Blog

  • সাংবাদিকের পিতার দাফন সম্পন্ন

    সাংবাদিকের পিতার দাফন সম্পন্ন

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    পাইকগাছার সাংবাদিক রাবিদ মাহমুদ চ লের পিতা ইউনুস আলী সানা আর নেই। তিনি রোববার দিনগত রাত দেড়টার সময় পাইকগাছা পৌর সদরস্থ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন। ইন্না……. রাজিউন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র ও এক মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। সোমবার বিকাল ৩টার সময় খড়িয়া খালপার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জানাযা শেষে খড়িয়াস্থ পারিবারিক করব স্থানে মরহুমের দাফন সম্পন্ন করা হয়। জানাযা’য় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গাজী জুনায়েদুর রহমান, কৃষি ব্যাংকের ম্যানেজার হাদিসুজ্জামান, অধ্যাপক মঞ্জুরুল আমিন শেখর, এ্যাডঃ এফএমএ রাজ্জাক, শফিকুল ইসলাম কচি, ইদ্রিসুর রহমান মন্টু, ষোলআনা ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি জিএম শুকুরুজ্জামান, মাওঃ আফসার উদ্দীন ফিরোজী, মাওঃ আহম্মদ আলী, মরহুমের ছেলে ফারুক আহম্মেদ ও রাবিদ মাহমুদ চ ল।

  • শিবসা নদী থেকে বিপুল পরিমাণ নেট জাল জব্দ

    শিবসা নদী থেকে বিপুল পরিমাণ নেট জাল জব্দ

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    পাইকগাছার শিবসা নদীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নেট জাল জব্দ করা হয়েছে। উপজেলা মৎস্য দপ্তরের পক্ষ থেকে সোমবার দুপুরে উপজেলার দেলুটি সংলগ্ন শিবসা নদীতে বিশেষ কম্বিং অপারেশন পরিচালনা করা হয়। এ সময় নদী থেকে বিপুল পরিমাণ নেট জাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত জাল পরে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। অভিযানে নেতৃত্বদেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা পবিত্র কুমার দাস ও কাওছার হোসেন আকন, মেরিন ফিশারিজ কর্মকর্তা চ ল মন্ডল, নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মিন্টু হোসেন ও ক্ষেত্র সহকারী রণধীর সরকার।

  • জেলে পল্লীর শীতার্থ মানুষের মাঝে ইউএনও’র কম্বল বিতরণ

    জেলে পল্লীর শীতার্থ মানুষের মাঝে ইউএনও’র কম্বল বিতরণ

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    প্রচন্ড শীতে যখন কাপছে গোটা দেশ, হিমশীতল হাওয়ায় যখন যুবথুব শিশু সহ নিম্ন আয়ের দরিদ্র মানুষ। একটু উষ্ণতার পরশ নিতে ছিন্নমূল মানুষ যখন সরকার সহ সমাজের প্রতিষ্ঠিত মানুষের দিকে তীর্থ কাকের মতো চেয়ে রয়েছে, ঠিক এমন সময় সরকারের পক্ষ থেকে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে জেলে পল্লীর শীতার্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল পৌছে দিচ্ছেন পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মুহাম্মদ আল-আমিন। তিনি জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে রোববার গভীর রাতে গদাইপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়াস্থ কপোতাক্ষ নদের তীরে বসবাসরত জেলে পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, গদাইপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ জিয়াদুল ইসলাম জিয়া, উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম ও ইউপি সদস্য মীর আনোয়ার ইলাহী।

  • গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত নবনির্বাচিত এমপি রশীদুজ্জামান

    গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত নবনির্বাচিত এমপি রশীদুজ্জামান

