Blog

  • বরগুনার তালতলীতে গরুসহ চোর আটক

    বরগুনার তালতলীতে গরুসহ চোর আটক

    মংচিন থান বরগুনা প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলী উপজেলায় পাঁচটি গরুসহ শ্রী সুভাষচন্দ্র বেপারী (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

    সোমবার ( ১৫ জানুয়ারী) ভোররাত ৪ টার দিকে উপজেলার বাদুরগাছা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

    আটককৃত ব্যক্তি হলেন, শ্রী সুভাষচন্দ্র পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রমনী চন্দ্র বেপারীর ছেলে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, উপজেলার আঙ্গার পাড়া এলাকার ইদ্রিস হাওলাদারের গোয়াল ঘর থেকে পাঁচটি গরুচুরি করে পালাচ্ছিলেন শ্রী সুভাষ চন্দ্র বেপারী। টের পেয়ে পার্শ্ববর্তী এলাকার লোকজন গরুসহ তাকে আটক করে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে ধরে নিয়ে যায়।

    তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় বাসিন্দারা চোরকে পুলিশে দিলে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

    মংচিন থান
    বরগুনা প্রতিনিধি

  • পঞ্চগড়ে নাবালিকাকে অপহরণের দায়ে মামলা

    পঞ্চগড়ে নাবালিকাকে অপহরণের দায়ে মামলা

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ;
    পঞ্চগড় জেলা সদরে হারিভাসা ইউনিয়নে বড়বাড়ী গ্রামের আলিফ নুরা আক্তার(১৫) নামে এক নাবালিকা শিক্ষার্থীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ায় একই ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের বখাটে ফারুকের পিতা আব্দুল জলিল (২) ফরিদ হোসেন পিতা আব্দুল জলিল (৩) আলাআমিন পিতা মৃত মজিবর ও সোমপাড়া গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে আলামিনের নামে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল পঞ্চগড় ২০০০ সালের নারী শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী /০৩) এর ৭/৩০ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন আলিফ নুরার পিতা আনারুল ইসলাম বাদী হয়ে।

    মামলা সূত্রে জানা যায় গত ৪/১/২৪ ইং তারিখ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয় ঘটিকার সময় উপরোক্ত চারজন।
    ভুক্তভোগী আনারুলের বাড়ির আশপাশে পূর্বে কিছুদিন ধরে ঘোরাফেরা করছিল বলে আনারুল জানান। আলিফ নুরা আকতার সয়ন ঘর থেকে নিয়ে পালিয়ে চলে যায় এখন পর্যন্ত নিখোঁজ।

    অন্যদিকে বখাটে ফারুক গত ২৩/১২ ২০২৩ ইং তারিখে রাত ৯ ঘটিকার সময় গোপনে ঘরের ভিতর ঢুকে আলিফ নুরার মুখ চাপিয়ে ধর্ষণ করে। ভিকটিমের বাবা-মা টের পেলে ফারুক হুমকি দিয়ে পালিয়ে চলে যায়। অবস্থায় মেয়ের বাবা কোন উপায়ান্তর না দেখে পরের দিন গত ২৪/১২ /২৩

    মেয়েকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করান এবং পঞ্চগড় সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন মামলা নং ২৯ পঞ্চগড় সদর থানার ওসি তদন্ত মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন রঞ্জু আহমেদ। মেয়ের পিতা অসহায় আনারুল ইসলাম জানান বখাটে ফারুকের বিচারের জন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আকুল আবেদন করছি।

  • সম্পাদক ও সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব নিয়ে হস্তক্ষেপ করার অধিকার কারো নেই

    সম্পাদক ও সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব নিয়ে হস্তক্ষেপ করার অধিকার কারো নেই

