Blog

  • প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার গাফিলতি” ইঁদুরের পেটে  দুস্থতের চাল

    প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার গাফিলতি” ইঁদুরের পেটে দুস্থতের চাল

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার হারিয়ারকুটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কুমারেশ রায়ের বিরুদ্ধে দুস্থ-অসহায় মানুষের জন্য ঈদের বরাদ্দের চাল বিতরণ না করে তালা বদ্ধ রেখে নষ্ট করে ইদুর-মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে । বাংলাদেশ সরকার প্রতি বছর ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিশেষ বরাদ্দের চাল বিতরণ করে । দুস্থ-অসহায় মানুষদের এই চাল ঈদের আগেই বিতরণ করার নিয়ম থাকলেও । সেই চাল গত ৬ মাস ধরে তালা বন্ধ রেখে নষ্ট করে ফেলার সত্যতা পাওয়া গেছে ।

    সরেজমিনে উপজেলার হারিয়ারকুটি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা যায় , বিট পুলিশিং অফিস কক্ষে তালা ঝোলানো । জানালা সরিয়ে দেখা যায় , প্রায় ১ টনের বেশি চাল অরক্ষিত অবস্থায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয়েছে সেখানে। সেই চালে চলছে ইদুরের তেলেসমতি । চালের ওপরে জমেছে ইদুরের বিষ্ঠার ভাগারের আস্তর । নষ্ট হয়ে যাচ্ছে প্রায় সব বস্তারই চাল ।

    গ্রাম পুলিশ আবদুল কুদ্দুস প্রতিবেদককে দেখিয়ে বলেন, ‘এই রুমের ৫০ কেজির চালের সব গুলো বস্তা ঈদের চাল । বিতরণ করা হয়নি বলে এই ঘরে রাখা হয়েছে । তিনি আরো বলেন, চেয়ারম্যান এই ঘরের চাবি নিজের কাছেই রাখেন । কাউকে তিনি চাবি দেন না। এখানকার এক চিমটি চালও ধরতে দেন না । এসব চাল ৬ মাস আগের বরাদ্দ বিতরণ হয়নি ,ঈদের চাল কিনা জানতে চাইলে তিনি জোর গলায় বলেন, আমরাই যদি না জানি তাহলে জানবে কে ? আরেক গ্রাম পুলিশ খয়রাত হোসেনও বলেন, বিট পুলিশিং কার্যালয় কক্ষের ৫০ কেজি চালের বস্তা গুলো ঈদের সময়ের বরাদ্দের চাল ।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ইউপি সদস্য জানান, ‘ এর আগেও কিছু সরকারি চাল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় হারিয়ারকুটি ইউপি চেয়ারম্যান কুমারেশ রায় তার ব্যাক্তিগত পুকুরে মাছ চাষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করেছে । দীর্ঘদিন ধরে বিতরণ না করা ৬-৭ বস্তা পঁচা ও পোকা ধরা চাল গ্রাম পুলিশ সরদার মহুবারের মাধ্যমে রাতের আধারে পুকুরে ঢেলে দিয়েছে । এছাড়াও একাধিক ইউপি সদস্যরা অভিযোগ করে বলেন চেয়ারম্যানের গাফিলতির কারণে চাল গোডাউনে পরে থেকে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ও অনেক দরিদ্র মানুষ চাল পাচ্ছেনা। ফলে জনগনের তোপের মুখে পরতে হচ্ছে আমাদের।

    খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নুরুন নবী বাবু জানান , হারিয়ারকুটি ইউনিয়নে ভিজিডির চাল ৩০ কেজির বস্তায় ৭৫৮ বস্তা চাল পাঠানো হয়। এছাড়াও গত বছরের ২৬ জুন জি আর প্রকল্পের ৩০ কেজি বস্তার ২০০ টি বস্তায় ৬ টন পাঠানো হয়েছে এবং ভিজিএফ প্রকল্পের ৫০ কেজি বস্তার ৬৪৫ বস্তায় ৩২টন ২৫০ কেজি চাল পাঠানো হয়েছে । হারিয়ারকুটি ইউনিয়ন পরিষদে বিতরণ না করে তালাবদ্ধ করে রাখা ৫০ কেজি চালের বস্তাগুলো কোন প্রকল্পের জানতে চাইলে তিনি বলেন, যেহেতু আমরা শুধু ভিজিএফ প্রকল্পের ৫০ কেজি চালের বস্তা দিয়েছি সুতরাং বলাই যে ওই চালের বস্তা গুলো দুস্থ-অসহায় মানুষের জন্য ঈদের বরাদ্দের চাল অর্থাৎ ভিজিএফ প্রকল্পের । তিনি আরও বলেন , শ্রমিক আইন সংশোধনের কারনে গত বছরের জুন মাসের পরে থেকে আর কোন ৫০ কেজি বস্তা আমরা ব্যবহার করছিনা । জুনের পরে যত বস্তাই আমরা দিয়েছি তার সবই ৩০ কেজি বস্তা ।

