Blog

  • ত্রিশালের আলোচিত বইলর-ধানীখোলা রাস্তা মেরামত কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আনিছ

    ত্রিশালের আলোচিত বইলর-ধানীখোলা রাস্তা মেরামত কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আনিছ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ আরএইচডি (বৈলর)-ফুলবাড়িয়া জিসি সড়কের (ত্রিশাল অংশ) চেইনেজ ০০,৫০৩০মিঃ অবশিষ্টাংশ পুণঃবাসন কাজের উদ্বোধন করেছেন ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ। শনিবার ২০জানুয়ারী সকালে এলজিইডি উপজেলার বাস্তবায়নে আনুষ্ঠানিকভাবে এই মেরামত কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন শেষে মোনাজাতে অংশ তিনি। মেরামত কাজ শেষে হলে কয়েক হাজার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমএসবি-এমআরবি এই অবশিষ্টাংশ পুণঃবাসন কাজটি করছেন। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে বইলর মোড়ে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন এমপি আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান। বিগত দশ বছরে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ডের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করছে। এই উন্নয়ন কাজে সকল শ্রেণি-পেশার আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

    এসময় নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান বলেন- আগামী ১ বছরের মধ্যে বইলর ইউনিয়নে আরো ৩টিরাস্তার কাজ করা হবে,এভাবে প্রতিবছর প্রতি ইউনিয়নে ৩-৪টি রাস্তা সংস্কার করার মাধ্যমে ৫বছরে আমি আমার এই নির্বাচনী এলাকা ত্রিশালে অভূতপূর্ব উন্নয়ন করতে চাই। আগামী ৩বছরের পর যেন ত্রিশালের কোন রাস্তা উন্বয়ন কাজ বাকী না থাকে সে লক্ষে আরো রাস্তা উদ্বোধন ও অনুমোদনের অপেক্ষায় রযেছে।

    নবনির্বাচিত এমপি তার বক্তব্যে শেখ হাসিনার নিবেদিত একজনকর্মী হওয়াই আমার আত্মপরিচয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নয়নের নেত্রী হিসেবে আন্তর্জাতিক দুনিয়ায় শেখ হাসিনা প্রশংসিত হয়েছেন। এ উন্নয়ন শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী আছে বলেই সম্ভব হয়েছে। একের পর এক উন্নয়ন করে যাচ্ছেন তিনি। এ যাবৎকালে বাংলাদেশে যত উন্নয়ন হয়েছে দার্শনিক রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার হাতেই সব উন্নয়ন অর্জন হয়েছে। তিনি উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সকলের সহযোগীতাসহ দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্যের জন্য সকলের কাছে দোয়া প্রত্যাশা করেন। উপস্থিত জনতা দুই হাত তোলে তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানান। এসময় বইলর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার মশিহুর রহমান শাহানশাহ, ধানীখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুন অর রশিদ সোহেলসহ দুই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও হাজার হাজার জনতার উপস্থিত ছিলেন।দীর্ঘদিন পর রাস্তা মেরামতের আনন্দ তাদের মাঝে উল্লাসে পরিণত হয়।

  • টেকনাফে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ৩৯ হাজার ইয়াবা ও ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার,আটক-৩

    টেকনাফে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ৩৯ হাজার ইয়াবা ও ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার,আটক-৩

    কে এম নুর মোহাম্মদ
    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি

    কক্সবাজারের টেকনাফের নাইট্যংপাড়া, লেদা ও রঙ্গীখালি এলাকায় একাধিক অভিযান চালিয়ে ৩৯ হাজার পিস ইয়াবা ও ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১৫ এর সদস্যরা। এসময় জড়িত তিন মাদক কারবারীকে আটক করা হয়।

    আটককৃতরা হলেন,টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা
    জাদিমোড়া ক্যাম্প নং-২৭, ব্লক-এ/৩ এর বাসিন্দা
    মৃত আব্দুল আলীর ছেলে রোহিঙ্গা মোঃ কবির (২৩),হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালীর সরোয়ার কামালের ছেলে সাইফুল ইসলাম (২১) ও টেকনাফ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড নাইট্যং পাড়ার নুর মোহাম্মদের ছেলে মোহাম্মদ সাকিব (২০)।

    কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া)
    মোঃ আবু সালাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান,বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারী) রাতে
    র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে,টেকনাফ উপজেলার লেদা এলাকা থেকে একজন ইয়াবা ব্যবসায়ী ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে একটি ব্যাটারী চালিত ইজিবাইক যোগে কক্সবাজারের দিকে আসছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৫, সিপিসি-২, হোয়াইক্যং ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল উক্ত এলাকার একটি ফিলিং ষ্টেশনের সামনে টেকনাফ-কক্সবাজার মহাসড়কের উপর অস্থায়ী চেকপোষ্ট স্থাপনপূর্বক তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করে।
    এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে একটি ব্যাটারী চালিত ইজিবাইক গাড়ী থেকে নেমে কৌশলে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে কবির নামে এক মাদক কারবারীকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত কবির তার হেফাজতে ইয়াবা রয়েছে বলে স্বীকার করে। পরবর্তীতে ব্যাটারী চালিত ইজিবাইকটি (নাম্বার প্লেটবিহীন) জব্দ করে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত ব্যক্তির দেহ ও ইজিবাইক তল্লাশী করে সর্বমোট ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

    অপরদিকে একইদিন রাতে র‌্যাব-১৫, সিপিসি-২, হোয়াইক্যং ক্যাম্পের আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৯ হাজার পিস ইয়াবাসহ
    মাদক কারবারী সাইফুলকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার অপর এক সহযোগী র‌্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে কৌশলে দ্রুত পালিয়ে যায় বলে আটককৃত মাদক কারবারী স্বীকার করে।

    এছাড়াও টেকনাফ পৌরসভার দক্ষিণ নাইট্যংপাড়া এলাকায় একজন মাদক ব্যবসায়ী বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে তার নিজ ভাড়াকৃত বাসায় মাদকদ্রব্য মজুদ করে রেখেছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৫, সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের আভিযানিক দল সেখানে একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পালানোর চেষ্টাকালে সাকিব নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটকসহ তার
    ভাড়াবাসায় বিধি মোতাবেক তল্লাশী করে সর্বমোট ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
    আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে,
    আটককৃতরা দীর্ঘ দিন ধরে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। তারা তাদের অন্যান্য সহযোগীদের যোগসাজসে অবৈধভাবে টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে এবং বিভিন্ন পন্থায় স্থানীয় এলাকাসহ টেকনাফ ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা বিক্রয় করে থাকে বলে জানায়।

    তিনি আরো জানান,উদ্ধারকৃত আলামতসহ আটককৃত এবং পলাতক মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছে ইউএনও শফিকুল ইসলাম