    হেলাল শেখঃ যেকোন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব নিয়ে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ করার অধিকার কারো নেই। দেশের যেসকল সম্পাদক ও সাংবাদিকদের উপর হামলা মামলা নির্যাতন করা হয়েছে, সেইসকল ঘটনা ও অপরাধের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছেন আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ), তিনি বলেন, সাংবাদিকদেরকে ঘায়েল করতে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় একটি মহল। সাংবাদিকদের মহান পেশাকে অসম্মান করার অধিকার কারো নেই। জাতি জানতে চায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কতটুকু?।
    বিশেষ করে সাংবাদিকদের নিয়ে ষড়যন্ত্র করলে তা জাতির জন্য ভালো হবে না। প্রিন্ট প্রত্রিকা-সংবাদপত্র ছাপা ও সাংবাদিকতায় চরম বাধা সৃষ্টি করছে যারা তাদের অপকর্ম, অনিয়ম, দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করে জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। অনলাইন পোর্টাল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার ও সাংবাদিকতায় এক পর্যায়ে কাজ করছে কিছু অসাধু লোকজন, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরী, এতে প্রকৃত সাংবাদিক ও সম্পাদক মহোদয়ের সম্মান রক্ষা হবে। অন্যদিকে কাগজপত্র প্লেটের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় প্রিন্ট পত্রিকা ছাপানো কঠিন হচ্ছে। চোর বাটপার ও খারাপ প্রকৃতির ব্যক্তির কারণে প্রকৃত সাংবাদিকতায় চরম বাঁধা সৃষ্টি করেছে। যা প্রকৃত সাংবাদিকদের জন্য লজ্জাজনক। কিছু অসাধু ব্যক্তির অত্যাচারের কারণে অনেকেই মহান পেশা সাংবাদিকতা ছেড়ে অন্য পেশায় যাচ্ছেন অনেকেই। কিছু ফিটিংবাজ দালালরা সাংবাদিকতায় আসছে, কিছু খারাপ প্রকৃতির ব্যক্তি সাংবাদিকের পরিচয়পত্র নিয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে, মাদক সেবন ও বিক্রি করছে, সুদের ব্যবসা করছে, এটাই বড় সমস্যা। নিজে সংবাদ সংগ্রহ করে তা লিখে প্রকাশ করা এতো সহজ নয়। মানুষ হিসেবে প্রতিদিন একটি করে ভালো কাজ করা যায়, তা মনের ব্যাপার। দেশের প্রকৃত সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে কিন্তু তার বিনিময়ে কি পাচ্ছেন তারা? প্রকৃত সাংবাদিকরা কি জনগণের প্রয়োজনে প্রিয়োজন? কারো পক্ষে বা বিপক্ষে সংবাদ প্রকাশ করলেই কোনো সাংবাদিক কারো গোলাম বা চাকর হয়ে যায়না, যেসকল রাজনৈতিক নেতা বা লিডার মনে করেন যে, সাংবাদিক ওরা আমার লোক, এটা ভুল ধারণা, সাংবাদিকতা পেশা এতো সহজ নয়।
    কলম সৈনিক সাংবাদিক দাবিদার নিজেদের মধ্যে যারা শক্রতা সৃষ্টি করছেন তারা বেশিরভাগই সংবাদ লিখতে পারেন না, প্রকৃত সাংবাদিকরা কখনো কারো বদনাম করেন না, নিজেদের মধ্যে শক্রতা সৃষ্টি করেন না, জাতির বিবেক হওয়া এতো সহজ নয়। সাংবাদিকতা একটা মহান পেশা, এই পেশাকে যারা ছোট করে দেখেন, সাংবাদিকদেরকে অপমান করছেন তাদেরকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক। প্রকৃত সাংবাদিক ও লেখক কখনো কোনো হামলা মামলার ভয় করে না। নেতা বা মেম্বার চেয়ারম্যান, এমপি মন্ত্রী আপনারা যে পেশা থেকেই আসেন না কেন, দয়া করে কেউ সাংবাদিকদের অপমান করবেন না, এমনকি যেকোনো পুলিশ অফিসার সাংবাদিকদের অপমান করার অধিকার রাখেন না। আপনাদের ইতিহাস প্রকৃত সাংবাদিকরাই প্রকাশ করতে পারে। দেশের গণমাধমের প্রকাশক ও সম্পাদকসহ প্রকৃত সাংবাদিকরা আপনাদের অনেকের প্রকৃত চরিত্র ইতিহাস জানেন যে, আপনারা কে কেমন প্রকৃতির মানুষ বা কেমন অপরাধ করেছেন? কে কেমন অপরাধী ? কে কেমন চরিত্রবান। রাজধানী ঢাকা, ধামরাই ও সাভার আশুলিয়াসহ সারাদেশেই একের পর এক প্রকৃত সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা, হত্যার ঘটনা ঘটেছে, এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতাসহ সচেতন মহল। সাংবাদিক নেতারা বলেন, সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার কারণেই বিভিন্ন হামলা মামলার শিকার হয়ে থাকেন। প্রকৃত সাংবাদিকদেরকে কেউ ভয় দেখাবেন না, কলমের শক্তি দিয়েই তার জবাব দেয়া হবে। আমরা সাংবাদিকরা কোনো কচু পাতার পানি নয় যে, বাতাসে পড়ে যাবো। অনেকেই ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে হামলা-মামলায় শিকার হয়ে থাকেন, ভয় করবেন না “বৃহত্তর ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য”। সাংবাদিককে অপমান করার অধিকার কারো নেই। সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা, হত্যার হুমকি’র বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমরা। বিশেষ করে নিউজ লেখতে হবে সকল সাংবাদিকদেরকে সবার সংশ্লিষ্ট মিডিয়ায় তা নিয়মিত ভাবে প্রকাশ করতে হবে। আমরা বলতে চাই ভয় করলে সাংবাদিকতা করা যায় না। নতুনদেরকে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বইসহ বেশি বেশি বই পড়া জরুরি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাংবাদিকতার মূলধারায় এগিয়ে যেতে হবে। নিজে সচেতন হতে হবে এবং অন্যদেরকেও সচেতন করতে প্রচারণা চালিয়ে যেতে হবে। কলম সৈনিকরা কখনো কারো মিথ্যা সংবাদ লিখে প্রকাশ করে না। যারা কলম হাতে নিয়ে মিথ্যা কোনকিছু লিখে তা প্রচার করে, এটাকে অপপ্রচার বলা হয়, অপপ্রচারকারী মানুষগুলো দেশ ও জাতির শক্র। দেশের ভেতরে যারা দেশ ও জাতিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হোক বলে দাবী জানান সাংবাদিক নেতারা। নতুন সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বই পড়া প্রয়োজন, প্রকৃত সাংবাদিকতা করলে তা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল হয়, মিথ্যাচার করলে তা বিপদজনক।
