Blog

  • লক্ষ্মীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি সাইফুদ্দিন আনোয়ার

    লক্ষ্মীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি সাইফুদ্দিন আনোয়ার

    নাজিম উদ্দিন রানা: লক্ষ্মীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন আনোয়ার। শনিবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে তার নাম ঘোষণা করা হয়। এসময় তাকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়।

    জানা যায়, সদর থানা এলাকার আইন শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক উদ্ধার, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল, মানবিক পুলিশিং কার্যক্রম, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রনে দক্ষতা ও পেশা দারিত্বের অবদান রাখা, বিট পুলিশিং এর মাধ্যমে পুলিশি সেবা জনগনের দাড়প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভাল কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ডিসেম্বর ২০২৩ মাসে লক্ষ্মীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে তাঁকে নির্বাচিত করা হয় এবং শ্রেষ্ঠত্ব ক্রেষ্ট ও শ্রেষ্ঠত্ব সনদ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

    এছাড়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ সোহেল রানাকে জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল, রামগঞ্জ থানার এসআই মুহাম্মদ কাওসারুজ্জামানকে জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই, লক্ষ্মীপুর মডেল থানার এএসআই মোঃ ইলিয়াছকে জেলার শ্রেষ্ঠ এএসআই, লক্ষ্মীপুর ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট মহিউদ্দিন জুয়েলকে জেলার শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক অফিসার নির্বাচিক করা হয়।
    এছাড়াও পুলিশি কাজে প্রশংসীয় ভূমিকা রাখায় অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের সম্মাননা ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ হাসান মোস্তফা স্বপন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ সোহেল রানা, সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুর সার্কেল) আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী, সহকারী পুলিশ সুপার (রামগতি সার্কেল) সাইফুল আলম চৌধুরী, মেডিকেল অফিসার মোঃ বাকী বিল্লাহ, ডিআইও-১, ওসি (ডিবি), কোর্ট ইন্সপেক্টর, আরআই (পুলিশ লাইন্স), টিআই (প্রশাসন), সকল থানা, ফাঁড়ি, তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জগণ সহ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও ফোর্সবৃন্দ।

