Blog

  • যশোরের গদখালীতে পৌষ মেলায় উপচে পড়া ভিড়

    যশোরের গদখালীতে পৌষ মেলায় উপচে পড়া ভিড়

    আজিজুল ইসলাম : যশোরের গদখালীর কালীমন্দিরে তিন দিনব্যাপী পৌষ মেলার
    প্রথম দিনে দেখা গেছে উপচে পড়া ভিড়। ভক্তদের আগমনে মন্দির প্রাঙ্গণে তিল
    ধারনের ঠাঁই নেই। হিন্দু সম্প্রদায়ের পূণ্যার্থীদের মধ্যে মেলাকে কেন্দ্র
    করে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। আজ বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া মেলা শনিবার
    পর্যন্ত চলবে।

    আজ ১১ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে মেলায় কথা হয় যশোর শহর থেকে
    আগত রিতিকা রানী (৫৭) সাথে। তিনি বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও মেলায়
    এসেছি। অশুভ বিনাশের জন্য মায়ের মন্দিরে আর্শিবাদ করেছি। শার্শার জামতলা
    থেকে আসা বৃদ্ধা গীতারানী বলেন, ৫০ বছর ধরে এ মেলায় আসছি। শান্তি ও সুখের
    জন্য মায়ের কাছে প্রার্থনা করেছি।

    মেলায় খুলনা থেকে আগত প্রসাধনী বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, মেলায় প্রচুর
    লোক, তবে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় বেচাকেনা তুলনামুলক ভালো হচ্ছে না।
    সাতক্ষীরার কলারোয়া থেকে আসা মিষ্টি দোকানী রনজিত কুমার বলেন, লোকজন বেশি
    হওয়ায় বিক্রিও অনেক বেশি হচ্ছে। বেচা-বিক্রিতে আমরা বেজায় খুশি।

    কেশবপুর থেকে আসা খেলনা বিক্রেতা কিষ্ট বিশ্বাস বলেন, বুধবার সন্ধ্যায়
    মেলায় এসে প্রসাধনী নিয়ে বসার জায়গা পাইনি। একদিন আগেই সব জায়গা দখল হয়ে
    গেছে।

    স্থানীয় প্রবীণেরা জানান, ১৪৬২ খ্রিষ্টাব্দের দিকে এ কালী মন্দির
    প্রতিষ্ঠিত হয়। কয়েকশ বছর ধরে মন্দিরটিকে ঘিরে পালিত হয়ে আসছে পৌষমেলা।
    দেশের ও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের হাজার হাজার হিন্দু সম্প্রদায়ের ভক্তের
    মিলনমেলায় পরিণত হয় এ মেলা।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুই ধর্মের দুজনের প্রেম প্রণয়ের সূত্রধরে
    রডারিক উপাসনার জন্য খ্রিষ্টানদের গড ও হিন্দুদের দেবী কালীকে শ্রদ্ধা
    জানাতে প্রতিষ্ঠা করেন কালী মন্দিরটি। যা পরবর্তী কাল থেকে গদখালী কালী
    মন্দির বলে পরিচিত পায়।

    মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র ভক্ত বাবুল বলেন, প্রতি বছর পৌষ
    মাসের অমাবস্যা তিথিতে তিন দিনের এ মেলা বসে। মেলাকে ঘিরে এলাকার সব
    সম্প্রদায়ের মধ্যে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে।

  • পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে “কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা” শপথ নিলেন

    পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে “কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা” শপথ নিলেন

    (রিপন ওঝা,খাগড়াছড়ি)

    আজ ১১জানুয়ারি বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান প্রথমবারের মতো পূর্ণরুপে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বঙ্গভবনে “কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা” শপথগ্রহণ করেন।

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি ২৯৮নং আসন হতে “কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা” নৌকা প্রতীকে ২লক্ষ ২০হাজার ৮১৬ভোট পেয়ে জয় লাভ করেন।

    টানা চতুর্থ মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গতকাল ১০জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে ৩৭ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ জনকে পূর্ণমন্ত্রী এবং ১১ জনকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বৃহস্পতিবার শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    আজ সন্ধ্যা ৭.০০ঘটিকায় বঙ্গভবনে তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।

    কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা দশম জাতীয় সংসদ ২০১৪সাল নির্বাচনে ১মবার, একাদশ জাতীয় সংসদ ২০১৮সালে ২য় বার, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ২০২৪নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ৩য় মেয়াদে জয়লাভ করেন।

    উল্লেখ্যে যে, খাগড়াছড়ি জেলার ২৯৮নং আসন হতে ২য় বারের মতো বর্তমান সাংসদ কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। আমাদের খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাংসদ কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা’র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথে মহালছড়ি উপজেলা সহ ৯টি উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী অঙ্গ সংগঠন নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। এরপূর্বে ১৯৯৬-২০০১ সময়ে তৎকালীন সাংসদ কল্পরঞ্জন চাকমা পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

  • ওমর ফারুক চৌধুরীর জন্য বেশী হতাশ নেতা, কর্মী, এলাকাবাসী

    ওমর ফারুক চৌধুরীর জন্য বেশী হতাশ নেতা, কর্মী, এলাকাবাসী

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী : দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নতুন মন্ত্রীসভায় এবার রাজশাহীবাসী কোনো মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী পায়নি। ঠাঁই হয়নি রাজশাহীর ৬টি সংসদীয় আসনের কোনো এমপির। ফলে এ অঞ্চলের ভোটারদের মধ্যে এক ধরনের ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

    ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের টানা ১৫ বছরের শাসনামলে রাজশাহী জেলার কাউকে পূর্ণ মন্ত্রী করা হয়নি। এবারও তার পুনরাবৃত্তি হলো।

    পুরনোদের সঙ্গে এক ঝাঁক নতুন মুখ নিয়ে মন্ত্রীসভা সাজিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার নেতৃত্বে ৩৬ সদস্যের মন্ত্রীসভা আগামী পাঁচ বছর সরকার পরিচালনা করবে। রাজশাহীবাসী ভেবেছিলো সরকার পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন তাদের একজন, বলবেন তাদের হয়ে উত্তরাঞ্চলের মানুষের কথা।

    ধারণা করা হচ্ছিলো এবার রাজশাহী-১ আসনের টানা চারবারের সংসদ সদস্য ও সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরীকে মন্ত্রী করা হতে পারে, অথবা রাজশাহী-৬ আসন থেকে নির্বাচিত দুই মেয়াদের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমকে করা হতে পারে পূর্ণ মন্ত্রী।

    আলোচনায় ছিলেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তিনবারের এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারাও। কিন্তু সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে জানা গেলো এবার মন্ত্রীসভায় জায়গা পাচ্ছেন কারা দেখা গেলো রাজশাহীবাসীর ধারণায় থাকা কেউই ঠাঁই পাইনি মন্ত্রী পরিষদে।

    জানা গেছে, রাজশাহীর কৃতী সন্তান জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান প্রবাসী সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকারের শিল্পমন্ত্রী ছিলেন। পরে ১৯৭৯ সালে রাজশাহী থেকে জিয়া সরকারের প্রতিমন্ত্রী হন প্রয়াত এমরান আলী সরকার।

    এরশাদ সরকারের আমলে রাজশাহীতে সরদার আমজাদ হোসেন দুই দফায় পূর্ণ মন্ত্রী ও মেসবাহউদ্দিন বাবলু এবং নুরুন্নবী চাঁদ প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন।

    ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারে রাজশাহী থেকে (ডাক ও টেলিযোগাযোগ) পূর্ণ মন্ত্রী হন ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও প্রতিমন্ত্রী হন প্রয়াত কবীর হোসেন। একুশ বছর পর ১৯৯৬ সালের জুনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে রাজশাহী থেকে অধ্যাপিকা জিনাতুন নেসা তালুকদারকে প্রতিমন্ত্রী করা হয় টেকনোক্র্যাট কোটায়।

    এরপর ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় এলে রাজশাহী থেকে ওমর ফারুক চৌধুরীকে শিল্প প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছিলো কয়েক মাসের জন্য। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে রাজশাহী থেকে শাহরিয়ার আলম দুই দফায় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করলেও এবার বাদ পড়েছেন। প্রতিমন্ত্রী থাকা অবস্থায় রাজশাহীর সামগ্রিক উন্নয়নে তার কোনো ভূমিকাও ছিল না বলে দাবি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের।

