকি ৯ প্রার্থীই জামানত হারিয়েছেন।

    রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর সূত্র মতে, প্রত্যেক প্রার্থীর কাছ থেকেই ২০ হাজার টাকা করে জামানত নিয়ে রাখে নির্বাচন কমিশন। জামানতের এই টাকা ফিরে পেতে হলে কোন নির্বাচনী এলাকায় যে পরিমাণ ভোট পড়ে তার সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট প্রার্থীকে পেতে হয়। রাজশাহী-১ আসনের ১১ প্রার্থীর মধ্যে ৯জনই সাড়ে ১২ শতাংশ করে ভোট পাননি।

    রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ঢাকা সিনেমার চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহিও জামানত হারিয়েছেন। এই আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৯৩টি। জামানত ফিরে পেতে হলে প্রার্থীকে ২৭ হাজার ৪৭৫টি ভোট পেতে হতো। তবে মাহি পেয়েছেন ৯ হাজার ৯টি ভোট। ফলে তিনি জামানত ফিরে পাবেন না।

    এ আসনে শুধু নৌকার প্রার্থী ওমর ফারুক চৌধুরী ও আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম রাব্বানী জামানত ফেরত পাবেন। এ আসনে বেসরকারীভাবে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন ওমর ফারুক চৌধুরী।

    এ আসনে মাহিয়া মাহি ছাড়াও জামানত ফিরে পাবেন না এনপিপির নুরুন্নেসা। তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ২৯৬ টি।

    বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের বশির আহমেদ মোট ভোট পেয়েছন ৩৩৫ টি। তিনিও জামানত ফিরে পাবেন না। , বিএনএফের আল সাআদ। ভোট পেয়েছেন ৬০৩টি তিনিও জামানত হারিয়েছেন। তৃণমূল বিএনপির জামাল খান দুদু ভোট পয়েছেন ২৭৩টি। ফলে তিনিও রয়েছেন জামানত হারানোর তালিকায়। বিএনএমের মো. শামসুজ্জোহা। তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ১৯১১টি। তিনিও জামানত হারিয়েছেন। জাতীয় পার্টির মো. শামসুদ্দীন মোট ভোট পেয়েছেন ৯৩৮টি এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সহধর্মিনী আয়েশা আখতার জাহান ডালিয়া ভোট পেয়েছেন ২৭১৮। এরা দু জনই জামানত ফিরে পাবেন না।

    ফারুক চৌধুরীর মূলপ্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী কাঁচি প্রতীকের গোলাম রাব্বানীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান আওয়ামী লীগ নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আখতারুজ্জামান। তবে প্রতীক থেকে যাওয়ায় ভোট পেয়েছেন ২০২ ভোট। ফলে তিনিও জামানত হারিয়েছেন।

    জামানত হারানোর মধ্যে ভোটের মাঠে সবচেয়ে সরব ছিলেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। তিনি স্বল্প সময়ে জনগনের কাতারে শামিল হতে পেরেছিলেন। তিনিও বর্তমান এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীকে নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করায় সব সময় তিনি আলোচনায় থাকতেন। মিডিয়া সবচেয়ে বেশী করে তাকে কভারেজ দিয়েছেন।জাতীয় পার্টি, এনপিপি, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতি মুক্তিজোট, বিএনএফ প্রার্থীদের ভোটের মাঠে তেমন সরব থাকতে দেখা যায়নি।

