আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরে পৌষের শেষ দিক থেকে হঠাৎ করেই বেড়েছে ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডা বাতাসের দাপট। মাঘের শুরু থেকেও ঘন কুয়াশা ও হাড় কাঁপানো শীত পড়তে শুরু করেছে। অতিরিক্ত ঠান্ডায় জনজীবনে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। সকালে দেরি করে খুলছে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। আবার সন্ধ্যা পরপরই অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ হওয়ায় চারপাশ হয়ে যাচ্ছে প্রায় জনমানবহীন। কিন্তু যারা মাঠে সোনা ফলাবে তাদের স্থবিরতা নেই। মাঘের হাড় কাঁপানো শীত যে তাদের শরীরে লাগছে না। ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত কৃষকেরা কাদা মাঠে নেমে ধান রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মতে, এ বছর বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় সাড়ে ১২ হাজার হেক্টর।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর বোরো ধানের আবাদ ও ধান উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।
এদিকে
হাড় কাঁপানো শীত আর ঘন কুয়াশাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কাকডাকা ভোরে কাদা মাঠে নেমেছেন গ্রামবাংলার কৃষকরা। শীত সবসময় তাদের কাছেই যেন হার মানে। তানোর পৌরসভার গোল্লাপাড়া ও গোকুল বিলকুমারী বিলের মাঠে দেখা গেছে, ভোরবেলায় প্রচণ্ড শীত ও কুয়াশার মধ্যেও কৃষকেরা দলবেঁধে মাঠে বোরো ধানের চারা লাগাচ্ছেন। কৃষক আব্দুর রশিদ বলেন, শীতের ভয়ে বসে থাকলে তো চলবে না। তারা এই সময়ে বসে থাকলে তাদের পরিবারের মানুষদের পেটে ভাত জুটবে কী ভাবে। কৃষক মোজাহার আলী বলেন, আমরা কৃষকেরা বসে থাকলে সমস্যা শুধু আমাদের হবে না গোটা দেশের সমস্যা হবে। মাঠের পর মাঠ ফসল না লাগালে মানুষ খাবে কী ?
গত ১৫ জানুয়ারি সোমবার দুপুরে উপজেলার মালার মোড়ে মাথায় বোরো ধানের চারা নিয়ে মাঠের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন আব্দুল ও শরিফুল নামের দুই কৃষক। তারা বলেন, পৌষের শেষ দিক থেকে শীত ও কুয়াশা পড়া শুরু হয়েছে, বিকেল থেকেই ঘন কুয়াশা পড়া শুরু হয়। রাতেও টিনের চালে টুপটাপ শব্দে বৃষ্টির মতো ঝড়ে কুয়াশা। সকাল পেরিয়ে দুপুর হয়ে গেলেও কুয়াশাচ্ছন্ন থেকে যায় চারপাশ। তবে কুয়াশা বা শীত আমাদের দমিয়ে রাখতে পারবে না। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন না হলে কদিন পরেই মাঠের পর মাঠ হয়ে যাবে সবুজ ধানখেত। আর তার পরেই সোনার ফসলে শুরু হবে কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক।
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানান, চলতি মৌসুমে বোরো আবাদে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সার্বিক পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সুষম সার ব্যবহার,প্যাচিং পদ্ধতি ও লাইন করে ধান লাগালে বোরো ধানের ফলন বৃদ্ধিতে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর বোরো ধানের আবাদ ও ধান উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।#
Blog
-

কৃষকের কাছে হার মানছে মাঘের শীত
-

সুজানগরে কনকনে শীতের তীব্রতায় বিপর্যস্ত জনজীবন
এম এ আলিম রিপনঃ পাবনার সুজানগরে কনকনে বাতাস ও শীতের তীব্রতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বৈরী আবহাওয়ায় গত কয়েকদিন ধরে শীতের তীব্রতা বাড়ায় জনজীবন অচল হয়ে পড়েছে। দৈনন্দিন আয় রোজগার কমে যাওয়ায় খেটে খাওয়া মানুষগুলো মানবেতর জীবন যাপন করছেন। দিন পেরিয়ে রাত এলেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ফোঁটার মতো কুয়াশা ঝরছে। তীব্র হিমেল বাতাসে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষজনের অবস্থা বিপন্ন হয়ে পড়েছে। অনেক দিনমজুর কাজের সন্ধানে সকালে ঘর থেকে বের হতে পারছেন না । প্রচন্ড শীতে আর কুয়াশার মধ্যেই কাজের সন্ধানে ছুটছেন