Blog

  • ময়মনসিংহ সদরকে স্মার্ট  উপজেলা গড়তে দলীয় মনোনয়ন  চান ফখরুল

    ময়মনসিংহ সদরকে স্মার্ট উপজেলা গড়তে দলীয় মনোনয়ন চান ফখরুল

    নিজস্ব প্রতিবেদক।।
    ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত, সুখী সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে ঘোষণা, তারই আলোকে ময়মনসিংহ সদরে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের দুইবারের দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু সাঈদ দীন ইসলাম ফখরুল। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর স্বপ্নের সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বিনির্মানে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বিশ্বসেরা প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সদর উপজেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কে জনকল্যাণ জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে চান।

    সাবেক ছাত্রনেতা আবু সাঈদ দীন ইসলাম ফখরুল বর্তমানে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব দিয়ে আসা ফখরুল আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী।

    তৃণমূলের রাজনীতিতে সক্রিয় আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যক্ষ আবু সাঈদ দীন ইসলাম ফখরুল বলেন, ‘পারিবারিকভাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন সংগ্রাম ও দেশ গঠনের অনন্য নেতৃত্বকে রাজনৈতিক জীবনের পাথেয় করে আমি রাজনীতি করে আসছি।’

    ‘বঙ্গবন্ধু না হলে যেমন স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রর সৃষ্টি হতো না, তেমনি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা না থাকলে বদলে যাওয়া আজকের বাংলাদেশও আমরা পেতাম না। টানা ১৫ বছর রাষ্ট্র পরিচালনায় পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলী টানেল, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো বড় বড় প্রকল্প তিনি আমাদের উপহার দিয়েছেন।’

    প্রাধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শিক্ষিত মেধাবী নেতৃত্ব প্রয়োজন বলে মনে করেন উপজেলার ঘাগড়া বাড়েরা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ আবু সাঈদ দীন ইসলাম ফখরুল।

    তিনি বলেন, ‘মাথাপিছু আয়, নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র নিরসন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা সামাজিক নিরাপত্তাসহ অসংখ্য ধারাবাহিক কার্যক্রমে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল। শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ বাস্তব। এখন লক্ষ্য ২০৪১ সালের উন্নত, সুখী সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে।’

    আবু সাঈদ দীন ইসলাম ফখরুল ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ১১নং ঘাগড়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান। তার বাবা প্রয়াত নজরুল ইসলাম সরকার এ অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারের অন্যতম দিকপাল ছিলেন। ঘাগড়ায় শিক্ষাবিস্তারে তিনি মরাকুড়ি বাজার এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করতে জমি দিয়ে দাতা সদস্য হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেন। স্ত্রী মনিরা বেগম অনু মহিলা পরিষদ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি ও শহরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মুকুল নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ে সিনিয়র সহকারী শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেম,ছেলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন সদস্য হিসাবে দেশ সেবায় নিয়োজিত আছেন।

    অধ্যক্ষ আবু সাঈদ দীন ইসলাম ফখরুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতীয় উন্নয়নকে কাজে লাগিয়ে স্মার্ট ময়মনসিংহ সদর উপজেলা গড়তে চাই। বিগত বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা সদরের প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছি।’

    ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী অধ্যক্ষ আবু সাঈদ দীন ইসলাম ফখরুল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে দিনরাত মানুষের দ্বারেদ্বারে ঘুরে-ফিরে উন্নয়ন কাজের বিতরন করেছেন।তিনি বলেন, ‘কোনো পদ-পদবীর জন্য নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগামীর বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে চাই। বাংলাদেশের মানুষের আশা ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল শেখ হাসিনা যাতে টানা ২০৪১ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পান সেজন্য কাজ করে যাচ্ছি।’

  • খাগড়াছড়িতে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল সংবর্ধনা

    খাগড়াছড়িতে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল সংবর্ধনা

    (রিপন ওঝা, খাগড়াছড়ি)

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা(এমপি) খাগড়াছড়িতে আগমন উপলক্ষে বিশেষ সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

    খাগড়াছড়ি জেলা সদর শাপলা চত্বরের মুক্ত মঞ্চে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসন ২৯৮-এ আগমন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী অঙ্গ সংগঠনসহ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ও নানা সংস্থার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ কার্যকরী নেতৃবৃন্দদের উপস্থিতিতে এবং খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে ১৬জানুয়ারি আজ বিকাল ৪.০০ ঘটিকায় ফুলেল শুভেচ্ছার সংবর্ধনার দেওয়া হয়েছে।

    খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা প্রথমত জেলা সদরের টাউন হল মাঠে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। সদরস্থ শাপলা চত্বরের মুক্ত মঞ্চে এসে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা সংবর্ধনা গ্রহণের পরে উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মীসহ উপস্থিত জনগণের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন, তিনি বক্তব্য বলেন দেশবিরোধী ও বিএনপি জামায়াত শিবিরের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গতিশীল স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সংসদ গঠন ও গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখতে, সংবিধান অক্ষুন্ন রাখতে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছেন, তাই উপস্থিত সকলকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানান। গঠিত সকল মন্ত্রণায়ের নতুন মন্ত্রীদের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সারাদেশের ন্যায় তিন পার্বত্য অঞ্চলের প্রতিটি এলাকায় যথাযথ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

    উক্ত সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুরার সহধর্মিনী মল্লিকা ত্রিপুরা, জেলা আওয়ামী লীগ ও খাগড়াছড়ি পৌর মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী, খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদস্য কল্যাণ মিত্র বড়ুয়া, সহ-সভাপতি মংক্যচিং চৌধুরী, জেলা পরিষদের সদস্য এ্যাড. আশুতোষ চাকমা, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলম, উপদপ্তর সম্পাদক নুরুল আজম, দপ্তর সম্পাদক চন্দন কুমার দে, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক মুক্তিযুদ্ধো কমান্ডার রইচ উদ্দীন, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কে এম ইসমাইল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজ উদ্দিন, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শানে আলম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সনজীব ত্রিপুরা ও সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় দাশ, মহালছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি রতন কুমার শীল ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন, শ্রমিক লীগের সভাপতি জানু শিকদার ও সাধারন সম্পদক মেহেদী হাসান হেলাল, কৃষক লীগের সভাপতি পিন্টু ভট্টাচার্য ও সাধারণ সম্পাদক খোকন চাকমা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হ্লাশিং মং চৌধুরী, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ঞইয়ারী চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক শাহিনা বেগম, জেলা যুব মহিলা লীগের সভানেত্রী বিউটি রানী ত্রিপুরা, সাধারণ সম্পাদক শাহীনা আক্তার, জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক উবিক মোহন ত্রিপুরা, সকল উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ, খাগড়াছড়ি পৌরসভার সকল কাউন্সিলর এবং জেলা আওয়ামী লীগের, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দগণ ও ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

    সংবর্ধনা শেষে শাপলা চত্বরের মুক্ত মঞ্চে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  • খাগড়াছড়িতে ৩০ কোটি ২৫ লক্ষ টাকার গাজা উদ্ধার : পুলিশ সুপার