  • সুজানগরে অবৈধ ইটভাটা গিলে খাচ্ছে তিন ফসলি জমি,ক্ষুব্ধ কৃষক

    সুজানগরে অবৈধ ইটভাটা গিলে খাচ্ছে তিন ফসলি জমি,ক্ষুব্ধ কৃষক

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর(পাবনা) ঃ নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে পাবনার সুজানগর উপজেলায় গড়ে উঠেছে তিন ফসলি কৃষি জমিতে অবৈধ ইটভাটা। তিন ফসলি জমিতে এ সকল ইটভাটা নির্মাণ নিয়ে ক্ষুব্ধ স্থানীয় কৃষকেরা। শুধু তাই নয় অবৈধভাবে নির্মাণ করা এ সকল ইটভাটাগুলোতে প্রকাশ্যে কাঠ পুড়িয়ে তৈরি করা হচ্ছে ইট। দেদারছে কাঠ পোড়ালেও সেটা দেখার কেউ নেই। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ভাটা মালিক জানান, তারা বিভিন্ন সময় সরকারি, বেসরকারি, দলীয় ও সামাজিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মোটা অংকের চাঁদা দিয়ে থাকেন। তাই তাদের ভাটাগুলোতে অবৈধভাবে কাঠ পোড়ানো সহ ভাটার অন্য নিয়ম ভহির্ভূত কোন কর্মকান্ডেই তেমন কোন অসুবিধা হয় না। তার মতে, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিতে খাজনার চেয়ে বাজনাই বেশী হয়। ইটভাটা সংক্রান্ত আইন কানুন সহজ করা হলে একদিকে যেমন আমাদের ব্যবসা পরিচালনা করা সহজ হবে,তেমনি সকলেই সরকারি আইন মেনে চলতে পারবেন। জানা যায়,সরকারি নিয়মনীতি না মেনে সুজানগর উপজেলায় অবৈধভাবে তিন ফসলি কৃষি জমি গ্রাস করে গড়ে উঠেছে ১০টির অধিক ইটভাটা । অবৈধভাবে গড়ে উঠা এসকল ইটভাটার কারণে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে কৃষি জমিতে ফসল উৎপাদনকারী কৃষকেরা,কমেছে কৃষি জমি,বাড়ছে পরিবেশ দূষণ । ইট প্রস্তুত ও ভাটা (নিয়ন্ত্রণ) আইন অনুযায়ী কৃষি জমি,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বনভূমি,অভয়ারণ্য,জনবসতিপূর্ণ ও আবাসিক এলাকায় ও বছরে একের অধিক উৎপাদিত ফসলী কৃষি জমিতে ইটভাটা স্থাপন করা নিষেধ রয়েছে । কিন্তু সে আইন লঙ্ঘন করে সুজানগর উপজেলার প্রভাবশালী ব্যাক্তিরা গড়ে তুলেছেন ইটভাটা। এতে ভাটা থেকে নির্গত ধোঁয়া অতি সহজেই লোকালয় ও ক্ষেত-খামারে ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে বিপর্যস্ত হচ্ছে পরিবেশ। দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে জনজীবন। শুধু তাই নয় গ্রামীণ রাস্তা ব্যবহার করে ভারী যানবাহন দিয়ে ইট ও ইট তৈরির কাঁচামাল পরিবহন করায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে পাকা রাস্তা। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, ইটভাটা তৈরি করতে হলে ট্রেড লাইসেন্স,বিএসটিআই এর সনদ, পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র,জেলা প্রশাসক প্রদত্ত লাইসেন্স, কৃষি অধিদপ্তরের প্রত্যয়ন পত্র সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে ইটভাটা স্থাপন করতে হয়। কিন্তুু উপজেলার বেশিরভাগ ইটভাটারই লাইসেন্স সহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র নেই। আর যাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে,সে সকল ভাটা মালিক প্রতি বছর লাখ লাখ টাকা ভ্যাট দিচ্ছে সরকারকে। অথচ অবৈধভাবে গড়ে উঠা ভাটাগুলো থেকে সরকার প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। শুধু তাই নয় নিয়মানুযায়ী প্রতিটি ইটের পরিমাপ ৭.৩০ এবং ৩.৭৫ ইি হওয়ার কথা থাকলেও ইটভাটানিয়মনীতি উপেক্ষা করে এক শ্রেণীর ভাটা মালিক তাদের ইচ্ছেমত ইটের ওজন ও সাইজ তৈরি করে অবাধে বিক্রি করছেন। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম জানান, উপজেলায় যে কৃষি জমি রয়েছে সে সকল জমির বেশিরভাগই দুই বা তিন ফসলী জমি, আর এ ধরনের জমিতে ইটভাটা করার কোন নিয়ম নাই। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) সুখময় সরকার শনিবার জানান, যে সকল ইটভাটার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই সেই সকল ইট ভাটার বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি ।।

  • নড়াইলের পল্লীতে কৃষককে কু*পিয়ে খু*ন

    নড়াইলের পল্লীতে কৃষককে কু*পিয়ে খু*ন

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//

    নড়াইলে জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ধরে কৃষককে কুপিয়ে খুন। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার চরদিঘলিয়া গ্রামে কৃষক ওলিয়ার মোল্যাকে (৬০) কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, শনিবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে তার বাড়ির পাশে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওলিয়ার চরদিঘলিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক মোল্যার ছেলে।
    নিহতের স্ত্রী আছমা বেগমসহ পরিবারের সদস্যরা জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পঞ্চপল্লীর মাতব্বর ফিরোজ, মফিজ ও রোকন মোল্যার নেতৃত্বে অন্তত ২০ জন ওলিয়ার মোল্যাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে। ঘটনার সময় ওলিয়ার বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশ্যে মাঠে যাচ্ছিলেন।