কর্মজীবী মানুষেরা। শীত উপেক্ষা করে যারা বের হচ্ছেন তারা স্বাভাবিক পরিবেশ না থাকায় কর্মবিমূখ অবস্থায় বাড়ি ফিরছেন। রাস্তায় লোকজন চলাচল কম থাকায় রিকশা,ভ্যান চালকরা যাত্রী না পাওয়ায় আয় কমে গেছে তাদের। অসহায়,দুস্থ ও ছিন্নমূল মানুষ আগুন জ¦ালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। কনকনে শীতে মানুষের পাশাপাশি গবাদিপশুরাও ঠান্ডায় কষ্ট পাচ্ছে। সুজানগর পৌর শহরের কাচারিপাড়া এলাকার ভ্যান চালক আব্দুল কানাই বলেন, তীব্র শীত আর কনকনে ঠান্ডার মধ্যে ভ্যান চালাতে অনেক কষ্ট হয়। তবুও পেটের দায়ে বের হতে হয় বাড়ি থেকে। কৃষক মোফাজ্জল হোসেন বলেন, তারা ভোর থেকেই মাঠে কাজ করেন। কিন্তু তীব্র শীত আর কনকনে ঠান্ডা বাতাসের কারণে মাঠে কাজ করতে পারছেন না। বৈরী আবহাওয়ায় কৃষি কাজে প্রচন্ড সমস্য হচ্ছে। ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক চালক ওয়াজেদ বলেন, ঘন কুয়াশা আর ঠান্ডা বাতাসে মানুষ ঘর থেকে বাইরে বের হচ্ছেন না , এ জন্য আয় কমে গেছে তাদের। সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকার বলেন, এই শীতে গরিব মানুষগুলো খুব অসহায়।তাদের অনেকের শীতবস্ত্র কেনার সামর্থ্য নেই। তাই সবার উচিত এই কনকনে শীতে দরিদ্র অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো। আমরা প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া শীতবস্ত্র(কম্বল) প্রকৃত অসহায় দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করে যাচ্ছি। সরকারি নির্দেশনায় শীতার্তদের মাঝে এ শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত থাকবে।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি । -

আদিতমারীতে চোরাই গরুসহ গ্রেফতার ২
মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।
লালমনিরহাট জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, এর দিক-নির্দেশনায় আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদ উন নবী, এর নেতৃত্বে এসআই/ রেজাউল আলম, ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ গত১৪ই জানুয়ারি ২০২৪ইং রবিবার বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুরাকুটি এলাকা থেকে চোরাই গরু সহ মোঃ হারুন অর রশিদ ২৭ সাবু রাকির (২৩), পিতা মৃত আকবর আলী (② ধনী, সাং-জাওরানী, ইউপি- ভেলাকুড়ি, থানা-হাতিবান্ধা, এবং মোঃ নাজির হোসেন (২০), পিতা-মৃত আবু বক্কর, সাং খুটামারা বানভাসা, সদর লালমনিরহাট। দুই জন কে গ্রেফতার করেনন আদিতমারী থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আদিতমারী থানায় একটি মামলা। আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদ উন নবী, জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুরাকুটি থেকে চোরাই গরুসহ দুই জনকে গ্রেফতার করেন পুলিশ।হাসমত উল্লাহ ।।
-

লালমনিরহাটে তীব্র শীতের প্রকোপে জনজীবন দূর্ভোগে
মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
উত্তরাঞ্চলে সীমান্তবর্তী লালমনিরহাট জেলার ৫উপজেলায় জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। জনজীবন, দূর্ভোগ পড়েছে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষরা । শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমে গেছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি। বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ। গত(১৫ই জানুয়ারী) ২০২৪ইং সোমবার কুড়িগ্রাম আবহাওয়া কার্যালয়ে তথ্য মতে, সকাল ৯টায় এ অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রার পারদ কমে যাওয়ায় লালমনিরহাটের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। এ ছাড়া ঘন কুয়াশার কারণে এ অঞ্চলে দৃষ্টিসীমা ৫০ মিটারের কম ছিল। গত কয়েক দিনের শৈত্য প্রবাহের কারনে কনকনে শীতের কারণে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে কেউ বের হচ্ছে না। সকাল থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকে চারিদিক। এসময় আবার হালকা ঠান্ডা বাতাসে শীতের তীব্রতা বাড়িয়ে দিয়েছে । দুপুর গড়িয়ে গেলেও দেখা মিলছে না সূর্যের । ঘন কুয়াশার কারণে রাস্তায় হেড-লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। ঘন কুয়াশার কারনে জেলায় রাস্তাগুলোতে চলাচলরত যানবাহন দূর্ঘটনার কবলে পড়ছে । তীব্র শীতের কারণে প্রভাব পড়েছে ছিন্নমুল অসহায় মানুষের জনজীবনে। নিম্ন আয়ের গরীব অসহায় খেটে খাওয়া শ্রমিকেরা পরিবারের চাহিদার তাগিদে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশাকে উপেক্ষা করে ছুটছেন কাজের সন্ধানে। গ্রামের দরিদ্র মানুষেরা খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। এছাড়া দোকান সহ ফুটপাতে শীতের কাপড় বিক্রি বেড়ে গেছে অনেক গুন। এদিকে এমন অবস্থায় চলতে থাকলে আগামী বোরো ধানের জন্য তৈরি বীজতলা ও আলুর ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে । এবিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মাহমুদা খাতুন বলেন, এমন অবস্থা চলতে থাকলে রাতে বীজতলা ঢেঁকে রাখতে হবে এবং আলু ক্ষেতে ছত্রাক নাশক প্রয়োগ করতে হবে। অন্য দিকে বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ । জেলার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গুলোতে আগের তুলনায় ঠান্ডা জনিত কারনে বয়স্কদের এ্যাজমা রোগ ও শিশুদের ডায়রিয়া সহ সর্দিকাশি রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহির ইমাম বলেন, ইতোমধ্যে সরকারি ভাবে আসা শীতবস্ত্র গরীব অসহায় শীতার্তদের মাঝে বিতরনের জন্য বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রদান করা হচ্ছে ।
হাসমত উল্লাহ ।।
-

বানারীপাড়ায় যৌতুকের দাবিতে গৃহবধুকে হ*ত্যার অভিযোগ
আব্দুল আউয়াল
বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:বরিশালের বানারীপাড়ায় ব্রাক্ষ্মণকাঠি গ্রামে ভালোবেসে ঘর বেধে চম্পা(২২) নামের এক গৃহবধুকে প্রেমিক স্বামীর যৌতুকের নির্মম বলি হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী সুমন বেপারী দুই বছরের মেয়ে তানহাকে নিয়ে পলাতক রয়েছে। ১৪ জানুয়ারী রবিবার রাত ১১টার দিকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চম্পার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার মৃত্যুরহস্য উদঘাটনে ১৫ জানুয়ারী সোমবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ময়না তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরে ওই দিন বাদ আসর জানাজা শেষে উপজেলার মহিষাপোতা গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়। এ ব্যাপারে নিহত চম্পার মা রেবা বেগম বানারীপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। চম্পার বাবা-মা ও ভাইসহ স্বজনদের অভিযোগ, জামাতা সুমন বেপারী তার ব্রাক্ষ্মণকাঠি গ্রামে সম্প্রতি ৬ শতক সম্পত্তি ক্রয় করেন। ওই সম্পত্তি ক্রয় করতে গিয়ে সে ঋনগ্রস্থ হয়ে পড়ায় তা পরিশোধের জন্য স্ত্রী চম্পাকে বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে বলেন। মেয়ের সুখের কথা ভেবে চম্পার দরিদ্র বাবা-মা সমিতি থেকে ঋন নিয়ে জামাতাকে ১৫ হাজার টাকা দেন। এতে সুমন সন্তষ্ট না হয়ে স্ত্রীর কাছে আরও টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে তাদের সংসারে কলহ সৃষ্টি হয়। সুমন টাকার দাবিতে গালাগালসহ স্ত্রীকে নানাভাবে মানসিক ও শারিরীক নির্যাতন শুরু করে। ফলে গত ৮/৯দিন পূর্বে চম্পা শিশু কন্যাকে নিয়ে বানারীপাড়া পৌর শহরের এক নম্বর ওয়ার্ডে পিতা কুটিয়াল আনোয়ার মল্লিকের বাড়িতে এসে ওঠেন। ঘটনার দিন ১৪ জানুয়ারী রবিবার সন্ধ্যায় সুমন শ্বশুর বাড়ি থেকে স্ত্রীকে নিয়ে যেতে চাইলে দু’জনের মধ্যে কথাকাকাটি হয়। এসময় সুমন স্ত্রী চম্পাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও মারধর করতে তেড়ে গেলে শ্বশুর-শাশুড়ি তাকে নিবৃত করেন। পরে সুমন তার বাড়ি ফিরে যান। সন্ধ্যা ৭টার দিকে চম্পা তার দুই বছরের শিশু কন্যা তানহাকে নিয়ে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ব্রাক্ষ্মণকাঠি গ্রামে স্বামীর বাড়ি ফিরে যান। সেখানে যাওয়ার পরে তাদের মধ্যে পুনরায় ঝগড়াঝাটি হয়। ওই দিন রাত ১০টার দিকে চম্পাকে অচেতন অবস্থায় তার শাশুড়িসহ প্রতিবেশীরা বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। চম্পার শ্বশুর তৈয়ব আলী বেপারী ও শাশুড়ি আলেয়া বেগমের দাবি ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে চম্পা আত্মহত্যা করেছে। অপরদিকে চম্পার পরিবারের দাবি তাকে মারধর করে হত্যার পরে ঘরের আড়ার সঙ্গে মরদেহ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে প্রচারনা চালানো হচ্ছে। এদিকে আদরের চম্পাকে হারিয়ে তার পরিবারে বইছে শোকের মাতম। বাবা-মাসহ স্বজনদের আহাজারিতে হাসপাতাল ও এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাইনুল ইসলাম বলেন,চম্পার প্রকৃত মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ইউডি মামলা নেওয়া হয়েছে । ময়না তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আব্দুল আউয়াল
বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি।। -

ডাসার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী এডভোকেট বিদ্যুৎ কান্তি বাড়ৈ
রতন দে,মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ ডাসার উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক এডভোকেট বিদ্যুৎ কান্তি বাড়ৈ ডাসার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের উপজেলা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী।এডভোকেট বিদ্যুৎ কান্তি বাড়ৈ, সরকারি সহকারী কৌসুলি( এ জি পি) জজ কোর্ট, মাদারীপুর।
ঢাকা কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা,
মহানগর ল’’ কলেজের সাবেক আইনছাত্র পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক,২০০২ সাল হইতে ঢাকা কোর্টের আওয়ামী আইনজীবী পরিযদের সদস্য, ২০০৪ সাল হতে অদ্য পর্যন্ত সাবেক আওয়ামী আইনজীবী বর্তমানে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের মাদারীপুর জেলা শাখার সদস্য, সাবেক কালকিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের স্বস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক। মাদারীপুর জজ কোর্টে আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্যানেল থেকে দুই বাব এক্সিকটিভ মেম্বার নির্বাচিত হয়েছি, দুই বার আওয়ামী প্যানেল থেকে ট্রেজারি পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছি।
এডভোকেট বিদ্যুৎ কান্তি বাড়ৈ বলেন,আসছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন এই নির্বাচনে আমি ডাসার উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলীয় মনোনয়ন ক্রয় করব।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মনোনয়ন দিলে দলীয় লোকজন সাথে নিয়ে নির্বাচন করব। আমি একশ পার্সেন্ট নিশ্চিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে মনোনয়ন দিলে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে জয় লাভ করব। আমি
বঙ্গবন্ধুর একজন আদর্শের সৈনিক। -

ধামইরহাটে পর্নোগ্রাফি সংরক্ষণ ও বিক্রয় চক্রের ৬ সদস্যকে আটক করেছে র্যাব
আবুল বয়ান,ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি :
নওগাঁর ধামইরহাটে পর্নোগ্রাফি সংরক্ষণ ও বিক্রয় চক্রের ছয় সদস্যকে আটক করেছে র্যাব-৫। রবিবার মধ্যরাতে উপজেলার আড়ানগর ইউনিয়নের ফতেপুর বাজার এবং বড়থা বাজারসহ কয়েকটি এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।
১৫ জানুয়ারী সোমবার সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন জয়পুরহাট র্যাব ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর মো. শেখ সাদিক। আটকৃতরা হলো- ধামইরহাট উপজেলার বড়থা পূর্বপাড়া এলাকার মো. ইদ্রিস আলীর ছেলে মোঃ পলাশ হোসেন (৩৮) ও মো. মোজাম্মেল হক বাবলুর ছেলে মো. রুবেল হোসেন কাজল (৩৩) এবং ফতেপুর বাজারের আবুল কালাম আজাদের ছেলে মো. মোঃ আবু সাঈদ (২৬), খায়রুল ইসলামের ছেলে মো. মিলন রানা (৩০) ও চৈতন্যপুর এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে মো. জামিল হোসেন (২৬) এছাড়াও পার্শ্ববতী পত্নীতলার পাটি আমলাই এলাকার সোলায়মান আলীর ছেলে মো. ওলিউল হোসেন (৩১)।
জয়পুরহাট র্যাব ক্যাম্প আরও জানান, জয়পুরহাট র্যাব ক্যাম্পের একটি চৌকস অপারেশনাল দল কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মো. শেখ সাদিক এবং স্কোয়াড কমান্ডার সিনিয়র এএসপি মো. রফিকুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ১৪ জানুয়ারি রাতে ধামইরহাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের হাতেনাথে আটক করা হয়। আটক আসামিরা বিভিন্ন এলাকার বাজারে তাদের দোকানে নিজস্ব কম্পিউটার এর হার্ডডিস্ক এ অশ্লীল সিনেমা ও গানের ভিডিও ক্লিপ আপলোড ব্যবসার পাশাপাশি পর্নোগ্রাফি সংরক্ষণ করে টাকার বিনিময়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ইলেকট্রিক ডিভাইসের মাধ্যমে স্থানীয় কিশোর ও স্কুল পডুয়া ছাত্রদের কাছে পর্নোগ্রাফি ভিডিও সরবরাহ করে আসছিল।
এসময় তাদের নিকট থেকে কয়েকটি কম্পিউটার, হার্ডড্রাইভসহ বেশ কিছু ডিভাইস জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামিদেরকে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নওগাঁ জেলার ধামইরহাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।আবুল বয়ান
ধামইরহাট নওগাঁ প্রতিনিধি।। -

ফুটপাত দখল উচ্ছেদে মসিকের অভিযান
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন (মসিক) এর ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে নতুনবাজার থেকে গাঙ্গিনাপাড় ট্রাফিক মোড় পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে ফুটপাতের দখল করে গড়ে উঠা স্থাপনা, ভ্রাম্যমাণ ফল-সবজির দোকান ইত্যাদি উচ্ছেদ করা হয়েছে।সোমবার (১৫জানুয়ারী) বেলা ০৩ টায় পরিচালিত এ অভিযান পরিচালনা করেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান ভাণ্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ বুলবুল আহমেদ।
এ প্রসংগে তিনি বলেন, জনভোগান্তি লাঘবে এবং জনস্বার্থে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। যারা ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করছিলো উচ্ছেদের পর আবারও এ ধরণের প্রচেষ্টা নিলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এছাড়াও নতুনবাজার মোড়ে নির্মাণসামগ্রী রেখে জনভোগান্তি তৈরির দায়ে এক ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এ অভিযানে ।
অভিযানকালে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর জাবেদ ইকবাল, আইন শৃঙখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যবৃন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
-

বিদেশি সবজি স্কোয়াস চাষ করে লাভবান হয়েছেন মনজুরুল
আজিজুল ইসলাম: যশোরের শার্শা উপজেলার শিকারপুর গ্রামে বিদেশি সবজি “স্কোয়াস” চাষ করে সফলতা পেয়েছেন মনজুরুল আহসান নামের এক চাষি। কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় শীতকালীন সবজির পাশাপাশি ২০শতক জমিতে স্কোয়াস চাষ করে তিনি লাভবান হয়েছেন।
চাষি মনজুরুল আহসান উপজেলার লক্ষণপুর ইউনিয়নের শিকারপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সরকারি বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী।
