উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//
নড়াইলে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতার একজন। মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মোঃ হাদিউজ্জামান ওরফে হাদি সিকদার (৪৫) নামের একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মোঃ হাদিউজ্জামান ওরফে হাদি সিকদার (৪৫) নড়াইল জেলার সদর থানার ভাওয়াখালী গ্রামের মৃত সাঈদ শিকদারের ছেলে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে নড়াইল সদর থানাধীন মুলিয়া ইউনিয়নের বাঁশভিটা বিলপাড়া গ্রামের রবিউল ইসলাম রুবেল এর বাড়ির পশ্চিম পাশে কাঁচা রাস্তার উপর হতে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছাব্বিরুল আলম এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) মোঃ ফারুক হোসেন, এএসআই (নিঃ) আনিসুজ্জামান, এএসআই (নিঃ) মাহফুজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মোঃ হাদিউজ্জামান ওরফে হাদি শিকদার (৪৫) কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামির নিকট থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য দুইশত পঞ্চাশগ্রাম গাঁজাসহ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
Blog
-

নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ হাদি গ্রেফতার
-

নড়াইলে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার-১
উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//
নড়াইলের কালিয়ায় থানা পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার একজন।মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মিনহাজুল আবেদিন বাবু (২৮) নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলার কালিয়া থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মিনহাজুল আবেদিন বাবু (২৮) নড়াইল জেলার কালিয়া থানার ফুলদাহ গ্রামের মৃত আব্দুল হাই মিয়ার ছেলে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে নড়াইল জেলার কালিয়া থানাধীন পুরুলিয়া ইউনিয়নের চাচুড়ি বাজারের জনৈক তছিকুল ইসলাম এর ওষুধের দোকানের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার শামীম উদ্দিন এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) এইচ এম সাইফুল্লাহ, এসআই (নিঃ) টিপু সুলতান ও এএসআই (নিঃ) তুহিন ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মিনহাজুল আবেদিন বাবু (২৮)কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামির নিকট থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য বিশ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে কালিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। -

তানোর উপজেলা চেয়ারম্যান ময়নার উঠান বৈঠক
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরে সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে
নির্বাচন পরবর্তী উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভা করেছেন।
জানা গেছে, গত ১৯ জানুযারী শুক্রবার দিনভর উপজেলার সরনজাই ইউনিয়নের (ইউপি) তাঁতিহাটি, নবনবী ও সরকারপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সৌজন্যে সাক্ষাৎ, উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভা করেছেন।
এদিন উঠান বৈঠকে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগের বিকল্প নাই। তিনি বলেন, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগের উন্নয়ন ও অর্জনের চিত্র তুলে ধরে প্রতিটি ভোটারের দোরগোড়ায় গিয়ে ভোট প্রার্থনা করতে হবে এবং মনে রাখতে হবে নৌকা যার আমরা তার, নৌকা যার আওয়ামী লীগের ভোট তার। আগাতিতে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগকে নিয়ে আমাদের সবাইকে ভোট যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে নৌকার নিরঙ্কুশ বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।#তানোর প্রতিনিধি।।
-

