Blog

  • নড়াইলে অবৈধ মোবাইল সিম, ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্র্যানার, বায়োমেট্রিক যন্ত্র সহ দুই প্রতারককে গ্রেফতার

    নড়াইলে অবৈধ মোবাইল সিম, ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্র্যানার, বায়োমেট্রিক যন্ত্র সহ দুই প্রতারককে গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি//

    নড়াইলে অবৈধ মোবাইল সিম, ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্র্যানার, বায়োমেট্রিক যন্ত্র সহ দুই প্রতারককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বৃহম্পতিবার (১১ জানুয়ারী) দুপুরে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।
    পুলিশ জানায়, নড়াইল সদরের ভওয়াখালী গ্রামের তৈয়ব আলী নামের একজন অনলাইনে একটি ক্যামেরা কিনতে ‘DSLR Camera Bazar Store’কে ৫ হাজার টাকা এবং পরবর্তীতে আরো ২০ হাজার টাকা প্রদান করে প্রতারিত হন। এ ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে কালিয়া উপজেলার যাদবপুর গ্রাম থেকে অবৈধ সিম বিক্রি অবস্থায় সবুজ শেখ নামে একজনকে গ্রেফতার করে।

    ১০ জানুয়ারী খুলনার পশ্চিম রূপসা ঘাট এলাকা থেকে মাহফুজুর রহমান নামে আরো একজনকে গ্রেফতার করে। এদের কাছ থেকে ১২৬টি অবৈধ মোবাইল সিম, ২টি ফিঙ্গার প্রিন্ট স্ক্যানার, ২টি বায়োমিট্রিক সিম নিবন্ধন ট্যাব, ৩টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।
    পুলিশ সুপার মোহা.মেহেদী হাসান বলেন, প্রায় ৩০ টি অনলাইন পেজ থেকে এসব প্রতারকরা প্রতারনা করে আসছে। এদের অধিকাংশের হোতা কালিয়া উপজেলার কয়েকটি গ্রামে। অভিযোগ পেলে পুলিশ এসব প্রতারকদের ধরে আইনের হাতে সোপর্দ করবে। গ্রাহকদের ভেরিফাইড পেজে অনলাইন কেনাকাটার আহবান করেন তিনি।

    প্রেস ব্রিফিং উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন, অতিঃপুলিশ সুপার ক্রাইম এন্ড অপস তারেক আল মেহেদী, ডিবির ওসি মোঃ সাব্বিরুল ইসলাম, সদর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম সহ অন্যরা।

  • জালাল উদ্দিন সাগরের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের সাইবার ট্রাইব্যুনাল ও সিএমএম আদালতে মামলা

    জালাল উদ্দিন সাগরের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের সাইবার ট্রাইব্যুনাল ও সিএমএম আদালতে মামলা

    শহিদুল ইসলাম,
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    বিতর্কিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল ক্লিকনিউজবিডির সম্পাদক জালাল উদ্দিন সাগরের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনাল ও সিএমএম আদালতে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মো: জাবেদ আবছার চৌধুরী। আদালত মামলাটি (নং-১০/২০২৪,চট্টগ্রাম) আমলে নিয়ে যথাক্রমে ডিআইজি এন্টিটেরোরিজম ইউনিট ও পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
    সাইবার ট্রাইব্যুনালে গত বুধবার ৩ জানুয়ারি দায়েরকৃত মামলায় বলা হয়েছে, বাদী জাবেদ আবছার চৌধুরী একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী এবং সভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। তিনি এনএসি অটোমোবাইলস এর এমডি। এছাড়াও তিনি মা ও শিশু হাসপাতাল,ডায়াবেটিক হাসপাতালসহ বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যানমূলক সংগঠনের সাথে জড়িত। তিনি ২০২১-২০২৪ সালের মা ও শিশু হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের নির্বাচনে ১০ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। পরবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে বিবাদি পক্ষ বাদির সুনাম ক্ষুন্ন করতে ক্লিকনিউজবিডিতে ‘এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি বাণিজ্য লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন জাবেদ আবছার’ শিরোনামে তার বিরুদ্ধে ভূয়া,বানোয়াট, মিথ্যা, মনগড়া, মানহানিকর ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করেছে। এ নিউজ সামাজিক যোগাযোগ
    মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বাদি সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হন। নিউজের সব তথ্যই ভূয়া, মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। নিউজটি আসামি জালাল উদ্দিন সাগর তার আইডিতে শেয়ার করেন। অদ্যাবধি নিউজটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিদ্যমান আছে। এটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বাদির দীর্ঘদিনে গড়ে তোলা ক্যারিয়ার হুমকির সম্মুখীন হয়।
    আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জহিরুল কবির বাদির অভিযোগ আমলে নিয়ে আগামি ২৭ মার্চের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
    অপরদিকে এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল দেব এর আদালতে প্রায় একই ধরনের অভিযোগে একটি মানহানির মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ১৩ মার্চের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট দেয়ার জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন।
    এর আগে ২৬ ডিসেম্বর নগরীর ডবলমুরিং থানা ও সিআইডিতে পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করেন।
    জানা যায়, জালাল উদ্দিন সাগরের বিরুদ্ধে একাধিক চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে। তার স্ত্রী পুলিশ কর্মকর্তা হওয়ার সুবাদে তিনি নানা অপকর্ম করে পার পেয়ে যাচ্ছেন।
    ২০১৪ সালে সাগর ও তার স্ত্রী মাহবুব মোরশেদ নামে এক ব্যবসায়ী ও তার তিন সন্তানকে চান্দগাঁও থানায় ২দিন আটকে রাখেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এনিয়ে ওই ব্যবসায়ী আদালতে মামলা করেছিলেন। ঘটনাটি সেসময় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।