    শিক্ষক নেতা ও রাজশাহী জেলা মুক্তিযোদ্ধার সাবেক কমান্ডার মোঃ শাহাদুল হক বলেন, বরাবরই মন্ত্রী বঞ্চিত থাকছেন রাজশাহীবাসী। রাজশাহী ১ আসন থেকে নির্বাচিত ব্যারিষ্টার মোঃ আমিনুল হক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী হয়েছিলেন, এ আসনটি থেকে  পাঁচ এমপি নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন ওমর ফারুক চৌধুরী। তাকেও এবার মন্ত্রী সভায় স্থান দেয়া হবে বলে অনেকের ধারনা ছিল কিন্তু শেষ পর্যন্ত না হওয়ায় নেতা কমী এলাকাবাসী   হতাশ হয়েছেন। অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। এককই মন্তব্য করেন গোদাগাড়ী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধার সাবেক কমান্ডার অশোক কুমার চৌধুরী, আওয়ামীলীগ নেতা সুনন্দন দাস রতন। দেওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বেলাল উদ্দীন সোহেল বলেন, আমার আশা করেছিলাম ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি মহোদয়কে মন্ত্রী করা হবে কিন্তু হয় নি, এলাকাবাসী হতাশ হয়েছেন। এখনও হাল ছাড়িনি আগামীতে মন্ত্রী পরিষদের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হলে অবশ্যই স্থান পাবেন। 

    একই  মন্তব্য করেন, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, গোদাগাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি এমএন রিদওয়ান ফিরদৌর।  

    গোদাগাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন,  বিশাল ভোটের ব্যবধানে বার বার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন ওমর ফারুক চৌধুরী। 

    আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনকে শক্তিশালী করেছেন। এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন সে দিক থেকে  আমরা আশা করেছিলাম উনি এবার মন্ত্রী হবেন। কিন্তু রাজশাহী বাসী  হতাশ হয়েছেন।  একই মন্তব্য করেন, তানোর  উপজেলা চেয়ারম্যান ময়না, গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়র অয়জুদ্দিন বিশ্বাস, গোদাগাড়ী পৌর আওয়ামীলীগের  সভাপতি মোঃ রবিউল আলম, সাধারণ সম্পাদক নাসিমুল ইসলাম নাসিম প্রমূখ।

    এদিকে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) রাজশাহী বিভাগীয় সভাপতি আহমদ সফি উদ্দিন বলেন, বরাবরই অবহেলিত রাজশাহীসহ দেশের উত্তরাঞ্চল। সাবেক রাজশাহী বিভাগের ১৬ জেলায় আনুপাতিক হিসাবে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হয়নি অতীতেও। অথচ দেশের মোট জনসংখ্যার ৪ কোটি ৯৬ লাখ মানুষের বসবাস এই অঞ্চলে, যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৩০ ভাগের কাছাকাছি। অনেক দিন ধরে উন্নয়ন পরিকল্পনাতেও দেশের উত্তরাঞ্চলকে বাদ রাখা হয় বিভিন্ন উপায়ে। এবার রাজশাহী থেকেও কাউকে মন্ত্রী করা হয়নি। ফলে আগামীতে সমতাভিত্তিক ও অগ্রাধিকারমূলক উন্নয়নের আশাও করা যায় না। রাজশাহী থেকে একজন মন্ত্রী থাকলে হয়তো সেটা সম্ভব হতো। 

    এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার রাজশাহীতে প্রভূত উন্নয়ন করেছেন। আশা করি মন্ত্রী না থাকলেও আঞ্চলিক উন্নয়নে কোনো সমস্যা হবে না।

    প্রায় ২২ লাখ ভোটারের ধারণা তাদের অপেক্ষার প্রহর শেষ হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। ঘটবে অপেক্ষার অবসান। দেশ পরিচালনায় থাকবে তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধি কিন্তু সেট হলো না এবারও।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • তাপমাত্রা নেমেছে ১২ দশমিক ২ ডিগ্রীতে সূর্যের দেখা মিলছেনা পঞ্চগড়ে