    প্রকৃত সাংবাদিকরা না খেয়ে থাকলেও লজ্জায় কারো কাছে হাত পেতে সাহায্য নিতে পারেন না। ৩৬৫ দিনে এক বছর, জীবনে কোনদিন ছুটি নেই সাংবাদিকদের। ৩৬৪ দিন ভালো কাজ করেন আর একদিন একজনের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করবেন এতে একটু ভুল হলেই সেই সাংবাদিক খারাপ হয়ে যায়। অপরাধীরা অপরাধ করবে তাদের বিরুদ্ধে কোনকিছু লেখা যাবেনা, ১দিন যদি তাদের বিরুদ্ধে কোনো সংবাদ প্রকাশ করছেনতো সাংঘাতিক হবেন সাংবাদিক। সাংবাদিক জাতির বিঊেশ, সেই বিবেককে গালি দিয়ে বলা হয় সাংবাদিকরা খারাপ, এটা কোন ধর্ম আর কোন বিচার ?। অনেকেই নিজেদেরকে বড় মনে করেন, নিজেদের স্বার্থের জন্য শক্রতা সৃষ্টি করেন আর একজন অন্যজনের ক্ষয়ক্ষতি করার চেষ্টায় ব্যস্ত থাকেন এটা আমাদের ভুল হচ্ছে। সবাই ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বয় করে কাজ করার মধ্যে আনন্দ আছে, “বৃহত্তর ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য”। আমাদের লেখার মধ্যেও অনেক ভুল হয়। এই জন্য সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়া দরকার। বিশেষ করে “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিক দেশ ও জাতির বিবেক, ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন, বিশেষ সম্মান অর্জন করার লক্ষ্যে কাজ করতে গিয়ে সম্মান অর্জন না হয়ে উল্টো বদনাম হচ্ছে আমাদের। সাংবাদিকতা করতে শুধুমাত্র মানুষের সুখ, দুঃখ, আনন্দ বেদনা, দুর্ঘটনাসহ সকল বিষয়ে জাতির কাছে তুলে ধরতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের অবশ্যই চোখ কান খোলা রেখে কাজ করতে হবে। সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেও কারো মনজয় করতে পারেন না কেন? ছোট একটি ভুল করলেই সাংবাদিকদের উপর হামলা, মামলা করা হয়, এমনকি হত্যার শিকার হতে হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সবাইকে বলা হয় সাংবাদিকদের সহযোগিতা করবেন কিন্তু তার উল্টো দেখা যায়, পুলিশ সাংবাদিক কি কখনো বন্ধু হতে পেরেছেন? কেউ কি খবর নিয়েছেন যে, সাংবাদিকরা কেমন আছেন? কোনো সহযোগিতা লাগবে কি না ?। অনেক সাংবাদিক আজকাল মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জনগণের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে থাকেন সাংবাদিকরা, এর বিনিময়ে কি পাচ্ছেন তারা? নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন অনেক সাংবাদিক, হয়রানিমূলক মামলার শিকার হচ্ছেন অনেকেই, যার কোনো হিসাব নেই। দেশে প্রায় ১৮ কোটি জনগণ, সেই তুলনায় আইনশৃঙ্খা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকের সংখ্যা অনেক কম, তবুও আমরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছি। ধন্যবাদ জানাই তাদেরকে যারা মানুষের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। “পুলিশ, সাংবাদিক” আইনজীবি ও জনপ্রতিধিগণ, এই চারটি শব্দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হলো “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিকতা”। বিশেষ করে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি’র বেশিরভাগ শব্দ আছে যা সাংবাদিকদের জন্য জানা অতি জরুরি-যেমনঃ সংবাদের উৎসহের মত সংবাদের উপাদান কি? মানুষ এবং প্রকৃতি, মানুষের আশা-আকাঙ্খা, আনন্দ, বেদনা, সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনাই সংবাদের মূল প্রতিপাদ্য। এর সাথে সম্পৃক্ত সকল বিষয়ই সংবাদের উপাদান। যেমনঃ কুকুর যদি মানুষকে কামড়ায় তা কোনো সংবাদ নয়, আর মানুষ যদি কুকুরকে কামড়ায় বা অপ্রত্যাশিত কিছু অপকর্ম করে তা সংবাদ হয়। নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটনা, অন্যায় অবিচার, যা মানুষের অধিকারকে হরণ করে, এরকম অনেক বিষয়কে সংবাদ বলা যেতে পারে।
    সাংবাদিকরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, এতে স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা করা সহজ হবে বলে অনেকেরই অভিমত। সাংবাদিককে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়তে হবে, সেই সাথে সর্বশেষ সংশোধনীসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ম্যানুয়েল বই এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বইসহ বেশি বেশি বই পড়তে হবে। অনেকেই জানেন না যে, ১/ সাংবাদিক মানে জাতির বিবেক। ২/ সাংবাদিক মানে দেশ প্রেমিক। ৩/ সাংবাদিক মানে কলম সৈনিক। ৪/ সাংবাদিক মানে জাতির দর্পণ। ৫/সাংবাদিক মানে জাতির সেবক। ৬/সাংবাদিক মানে শিক্ষিত জাতি। ৭/সাংবাদিক মানে স্বাধীনভাবে কাজ করা। ৮/সাংবাদিক মানে সম্মানিত জাতি। ৯/ সাংবাদিক মানে তদন্তকারী। ১০/ সাংবাদিক মানে আইন বিষয়ে জানা। ১১/ সাংবাদিক মানে সিস্টেম পরিবর্তন করা। ১২/ সাংবাদিক মানে সকল তথ্য বিষয়ে জানা। ভয়কে জয় করে সাংবাদিকতা করার মধ্যে দেশপ্রেম আছে। সাংবাদিকরা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন বলেই মানুষের ঘরের সুন্দরী নারী ও অর্থ সম্পদ নিরাপদে থাকে, স্বাধীনতা ও সম্মান অর্জন করা অনেক কঠিন- বাকিটা ইতিহাস।