    লোহাগড়া থানার ওসি কাঞ্চন কুমার রায় বলেন, ওলিয়ারের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।

  • নড়াইলে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সরিষা চাষ

    নড়াইলে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সরিষা চাষ

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//

    নড়াইলে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সরিষা চাষ। নড়াইলে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ‘রিলে’ পদ্ধতির সরিষা চাষ।রিলে’ বা ‘সাথী’ পদ্ধতির ফলে দুই ফসলি জমি এখন তিন ফসলিতে রূপান্তর হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নড়াইল জেলাতেও এ পদ্ধতিতে চাষাবাদ বেড়েছে। ‘রিলে’ পদ্ধতিতে মূলত আমন ধানের সঙ্গে উন্নত জাতের সরিষা চাষাবাদ করা হয়। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, ‘রিলে’ পদ্ধতি অনেকের কাছে শুনতে নতুন মনে হলেও দিন দিন জনপ্রিয়তা বাড়ছে। কম খরচে ভালো উৎপাদন হওয়ায় কৃষকেরা এ পদ্ধতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হচ্ছেন। গত বছরের তুলনায় রিলে পদ্ধতিতে এবার দ্বিগুণ সরিষা চাষাবাদ হয়েছে। তাই ভালো ফলনেরও স্বপ্ন বুনছেন কৃষক।
    নড়াইল সদরের বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের টুকু মিয়া বলেন, আমরা আমন ধান কাটার আগেই সরিষার বীজ বুনি। তবে এই পদ্ধতিতে বীজ বুনতে দেখে অনেকের সন্দেহ ছিল, সরিষা হবে কিনা, এ কাজে আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান সহযোগিতা করেন। এখন ভালো সরিষা দেখে মন ভরে যায়। রিলে পদ্ধতিতে সরিষার ভালো ফলন দেখে এলাকার অনেকে উদ্বুদ্ব হয়েছেন।
    একই গ্রামের দীপক কুমার রায় জানান, তারা আমন ধান কাটার আগেই বারি-১৪ জাতের সরিষার বীজ বপন করেন। সরিষা ঘরে তোলার পরই এ জমিতে বোরো ধান আবাদ করবেন। রিলে পদ্ধতির ফলে জমিতে এখন তিন ফসলের চাষাবাদ করা যাচ্ছে। তারা আগামিতে মাঠ ভরে রিলে পদ্ধতিতে সরিষার চাষ করবেন বলে জানিয়েছেন।
    বগুড়া গ্রামের সিদ্দিক শেখ বলেন, ৩৬ শতক জমিতে সরিষার চাষ করেছি। তবে গত ৭ ডিসেম্বরের বৃষ্টিতে কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। তবে এখন অবস্থা বেশ ভালো। সরিষা উঠে গেলে ধান চাষ করব।
    শহিদুল ইসলাম বলেন, সরিষা খুব লাভজনক। ১২০ শতক জমিতে সরিষার চাষ করেছি। আশা করছি ভালো ফলন পাব। সুধান বিশ্বাস বলেন, সরিষার দাম বেশ ভালো। প্রতিমণ চার হাজার টাকা। আমি ২৮ শতক জমিতে সরিষা বুনেছি।
    এ ব্যাপারে নড়াইল সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান বলেন, ‘ক্লাইমেট-স্মার্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে খুলনা কৃষি অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন প্রকল্প’ এর আওতায় রিলে পদ্ধতিতে উন্নত জাতের বারি সরিষা-১৪ চাষাবাদ নড়াইলে বেশ সাড়া ফেলেছে। এতে করে একই জমিতে রোপা আমন ধানের পাশাপাশি সরিষা চাষ হচ্ছে।
    তিনি বলেন, আমন ধান ধানকাটার আগ মুহূর্তে নাড়া বা বিছালীর মধ্যেই উন্নত জাতের সরিষা বীজ ছিটিয়ে দেওয়া হয়। ধানকাটা শেষ হলে সরিষা গাছ বড় হয়ে যায়। এতে নতুন করে জমি যেমন চাষাবাদ প্রয়োজন হয় না, তেমনি সাধারণভাবে সরিষা চাষাবাদের চেয়ে রিলে পদ্ধতির সরিষা আগে ঘরে তুলতে পারেন কৃষকেরা। ফলে রিলে পদ্ধতির সরিষা চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
    তিনি আরও বলেন, সরিষা উঠে গেলে এ জমিতেই বোরো ধান চাষাবাদ করা হবে। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাসহ সদর উপজেলা কৃষি অফিস রিলে চাষাবাদে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন। আমরা নিয়মিত মাঠ পরিদর্শনে যাচ্ছি। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকলে সদরের বাঁশগ্রাম ও গোপালপুর বিলে গিয়ে রিলে চাষাবাদের সাফল্য দেখে এসেছি।
    নড়াইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক দীপক কুমার রায় বলেন, এ মৌসুমে নড়াইল জেলায় ১২ হাজার ৮৮৮ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষাবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে রিলে পদ্ধতিতে সরিষা চাষাবাদ হয়েছে। গত বছর এ পদ্ধতিতে আবাদ হয়েছিল দেড় হাজার হেক্টরে। রিলে এবং সাধারণ পদ্ধতি মিলে গত বছরের তুলনায় এ মৌসুমে মোট আবাদ বেড়েছে ৩ হাজার ৬৭৩ হেক্টর জমিতে।
    তিনি বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সরিষার ফলন ভালো হবে বলে আশা করছেন সবাই। আগামী তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে সরিষা ঘরে তোলা সম্পন্ন হবে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী প্রতিটি জমি কাজে লাগাতে চাই। ভোজ্য তেলের উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমাতে চাই। এছাড়া এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদী না থাকে, সেই লক্ষে নড়াইল কৃষি বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে।

  • তানোরউপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মামুন

    তানোরউপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মামুন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোর উপজেলা পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সম্পাদক ও কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) দুবারের সফল চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল-মামুন প্রস্ত্ততি নিচ্ছেন বলে গুঞ্জন উঠেছে।
    স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, উচ্চ শিক্ষিত, তরুণ ও মেধাবী রাজনৈতিক নেতা
    আব্দুল্লাহ আল-মামুন। তিনি দলীয় মনোনয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দীতার ইচ্ছে প্রকাশ করে নির্বাচনের প্রস্ত্ততি করছেন বলে নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের মাঝে আলোচনা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান হিসেবে উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন ও সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ডে দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজে ও তার পরিবার সম্পৃক্ত রয়েছে।
    জানা গেছে, উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে উচ্চ শিক্ষিত, তরুণ, পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ ও মেধাবী নেতৃত্ব হিসেবে তার একটা নিজ্বস্ব ব্যক্তি ইমেজ রয়েছে। অন্যান্য সবকিছু তার অনুকুলে রয়েছে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হলে তার বিজয়ের সম্ভবনা অত্যন্ত উজ্জল বলে মনে করছে তৃণমুলের নেতাকর্মীরা। তৃণমূলের অভিমত, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে তিনি আশাবাদী হয়ে উঠেছেন।
    স্থানীয়রা জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান হবার সকল যোগ্যতা থাকার পরেও রাজনৈতিক গ্যাড়াকলে পড়ে তিনি স্থানীয় সাংসদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে সুন্দর সুযোগ নষ্ট করেছেন। কিন্ত্ত দীর্ঘদিন অতিবাহিত হবার পর তার বোধহয় হয়েছে, রাজনীতি করা মানুষ রাজনীতির বাইরে চাইলেও থাকতে পারে না। আর রাজনীতি করতে চাইলে মুলস্রোতের বিপরীতে টিকে থাকা যায় না। এই বোধহয় থেকেই তিনি আবার সাংসদের সঙ্গে গাঁটছাড়া বেঁধে রাজনীতি করতে চান। সাধারণ মানুষের অভিমত যেখানে একটি পরিবারের দুই ভাই থাকলে তাদের মধ্যেই মতবিরোধ সৃষ্টি হয়। সেখানে রাজনীতিতে নেতাকর্মীদের মাঝে মতবিরোধ মতপার্থক্য থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। আবার দলের প্রয়োজনে তারা ঐক্যবদ্ধ হবে এটাও স্বাভাবিক।এছাড়াও মামুনদের মতো নেতৃত্ব মুলধারার সঙ্গে থাকা প্রয়োজন সেটা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে।
    এদিকে মামুনের একটি ঘনিষ্ঠ সুত্র জানায়,ইতমধ্যে তিনি স্থানীয় সাংসদের সঙ্গে গাঁট ছাড়া বাধার অঙ্গীকার করে রাজনীতিতে সরব হবার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন।
    সুত্র জানায়, মামুন জনসাধারণের কাছে অঙ্গীকার প্রকাশ করে বলেছেন,তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান তিনি তার সকল যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে সাংসদের সহযোগিতায় উপজেলার অবহেলিত জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে
    কাজ করবেন। তার পরিবারের সকলেই সমাজে প্রতিষ্ঠিত। ফলে তাঁর ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই, মূত্যুর আগে তিনি তানোরবাসীর জন্য একটা কিছু করে যেতে চান। ইতমধ্যে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড তাকে সবুজ সঙ্কেত দিয়ে সাংসদের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা হচ্ছে।
    জানা গেছে, আব্দুল্লাহ আল-মামুনের জন্ম একটি অন্যতম রাজনৈতিক সচেতন ও সমভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। উপজেলা জুড়ে তার পরিবারের ব্যাপক সামাজিক
    পরিচিতি রয়েছে এবং ছাত্র জীবন থেকেই তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত। বাংলাদেশ
    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবাইদুল কাদের এবং প্রতিমন্ত্রী এ আরাফাতসহ জাতীয় পর্যায়ে অনেক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তার রয়েছে গভীর ও নিবিড় সম্পর্ক। একজন উচ্চ শিক্ষিত সৎ, যোগ্য ও আদর্শিক নেতৃত্ব
    হিসেবে তার একটা পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ রয়েছে সর্ব মহলে।
    স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণের
    অভিমত, এসব বিবেচনায় আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে তিনি প্রার্থী হলে তার বিজয় প্রায় নিশ্চিত।
    তাকে একজন যোগ্য ও শক্ত প্রার্থী বলে বিবেচনা করছে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা আওয়ামী লীগের এক জৈষ্ঠ নেতা বলেন, উপজেলার অধিকাংশ জনপ্রতিনিধি ও নেতা এলাকায় নিজ নিজ বলয় তৈরীতে ব্যস্ত। অধিকাংশক্ষেত্রে তারা দলের সাংগঠনিক কাজে নিবেদিতপ্রাণ নয়। যার প্রমাণ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে প্রমাণ হয়েছে।এবিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও আব্দুল্লাহ আল মামুনের কোনো বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।#

  • ত্রিশালের বইলর,কাঁঠাল ইউনিয়নে নবনির্বাচিত এমপি আনিছের বিশাল সংবর্ধনা

    ত্রিশালের বইলর,কাঁঠাল ইউনিয়নে নবনির্বাচিত এমপি আনিছের বিশাল সংবর্ধনা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, ত্রিশাল পৌরসভার সাবেক ৩বারের মেয়র,উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি, সাবেক ছাত্রনেতা আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ বলেছেন, ত্রিশালের মানুষ আমাকে ট্রাক মার্কায় বিপুল ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। আমি আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমার প্রতি বিশ্বাস রাখুন,সকলের সহযোগিতা পেলে পাল্টে দেবো উপজেলার চেহারা। গড়ে তোলা হবে মডেল উপজেলা। শতভাগ প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিতে সহযোগিতা করা হবে। সেবাকেন্দ্র, স্যাটেলাইট ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে টেলিমেডিসিন সেবাকেন্দ্র চালু করা হবে। যাতে করে এলাকায় বসে অভিজ্ঞ ডাক্তারদের পরামর্শ নিয়ে স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন।