    তাপমাত্রা নেমেছে ১২ দশমিক ২ ডিগ্রীতে সূর্যের দেখা মিলছেনা পঞ্চগড়ে

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ টানা চার দিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না পঞ্চগড়ে। তাপমাত্রা নেমেছে ১২ দশমিক ২ ডিগ্রীতে। একদিকে পৌষের হাড় কাঁপানো শীত অন্যদিকে পেটের ক্ষুধা। তীব্র এই শীতে যন্ত্রণা পোহাচ্ছে সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের নিম্ন আয়ের মানুষ।

    বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় এখানকার তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর তিন ঘণ্টা আগে ভোর ৬টায় একই তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। সকালে তাপমাত্রার রেকর্ডের এ তথ্য জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
    আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যানুযায়ী- বুধবার (১০ জানুয়ারি) ১২ ডিগ্রী, মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রী, সোমবার (৮ জানুয়ারি) ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রী, রোববার (৭ জানুয়ারি) ৮ দশমিক ১ ডিগ্রী, শনিবার (৬ জানুয়ারি) ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রী, শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রী, বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রী, বুধবার (৩ জানুয়ারি) ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রী, মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রী ও সোমবার (১ জানুয়ারি) ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।
    জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, চতুর্থ দিনের মতো ভোর থেকে ঘন কুয়াশায় ঢাকা পঞ্চগড়। বৃহস্পতিবার সকালে ঘন কুয়াশা দেখা না গেলেও মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশ বিরাজ করছে। এতে করে হিমশীতলের ঠান্ডায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের পেশাজীবী মানুষ। পাথর-চা শ্রমিক, দিনমজুর থেকে নানান শ্রমজীবী মানুষ। কমে গেছে তাদের দৈনন্দিন রোজগার। পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টে দিনযাপন করছেন তাঁরা। প্রয়োজন ছাড়াও অনেকে ঘর থেকে বের না হলেও জীবিকার তাগিদে শীত উপেক্ষা করেই কাজে বেরিয়েছেন নিম্ন আয়ের পেশাজীবিরা। বিপাকে পড়েছেন চাষিরাও।

    এদিকে গত তিনদিন ধরে ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত দেখা যায়নি সূর্যের মুখ। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস। দিনের তাপমাত্রা নিম্নমুখী হওয়া ও সন্ধ্যার পর আবার ঠান্ডা বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় কোলাহলহীন হয়ে পড়ে শহর ও গ্রামের হাটবাজারগুলো। বাজারগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় কাগজ, টায়ারে আগুন ধরিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা যায়।

    জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষনাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ জানান, গত চারদিন ধরে কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে সূর্য। কুয়াশার কারণে ঠান্ডা অনুভব হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। গতকাল বুধবার তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিকেলে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তর-পূর্ব বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে যে বায়ু প্রবাহিত হয়, সেটি শীতকালের। বাতাসের গতি বেগ বেশি হলে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। সে অনুপাতে এ অঞ্চলে এখন শীতের তীব্রতা বেশি হচ্ছে।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • কেশবপুরে সন্ত্রাস চাঁদাবাজী,মাদক দ্রব্য,টন্ডারবাজী সহ দখলবাজি বিরুদ্ধে  যুদ্ধ ঘোষনা এমপি আজিজুল ইসলাম

    কেশবপুরে সন্ত্রাস চাঁদাবাজী,মাদক দ্রব্য,টন্ডারবাজী সহ দখলবাজি বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা এমপি আজিজুল ইসলাম

