Blog

  • নড়াইলে একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

    নড়াইলে একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে//
    নড়াইলের লোহাগড়ায় পুলিশের অভিযানে একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান,
    বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে দুটি এনআই এক্টের মামলায় ছয় মাস করে মোট এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী মিজান শিকদারকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানা পুলিশ। আসামি মিজান শিকদার নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানার ইতনা বাজার (বাকপাড়া) সাকিনের লুৎফর শিকদারের ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ কাঞ্চন কুমার রায়ের তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) কাজী বাবুল হোসেন ও এসআই (নিঃ) মোঃ শফিকুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে রাতে লোহাগড়া থানাধীন ইতনা বাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করে। আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান সার্বিক দিকনির্দেশনায় ওয়ারেন্ট তামিলে জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।

  • বিশ্ব রেকর্ড পঞ্চম বারের মতো প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা-রাষ্ট্রপতি’সহ সবাইকে অভিনন্দন

    বিশ্ব রেকর্ড পঞ্চম বারের মতো প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা-রাষ্ট্রপতি’সহ সবাইকে অভিনন্দন

    হেলাল শেখঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব সাহাবুদ্দিন মহোদয়। এরপর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ৫ম বারের মতো সংসদীয় আসন-২১৭ গোপালগঞ্জ-৩ কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসন থেকে নৌকা মার্কায় বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন, এরপর মহামান্য রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন মহোদয় শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। শুধু বাংলাদেশের ইতিহাসে নয় বিশ্ব নেতাদের মধ্যে প্রভাবশালী সাহসী প্রধানমন্ত্রী ৫ম বারের মতো দায়িত্ব নেয়ায় বিশ্ব রেকর্ড করলেন শেখ হাসিনা।
    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যোগ্য কন্যা মাটি ও মানুষের নেতা ৫ম বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমানে বিশ্ব নেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ৫ম বারের সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা-বাকিটা ইতিহাস। সেই সাথে পাবনাবাসীর গর্ব দেশের সূর্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাবুদ্দিন চুপ্পু মহামান্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম বিশ্ব নেতা শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। এবার মহামান্য রাষ্ট্রপতির বিষয়ঃ
    পাবনার ইতিহাস ও স্মরণকালের একটি নাম মহামান্য রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন মহোদয়। উত্তরবঙ্গের জেলা পাবনাবাসী প্রথমবারের মতো দেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে পেয়েছেন জনাব সাহাবুদ্দিন চুপ্পু মহোদয়কে। তিনি দলমত নির্বিশেষে জনসাধারণের প্রিয় মানুষ এখন রাষ্ট্রের অভিভাবক, সর্বোচ্চ ব্যক্তি। নিজ জেলায় গৌরবময় এমন প্রাপ্তিতে সম্মানিত হয়েছেন পাবনাবাসী। কেউ ভাবতেও পারেননি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতি হবেন, আল্লাহ চাইলে সবকিছুই সম্ভব। তাই আল্লাহর রহমতে আমরা পেয়েছি মহামান্য রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন মহোদয়কে তাই এই ২০২৪ ইং সালে নতুন সরকারের সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন।
    মহামান্য রাষ্ট্রপতির নিজ জেলায় গত (৩ মে ২০২৩ইং) পাবনা সফর সূচী প্রকাশ করা হয়। রাষ্ট্রপতির প্রটোকল অফিসার মোঃ নবীরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পত্রে এই তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতি ১৫ মে, ২০২৩ইং বেলা ১১টা ১০ মিনিটের দিকে ঢাকার তেজগাঁও হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টারযোগে পাবনার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। দুপুর ১টার দিকে তিনি পাবনা সার্কিট হাউসে উপস্থিত হয়ে সোয়া ১টায় গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। দুপুর ১টা ২০ মিনিটে পাবনা জেলা পরিষদ বঙ্গবন্ধু চত্বরের নামফলক উদ্বোধন করে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। দুপুর ১টা ৩০মিনিটে পাবনার সবচেয়ে বড় পাবনা আরিফপুর কবরস্থানে উপস্থিত হয়ে রাষ্ট্রপতির বাবা মায়ের আত্মার মাগফিরাতের জন্য কবর জিয়ারত করে দোয়া করেন। বিকেল ৪টায় পাবনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বঙ্গবন্ধু কর্ণার এবং বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল উদ্বোধন করেন, শেষে জেলার আইনজীবীদের সাথে মতবিনিময় করেন।
    এরপর গত (১৬ই মে ২০২৩ইং) সকাল ১০টায় পাবনার সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাবুদ্দিন চুপ্পু মহোদয় নাগরিক গণসংবর্ধনা গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও কোনো কারণে সময় পরিবর্তন করে বিকেলে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি। এর মধ্যে পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন রাষ্ট্রপতি। এরপর ১৭মে বুধবার পাবনা ডায়াবেটিক সমিতির অফিস পরিদর্শন করার পর বিকেল ৫টায় বীর মুক্তযোদ্ধা সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বিনোদন পার্ক পরিদর্শন করবেন রাষ্ট্রপতি। বৃহস্পতিবার (১৮ মে ২০২৩ইং) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাবনা থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মহোদয়। রাজশাহী বিভাগের বৃহত্তর পাবনা জেলার কৃতি সন্তান-পাবনাবাসীর গর্ব-বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাবুদ্দিন চুপ্পু মহোদয় বাংলাদেশের ২২তম মহামান্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, প্রায় এক বছর হতে যাচ্ছে, তাঁর সাহসী ভুমিকা ও সততার উপহার হিসেবে গৌরবময় এমন প্রাপ্তিতে পাবনাবাসী গর্বিত-বাকিটা ইতিহাস। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সাহাবুদ্দিন চুপ্পু মহোদয় পাবনায় আগমন করছিলেন। বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির নাগরিক হিসেবে তিনি তাঁর সর্বোচ্চ কর্মদক্ষতা দিয়ে দেশকে আরো উন্নত ও সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন, সেই সাথে পাবনা জেলা সংযুক্ত করে ২য় পদ্মা সেতু মানিকগঞ্জের আরিচা-পাবনার কাজিরহাট ও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ত্রিমুখী ২য় পদ্মা সেতু একমাত্র চাওয়া ও প্রত্যাশা পাবনাবাসীর নিজ এলাকার রাষ্ট্রপতির কাছে।
    পাবনার দলীয় নেতৃবৃন্দ অনেকেই বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু মহোদয়কে নতুন করে কিছু বলার নাই, তিনি আসলেই একজন ভালো মানুষ। সাহাবুদ্দিন চুপ্পু মহোদয় বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন গত (২৪ এপ্রিল ২০২৩ইং) তারিখ সকাল ১১টায় বঙ্গভবনে। এই নতুন রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’সহ এমপি মন্ত্রীগণ ও বিভিন্ন বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাগণ। সে সময় জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সাহাবুদ্দিন মহোদয়কে রাষ্ট্রপতির পদে শপথ পাঠ করিয়েছেন। বিশেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, মন্ত্রীপরিষদ সদস্যসহ কয়েকশত বিশিষ্ট অতিথি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। উক্ত অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মন্ত্রীপরিষদ সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন। এরপর নতুন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু মহোদয়কে শপথ নথিতে স্বাক্ষর করেন। নতুন রাষ্ট্রপতির সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন জানান, শপথ গ্রহণের পরপরই নতুন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন এবং রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ আনুষ্ঠানিকভাবে চেয়ার বদল করেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মাঠপর্যায়ে রাজনীতিবিদ মোঃ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ২১তম রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এর স্থলাভিযিক্ত হলেন। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সাবেক রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমানের মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে ৪১ দিনসহ টানা দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে ১০ বছর ৪১দিন অতিবাহিত করার পরে অবসরে গেলেন তিনি। নতুন রাষ্ট্রপতি’র স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা ও ছেলে আরশাদ আদনান রনিসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যগণ উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
    প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, সংসদ সদস্য, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, কূটনীতিক, সম্পাদকসহ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও উপর পদস্থ বেসামরিক এবং সামরিক কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানটি প্রত্যক্ষ করেন। এর আগে ৭৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদ ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ছাত্ররাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধা. আইন পেশা, বিচারকের দায়িত্ব, রাষ্ট্রীয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনের পর কর্মদক্ষতায় বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হয়েছেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু মহোদয়। উল্লেখ্য, ১৯৪৯ সালে পাবনা শহরের জুবিলি ট্যাস্কপাড়ায় (শিবরামপুর) জন্মগ্রহণ করেন মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। শহরের পুরাতন গান্ধী বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত, পড়ে রাধানগর মজুমদার একাডেমিতে চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৬৬ সালে এসএসসি পাশের পর পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে ভর্তি হন, এরপর শুরু করেন রাজনীতি। এরপর এডওয়ার্ড কলেজ থেকে ১৯৬৮ সালে এইচএসসি ও ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ (অনুষ্ঠিত ১৯৭২ সালে বিএসসি পাস করেন তিনি)। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৪ সালে স্নাতকোত্তর এবং পাবনা শহীদ এ্যাডভোকেট আমিনুদ্দিন আইন কলেজ থেকে ১৯৭৫ সালে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। কলেজ জীবনে প্রবেশের আগেই ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে পাবনায় সাক্ষাৎ করেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর প্রতিবাদী ছিলেন তিনি, এরপর এডওয়ার্ড কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, অবিভুক্ত পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি থেকে ছয় বছর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেই সাহাবুদ্দিন চুপ্পু সাহেব বর্তমানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার পক্ষ থেকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন মহোদয়সহ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৭ই জানুয়ারি ২০২৪ সালে বিজয়ী সকল সংসদ সদস্য-এমপি, প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন। সেই সাথে সবার প্রতি দোয়া ও শুভকামনা রইলো।