    তবে বিএনএমের প্রার্থী শামসুজ্জোহা বাবুকে নির্বাচনী প্রচারণায় সরব থাকতে দেখা যায়। তার প্রচারণায় সমালোচনাও মুখে পড়ে। সে নিজেকে জামায়াতের প্রার্থী হয়ে প্রচার চালায়। যদিও জামায়াত নির্বাচনে না আসলেও স্বতন্ত্র হিসেবে জামায়াত থেকেই নির্বাচন করছেন বলে প্রচার হয়। ভোটের শুরুতে শামসুজ্জোহা বাবু প্রচার চালায় বিএনএম নতুন দল শেখ হাসিনারই সৃষ্টি। তিনি গণভবনে মাথায় আর্শিরবাদ দিয়ে ভোট করতে বলেন । যার কারণে তিনি ভোট করছেন। আবার কখনো শোনা যায়, আওয়ামী লীগ কিছু জায়গায় আসন ছাড়া দিবে তার মধ্যে রাজশাহী-১ আসনটি রয়েছে। ফলে সে এমপি নির্বাচিত হয়েই গেছেন বলে প্রচার করতে থাকে। এছাড়াও তার পক্ষ থেকে ঢাকা থেকে ১২-১৫ জন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন এলাকায় এসে সব দেখছেন । ভোটের মাঠে শুধু আমাকে থাকতে বলেছেন এমপি নির্বাচিত করা দায়িত্ব তাদের বলেই সে বিভিন্ন জনের কাছে নিজেকে জাহির করেন। কেউ বলছেন সে দু কোটি, আড়াই কোটি পেয়েছেন। তাই যদি না হয় একটি বালিকা বিদ্যালয়ের কারিগরি শাখার একজন শিক্ষক হয়ে এমপি হবার শখ জাগলো কি করে।

    এছাড়াও ভোটের মাঠে সরব ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সহধর্মিনী আয়েশা আখতার জাহান ডালিয়া।

    রাজশাহীর রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, ‘জামানত ফেরত পেতে হলে মোট প্রাপ্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট প্রার্থীকে পেতে হয়। রাজশাহীতে যারা এই পরিমাণ ভোট পাননি, তাদের জামানত নির্বাচন কমিশন বাজেয়াপ্ত করবে। অন্যরা ফেরত পাবেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • নড়াইলে দুই’জন অনলাইন প্রতারক গ্রেফতার

    নড়াইলে দুই’জন অনলাইন প্রতারক গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে//
    নড়াইলে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ৯টি মোবাইল ও ১৬টি মোবাইল সিমসহ দুইজন অনলাইন প্রতারক গ্রেফতার। গত (১৪ ডিসেম্বর) মোঃ রেজওয়ান সিদ্দিকি ইমরান (৩২) ইলোরা ফ্যাশন নামক ফেইসবুক পেইজে বিভিন্ন প্রকার কম্বলের বিজ্ঞাপন দেখে ১,৫৫০/-(এক হাজার পাঁচশত পঁঞ্চাশ) টাকা মূল্যের ০২টি সাইজের কম্বল নেওয়ার জন্য অর্ডার দেন। প্রতারক চক্র তাকে ম্যাসেঞ্জারে কল দিয়ে কুরিয়ার খরচ বাবদ অগ্রিম টাকা চায়। ভুক্তভোগী তাদের কথা মতো “নগদ” একাউন্টে টাকা পাঠায়। প্রতারক চক্র ডেলিভারীম্যান পরিচয় দিয়ে ভুক্তোভোগীকে কোম্পানী থেকে কোড নাম্বার সংগ্রহ করে তাকে দিতে বলে। কোড নাম্বার ছাড়া কোন কম্বল দেওয়া যাবে না বলে জানায়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী কোম্পানী থেকে কোড নাম্বার সংগ্রহের জন্য ফোন করলে প্রতারক চক্র পুনরায় টাকা চায়। এভাবে বিভিন্ন ছলচাতুরী করে প্রতারক চক্র ভুক্তভোগী মোঃ রেজওয়ান সিদ্দিকি ইমরানের নিকট হতে ৬টি ধাপে সর্বমোট ২৭,৯০০/—(সাতাশ হাজার নয়শত) টাকা “নগদ” একাউন্টের মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়। কম্বল ক্রয় বাবদ টাকা পাওয়ার পর প্রতারক চক্র ভুক্তভোগীর কল রিসিভ করে না এবং কোন কম্বল প্রেরণ করে না মর্মে এজাহার দায়ের করেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান,
    উক্ত ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে নড়াইল সদর থানায় এজাহার দায়ের করলে নড়াইল সদর থানার মামলা নং ৮, তারিখ ৮ তারিখে ধারা-৪০৬/৪১৯/৪২০ পেনাল কোড আইনে একটি প্রতারণার মামলা রুজু হয়। মামলা হওয়ার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) ফিরোজ আহম্মেদসহ নড়াইল জেলার গোয়েন্দা শাখা ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম উক্ত প্রতারক চক্রকে সনাক্ত এবং আসামীদের গ্রেফতার করার জন্য তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে থাকে। যার প্রেক্ষিতে ৯ ভোরে প্রতারক মোঃ শাহজালাল শেখ (২৭), মোঃ শাহ্ জামান (২৩) উভয় পিতা-আঃ কুদ্দুস শেখ, মাতা-মোসাঃ রহিমা খাতুন, গ্রাম-যাদবপুর, থানা-কালিয়া, জেলা-নড়াইল নড়াইল জেলার কালিয়া থানাধীন যাদবপুর সাকিনস্থ তাদের বসতবাড়ী হতে গ্রেফতার করে। ধৃত আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ০৯টি মোবাইল ফোন ও ১৬টি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রেশনকৃত মোবাইল সিম উদ্ধার করে। পুলিশের কাছে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। এই চক্রটি দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষকে অনলাইনে বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ধৃত আসামীদ্বয়ের নিকট হতে উদ্ধারকৃত মোবাইল সিমের বিকাশ একাউন্টের স্টেটমেন্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, ০১/০১/২০২৩ থেকে ৩১/১২/২০২৩ খ্রিঃ পর্যন্ত ১ বছরে সর্বমোট ২৩,৪৫,৫৪৬/ (তেইশ লক্ষ পঁয়তাল্লিশ হাজার পাঁচশত ছেচল্লিশ) টাকা লেনদেন করেছে।