  • বরগুনার নলটোনায় এনসিটিএফ সদস্যদের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    বরগুনার নলটোনায় এনসিটিএফ সদস্যদের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    খাইরুল ইসলাম মুন্না

    বরগুনা সদর উপজেলার অন্তর্গত দুর্যোগ কবলিত নলটোনা ইউনিয়নে ন্যাশনাল চিলড্রেন’স টাস্ক ফোর্স (এনসিটিএফ) এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত। বৃহস্পতিবার গর্জনবুনিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে এ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    নলটোনা এনসিটিএফ এর সভাপতি সাইফুন্নাহার ফিহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন গর্জনবুনিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আবুল বাসার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গর্জনবুনিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ও জাকিরুন্নেছা এবং সিবিডিপির নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন মিরাজ।
    নলটোনা এনসিটিএফ এর সাধারণ সভায় কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। ১১ সদস্যের নির্বাহী কমিটি নি¤œরূপ: সভাপতি সাইফুন্নাহার ফিহা, সহ-সভাপতি মোঃ সাকিব ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সিফাত হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মন্দিরা, সাংগঠনিক সম্পাদক মোসাঃ নাসরিন, শিশু সাংবাদিক (মেয়ে) নুসরাত জাহান সেফা, শিশু সাংবাদিক (ছেলে) মোঃ সাকিব চৌধুরী, শিশু গবেষক (মেয়ে) মোসাঃ কেয়া, শিশু গবেষক (ছেলে) মোঃ রাকিবুল হোসাইন, শিশু সাংসদ (মেয়ে) ইসরাত জাহান লামিয়া, শিশু সাংসদ (ছেলে) মোঃ আমিনুল এহসান মাহির। নির্বাচন পর্বটি পরিচালনা করেন ওয়াই-মুভ্স প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা মো: আবু ইউসুফ সাঈদ।
    এনসিটিএফ এর বার্ষিক সাধারণ সভায় নতুন কমিটি গঠন, বিগত বছরের কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং পরবর্তী বছরের জন্য নতুন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়।
    সিবিডিপি, ২০২০ সাল থেকে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় ওয়াই-মুভ্স প্রকল্পের মাধ্যমে বরগুনার ৬টি উপজেলা এবং দুর্যোগ কবলিত নলটোনা ইউনিয়নে এনসিটিএফ সদস্যদের নিয়ে কাজ করে আসছে।

  • লক্ষ্মীপুরে ভাসমান জেলেদের মাঝে জেলা প্রশাসকের  শীতবস্ত্র উপহার

    লক্ষ্মীপুরে ভাসমান জেলেদের মাঝে জেলা প্রশাসকের শীতবস্ত্র উপহার

    নাজিম উদ্দিন রানা: লক্ষ্মীপুরে কয়েকদিন ধরে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। এ শীতের মধ্যেই খুব কষ্টে দিন কাটাতে হচ্ছে ভাসমান জেলেদের (মানতা সম্প্রদায়)। খবর পেয়ে কম্বল নিয়ে মেঘনা নদীর পাড়ে ছুটে যান লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান। সেখানে প্রায় ২০০ পরিবারকে দেওয়া হয় জেলা প্রশাসকের উপহার হিসেবে কম্বল।

    বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে সদর উপজেলার মজুচৌধুরীর হাট মেঘনারপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন প্রাঙ্গণে জেলেদের হাতে এ কম্বলগুলো তুলে দেন তিনি।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক সাজিয়া পারভিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আক্তার হোসেন শাহিন,সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুর রহমান,চররমনী মোহন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু ইউছুফ ছৈয়াল।

    জেলেদের সর্দার সোহরাব মাঝি বলেন,আমাদের এখানে ২২০ টি পরিবার রয়েছে। এরমধ্যে কয়েকটি পরিবার ডাঙায় থাকেন। এছাড়া ২৫ টি পরিবারকে সরকার ঘর দিয়েছে৷ ১৮০ টি পরিবার নৌকাতেই বসবাস করে। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তাদের সবই নৌকাতেই সংঘটিত হয়।ডিসি স্যার আমাদের সবগুলো পরিবারকে কম্বল দিয়েছে।আমরা সবাই খুব খুশি হয়েছি।

  • রাজশাহীর নেতা কর্মীরা হতাশ।  মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি কেউ

    রাজশাহীর নেতা কর্মীরা হতাশ। মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি কেউ

    মোঃ হায়দার আলী রাজশাহীঃ নতুন মন্ত্রিসভায় ৩৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর নাম ঘোষণা হলেও এবার মন্ত্রিপরিষদে ঠাঁই হয়নি রাজশাহীর কোনো সংসদ সদস্যের। এমনকি দেশের উত্তরাঞ্চলের ১৩ জেলার কেউ মন্ত্রিপরিষদে জায়গা পাননি।

    ফলে এ অঞ্চলের দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৫ বছরের শাসনামলে রাজশাহীতে কাউকে পূর্ণ মন্ত্রী করা হয়নি। এবারও তার পুনরাবৃত্তি হলো।

    আওয়ামী লীগ সরকারের ১৯৯৬ থেকে ২০০১ মেয়াদেও রাজশাহী থেকে কাউকে পূর্ণ মন্ত্রিত্ব দেওয়া হয়নি। ২০১৪ সালে রাজশাহী-৬ আসন থেকে একজনকে প্রতিমন্ত্রী করা হলেও রাজশাহীর সামগ্রিক উন্নয়নে তার কোনো ভূমিকাও ছিল না। উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ বলছেন— দেশের অবহেলিত উত্তরাঞ্চলকে সব সময় বিভিন্নভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। এবারেও তার ব্যতিক্রম হলো না।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহীর কৃতী সন্তান জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান প্রবাসী সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকারের শিল্পমন্ত্রী ছিলেন ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারাভ্যন্তরে নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত। পরে ১৯৭৯ সালে রাজশাহী থেকে জিয়া সরকারের প্রতিমন্ত্রী হন প্রয়াত এমরান আলী সরকার। এরশাদ সরকারের আমলে রাজশাহীতে সরদার আমজাদ হোসেন দুই দফায় পূর্ণ মন্ত্রী ও মেসবাহউদ্দিন বাবলু এবং নুরুন্নবী চাঁদ প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন। ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারে রাজশাহী থেকে পূর্ণ মন্ত্রী হন ব্যারিস্টার আমিনুল হক আইন প্রতিমন্ত্রী, পরবর্তীতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী হন। প্রতিমন্ত্রী হন প্রয়াত কবীর হোসেন। একুশ বছর পর ১৯৯৬ সালের জুনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে রাজশাহী থেকে অধ্যাপিকা জিনাতুন নেসা তালুকদারকে প্রতিমন্ত্রী করা হয় টেকনোক্র্যাট কোটায়।