    প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছে ইউএনও শফিকুল ইসলাম

    ময়মনসিংহ প্রতিনিধি।।
    ময়মনসিংহ জেলার কৃষি সমৃদ্ধ উপজেলা গফরগাঁও উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। গত ১০ডিসেম্বর ২০২৩ এ যোগদানের পর থেকেই তিনি প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে ও শিক্ষার মানোন্নয়নে নানান শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগ নিয়েছেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশের ইউএনও-ওসিদের বদলী করা হয়। ঐ সময় ইউএনও শফিকুল ইসলামকেও ময়মনসিংহ সদর উপজেলা থেকে গঁফরগাও উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে বদলী করা হয়।
    গফরগাঁও উপজেলায় যোগদানের পর থেকে তিনি শত ব্যস্ততার মাঝেও প্রায় প্রতিদিনই প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। একটুখানি সুযোগ পেলেই ছুটে যান উপজেলার দূর দূরান্তের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে।ইতোমধ্যে তিনি “বঙ্গবন্ধুকে জানো” শীর্ষক উদ্যোগের মাধ্যমে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে ছোটদের বঙ্গবন্ধু বই উপহার দিয়ে সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছেন।দরিদ্র অথচ মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস, খাতা ও পেন্সিল উপহার প্রদান, বেসরকারি উদ্যোগে টুল বেঞ্চ প্রদানে উৎসাহিত করা, মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে উজ্জিবিত করা, খেলাধূলার ব্যবস্থাকরণে ক্রীড়া সামগ্রী প্রদান, শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করণে নিয়মিত মনিটরিং জোরদার, আইসিটি সামগ্রী বিতরণ, প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিব্ন্ধ প্রকাশ, মিড ডে মিল চালুর উদ্যোগ গ্রহণ, শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভায় অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে শিক্ষকগণকে পরামর্শ, দিক-নির্দেশনার মাধ্যমে শিক্ষার মান উন্নয়ন , প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য আইসিটিসহ বিশেষ প্রশিক্ষণ আয়োজন ইত্যাদি কার্যক্রমের মাধ্যমে ময়মনসিংহ সদরের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে অবদান রেখে জেলায় ও বিভাগের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন ইউএনও মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। ময়মনসিংহ সদর থেকে বদলী হলেও শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে কাজ করছেন ইউএনও শফিকুল ইসলাম।

    তিনি নিজ উদ্যোগে উপজেলার সকল বিদ্যালয়ে কাব স্কাউট দল চালুর লক্ষ্যে বেসিক কোর্সের আয়োজন করেন। তার চেষ্টায় বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ে শতভাগ প্রতিষ্ঠানে স্কাউট কার্যক্রম চালু আছে বলেও জানা গেছে। ইউএনও উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে নতুন ভবনের কাজ সমাপ্ত করতে জমি,বাউন্ডারি সমস্যাসহ অনেক জটিলতা নিরসনে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন বলে একাধিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে। সরকারি বরাদ্দের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি, তিনি ব্যক্তিগত পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে উপজেলার বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়ে অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়ে এত কাজ করার অনুপ্রেরণা কোথা থেকে পেয়েছেন জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমি নিজেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়েছি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিতে তিনি আমাকে আমার কাজে প্রেরণা,উৎসাহ দেন যা আমাকে প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে কাজ করতে উজ্জীবিত করেছে।আমার নিকট আত্নীয়গণের মধ্যেও কয়েকজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রয়েছেন যা আমাকে প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে কাজ করার শক্তি যোগায়।”

    প্রাথমিক শিক্ষা বিষয়ে ইউএনওর উদ্যোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, “যোগদানের পর থেকেই স্যার যেভাবে প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে বহুমুখী কাজ করে চলেছেন তাতে এ উপজেলার শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি আমরাও গর্বিত ও অনুপ্রাণিত।স্যারের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে আমি বিশ্বাস করি একদিন প্রাথমিক শিক্ষায় দেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলায় পরিণত হবে গফরগাঁও ।”

    এছাড়া তিনি সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিভিন্ন জাতীয় দিবস আড়ম্বরপূর্ণভাবে উদযাপন নিশ্চিত করা, বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা বিষয়ে প্রাথমিকের ছাত্র-ছাত্রীদের আগ্রহ তৈরির লক্ষ্যে কুইজসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহের বিভিন্ন কর্মসূচি উৎসবমুখর পরিবেশে বাস্তবায়ন , বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট জাক-জমকপূর্ণভাবে আয়োজনসহ আরো অনেক ইতিবাচক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছেন।

  • সাড়ে ৩ হাজার শীতার্তের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মসিক মেয়র

    সাড়ে ৩ হাজার শীতার্তের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মসিক মেয়র

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আজ শনিবার দিনব্যাপী নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে অসহায় শীতার্ত প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছেন মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটু।

    কৃষ্টপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬০০, মুক্তিযোদ্ধা আবাসিকে ১৬০০, পাটগুদাম দুললুল ক্যাম্পে ৮০০ এবং টাউনহলে ৫৫০ কম্বল বিতরণ করেন মেয়র।