    উল্লেখ্য যে, ধৃত আসামী মোঃ শাহজালাল শেখ এর নামে ২০১৮ সালে ঢাকার কোতয়ালী থানায় এবং ২০২২ সালে হাজরীবাগ থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে পৃথক পৃথক ২টি প্রতারণার মামলা আছে। নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান নির্দেশনায় জেলা পুলিশ মানুষের জান বলে নিরাপত্তায় আন্তরিকভাবে কাজ করে চলেছে।

  • পাইকগাছায় সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত নবনির্বাচিত এমপি রশীদুজ্জামান

    পাইকগাছায় সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত নবনির্বাচিত এমপি রশীদুজ্জামান

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।।
    দলীয় নেতাকর্মী সহ সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন খুলনা-৬ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান। মঙ্গলবার সকাল থেকে দিনভর নির্বাচনী এলাকা পাইকগাছা-কয়রার বিভিন্ন পর্যায়ের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট লোনাপানি কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ লতিফুল ইসলাম, উপ-পরিচালক কামরুল ইসলাম, খুলনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার জিল্লুর রহমান, পাইকগাছার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, কয়রার ডিজিএম শাহীন রেজা, এজিএম রফিকুল ইসলাম, এলাকা পরিচালক আসলাম হোসেন, পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু, জেলা পরিষদ সদস্য নাহার আক্তার, ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়াদ্দার, মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম সানা, খুলনা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পাইকগাছা-কয়রার নির্বাচনী সমন্বয়কারী শিউলী বিশ্বাস, কয়রা উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নিলিমা চক্রবর্তী, অধ্যক্ষ রাজিব বাছাড়, সাবেক মেম্বর প্রশান্ত বাইন, শিমুল বিল্লাল বাপ্পি, আওয়ামী লীগনেতা আব্দুর রশিদ, প্রভাষক সুকুমার বাছাড়, স্বাক্ষর বাছাড়, মিথুন বাইন, বিদ্যুৎ বিশ্বাস, কার্তিক মন্ডল, আনিস রহমান, যুবলীগনেতা অহেদুজ্জামান মোড়ল ও জেলা ছাত্রলীগনেতা মৃণাল কান্তি বাছাড়।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির সুস্থ্যতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান

    কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির সুস্থ্যতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।।
    কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিএম মোহসিন রেজার সুস্থ্যতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে পাইকগাছার আগড়ঘাটা বাজারস্থ বালুর মাঠে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান এর পক্ষ থেকে এ দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিঃ প্রেম কুমার মন্ডল, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট লোনাপানি কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ লতিফুল ইসলাম, উপ-পরিচালক কামরুল ইসলাম, উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হাসমি সাকিব, পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু, জেলা পরিষদ সদস্য নাহার আক্তার, ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়াদ্দার, মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম সানা, খুলনা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শিউলী বিশ্বাস, কয়রা উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নিলিমা চক্রবর্তী, অধ্যক্ষ রাজিব বাছাড়, সাবেক মেম্বর প্রশান্ত বাইন, শিমুল বিল্লাল বাপ্পি, আওয়ামী লীগনেতা আব্দুর রশিদ, প্রভাষক সুকুমার বাছাড়, আনিস রহমান, যুবলীগনেতা অহেদুজ্জামান মোড়ল ও জেলা ছাত্রলীগনেতা মৃণাল কান্তি রায়। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন হাফেজ হুমায়ূন কবির।

  • নড়াইলে এমপি মাশরাফিকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর খান শাহাবুদ্দিনসহ শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ

    নড়াইলে এমপি মাশরাফিকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর খান শাহাবুদ্দিনসহ শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//

    নড়াইলে এমপি মাশরাফিকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর খান শাহাবুদ্দিনসহ শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ নড়াইল-২ আসনে দ্বিতীয়বারের মতো এমপি নির্বাচিত হওয়ায় নড়াইলবাসীর ভালবাসায় সিক্ত হলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় মাশরাফিকে নিয়ে নতুন করে ভাবা শুরু করেছেন নড়াইলবাসী। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, সংসদ সদস্য’র পাশাপাশি মাশরাফি কি আরো বড় জায়গায় স্থান পাবেন-এ বিষয়টি নিয়ে জেলার সর্বত্র আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করেন মাশরাফি প্রধানমন্ত্রীর স্নেহধন্য।

    ইতোপূর্বে নড়াইলে উন্নয়নের তেমন কোন ছোঁয়া না লাগলেও মাশরাফি এমপি হওয়ার পর এ জেলায় কয়েকটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হতে চলেছে। মাশরাফি পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় এ জেলায় উন্নয়নের ছোঁয়া আগের তুলনায় আরও অনেক বেশি হবে। মাশরাফি দ্বিতীয়বারের মতো জয়লাভের পর তাকে স্বাগত জানিয়েছেন নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর খান শাহাবুদ্দিনসহ শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

    লোহাগড়া পৌরসভার মেয়র সৈয়দ মসিয়ূর রহমান বলেন,মাশরাফির প্রচেষ্টায় নড়াইলে আইটি পার্ক,ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ,নড়াইল সদর হাসপাতাল ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ, নড়াইল শহরের ফোরলেন সড়ক, পাসপোর্ট অফিসের নিজস্ব নতুন ভবন,নার্সিং কলেজ,নড়াইল পৌরসভার নতুন ভবনসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মিত হয়েছে। জেলার পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে প্রায় আড়াইশ’ কোটি টাকা বরাদ্দ অনুমোদন হয়েছে। নড়াইলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও লোহাগড়ায় ইকোনমিক জোন স্থাপনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    নড়াইল পৌর আওয়ামী লীগের নেতা ও সমাজ সেবক বাবুলাল ভট্রাচার্য বলেন,‘ মাশরাফি একজন মানবিক এমপি। তাঁর হাতের স্পর্শে নড়াইল নতুন নড়াইলে পরিণত হয়েছে। তাঁর হাত দিয়ে নড়াইলে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এ জেলা আরো সুন্দর হবে, সারা দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠতা অর্জন করবে। আমরা তাকে (মাশরাফি) আরো অনেক বড় জায়গায় দেখতে চাই।’
    লোহাগড়ার মেডিক্যাল ছাত্র ফাহিম শাহরিয়ার খান বলেন,‘দলমতের উর্দ্ধে তরুণ প্রজন্মের অভিভাবক হচ্ছেন মাশরাফি। আমরা নতুন প্রজন্ম বিশেষ করে নতুন ভোটাররা স্বত:স্ফূর্তভাবে তাকে ভোট দিয়েছি। মাদকমুক্ত পরিবেশে নতুন প্রজন্মকে কীভাবে মানুষের মতো মানুষ হিসাবে গড়ে তোলা যায় এটাই ভাইয়ার ভাবনা। তাঁর হাত ধরে নড়াইল হবে প্রজন্মের শ্রেষ্ঠ বাসস্থান। যে কারণে আমরা নতুন প্রজন্ম তাকে (মাশরাফি) অনেক বড় জায়গায় দেখতে চাই। যাতে তিনি নড়াইলের জন্য আরো বেশি কিছু করতে পারেন।’
    এদিকে, দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় নড়াইলবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। বিপুল ভোটে জয়লাভের পর বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,‘বিগত নির্বাচনে নড়াইলের লোকজন আমাকে যেভাবে গ্রহণ করেছিলেন, এবারও সেভাবে গ্রহণ করেছেন বলে আমি মনে করি। নড়াইলের জন্য আমার অনেক প্লান আছে। আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে, সুস্থ্য রাখলে সেগুলি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের চেষ্টা করবো।বিগত দিনগুলিতে যেভাবে এলাকার মানুষের পাশে ছিলাম,আগামিতেও সেভাবে থাকার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।’
    দলীয় নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময়কালে মাশরাফি আরও বলেন,‘আপনাদের কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ থাকবো। আপনারা আমাকে যে ভালবাসা দিয়েছেন, তা কোনদিন শোধ করার মতো নয়। ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়ে মাশরাফি বলেন,”আমি আপনাদেরই সন্তান।”
    উল্লেখ্য, জেলার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-২ আসনে নৌকা প্রতীকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ক্রিকেট তারকা মাশরাফি বিন মুর্তজা ১ লাখ ৮৯ হাজার ১০২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী শেখ হাফিজুর রহমান হাতুড়ী প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৪১ ভোট।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি
    নড়াইল থেকে।