কেশবপুরের সাগরদাঁড়িতে মধুমেলার উদ্বোধনে এখাদে বিশ্ববিদ্যালয় হলে মন্দ কিসের প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন
মোঃ জাকির হোসেন, কেশবপুরঃ মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কেশবপুরের সাগরদাঁড়িতে ১৯জানুয়ারী থেকে ৯ দিন ব্যাপী মধুমেলার শুরু।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব চেয়ার বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস চেয়ার অধ্যাপক প্রফেসর ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, দেশের যেখানে সেখানে মুড়ির মত বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে এখানে সংস্কৃতি বিশ্ববিদ্যালয় হলে মন্দ কিসের। তিনি আরও বলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রবর্তক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। যে শিক্ষায় নিজেদের উন্নত করে দেশের সেবাই নিয়োজিত থাকা যায়। তিনি বলেন মধুমেলা যেন নির্মল আনন্দের মেলায় পরিনত হয়। পরিবার পরিজন নিয়ে সকলে যেন মেলা উপভোগ করতে পারে। কবির সৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে কবির শিক্ষা পৌছে দিতে হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
১৯ জানুয়ারী সন্ধ্যায় সাগরদাঁড়ীর মধু মঞ্চে যশোরের জেলা প্রশাসক আবরাউল হাসান মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেশবপুরের সংসদ সদস্য আজিজুল ইসলাম, মনিরামপুরের সংসদ সদস্য ইয়াকুব আলী,যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন,যশোর প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তুহিন হোসেন।এবারের মেলায় সার্কাস, মৃত্যুকুপ, নাগরদোলা ছাড়াও কুঠির শিল্প ও গ্রামীন পসরার প্রায় ৫০০ স্টল বসেছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পূর্বে প্রধান অতিথি বেলুন উড়িয়ে ফিতা কেটে ও মধু কবির ২০০ তম জন্মবার্ষিকী ও ৯ দিন ব্যাপী মধু মেলার শুভ সূচনা করেন। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্ব বৃহৎ এই মেলায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প, কৃষি ও লোকজ সামগ্রীর সমাহারসহ বিভিন্ন প্রকার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। -

লালমনিরহাটে বিলুপ্তির পথে গরুর হাল
মোঃহাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।
লালমনিরহাট জেলায় আর দেখা যায়না কাঁধে লাঙ্গল-জোয়াল, হাতে জোড়া গরুর দড়ি- এই ছিল একসময় গ্রামবাংলার চিত্র। ভোর হলেই গ্রামাঞ্চলের কৃষক কাঁধে লাঙ্গল-জোয়াল নিয়ে জমিতে হাল চাষের জন্য বেরিয়ে পড়তেন। বর্তমানে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন নতুন যন্ত্র আবিষ্কারের ফলে কৃষকদের জীবনেও এসেছে নানা পরিবর্তন। বদলে গেছে তাদের জীবন-যাত্রার মান। আর এই পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে লালমনিরহাট জেলায়। এখন আর কৃষকদের কাঁধে লাঙ্গল-জোয়াল ও হাতে জোড়া গরুর দড়ি দেখা যায় না। জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাণিজ্যিকভাবে কৃষকেরা গবাদিপশু পালন করতেন হাল চাষের জন্য। আবার কিছু মানুষ নিজের জমিজমা না থাকলেও পেশা হিসেবে গরু দিয়ে হালচাষ করতেন। বিঘাপ্রতি চুক্তি করে অন্যের জমি চাষাবাদ করে নিজের পরিবারের ভরণ-পোষণ করতেন তারা। কিন্তু বর্তমানে লাঙ্গলের হাল চাষ আর চোখে পড়ে না। কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের সতির পাড় গ্রামের এক জন কৃষক বলেন, গরু দিয়ে জমি চাষ করাই আমার পেশা। তবে এখন আর গরুর হাল দিয়ে জমি চাষাবাদ করেন না। তিনি আরও বলেন, ছোট বেলায় বাবার সাথে হাল চাষের কাজ করতাম। বাড়িতে হাল চাষের বলদ থাকত ২-৩ জোড়া। তিনি বলেন, গরু দিয়ে হাল চাষের অনেক উপকারিতা ছিল। লাঙ্গলের ফলা মাটির অনেক গভীরে যায় তাই জমির মাটি ভালো আলগা ও নরম হয়, ধান চাষের জন্য কাদাও অনেক ভালো হয়। গরু দিয়ে হাল চাষ করলে জমিতে ঘাসও কম হয়। আর ফলনও ভালো হতো। লাঙ্গল দিয়ে প্রতিদিন জমি চাষ করা সম্ভব হতো প্রায় ৪৪ শতাংশ। কিন্তু প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে জমি চাষ করার পদ্ধতি এখন বদলে গেছে। নতুন নতুন মেশিনের সাহায্যে কৃষকরা কম সময়ে ও কম খরচে জমি চাষাবাদ করছেন। তাই কালের বিবর্তনে এখন হারিয়ে যেতে বসেছে গরু দিয়ে সেই হাল চাষ। সরেজমিনে দেখা যায়, ট্রাক্টর ও পাওয়ার টিলারসহ আধুনিক সব যন্ত্রপাতি দিয়ে চলছে জমি চাষাবাদের কাজ। সেই সঙ্গে কৃষকেরা এখন গবাদিপশু পালন না করে অন্য পেশায় ঝুঁকছেন। এতে আবহমান গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য লাঙ্গল দিয়ে হালচাষ প্রায় বিলুপ্তির পথে। কৃষিতে দেখা যাচ্ছে ব্যাপক পরিবর্তন। কালীগঞ্জ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন বলেন, বর্তমানে কৃষিতে এসেছে আমূল পরিবর্তন। কৃষি কাজেও প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে। যে কৃষি জমিতে বছরে দুখন্দের আবাদ করা হতো সেই জমিতে এখন তিন খন্দেও আবাদ করা হচ্ছে। সময়ের প্রয়োজনে মানুষ এখন লাঙ্গল দিয়ে হাল চাষের পরিবর্তে ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করছে।হাসমত উল্লাহ ।।
-