    এদিকে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় এলে রাজশাহী থেকে ওমর ফারুক চৌধুরীকে শিল্প প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছিল কয়েক মাসের জন্য। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে রাজশাহী থেকে শাহরিয়ার আলম দুই দফায় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে এবার বাদ পড়েছেন। এবারের নির্বাচনে রাজশাহীর ৬টি আসনের মধ্যে ৫টিতে নৌকার প্রার্থীরা বিজয়ী হলেও কেউ মন্ত্রিপরিষদে ঠাঁই পাননি বলে ঘোষিত তালিকায় দেখা গেছে। দিনাজপুর ও নওগাঁ থেকে একজন করে পূর্ণ মন্ত্রী হয়েছেন এবারের মন্ত্রিপরিষদে। যদিও তারা আগেও মন্ত্রী ছিলেন বিভিন্ন সময়ে। এ ছাড়া নাটোর থেকে একজনকে করা হয়েছে প্রতিমন্ত্রী।

    অন্যদিকে সদ্য গত সরকারের আমলে উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড় থেকে নুরুল ইসলাম সুজন রেলমন্ত্রী থাকলেও এবার তিনিও বাদ পড়েছেন। একই সঙ্গে বাদ পড়েছেন গত সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী রংপুরের টিপু মুন্সিও। এবার বৃহত্তর রংপুর থেকে নির্বাচিত কাউকে মন্ত্রিপরিষদে রাখা হয়নি। যদিও গত সরকারে বৃহত্তর রংপুর থেকে দুজন পূর্ণ মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন মন্ত্রিপরিষদে।

    বৃহত্তর পাবনা জেলা থেকেও কেউ এবার মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাননি। ২০১৪ সালে পাবনার সামশুল হক টুকু স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

    এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের কোনো আমলেই বগুড়া থেকে কাউকে মন্ত্রী করা হয়নি। এবারও তার কোনো ব্যতিক্রম ঘটেনি। এবার উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর-৪ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আবুল হাসান মাহমুদ আলী পূর্ণ মন্ত্রী ও দিনাজপুর-২ আসনের খালিদ মাহমুদ চৌধুরী প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিপরিষদে জায়গা পেয়েছেন। আবুল হাসান মাহমুদ আলী ২০০৮ থেকে ২০১৪ মেয়াদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। অন্যদিকে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সদ্য গত সরকারেও নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

    এদিকে বৃহত্তর রাজশাহীর মধ্যে নওগাঁ-১ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাধন চন্দ্র মজুমদার এবারও পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিপরিষদে জায়গা পেয়েছেন। ২০১৮ সালে তিনি খাদ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। অন্যদিকে নাটোর-৩ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য জুনাইদ আহমেদ পলক এবারও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে থাকছেন মন্ত্রিপরিষদে। ২০০৮ মেয়াদে পাবনার ইশ্বরদী থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শরীফ পূর্ণ মন্ত্রী থাকলেও এবার পাবনার কেউ মন্ত্রিপরিষদে জায়গা পাননি। উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জ জেলা থেকেও কেউ এবার মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাননি। যদিও ২০০৮ সালে এই জেলা থেকে একজনকে পূর্ণ মন্ত্রী করা হয়েছিল। এবার হতাশা আছে সেখানকার মানুষের মাঝেও।

    এদিকে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) রাজশাহী বিভাগীয় সভাপতি আহমদ সফি উদ্দিন বলেন, বরাবরই অবহেলিত রাজশাহীসহ দেশের উত্তরাঞ্চল। সাবেক রাজশাহী বিভাগের ১৬ জেলায় আনুপাতিক হিসাবে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হয়নি অতীতেও। অথচ দেশের মোট জনসংখ্যার ৪ কোটি ৯৬ লাখ মানুষের বসবাস এই অঞ্চলে, যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৩০ ভাগের কাছাকাছি। অনেক দিন ধরে উন্নয়ন পরিকল্পনাতেও দেশের উত্তরাঞ্চলকে বাদ রাখা হয় বিভিন্ন উপায়ে। এবার রাজশাহী থেকেও কাউকে মন্ত্রী করা হয়নি। ফলে আগামীতে সমতাভিত্তিক ও অগ্রাধিকারমূলক উন্নয়নের আশাও করা যায় না। রাজশাহী থেকে একজন মন্ত্রী থাকলে হয়তো সেটা সম্ভব হতো।

    তবে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল বলেন, গত দুই সরকারের আমলে রাজশাহী থেকে একজন প্রতিমন্ত্রী একটানা ১০ বছর দায়িত্ব পালন করলেও তিনি নিজের নির্বাচনি এলাকার বাইরে একদিনের জন্যও পা রাখেননি। ফলে রাজশাহীর মানুষের কোনো লাভ হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার রাজশাহীতে প্রভূত উন্নয়ন করেছেন। আশা করি মন্ত্রী না থাকলেও আঞ্চলিক উন্নয়নে কোনো সমস্যা হবে না।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,