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর
    শনিবার (১৩ জানুয়ারী) বিকালে উপজেলার ধানীখোলা,বইলর ও কাঁঠাল ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব একথা বলেন।

    নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান বলেন, ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে আরো’ উন্নীত করা, বেকারদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, নার্সিং ইনস্টিটিউট, ব্রহ্মপুত্রের তীরে রক্ষা বাঁধ প্রকল্প, উপজেলা থেকে বিভিন্ন ইউনিয়ন সংযোগ সড়ক প্রকল্প এবং উপজেলার জন্য আলাদা গ্যাস লাইন স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে । এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে পাল্টে যাবে ত্রিশাল উপজেলা ।

    স্মার্ট বাংলাদেশ এর অন্তর্ভুক্ত স্মার্ট ত্রিশাল গড়তে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে নবনির্বাচিত এমপি আনিছ বলেন, যারা যতই ষড়যন্ত্র করুক না কেন- এই ষড়যন্ত্র কখনোই সফল হবে না। কারণ দেশের জনগণ শেখ হাসিনার সঙ্গে আছে। তাই কোনো অপশক্তি ষড়যন্ত্র করে নবগঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদের কার্যক্রমকে বানচাল করতে পারবে না।

    তিনি বলেন-আগামী ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে জননেত্রী শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। ত্রিশালকে আধুনিক মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা- এই এলাকার মানুষের বহুদিনের কাঙ্ক্ষিত চাহিদা পুরণে সবসময় পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ। কালির বাজার রেলওয়ে ষ্টেশনে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগর উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ত্রিশালের প্রবীণ রাজনীতিবিধ ফজলে রাব্বি,উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল নয়ন,সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর তরফদার, সাবেক ছাত্রনেতা মাহবুব আলম পারভেজ,সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন কামাল,বণিক সমিতির সভাপতি রফিকুল ইসলামসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এসময় নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য চলতি মাসের ২০তারিখে বহুল আলোচিত বইল-ধানীখোলা রাস্তা নির্মান কাজের উদ্বোধন করার প্রতিশ্রুতি সহ চলতি বছরেই বইলরে ৫টি রাস্তা,কাঁঠাল ইউনিয়নে ৪টি রাস্তা পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল রাস্তা, মসজিদ ও স্কুল প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়ন কাজের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

  • শীতের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হাসপাতালে বাড়ছে দগ্ধ রোগীর সংখ্যা

    শীতের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হাসপাতালে বাড়ছে দগ্ধ রোগীর সংখ্যা

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধ

    এবার পৌষের শীতে কাঁদছে উত্তর জনপদের মানুষ। বিশেষ করে ছিন্নমূল, দরিদ্র দিনমজুর পরিবারগুলো হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শীত নিবারণের জন্য খড়কুটোর আগুন জ্বালিয়ে গা গরম করতে গিয়ে অসাবধানতায় দগ্ধ হচ্ছে নারী শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ । শীতের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হাসপাতালে বাড়ছে দগ্ধ রোগীর সংখ্যাও। তাদের অধিকাংশ নারী ও শিশু।

    রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার দুপুর পর্যন্ত গত ৪ দিনে দগ্ধ হয়ে ৮ জন ভর্তি হয়েছে। তারাসহ হাসপাতালে ১২ দিনের ব্যবধানে দগ্ধ হয়ে ৪২ জন রোগী ভর্তি আছে। তাদের মধ্যে বার্ন ইউনিটে ১১ জন এবং বাকিদের সার্জারি, শিশু ও মহিলা ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের কেউ কেউ শীত থেকে বাঁচার জন্য আগুন পোহাতে কিংবা কেউ শীত নিবারণে গরম পানি ব্যবহার করতে গিয়ে দগ্ধ হয়।