শাজাহানপুরে কারাবন্দী নেতাকর্মীর পরিবারে সাবেক এমপি লালু প্রদও আর্থিক সহায়তা প্রদান
মিজানুর রহমান মিলন,
শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :কারাবন্দী বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলা শ্রমিকদলের প্রচার সম্পাদক ডেমাজানী গ্রামের হেলাল মোল্লার পরিবারের পাশে শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) বগুড়া ৭(শাজাহানপুর-গাবতলী) এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য , বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা , কৃষকদলের সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু প্রদত্ত আর্থিক সহযোগিতার নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রবসামগ্রী প্রদান করেন,
উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক, সাবেক সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান অটল, এ সময় আরো উপস্হিত ছিলেন আমরুল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির কোষাধক্ষ্য রফিকুল ইসলাম রফিক,উপজেলা জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো জাহিদুল ইসলাম জাহিদ শাজাহানপুর উপজেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বিপুল রানা মোল্লা শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপি সহ সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক এম আর মানিক, সেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ন আহবায়ক রিয়াজুল ইসলাম সবুজ, দপ্তর সম্পাদক হুমায়ন, আমরুল ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মনিরুজ্জামান মানিক, যুগ্ন আহবায়ক ফারুক হোসেন,আমরুল ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য নাইচ, সোহেল রানা, প্রমূখ । -

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. রশিদ হাওলাদারের দাফন সম্পন্ন
মংচিন থান তালতলী প্রতিনিধি।।
বরগুনার তালতলীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আ. রশিদ (৭৩) মারা গেছেন।শুক্রবার (১৯ জানুয়ারী) বেলা ১১ টার দিকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ বাড়িতে মারা যান। তিনি উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের তুলাতলি গ্রামের বাসিন্দা। আ. রশিদ হাওলাদারের স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
জানাজা শেষে তালতলী উপজেলা নিবার্হী অফিসার(ইউএনও) সিফাত আনোয়ার তুমপা’র উপস্থিতিতে থানার ওসি শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা গার্ডঅব অনার প্রদান করেন। এসময় বড়বগী ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর মিয়াসহ উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মংচিন থান
তালতলী প্রতিনিধি।। -

মধুপুরে জিয়াউর রহমানের ৮৮তম জন্ম বার্ষিকী পালন
আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৮তম জন্ম বার্ষিকী পালন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে মধুপুর উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে শুক্রবার বিকালে মধুপুর উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল করিম সিদ্দিক এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মধুপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ খন্দকার মোতালিব হোসেন। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, ৫ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শাহআলম, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান রবিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল হক,উপজেলা যুবদলের আহবায়ক হজরত আলী,পৌর যুবদলের আহবায়ক সাইফুল ইসলাম সাগর, পৌর কৃষক দলের আহবায়ক আব্দুর রাজ্জাক, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র দলের যুগ্ম সম্পাদক আহাদুল ইসলাম আদিত্য সরকার, পৌর ছাত্র দলের আহবায়ক সন্জয় সিংহ, সদস্য সচিব সাব্বির হাসান প্রমুখ।অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামীম হোসেন।
এসময় উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপির সকল অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মী গন উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। -

উজিরপুরে চির কুমার গৌরাঙ্গ লাল কর্মকারের মৃত্যুতে হাসানাত,মেনন সহ বিভিন্ন মহলের শোক
মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান, উপজেলা সৎসঙ্গ ফাউন্ডেশনের সভাপতি, ইউনিয়ন আাওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি, উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা ও আওয়ামীলীগের চরম দুর্দিনের ত্যাগী সৎ কান্ডারি, চির কুমার, আজন্ম পরোপকারী গৌরাঙ্গ লাল কর্মকার ৮৩ বছর বয়সে বার্ধক্য জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ জানুয়ারী শুক্রবার রাত তিনটায় মৃত্যুবরন করেছন৷ তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বরিশাল – ১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ও বরিশাল ২ আসনের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা কমরেড রাশেদ খান মেনন। আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, রাশেদ খান মেনন গৌরাঙ্গ লাল কর্মকারের মৃত্যুতে গভির শোক প্রকাশ করে বলে তিনি একজন সৎ আদর্শবাদি মানুষ ছিলেন এবং নিজে চির কুমার থেকে আজন্ম পরোপকারী হিসাবে মানুষের সেবা করে গেছেন। তিনি আওয়ামীলীগের একজন ভ্যানগার্ড ছিলেন। শোকাহত পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে আরো শোক প্রকাশ করেছেন বরিশাল ২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডঃ তালুকদার মোঃ ইউনুস , সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ শাহে আলম , প্রখ্যাত কন্ঠ শিল্পী হারমনিয়ামের জাদুকর নকুল কুমার বিশ্বাস ,উজিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম জামাল হোসেন , সহ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আঃ মজিদ সিকদার বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দিন বেপারি ,সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ইকবাল, ভাইস চেয়ারম্যান অপুর্ব কুমার বাইন রন্টু, উজিরপুর উপজেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড ফাইজুল হক বালি ফারাহীন ,সাধারন সম্পাদক সিমা রানী শীল, কেন্দ্রীয় সৎসঙ্গ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম জুলফিকার , জেলা সৎসঙ্গ ফাউন্ডেশনের সভাপতি আব্দুল রাজ্জাক তালুকদার , উজিরপুর উপজেলা সৎসঙ্গ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আঃ রহিম সরদার, উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন সহ সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সাবেক ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম জাকারিয়া জানান গৌরাঙ্গ লাল কর্মকার ৫ ভাই ৫ বোনের মধ্যে তৃতীয় তবে কেহই বাংলাদেশে নেই। স্বাধীনতার পূর্বে সবাই ভারত চলে গেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সময় পাকিস্তানিরা তার ঘরবাড়ি পুরিয়ে দেওয়ার পরে আর কোন ঘরদরজা করেননি। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বাড়িতে তিনি বসবাস করতেন। তিনি চির কুমার , পরোপকারী ছিলেন। যদিও পরিবারে তার নিকট স্বজন বলতে কেউ পাশে নেই৷ তবে বংশের কিছু লোক আর এলাকার লোকজনই তার স্বজন হিসাবে রেখে গেছেন। গৌরাঙ্গ লাল কর্মকার গত ১০ দিন থেকে বার্ধক্য জনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ সাইফুল ইসলামের নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ১৯ জানুয়ারী শুক্রবার দুপুরে বামরাইল ইউনিয়নের হস্তুিশুন্ড গ্রামে তার সৎকার করা হয়েছে।
-

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে প্রথম জিরা চাষ করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ৩ কৃষক
রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় সাদা জিরার চাষ শুরু হয়েছে। মাটি ও আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এ অঞ্চলে জিরার চাষে সফলতার মুখ দেখবে বলে দাবি করেছেন উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। এলাকার মানুষ তাদের জমিতে জিরার চাষ দেখতে ভীড় করছেন, ছবি তুলছেন।
এবছর প্রথমবার গোদাগাড়ী উপজেলায় ৩ জন কৃষক ১ বিঘা জমিতে ৩ টি প্রদর্শনি প্লটে জিরার আবাদ করেছে। কৃষকরা আশা করছেন, জিরা চাষ করে লাভবান হবেন তারা। চাষীরা জানিয়েছে, কম খরচে বেশি লাভবান হওয়া, জমির সহজলভ্যতা, অনুকূল আবহাওয়া, চাষ উপযোগী মাটি ও কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগীতার থাকায় এবার প্রথম জিরা চাষ করেছি।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অতনু সরকার জানান, জিরা চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়াতে কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকের প্রশিক্ষণ দেওয়ায় কৃষকরা সঠিকভাবেই এর চাষাবাদ করছেন। এবছর এ উপজেলায় ৩টি প্লটে জিরার চাষ পরিদর্শন করেছি। গোদাগাড়ীতে জিরা চাষকারী কৃষকরা হলেন, মাটিকাটা ইউপির মাজহারুল ইসলাম, বাসুদেবপুর ইউনিয়নের আতাউর রহমান, গোগ্রাম ইউনিয়নের মোস্তফা।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, এ উপজেলায় বেনিপুর, কাকনহাট কাদিপুর, গোগ্রাম এলাকায় বিস্তীর্ণ ফসলের ক্ষেতে জিরার চাষ হয়েছে। চাষীরা তাদের ক্ষেত পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
জিরা চাষি আতাউল রহমান বলেন, আগে টবে জিলা চাষ করেছিলাম। তাতে সফল হয়েছি। কৃষি অফিসের পরামর্শ ও সহযোগিতায় এবার জমিতে প্রথম জিরা চাষ করেছি। কৃষি অফিস থেকে বীজ দিয়েছিল। আবাদে খরচের জন্য ৪ হাজার টাকা দিয়েছে কৃষি অফিস। ১০ শতক জমিতে জিরা চাষ করার কথা থাকলেও প্রায় ৮ শতক জমিতে জিরার চাষ করেছি। এতে আমার খরচ হয়েছে প্রায় ৭ হাজার টাকা। জমিতে জিরার গাছ ভালো হয়েছে। প্রতিটি গাছ ভর্তি করে ফুল এসেছে। আশা করছি ফলন ভালো পাবো।আর এক জিরা চাষি মাজহারুল ইসলাম জানান, কৃষি অফিসের সহযোগিতায় মসলা গবেষণা কেন্দ্র বগুড়ায় জিরা চাষের জন্য একদিনের প্রশিক্ষণ গ্রহন করেছি। প্রশিক্ষণ গ্রহন করার পর বেনিপুর এলাকায় ১০ শতক জমিতে জিরা চাষ করেছি। অফিস থেকে বীজ দিয়েছিল। অন্যান্য সার্বিক সহযোগিতা করছে বাংলাদেশ মসলা গবেষণা কেন্দ্র।
১০ শতক জমিতে জিরা চাষ করতে প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তবে আমার জমিতে ঘাস বেশি হওয়ায় নিড়ানি খরচটা একটু বেশী হয়ে গেছে। তা না হলে খরচ আরো কম হতো। জমিতে জিরার গাছ ভাল হয়েছে। ভরপুর ফুল এসেছে গাছে। এই শীত ও ঘনকুয়াশার হাত থেকে রক্ষা পেতে মসলা গবেষণা কেন্দ্রের পরামর্শ অনুযায়ী ২ দিন পরপর জিরার জমিতে স্প্রে করতে হচ্ছে। অনুকূল আবহাওয়া থাকলে আশা করছি ১ মণ ফলন পাব।এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মরিয়ম আহমেদ বলেন, গোদাগাড়ীর মাটি ও আবহাওয়া জিরা চাষের জন্য উপযোগি। মশলা হিসেবে জিরা বরেন্দ্র অঞ্চলের জন্য একটা সম্ভাবনাময় ফসল। আগামীতে এই মশলা ফসলটি ছড়িয়ে দেওয়া হবে কৃষকদের মাঝে। এতে মশলার আমদানি নির্ভরতা কমবে। কৃষকরা আর্থিক ভাবে লাভবান হবে যেমন তেমনী দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে নতুনদিগন্তের সূচনা হবে।
মোঃ হায়দার আলী
রাজশাহী।