  • আশুলিয়া থানার নতুন (ওসি) এ.এফ.এম সায়েদ এর পক্ষ থেকে সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা

    আশুলিয়া থানার নতুন (ওসি) এ.এফ.এম সায়েদ এর পক্ষ থেকে সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা

    হেলাল শেখ,
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ এফ এম সায়েদ সাহেবের পক্ষ থেকে আশুলিয়াবাসীসহ সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক, আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ)।
    বাংলাদেশ পুলিশের গর্ব ও সাধারণ মানুষের বন্ধু (ওসি) এ এফ এম সায়েদ সাহেব। তিনি ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানা থেকে ২২-০৫-২০২১ইং তারিখে নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জ থানায় যোগদান করার পর থেকে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেন এবং এ এফ এম সায়েদ অফিসার ইনচার্জ রূপগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নারায়নগঞ্জ জেলা- জুলা/২২ জেলা পুলিশ, নারায়নগঞ্জ সম্মাননা পুরস্কার অর্জন করেন।
    জানা গেছে, রূপগঞ্জ থানার এই সাবেক অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ এফ এম সায়েদ সাহেব অনেক আগে আশুলিয়া থানা ও ধামরাই থানায় দায়িত্ব পালন করেছেন, এরপর ঢাকা জেলা উত্তর ডিবি’র (ওসি) ছিলেন এবং সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে সততা ও সাহসী ভুমিকায় দায়িত্ব পালন করেছেন। অনেকেই বলেন, এরকম (ওসি) আশুলিয়া থানায় খুবই প্রয়োজন ছিলো। আশুলিয়ায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেড়েই চলছিল, যেখানে সেখানে মানুষের লাশ পাওয়া যায় এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তাই আশুলিয়া থানায় সৎ সাহসী (ওসি) এ এফ এম সাহেদ যোগদান।
    সূত্র জানায়, জনগণের নিরাপত্তা ও সঠিকভাবে কাজ করায় বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর মানবিক পুলিশের অনেক সদস্য এই (ওসি) এ এফ এম সায়েদকে প্রশংসা করেন। তিনি একজন চৌকস পুলিশ অফিসার ইনচার্জ (ওসি)। সর্বসাধারণের সাথে হাসিমুখে কথা বলেন, তাঁর সুন্দর ব্যবহার ও সততার কারণে মানুষের ভালোবাসায় তিনি বিশেষ সম্মান অর্জন করেছেন।
    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) বলেন, সায়েদ ভাই শুধু পুলিশ হিসেবে নয়, তিনি একজন ভালো মানুষ। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাকে অনেক ভালো কাজ করতে দেখেছি। সাভার মডেল থানায় বিভিন্ন কাজের জন্য আমাদের সংস্থা’র সদস্যদের পাঠিয়েছি তার কাছে, তিনি সঠিক ভাবে সততার সাথে কাজ করেছেন বলে আমাদের সদস্যরা জানান। (ওসি) এ এফ এম সায়েদ ভাইয়ের প্রশংসা করেছেন সচেতন মহল। এটা সত্যি তাঁর জন্য বিশেষ সম্মান অর্জন।