    খাগড়াছড়িতে ৩০ কোটি ২৫ লক্ষ টাকার গাজা উদ্ধার : পুলিশ সুপার

    নুরুল ইসলাম টুকু
    প্রতিনিধি, সদর উপজেলা, খাগড়াছড়ি

    খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা থানাধীন ১নং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডস্থ লোকালয় থেকে প্রায় ১৫ কি.মি দূরে চৌধুরী পাড়া নামক স্থানে দূর্গম পাহাড়ী এলাকার মধ্যে ৩.৫ (সাড়ে তিন) একরের অধিক পরিত্যাক্ত ভূমিতে চাষাবাদরত অবস্থায় ৩০২৫ (তিন হাজার পঁচিশ) টি গাঁজা গাছ যার সমুদয় ওজন ৩০,২৫০ (ত্রিশ হাজার দুইশত পঞ্চাশ) কেজি, যার আনুমানিক মুল্য ৩০,২৫০০০০০ (ত্রিশ কোটি পঁচিশ লক্ষ) টাকার অধিক জব্দতালিকা মূলে জব্দ করেন খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ সুপার জনাব মুক্তা ধর, পিপিএম (বার) নের্তৃত্বে গুইমারা থানার বিশেষ আভিযানিক দল।
    চট্টগ্রাম রেঞ্জের মাননীয় ডিআইজি জনাব নূরে আলম মিনা বিপিএম (বার), পিপিএম এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় এবং পুলিশ সুপার মহোদয়ের দক্ষ নেতৃত্বে জেলা পুুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। এই ধারাবাহিকতায় খাগড়াছড়ি জেলার পুলিশ সুপার জনাব মুক্তা ধর পিপিএম (বার) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী অত্র থানার দূর্গম পাহাড়ের গহীণ জঙ্গলে সুপরিকল্পিতভাবে বানিজ্যিক ভিত্তিতে বিশাল এলাকা নিয়ে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজার চাষাবাদ করছে। পরবর্তীতে পুলিশ সুপার মহোদয়ের নের্তৃত্বে অফিসার ইনচার্জ গুইমারা থানাসহ থানার একাধিক চৌকস টিম অদ্য ১৬/০১/২০২৪ইং সকাল ০৭:৩০ ঘটিকা থেকে ১৪.৩০ ঘটিকা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করেন এবং তিন একরের অধিক জায়গা জুড়ে অবস্থিত গাঁজার বিশাল বাগান উদঘাটন করেন। ঘটনাস্থলে প্রাপ্ত জব্দকৃত ৩০২৫ (তিন হাজার পঁচিশ) টি গাঁজা গাছ যার ওজন ৩০,২৫০ (ত্রিশ হাজার দুইশত পঞ্চাশ) কেজি যার আনুমানিক মুল্য ৩০,২৫০০০০০ (ত্রিশ কোটি পঁচিশ লক্ষ) টাকা। উপস্থিত বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব ফরিদুল আলম এর উপস্থিতিতে জব্দকৃত গাঁজার মধ্যে ১৫ কেজি গাঁজা নমুনা আলামত হিসেবে সংরক্ষন করে অপরাপর ৩০,২৩৫ কেজি গাঁজা ঘটনাস্থলে ধ্বংস করা হয়। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।

  • বাগেরহাটে ২৪২ কোটি টাকার  ৬২ কিলোমিটার টেকসই বেরিবাঁধ নির্মাণ কাজ অসমাপ্ত রেখেই বাঁধ হস্তান্তর

    বাগেরহাটে ২৪২ কোটি টাকার ৬২ কিলোমিটার টেকসই বেরিবাঁধ নির্মাণ কাজ অসমাপ্ত রেখেই বাঁধ হস্তান্তর

    এস. এম সাইফুল ইসলাম কবির,বিশেষ-প্রতিনিধি: বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫/১ পোল্ডারের মোরেলগঞ্জ-শরণখোলায় ৬২ কিলোমিটার টেকসই বেরিবাঁধ নির্মাণ কাজ অসমাপ্ত রেখেই হস্তান্তর করা হয়েছে।

    নির্মাণ কাজ পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই হস্তান্তর এবং বাঁধের একাধিক স্থানে ভাঙন ও ব্লক ধসে যাওয়ায় অসন্তোষ বিরাজ করছে স্থানীয়দের মধ্যে। বাঁধ রক্ষায় বর্ষার আগেই নদীশাসন করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

    ভাঙন ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো রক্ষা এবং নদীর তীর প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়নে একটি প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

    পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রকল্প কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর সুপার সাইক্লোন সিডরের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালে মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা এলাকায় বাঁধ নির্মাণের জন্য উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্প (সিইআইপি) নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করে সরকার। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এ প্রকল্পের অধীনে ২৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫/১ পোল্ডারের বলেশ্বর নদীর তীরে মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার বগী-গাবতলা পর্যন্ত ৬২ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ শুরু করে চায়না ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান “দি ফার্স্ট ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যুরো হেনান ওয়াটার কনজারভেন্সি”।

    প্রতিষ্ঠানটি একই প্রকল্পের অধীনে ৩৫/৩ বাগেরহাট সদর ও রামপাল অংশে ১০২ কিলোমিটার টেকসই বাঁধ নির্মাণ করেছে। ৩৫/১ পোল্ডারের শরণখোলা উপজেলার বগী, গাবতলা, মোরেলগঞ্জের আমতলা, ফাসিয়াতলাসহ সাতটি স্থানে ভাঙন ও বাঁধের ব্লক ধসে বিলীন হয়েছে। এর মধ্যেই কাজ শেষ না হতেই ২০২৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর নির্মাণাধীন বাঁধটি পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন সিইআইপি প্রকল্পের কর্তা ব্যক্তিরা। তবে সাতটি স্থানের মধ্যে একটি স্থানে জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর কাজ শুরু করেছে বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ড। বাঁধ হস্তান্তরের ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে দেখা দিয়েছে ভাঙন আতঙ্ক ও জমি-ঘর হারানোর ভয়। তাদের অভিযোগ, বাঁধ নির্মাণের সময় মাটির বদলে বালু দেওয়ায় ঝুঁকিতে পড়েছেন তারা।

    শরণখোলা উপজেলার উত্তর সাউথখালী গ্রামের হালিম শাহ বলেন, দুই পাশে মাটি দিয়ে মাঝখানে বালু দেওয়া হয়েছে যার কারণে বাঁধে ফাটল ও ধস শুরু হয়েছে। শুনেছি কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু এখনও তো তিন কিলোমিটার এলাকায় ভাঙন রয়েছে।

    শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের গাবতলা এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেন বলেন, বলেশ্বর নদীতে ভাঙনে ভিটা বাড়ি সব কিছু হারিয়েছি। ২০০৭ সালের সিডরে পরিবারের সদস্যদেরও হারিয়েছি। এরপরে আমাদের একমাত্র দাবি ছিল, টেকসই বেরিবাঁধ। কিন্তু বাঁধের কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই নিম্নমানের এবং নদীশাসন না করার কারণে নতুন করে বাঁধের ব্লক ধসে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছি।

    সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রিয়াদুল পঞ্চায়েত বলেন, সব কিছু ত্যাগের বিনিময়ে একটি টেকসই বেরিবাঁধের দাবি ছিল এলাকাবাসীর। কিন্তু বেরিবাঁধ হয়েছে ঠিকই, নদীশাসন না করার ফলে ভাঙন শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। আগামী বৃষ্টি মৌসুমের আগে ভাঙন ঠেকানোর দাবি জানাচ্ছি।

    নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক সাউথখালী এলাকার এক ব্যক্তি বলেন, কাজ নিয়ন্ত্রণ করেছেন চীনের লোকজন। যার কারণে আমরা কোনো খোঁজ খবর নিতে পারিনি। যেভাবে ইচ্ছা, সেভাবে কাজ করে গেছেন। এছাড়া নদীর মধ্য থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে ঝুঁকিতে পড়েছে বাঁধ।

    শরণখোলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন শান্ত বলেন, বাঁধ নির্মাণ হওয়ায় মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছিল। কিন্তু নির্মাণ সম্পন্ন না করে কেন্দ্রীয়ভাবে হস্তান্তর ও বাঁধে ভাঙন শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিআইপি প্রকল্পের দূরদর্শিতার অভাবে নদীশাসন না করেই বাঁধ নির্মাণের ফলে বাঁধটি হুমকির মধ্যে রয়েছে। খুব শিগগিরিই নদীশাসন করে বাঁধের অসম্পন্ন কাজ সম্পন্ন করার দাবি জানান এ জনপ্রতিনিধি।

    এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি সূত্র জানায়, প্রকল্পটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে হলেও এটি নিয়ন্ত্রণ করা হতো কেন্দ্রীয়ভাবে। প্রকল্পের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থানীয় কার্যালয় পানি উন্নয়ন বোর্ড, বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরকে কিছুই জানানো হয়নি। স্থানীয় দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় না করে কাজ করায় তারাও কাজের বিষয়ে কোনো খোঁজ নিতে পারেননি। ফলে কাজে কিছুটা সমস্যা রয়েছে।

    পানি উন্নয়ন বোর্ড, বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান মোহাম্মদ আল বিরুনী বলেন, প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ায় ২০২৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর ঢাকায় প্রকল্পটি হস্তান্তর করা হয়। ৩৫/১ ও ৩৫/৩ পোল্ডারের ১০২ কিলোমিটার বাঁধ হস্তান্তর করা হয় এদিন। পরে সরেজমিন পরিদর্শন করে ৩৫/১ পোল্ডারের সাতটি স্থানে দুই দশমিক ৬৮ কিলোমিটারে বাঁধ অতি ঝুঁকিপূর্ণ পাই। নদীর তীর প্রতিরক্ষা মূলক কাজ বাস্তবায়নের জন্য ২১ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়ে প্রধান কার্যালয়ে একটি প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবনাটি পাস হলে কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।

  • ঠাকুরগাঁও পঞ্চগড় প্রচন্ড শৈত্য প্রবাহের কারনে বেড়েছে অনেকের সর্দকাশি,গলাব্যাথা

    ঠাকুরগাঁও পঞ্চগড় প্রচন্ড শৈত্য প্রবাহের কারনে বেড়েছে অনেকের সর্দকাশি,গলাব্যাথা

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।বাংলাদেশের উত্তর বঙ্গের ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলায় ৭দিন ধরে শৈত্য প্রবাহের চাপ থাকায় শিশু সহ,যুবক কিশোর অনেকেরই সর্দিকাশি ও গলাব্যাথার সমস্যা দেখা দিয়েছে।পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওয়ে দিবাভাগে কোন সূর্যের আলো না থাকাই প্রচন্ড শীতে কাপছে হাজার হাজার মানুষ।কেউ কাঠখড় পুড়ে আগুন জ্বালিয়ে তাপমাত্রা নিচ্ছে শরীরে।তবে অনেক অসহায় গরীব লোক শীতবস্ত্র কিনতে অসার্থরা কাপছে শীতের হাওয়া বাতাসে।এদিকে ৭দিন ধরে সুর্যের আলো না থাকায় বাড়ছে অনেকেরই বিভিন্ন
    সর্দি-কাশি,ঠাণ্ডা-কাশি, ঠাণ্ডা লাগা বা সর্দি-জ্বর এক ধরনের ভাইরাসঘটিত সংক্রামক রোগ যা মানবদেহের ঊর্ধ্ব শ্বাসপথ,বিশেষ করে নাকে আক্রমণ করে।এছাড়া এই রোগে গলবিল, অস্থিগহ্বর ও স্বরযন্ত্রও আক্রান্ত হতে পারে। ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হবার দুই দিন পর বা তারও আগেই এই রোগের লক্ষণ ও উপসর্গগুলি প্রকাশ পেতে পারে।তীব্র শৈত্য প্রবাহ চলছে এখন আমাদের এই মৌসুমে ঘর থেকে বের হলেই প্রচণ্ড শীত।হাত পা ঠান্ডা হয়ে যায়।এই সময় বাড়ে সর্দি-কাশির সমস্যা ও বিভিন্ন রোগের লক্ষ্মণ ও উপসর্গ এবং ঠান্ডার প্রকোপে অনেকের নাক বন্ধ হয়ে যায়।শ্বাস নিতেও কষ্ট হয়ে থাকে এবং ওষুধে এই সমস্যার সমাধান হয় দেরিতে রোগে ভুগতে হয় বেশ লম্বা সময় ধরে তবে উপকারী কিছু প্রাকৃতিক উপাদান সঠিক নিয়মে গ্রহণ করা হলে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে অল্প সময়েই পরিত্রাণ পাওয়া যায়।এ বিষয়ে চিকিৎসা বিদদের ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করা উচিত।তাহলে আসুন জেনে নিই নাক বন্ধের সমস্যার ঘরোয়া সমাধান কিভাব করা যায়।যেমন-রসুনের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি শর্ম বন্ধ নাকের সমস্যা দূর করবে।যা ফ্লু প্রতিরোধেও কাজ করে এবং ২-৩টি রসুন থেঁতলে এক কাপ পানিতে ১০ মিনিট জ্বাল দিতে হবে।তারপর পানি ছেঁকে কুসুম গরম পানি পান করতে হবে।দিনে দুবার রসুন পানি পানে দ্রুতই নাক বন্ধভাব ভালো হয়ে যাবে।আদা কুঁচি করে কেটে অল্প লবণে মেখে চিবিয়ে আদার রস গ্রহণ করতে হবে।এভাবে সরাসরি আদার রস পান করলে দ্রুতই নাক বন্ধ সমস্যা দূর হয়ে যাবে।ইনফেকশন ও নাক বন্ধের সমস্যায় লেবু খেতে পারেন।লেবু খাওয়ার জন্য প্রয়োজন হবে অর্ধেকটি লেবুর রস,এক গ্লাস পরিমাণ পানি ও এক চা চামচ মধু।প্রথমে পানি গরম করে এতে মধু মিশিয়ে নিতে হবে।পরে এতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করতে হবে। রোজ দুবার লেবু-মধুর মিশ্রণ খেলে এই সমস্যা দূর হয়ে যাবে।
    তেজপাতায় রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি।যা ঠাণ্ডাজনিত সমস্যাগুলোর প্রকোপ কমাতে কাজ করে।বিশেষত বন্ধ নাকের সমস্যাটি কমিয়ে স্বাদ ফিরিয়ে আনতে তেজপাতা খুব ভালো কাজ করবে।দেড় গ্লাস পানিতে ৫-৬টি তেজপাতা পনের মিনিট জ্বাল দিতে হবে।জ্বাল দেয়া শেষে পানি ছেঁকে নিয়ে পান করতে হবে।নাক বন্ধ সমস্যা দূর করার আরেকটি ভালো উপায় মেনথল।গরম পানির মধ্যে কয়েক ফোঁটা মেনথল ফেলে একটি তোয়ালে দিয়ে ঢাকুন এবং এরপর গরম পানির ভাপ নিন,দেখবেন নাক বন্ধ সমস্যা অনেকটাি কমিয়ে গেছে।তবে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করে ও দ্রুত আরোগ্য লাভ করা যায়।কারণ সর্দি কাশি গলাব্যাথা,খুশিখুশি কাশ,হলে রাতে কোন রুগী ঠিক মতো ঘুমাতে পারেনা।তবে এই ঠান্ডায় কোভিড -১৯ করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ও সন্ভাবনা হতে পারে।তবে এর চাইতে তাপমাত্রা আরো কমলে বয়স্ক ব্যক্তিদের মৃত্যুর সম্মুখীন হতে পারে বলে সম্ভাবনা রয়েছে।

    এ বিষয়ে পীরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি বলেন,গত ৭দিন ধরে যেভাবে শৈত্য প্রবাহের প্রকোপ চলছে অনেক লোকেরই সর্দিকাশি গলাব্যাথা দেখা দিচ্ছে।এজন্য তিনি বলেন যে কোন খাবার গরম করে খেতে হবে নতুবা গরম পানি খেতে হবে।

  • তারাগঞ্জে শীতের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চুরি

    তারাগঞ্জে শীতের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চুরি

    খলিলুর রহমান খলিল নিজস্ব প্রতিনিধি

    রংপুরের তারাগঞ্জে শীতের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চুরি। জানা গেছে, গত সোমবার (১৫ জানুয়ারি) তারাগঞ্জ বাজারের হাইস্কুল মাঠে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার খাতামধুপুর বড়ডাঙ্গী গ্রামের তছির উদ্দিনের ছেলে গ্রাম পুলিশ ফজলে রহমানের ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটরসাইকেল চুরি হয়। গত রোববার (১৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে আলমপুর ইউনিয়নের ইমাগঞ্জে বীরমুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমানের গোয়ালঘরের প্রাচীর ভেঙ্গে শাহীওয়াল গাভী চোরেরা চুরি করে নিয়ে গেছে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকা।

    ইকরচালী ইউনিয়নের দক্ষিণ হাজিপুর মাঝাপাড়া গ্রামের সাইদুল ইসলাম বলেন, গত রোববার (১৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে গোয়াল ঘরে গরু দেখে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। পরে ভোর রাতে দেখি গোয়াল ঘরের তালা ভেঙ্গে চোরেরা গাভী বকনা ষাড় সহ ৪ টি গরু চুরি করে নিয়ে গেছে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ লক্ষ্যাধিক টাকা। এবিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।

    গত বুধবার (১০ জানুয়ারি) রাতে হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের ডাক্তারপাড়া গ্রামের রওশন আলীর ছেলে ফারুক মিয়ার গোয়াল ঘর হতে ৪ টি গরু চুরি হয়।
    ফারুক হোসেন জানান, ঘরের তালা ভেঙ্গে চোরেরা গভীর রাতে ৩ টি গাভী সহ ৪ টি গরু চুরি করে নিয়ে গেছে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় আড়াই লক্ষ্যাধিক টাকা। পরে গত শুক্রবার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।
    গত রোবাবর (৭ জানুয়ারি) উপজেলার কুর্শা জিগাতলা গ্রামের জহুরুল হকের বাড়ী থেকে রাতে তার রুজি রোজগারের একমাত্র সম্বল ব্যাটারি চালিত অটো চার্জার ভ্যানটি চুরি করে নিয়ে যায় চোর।

    এ বিষয় তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিদ্দিকুল ইসলাম বলেন,আমরা নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য পুলিশের সাথে গ্রাম পুলিশদের কে ডিউটিতে লাগিয়েছি।

  • লালমনিরহাটে ৫ জন মাদকব্যবসায়ী গ্রেফতার

    লালমনিরহাটে ৫ জন মাদকব্যবসায়ী গ্রেফতার

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
    লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখা অফিসার ইনচার্জ ওসি আমিরুল ইসলাম,নেতৃত্বে এসআই (নিঃ)/মোঃ ফেরদৌস সরকার, এসআই(নিঃ)/নিজাম-উদ-দৌলা, এএসআই (নিঃ)/আঃ বারী সরকার, রাশেদ মিয়া, রবিউল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম, রেজাউল ইসলাম, ময়েজ উদ্দিন, পারভিন আক্তার, সঙ্গীয় ফোর্স সহ বিশেষ অভিযানে জেলার কালিগঞ্জ থানাধীন মদাতী ইউপির উত্তর মুশরত মদাতী মৌজাস্থ আলহাজ্ব মনির উদ্দিন দরবেশ (রহঃ) “মাজার শরীফ” সংলগ্ন ০৫ গজ উত্তরে ফাকা জায়গা হইতে সাদেকুল ইসলাম(৪৩),পিতা-মৃত মনছুর আলী, সাং-নতুন কইটারী, আব্দুল হাকিম(৫২),পিতা-মৃত আজগার আলী, সাং-কৈটারী, ০৪নং ওযার্ড, আব্দুল হামিদ (৬১),পিতা-মৃত আব্দুল জব্বার, সাং-উত্তর মুশরত মদাতী, ০৬নং ওযার্ড, রাজিয়া(৩৬),স্বামী-মোঃ জাকির হোসেন,সাং-গাগলারপাড়, ০৫নং ওয়ার্ড, ইউপি-মদাতী, মনিরুল ইসলাম(২৮),পিতা-মৃত দুলাল মিয়া, সাং-সতিরপাড়,০৩নং ওযার্ড,ইউপি-চন্দ্রপুর,সকলের থানা-কালীগঞ্জ, জেলা-লালমনিরহাট। ৫৫বোতল ফেন্সিডিল ক্রয়-বিক্রয় করা কালীন সময়ে এদের কে হাতেনাতে গ্রেফতার করেন ডিবি পুলিশ। এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলার রুজুর হয়। লালমনিরহাট ডিবির অফিসার ইনচার্জ ওসি আমিরুল ইসলাম,জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে কালিগঞ্জ থানাধীন মদাতী ইউপির উত্তর মুশরত মদাতী মৌজাস্থ আলহাজ্ব মনির উদ্দিন দরবেশ (রহঃ) “মাজার শরীফ” সংলগ্ন ০৫ গজ উত্তরে ফাকা জায়গা হইতে ৫৫বোতল ফেন্সিডিল ক্রয়-বিক্রয় করা কালীন সময়ে এদের ৫জন কে গ্রেফতার করেন ডিবি পুলিশ।

    হাসমত উল্লাহ ।।

  • মুরাদনগরে ভ্রাম্যমান আদালতে ৬ টি ড্রেজার মেশিন ও ১৫ হাজার ফুট পাইপ বিনিষ্ট

    মুরাদনগরে ভ্রাম্যমান আদালতে ৬ টি ড্রেজার মেশিন ও ১৫ হাজার ফুট পাইপ বিনিষ্ট

    কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি, মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন,

    কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় অবৈধভাবে কৃষি জমি থেকে মাটি উত্তোলনের দায়ে ছয়টি ড্রেজার মেশিন ও পনের হাজার ফুট পাইপ বিনিষ্ট করেছে ভ্রম্যমান আদালত।গত সোমবার দিনব্যাপী উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন বাঙ্গরা শ্রীকাইল ইউনিয়নের উত্তর পেন্নুই, ভূতাইল,ও সোনাকান্দা এলাকায় তিন ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের দায়ে ভ্রম্যমান আদালতের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালনা করেন,
    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন সুলতানা নিপা।
    জানা যায়, উপজেলার বাঙ্গরা শ্রীকাইল ইউনিয়নে উওর পেন্নুই, ভূতাইল,ও সোনাকান্দ গ্রামের বিলে তিন ফসলি জমিতে ড্রেজার ব্যবসায়ীরা প্রথমে সামান্য একটু জমি ক্রয় করে। পরে সেই কৃষি জমি থেকে অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে মাটি উত্তোলন করার ফলে আশ-পাশের জমি ভেঙ্গে পরলে, এক পর্যায়ে প্রভাব খাটিয়ে নাম মাত্র মূল্য দিয়ে নিরিহ কৃষকের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় অনেক কৃষি জমি। তাদের ভয়ে সরাসরি কেউ প্রতিবাদ না করতে পেরে,স্থানীয় কৃষক ও কৃষি জমির মালিকরা মুরাদনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার দপ্তরে কাছে কৃষি জমি থেকে অবৈধ ভাবে ড্রেজার দিয়ে মাটি উত্তোলনের বিষয়টি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কুমিল্লার অন্যান্য উপজেলা থেকে বেশি মুরাদনগরের শ্রীকাইল,বাঙ্গরা এলাকায় এসব ড্রেজার মেশিন অবৈধ বানিজ্য রমরমা চলছে, বিলুপ্ত করে দিচ্ছে শতশত একর কৃষি জমি। কৃষক দের অভিযোগের ভিত্তিতে গত কাল
    সোমবার (১৫ ই জানুয়ারি) সারাদিন ব্যাপী পায়ে হেঁটে সুদূর বিলের মাঝখানে ঘটনাস্থলে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়। এসময় বিভিন্ন গ্রামে ৬টি ড্রেজার মেশিন ও ১৫ হাজার ফুট পাইপ বিনষ্ট করে ভ্রাম্যমান আদালত। এই ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চলাকালীন ড্রেজার দ্বারা অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনকারী মো: কাইয়ুম,কে ঘটনাস্থল হতে আটক করা হয় এবং এক লাখ(১,০০,০০০) টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। পরে অভিযুক্ত ব্যক্তি জরিমানা আদায় করে অব্যাহতি লাভ করেন।
    এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন সুলতানা নিপা বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুসারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত পুরো উপজেলায় কৃষি জমিতে একটি ড্রেজারও চালু থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় দীর্ঘদিন যাবত ত্রিশ গ্রামের রুপ মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর আলম প্রভাব খাটিয়ে গোমতি নদীর চর কেটে, নদীর তলদেশ কেটে সাবার করতেছে প্রশাসন দুবার ভ্রাম্যমান দিলেও কাজেরকাজ হচ্ছে না,

  • কামাইছড়ায় ড্রাম  ট্রাক-লরি মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত

    কামাইছড়ায় ড্রাম ট্রাক-লরি মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত

    হবিগঞ্জ প্রতিনিধি।। হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া চা বাগান মোড়ে মিরপুর-শ্রীমঙ্গল সড়কে ড্রামট্রাক ও লরী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক চালক নিহত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় মর্মান্তিক এ দূর্ঘটনা ঘটে।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় মিরপুর থেকে একটি ড্রাম ট্রাক শ্রীমঙ্গলের দিকে যাচ্ছিল। এ ট্রাকটি কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়ি অতিক্রম করে চা বাগান মোড়ে পৌঁছামাত্র বিপরীত দিক থেকে আসা ১৮ চাকার বড় একটি লরি ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ড্রাম ট্রাকের চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।
    খবর পেয়ে কামাইছড়া ফাঁড়ি পুলিশ ও লসনা হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে।

  • বগুড়ার চক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত

    বগুড়ার চক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    পাইকগাছার বগুড়ার চক, আমিরপুর, কানাখালী, পাতড়াবুনিয়া, খড়িয়া, মাদার মোল্যা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিদ্যালয় ভবনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ১২৫ জন ভোটারদের মধ্যে ১১৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে দুটি প্যানেলে ৫ জন করে ১০জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দীতা করেন। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী ডাঃ আব্দুল বারিক ও অবসর প্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা জিএম আব্দুর রব প্যানেলের মহিলা সহ ৩জন এবং ইউপি সদস্য আব্বাস মোল্লা ও জাহাঙ্গীর সানার প্যানেলের ২ জন জয় লাভ করেছেন। বারিক-রব প্যানেলের নির্বাচিতরা হলেন, জলীল গাইন, জাহাঙ্গীর আলম ও রেশমা খাতুন। অপরদিকে আব্বাস-জাহাঙ্গীর প্যানেলের নির্বাচিতরা হলেন, আমির হোসেন ঢালী ও রবিউল ইসলাম মিস্ত্রী। উল্লেখ্য, দুটি প্যানেলের সংরক্ষিত নারী সদস্য রেহেনা পারভীন ও রেশমা খাতুন ৫৭ ভোট করে প্রাপ্ত হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল আমিন এর কার্যালয়ে লটারির মাধ্যমে রেশমা খাতুনকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহজাহান আলী শেখ, সহকারী ছিলেন, প্রধান শিক্ষক বঙ্কিম চন্দ্র সরকার।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা, খুলনা।