    বিতরণকালে তিনি বলেন, গত কয়েকদিনের তীব্র শীতে মানুষ কষ্ট করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সারা দেশে ব্যাপক উদোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত কিছুদিন আমরা শীতবস্ত্র বিতরণ করে যাচ্ছি।

    তিনি আরও বলেন, নাগরিকের সকল প্রয়োজনে আমরা পাশে ছিলাম, থাকবো। এ শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

    বিতরণকালে কাউন্সিলর মোঃ কামাল খান, শীতল সরকার, মহানগর যুবলীগের আহবায়ক শাহীনুর রহমান সহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ময়মনসিংহের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • অসহায় এই বৃদ্ধর নাম পরিচয় জানা যাচ্ছেনা, পড়ে থাকতে দেখে এগিয়ে আসলেন একদল সেচ্ছাসেবী

    অসহায় এই বৃদ্ধর নাম পরিচয় জানা যাচ্ছেনা, পড়ে থাকতে দেখে এগিয়ে আসলেন একদল সেচ্ছাসেবী

    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ গত দুই দিন যাবত কনকনে ঠান্ডায় রাস্তায় পড়ে ছিলো ৭৫/৮০ বছরের এক বৃদ্ধ।

    মাঘের এই প্রচন্ড ঠান্ডা তাকে শীতবস্ত্রহীন ভাবে পড়ে থাকতে দেখে এগিয়ে আসলেন একদল সেচ্ছাসেবী। তারা অসহায় এই বৃদ্ধকে উঠিয়ে জায়গায় দিলেন মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের নতুন ভবনের নিচ তলায়।
    সেখানে তাকে একটি ব্রেড ও শীতবস্ত্রের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন সেচ্ছা‌সে‌বিরা। তবে অসহায় এই বৃদ্ধর নাম পরিচয় জানা যাচ্ছেনা।

    স্থ‌ানীয়রা জানান, গত (১৯ জানুয়ারী) শুক্রবার সকাল ১১ থেকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল সামনে শীতে কুক্রড়া দিয়ে সন্ধ্যা ৭ পর্যন্ত বসে থাকতে থাকেন।

    পরে তাকে সেখান থেকে উঠিয়ে হাসপাতালের নতুন ভব‌নের নিচ তলায় নিয়ে যায় একদল সেচ্ছাসেবী সেখানে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে একটি বেড ও শীতবস্ত্রের ব্যবস্থা করে সেচ্ছাসেবী টিমটি। বর্তমানে তাকে দেখা শুনা করছেন সেচ্ছা‌সেবীরা ৷

    সেচ্ছাসেবী ফয়সাল আহ‌ম্মেদ দিপু জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই বৃদ্ধাকে শীতে জুবুথুবু অবস্থায় দেখতে পেয়ে তার নাম পরিচয় জানতে চাই। তবে তিনি কিছুই বলতে পারছিলেন না।
    পরে তাকে হাসপাতালের নতুন ভবনে নিয়ে স্বাস্থ্য সেবা ও শীতবস্ত্রের ব্যবস্থা করি। এর সাথে আমাদের অন্যন্যান সহকর্মিরাও একাত্মতা প্রকাশ করেন।

    তবে তিনি বর্তমানে কিছুটা সুস্থ আছেন তবে তার নাম ঠিকানা কিছুই বলতে পারেনা। ত‌বে আমরা প্রতি‌নিয়ত খোজ খবর নিচ্ছি। আমরা ওনার পরিচয় জানার জন‌্য বি‌ভিন্ন মা‌ধ্যেমে চেষ্টা করছি।

    সেচ্ছা‌সেবী জান্নাত ইসলাম জয়া জানান, এই বৃদ্ধর প‌রিচয় জানার জন‌্য গতকাল থে‌কেই আমরা‌ চেষ্টা কর‌ছি এবং ওনার যখন যা প্রয়োজন মনে হ‌চ্ছে তখনই তা দেওয়ার চেষ্টা করছি খারার ও বস্র আমরা দি‌য়ে‌ছি ওনার সেবা ও কর‌ছি। ত‌বে ও‌নি ওনার নাম প‌রিচয় বল‌তে পা‌রেনা।