  • বাড়ি বাড়ি গিয়ে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন ইউএনও

    বাড়ি বাড়ি গিয়ে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন ইউএনও

    এম এ আলিম রিপনঃ পাবনার সুজানগরে কনকনে বাতাস ও শীতের তীব্রতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বৈরী আবহাওয়ায় গত কয়েকদিন ধরে শীতের তীব্রতা বাড়ায় জনজীবন অচল হয়ে পড়েছে। শীতের এ তীব্রতাকে উপেক্ষা করে শীতবস্ত্র নিয়ে অসহায় দরিদ্র মানুষদের বাড়ি বাড়ি ছুটেছেন সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকার। রবিবার পৌরসভার কাচারীপাড়া আদিবাসী পল্লীসহ বিভিন্ন এলাকায় শীতবস্ত্র(কম্বল) বিতরণ করেন ইউএনও। এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা উপস্থিত ছিলেন। সারতী রাণী নামে এক আদিবাসী নারী বলেন শীত যায়,শীত আসে। অনেকেই সহযোগিতা পেলেও আমরা আদিবাসী পল্লীর বাসিন্দারা অনেকটাই অবহেলিত। ইউএনও স্যার নিজে এসে আমাদের মাঝে কম্বল দিয়েছেন। কম্বল পাওয়ায় আমাদের অনেক উপকার হয়েছে। ভবানীপুর গ্রামের আসমানী খাতুন বলেন, আমার অসহায় বৃদ্ধা মা কয়েকদিন ধরে শীতে কষ্ট পাচ্ছিলেন। মা কম্বল পেয়ে খুব ভালো লাগছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকার বলেন,এই শীতে গরিব মানুষগুলো খুব অসহায়।তাদের অনেকের শীতবস্ত্র কেনার সামর্থ্য নেই। তাই সবার উচিত এই কনকনে শীতে দরিদ্র অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো। আমরা প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া শীতবস্ত্র(কম্বল) নিয়ে প্রকৃত অসহায় দরিদ্রদের মাঝে বিতরণের লক্ষ্যে বের হয়েছিলাম। সরকারি নির্দেশনায় শীতার্তদের মাঝে এ শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত থাকবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি ।।