  • উজিরপুরে বেপরোয়া গতির ট্রলির চাপায় ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রী নি*হত

    উজিরপুরে বেপরোয়া গতির ট্রলির চাপায় ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রী নি*হত

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বরাকোঠা ইউনিয়নের সাকরাল গ্রামে বেপরোয়া গতির ইটভর্তি ট্রলির চাপায় ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রী নিহত হয়েছে।

    স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, ১১ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার দুপুর ২.৪০ টায় আব্দুল মজিদ বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয় সোহরাব হাওলাদারের কন্যা ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রী নুসরাত আক্তার (১২)। সাকরাল গ্রামের কালু হাওলাদার এর বাড়ির সামনের রাস্তা পর্যন্ত আসলে তাকে (নুসরাত) বেপরোয়া গতির ইট বোঝাই ট্রলিতে চাপা দেয়, ঘটনাস্থলেই নুসরাত মারা যায় এরং ট্রলি চালক কালাম হাওলাদার(৩৫) ঘাতক ট্রলিটি ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। এসময় স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে ট্রলিতে আগুন লাগিয়ে দেয়। আগুনের খবর শুনে উজিরপুর ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাফর আহমেদ জানান ঘাতক ট্রলিটি আটক করা হয়েছে। চালককে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। নুসরাতের এই অকাল মৃত্যুতে পুরো এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ।

  • শার্শায় শুরু হয়েছে বোরো আবাদ, এবছর খরচ পড়ছে বেশী

    শার্শায় শুরু হয়েছে বোরো আবাদ, এবছর খরচ পড়ছে বেশী

    আজিজুল ইসলাম : জানুয়ারী মাসের প্রথম থেকেই শার্শা উপজেলার কিছু কিছু অঞ্চলে বোরো ধান রোপন শুরু হয়েছে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর জমি লিজ নেয়া, আগাছা পরিস্কার, লাঙ্গল ও রোপন খরচ বেশী পড়ছে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন । তার ওপর সারের দাম দিন দিন যে হারে বাড়ছে তাতে কৃষকেরা বোরো খরচে হিমশিম খাবেন বলে আশঙ্কা রয়েছে।

    উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছেন চলতি বছর শার্শায় ২৩ হাজার ৩শ’ ৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ মাত্রা ধার্য্য করা হয়েছে। পরিবেশ অনুকুলে থাকলে লক্ষ্য মাত্রা পুরণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শার্শা সীমান্তবর্তী আলোচিত ঠেঙামারী বিলেও বোরা রোপন চলছে। তবে জলাবদ্ধতার কারনে তলার জমিতে ধান রোপন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। রুদ্রপুর গ্রামের কৃষক লিয়াকত আলী দেড় বিঘা জমিতে ধান রোপন করেছেন। এখনো আড়াই বিঘা জমিতে ধান রোপন করবেন। জমিতে পানি জমে থাকার কারনে ধান রোপনে বিলম্ব ঘটছে। তিনি জানিয়েছেন, ৯ হাজার টাকা বিঘা দরে তিনি জমি লিজ নিয়েছেন। ১ বিঘা জমির আগাছা পরিস্কার করতে খরচ হয়েছে ৩ হাজার টাকা, লাঙ্গল খরচ ১ হাজার, রোয়া খরচ ১২ শ” ও প্রথম বার সার খরচ ১ হাজার,পানি খরচ ৩ হাজার টাকা সহ ১৮ হাজার দুশো টাকা খরচ হয়ে গেছে। এখনও সার কীটনাশক ও ধান কাটা, ঝাড়া ও গোছানো খরচতো বাকী রয়েছে। সব মিলিয়ে ১ বিঘা জমির ফসল ঘরে তুলতে ২৫ থেকে ২৭ হাজার টাকা খরচ পড়বে বলে তিনি জানিয়েছেন ।

    অন্যদিকে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানিয়েছেন, কারেন্ট পোকা দমনে এবছর সকল চাষীদের সুতো টাঙিয়ে লাইনে ধান রোপন করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ১০ লাইন পর পর ১০ ইঞ্চি লোগো অর্থাৎ ১০ ইঞ্চি দুরত্বে লাইন করে ধান রোপন করতে বলা হয়েছে। তা না হলে পোকা দমন কার্যকর হবে না। এবছর রড সুপার ও সুবর্ণ লতা সহ বিভিন্ন জাতের উচ্চ ফলনশীল বোরোধান রোপনে চাষিদের আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

  • তানোরে বঙ্গবন্ধুর ৫২তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন

    তানোরে বঙ্গবন্ধুর ৫২তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বাঙালী জাতির জনক ও মহান স্বাধীনতার স্থপত্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫২তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন
    দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
    জানা গেছে, ১০ জানুয়ারী-২০২৪ বুধবার উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এবং উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা পৌর সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষণ শেষে তানোর থানা মোড়ে পথসভার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এর আগে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও বিশেয় দোয়া করা হয়।
    এদিকে পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শরিফ খাঁন।
    অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন, সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার, তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আসলাম উদ্দিন মিঞা, মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আমির হোসেন আমিন, সম্পাদক ও কাউন্সিলর
    মোহাম্মদ হোসেন মন্টু, কলমা ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রাহিম, বাধাইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, পাঁন্দর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, কামারগাঁ ইউপি চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি ফরহাদ, কামারগাঁ ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আলী প্রামানিক, ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি লুৎফর রহমান, উপজেলা যুবলীগের সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শামসুল ইসলাম ও সম্পাদক রামিল হাসান সুইট প্রমুখ। এছাড়াও আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ উপস্থিত ছিলেন।#

  • শপথ নিলেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের নতুন এমপি শান্ত

    শপথ নিলেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের নতুন এমপি শান্ত

    ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

    শপথ গ্রহণ করেছেন ময়মনসিংহ-৪আসনের নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য তরুণ মেধাবী রাজনীতিবিধ সাবেক ছাত্রনেতা মোহিত উর রহমান শান্ত। তিনি ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। বাবা প্রয়াত আলহাজ্ব মতিউর রহমান ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, সাবেক ধর্মমন্ত্রী ছিলেন।

    বুধবার (১০ জানুয়ারি) হেভিওয়েট পার্থীর এই আসনে নতুন সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন প্রয়াত ধর্মমন্ত্রী প্রিন্সিপাল মতিউর রহমানের ছেলে মোহিত উর রহমান শান্ত।

    এর আগে ৭জানুয়ারী অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৪ আসনে মোহিত উর রহমান শান্ত নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে পরাজিত করে ১ লাখ ৪৭ হাজার ২৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এই আসনে গত একাদশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম রওশন এরশাদ ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।
    মোহিত উর রহমান শান্তর বিজয়ের মাধ্যমে প্রায় এক যুগ পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য পেয়েছেন ময়মনসিংহ সদরের বাসিন্দারা।

    বুধবার বেলা সোয়া ১০টায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত এমপিদের সঙ্গে সমস্বরে স্পিকারের সঙ্গে শপথবাক্য পাঠ করেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য মোহিত উর রহমান শান্ত । শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সংসদ সদস্যের শপথ-বাক্য পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এরপর তিনি শপথের কাগজে স্বাক্ষর করেন। পরবর্তী কার্যক্রম হিসেবে স্পিকারের সামনে শপথ ফরমে স্বাক্ষর করেন।

    শপথ বাক্য পাঠ করার পর মোহিত উর রহমান শান্ত বলেন, নৌকার বিজয় মানে আওয়ামী লীগের আদর্শিক নেতাকর্মীদের বিজয়। এই বিজয়ে উৎফুল্ল এই প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও। এই আসনেই আমার বাবা অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের বর্ণাঢ্য দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন কাটিয়েছেন। এই অঞ্চলের মানুষের সুখে-দুঃখের প্রতিটি মুহূর্তে পাশে থাকতেন তিনি। আর এ কারণেই সদরের মানুষের বুকে বড় হয়েছি আমি। বাবাকে দেখে যেহেতু বড় হয়েছি, চেষ্টা করব জনগণের ভালোবাসায় বাবার কাছাকাছি যাওয়ার। তাদের সঙ্গে জন্মের পর থেকে আমার নাড়ির সম্পর্ক। তাদের অকুণ্ঠ ভালোবাসায় এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার আশীর্বাদে আজ আমি সংসদ সদস্য। এই এলাকার মানুষগুলো আমাকে যেভাবে আগলে রেখেছেন, আমিও তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করব। এ ব্যাপারে তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগীতা প্রত্যাশা করেন।