    মোঃ জাকির হোসেন,কেশবপুরঃ যশোর-৬ কেশবপুর সংসদীয় আসনের নব নির্বাচন স্বতন্ত্র ভাবে নির্বাচিত খন্দকার আজিজুল ইসলাম আজিজ কে ১১ জানুয়ারী দুপুরে কেশবপুর বাসীর পক্ষ থেকে বিরোচিত সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য খন্দকার আজিজুল ইসলাম বলেছেন, কেশবপুর উপজেলায় কোন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করা যাবে না। কোন চাঁদাবাজী করা যাবে না। কোন মাদক ব্যাবসা ও মাদক সেবন করা যাবে না। ঘের দখল, টেন্ডারবাজী-সহ কোন দখলবাজি করা যাবে না। নিয়োগ বাণিজ্য করা যাবে না। কেশবপুরে মেধা যাচাইয়ের ভিত্তিতে চাকুরী হবে। অন্যায়ভাবে কাউকে হয়রানি করা যাবে না। কেশবপুরে কেউ কোন খারাপ কাজ করলে তার কোন ক্ষমা হবে না। কেশবপুরে থাকবে সুন্দর পরিবেশ।
    এমপি আজিজুল ইসলাম আরো বলেন, কেশবপুর উপজেলা বাসী আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। যারা আমার জন্য কষ্ট করেছেন, আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। কেশবপুর সাবেক শিক্ষামন্ত্রী এ এস এইচ কে সাদেক ও সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেকের ভালোবাসার জায়গা। আমি তাঁদের অনুসারী। র্নির্বাচনে যারা আমাকে ভোট দেয়নি, আমার বাইরে নির্বাচন করেছেন, তাদেরকে আঘাত করা যাবে না। তাদেরকে আঘাত করলে তাদের পরিবারের লোকজনও কষ্ট পাবে। আমাদের দ্বারা কেউ যেন কষ্ট না পায় সে দিকে সকলকে খেয়াল রাখতে হবে। আমি চাই কেশবপুর উপজেলার প্রতিটি পরিবার আমাকে যেন তাদের সন্তান মনে করে। আমি কেশবপুর বাসীর সন্তান হিসেবে বেঁচে থাকতে চাই। আমি আপনাদের সুখ-দুখের সাথী হয়ে থাকতে চাই। কেশবপুরের প্রশাসন যেভাবে বলবে আমরা সেই ভাবে চলবো। আমরা আইন মেনে চলবো। আমরা কেউ আইনের উর্ধ্বে নই। সকালে ঢাকার বনানী কবরস্থানে প্রায়ত সাবেক সফল শিক্ষামন্ত্রী এএসএইচকে সাদেকের কবর জিয়ারত করেন। দুপুর ১২ টায় তিনি যশোর বিমানবন্দরে আসলে রিসিভশানে আশা শত শত নেতা-কর্মীরা তাঁকে ফুলের শুভেচ্ছা প্রদান করেন। গাড়ী বহর নিয়ে এমপি আজিজুল ইসলাম কেশবপুর পাবলিক ময়দানে পৌছালে হাজার হাজার নেতা-কর্মীরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানান।

    মোঃ জাকির হোসেন
    কেশবপুর,যশোর।।

  • পাথরঘাটায় এনসিটিএফ সদস্যদের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    পাথরঘাটায় এনসিটিএফ সদস্যদের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    খাইরুল ইসলাম মুন্না

    বরগুনার পাথরঘাটায় ন্যাশনাল চিলড্রেন’স টাস্ক ফোর্স (এনসিটিএফ) এর বার্ষিক সাধারণ সভা পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ১০ জানুয়ারি, ২০২৪ খ্রি. রোজ বুধবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাথরঘাটার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রোকনুজ্জামান খান।
    পাথরঘাটা উপজেলা এনসিটিএফ এর সাবেক সভাপতি মোঃ নাজমুশ সাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মির্জা শহিদুল ইসলাম খালেদ, নির্বাহী পরিচালক, সংকল্প ট্রাস্ট, পাথরঘাটা, মোঃ জাকির হোসেন খান, সহকারি শিক্ষক, পাথরঘাটা কে.এম. মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং জাকির হোসেন মিরাজ, নির্বাহী পরিচালক, সিবিডিপি, বরগুনা।
    এনসিটিএফ এর বার্ষিক সাধারণ সভায় নতুন কমিটি গঠন, পূর্ববর্তী বছরের কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং পরবর্তী বছরের জন্য নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। পাথরঘাটা এনসিটিএফ এর নবনির্বচিত কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয় তাসলিমা, সহ-সভাপতি তাসনিয়া মৌলি, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক রথি পাইক, শিশু সাংবাদিক (মেয়ে) ইলা, শিশু সাংবাদিক (ছেলে) মোঃ জাকারিয়া, শিশু গবেষক (মেয়ে) তাম্মী আক্তার, শিশু গবেষক (ছেলে) মোঃ গোলাম মাওলা, শিশু সাংসদ (মেয়ে) তাইয়্যেবা ইসলাম নিঝুম, শিশু সাংসদ (ছেলে) মোঃ রহমাতুল্লাহ। নির্বাচন পরিচালনা করেন ওয়াই-মুভ্স প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা মো: আবু ইউসুফ সাঈদ। উক্ত সভায় বিদায়ী এনসিটিএফ সদস্যদের সম্মাননা সূচক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
    কমিউনিটি বেজ্ড ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (সিবিডিপি), ২০২০ সাল থেকে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় পাথরঘাটাসহ বরগুনার ৬টি উপজেলা এবং দুর্যোগ কবলিত নলটোনা ইউনিয়নে এনসিটিএফ সদস্যদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

  • শীতকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

    শীতকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    পাইকগাছায় ৫২তম শীতকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহজাহান আলী শেখ। বক্তব্য রাখেন, একাডেমিক সুপার ভাইজার মীর নূরে আলম সিদ্দিকী, কমিটির সহ-সম্পাদক শিক্ষক প্রদীপ শীল, অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র ঘোষ, প্রধান শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ দে, শহিদুল ইসলাম, রহিমা আক্তার শম্পা, সঞ্জয় কুমার মন্ডল, অঞ্জলী রানী শীল, মতিউর রহমান, মোশাররফ হোসেন, মধুসূদন মন্ডল, আব্দুর রহমান, দিপক কুমার মন্ডল ও সুব্রত সানা। সভায় মাদক, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস থেকে তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে শীতকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সভায় উল্লেখ করেন অতিথিবৃন্দ।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • বারী সরিষা-১৪ ফসলের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

    বারী সরিষা-১৪ ফসলের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

    ইমদাদুল হকপাইকগাছা (খুলনা) ॥
    পাইকগাছায় ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় রোপা আমন-সরিষা- বোরো প্যাটান ভিত্তিক সরিষা প্রদর্শনীর মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার সলুয়া’য় বারী সরিষা-১৪ ফসলের উপর এ মাঠ দিবস কারিগরি আলোচনা সভার আয়োজন করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। কৃষক শিবপদ দাশের সভাপতিত্বে মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার কৃষিবিদ এএইচএম জাহাঙ্গীর আলম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অসীম কুমার দাশ। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের স ালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, বোয়ালিয়া বীজ উৎপাদন খামার (বিএডিসি)’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক নাহিদুল ইসলাম, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা স্বরাজ উদ্দীন, ইয়াছিন আলী, এনামুল হক, নাহিদ হোসেন, আফজাল হুসাইন, পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, সাংবাদিক আছাদুল ইসলাম, ফসিয়ার রহমান, প্রবীর বিশ^াস, রফিকুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন, কৃষক কেসমত আলী, শাহাদাৎ হোসেন ও লাবনী দাশ। মাঠ দিবসে কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দেশে ভোজ্য তেলের ৯০ ভাগ আমদানী করতে হয়। গত অর্থ বছরে ৪১ হাজার কোটি টাকার তেল ও তেল বীজ আমদানী করতে হয়েছে। আমদানী নির্ভরতা কমিয়ে আনতে এবং স্বল্প চাষে স্বল্প দিনে তেল জাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির কোন বিকল্প নাই। এ জাতীয় ফসলে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পাওয়া সহ কৃষকরা লাভবান হয়।

  • পাইকগাছায় সর. প্রাথ. বিদ্যাঃ  প্রধান শিক্ষকদের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান ও মিলন মেলা

    পাইকগাছায় সর. প্রাথ. বিদ্যাঃ প্রধান শিক্ষকদের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান ও মিলন মেলা