    এভাবে সরকারি চাল বিতরন না করে নষ্টের ব্যাপারে জানালে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আলতাফ হোসেন পরিষদে ছুটে আসেন । তার সামনেই গ্রাম পুলিশরা সাক্ষ্য দেন, বিতরণ না করা ৫০ কেজি বস্তা গুলো ঈদের সময়ের চাল । তালাবদ্ধ ঘরের জানালা দিয়ে চাল সংরক্ষণ করে রাখার এমন চিত্র দেখে পিআইও জানান, এসব নষ্ট চাল ও বস্তা সম্ববত জি আর প্রকল্পের চাল । কিন্তু যে প্রকল্পেরই হোক , এভাবে বিতরণ না করে নষ্ট করা কতটুকু যৌক্তিক বলে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এটা মোটেও ঠিক হয়নি। চালের বস্তাগুলো সঠিক ভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। । তবে এই চাল বিতরণ হয়েছে মর্মে জানতাম । চাল বিতরণ না হওয়ার ব্যাপারে তাদারকির গাফেলতি কেন করা হয়েছে প্রশ্নের জবাবে পিআইও আলতাফ জানান, বিতরণ উদ্বোধন করে চলে গিয়েছি । পরবর্তীতে আর খোঁজ নেওয়া হয়নি । এই দায় আমার একার নয় ।

    প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার ( পিআইও) কথা সঠিক নয় বলে উল্লেখ করে মুঠোফোনে কুমারেশ চেয়ারম্যান জানান, পরিষদে অন্য কোন প্রকল্পের চাল নেই । শুধু মাত্র ভিজিডির চাল রয়েছে । পিআইও’র দেওয়া তথ্য সঠিক নয় । জি আর কিংবা ঈদের সময়ের দেওয়া ভিজিএফের কোন চাল নেই । নষ্ট চাল পুকুরে ঢেলে দেওয়া বা ইদুরের খাওয়া ও ইদুরের বিষ্ঠার ভাগারের আস্তর সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করে জানান , আমার পরিষদে যেসব চাল তালাবদ্ধ ঘরে রয়েছে সেসব অরক্ষিত ভাবে নেই ।

    প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও কুমারেশ চেয়ারম্যানের বিপরীতমুখী বক্তব্য এবং এখন পর্যন্ত বিতরণ না হওয়া চালগুলো নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী ইউপি চেয়ারম্যান কোনো অবস্থাতেই চাল গুদামে মজুদ করে রাখতে পারেন না। তার ওপর গত ৬ মাস ধরে চালের বস্তা জমিয়ে রেখে নষ্ট করে রাষ্ট্রীয় সম্পদের যেমন ক্ষতি করা হয়েছে তেমনি গরিব-দুস্থ-অসহায় মানুষের হক নষ্ট করা হয়েছে বলে মনে করছেন নাগরিকরা।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবেল রানা উক্ত বিষয়ে বলেন, ‘এ বিষয়ে খোঁজখবর করা হচ্ছে। সত্যতা পেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

    জিআর বা ভিজিএফের চাল ৬ মাসেও বিতরণ না হলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কি তার দায়ভার এড়াতে পারেন কিনা প্রশ্নের জবাবে জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা মোতাহার হোসেন জানান, না দায়ভার এড়াতে পারেন না । যদি এমনটি হয়ে থাকে তাহলে সেটা হবে নিয়ম বহির্ভূত কাজ ।

  • পানছড়িতে যুব মিলন সংঘ কর্তৃক অর্ধ শতাধিক দরিদ্র পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়েছে

    পানছড়িতে যুব মিলন সংঘ কর্তৃক অর্ধ শতাধিক দরিদ্র পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়েছে

    নুরুল ইসলাম( টুকু) খাগড়াছড়ি সংবাদদাতা

    সামাজিক সংগঠন যুব মিলন সংঘ কর্তৃক খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পানছড়ি উপজেলায় দরিদ্র ৫০ জন শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ১০ টার সময় আদি ত্রিপুরা পাড়ায় অস্থায়ী কার্যালয়ে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