    উল্ল্যেখ-বিগত সময়ে এই আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন যারা- ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে ময়মনসিংহ সদর আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের এ কে এম মোশাররফ হোসেন আকন্দ, ১৯৭৯ সালে বিএনপির এ কে এম ফজলুল হক, ১৯৮৬ সালে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির বেগম মমতা ওয়াহাব। ১৯৯১ সালে বিএনপির এ কে এম ফজলুল হক, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে এ কে এম ফজলুল হক, ১৯৯৬ সালের ১২ জুন নির্বাচনে জাতীয় পার্টির বেগম রওশন এরশাদ, ২০০১ সালে বিএনপির দেলোয়ার হোসেন খান দুলু এবং ২০০৮ ও ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ মনোনীত অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।

  • শপথ গ্রহণ করলেন ময়মনসিংহের নবনির্বাচিত  জাতীয়  সংসদ সদস্যরা

    শপথ গ্রহণ করলেন ময়মনসিংহের নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্যরা

    জেলা প্রতিবেদক ময়মনসিংহ,
    সদ্য অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
    ময়মনসিংহ জেলার ১০টি আসনের বিপুল ভোটে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। গৌরীপুর আসনের ১টি ভোট কেন্দ্র স্থগিত থাকার কারণে গৌরীপুর আসনের সংসদ সদস্যের শপথ গ্রহণ করানো হয়নি বলে জানা গেছে।

    বুধবার (১০ জানুয়ারি) সকাল১০টা জাতীয় সংসদ ভবনে তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের আগে নতুন সংসদ সদস্য হিসেবে প্রথমে শিরীন শারমিন নিজেই শপথ নেন। এরপর তিনি অন্যদের শপথ পাঠ করানোর মাধ্যমে শপথের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। অন্যান্য কার্যক্রম শেষে শপথ পাঠ করেন সদস্যরা।

    একই সময়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত ২৯৮ জন সংসদ সদস্য শপথ গ্রহণ করেন। শপথের পর নির্বাচিত এমপিরা স্পিকারের সামনে শপথ ফরমে স্বাক্ষর করেন। পরবর্তী কার্যক্রম হিসেবে সংসদের রেজিস্ট্রারে স্বাক্ষর করতে বলা হয়। শপথ অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ জেলার ১১টি আসন থেকে নবনির্বাচিত ময়মনসিংহ-৪ আসনের মুহিত উর রহমান শান্ত,ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট) আসনে মাহমুদুল হক সায়েম,ময়মনসিংহ-২( ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনের শরীফ আহমেদ,ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে কৃষিবিধ নজরুল ইসলাম,ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনে আবদুল মালেক সরকার,ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান, ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে মাহমুদ হাসান সুমন
    ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুস সালাম,ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল,ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ।

    শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে বলেন, মানুষ ভালোবেসে, আপনাদের প্রতি আস্থা রেখে আপনাদের নির্বাচিত করেছেন। দায়িত্ব পালনের সময় মানুষের সেই আস্থার যেন প্রতিফলন ঘটে। বর্তমান সরকার জনসেবা আর উন্নয়নকে অনেক গুরুত্ব দিয়ে আসছে। সৎ ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে মানুষের আস্থার প্রতিফলন ঘটবে।

    এমপিদের শপথের আগে প্রথম দফায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সংবিধান ও কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী এমপি হিসেবে নিজে শপথগ্রহণ করেন এবং শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এর মধ্য দিয়ে একাদশ সংসদ বিলুপ্ত এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হলো।

    এর আগে মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করে। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের তিনদিনের মধ্যে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে হয় শপথ গ্রহণের পরই তিনি কার্যভার গ্রহণ করেছেন বলে গণ্য হয়।

    উল্লেখ্য, গত ৭ জানুয়ারি রোববার সারাদেশে একযোগে ২৯৯ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ২৯৮ আসনের ফল বেসরকারিভাবে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী নির্বাচনে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যে ২৯৮ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২২২ আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠা লাভ করেছে। নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ১১ এবং ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ ও কল্যাণ পার্টি একটি করে আসনে নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২টি আসনে জয়লাভ করেছেন।