  • নড়াইলে ভারত থেকে চারা এনে বাগান গড়ে তোলেন বাগান বাণিজ্যিকভাবে ননী ফল চাষ

    নড়াইলে ভারত থেকে চারা এনে বাগান গড়ে তোলেন বাগান বাণিজ্যিকভাবে ননী ফল চাষ

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে ভারত থেকে চারা এনে বাগান গড়ে তোলেন বাগান বাণিজ্যিকভাবে ননী ফল চাষ।
    নড়াইলে ননী ফলের চাষ করে সাড়া ফেলেছেন রবিউল বাণিজ্যিকভাবে ননী ফল চাষ করে সাড়া ফেলেছেন নড়াইলের উদ্যোক্তা রবিউল ইসলাম (৪২)। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে ফল ও চারা ক্রয় করতে রবিউলের বাগানে ভিড় করছেন ক্রেতারা। তবে যোগান সীমিত হওয়ায় চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে। তার এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন কৃষি বিভাগ। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি, নড়াইল থেকে জানান, সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, নড়াইল সদর উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নের ধাড়ীয়াঘাটা গ্রামের শামসুর রহমানের ছেলে রবিউল ইসলাম নিজ বাড়ির পাশের ১৫ শতক জমিতে গড়ে তুলেছেন ঔষধি গুণসম্পন্ন ননী ফলের বাগান। এছাড়া পাশের ২০ শতকের আরেকটি জমিতেও চলছে বাগান করার প্রস্তুতি। বর্তমানে আফ্রিকান, ইন্ডিয়ান ও মালয়েশিয়ান জাতের প্রায় দুই শত ননী ফল গাছে সমৃদ্ধ রবিউলের বাগান। গাছে গাছে ঝুলছে কাঁচা-পাকা ননী ফল। এছাড়া তার কাছে ননী ফল ছাড়াও বিভিন্ন প্রজাতির ঔষধি গাছের কয়েক হাজার চারা রয়েছে। দামি এই ফল ও চারা কিনতে ক্রেতারা প্রতিনিয়ত তার বাগানে ভিড় করছেন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কুরিয়ারের মাধ্যমে চারা ও ফল পৌঁছে দিচ্ছেন রবিউল।
    উদ্যোক্তা রবিউল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে জানান, তিনি এসিআই কৃষি প্রজেক্টে যশোরে চাকরি করেন। সেই সুবাধে দেশের বিভিন্ন স্থানের মানুষেক তিনি কৃষি বিষয়ে যুক্তি-পরামর্শ দিয়ে থাকেন। একবার তিনি ভারতে গিয়ে ননী ফলের বিশাল বড় বড় প্রজেক্ট দেখেন এবং জানতে পারেন এটি ক্যান্সারের প্রতিষেধক। এরপর ২০২১ সালে ভারত থেকে চারা এনে বাগান গড়ে তোলেন। প্রায় ৪ লাখ টাকা ব্যয় করে বাগানটি করার পর থেকেই ভালো সাড়া পেয়েছেন। তিনি ২০২২ সালে গাছ থেকে প্রথম ফল পান। সে বছর প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টাকার ফল বিক্রি করেন। এবছর ইতোমধ্যে ৫-৬ মণ ফল বিক্রি করছেন। এর আগে ফল ৫-৬ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি করলেও বর্তমানে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি করছেন। শীত মৌসুমে ফলের দাম আরও বাড়বে বলে তিনি জানান। তিনি আশা করছেন এবার প্রায় ৮-১০ লাখ টাকার ফল বিক্রি করবেন।
    তিনি বলেন, এখন থেকে এ বাগানে আর খরচ নেই। শুধু সার আর ওষুধে হয়তো হাজার দুয়েক টাকা খরচ হবে বছরে। তাছাড়া আর এক টাকাও ইনভেস্ট করা লাগবে না। ২০ বছর পর্যন্ত আর কোন ইনভেস্ট ছাড়াই ইনকাম করতে পারব। এ বছর ৮-১০ লাখ টাকা আয় হলে সামনে বছর ১৫ লাখ টাকা হবে। গাছ যত বৃদ্ধি পাবে, ফলও বাড়বে। ফলের দামও বৃদ্ধি পাবে।
    তিনি আরও বলেন, তার বাগানে থাকা আফ্রিকান ননী ফলটা ক্যান্সারের মহৌষধ। ভারতীয়টা ব্যাথা এবং রুচি বাড়াতে সক্ষম। আর মালয়েশিয়ানটাও ক্যান্সারে কাজ করে তবে সেই ফলের সাইজ কিছুটা ছোট।
    নতুন উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দেশের যেকোনো প্রান্তে যে কেউ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করলে আমি তাকে তথ্য দিয়ে সাহায্য করব। তারা যাতে লাভবান হন সেজন্য সহযোগিতা করব। এটা তো একটা ব্যবসা। মানুষের উপকার হবে, ব্যবসাও হবে। ক্যান্সারের কোনো ওষুধ বাংলাদেশে ছিল না। এই ওষুধ খেয়ে শত শত রোগী ভালো হয়েছে। তাছাড়া অন্যান্য ফল চাষে তেমন লাভ নেই। কিন্ত এই ননী ফল চাষে বর্তমান প্রচুর লাভ।
    এদিকে রবিউলের বাগানের ননী ফল কিনতে আসা পার্শ্ববর্তী মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার শরশুনা গ্রামের তৈয়ব আলী বলেন, ক্যান্সারে আক্রান্ত আমার এক আত্মীয় কিছুটা শুনে আমিও ফল কিনতে এসেছি। আল্লাহ যদি চান তাহলে ভালো হব।
    আল-আমিন নামে এক যুবক বলেন, তার ছোট বোনোর ক্যান্সার হয়েছিল। ঢাকা নিয়ে গেলে সেখান থেকে ফেরত দেন। পরে এখান থেকে ননী ফল ও করসলের পাতা নিয়ে খাওয়ার পর অনেকটা সুস্থ হয়েছে।
    নড়াইল শহরের আলাদাতপুর থেকে আসা মোহাম্মদ ইরব মোল্যা বলেন, এখানে অনেক ঔষধি গাছ আছে শুনে এসেছি। তার একজন রোগী আছে তার জন্য গাছ, পাতা ও ফল নেব।
    মাইজপাড়া ইউনিয়নে দায়িত্বরত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শোভন সরদার, এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে বলেন, বাণিজ্যিকভাবে নড়াইলে এখানেই প্রথম ননী ফলের চাষ হচ্ছে। এই গাছের চারা একবার রোপণের পর ২০ বছর ফল পাওয়া যায়। এটা অত্যন্ত লাভজনক। রবিউলের বাগানের প্রচার দেখে অনেকেই সাড়া দিচ্ছেন। নতুন উদ্যেক্তাদের সার্বিকভাবে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