    গত বুধবার থেকে গতকাল পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হওয়া পাঁচজন হলো কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার সাজু মিয়ার স্ত্রী ববিতা বেগম (৩৫), কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার আশরাফুল আলমের মেয়ে আয়শা সিদ্দিকা (৬), রংপুর মহানগরীর মুন্সিপাড়া এলাকার আলেয়া বেগম (৬৫), লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সবুজ চন্দ্র রায়ের স্ত্রী পলি রানী (৩০) এবং নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার মমিনুর ইসলামের স্ত্রী খাদিজা বেগম (৪০)। তারা খড়কুটো জ্বালিয়ে ও চুলার আগুনে শীত নিবারণ করতে গিয়ে দগ্ধ হয়েছে।

    গতকাল রমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটসহ সার্জারি ও শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, দগ্ধ রোগীরা ছটফট করছে। হাসপাতালের শয্যায় ক্ষত নিয়ে কাতরাচ্ছিলেন লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের বাসিন্দা বিথী আক্তার। তিনি বলেন, ‘জান বেড়ে যাওয়া জার (শীত) থাকি বাঁচির তকনে আগুন পোহার গেছনু। সেই আগুন গাওত কখন ধরছে কবারে পাও না। আল্লাহ সহায় আছল, তকনে এ্যালাও বাঁচি আছু। হাসপাতালোত চিকিৎসা নেওছু। নাইতিন পুড়ি ছাই হয়া গেনু হয়।’

    শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে মায়ের রান্নার চুলার পাশে আগুন পোহাতে গিয়ে পা থেকে কোমর পর্যন্ত পুড়ে ফেলেছে শিশু আয়েশা সিদ্দিকা। পোড়া ক্ষত নিয়ে কাতরাচ্ছে হাসপাতালের শয্যায়। আয়েশার মা শাহানা বেগম বলেন, ‘মাটির চুলায় ভাত বসাইছি। মেয়েটা চুলার পাশোত গরম তাপ নিবার বসছিল। কিন্তু কখন যে ওর জামার কাপড়োত আগুন ধরিয়া কী থাকি, কী হইল কবার পারি না। মেয়েটার খুব কষ্ট হওছে।’

    বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা. শাহ মো. আল মুকিত বলেন, এখানে চিকিৎসাধীন রোগীর এক-তৃতীয়াংশই শীত থেকে রক্ষা পেতে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়েছে। রংপুর অঞ্চলে শীত এলেই প্রতিবছর অগ্নিদগ্ধের ঘটনা বেড়ে যায়, রোগীর চাপ বাড়ে। বর্তমানে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

    চিকিৎসক ফারুক আলম জানান, গত তিন দিনে ভর্তি হওয়া পাঁচজনের কারও কারও শরীরের ১০-৪০ শতাংশ; আবার কারও ৪০-৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে। দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