  • মৎস্য ঘেরের লবণাক্ত জমিতে সরিষার আবাদ করে সফল কৃষক হারুন গাজী

    মৎস্য ঘেরের লবণাক্ত জমিতে সরিষার আবাদ করে সফল কৃষক হারুন গাজী

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।।
    শীতের রিক্ততায় রং ও প্রাণের স্পন্দন নিয়ে এসেছে সরিষা ফুল। দিগন্ত বিস্তৃত হলুদ সরিষা ফুলে সেজে উঠেছে প্রকৃতি। চারিদিকে শুধু হলুদের সমারোহ আর মৌ মৌ গন্ধ। হলুদ প্রকৃতির এমন অপরুপ সৌন্দর্যের মুগ্ধতা ছড়িয়ে পড়েছে ঐতিহ্যবাহী কপোতাক্ষ নদের তীরে। এটি মূলত একটি মৎস্য লীজ ঘের, বছরের পর বছর ধরে এখানে মাছ চাষ করা হয়ে আসছে। বছরের প্রায় ৯ মাস লবণ পানিতে তলিয়ে থাকে চিংড়ী ঘেরটি। মাছ আহরণের পর ২ থেকে ৩ মাস পতিত পড়ে থাকে চিংড়ী ঘেরের জমি। এ বছর বদলে গিয়েছে এমন দৃশ্য। ৮০ বিঘা আয়তনের পুরো ঘের জুড়ে রয়েছে সরিষা আর সরিষা। পাইকগাছা উপজেলার মালথ গ্রামের মৃত শাহজদ্দীন গাজীর ছেলে কৃষক হারুন গাজী গদাইপুর ইউনিয়নের কপোতাক্ষ নদের তীরে হিতামপুর মৌজায় ৮০ বিঘা মৎস্য ঘেরের লবণাক্ত জমিতে বিনা চাষে বিনা-৯ জাতের সরিষার আবাদ করেছে। প্রথম বছরেই ভালো ফলন হবে বলে আশা করছেন কৃষক হারুন গাজী। বর্তমানে তার সমস্ত ক্ষেত হলুদ সরিষা ফুলে ভরে গেছে, কিছু কিছু গাছে ফলও ধরেছে। শীতের উষ্ণু হিম শীতল বাতাসে সরিষা ফুল দুলছে আর মৌমাছি গুন গুন করে গান করার মধ্য দিয়ে মধু আহরণ করছে এমন দৃশ্য মুগ্ধ করছে প্রকৃতি প্রেমী মানুষকে। অনেকেই পরিবার পরিজন, অনেকেই আবার প্রিয়জনকে নিয়ে যাচ্ছেন হলুদের সমারোহ দেখতে, সরিষা ক্ষেতে দাড়িয়ে ছবি তুলছেন, এসব ছবি পরবর্তীতে বিভিন্ন ছন্দ আর উপমা দিয়ে ছড়িয়ে দিচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। অনেকেই তৈরী করছেন রিল কিংবা টিকটক ভিডিও। এদিকে লবণাক্ত জমিতে সরিষার ভালো ফলন হওয়ায় শুধু কৃষক হারুন গাজীর সফলতা দেখছেন না কৃষি বিভাগ। কৃষক হারুনের এ সফলতাকে লবণ অধ্যুষিত উপক‚লীয় এ অঞ্চলে তেল জাতীয় ফসল উৎপাদনের অনেক সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগ। কৃষক হারুনের এ সফলতা দেখে অনেক মৎস্য চাষীরা সরিষা আবাদে আগ্রহ প্রকাশ করছেন বলে কৃষক হারুন গাজী জানান। তিনি বলেন, আমি প্রায় ১০ বছর যাবৎ কপোতাক্ষ নদের তীরে হিতামপুর মৌজায় ৮০ বিঘা জমিতে মৎস্য লিজ ঘের করে আসছি। অক্টোবর নভেম্বরের দিকে মাছ আহরণের পর চিংড়ি ঘেরের জমি ২ থেকে ৩ মাস পতিত পড়ে থাকে। এ জন্য অনেকের পরামর্শ নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে বীজ সংগ্রহ করে ৭০ বিঘা জমিতে বিনা-৯ জাতের সরিষার আবাদ করেছি। এখানে আমার কোন চাষ করা লাগেনি। ভালো ফলন হবে বলে আশা করছি। সম্পূর্ণ বিনা চাষে আবাদ করায় মাছ চাষের সাথে বাড়তি আয় হিসেবে অনেক লাভ হবে বলে ধারণা করছি। ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল আমিন সহ কৃষি বিভাগ থেকে সরিষার মাঠটি পরিদর্শন করা হয়েছে উল্লেখ করে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অসীম কুমার দাশ বলেন, দেশের মোট চাহিদার ৯০ ভাগ তেল আমদানী করতে হয়। এতে বিপুল পরিমাণ টাকা আমদানী খাতে চলে যায়। আমদানী নির্ভরতা কমাতে বর্তমান সরকার এবং কৃষি বিভাগ তেল জাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিকে অধিক গুরুত্ব দিয়েছে। এ লক্ষে কৃষি প্রনোদনা সহ কৃষককে বিভিন্ন ধরণের সহযোগিতা করা হচ্ছে। কৃষি বিভাগের এ কর্মকর্তা বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অত্র উপজেলায় সরিষার আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। এক্ষেত্রে লবণাক্ত জমিতে বিনা চাষের সরিষা আবাদ, তেল জাতীয় ফসল উৎপাদনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। আশা করছি কৃষক হারুন গাজীকে অনুসরণ করে অন্যান্য মৎস্য চাষীরাও তাদের চিংড়ি ঘেরে বাড়তি ফসল হিসেবে সরিষার আবাদ করতে এগিয়ে আসবে। বিনা চাষে সরিষা ফসল উৎপাদনের যে সম্ভবনা তৈরী হয়েছে এটি কাজে লাগাতে পারলে এলাকার কৃষকরা অনেক লাভবান হবে বলে কৃষি বিভাগের এ কর্মকর্তা জানান।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • বরুন ঘোষ হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

    বরুন ঘোষ হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ কর্মী বরুন ঘোষ হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ করেছে তার সহপাঠিরা।রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচীর আয়োজন করে তার সহপাঠি ঝিনাইদহ এসএসসি ৯৪’ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে ব্যাচের শিক্ষার্থীসহ তারা স্বজনরা বক্তব্য রাখেন। সেসময় বক্তারা বরুন ঘোষ হত্যার মুল কারণ উদঘাটন ও এর সাথে জড়িতদের সকলের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবী জানান। পরে জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি পেশ করেন তারা। গত ৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় শহরের হামদহ এলাকার নিজ বাড়ী থেকে চায়ের দোকান মাঝিপাড়ায় যায় ওই এলাকার বরুন ঘোষ। মহাসড়কে পৌঁছালে একদল দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান ।।

  • নড়াইলের বিভিন্ন বিলে ডিজিটাল ফাঁদ পেতে অতিথি পাখি শিকার

    নড়াইলের বিভিন্ন বিলে ডিজিটাল ফাঁদ পেতে অতিথি পাখি শিকার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি//

    নড়াইলের বিভিন্ন বিলে ডিজিটাল ফাঁদ পেতে অতিথি পাখি শিকার চলছে।
    কামাল প্রতাপ গ্রামের এস এম ফখরুল আলম জানান, শীত মৌসুমের ৩-৪ মাস নড়াইলের ইছামতি বিল, পিরোলী বিল, চাপুলিয়া বিল, নলাবিল, বাবুপুর বিলসহ বড় বড় বিলে নানা পদ্ধতিতে নানা প্রজাতির হাঁসপাখি, সরাল, কালকুচ, কালিম, সারসসহ বিভিন্ন জাতের পরিযায়ী পাখি শিকারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। লাহুড়িয়া গ্রামের মিরাজ খান বলেন, শীত মৌসুমে নড়াইলের বড় বড় বিল জলাশয়ের অভায়াশ্রম ঘিরে বরাবর অতিথি পাখির সমাগম ঘটে। সেই সঙ্গে শুরু হয় পাখি শিকারিদের ঘৃণ্য তৎপরতা। এসব বিলে বিভিন্ন সময় নানা পদ্ধতিতে পাখি শিকার করা হলেও বর্তমানে শিকারিদের কাছে ফাঁদ পেতে পাখির ডাক বাজিয়ে পাখি শিকার অত্যন্ত জনপ্রিয়। এ পদ্ধতিতে বিলের বিস্তীর্ণ প্রান্তরজুড়ে সারিসারি খুঁটি গেড়ে তাতে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চক্রাকারে নাইলনের মজবুত রশির স্থায়ী ফাঁদ তৈরি করে দেওয়া হয়।
    পেতে রাখা সেই ফাঁদে পাখিদের আকৃষ্ট করতে নেওয়া হয় অভিনব পদ্ধতি। চতুর শিকারিরা ইন্টারনেট থেকে বিভিন্ন পাখির ডাক ডাউনলোড করে ফাঁদের মাঝ বরাবর স্থাপন করা মাচানে সাউন্ডবক্স বসিয়ে পাখির আনাগোনা বুঝে সেই গোত্রীয় পাখির ডাক চালিয়ে দেয়। সহজাত প্রবৃত্তির কারণে স্বগোত্রীয় পাখিরা সেই ডাক লক্ষ করে ছুটে গিয়ে আটকে পড়ে মরণ ফাঁদে।
    এভাবে প্রতিদিন রাত ৮টার পর থেকে ভোর রাত পর্যন্ত চলে অভিনব কায়দায় পাখি নিধনের কর্মযজ্ঞ। জানা যায়, রাতে শিকার করা এসব পাখি সূর্যের আলো ফোটার আগেই বিক্রি হচ্ছে এক শ্রেণির অসাধু ক্রেতার কাছে।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন পেশাদার পাখি শিকারি বলেন, বাজারে অতিথি পাখির চাহিদা খুব বেশি। ধরতে পারলে বিক্রিতে কোনো সমস্যা নেই। অনেকেই অগ্রিম টাকা দিয়ে রাখেন। ফলে ভোর রাতেই পাখি তাদের বাড়িতে পৌঁছে যায়।
    পরিবেশবিদ মির্জাপুর গ্রামের এডভোকেট এস এ মতিন জানান, জেলায় এভাবে নির্বিচারে পাখি নিধনের ফলে ব্যাপকভাবে কমে গেছে পরিযায়ী পাখিদের সমাগম। পাখি শিকার বন্ধে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে অচিরেই নড়াইলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম অনুসঙ্গ পরিযায়ী পাখি প্রকৃতি থেকে অচিরেই হারিয়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি ।

    বগুড়া গ্রামের তুফান জানান, শীত মৌসুমে পাখি শিকারিদের ব্যাপক অপতৎপরতার ফলে বিলখাল-নদীনালা বিধৌত সবুজশ্যামল এ জেলার অপার সম্ভাবনাময় পর্যটন খাতের অত্যতম অনুসঙ্গ পরিযায়ী পাখির বিভিন্ন অভয়াশ্রম হুমকির মুখে পড়েছে। এতে উদ্বেগজনক হারে কমে গেছে পাখি সমাগম।

    চাচুড়ী গ্রামের নজরুল ইসলাম বলেন, পরিযায়ী এসব পাখির উন্মুক্ত প্রান্তরে অবাধ বিচরণের মধ্যদিয়ে প্রকৃতিতে শোভা বর্ধনের কথা থাকলেও শিকারির নিষ্ঠুরতায় এভাবে বস্তাবন্দি হয়ে কেজিদরে বেচা-বিক্রির পরে ভোজন রসিকদের রসনার খোরাক হতে হচ্ছে।বিলমাঠে খাদ্যের সন্ধানে এসে বরণ করতে হচ্ছে নির্মম পরিণতি।

    নড়াইলের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী বলেন, নড়াইল জেলা পাখির নিরাপদ আবাসন নিশ্চিতে ও পাখির স্বাধীন চলাচলে প্রতিবন্ধকতাসহ পাখি শিকারের যে কোনো অপতৎপরতার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক শক্ত অবস্থানে আছে। এদিকে অতিথি পাখি শিকারে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া দাবী জানিয়েছেন সচেতনমহল।

  • শীতের তীব্রতা বাড়ায় পাইকগাছায় লেপ-তোষকের চাহিদা বাড়ছে

    শীতের তীব্রতা বাড়ায় পাইকগাছায় লেপ-তোষকের চাহিদা বাড়ছে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা)।।
    খুলনার দক্ষিণঞ্চলে বইছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। পৌষের শেষের দিকে শীতের তীব্রতা বাড়ায় লেপ-তোষকের চাহিদা বাড়ছে। শীতের শুরু থেকে পাইকগাছার লেপ-তোষকের কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন। শীত নিবারণে অনেকেই লেপ-তোষক তৈরীর অগ্রীম অর্ডার দিয়েছেন। আর এসব লেপ-তোষক তৈরী করতে কারিগররা কর্মচাঞ্চল্য হয়ে উঠেছে। শীতের সময় প্রতিটি দোকানে লেপ-তোষক তৈরীর চাহিদা বেড়ে যায়। তৈরী লেপ-তোষকের পাশাপাশি অগ্রীম অর্ডার দেওয়ায় লেপ-তোষক তৈরীতে কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছে। এ বছর সিঙ্গেল ১টি লেপ ৬শ থেকে ৮শ টাকা, ডবল লেপ ৯শ থেকে ১২শ টাকা, সিঙ্গেল তোষক ৮শ থেকে ১ হাজার টাকা ও ডবল তোষক ১ হাজার থেকে ১৫শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
    পাইকগাছা পৌর বাজার, নতুন বাজার, কপিলমুনি বাজার, বাঁকা বাজার, আগড়ঘাটা বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে লেপ-তোষকের দোকান রয়েছে। এসকল দোকানে অর্ডারী লেপ-তোষকের পাশাপাশি তৈরী লেপ-তোষক সারি সারি সাজিয়ে রেখেছে। পাইকগাছা পৌর সদরের সুরাইয়া বেডিং হাইজের এর মালিক ফজর আলী জানান, শীতের শুরুতে ভালই অর্ডার পাওয়া যাচ্ছে। শীতের তীব্রতা বাড়াই কর্মব্যস্ততা আরো বেড়েছে। শীত নিবারণে উপকরণ লেপ-তোষক তৈরীতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে ব্যবসায়ীরা। তিনি আরোও বলেন, শীত এলে তুলা সহ বিভিন্ন উপকরণের দাম কিছুটা বেড়ে যায়। তাই আমাদের অধিক দামে মালামাল ক্রয় করতে হয়। কিন্তু চায়না থেকে আমদানী করা কম্বল লেপ-তোষক বাজার দখল করে রেখেছে। এতে দেশীয় তৈরী লেপ-তোষকের বাজার মার খাচ্ছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বাজারে ১৫০ থেকে ২শ টাকায় চায়না কম্বল বিক্রি হচ্ছে। এর ফলে অনেকেই লেপ তৈরী না করে কম্বল ক্রয় করছে। সুরাইয়া বেডিং এ লেপ ক্রয় করতে আসা শাহিনুর রহমান জানান, লেপ-তোষকের মূল্য বেশি বলে মনে হয়। তাই বাজারে সস্তায় পাওয়া চায়না কম্বল ক্রয়ে ঝুকছে ক্রেতারা। এ জন্য অনেকেই শীতে চায়না কম্বল ক্রয়ে আগ্রহী হচ্ছে।
    লেপ-তোষকের কারিগর আলমগীর হোসেন জানান, প্রতিদিন ৪/৫টি লেপ তৈরী করা সম্ভব, আর লেপ-তোষক মিলে ৬/৭টি তৈরী করা যায়। বাজারে এখন গার্মেন্টস এর তুলায় লেপ-তোষক তৈরী হচ্ছে বেশি। শিমুল তুলার দাম বেশি হওয়ায় গার্মেন্টস এর তুলায় শীতের উপকরণ তৈরী হচ্ছে। গার্মেন্টস এর তুলায় একটি বালিশ তৈরী করতে ১৫০ টাকা খরচ হয়। আর শিমুল তুলায় একটি বালিশ তৈরী করতে ৬শ টাকা খরচ হয়। আর এ জন্য ক্রেতারা গার্মেন্টস এর তুলায় শীতের উপকরণ তৈরী করছে। শীত জেকে বসতে শুরু করেছে, তাই লেপ-তোষকের চাহিদাও বাড়ছে। তিনি আরো জানান, শীতের তীব্রতা বাড়লে লেপ-তোষক তৈরীর চাহিদা আরো বেড়ে যায়। শীতের তীব্রতা বাড়াই লেপ-তোষক, যাজিমের বিক্রি বেশি হওয়ায় ব্যবসায়ীরা দোকানগুলোতে সারি সারি লেপ-তোষক সাজিয়ে রেখেছেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • নড়াইলের সন্ত্রাসী সজিব আগ্নেয়াস্ত্র ও চার রাউন্ড কার্তুজসহ র‌্যাব’র হাতে গ্রেফতার