  • ওমর ফারুক চৌধুরীর জন্য বেশী হতাশ নেতা, কর্মী, এলাকাবাসী

    ওমর ফারুক চৌধুরীর জন্য বেশী হতাশ নেতা, কর্মী, এলাকাবাসী

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী : দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নতুন মন্ত্রীসভায় এবার রাজশাহীবাসী কোনো মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী পায়নি। ঠাঁই হয়নি রাজশাহীর ৬টি সংসদীয় আসনের কোনো এমপির। ফলে এ অঞ্চলের ভোটারদের মধ্যে এক ধরনের ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

    ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের টানা ১৫ বছরের শাসনামলে রাজশাহী জেলার কাউকে পূর্ণ মন্ত্রী করা হয়নি। এবারও তার পুনরাবৃত্তি হলো।

    পুরনোদের সঙ্গে এক ঝাঁক নতুন মুখ নিয়ে মন্ত্রীসভা সাজিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার নেতৃত্বে ৩৬ সদস্যের মন্ত্রীসভা আগামী পাঁচ বছর সরকার পরিচালনা করবে। রাজশাহীবাসী ভেবেছিলো সরকার পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন তাদের একজন, বলবেন তাদের হয়ে উত্তরাঞ্চলের মানুষের কথা।

    ধারণা করা হচ্ছিলো এবার রাজশাহী-১ আসনের টানা চারবারের সংসদ সদস্য ও সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরীকে মন্ত্রী করা হতে পারে, অথবা রাজশাহী-৬ আসন থেকে নির্বাচিত দুই মেয়াদের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমকে করা হতে পারে পূর্ণ মন্ত্রী।

    আলোচনায় ছিলেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তিনবারের এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারাও। কিন্তু সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে জানা গেলো এবার মন্ত্রীসভায় জায়গা পাচ্ছেন কারা দেখা গেলো রাজশাহীবাসীর ধারণায় থাকা কেউই ঠাঁই পাইনি মন্ত্রী পরিষদে।

    জানা গেছে, রাজশাহীর কৃতী সন্তান জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান প্রবাসী সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকারের শিল্পমন্ত্রী ছিলেন। পরে ১৯৭৯ সালে রাজশাহী থেকে জিয়া সরকারের প্রতিমন্ত্রী হন প্রয়াত এমরান আলী সরকার।

    এরশাদ সরকারের আমলে রাজশাহীতে সরদার আমজাদ হোসেন দুই দফায় পূর্ণ মন্ত্রী ও মেসবাহউদ্দিন বাবলু এবং নুরুন্নবী চাঁদ প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন।

    ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারে রাজশাহী থেকে (ডাক ও টেলিযোগাযোগ) পূর্ণ মন্ত্রী হন ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও প্রতিমন্ত্রী হন প্রয়াত কবীর হোসেন। একুশ বছর পর ১৯৯৬ সালের জুনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে রাজশাহী থেকে অধ্যাপিকা জিনাতুন নেসা তালুকদারকে প্রতিমন্ত্রী করা হয় টেকনোক্র্যাট কোটায়।

    এরপর ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় এলে রাজশাহী থেকে ওমর ফারুক চৌধুরীকে শিল্প প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছিলো কয়েক মাসের জন্য। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে রাজশাহী থেকে শাহরিয়ার আলম দুই দফায় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করলেও এবার বাদ পড়েছেন। প্রতিমন্ত্রী থাকা অবস্থায় রাজশাহীর সামগ্রিক উন্নয়নে তার কোনো ভূমিকাও ছিল না বলে দাবি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের।