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ॥
    খুলনা-৬ পাইকগাছা-কয়রার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামানকে গণসংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় পৌরসভা মাঠে পৌর পরিষদ, পৌরসভা কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপজেলা ও পৌরসভা আওয়ামী লীগ, ষোলআনা ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি, মৎস্য আড়ৎদারী সমবায় সমিতি, দলিল লেখক সমিতি, জুয়েলার্স সমিতি, নার্সারী মালিক সমিতি সহ বিভিন্ন সংগঠন, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে রশীদুজ্জামানকে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে মোঃ রশীদুজ্জামান বলেন, উপকূলীয় এ জনপদের মানুষ যে ভালোবাসা আমাকে উপহার দিয়েছে এ ভালোবাসা আমি হৃদয়ের শোকেসে সাজিয়ে রাখবো। সারাজীবন এ অ লের মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবো। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু, যুগ্ম-সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ^াস, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়ার্দ্দার, আছের আলী মোড়ল, সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুল মজিদ গোলদার, আলহাজ¦ মুনছুর আলী গাজী, আওয়ামী লীগনেতা হেমেশ চন্দ্র মন্ডল, জিএম ইকরামুল ইসলাম, শেখ ইকবাল হোসেন খোকন, সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম, এ্যাডঃ শেখ আব্দুর রশিদ, কাউন্সিলর কবিতা দাশ, আসমা আহম্মেদ, এসএম তৈয়েবুর রহমান, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান কৃষ্ণপদ মন্ডল ও ময়না বেগম। এরআগে শপথ অনুষ্ঠান শেষ করে সোমবার দুপুরে নির্বাচনী এলাকার জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধীতে শ্রদ্ধা জানান সংসদ সদস্য রশীদুজ্জামান। পরে বিকালে নির্বাচনী এলাকার প্রবেশ দ্বার কাশিমনগর পৌছালে সর্বস্তরের মানুষ তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এরপর কপিলমুনি পীর জাফর আউলিয়ার মাজার জিয়ারত করেন। পরে পথে পথে তোরণ ও ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান এলাকার মানুষ।

  • আশুলিয়ায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি-আগ্নেয়াস্ত্র ও টাকা লুটের ঘটনার পর ডাকাতের গুলিতে একজন নিহ*ত

    আশুলিয়ায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি-আগ্নেয়াস্ত্র ও টাকা লুটের ঘটনার পর ডাকাতের গুলিতে একজন নিহ*ত