    নড়াইলের সন্ত্রাসী সজিব আগ্নেয়াস্ত্র ও চার রাউন্ড কার্তুজসহ র‌্যাব’র হাতে গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায় ,নড়াইল জেলা প্রতিনিধিঃ

    নড়াইলের সন্ত্রাসী সজিব আগ্নেয়াস্ত্র ও চার রাউন্ড কার্তুজসহ র‌্যাব’র হাতে গ্রেফতার। নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার বড়নাল গ্রামের সন্ত্রাসী মোঃ সজিব শেখকে বৃহস্পতিবার র‌্যাব-৬ এর একটি আভিযানিক দল খুলনা জেলার তেরখাদা থানাধীন কাটেংগা বাজার-তেরখাদা মডেল নতুন বাসস্ট্যান্ডগামী রোডস্থ একটি গোডাউনের সামনে থেকে গ্রেফতার করে। মোঃ সজিবের কাছে থেকে একটি দেশীয় তৈরী আগ্নেয়াস্ত্র পাইপগান এবং (চার) রাউন্ড পাইপগানের কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। তেরখাদা থানায় হস্তান্তর করা সহ অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়। উজ্জ্বল রায় ,নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • তানোরে অপারেটরের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ কৃষক

    তানোরে অপারেটরের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ কৃষক

    আলিফ হোসেন,
    তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
    রাজশাহীর তানোরের তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) দেউল মাঠে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) একটি গভীর নলকুপের কথিত অপারেটরের দৌরাত্ম্যে কৃষকেরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। গত ১১ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার স্কীমভুক্ত কৃষকের পক্ষে সাইদুর রহমান বাদি হয়ে কথিত অপারেটর মাসুদ আলীর বিরুদ্ধে বিএমডিএ তানোর জোনের সহকারী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
    স্থানীয়রা জানান, দেউল গ্রামের ইসমাইল সরদারের পুত্র মাসুদ আলী উপজেলা চেয়ারম্যানের নাম ভাঙিয়ে গভীর নলকুপের স্বঘোষিত অপারেটর হয়েছেন।
    এখন সে ড্রেন, লাইনম্যান, পাহারাদার ইত্যাদি অজুহাতে কৃষেকর কাছে থেকে জোরপুর্বক টাকা আদায় করছেন।এসব কারণে এলাকার কৃষকেরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।
    জানা গেছে, উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) জেল নম্বর ১৬২ দেউল মৌজায়, আরএস ৯৬৮ নম্বর দাগে অবস্থিত গভীর নলকুপের অপারেটর জনৈক ব্যক্তির কন্যা। কিন্ত্ত পরিবর্তে স্বঘোষিত অপারেটর হয়েছে মাসুদ আলী। তিনি সেচ নিয়ে রীতিমতো জল জমিদারী শুরু করেছেন। এতে এলাকার সাধারণ কৃষক ফুঁসে উঠেছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে মাসুদ আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি সমিতির মাধ্যমে ডিপ
    চালাচ্ছেন।এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর বিএমডিএ’র সহকারী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান বলেন, অভিযোগ হয়েছে,তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।#