    শিক্ষক নেতা ও রাজশাহী জেলা মুক্তিযোদ্ধার সাবেক কমান্ডার মোঃ শাহাদুল হক বলেন, বরাবরই মন্ত্রী বঞ্চিত থাকছেন রাজশাহীবাসী। রাজশাহী ১ আসন থেকে নির্বাচিত ব্যারিষ্টার মোঃ আমিনুল হক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী হয়েছিলেন, এ আসনটি থেকে পাঁচ এমপি নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন ওমর ফারুক চৌধুরী। তাকেও এবার মন্ত্রী সভায় স্থান দেয়া হবে বলে অনেকের ধারনা ছিল কিন্তু শেষ পর্যন্ত না হওয়ায় নেতা কমী এলাকাবাসী হতাশ হয়েছেন। অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। এককই মন্তব্য করেন গোদাগাড়ী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধার সাবেক কমান্ডার অশোক কুমার চৌধুরী, আওয়ামীলীগ নেতা সুনন্দন দাস রতন। দেওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বেলাল উদ্দীন সোহেল বলেন, আমার আশা করেছিলাম ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি মহোদয়কে মন্ত্রী করা হবে কিন্তু হয় নি, এলাকাবাসী হতাশ হয়েছেন। এখনও হাল ছাড়িনি আগামীতে মন্ত্রী পরিষদের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হলে অবশ্যই স্থান পাবেন।

    একই মন্তব্য করেন, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, গোদাগাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি এমএন রিদওয়ান ফিরদৌর।

    গোদাগাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বিশাল ভোটের ব্যবধানে বার বার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন ওমর ফারুক চৌধুরী।

    আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনকে শক্তিশালী করেছেন। এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন সে দিক থেকে আমরা আশা করেছিলাম উনি এবার মন্ত্রী হবেন। কিন্তু রাজশাহী বাসী হতাশ হয়েছেন। একই মন্তব্য করেন, তানোর উপজেলা চেয়ারম্যান ময়না, গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়র অয়জুদ্দিন বিশ্বাস, গোদাগাড়ী পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ রবিউল আলম, সাধারণ সম্পাদক নাসিমুল ইসলাম নাসিম প্রমূখ।

    এদিকে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) রাজশাহী বিভাগীয় সভাপতি আহমদ সফি উদ্দিন বলেন, বরাবরই অবহেলিত রাজশাহীসহ দেশের উত্তরাঞ্চল। সাবেক রাজশাহী বিভাগের ১৬ জেলায় আনুপাতিক হিসাবে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হয়নি অতীতেও। অথচ দেশের মোট জনসংখ্যার ৪ কোটি ৯৬ লাখ মানুষের বসবাস এই অঞ্চলে, যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৩০ ভাগের কাছাকাছি। অনেক দিন ধরে উন্নয়ন পরিকল্পনাতেও দেশের উত্তরাঞ্চলকে বাদ রাখা হয় বিভিন্ন উপায়ে। এবার রাজশাহী থেকেও কাউকে মন্ত্রী করা হয়নি। ফলে আগামীতে সমতাভিত্তিক ও অগ্রাধিকারমূলক উন্নয়নের আশাও করা যায় না। রাজশাহী থেকে একজন মন্ত্রী থাকলে হয়তো সেটা সম্ভব হতো।

    এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার রাজশাহীতে প্রভূত উন্নয়ন করেছেন। আশা করি মন্ত্রী না থাকলেও আঞ্চলিক উন্নয়নে কোনো সমস্যা হবে না।

    প্রায় ২২ লাখ ভোটারের ধারণা তাদের অপেক্ষার প্রহর শেষ হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। ঘটবে অপেক্ষার অবসান। দেশ পরিচালনায় থাকবে তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধি কিন্তু সেট হলো না এবারও।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • সুনামগঞ্জ শহরে বেড়েছে কিশোর গেংয়ের ছিনতাই বিপাকে চোরাকারবারি ও ব্যবসায়ী