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।। পাইকগাছায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানের আমন্ত্রিত অতিথিরা বলেছেন,শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রার্থমিক স্তরে ঝরে পড়া রোধ করা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে বন্ধুত্ব সুলভ আচরণ, নিয়মিত পাঠ অভ্যাস গড়ে তোলা,শিক্ষার্থীদের মানসিক,দৈনিক বিকাশে খেলা-ধুলোর চর্চা অব্যাহত রাখাসহ যার-যার অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখলে উন্নত জাতি গঠন করা সম্ভব। বৃহস্পতিবার সকালে পৌরসভার সরল শহীদ গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে উপজেলা শিক্ষা পরিবার আয়োজিত সভায় অতিথিবৃন্দ এসব কথা বলেন।উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন এর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ ফারুক হোসেন,দেবাশীষ কুমার দাশ, সঞ্জয় দেবনাথ, মো. আসাদুজ্জামান ও ঝংকার ঢালী।বক্তব্য রাখেন, সরকারি প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রবীন্দ্রনাথ রায়, সহ-সভাপতি অলোক মৃধা, ডিএম শফিকুল ইসলাম, এসএম শফিকুল ইসলাম, মো. লুৎফর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুজ্জানান, প্রধান শিক্ষক শেখ হাফিজুল ইসলাম, নার্গিস সুলতানা, মিলি জিয়াসমিন, সেলিনা পারভীন, সৌরভ রায়, বিএম আখতার হোসেন,মো. কোহিনূর ইসলাম, রেখা রাণী মন্ডল, খুরশিদা আক্তার, রিনা রাণী ঘোষ, শিপ্রা বর, অহিদুল ইসলাম, মো. লুৎফর রহমান, জয়া দাশ, অজয় রায়, নাজিরা খাতুন, জাহানারা খাতুন, বেনজির আহমেদ, নজরুল ইসলাম, আ. হাদি, ছন্দা ঘোষ, অজয় রায়, সুষমা, শেখর রায়, লুৎফর রহমান গাজী, গোপাল চন্দ্র বিশ্বাস, সুকুমার গোলদার। এ সময় উপজেলার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল প্রধান শিক্ষকগন উপস্থিত ছিলেন।একই সভায় প্রধান শিক্ষক পরিবারের পক্ষ থেকে সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী খুলনা-৬ ( পাইকগাছা-কযরা) আসনের সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান পত্মী প্রধান শিক্ষিকা নার্গিস সুলতানা’কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • ঝিনাইদহে বরুণ হত্যা মামলার ৭ আসামি গ্রেফতার

    ঝিনাইদহে বরুণ হত্যা মামলার ৭ আসামি গ্রেফতার

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে বরুণ ঘোষ হত্যা মামলায় সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (১০ জানুয়ারি) রাতে শহরের হামদহ ও ব্যাপারীপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ঝিনাইদহ শহরের হামদহ ঘোষপাড়া এলাকার কার্তিক ঘোষ ও তার ছেলে কল্লোল ঘোষ, কামারকুন্ডু এলাকার আলতাফ হোসেনের ছেলে সবুজ হোসেন, হামদহ এলাকার তফসের হোসেনের ছেলে আইয়ুুব আলী, ইসলামপাড়ার ডাবলু মিয়ার ছেলে নয়ন মিয়া, ব্যাপারীপাড়ার মোজাম্মেল হকের ছেলে মুন্না ও রমজান আলীর ছেলে হাতকাটা তরুণ। ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর আবিদুর রহমান জানান, আওয়ামী লীগ কর্মী বরুণ ঘোষ হত্যা মামলার এজাহার নামীয় সাতজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। তাদের রিমোন্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলেও ওই কর্মকর্তা জানান। এদিকে গত বুধবার রাতে নিহত বরুণ ঘোষের স্ত্রী বাদী হয়ে নয় জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৯/১০ জনকে আসামি করে ঝিনাইদহ সদর একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। বরুণ কুমার ঘোষ ঝিনাইদহ পৌর এলাকার হামদহ ঘোষপাড়ার নরেন ঘোষের ছেলে। উল্লেখ্য মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বরুণ ঘোষ বাড়ি থেকে বের হয়ে ঘোষপাড়া ব্রিজ মোড় এলাকার একটি দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় ৫/৭ জন দুর্বৃত্ত তাকে মানুষের সামনে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত বরুণ ঘোষ ঝিনাইদহ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য ছিলেন। বরুণ ঘোষ হত্যার পর আওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।