মনজুরুল জানান, কয়েক বছর ধরে আম, বরই, টমেটো, শসা,বাঁধা ও ফুলকপিসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি ও ফল চাষ করে থাকেন। এর মধ্যে ইউটিউবে ভিডিও দেখে শার্শা উপজেলার কৃষি বিভাগের পরামর্শ নিয়ে স্কোয়াসের বীজ সংগ্রহ করেন। এরপর বাড়িতে মিষ্টিকুমড়া বা লাউয়ের মতো বীজ বপন করে গাছ গজিয়ে পরে মালচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে জমিতে রোপণ করেন। প্রায় দেড় মাস পর ফল আসতে শুরু করে। বিদেশি স্কোয়াস গাছ একদম মিষ্টি কুমড়ার মতো। পাতা,ডগা,কাণ্ড দেখে বোঝার উপাই নেই যে, এটি মিষ্টি কুমড়া নাকি স্কোয়াস গাছ। মনজুরুল আহসান জানান “প্রায় ২০ শতক জমিতে তিনি এই বিদেশি সবজি চাষ করেছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে তিনি পরিচর্জা করেছেন। এই প্রথম চাষ করায় খরচ একটু বেশি হয়েছে। তবে একটি স্কোয়াস বাজারে ৪৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হওয়ায় বেশ লাভ হয়েছে। স্বল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় আগামীতে তিনি আরও বেশি জমিতে এই বিদেশি সবজি স্কোয়াস চাষ করবেন।” তরুণ এই চাষি আরও বলেন, প্রতিটি স্কোয়াস দেড় থেকে আড়াই কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। সবজি হিসেবে এই এলাকায় স্কোয়াস নতুন হওয়ায় এর চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে ও স্কোয়াস ক্ষেত দেখতে আসপাশের স্থানীয় অন্যান্য সবজি চাষিরা আসছেন। তার স্কোয়াস চাষে এলাকার সাধারণ কৃষকরা বেশ অনুপ্রাণিত হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পলাশ কিশোর ঘোষ বলেন, প্রথমবারের মতো শার্শার মাটিতে বিদেশি সবজি স্কোয়াস চাষ হয়েছে। বাজারে ব্যাপক চাহিদা ও কম খরচে অধিক লাভ । এই ফলটি অনেক পুষ্টি জাতীয় ফল আগামীতে এই এলাকায় প্রচুর স্কোয়াস চাষের প্রসার ঘটবে।
-

উজিরপুরে গাছের নিলাম ডেকে উধাও শিক্ষা কর্মকর্তা, অফিসে তালা
উজিরপুর প্রতিনিধিঃ উজিরপুর মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ১ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গাছের নিলাম ডাকের আহবান করে ১৫ জানুয়ারি বেলা ২ টায় তবে কিন্তু কোন নোটিশ না দিয়েই বেলা দেড় টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত উধাও হয়েছেন তিনি। এমনকি শিক্ষা অফিসের ভবনের মেইন গেটে বড় তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন। শিক্ষা কর্মকর্তা এবিএম জাহিদ হাসান কারো মোবাইল ফোন রিসিভ করছেন না। জানাযায় শিকারপুর গঙ্গা গোবিন্দ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছোট বড় ৮৩ টি গাছ ১৫ জানুয়ারি সোমবার দুপুর ২ টায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে উন্মুক্ত নিলামের আয়োজন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ,বি,এম জাহিদ হাসান। এ বিষয়ে তিনি উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে মাইকিং ও পোস্টারিং করান। নিলামে অংশগ্রহণ করার জন্য উপজেলা বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ২০/২৫ জন ব্যবসায়ী দুপুরে ১টায় তার কার্যালয়ে আসলে দেখেন তার কার্যালয়ে তালাবদ্ধ করে অফিস কক্ষ ত্যাগ করেন। এ সময় তাকে ব্যবসায়ী সহ সাংবাদিকরা ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।নিলাম ডেকে শিক্ষা কর্মকর্তা তার অফিস তালা বদ্ধ করে চলে যাওয়ার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন নিলামের বিষয়টি আমার জানা নেই। ব্যবসায়ী মাহাবুব আলম বাদল, নাজমুল হক ফারুক অভিযোগ করে বলেন, তিনি গত তিনদিন যাবৎ মাইকিং করে ডেকে এনে অফিসের সকল দরজা-জানলা বন্ধ করে চলে গেলেন এটা রহস্যজনক। শিকারপুর গঙ্গা গোবিন্দ মাধ্যমিক (জিজি)বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত সভাপতি সৈয়দ জাহিদ আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের নতুন কমিটির হাতে দায়িত্ব আগামী ২৮ জানুয়ারি বুঝিয়ে দেওয়া হবে। সুতরাং এ বিষয়ে আমরা কিছু জানি না। বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সেলিনা সুলতানা জানান, আজকে নিলামের নির্ধারিত ডেট ছিলো কিন্তু মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমাকে বিকেল তিনটার সময় ফোন দিয়ে বলেন , অনিবার্য কারণবশত নিলাম স্থগিত করা হয়েছে।