    সুনামগঞ্জ শহরে বেড়েছে কিশোর গেংয়ের ছিনতাই বিপাকে চোরাকারবারি ও ব্যবসায়ী

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
    সুনামগঞ্জে ভারত সীমান্তে বিএসএফের চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রতিনিয়ত কম মূল্যে চোরাকারবারিদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার ভারতীয় পণ্য চিনি, কমলা, আনার (ডালিম),আলু,পেয়াজ,শাড়ি কাপড়, কসমেটিকস নিয়ে আসছে চোরাকারবারিরা। আর এসব পণ্য চোরাকারবারিদের কাছ থেকে ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাপ্লাই দিচ্ছেন কিছু ব্যবসায়ীরা।তারা অল্প টাকা ইনভেস্ট করে বেশি মোনাফার জন্য ভারতীয় পণ্য ব্যবসার সাথে জড়িয়ে গেছেন অনেকে। রাতের আঁধারে প্রতিনিয়ত ভারতীয় মালামাল আসছে সুনামগঞ্জ জেলার প্রত্যাকটি বর্ডার এলাকা দিয়ে। মাদক ব্যতীত অন্যান্য ভারতীয় খাবার পণ্য আটক করতে প্রশাসনের তেমন কোন আগ্রহ না থাকলেও কিশোর গেংয়ের ছিনতাই থেকে রেহাই পাচ্ছেন না ঐ সমস্ত চোরাকারবারিসহ সাধারণ ব্যবসায়ীরা। পুলিশের কাছে ভারতীয় মালামাল পাচারের ব্যাপারে জানালেও তেমন কার্যকরী কোন প্রদক্ষেপ এখন পর্যন্ত চোখে পড়েনি । দীর্ঘ মাসব্যাপী রাত জেগে সুনামগঞ্জের ভারতীয় বর্ডার এলাকা বিশ্বম্ভরপুর, চিনাকান্দি, তাহিরপুর,বরছড়া,টেকেরঘাট, লাউরেঘর,ডলুরা বর্ডার বাজার, আশাউরা বিজিবি ক্যাম্প, বনগাঁও বিজিবি ক্যাম্প,দোয়ারাবাজার বাঁশতলা এলাকা এবং শহরের ইব্রাহিমপুর, কাইয়েরগাঁও ,ওয়েজ খালি,চানদি ঘাট, হালুয়াঘাট, উকিলপাড়া, কাঁচা বাজার , দিরাই রাস্তা ঘুরে ক্যামেরায় ফোঁটে উঠে ভারতীয় মালামাল পাচার ও জড়িত সিন্ডিকেট এবং কিশোর গেংয়ের ছিনতাই বাহিনীর তথ্য ও চিত্র।
    সরেজমিনে দেখা যায় গত কয়েক মাস যাবৎ সুনামগঞ্জ জেলা জুড়ে অবাধে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা ও সাংবাদিক মহলের কিছু সাংবাদিক এবং দলীয় কিছু নেতাকর্মীসহ প্রত্যাক এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে চলছে ঐ সমস্ত চোরাই ব্যবসা।
    অনুসন্ধানে জানা যায় এই ভারতীয় পণ্য ব্যবসা চালু হওয়ার কারনে কিছু কিছু মাদক ব্যবসায়ীরা মাদক ব্যবসা ছেড়ে ভারতীয় চিনি, কমলা,আনার,আলু,পিঁয়াজের ব্যবসা শুরু করেছেন। যার ফলে প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিগণ ঐসমস্ত ভারতীয় খাদ্য পণ্য রাতের আঁধারে প্রতিনিয়ত চোখের সামনে গেলেও কঠিন ভাবে দমন করতে আগ্রহী নন। তবে মাদক বন্ধে কঠিন অবস্থানে রয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। জানা যায় ভারতীয় খাদ্য পণ্য ফল আটক করে মামলা দায়ের এবং সিজারলিস্ট করে আদালতে প্রেরণ করে নিলাম করতে যে সময় লাগে সেই সময়ের মধ্যে ফল নষ্ট হয়ে দুই টাকার মুল্য থাকেনা । যার কারনে কমলা,আপেল,ডালিম, আলু, পেঁয়াজের উপর তেমন প্রশাসনের অভিযান নেই বল্যে ও চলে। তবে চিনি , গরু,মহিষ, কসমেটিকস ,মাদক আটকের ব্যাপারে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মাঝে মধ্যে পুলিশের অভিযান দেখা গেলেও অনেক কর্মকর্তাদের যোগসাজসে সিংহ ভাগ ভারতীয় পণ্য পাচার করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাপ্লাই দিচ্ছেন কিছু ব্যবসায়ীরা। জানা যায় কিছু পুলিশ ,সাংবাদিক , জনপ্রতিনিধিদের এবং উগ্রবাদী কম বয়সী নেতাদের ম্যানেজ করেই চলছে রাতের আঁধারে প্রতিনিয়ত ভারতীয় চোরাকারবারিদের রমরমা ব্যবসা। সবকিছু ম্যানেজ করলেও কিশোর গেংয়ের হাত থেকে রেহাই পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে ঐ সমস্ত চোরাকারবারিদের। ট্রাক দিয়ে ভারতীয় পণ্য শহরের ওয়াজখালী পারি দিয়ে দিরাই রাস্তা পয়েন্ট পর্যন্ত যাওয়ার আগেই ট্রাক আটক করে ড্রাইভারকে মারধর করে মোখষধারী কিশোর গেংয়ের সদস্যরা ঐ সমস্ত ভারতীয় মালামাল ছিনতাই করে নিয়ে যাচ্ছে প্রতিদিন। শুধু তাই নয় সাংবাদিক পরিচয়ে ট্রাক আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ না করে চাঁদাবাজি করে চলেছেন কিছু অসাংবাদিক। যাদের কোন নাম গন্ধ নেই সাংবাদিক সমাজে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভূক্তভোগী ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়। তারা বলেন এন্ডা ডট কম, ডান্ডা ডট কম, আজাইরা টিভি,বাজাইরা টিভির কার্ড দেখিয়ে ট্রাক আটক করে টাকা এবং মালামাল লুটপাট করে নিচ্ছেন অনেকে। অথচ খোঁজ নিয়ে জানা যায় কোন পেশাদার সাংবাদিক ঐসমস্ত কার্যকলাপের সাথে জড়িত নেই। তাহলে কারা ঐসমস্ত কার্যকলাপ করে সাংবাদিক সমাজকে প্রশ্নবৃদ্ধ করে? যদি কোন প্রকৃত সাংবাদিক নিউজের কাজে ট্রাক আটক করতেন তাহলে প্রতিবেদন প্রকাশ করতেন? যেহেতু সমাজে চোরাকারবারিদের নিয়ে সুনামগঞ্জ তেমন কোন প্রতিবেদন প্রকাশ হচ্ছে না তাতে বুঝাই যায় এরা সাংবাদিক নন । আর যারা প্রকৃত সাংবাদিক তারা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন এই দৃশ্য ও চোঁখে পড়ে। এছাড়াও রাতে ক্রাইম সিন ভিডিও ধারন করতে গিয়ে দেখা যায় শহরের পরিচিত এবং উগ্রবাদী ছেলেদের ব্যবহার করে সক্রিয় ভাবে চোরাকারবারিরা সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে তাদের লক্ষ লক্ষ টাকার মালামাল পাচার করে নিয়ে যাচ্ছেন । এসময় পেশাদার সাংবাদিকরা সরাসরি স্পটে হাজির হলে
    তাদের হাতে নিউজ না করার জন্য ২/৩ হালি কমলা অথবা ডালিম হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি নিউজ না করার জন্য হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ১৫/২০দিন ঐ সমস্ত চোরাকারবারিদের রঙ্গলীলা সরেজমিনে জানতে গিয়ে বাধ্য হয়ে অনেক সাংবাদিক কমলা হাতে নিয়ে নিউজ না করে বাড়িতে ফিরে যান এমন দৃশ্য দেখা যায়। আবার হামলার ভয়ে অনেক সাংবাদিক মুখবুজে নিরব ভূমিকা পালন করে কমলা আনার খেয়ে দুচোখ ভরে দেখছেন ঐসমস্ত কার্যকলাপের চিত্র। কি আর করা যেখানে প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিরব ভূমিকা পালন করেন সেখানে সাংবাদিকরাইবা কি করবেন? সব মিলিয়ে চলছে কমলার বনভাস। যে পাচ্ছেন সেই খাচ্ছেন কেউ ছিনতাই করে,কেউ মালামাল কেরিং করে, কেউ হুমকি দিয়ে, কেউ টুকেন দিয়ে। সব মিলিয়ে ভারতীয় চোরাকারবারিদের রমরমা বাণিজ্য মেলা চলছে হরিলুঠের মত। ঐসমস্ত কার্যকলাপের কারণে যেমন বাড়ছে সিন্ডিকেটের সংখ্যা তেমনি বাড়ছে কিশোর গেংয়ের সংখ্যা। প্রতিনিয়ত হচ্ছে ট্রাক ছিনতাই এবং কিশোর গেংয়ের মারামারি হানাহানি। আর পাঁঠার বলি হচ্ছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। তিরপাল মোরানো ট্রাক দেখলেই আটক করে আলু, পিঁয়াজ,সবজিও ছিনতাই করে নিয়ে যায় ঐ সমস্ত কিশোর গেংয়ের সদস্যরা। এসমস্ত কার্যকলাপ বন্ধ না হলে যে কোন মূহুর্তে ভয়াবহ রূপ ধারণ করে হতে পা