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকার আশুলিয়া থানার পুলিশ ক্যাম্পের অদূরে টঙ্গাবাড়ির বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ওবায়দুল তালুকদারের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনার পর আশুলিয়ায় ডাকাতদের গুলিতে একটি কারখানার এক নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছেন। এসময় ডাকাতদের কাজে বাঁধা দেওয়ায় ডাকাতদের আঘাতে আহত হয়েছেন আরো একজন। এর আগে আশুলিয়ার কাঠগড়া ৩-৪টি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে, ডিস ব্যবসা দখল করা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে গুলাগুলিতে ৩জন গুলিবিদ্ধ হয়।
    গত রবিবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে আশুলিয়ার কুটুরিয়া উত্তরপাড়া এলাকায় মোঃ আমির দেওয়ানের বাড়িতে ডাকাতির এই ঘটনা ঘটে। নিহত নিরাপত্তাকর্মীর নাম মোঃ আব্দুল কাদের (৫৮), তিনি বি-বাড়িয়ার নবীনগর থানার বাসিন্দা। আশুলিয়ার কুটুরিয়া এলাকার “নীট ২০০৭ লিমিটেড” এর কারখানার নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। নিহতের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত রয়েছে বলে পুলিশ জানায়। এ ব্যাপারে স্থানীয় ফারুক দেওয়ান বলেন, মজিবুর দেওয়ানের ভাই আমির দেওয়ানের বাড়ির পিছনের গ্লীল কেটে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে ডাকাত দল, এরপর ডাকাতদের সাথে আমির দেওয়ানের ধস্তাধস্তি হয়, এসময় আমির দেওয়ানের ভাই মজিবুর দেওয়ান বিষয়টি বুঝতে পেরে চিৎকার করলে তার ছেলে জানালা দিয়ে ডাকাতদের দেখতে পায়।
    এসময় শর্টগান দিয়ে ফাঁকা গুলি ছোড়ে মজিবুর দেওয়ানের ছেলে, ডাকাতরাও গুলি ছোড়ে। তাদের মধ্যে প্রায় ২০ রাউন্ড গুলি বিনিময় হলে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। এ খবর পেয়ে স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে চিৎকার দিয়ে ওই বাড়ির দিকে গেলে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার সময় মামুন দেওয়ানের বাড়ির সামনে ওই নিরাপত্তাকর্মীকে দেখে ডাকাতরা তাকে গুলি করে মৃত ভেবে পালিয়ে যায়। এসময় নিরাপত্তা কর্মীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে লোকজন তাকে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সেখানে তাকে লাইফ সাপোর্টে নিলে তিনি মারা যান। উক্ত ঘটনায় পুরো এলাকার মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
    এর আগে গত (২৮ অক্টোবর ২০২৩ইং) আশুলিয়ার কাঠগড়া দূর্গাপুর ৭-৮ জনের ডাকাত দল বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে ভিতরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে বাড়ির লোকজনকে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে। এ সময় কৌশলে বাড়ির মালিক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ওবায়দুল তালুকদারের লাইসেন্সকৃত একটি পিস্তল ও একটি শটগান লুট করে নিয়ে যায় ডাকাত দল। পৃথক ঘটনা আশুলিয়া ইউনিয়নের কাঠগড়া দুর্গাপুর ডিস ব্যবসা দখল করা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে গুলাগুলিতে তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। একই ইউনিয়নে একদিনে পৃথক দুইটি ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশের উধ্বতন কর্মকর্তা ও র‌্যাব-৪, সিপিসি-২ এর সাভারের নবীনগর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার রাকিবসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যগণ।
    গত (২৫ অক্টোবর ২০২৩ইং) ভোর রাত প্রায় ৩টার দিকে আশুলিয়া থানাধীন আশুলিয়া ইউনিয়নের টঙ্গাবাড়ি এলাকার মোঃ ওবায়দুল তালুকদারের বাড়িতে এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ এর চাচাতো ভাই উক্ত বাড়ির মালিক। পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আশুলিয়ায় তিন তলার বাড়ির দেয়ালের সঙ্গে বাঁশ রেখে ২য় তলার বারান্দায় উঠে ডাকাত দল। ওই বারান্দার ৩ ফুট গ্রিল বাকীটা উন্মুক্ত ডিজাইনের। এর ফলে ডাকাত দল বাঁশের সাহায্যে বারান্দায় উঠে জানালার গ্রিল কেটে ভবনের কক্ষের ভিতরে ঢুকে পড়ে, এরপর ডাকাত দল বাড়িটিতে প্রায় দুই ঘন্টার মতো সময় ধরে অবস্থান করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে। এই ডাকাতির ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটারের মতো দুরত্বে আশুলিয়া থানার একটি পুলিশ ক্যাম্প রয়েছে। অনেকেই বলেন, আশুলিয়া ইউনিয়নের এক মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি ও টঙ্গাবাড়ি, কাঠগড়া, দুর্গাপুর, নয়াপাড়াসহ ৪-৫টি বাড়িতে একই সিস্টেমে পৃথক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে কিন্তু পুলিশ কোনো ডাকাতকে গ্রেফতার বা অস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি।
    ঢাকা-১৯ এর সাবেক এমপি তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ এর চাচাতো ভাই ভুক্তভোগী ওবায়দুল তালুকদার গণমাধ্যমকে বলেন, ভোর রাতে তিন তলা বাড়ির ২য় তলার খোলা বারান্দায় উঠে তারপর জানালার গ্রিল কেটে ৭ থেকে ৮ সদস্যের অস্ত্রধারী ডাকাত দল ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে। ডাকাতরা এরপর দুই ও তিন তলার বসবাসকারী সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুটপাট শুরু করে। এ সময় ঘরে থাকা নগদ সাড়ে ৯ লক্ষ টাকা, ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, একটি পিস্তল ও একটি শর্টগানসহ মূল্যবান বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায় ডাকাত দল। সাভার সচেতন নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সালাউদ্দিন খান নঈম বলেন, “পুলিশের তৎপরতা যদি যথাযথ থাকে তাহলে অপরাধীরা এমন বড় ধরণের ঘটনা ঘটাতে সাহস পাওয়ার কথা নয়। যদি ঘটনাটি পুলিশের ক্যাম্পের অদূরে হয়ে থাকে, তাহলে এটা অপ্রত্যাশিত ও দুঃখজনক।”
    আশুলিয়া থানার আশুলিয়া ইউনিয়নের “আশুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (এসআই) আরাফাত উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ভোর রাত ৪টা ৩২ মিনিটে খবর পাই। ৪টা ৩৮ মিনিটেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই। তিনি বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্রিল কেটে ডাকাত দল ঢুকেছে। দুইটি লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গেছে ডাকাতরা। তিনি আরো বলেন, পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন, আমরা অপরাধীদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছি।
    পুলিশ ক্যাম্প থেকে এতো কাছে এই বড় ধরণের ডাকাতি? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওইদিন ‘ক্যাম্প থেকে একটি টহল টিম ছিল রস্তমপুরে পূজার ডিউটিতে’। অবশ্য কাছাকাছি থানার আরো একটি টহল টিম ছিল কাঠগড়া এলাকায়, তবে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে দুইটি টিম। এরপর একই দিনগত সন্ধ্যা ৭টার দিকে কাঠগড়া দূর্গাপুর এলাকায় সরকার বাড়ির কাছে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীরা ডিস ব্যবসা দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে গুলাগুলি ও বোমা হামলার ঘটনা ঘটায়। পৃথক ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একাধিক মামলা দায়ের করা হলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো সন্ত্রাসী ডাকাত গ্রেফতার বা অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। অনেকেই বলছেন যে, আশুলিয়ায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় আতঙ্কের মধ্যে জীবনযাপন করছেন।
    উক্ত ডাকাতির গুলিতে নিরাপত্তাকর্মী নিহতের ঘটনার বিষয়ে আশুলিয়া থানার নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এএফ এম সায়েদ গণমাধ্যমকে বলেন, আশুলিয়ার কুটুরিয়া এলাকার একটি বাড়িতে ডাকাতির চেষ্টা করেছিলো এক দল ডাকাত। এ সময় ডাকাতদের গুলিতে একজন নিরাপত্তাকর্মী নিহত হন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থল পুরিদর্শন করা হয়েছে, তদন্ত করে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। র‌্যাবসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থাল পরিদর্শন করেছেন বলে সূত্র জানায়। আশুলিয়ায় ডাকাতির ঘটনায় এ পর্যন্ত কোনো ডাকাত গ্রেফতার বা অস্ত্র উদ্ধার হয়নি বলে ভুক্তভোগীরা জানান, সেই সাথে মাদক সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ছনিতাই ও ডাকাতির ঘটনা অব্যাহত আছে, কিছু অসাধু পুলিশ অফিসার ডাকাতির ঘটনার সংবাদ প্রকাশ করতে সংবাদ কর্মীদের নিষেধ করে এবং মাদকসহ বিভিন্ন বিষয়ে ফোন করে সময়মতো পুলিশ ঘটনাস্থলে না আসার অভিযোগও রয়েছে বলে ভুক্তভোগীসহ অনেকেই জানান।

  • ওমরাহ হজ্জ্বের আগে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ালেন নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া

    ওমরাহ হজ্জ্বের আগে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ালেন নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া

    মুুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ ওমরাহ হজ্জ্ব পালনের উদ্দেশ্যে মক্কায় যাওয়ার আগে গরীব, দঃুখী ও শ্রমিকদের কথা চিন্তা করে কম্বল বিতরণ করেছেন পঞ্চগড়-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া।

    রোববার (১৪ জানুয়ারি) রাত ৮টায় তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদ হলরুম কক্ষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাহবুবুল হাসানের সভাপতিত্বতে কম্বল বিতরণ করেন প্রধান অতিথি পঞ্চগড়-১ আসন (সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী) সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন- পঞ্চগড় পৌরসভা মেয়র জাকিয়া খাতুন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন আলী মন্ডল, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার কাজী মাহবুবুর রহমান, কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ও পঞ্চগড় জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আব্দুল লতিফ তারিন, পঞ্চগড় জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি আবু তোয়বুর রহমান, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম মোল্লা, উপজেলা কৃষকলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সোহেল রানা, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আতাউর রহমান প্রমূখ।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলার উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা আকিম উদ্দীন, স্টেনো টাইপিস্ট (সিএ) কবির হোসাইন, কার্যসহকারী জহিরুল ইসলাম, জিয়াউর রহমান, শাহজাহান সিরাজ সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ এবং সাংবাদিকবৃন্দ।

    পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, ‘তিনি মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে শুকুরিয়া ওমরাহ হজ্জ্ব পালনের উদ্দেশ্যে মক্কায় রওনা দিবেন। মক্কায় রওনা দেওয়ার আগে এই কনকনে শীতে তাঁর নির্বাচনী এলাকা (সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী) গরীব, দুঃখী, অসহায় এবং শ্রমিক মানুষ শীত পোহাবে এদিকে তিনি হজ্জ্ব পালন করবেন মহান আল্লাহ পাক তাঁর হজ্জ্ব কবুল নাও করতে পারেন এ কথা চিন্তা করে যথাসাধ্য অনুযায়ী শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।’ তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকায় কম্বল বিতরণ করেই ওমরাহ হজ্জ্বে মক্কায় রওনা দিবেন বলে জানা গেছে।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে ৫১ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ও পিকআপ জব্দ

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে ৫১ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ও পিকআপ জব্দ

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানা এলাকা হতে ৫১ কেজি গাঁজাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, পিকআপ জব্দ।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় অদ্য ১৫ জানুয়ারি ২০২৪ খ্রিঃ রাত ০২.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২’র সদর কোম্পানির একটি চৌকষ আভিযানিক দল “সিরাজগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার সামনে গোলচত্বরে পাঁকা রাস্তার উপর” একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৫১ কেজি গাঁজাসহ ০১ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তার সাথে থাকা মাদক দ্রব্য গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় ও বহনের কাজে ব্যবহৃত ০১টি পিকআপ, ০১টি মোবাইল এবং নগদ ১৩০০ টাকা জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ কাওছার হোসেন (২১), পিতা-মোঃ ইকবাল হোসেন, সাং-মির্জানগর পশ্চিমপাড়া, থানা-দেবিদ্বার, জেলা-কুমিল্লা।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামি দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে সিরাজগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে পিকআপ যোগে মাদক দ্রব্য গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানায় মাদক আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    স্বাক্ষরিত…….

    মোহাম্মদ ইলিয়াস খান

    স্কোয়াড্রন লীডার

    কোম্পানী কমান্ডার

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানী, সিরাজগঞ্জ।

  • নড়াইলে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৫

    নড়াইলে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৫

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে//
    নড়াইলের লাহুড়িয়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ কর্তৃক ৫০ পিস ইয়াবাসহ ৫ জন গ্রেফতার।
    মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত আব্দুল্লাহ বিশ্বাস (৩৬), ওমর আলী (৩৫), মোঃ শামীম ফকির (৪৯), ফেরদাউস শিকদার (২৮) ও মোঃ ইব্রাহিম শিকদার (৩২) নামের ০৫ জন মাদকসেবীদের গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানার লাহুড়িয়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আব্দুল্লাহ বিশ্বাস (৩৬) লোহাগড়া থানাধীন তেতুলবাড়ীয়া গ্রামের মোক্তার বিশ্বাসের ছেলে। ওমর আলী (৩৫) মাকড়াইল গ্রামের মৃত আকবর আলীর ছেলে। মোঃ শামীম ফকির (২৮) একই গ্রামের মৃত আবুল কালাম ফকিরের ছেলে, ফেরদাউস শিকদার (২৮) মৃত আনসার শিকদারের ছেলে এবং মোঃ ইব্রাহিম শিকদার (৩২) আব্দুর রউফ শিকদারের ছেলে। রবিবার (১৪ জানুয়ারি’) দিবাগত রাতে নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানাধীন শালনগর ইউনিয়নের মাকড়াইল আদর্শ গুচ্ছগ্রাম সংলগ্ন জনৈক মিলন এর মুদি দোকান এর পশ্চিম পাশ থেকে তাদের আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লাহুড়িয়া তদন্ত কেন্দ্রের এসআই (নিঃ) এম সজীব আহমেদ, এএসআই (নিঃ) শেখ কামরুজ্জামান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে আব্দুল্লাহ বিশ্বাস (৩৬), ওমর আলী (৩৫), মোঃ শামীম ফকির (৪৯), ফেরদাউস শিকদার (২৮) ও মোঃ ইব্রাহিম শিকদার (৩২) দেরকে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামীদের নিকট থেকে পঞ্চাশ পিস অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে লোহাগড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

  • অবহেলার কারনে শীত মৌসুমে ব্যস্ততম রাস্তায় হাটু পরিমান জল

    অবহেলার কারনে শীত মৌসুমে ব্যস্ততম রাস্তায় হাটু পরিমান জল

    হায়দার আলী,
    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: রাজশাহী জেলার প্রথম শ্রেণীর গোদাগাড়ী পৌর এলাকার অন্যতম ব্যস্ত এলাকা রেলবাজার। এখানে খুব ভোর থেকেই পাইকারি মাছের বাজার বাসায় জনসমাগম ব্যাপক হয়। অপরদিকে একই জায়গায় রয়েছে মাছ, মাংশ, কাঁচা সবজির বাজার। ফলে উপজেলাসহ বাইরের এলাকা থেকে এই বাজারে অসংখ্য জনসাধারনের যাতায়াত হয়।

    বেশ কয়েক মাস থেকে এই বাজার থেকে পানি নিষ্কাশনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগের মধ্য পড়েছে জনসাধারণ।

    এই বাজারেই রয়েছে বৃহৎ মৎস্য আড়ৎ । এখানে পাইকারি মাছ ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যাপক সমাগম হওয়ায় মাছের পানি প্রভাবিত হয়। এসব পানি মাছের হওয়ায় দুর্গন্ধময় হয়। এছাড়াও কাঁচা বাজারের যেসব ব্যবসায়ী আছে তাদেরও ব্যবহৃত পানি এই ড্রেন দিয়ে প্রভাবিহ হতো।

    ড্রেনের মুখে গোদাগাড়ী বিজিবি ক্যাম্প হওয়ায় এসব দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ বিজিবি কর্তৃপক্ষ। পানি নিষ্কাশনের জন্য গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়রের নিকট বারবার অনুরোধ করেও কোন পরিত্রাণ না পাওয়ায় ড্রেনে বালুর বস্তা ও বালু ফেলে বন্ধ করে দিয়েছে গোদাগাড়ী বিজিবি ক্যাম্প।

    রোববার (১৪ জানু) গোদাগাড়ী বিজিবি ক্যাম্প কর্তৃপক্ষ তা বন্ধ করে দিলে আরো দুর্ভোগে পরে এলাকাবাসী।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রেলবাজার থেকে বিজিবি ক্যাম্পের অভিমুখে রয়েছে ড্রেনের মুখ। বিজিবি ক্যাম্পর সামনে যে খাঁড়ি রয়েছে তা ভরাট হয়ে যাওয়াতে পানি সেখানে জমে মাছের আঁসের দুগন্ধময় পানি জমে আছে। এথেকে বাঁচতে বিজিবি কর্তৃপক্ষ ড্রেনের মুখে বালির বস্তা দিয়ে আগেই বন্ধ করে দিয়েছে। রোববার সকালে সেখানে পুনরায় বালি ভরাট করে দিয়ে পুরো ড্রেন বন্ধ করে দেয় ফলে ড্রেন দিয়ে পানি যেতে না পারায় রাস্তার উপর দিয়ে হাঁটু পানি গড়ে যাচ্ছে।

    বর্ষকালে রাস্তায় পানি না জমলেও এই ড্রেন বন্ধ হওয়ায় বাজারে প্রবেশের মূল মুখেই রাস্তায় পানি জমে আছে। কনকনে শীত উপেক্ষা করে সাধারণ মানুষ কষ্ঠ করেই পানির মধ্যে পা ডুবিয়ে বাজারে যাচ্ছে। এছাড়াও বাজারে আসা মিনি ট্রাক, পিকআপ, অটোরিকশা, সাইকেল-মোটরসাইকেল পানির উপর দিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও ওই এলাকার স্কুল-কলেজে পড়া ছেলে মেয়েরা স্কুলে যেতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

    স্থানীয় দোকনদারের অভিযোগ করছেন, ড্রেন বন্ধ হয়ে পানি জমে থাকায় কোন কাস্টমার আমাদের দোকানে আসছে না। পৌর মেয়র আমাদের নিকট থেকে নিয়মিত কর-কর নিলেও সে এই সমস্যা সমাধানে কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না এটি আমাদের দুর্ভাগ্যের বিষয়।

    মৎস্য আড়তদাগন অভিযোগ করে বলেন, আমরা সকলে মিলে ও বিজিবি কর্তৃপক্ষ এই সমস্যার সমাধানের জন্য কয়েকবার গেছি। তিনি সমস্যা সমাধানে তেমন কোন গুরুত্ব দেননি। তিনি এখানে ড্রেন করে দেওয়ার জন্য আমাদের নিকট টাকা চেয়েছেন। আমরা নিয়মিত পৌর ট্যাক্স-কর দিয়ে আসছি। এছাড়াও ট্রেড লাইসেন্স নিয়মিত নবায়ন করি। অনেক টাকা আমরা পৌর কর্তৃপক্ষ দেয় তবুও তিনি আমাদের নিকট টাকা চেয়ে কাজ করে দেবার কথা বলেছেন। এই কাজটি পৌর মেয়রেরেই করে দেওয়ার দায়িত্ব।

    রেলবাজার মৎস্য আড়ৎ সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পানি যাওয়ার ড্রেনটি বিজিবি কর্তৃপক্ষ বন্ধ করে দেওয়ায় আমরাসহ এলাকার জনসাধারণ চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে। আমরাসহ বিজিবি কর্তৃপক্ষ সমস্যা সমাধানের জন্য গোদাগাড়ী পৌর মেয়রের নিকট গিয়েছি। তিনার কোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আমরা দেখিনি। তিনি আমাদের নিকট টাকা চেয়ে কাজ কারার প্রস্তাব দিয়েছে। আমরা দ্রুত এর সমাধান চাই বলে জানান।

    গোদাগাড়ী বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার সোলাইমান বলেন, মাছের পানির পঁচা দুর্গন্ধে আমাদের এখানে থাকা খুবই মুশকিল হয়ে যাচ্ছিলো। কয়েকবার পৌর মেয়র অয়েজ উদ্দিন বিশ্বাসের কাছে গিয়েছি কোন সমাধান পাইনি। এছাড়াও বাজার কর্তৃপক্ষকে এসব বিষয়ে অবহিত করেছিলাম। বিজিবি ক্যাম্প একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। সিও স্যার আমাদের ক্যাম্পে আসলে দুর্গন্ধের বিষয়টি তার নজরে পড়লে তার নির্দেশনায় ড্রেনের মুখ বালি দিয়ে বন্ধ করে দেয়। এতে দেখি রাস্তার উপর দিয়ে হাঁটু সমান পানি প্রভাবিত হয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। পুনরায় মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে ড্রেন কেটে পানি নিষ্কাশন করা হয়েছে। আবারো কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে দ্রুত সমস্যা সমাধানে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।

    এবিষয়ে মুঠোফোনে গোদাগাড়ী পৌর মেয়র অয়েজ উদ্দীন বিশ্বাসের জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ড্রেন করতে গেলে সময়ের ব্যাপার। প্লানিংপাস অর্থ বরাদ্দসহ নানান বিষয় আছে। আমি বাজার কর্তৃপক্ষকে প্রস্তাব দিয়েছিলাম তারা কিছু টাকা দিয়ে আপাতত সমস্যা নিরসনের জন্য তবে কেউ তারা রাজি হয়নি। আমি এখন ঢাকায় আছি। ফিরে এসে আবারও বিষয়টি দেখবেন বলে জানান।

    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • রংপুর ও দিনাজপুরে বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযান

    রংপুর ও দিনাজপুরে বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযান

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    রংপুর ও দিনাজপুরে বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনায় ২টি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

    অদ্য ১৫-০১-২০২৪ খ্রি. তারিখ রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলায় এবং দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলায় বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর ও উপজেলা প্রশাসন-এর সমন্বয়ে ২টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

    রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার মোবাইল কোর্ট অভিযানে-
    ০১) মেসার্স ঢাকা বেকারী এন্ড কনফেকশনারী, শঠিবাড়ী বাজার, মিঠাপুকুর, রংপুর প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স গ্রহণ ব্যতিরেকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ব্রেড, বিস্কুট, কেকসহ বিভিন্ন বেকারী পণ্য উৎপাদন, বিক্রয়-বিতরণ করায় বিএসটিআই আইন, ২০১৮ এর ১৫/২৭ ধারায় ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিষ্ঠানটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে খাদ্যপণ্য উৎপাদনের উপযোগী অবকাঠামো তৈরির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সকল লাইসেন্স গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।

    উক্ত মোবাইল কোর্টে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করেন মিঠাপুকুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব মোঃ রুহুল আমিন। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর কর্মকর্তা জনাব খন্দকার মো: জামিনুর রহমান, ফিল্ড অফিসার (সিএম) ও জনাব প্রকৌশলী প্রান্তজিত সরকার, পরিদর্শক (মেট)।

    দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলার মোবাইল কোর্ট অভিযানে-
    ০২) মেসার্স সোহাম ফিলিং স্টেশন, পাকেরহাট, খানসামা, দিনাজপুর প্রতিষ্ঠানটি ডিজেল সরবরাহে প্রতি ১০ লিটারে ১০০ মিঃলিঃ কম, পেট্রোল সরবরাহে প্রতি ১০ লিটারে ১৩০ মিঃলিঃ কম এবং অকটেন সরবরাহে প্রতি ১০ লিটারে ২৯০ মিঃলিঃ কম প্রদান করায় ‘ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন-২০১৮’ এর ২৯/৪৬ ধারা অনুযায়ী ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়।

    জনাব মোঃ মারুফ হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, খানসামা, দিনাজপুর-এর নেতৃত্বে উক্ত মোবাইল কোর্টে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর-এর কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোঃ আহসান হাবীব, পরিদর্শক (মেট্রোলজি) ও প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ, ফিল্ড অফিসার (সিএম) প্রসিকিউটিং অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।