  • মুন্সীগঞ্জে কচুশাক নিয়ে দুই পক্ষের মারামারিতে উভয় পক্ষের ১৮ জন আহত, রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা

    মুন্সীগঞ্জে কচুশাক নিয়ে দুই পক্ষের মারামারিতে উভয় পক্ষের ১৮ জন আহত, রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জে কচুর শাক নিয়ে দুই পক্ষের মারামারিকে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে একটি পক্ষ এমন অভিযোগ উঠেছে। ৭ জানুয়ারী সন্ধ্যা ৭ কচু শাক নিয়ে বিরোধ হয়। পরদিন ৮ জানুয়ারী সোমবার সকাল ৭ টার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলার চরমুক্তারপুরে। সেই ঘটনাটিকে রাজনৈতিক ভাবে ফায়দা লোটার চেষ্টা চালিয়ে এলাকাটিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে একটি পক্ষ। সেখানে শিশুদের কচু শাক ছিড়াকে কেন্দ্র করে শাকিল ও আহসানউল্লাহ পক্ষ মারামারিতে লিপ্ত হয়। এতে আহসানউল্লাহ গ্রুপের আহসান উল্লাহ (৫০), তার স্ত্রী জিয়াসমিন (৪৫),ছেলে সাকিব (২৫) ছাড়াও আহত হয়েছর পিংকি (২৫),গোলেনুর (৬০),জান্নাত (৩), আমানউল্লাহ (৬০),ইসমাইল (২৮),নিহাত (২৪),নিশাত (২০)। আহতদের মধ্য আহসানউল্লাহ ও তার স্ত্রী জিয়াসমিন বেগমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তিকরা হয়েছে। এছাড়াও শাকিল পক্ষে আহত হয় শাকিল (২৭),রিয়া (২৫),ইকরাম (১৪),ইমু (১৭),শামিম (৩২),হোসনেয়ারা (৪০),নুরবানু (৫৫। তবে ঘটনাটিকে রাজনৈতিক ভাবে ফায়দা লোটার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
    সরেজমিনে ঘুরে জানাগেছে, শাকিল ও আহসানউল্লাহ দুই পক্ষই নৌকার সর্মথন করেন। তবে তুচ্ছ কচুর শাক নিয়ে মারামারি পরপরই বিষয়টিকে নির্বাচনে জয়ী স্বতন্ত্র কাঁচি ও পরাজিত নৌকা সর্মথক টেনে এনে এলাকার পরিস্থিতি ঘোলাটে করা চেষ্টা চালাচ্ছে শাকিল পক্ষ। তারা নিজেদের স্বতন্ত্র কাঁচি প্রতীকের সর্মথক বলে দাবী করে। তবে স্থানীরা বলছেন দুই পক্ষই নৌকার সর্মথক। মারামারি পরে তারা দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে।