  • বেতাগী এনসিটিএফ এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    বেতাগী এনসিটিএফ এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
    বরগুনার বেতাগীতে ন্যাশনাল চিলড্রেন’স টাস্ক ফোর্স (এনসিটিএফ) এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় পৌরসভা মিলনায়তনে উপজেলা এনসিটিএফ‘র সভাপতি মো: খাইরুল ইসলাম মুন্নার সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বেতাগী পৌরসভার মেয়র এবিএম গোলাম কবির।
    উপজেলা এনসিটিএফ এর সাধারণ সম্পাদক ইশরাত জাহান লিমার সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সিবিডিপি নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন মিরাজ,বেতাগী প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ সাইদুল ইসলাম মন্টু, নাগরিক ফোরামের সভাপতি লায়ন মোঃ শামীম সিকদার, সিআইপিআরবি এরিয়া কোঅর্ডিনেটর রজত সেন।
    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা এনসিটিএফ‘র সহ সভাপতি ইমরান হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন মিয়া, হাসান মাহমুদ পিয়াল, পৌর এনসিটিএফ‘র সভাপতি মাহমুদ হাসান।

    এসময় নতুন কমিটি গঠন ও বিগত বছরের কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং নতুন বছরের জন্য কর্মপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়।
    এবারে বেতাগী উপজেলা এনসিটিএফ‘র নবনির্বচিত কমিটির সভাপতি মোঃ আরিফুল ইসলাম মান্না , সহ-সভাপতি মোঃ মাহামুদ হাসান,সাধারণ সম্পাদক তাকওয়া তারিন নুপুর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সৌরভ জোমাদ্দার , সাংগঠনিক সম্পাদক মাঈনুল ইসলাম তন্ময়, শিশু সাংবাদিক (মেয়ে) জেরিন সুলতানা রাইসা , শিশু সাংবাদিক (ছেলে) মাহি বুরহান সিয়াম, শিশু গবেষক (মেয়ে) আয়শা সিদ্দিকা জেরিন, শিশু গবেষক (ছেলে) মোঃ জিয়ান, শিশু সাংসদ (মেয়ে) রাইসা সিকদার , শিশু সাংসদ (ছেলে) মোঃ সাইফুল ইসলাম রিয়াজ কাজী।
    নির্বাচন পরিচালনা করেন ওয়াই-মুভ্স প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা মো: আবু ইউসুফ সাঈদ। অনুষ্ঠানে বিদায়ী এনসিটিএফ সদস্যদের সম্মাননা স্মারক প্রদান এবং নতুন কমিটিকে ফুল বরণ করা হয়।
    কমিউনিটি বেজ্ড ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (সিবিডিপি), ২০২০ সাল থেকে প্লানন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় বেতাগী উপজেলা সহ বরগুনার ৬টি উপজেলা এবং দুর্যোগ কবলিত নলটোনা ইউনিয়নে এনসিটিএফ সদস্যদের নিয়ে কাজ করে আসছে।

  • ফুলবাড়ীয়া নবনির্বাচিত এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা

    ফুলবাড়ীয়া নবনির্বাচিত এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা

    মো. সেলিম মিয়া ফুলবাড়ীয়া প্রতিনিধিঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ -৬ ফুলবাড়ীয়া আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মালেক সরকার ট্রাক প্রতিকে বে-সরকারী ভাবে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন । ১০ জানুয়ারি বুধবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে সদ্য বিজয়ী সংসদ সদস্য আলহাজ মোঃ আব্দুল মালেক সরকার শপথ গ্রহণ করেছেন। গতকাল সকাল ৯টায় কাতলাসেন বাজারে নেতাকর্মীরা ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করে মোটর সাইকেল বহরে নবনির্বাচিত এমপি আঃ মালেক সরকার নিজ সংসদীয় আসন ফুলবাড়ীয়া মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে প্রবেশ করে নেতাকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।
    তিনি ফুলবাড়ীয়া সদর ইউনিয়নে তিনবার ইউপি চেয়ারম্যান ও একবার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান থাকার পর ক্ষমতা হস্তান্তর করে এবার সংসদ সদস্য হলেন। এ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি স্বশিক্ষিত আব্দুল মালেক সরকার আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ৫ বারের সংসদ সদস্য প্রবীন রাজনীতিবিদ এড. মোসলেম উদ্দিন নৌকা প্রতিক এর সাথে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করে ৫২হাজার ২৮৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এড. মোসলেম উদ্দিন নৌকা প্রতিক ভোট পেয়েছেন ৪২ হাজার ৫৫৮ ভোট। আব্দুল মালেক সরকার ২০১৯ সালে ফুলবাড়ীয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
    নব-নির্বাচিত এমপি আব্দুল মালেক সরকার নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার প্রতিক্রিয়া ব্যাক্তকরে তিনি বলেন, আল্লাহ আমাকে সর্বোচ্চ সন্মান দিয়েছেন। আমি যেন জনগনের সেবাসহ এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে পারি।