  • গ্রাম আদালতের এজলাসে বসে কৃষকলীগ নেতার মতবিনিময় সভা, জানেন না চেয়ারম্যান

    গ্রাম আদালতের এজলাসে বসে কৃষকলীগ নেতার মতবিনিময় সভা, জানেন না চেয়ারম্যান

    তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের এজলাসে বসে কৃষকলীগ নেতার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিকে সভার বিষয়ে অবগত নন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান।
    গ্রাম আদালতের এজলাসে বসে মতবিনিময় সভা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন জেগেছে।

    জানা যায়, গত সোমবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের গ্রাম আদালত হলরুম কক্ষে বর্তমান দলের কতিপয় নবাগত ও পুরোনো স্থানীয় নেতা কর্মীদের আয়োজনে কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও প গড় জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আব্দুল লতিফ তারিনের নেতৃত্বে এই মতবিনিময় সভা করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন, ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি আসির উদ্দিন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা কৃষকলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সোহেল রানা, বুড়াবুড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাধারন সম্পাদক শাকিল সম্রাট, সাজেদুল ইসলাম, জাকের, ইউপি সদস্য আতাউর রহমান, ইউপি সদস্য তারিফ হোসেন প্রধান, ইউপি সদস্য আইবুল হক, ইউপি সদস্য নুর জামান, সাবেক ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম সহ আরো অনেকেই।

    ইউপি সদস্য আতাউর রহমান মুঠোফোনে বলেন, ‘এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে এজলাসে বসে আলোচনা করা হলে তিনি বিষয়টি চেয়ারম্যানকে অবগত করেন। আপনারা এজলাসের নিচে বসলেন আর আপনাদের সম্মানের তুলনায় যারা কমতি রয়েছে বা অল্প বয়সের তাঁরাই উপরে বসলেন এর কারণ জানতে চাইলে বলেন, আপনি তো জানেন ওরা নেতা মানুষ আর আমরা পরিষদের মেম্বার। তবে এজলাসে বসে এ ধরণের আলোচনা করা তিনি এজলাসকে অবমাননার সাথে তুলনা করেন।’

    গ্রাম আদালতের এজলাসে মতবিনিময় সভায় বসার জন্য গ্রাম আদালত হলরুমের তালা কে কখন কার অনুমতিতে খুলছেন এমন প্রশ্ন প্রথমে দাফাদার মনসুর আলমকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, আকবর চৌকিদার চেয়ারম্যানের কথা বলে তাঁর বাড়ি থেকে চাবি নিয়ে গিয়ে তালা খুলে দিয়েছেন। এরপর আকবর আলীকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, সাবেক আসির মেম্বার ও সাজেদুল ইসলাম নবনির্বাচিত এমপির বোন আসার কথা বলে তাঁর কাছ থেকে তালা খোলার জন্য চাবি নিয়ে আসতে বলেন। ওই সময় আমার পার্শ্বে মনসুরও ছিল। পরে মনসুর দাফাদার চাবি আনতে বললে গ্রাম পুলিশ আকবর চাবি নিয়ে এসে গ্রাম আদালত হলরুমের তালা খুলে দেন। তবে দু’জনের কেউ চেয়ারম্যানকে এ বিষয়ে অবগত করেননি বলে জানা গেছে।

    এদিকে আব্দুল লতিফ তারিনের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘আমি মেহমান হিসেবে গিয়েছি। এখন তাঁরা যদি আমাকে বসতে দেয়, তবেই তো বসেছি। সেটি কোনো রাজনৈতিক আলোচনা ছিলনা এমপির উদ্দেশ্যে মতবিনিময় সভার আয়োজন ছিল। তিনি আরোও বলেন, আমি এজলাসে বসার বিষয়ে যদি চেয়ারম্যান না জেনে থাকে তাহলে পরিষদের লোকজন কেন তালা খুলে দিলেন? এটা তাদের ব্যর্থতা। আমি তো চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসিনি, বসলে একটা কথা ছিল।’

    এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ তারেক হোসেন বলেন, ‘তাকে এ বিষয়ে কেউ অবগত করেননি। পরে ইউপি সদস্যের মাধ্যমে জানতে পারলে বিষয়টি তাঁর দৃষ্টিগোচর হয়। তিনি বলেন, যে গ্রাম আদালতের এজলাসে বসে তিনি বিচারিক কার্যক্রম করেন, সেই এজলাসে বসে মিটিং করা যুক্তিসঙ্গত হইতে পারেনা। মতবিনিময় সভায় আপনার চেয়ারে কেউ বসেনি জিজ্ঞাসায় তিনি বলেন, সামনে দু’পাশে দুটি কাঠগড়া রেখে আর চেয়ার সরিয়ে দিয়ে মিটিং করা যুক্তিকতা হতে পারেনা।

    উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদুর রহমান ডাবলু বলেন, গ্রাম আদালতের এজলাস মিটিং করার জায়গা নয়। এজলাসের ৪টি চেয়ার বিচারিক কার্যক্রমের জন্য নির্ধারিত।

    এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাহবুবুল হাসান বলেন, গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ এ নিদির্ষ্ট ধারায় একজন ইউপি চেয়ারম্যানকে ফৌজদারী ও দেওয়ানী বিচারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। গ্রাম আদালতে এজলাসে বসে কোনো মিটিং করা ঠিক হবেনা। একজনের নির্ধারিত দায়িত্বরত চেয়ারে অন্য কেউ বসতে পারেনা চলমান রীতি। তবে দায়িত্বরত ব্যক্তি যার অধিনে ওই ব্যক্তি সেই চেয়ারে বসতে পারে। ইউপি চেয়ারম্যান এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ করলে, যিনি এজলাসে বসে এ ধরণের মিটিং করেছেন আমরা আইনগতভাবে তাঁর কাছ থেকে জবাব চাইবো।

  • পাইকগাছায় পুকুরে পাওয়া গেল দুটি ইলিশ মাছ

    পাইকগাছায় পুকুরে পাওয়া গেল দুটি ইলিশ মাছ

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা)॥
    পাইকগাছায় একটি সরকারি পুকুওে মাছ ধরার জন্য জাল ফেললে উঠে আসে দুটি রুপালি ইলিশ। ১৯ জানুয়ারি শুক্রবার দুপুরে পাইকগাছা উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নের ভূমি অফিস সংলগ্ন সরকারি পুকুরে মাছ ধরার জন্য জাল দিয়ে টান দিলে অন্য মাছের সাথে দুটি রুপালি ইলিশ ধরা পড়ে।পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আল-আমিন বলেন, পাইকগাছা উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নের ভূমি অফিস সংলগ্ন সরকারি পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে জালে ধরা পড়ে ভেটকি, রুই, কাতল মাছ। এদের সঙ্গে দুটি ইলিশও জালে ধরা পরে। ইলিশ দুটির ওজন ৭ শত গ্রাম করে। স্থানীয়রা এ দুটি মাছকে ইলিশ বলে নিশ্চিত করেছেন। আমি নিজেও সেখানে উপস্থিত ছিলাম।পুকুরের ইলিশ এলো কীভাবে প্রশ্নে তিনি জানান, হয়তো বন্যায় পুকুরের পাড় ডুবে গেলে এতে ইলিশ মাছ ঢুকে পড়ে। ইতোমধ্যে কোনো প্লাবন হয়নি। বেশ কয়েক বছর আগে হয়েছিল। তখন মনে হয় নদী থেকে মাছ দুটি পুকুরে চলে আসে। পুকুরেই মাছ দুটি বড় হয়েছে এটা নিশ্চিত।পাইকগাছা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পবিত্র কুমার দাস বলেন, নদীর কাছাকাছি পুকুরটি। তাই মনে হয় জোয়ারের পানিতে কোনো এক সময় ইলিশ ঢুকে পড়েছিল এতে। পরে পুকুরের পানিতে নিজেদের মানিয়ে নিয়ে মাছ দুটি বড় হয়েছে। এলাকাবাসীরা বলেন, পুকুরে ইলিশ পাওয়ার ঘটনায় আমরা বিস্মিত ও আনন্দিত। এর আগে আমরা কখনো পুকুরে ইলিশ মাছ দেখিনি।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা (খুলনা) ॥

  • তানোরে পুলিশের তৎপরতায় জনমনে স্বত্তি

    তানোরে পুলিশের তৎপরতায় জনমনে স্বত্তি

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী তানোরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও মাদক প্রতিরোধে থানা পুলিশ নানামুখী তৎপরতা শুরু করেছে। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহিম দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই পুলিশ জনতা, জনতাই পুলিশ” এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে তিনি এসব তৎপরতা শুরু করেছেন।
    জানা গেছে, রাজশাহী পুলিশ সুপারের (এসপি) দিকনির্দেশনায় “পলিশ জনতা’জনতাই পুলিশ’ প্রতিপাদ্য সামনে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানসহ নানা তৎপরতা গ্রহণের ফলে এলাকায় হ্রাস পেয়েছে চুরি-ছিনতাই, মাদক কারবারসহ নানা অপরাধ। এতে জনমনে পরম স্বত্তি বিরাজ করছে। থানা এলাকায় ইভটিজিং, সন্ত্রাস, জঙ্গি তৎপরতা, মাদক, জুয়াসহ চুরি-ছিনতাই অনেকটা হ্রাস পেয়েছে বা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।ওসি আব্দুর রহিম জনগণের হয়রানি কমিয়ে সেবা প্রদানের জন্য থানার সকল কর্মকর্তাদের নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করেন। থানায় অভিযোগ বা বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সাধারণ মানুষ সহজেই সরাসরি তার সঙ্গে কথা বলতে পারছে, এতে সহজেই সমস্যার সমাধান ও দালালমুক্ত সেবা পাচ্ছেন।এতে জনগণের হয়রানি কমেছে। এদিকে পুলিশের সেবার মান আরো বাড়াতে নিররসভাবে কাজ করছেন ওসি আব্দুর রহিম। এদিকে গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর উপজেলার সরনজাই ইউনিয়নের (ইউপি) সরকারপাড়া থেকে নবনবী যাওয়ার পথে শালবান্ধা নামক স্থানে অটোভ্যান চালককে মারধর করে অটো ছিনতাই করে ছিনতাইকারি চক্র। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ হলে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) সাইফুর রহমান ও সিনিয়ার সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) সোহেল রানার দিকনির্দেশনায় তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে আসামিসহ ছিনতাই হওয়া অটো ভ্যান উদ্ধার করেছে পুলিশ। সম্প্রতি তানোরে আলোচিত চুরির ঘটনায় সোনার অলংকার ও কাঁসার থালা-বাটিসহ চুরি যাওয়া বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার ও আসামিকে আটক করেছেন তানোর থানার পুলিশ।এছাড়াও থানা চত্ত্বর দালালমুক্ত ঘোষণা করেছেন। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নানা সমস্যা নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ দ্রুত পদক্ষেপ ও সমাধান করা হচ্ছে। তানোর থানায় যোগদানের পর থেকে তিনি নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছেন। এসব অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার, মামলা, মাদককারবারি আটকের পাশাপাশি ওয়ারেন্ট ভুক্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি আটক করেছেন ওসি আব্দুর রহিম।এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন,পুলিশ জনগণের বন্ধু’ তবে সাধারণ মানুষ ও সুশীল সমাজের সহযোগিতা নিয়ে তানোর থানা এলাকার আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। জনগণের জান মালের নিরাপত্তা ও সমাজ থেকে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ মুক্ত করে তোলাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য বলে জানান তিনি।

    তানোর প্রতিনিধি।।

  • নড়াইল সদর থানা পুলিশের অভিযানে তিনটি  চোরাই ব্যাটারী চালিত ইজিভ্যানসহ গ্রেফতার ৩

    নড়াইল সদর থানা পুলিশের অভিযানে তিনটি চোরাই ব্যাটারী চালিত ইজিভ্যানসহ গ্রেফতার ৩

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে//

    নড়াইলে চোরাই তিনটি ব্যাটারী চালিত ইজিভ্যান উদ্ধারসহ তিন জন পেশাদার চোর গ্রেফতার। গত (৩০ ডিসেম্বর) রাতের মধ্যে নড়াইল পৌরসভাধীন ভওয়াখালী সাকিনস্থ নড়াইল পুরাতন বাস টার্মিনালের রাস্তার উপর হতে তিনটি ব্যাটারি চালিত ইজিভ্যান অজ্ঞাতনামা চোরেরা কৌশলে চুরি করে চম্পট দেয়। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, ভুক্তভোগী ভ্যানচালক মোঃ মাহাবুবুর রহমানের অভিযোগের প্রেক্ষিতে নড়াইল সদর থানায় একটি চুরির মামলা করা হয়। মামলা রুজু হওয়ার পরপরই মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই (নিঃ) পলাশ কুমার ঘোষ এবং সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের একটি চৌকস টিম চোরাই মালামাল উদ্ধার এবং চোর গ্রেফতারে মাঠে নামে। এরই ধারাবাহিকতায় নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম তত্ত্বাবধানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) পলাশ কুমার ঘোষ ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের এসআই (নিঃ) মোঃ ফিরোজ আহম্মেদ এর নেতৃত্বে একটি চৌকশ টিম বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬ সময় অভিযান পরিচালনা করে মোঃ আব্দুল্লাহ শেখ (২৩), মোঃ রেজাউল শেখ (৩৪) ও মোঃ মারুফ মীর (৩২) নামের পেশাদার চোর চক্রের ০৩ জনকে তাদের নিজ নিজ বাড়ি হতে গ্রেফতার এবং তাদের হেফাজত হতে চোরাই তিনটি ব্যাটারী চালিত ইজিভ্যান উদ্ধার করতে সক্ষম হন। ধৃত আসামি মোঃ আব্দুল্লাহ শেখ (২৩) নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানাধীন মহিষাপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ লিয়াকত শেখের ছেলে, মোঃ রেজাউল শেখ (৩৪) একই গ্রামের মৃত আইয়ুব শেখের ছেলে এবং মোঃ মারুফ মীর (৩২) কালিয়া থানাধীন মোহাম্মদপুর গ্রামের দাউদ মীরের ছেলে। আসামিদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান নির্দেশনায় জেলা পুলিশ মানুষের জান মালের নিরাপত্তায় আন্তরিকভাবে কাজ করে চলেছে।

  • নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ হাদি গ্রেফতার

    নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ হাদি গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//
    নড়াইলে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতার একজন। মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মোঃ হাদিউজ্জামান ওরফে হাদি সিকদার (৪৫) নামের একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মোঃ হাদিউজ্জামান ওরফে হাদি সিকদার (৪৫) নড়াইল জেলার সদর থানার ভাওয়াখালী গ্রামের মৃত সাঈদ শিকদারের ছেলে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে নড়াইল সদর থানাধীন মুলিয়া ইউনিয়নের বাঁশভিটা বিলপাড়া গ্রামের রবিউল ইসলাম রুবেল এর বাড়ির পশ্চিম পাশে কাঁচা রাস্তার উপর হতে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছাব্বিরুল আলম এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) মোঃ ফারুক হোসেন, এএসআই (নিঃ) আনিসুজ্জামান, এএসআই (নিঃ) মাহফুজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মোঃ হাদিউজ্জামান ওরফে হাদি শিকদার (৪৫) কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামির নিকট থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য দুইশত পঞ্চাশগ্রাম গাঁজাসহ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।