    স্থানীয়রা জানান, কচুর শাক নিয়ে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। তবে দুই পক্ষই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার সর্মথক ছিলেন। তবে মারামারি বিষয়টিকে রাজনৈতিক ভাবে নির্বাচনে জয়ী স্বতন্ত্র ও পরাজীত নৌকাকে টেনে এনে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা চালাচ্ছে একটি পক্ষ। এতে করে চরমুক্তারপুর এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে বলেও তারা জানান। ইতুমধ্যে আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন র‍্যাব একটি টিম।

    মারামারিতে আহত আহসানউল্লাহ বলেন,শিশুরা কচুর শাক ছিড়ে ফেলেছে সেই তুচ্ছ বিষয়টি নিয়ে শাকিল পক্ষে লোকজন আমাদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে আমাদের মারধর করে আহত করে। এসময় ভাংচুর করে লুটপাট চালায়। এখন নৌকা পরাজিত হওয়ায় বিষয়টিকে রাজনৈতিক ভাবে ফায়দা লোটার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    তবে কচুর শাক নিয়ে মারামারি বিষয়টি অস্বীকার করে নিজেদের জয়ী স্বতন্ত্র কাঁচি প্রতীকের সর্মথক দাবী করে শাকিল বলেন,আমরা কাঁচির সর্মথন করায় আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে আহসানউল্লাহ লোকজন। এসময় আমাদের বসতঘরে ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।

    এবিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আমিনুল ইসলাম জানান, চরমুক্তারপুরের ঘটনায় তদন্তের জন্য আজ মঙ্গলবার বিকালে ফোর্স পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরাকে ফুলেল উষ্ণ সংবর্ধনায় মহালছড়ি আঃলীগ

    কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরাকে ফুলেল উষ্ণ সংবর্ধনায় মহালছড়ি আঃলীগ

    রিপন ওঝা, মহালছড়ি।।

    খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ২৯৮নং আসনে ৩য় বারের মতো সদ্য নির্বাচিত সাংসদ জনপ্রিয় জননেতা খাগড়াছড়ি জেলার উন্নয়নের কারিগর কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরাকে মহালছড়ি উপজেলাবাসীর পক্ষ থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী কর্তৃক উষ্ণ ফুলেল সংবর্ধনা দেয়া হয়।

    উক্ত সংবর্ধনার বিশেষ মুহুর্তে মহালছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি রতন কুমার শীল ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে সহসভাপতি চিন্তাহরণ শর্মা, সহসভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন(আনু), সাংগঠনিক সম্পাদক দীপন ধর, দপ্তর সম্পাদক অলক সেন, মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহানারা বেগম, সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ লাল মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুস ছালাম, মুবাছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি অংসাথোয়াই মারমা, ক্যায়াংঘাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মাহেন্দ্র চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফি আলম, মাইসছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ গিয়াস উদ্দিন লিডার ও সাধারণ সম্পাদক চাম্পা মারমা, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ সভাপতি কাজল দাশ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল হক মাসুদ, কৃষকলীগ সভাপতি মোঃ ফরিদ ও সাধারণ সম্পাদক রিপন ওঝা, শ্রমিকলীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারাধন বণিক, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রনজিৎ দাশ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মেহেদী হাসান রাজীব, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ সভাপতি বাবলু চৌধুরী, মহালছড়ি সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক অনন শীল ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাসিবুল হাসান শান্তসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

    আগামী ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে সংসদ ভবনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার কারিগর কৃষকরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল সাংসদ নিয়ে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
    ইতিমধ্যে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশ্যে খাগড়াছড়ি জেলা ছেড়েছেন খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ২৯৮নং আসনে ৩য় বারের মতো সদ্য নির্বাচিত সাংসদ জনপ্রিয় জননেতা খাগড়াছড়ি জেলার উন্নয়নের রুপকার কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা।