  • ঝালকাঠিতে সাংবাদিক মিজানুর রহমান খানের   মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠিতে সাংবাদিক মিজানুর রহমান খানের মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠিতে সাংবাদিক, লেখক, গবেষক ও দৈনিক প্রথম আলোর সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান খানের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ১১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাকক্ষে স্থানীয় দৈনিক গাউছিয়া পত্রিকার উদ্যেগে স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়। পত্রিকার প্রকাশক অলোক সাহার সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা চিত্তরঞ্জন দত্ত। স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন, ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আক্কাস সিকদার, ঝালকাঠি জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক গাউছিয়ার আইন উপদেষ্টা বনি আমিন বাকলাই, দৈনিক গাউছিয়ার বার্তা সম্পাদক, নলছিটি প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিলন কান্তি দাস, দৈনিক কালের কন্ঠের জেলা প্রতিনিধি কেএম সবুজ, প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি আ.স.ম মাহামুদুর রহমান পারভেজ প্রমূখ। স্মরণ সভায় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, যমুনা টিভির জেলা প্রতিনিধি বীর মুক্তিযোদ্ধা দুলাল সাহা, দৈনিক সংবাদের জেলা প্রতিনিধি দিলিপ মন্ডল, আরটিভির জেলা প্রতিনিধি জহিরুল ইসলাম জলিল, একাত্তর টিভির জেলা প্রতিনিধি তরুন সরকার, দৈনিক ইত্তেফাকের জেলা প্রতিনিধি শফিউল ইসলাম সৈকত, বাংলাদেশ প্রতিদিনের জেলা প্রতিনিধি এসএম রেজাউল করিম, প্রতিদিনের সংবাদের জেলা প্রতিনিধি মিজানুর রহমান টিটু, বাংলাদেশ বুলেটিনের জেলা প্রতিনিধি কাজী সোলেইমান সুমন, ভোরের ডাকের জেলা প্রতিনিধি উজ্জল রহমান, দৈনিক গাউছিয়া’র নিজস্ব প্রতিবেদক মো. আরিফুর রহমান, কামরুজ্জামান সুইট,নাঈম মল্লিক প্রমুখ। স্মরণ সভায় বক্তারা বলেন, মিজানুর রহমান খান বানিজ্য বিভাগের ছাত্র হয়েও সংবিধান ও আইন বিশেষজ্ঞ ছিলেন তিনি। একজন পরিচ্ছন্ন ও বিনয়ী সাংবাদিক হিসেবে সকলের কাছে সমাদৃত ছিলেন। তাঁর লেখা সংবিধান ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিতর্ক বইটি ব্যপক পাঠক সমাদৃত হয়েছে। মিজানুর রহমান খান ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার কৃতি সন্তান। তাঁকে হারিয়ে এ জেলা এক ক্ষণ জন্মা মানুষকে হারিয়েছে। পরে তাঁর আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আগামীকাল শুক্রবার নলছিটি পৌরসভার স্টেশন রোডের বাস ভবনে প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামনায় কোরআনখানি ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।

  • ধুনটে ঋণের দায়ে সাংবাদিকের আত্মহ*ত্যা

    ধুনটে ঋণের দায়ে সাংবাদিকের আত্মহ*ত্যা

    মিজানুর রহমান মিলন,
    বগুড়া জেলা প্রতিনিধি :

    বগুড়ার ধুনট প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও দৈনিক রাজশাহী সংবাদের ধুনট প্রতিনিধি রেজাউল হক মিন্টু (৬৯) বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের পীরহাটি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ মল্লিকের ছেলে।
    বুধবার (১০ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে পীরহাটি গ্রামে নবনির্মিত বীর নিবাসে রেজাউল হক মিন্টুর মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেন তার স্বজনেরা। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

    থানা পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রেজাউল হক মিন্টু দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় কলাম লেখক ছিলেন। তিনি রাজশাহী থেকে প্রকাশিত দৈনিক রাজশাহী সংবাদের ধুনট উপজেলা প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেন। চার সদস্যের পরিবার নিয়ে তিনি মথুরাপুর ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্টাফ কোয়ার্টারে বসবাস করতেন।
    অভাব-অনটনের সংসারের ব্যয়ভার বহন করতে গিয়ে তিনি ঋণের দায়ে মানসিকভাবে বিপর্যন্ত হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় গত মঙ্গলবার দুপুরের দিকে তিনি মথুরাপুর ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্টাফ কোয়ার্টার থেকে মথুরাপুর বাজারের উদ্দেশে বের হন। রাতে আর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। রাতের কোন এক সময় তিনি বিষপান করেন।
    বুধবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলের দিকে ওই স্টাফ কোয়ার্টারের ৫শ’ মিটার দূরে পীরহাটি গ্রামে তার বাবার নামে নির্মিত বীর নিবাসে তার মৃতদেহ পড়ে ছিল। সরকারি অর্থায়নে বাবার নামে নবনির্মিত ওই বীর নিবাসে রেজাউল হক মিন্টুসহ তার পরিবারে সদস্যরা বসবাস শুরু করেননি। এ কারণে বাসাটি ফাঁকা ছিল।

    ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈকত হাসান জানান, এ বিষয়ে থানায় একটি ইউডি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মৃতদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে ।