ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ॥
পাইকগাছা পৌরসভার বাস টার্মিনাল নির্মাণের লক্ষে প্রস্তাবিত জায়গা পরিদর্শন করেছেন খুলনা-৬ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান। তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর কর্তৃপক্ষ এবং বাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে পৌর সদরের পাইকগাছা-কয়রা প্রধান সড়কের পশ্চিম পাশের শিববাটী মৌজার প্রস্তাবিত জায়গা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বাস টার্মিনালের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ সহ নির্মাণ কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের দিকনির্দেশনা দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন, ওসি ওবাইদুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা লালু সরদার, কাউন্সিলর এসএম তৈয়েবুর রহমান, কবিতা দাশ, নির্বাহী প্রকৌশলী নূর আহম্মদ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী লিটু শেখ, প্রাক্তন অধ্যক্ষ হরেকৃষ্ণ দাশ, বাসমালিক সমিতির শেখ হারুন অর রশিদ হিরো, শেখ জাহিদুল ইসলাম, আলহাজ¦ ফজলুর রহমান, ব্যবসায়ী মিনারুল ইসলাম সানা, কৃষ্ণপদ মন্ডল, জিয়াউর রহমান, মৃণাল কান্তি বাছাড়, পার্থ প্রতীম চক্রবর্ত্তী, রিপন রায়, আরিফ আহম্মেদ জয়, আনারুল ইসলাম, শ্রমিক নেতা শেখ মিথুন মধু, আবুল কালাম, সাইদুল ইসলাম, আছাদুজ্জামান আছাদ, জীবন কিশোর রায়, সুবীর ঘোষ ও মুজিবর রহমান মল্লিক। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২ মে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুলিয়া সুকায়না স্বাক্ষরিত এক পত্রে পৌরসভার বাস টার্মিনাল নির্মাণের জন্য শিববাটী মৌজার ৪৩ নং খতিয়ানের ১২৫ দাগের ০.৫৫ একর, এসএ-১ নং ও হাল ১৫৬ খতিয়ানের ১২৪ হাল ১১৭ দাগের ০.৮৫ একর এবং ১৮নং খতিয়ানের ১৪০ দাগের ০.১০ একর সহ সর্বমোট ১.৫০ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়। নানা কারণে যেটি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।
Blog
-

বাস টার্মিনালের প্রস্তাবিত জায়গা পরিদর্শন করলেন এমপি রশীদুজ্জামান
-

এমপি রশীদুজ্জামানকে মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সংবর্ধনা প্রদান
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে খুলনা-৬ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামানকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে জিরোপয়েন্টস্থ শিক্ষক সমিতির নিজস্ব কার্যালয়ে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। শিক্ষক সমিতির সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন, সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান। সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান ও শিক্ষক দীপক কুমার সরকারের স ালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজাহান আলী শেখ, ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়াদ্দার, সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুল মজিদ গোলদার, একাডেমিক সুপার ভাইজার মীর নূরে আলম সিদ্দিকী, প্রাক্তন অধ্যক্ষ হরেকৃষ্ণ দাশ, অধ্যক্ষ গোপাল ঘোষ, মেজবাহুল হক, প্রধান শিক্ষক রহিমা আক্তার শম্পা, অঞ্জলি রানী শীল, সঞ্জয় মন্ডল, আমিনুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, সুব্রত সানা, মতিউর রহমান, আনিছুর রহমান, খায়রুল ইসলাম ও অসীম কুমার রায়। অনুষ্ঠানে এমপি রশীদুজ্জামান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ সহ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় শিক্ষিত যোগ্য ব্যক্তিকে সভাপতি করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা (খুলনা) ॥ -

পাইকগাছার কপিলমুনিতে বিনোদ বিহারী সাধুর ৯০তম তিরোধান দিবস পালিত
ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ॥
কপিলমুনিতে গতকাল বৃহস্পতিবার রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধু’র ৯০তম তিরোধান দিবস উপলক্ষ্যে শোক শোভার্যালী ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে আধুনিক কপিলমুনির রুপকার দানবীর স্বর্গীয় রায়সাহেব বিনোদ বিহারী সাধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন বিনোদ স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের নেতৃবৃন্দ। এরপর সকাল ১০টায় বিনোদ স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের উদ্যোগে শোক শোভার্যালী কপিলমুনি বাজার প্রদক্ষিণ শেষে কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির স্কুল এন্ড কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। বেলা ১১ টায় উক্ত মাঠ প্রাঙ্গণে রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধু’র কর্মজীবন সম্পর্কে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধু স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি ও কপিলমুনি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কওছার আলী জোয়ার্দ্দারের সভাপত্বিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা-৬, পাইকগাছা-কয়রার সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কপিলমুনি কলেজের অধ্যক্ষ হাবিবুল্যাহ বাহার, পাইকগাছা উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস, কপিলমুনি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুস সাত্তার, লতা ইউপি চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস, অধ্যক্ষ মুজিবর রহমান, প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয় কুমার মন্ডল, প্রধান শিক্ষক রহিমা আক্তার শম্পা, কপিলমুনি প্রেসক্লাবে নবনির্বাচিত সভাপতি জিএম হেদায়েত আলী টুকু, কেকেএসপি’র সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ, সাধারন সম্পাদক এম বুলবুল আহমেদ, চম্পক কুমার পাল, কপিলমুনি ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি সরদার বজলুর রহমান, প্রধান শিক্ষক নুরুজ্জামান, সহকারী প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান, সাধন কুমার ভদ্র, দিপক কুমার মন্ডল, সরদার মোজাফ্ফর হোসেন, রামপ্রসাদ পাল, অধ্যক্ষ শিমুল বিল্লাহ বাপ্পী, কামাল হোসেন, বিধান চন্দ্র ভদ্র, এম মাহমুদ আসলাম, রবিন অধিকারী, সালাম মোড়ল, হিমাদ্রী শেখর দে, শিক্ষক পলাশ দাশ, কৃষ্ণেন্দু দত্ত, অনুপম সাধু, পবিত্র সাধু, রণজিত অধিকারী, মধুসূদন হালদার, সরদার জাহাঙ্গীর আলম, শুভংকর রায় শুভ, জিএম হারুনার রশিদ, রাসেল সরদার, হাফিজুর রহমান, তৈয়বুর রহমান রকি, আব্দুল হাকিম, সীমান্ত রায় ও রনি প্রমুখ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির স্কুল এন্ড কলেজ, মেহেরুন্নেচ্ছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বিনোদ বিহারী শিশু বিদ্যালয় ও কপিলমুনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ বাজার ব্যবসায়ীবৃন্দ। উক্ত আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেওয়াত করেন শিক্ষক মাওলানা এস এম আবুল হোসাইন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, কপিলমুনি ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ইকবাল হোসেন খোকন ও কপিলমুনি ইউনিয়ন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক মফিজুল ইসলাম। এসময় বক্তারা বলেন, ‘রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধু মাত্র ১৩ বছর বয়সে ব্যবসা শুরু করেন। তাঁর ব্যবসায়ীক উপার্জনের পয়সা দিয়ে বৃহত্তর কপিলমুনির মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থা করেছেন। মায়ের নামে সহচরী বিদ্যামন্দির (বর্তমানে স্কুল এন্ড কলেজ), ২০ শয্যা বিশিষ্ট ভরত চন্দ্র হাসপাতাল, অমৃতময়ী টেকনিক্যাল স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর সমাজ সেবার পুরস্কার হিসেবে তৎকালীন সরকার তাঁকে রায় সাহেব উপাধিতে ভূষিত করেন। রায় সাহেবের মত গুণীজন বর্তমান সমাজে অনেকটা বিরল, তাঁর কর্মময় জীবন সম্পর্কে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। -

পাইকগাছায় ৫ টি বসত ঘর আগুনে পুড়ে ছাই ;৩ লাখ টাকার ক্ষতি
ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ॥
পাইকগাছায় ৫ টি বসত ঘর আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার বিকালে পাইকগাছা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড শিববাটি গ্রামে এ আগুনের ঘটনা ঘটে। আগুনে পাঁচটি বসতঘর সমপূর্ণ পুড়ে প্রায় তিন লাখ টাকার মত ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। বসতঘর পুড়ে যাওয়া এসব পরিবারের সদস্যরা খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাতে হবে । স্থানীয়রা ও ক্ষতিগ্রস্তরা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা বলেন, শত্রুতা করে কেও এমন ঘটনা ঘটাতে পারে। তবে এলাকাবাসীরা মনে করছেন রান্নাঘর থেকে আগুনটি লাগতে পারে। আগুন লাগার পর স্থানীয়রা ও আশাশুনির ফায়ার সার্ভিস এর সহায়তায় আগুন নিভানো হয়। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত রেবেকা বিবি (৫০)বলেন, স্বামী আকবর গাজী (৬৫) ভ্যান চালক, বাড়িতে ছিল না ‘।ভ্যান চালাতে গিয়েছিল। আমি আমার ছোট ছেলে এবং আমার তিন বছরের পোতা বাড়িতে ছিলাম। হঠাৎ করে কিভাবে যে ঘটনা ঘটলো আমি বুঝতে পারলাম না। ঘরসহ সব মালামাল পুড়ে গেছে। এক কাপড়ে আছি। কি করে চলবো বুঝতে পারছি না।
বাস টার্মিনালের প্রস্তাবিত জায়গা পরিদর্শন করলেন এমপি রশীদুজ্জামান
ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ॥
পাইকগাছা পৌরসভার বাস টার্মিনাল নির্মাণের লক্ষে প্রস্তাবিত জায়গা পরিদর্শন করেছেন খুলনা-৬ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান। তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর কর্তৃপক্ষ এবং বাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে পৌর সদরের পাইকগাছা-কয়রা প্রধান সড়কের পশ্চিম পাশের শিববাটী মৌজার প্রস্তাবিত জায়গা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বাস টার্মিনালের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ সহ নির্মাণ কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের দিকনির্দেশনা দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন, ওসি ওবাইদুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা লালু সরদার, কাউন্সিলর এসএম তৈয়েবুর রহমান, কবিতা দাশ, নির্বাহী প্রকৌশলী নূর আহম্মদ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী লিটু শেখ, প্রাক্তন অধ্যক্ষ হরেকৃষ্ণ দাশ, বাসমালিক সমিতির শেখ হারুন অর রশিদ হিরো, শেখ জাহিদুল ইসলাম, আলহাজ¦ ফজলুর রহমান, ব্যবসায়ী মিনারুল ইসলাম সানা, কৃষ্ণপদ মন্ডল, জিয়াউর রহমান, মৃণাল কান্তি বাছাড়, পার্থ প্রতীম চক্রবর্ত্তী, রিপন রায়, আরিফ আহম্মেদ জয়, আনারুল ইসলাম, শ্রমিক নেতা শেখ মিথুন মধু, আবুল কালাম, সাইদুল ইসলাম, আছাদুজ্জামান আছাদ, জীবন কিশোর রায়, সুবীর ঘোষ ও মুজিবর রহমান মল্লিক। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২ মে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুলিয়া সুকায়না স্বাক্ষরিত এক পত্রে পৌরসভার বাস টার্মিনাল নির্মাণের জন্য শিববাটী মৌজার ৪৩ নং খতিয়ানের ১২৫ দাগের ০.৫৫ একর, এসএ-১ নং ও হাল ১৫৬ খতিয়ানের ১২৪ হাল ১১৭ দাগের ০.৮৫ একর এবং ১৮নং খতিয়ানের ১৪০ দাগের ০.১০ একর সহ সর্বমোট ১.৫০ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়। নানা কারণে যেটি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। -

সুজানগরে শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী
এম এ আলিম রিপনঃ পাবনার সুজানগরে ৫২ তম বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল,মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে । বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতি সুজানগর উপজেলা শাখা এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। বৃহস্পতিবার সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীনের সভাপতিত্বে ও শিক্ষক আখতারুজ্জামান জর্জ এর স ালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা, উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) সাইফুল ইসলাম,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন , উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো.সোলায়মান হোসেন ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেন। এ সময় বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি পাবনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের, সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিলীপ কুমার, শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী, মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মাহাতাব আলীসহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। প্রতিযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ক্রিকেট,ভলিবল, ব্যাডমিন্টন,অ্যাথলেটিকসহ বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নেয়।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি ।। -

পঞ্চগড়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্টে জরিমানা
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্টে অনুমোদিত শব্দের অতিরিক্ত মাত্রার হর্ণ ব্যবহারে জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) জেলার সদর উপজেলার প গড়-তেঁতুলিয়া জাতীয় মহাসড়কের জজকোর্ট সংলগ্ন এলাকায় “শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদ্বারিত্বমূলক প্রকল্প” এর আওতায় পরিবেশ অধিদপ্তর, প গড় জেলা কার্যালয় ও জেলা প্রশাসন, প গড়ের যৌথ উদ্যোগে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় জরিমানা করা হয়।
জানা যায়, পরিবেশ অধিদপ্তর অনুমোদিত শব্দের অতিরিক্ত মানমাত্রার হর্ণ ব্যবহারের অভিযোগে দুইটি ট্রাক এর ড্রাইভারকে ১ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা ধার্য্যপূর্বক আদায় করা হয় ও অনুমোদিত শব্দের অতিরিক্ত মানমাত্রার শব্দ সৃষ্টিকারী ৪টি হাইড্রোলিক হর্ণ জব্দ করা হয়।
জেলা প্রশাসন, পঞ্চগড় এর সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মিজানুর রহমান ও মোঃ আব্দুল আল মামুন কাওসার শেখ এর নেতৃত্বে পরিবেশ অধিদপ্তর, প গড় জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ ইউসুফ আলী প্রসিকিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এতে পুলিশ বিভাগ, প গড় এর একদল সদস্য অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন।
পরিবেশ অধিদপ্তর, প গড় জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এ ধরণের অভিযান অব্যহত থাকবে বলে জানানো হয়।মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।
-

বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর কর্তৃক সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
অদ্য ১৮.০১.২০২৪ ইং তারিখে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় একটি সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালিত হয়। উক্ত সার্ভিল্যান্স অভিযানে-
ক) যে প্রতিষ্ঠানে সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ঃ
১। মেসার্স রংপুর ব্রিকস এন্ড ব্লকস, মন্থনা হাজিরহাট, সদর, রংপুর প্রতিষ্ঠানের ক্লে-ব্রিকসের নমুনা পরীক্ষণের জন্য সংগ্রহ করা হয় এবং সিএম লাইসেন্স নবায়নের পরামর্শ প্রদান করা হয়।
২। মেসার্স রংপুর ফ্লাওয়ার মিলস, বিসিক কেল্লাবন্দ, রংপুর প্রতিষ্ঠানটিকে আটা, ময়দা, গমের ভূষি পণ্যের সিএম লাইসেন্স গ্রহণের পরামর্শ প্রদান করা হয়।
৩। মেসার্স সাঈদ বেকারি, বিসিক কেল্লাবন্দ, রংপুর কারখানার পরিবেশ উওন্নত করার পরামর্শ প্রদান করা হয়।
৪। মেসার্স টেস্টি পেস্টি, ধাপ জেল রোড, মহানগর, রংপুর প্রতিষ্ঠান কে কেক পণ্যের সিএম লাইসেন্স গ্রহণের পরামর্শ প্রদান করা হয়।
৫। মেসার্স ক্যাপ্টেন ফুডস্, ইসলামপুর, হনুমানতলা, সদর, রংপুর প্রতিষ্ঠানটিকে মিষ্টি পণ্যের সিএম লাইসেন্স গ্রহণের পরামর্শ প্রদান করা হয়।
৬। মেসার্স পুষ্টি, পায়রা চত্বর, মহানগর, রংপুর প্রতিষ্ঠানটিকে মিষ্টি পণ্যের সিএম লাইসেন্স গ্রহণের পরামর্শ প্রদান করা হয়।
৭। মেসার্স বৈশাখী মিষ্টি মেলা, পায়রা চত্বর, মহানগর, রংপুর প্রতিষ্ঠানটিকে মিষ্টি পণ্যের সিএম লাইসেন্স গ্রহণের পরামর্শ প্রদান করা হয়।
৮। মেসার্স দধি মিষ্টি ভান্ডার, শাপলা চত্বর, স্টেশন রোড, মহানগর, রংপুর প্রতিষ্ঠানটিকে মিষ্টি পণ্যের সিএম লাইসেন্স গ্রহণের পরামর্শ প্রদান করা হয়।
৯। মেসার্স কিং সুইটস, শাপলা চত্বর, স্টেশন রোড, মহানগর, রংপুর প্রতিষ্ঠানটিকে মিষ্টি পণ্যের সিএম লাইসেন্স গ্রহণের পরামর্শ প্রদান করা হয়।বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুরের প্রকৌঃ মোঃ জাহিদুর রহমান, সহকারী পরিচালক (সিএম) এর নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচাললিত হয়। উক্ত অভিযানটিতে আরোও উপস্থিত ছিলেন খন্দকার মোঃ জামিনুর রহমান, ফিল্ড অফিসার (সিএম)।
জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
-

প্রজনন মৌসুমে বন বিভাগের নির্দেশ অমান্য করে সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরা অব্যাহত
ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।।
জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাস কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম। এ সময় সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরা নিষিদ্ধ। তবে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রতিবছরের মতো এবারও বনের বিভিন্ন নদী ও খালে অবাধে ডিমওয়ালা মা কাঁকড়া শিকার চলছে।প্রজনন মৌসুম ডিমওয়ালা কাঁকড়া শিকার করায় কাঁকড়া বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
প্রজনন মৌসুমে সুন্দরবন ও উপকুল সংলগ্ন নদনদী খালে বন বিভাগের চোখ ফাকি দিয়ে জেলেরা কাঁকড়া ধরতে না পারে সে জন্য বন বিভাগের পক্ষ থেকে টহল জোরদার করা হয়েছে। এবং ইতিমধ্যে কয়েক স্থানে প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া ধরার অপরাধে জেলেদের জেল জরিমানা করা হয়েছে।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা ও দাম বেশি থাকায় প্রজনন মৌসুমের নিষেধাজ্ঞা মানছেন না কাঁকড়া আহরণকারী ও ব্যবসায়ীরা। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি এই ২ মাস জুড়ে সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, হংকং, চীনসহ বিভিন্ন দেশে নানা ধরনের উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। আর এসব উৎসবের খাদ্য তালিকায় ডিমওয়ালা কাঁকড়ার চাহিদা সবচেয়ে বেশি। বর্তমানে পাইকগাছায় ডিমওয়ালা ১ হাজার ৪শ থেকে ১ হাজার ৮শ টাকা কেজি দরে মা-কাঁকড়া বিক্রি হচ্ছে। এভাবে প্রজননকালীন কাঁকড়া শিকার চলতে থাকলে বাগদা ও গলদা চিংড়ির চেয়েও উজ্জ্বল সম্ভাবনাময় এ সম্পদ অচিরেই বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশ্বের অন্যতম মৎস্য সম্পদ কাঁকড়ার প্রধান প্রজনন ক্ষেত্র হলো ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল। আর বিশ্বের প্রধানতম ম্যানগ্রোভ এলাকা হলো সুন্দরবনসহ দেশের দক্ষিণ উপকূলীয় এলাকা। এখান থেকে আহরিত কাঁকড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়ে থাকে।
১ জানুয়ারি থেকে সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরার ওপর দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বন বিভাগের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই জেলেদের কাঁকড়া ধরার পাস (অনুমতিপত্র) বন্ধ রাখা হয়েছে। ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুন্দরবনের পশ্চিম ও পূর্ব এই দুই বিভাগে এ নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে।
জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এই দুই মাস কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুমে সুন্দরবনের লোনা পানিতে কাঁকড়া ডিম ছাড়ে। তবে মাঘ মাসের প্রথম আমবস্য বা পূর্ণিমায় সুন্দরবনের শিলা কাঁকড়া সব থেকে বেশী ডিম ছেড়ে থাকে। ডিম ছাড়ার সময় নদ-নদী ও খালের কুল দিয়ে বিচারণ করে ডিমওয়ালা কাঁকড়া। এসময় ডিমওয়ালা কাঁকড়া কিছুটা শান্ত ও স্থির থাকে। সুন্দরবন ও উপকুল সংলগ্ন নদনদী খালে বন বিভাগের চোখ ফাকি দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ ডিম ওয়ালা কাঁকড়া ধরা হচ্ছে। ডিম ছাড়ার মৌসুমে অবাধে কাঁকড়া ধরায় কাঁকড়ার প্রজনন ও উৎপাদন আশংখাজনক হারে কমে যাওয়ায় ধারণা করছে বিশেষজ্ঞরা। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, ডিসেম্বর থেকে কাঁকড়ার ডিম হওয়া শুরু করে এবং জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারী মাস কাঁকড়ার ডিম ছাড়া শুরু করে। তাই প্রজনন মৌসুমে সরকারীভাবে কাঁকড়া ধরার উপর এই ২ মাস নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তার পরেও বন বিভাগের নির্দেশ অমান্য করে সুন্দরবন এলাকায় সারা বছরের মত ব্যাপক হারে কাঁকড়া ধরা অব্যাহত রয়েছে। শীত মৌসুমে কাঁকড়ার ডিম হওয়ায় কাঁকড়া খেতে খুব সুস্বাদু হয়। তাছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁকড়ার চাহিদা ও দাম বেশি থাকায় জেলেরা মাছ ধরার পাস নিয়ে বনে ঢুকে কাঁকড়া শিকার করছে।
উপকূল এলাকার মৎস্য লীজ ঘের গুলিতে প্রচুর পরিমাণ কাঁকড়া পাওয়া যায়। তবে এ সময় মৎস্য লীজ ঘের গুলি আগামী মৌসুমের জন্য পানি নিষ্কাশন করে ঘের প্রস্তুত করায় ঘেরে কাঁকড়ার সংখ্যা কমে গেছে। ঘের এলাকায় কাঁকড়া না পাওয়ায় জেলেরা সুন্দরবন ও উপকুল সংলগ্ন নদনদী খাল থেকে কাঁকড়া শিকার করছে। বনের আহরণকৃত কাঁকড়া আড়ৎ বা বাজারে পৌছাতে পারলে সেটি হ্যাচারী কাঁকড়া বলে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে।
এ ব্যাপারে পাইকগাছা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পবিত্র কুমার দাশ বলেন,উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ অঞ্চল কাঁকড়ার প্রজননক্ষেত্র হলেও শুধু সুন্দরবন এলাকায় প্রজননকালীন শিকার নিষিদ্ধে আইন রয়েছে। এ ছাড়া কাঁকড়া শিকার বন্ধে তেমন কোনো নির্দেশনা না থাকায় মৎস্য বিভাগ থেকে কোনো উদ্যোগ নেওয়া যাচ্ছে না।
বন বিভাগের দাবি, শুধুমাত্র সুন্দরবনের নদনদীতে প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া আহরণ নিষিদ্ধ থাকলেও লোকালয়ের জলাভূমিতে এ আইন কার্যকর না থাকায় তেমন কোনো সফলতা আসছে না। তবে বনবিভাগের বিভিন্ন রেঞ্জ অফিস নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সুন্দরবন থেকে অবৈধভাবে কাঁকড়া শিকারের দায়ে জেলেদের আটক করে আদালতে সোপর্দ করছে।খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ও কাঁকড়া বিশেষজ্ঞ ড. খন্দকার আনিসুল হক বলেন,আন্তর্জাতিক বাজারে চিংড়ির চেয়ে কাঁকড়ার দাম ও চাহিদা বেশি। এ কারণে প্রজনন মৌসুম ও পরবর্তী সময়ে কাঁকড়ার শিকার বন্ধ এবং এ মূল্যবান মৎস্য সম্পদ রক্ষায় অভয়াশ্রম ও আইনি পদক্ষেপসহ গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন জরুরি হয়ে পড়েছে।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা খুলনা। -

গোদাগাড়ীতে সড়কের পাশে মিললো ৫ কোটি টাকার হেরোইন
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলাসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী পথগুলি দিয়ে ব্যাপকহারে আসছে প্রাণঘাতী মরননেশা হেরোইন, ফেনসিডিলসহ নানা ধরণের মাদকদ্রব্য। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশ করছে শত শত কেজি হেরোইন। এসব হেরোইন ঢাকা, পাবনা, নাটোর, রাজশাহী, খুলনা, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হচ্ছে।
ওই সব মাদকব্যবসায়ীরা স্বল্প সময়ে আঙ্গুল কলাগাছ তারপর বটবৃক্ষ হচ্ছেন।রাজশাহীর গোদাগাড়ী থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাঁচ কেজি হেরোইন উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৫। যারঘ বাজার মূল্য প্রায় পাঁচ কোটি টাকা।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে র্যাব-৫ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের বড়গাছি থেকে এই হেরোইন উদ্ধার করা হয়।
রাজশাহীর সিপিএসসি মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের র্যাবের একটি দল জানতে পারে, গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের বড়গাছি গ্রাম সংলগ্ন রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কের পাশে অবৈধ কিছু পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
এমন খবর পেয়ে র্যাবের টিম ওই জায়গায় অভিযান চালিয়ে পাঁচ কেজি হেরোইন উদ্ধার করে। এ ঘটনায় রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।
মোঃ হায়দার আলী
নিজস্ব প্রতিবেদক,
রাজশাহী। -

মহেশপুরে চোরাকারবারীর বিরোধের জেরে গু*লিতে নি*হত ২
আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
স্মাগলিংয়ের ব্যবসা নিয়ে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাঘাডাঙ্গা গ্রামে শামিম হোসেন ও মন্টু মিয়া নামে দুই ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় শামসুল ইসলাম নামে আরো একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বুধবার বিকাল পৌনে চারটার দিকে তারা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে বাঘাডাঙ্গা গ্রামের তরিকুল ইসলাম আকালে নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে হামলা চালাতে গেলে তাদেরকে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। শামিম হোসেন বাঘাডাঙ্গা গ্রামের ছামসুল ইসলামের ও মন্টু মিয়া একই গ্রামের নয়ন মন্ডলের ছেলে। এ ঘটনার পর থেকে হামলাকারী তরিকুল ইসলাম আকালে পলাতক রয়েছে। গ্রামবাসি ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে তরিকুল ইসলাম আকালে ও নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো। এ নিয়ে একাধিকবার হামলা পাল্টা হামলার ঘটনাও ঘটেছে। বুধবার বিকালে বিরোধের জের ধরে শামুসল ইসলাম ও তার ছেলে শামিম এবং মন্টু মিয়া দেশী অস্ত্র নিয়ে তরিকুল ইসলাম আকালের বাড়িতে হামলা চালাতে আসে। এ সময় আকালে তার বাড়ির ছাদ থেকে গুলি চালায়। এতে শামিম ও মন্টু ঘটনাস্থলেই নিহত হন। মন্টুকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়ে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মুস্তাফিজুর রহমান মৃত ঘোষনা করেন। অন্যদিকে শামিম ও তার পিতা আহত শামসুল ইসলামকে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে আসা হলে জরুরী বিভাগের চিকৎসক ডাঃ মামুন গুলিবিদ্ধ শামিম হোসেনকে মৃত ঘোষা করেন। মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মাহমুদ বিন হেদায়েত জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শামিম মারা গেছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য ওবাইদুল ইসলাম জানান, গুলিতে শামিম ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আর মন্টু জীবননগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান। এ বিষয়ে মহেশপুরের ভৈরবা পুলিশ ফাড়ির এসআই আব্দুল মান্নান জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে পৌছে জানতে পারেন দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাদের জীবননগর ও মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন হামলাকারীকে পুলিশ গ্রেফতার করতে এলাকায় তল্লাসী চালাচ্ছে। এছাড়া বিজিবি সদস্যরাও সীমান্তে অভিযান শুরু করেছে।ঝিনাইদহ
আতিকুর রহমান।