  • সরকারের ২ হাজার ৬শ কম্বল  আগৈলঝাড়ায় শীতার্তদের মাঝে বিতরণ

    সরকারের ২ হাজার ৬শ কম্বল আগৈলঝাড়ায় শীতার্তদের মাঝে বিতরণ

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কনকনে শীতের তীব্রতা থেকে রেহাই পেতে অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে সরকারের ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রনালয়ের দুই হাজার ছয়শ পিচ কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ মোশারফ হোসেন সাংবাদিক বি এম মনির হোসেনকে জানান, সরকারের ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রনালয় থেকে বরাদ্দকৃত দুই হাজার ছয়শ কম্বল ১৩জানুয়ারি শনিবার সকালে উপজেলা পাঁচটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের কাছে বিতরণের জন্য প্রদান করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যানগন ৪৫টি ওয়ার্ডের অসহায়, দুস্থদের মধ্যে ওই সকল কম্বল বিতরণ করবেন। রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইলিয়াস তালুকদার ও গৈলা মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুল হোসেন টিটু তালুকদার সাংবাদিক বি এম মনির হোসেনকে বলেন সরকারের বরাদ্দকৃত কম্বল পেয়ে তাৎক্ষনিকভাবে তারা ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত দুস্থদের মধ্যে বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেন। পরে সংশ্লিষ্ঠ মেম্বরদের মাধ্যমে প্রতি ওয়ার্ডে বিতরণের জন্য কম্বলগুলো ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রেরণ করলে মেম্বরগন স্থানীয় অসহায় ও দুস্থদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেছেন।চেয়ারম্যানদ্বয় আরো জানান- চাহিদার তুলনায় কম্বল অপ্রতুল হওয়ায় প্রাপ্যতার সকলকে কম্বল বিতরণ করা যায়নি; ভবিষ্যতে বরাদ্দো সাপেক্ষে বঞ্চিতদের কম্বল প্রদান করা হবে। রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইলিয়াস তালুকদারের সভাপতিত্বে কম্বল বিতরেন সময়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ সিদ্দিকুর রহমান মৃধা, রাজিহার ইউপি সচিব গৌতম পাল, ইউপি সদস্য মোঃ হাবুল ঘরামী সহ অনেকে। গৈলা মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুল হোসেন টিটু তালুকদারের সভাপতিত্বে কম্বল বিতরেন সময়ে উপস্থিত ছিলেন গৈলা ইউপি সদস্য তরিকুল ইসলাম চান, মশিউর রহমান সরদার, সৌরভ মোল্লা প্রমুখ।

  • নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন হালদার গ্রুপের চেয়ারম্যান

    নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন হালদার গ্রুপের চেয়ারম্যান

    মোহাম্মদ লিটন মাহমুদ মুন্সীগঞ্জঃ

    আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা ১২ আসনের নব-নির্বাচিত এমপি আসাদুজ্জামান কামাল খান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়ের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন হালদার গ্রুপের চেয়ারম্যান সাব্বির হাসান সাগর হালদার ।

    ৭ই জানুয়ারি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তৃতীয়বারের মতন বিপুল ভোটে ঢাকা ১২ আসন থেকে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ।
    হালদার গ্রুপের চেয়ারম্যান সাব্বির হাসান সাগর হালদার সৌজন্যে সাক্ষাৎ করলেন ৮ই জানুয়ারি তৃতীয় বারের মতন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আসাদুজ্জামান কামাল মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়ের সাথে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ।

  • কালীগঞ্জে রাইস ট্রান্সপ্লান্টার যন্ত্রের সাহায্যে  ধানের চারা রোপনের শুভ উদ্বোধন

    কালীগঞ্জে রাইস ট্রান্সপ্লান্টার যন্ত্রের সাহায্যে ধানের চারা রোপনের শুভ উদ্বোধন

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
    লালমনিরহাট জেলা কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডা ইউনিয়নের সুন্দ্রাহবি এলাকায় ১৫০ বিঘা জমিতে বোরো সমলয় কার্যক্রমের রাইস ট্রান্সপ্লান্টার যন্ত্রের সাহায্যে হাইব্রিড নাফকো ২ জাতের ধানের চারা রোপনের শুভ উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জহির ইমাম, সহকারী কমিশনার(ভূমি) ইসাত জাহান ছনি,উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ছাইয়েদুল মোফাচ্ছালিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদ খাতুন, তুষভান্ডার ইউপি চেয়ারম্যান নর ইসলাম আহমেদ, অতিরিক্ত উপজেলা কৃষি অফিসার তুষার কান্তি রায়,কৃষি সম্পশারন অফিসার মোজাক্কের নোমান, অফিস সহকারী আলতাফ হোসেন, ও প্রান্তিক কৃষক সহ আরো অনেক। কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন বলেন, এ অঞ্চলের মাটি ও আবহায়া ধান চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় জমিতে বোরো কার্যক্রমের রাইস ট্রান্সপ্লান্টার যন্ত্রের সাহায্যে হাইব্রিড ধানের চারা রোপনের ঝুঁকছেন কৃষকরা। আমরা চলতি মৌসুমে প্রণোদনার আওতায় তাই কৃষককে বিনামূল্যে বীজ ও সার সরবরাহ করেছি। পাশাপাশি আধুনিক পদ্ধতিতে ধান চাষে তাদের নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।

    হাসমত উল্লাহ ।।