  • লক্ষ্মীপুরের ৪টি আসনে জামানত হারালেন যে ২৪ জন প্রার্থী

    লক্ষ্মীপুরের ৪টি আসনে জামানত হারালেন যে ২৪ জন প্রার্থী

    নাজিম উদ্দিন রানাঃ লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে লক্ষ্মীপুরের ৪টি আসনে জামানত হারিয়েছেন যে ২৪জন প্রার্থী। জেলায় এ নির্বাচনে ৩১জন প্রার্থী প্রতিদ্ধন্ধিতা করেন। এরমধ্যে লক্ষ্মীপুর-১ আসনে ৬জন প্রার্থীর মধ্যে ৪জন, লক্ষ্মীপুর-২ আসনে ১৩জন প্রার্থীর মধ্যে ১২জন, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে ৬জন প্রার্থীর মধ্যে ৪জন এবং লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে ৬জন প্রার্থীর মধ্যে ৪জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।

    নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, নির্বাচনে কোনো আসনে প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট কোনো প্রার্থী যদি না পান, তাহলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

    লক্ষ্মীপুর রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ঘোষিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন খান পেয়েছেন ৪০হাজার ৯৪ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ধন্ধি বাংলাদেশ যুব লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য (স্বতন্ত্র) হাবিবুর রহমান পবন পেয়েছেন ১৮হাজার ১৫৬ ভোট।
    এ আসনে জামানত হারিয়েছেন এমএ গোফরান (স্বতন্ত্র) ৩৪০ভোট, নিয়াজ মাখদুম ফারুকী (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট) ৪১০ভোট, মোশারফ হোসেন (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি) ২৭৬ ভোট এবং মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান মাহমুদ (জাতীয় পার্টি) ৭৬৭ভোট পেয়েছেন।

    লক্ষ্মীপুর-২ আসনে নৌকা মার্কায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন ১ লাখ ৩০ হাজার ২১১ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। এ আসনেই তার স্ত্রী লুবনা পেয়েছেন ৩৪৫ ভোট। নয়নের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের সেলিনা ইসলাম জামানত হারিয়েছেন। তিনি ৯ হাজার ২৮ ভোট পেয়েছেন। অন্য ১০ প্রার্থীর মধ্যে তৃণমূল বিএনপির আবদুল্লাহ আল মাসুদ ৩২০ ভোট, ট্রাক প্রতীকের এএফ জসিম উদ্দিন আহমেদ ৯০৩ ভোট, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির জহির হোসেন ৩৫২ ভোট, জাতীয় পার্টির বোরহান উদ্দিন আহমেদ মিঠু ২ হাজার ৩৮৬ ভোট, মশাল প্রতীকের আমির হোসেন ২৩৯ ভোট, ছড়ি প্রতীকের ইমাম উদ্দিন সুমন ৭১ ভোট, হাতঘড়ি প্রতীকের ফরহাদ মিয়া ৩২৮ ভোট, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মনসুর রহমান দাদন গাজী ৮৮ ভোট, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মোরশেদ আলম ৫৪৫ ভোট ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের শরীফুল ইসলাম ৬০১ ভোট পেয়েছেন। এর মধ্যে ভোটের একদিন আগে বাংলাদেশ কংগ্রেসের মনসুর ও ছড়ি প্রতীকের সুমন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। লুবনাসহ এ আসনে ১২ প্রার্থীই জামানত হারিয়েছেন।

    লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে নৌকা প্রতীকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ গোলাম ফারুক ৫২হাজার ২৯৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ধিন্ধি মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি (স্বতন্ত্র) এম এ সাত্তার পেয়েছেন ৩৫হাজার ৬২৮ভোট।
    এ আসনে জামানত হারিয়েছে মুহাম্মদ রাকিব হোসেন (জাতীয় পার্টি) ৪৭৩ভোট, মোহাম্মদ আব্দুর রহিম (বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি) ৩৮২ ভোট, মোহাম্মদ নাঈম হাসান (তৃণমূল বিএনপি) ২৮৯ভোট, মোহাম্মদ মাহবুবুল করিম টিপু (বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি) ১১৫ভোট। এ আসনে ভোটের একদিন আগে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ রাকিব হোসেন।

    লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঈগল প্রতীকে নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ ৪৬ হাজার ৩৭২ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এ আসনে ভোট করে তার স্ত্রী মাহমুদা বেগম ৩৫৫ ভোট পেয়েছেন। আবদুল্লাহর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ ইনু) সহসভাপতি মোশারফ হোসেন পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৮১০ ভোট। আসনটির অন্য ৩ প্রার্থীর মধ্যে ট্রাক প্রতীকের ইস্কান্দার মির্জা শামীম ৭ হাজার ৪৭৪ ভোট, রকেট প্রতীকের আবদুস সাত্তার পালোয়ান ৬৪৯ ভোট, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মোহাম্মাদ ছোলায়মান ৩২০ ভোট পেয়েছেন। মাহমুদাসহ এ আসনে ৪ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।

    জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শফিকুর রহমান বলেন, বিধি অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট কম পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। যারা কম ভোট পেয়েছেন তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত।

    রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান বলেন, জামানত বাজেয়াপ্ত নিয়ে এখনো কাজ শুরু করিনি। তবে যারা পর্যাপ্ত ভোট পাননি, নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

  • আসাদুজ্জামান নূর, ফেরদৌস পরলেও পারেনি  গায়িকা মমতাজ বেগম, নায়িকা মাহিয়া মাহি

    আসাদুজ্জামান নূর, ফেরদৌস পরলেও পারেনি গায়িকা মমতাজ বেগম, নায়িকা মাহিয়া মাহি

    মোঃ হায়দার আলী রাজশাহী থেকেঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের আগ্রহের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চোখ ছিল তারকাপ্রার্থীদের দিকে। আওয়ামী লীগের হয়ে এবার নির্বাচনে অংশ নেন শোবিজের বেশ ক’জন তারকা। এই তালিকায় আছেন- সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও গুণী অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর, গায়িকা মমতাজ বেগম ও চিত্রনায়ক ফেরদৌস। আর ঢাকাই সিনেমার নায়িকা মাহিয়া মাহি অংশ নেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে। কণ্ঠশিল্পী ডলি সায়ন্তনীও মাঠে ছিলেন নতুন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম)-এর হয়ে। আর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের হয়ে অংশ নেন নকুল কুমার বিশ্বাস।

    এর মধ্যে ফল ঘোষণার আগেই অনিয়মের অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন ডলি সায়ন্তনী। বরিশাল-২ আসন থেকে শিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাস নির্বাচনে অংশ নিলেও এই এলাকার জনগণ নির্বাচিত করেন বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননকে। নৌকা প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া মেনন ১ লাখ ২৪ হাজার ৫৭৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

    তারকাদের মধ্যে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে বিজয়ী হয়েছেন আসাদুজ্জামান নূর ও ফেরদৌস আহমেদ। নীলফামারী-২ থেকে আসাদুজ্জামান নূর পেয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৩৩৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বীর জয়নাল আবেদীন ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ১৫ হাজার ৬৮৪ ভোট। এই আসনে ১ লাখের বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন ‘বাকের ভাই’খ্যাত এই অভিনেতা। এ নিয়ে টানা পঞ্চমবার নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

    এদিকে, প্রথমবারের মতো নির্বাচনে পা রেখেই জয় লাভ করলেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস। ঢাকা-১০ আসন থেকে এই অভিনেতা নৌকা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৮৯৮। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী শামসুল আলম আম প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ২৫৭ ভোট।

    তবে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়েও ভোটযুদ্ধে এবার হেরে গেলেন ফোক গানের শিল্পী মমতাজ বেগম। মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে টানা দুইবার নির্বাচিত হলেও এবার ‘হ্যাট্রিক’র সুযোগ হারালেন এই শিল্পী-নেত্রী। এই আসনে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহিদ আহমেদ টুলু। তিনি পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৫২৫ ভোট। আর ভোটযুদ্ধের এই লড়াইয়ে মমতাজ পেয়েছেন ৭৮ হাজার ২৬৯ ভোট।

    অন্যদিকে, প্রচার-প্রচারণায় চমক দেখালেও ভোটযুদ্ধে হেরে গেছেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। রাজশাহী-১ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া এই নায়িকা পেয়েছেন মাত্র ৯ হাজার ৯টি ভোট। তার আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওমর ফারুক চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৫৯২ ভোট। একই আসনে থাকা আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম রব্বানী পেয়েছেন ৯২ হাজার ৪১৯ ভোট।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।