    এতে সংগঠন এর সাধারণ সম্পাদক অংগ্য ত্রিপুরা ( অন্তর) এর সঞ্চালনায় ও সভাপতি রুবেল ত্রিপুরার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পানছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার দেব।

    এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠন এর উপদেষ্টা বাবুল বড়ুয়া,উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ও সাবেক মহিলা মেম্বার হিরামতি বড়ুয়া,সাংবাদিক মিঠুন সাহা। এই সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠন এর উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সুজন বড়ুয়া, রণ কর্মকারসহ সংগঠন এর নেতৃবৃন্দ।

    এই সময় প্রধান অতিথি বক্তব্যে বিজয় কুমার দেব এই মহতী উদ্যোগের জন্য আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দদের ধন্যবাদ জানান।এবং এই সেবামূলক কার্যক্রমে ভবিষ্যতেও পাশে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • ঝালকাঠির নলছিটিতে জেলেদের মাঝে ছাগল বিতরণ করা হয়েছে

    ঝালকাঠির নলছিটিতে জেলেদের মাঝে ছাগল বিতরণ করা হয়েছে

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি: মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে উপকরণ হিসেবে ছাগল বিতরণ করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার(২৩ জানুয়ারি) উপজেলার ২০ জন নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে ৪০ টি ছাগল,একটি করে ঘর ও এক মাসের খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম, উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিদ্দিকুর রহমান,উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রমনি কুমার প্রমুখ।

  • ময়মনসিংহে ইউএনও’র উদ্যোগে ২৭ স্কুলের সীমানাসহ রাস্তার জটিলতা নিরসন

    ময়মনসিংহে ইউএনও’র উদ্যোগে ২৭ স্কুলের সীমানাসহ রাস্তার জটিলতা নিরসন

    ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ
    ময়মনসিংহের সদর উপজেলায় রাঘবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ প্রায় ২৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা জটিলতার নিরসনের মাধ্যমে স্কুলগুলোর পাশে থাকা অবৈধ স্থাপনাসমূহ উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ।

    সদর উপজেলায় যোগদানের পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষে তার অভিযানে স্কুলের সীমানা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধ নিষ্পত্তিসহ পাশে থাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি ফুটেছে। তারা কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এর প্রতি।

    তার অভিযানে সদর এলাকার রাস্তার পাশে থাকা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে থাকা ২৭টির বেশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাকা-আধাপাকা ২০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা ভূমি অফিস।

    উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন জানান, উচ্ছেদের আগে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য স্কুলের সরকারি সম্পদ অবৈধ ভাবে দখলে নেওয়া দখলকারীদের অবগতির জন্য প্রচারণা চালানো হয়েছিল। কিন্তু অবৈধভাবে গড়ে তোলা স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় ইউএনও স্যার প্রতিদিন বিদ্যালয়ে গিয়ে এ সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

    উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার আগে সার্ভেয়ারের মাধ্যমে সরকারী জমির সীমানা নির্ধারণ করে লাল দাগ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। উচ্ছেদ অভিযানে এলাকাবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে সহযোগিতা করেন বলে তাদের কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ দেন ইউএনও।

    উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন আরো বলেন রাঘবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা জটিলতা নিরসন হয়েছে। এখন দ্রুতই সীমানা প্রাচীর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হবে। তিনি বলেন-উপজেলার অষ্টধার ইউনিয়নের ঝাপারকান্দা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোন ভবন,ক্লাশ রুম ছিলোনা,যেটুকু ছিলো টিন শেড ঘর,প্রচন্ড রোধের তাপে শিশুরা হয়ে যায় অসুস্থ।এর ভবন নির্মাণের জন্য জায়গা পরিদর্শন করে দ্রুত ভবন নির্মাণের পদক্ষেপ নেন ইউএনও শফিকুল ইসলাম।

    রাঘবপুর স্কুলের প্রধান শিক্ষক উম্মে হানি ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মুহিবুল্লাহ জানান-আমাদেরন রাঘবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে স্কুলের বাউন্ডারি নির্মাণে স্কুলের জায়গা জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান করতে এসে ইউএনও স্যার স্থানীয় গণ্যমান্যদের নিয়ে আলোচনা করেন। দীর্ঘ আলোচনা ও মাপযোগ শেষে স্কুলের মোট জায়গা ৫০ শতাংশের মাজে মাপযোগ করার পর পাওয়া যায় সাড়ে ৪৩ শতাংশ। এ বিষয়টি সমাধানে প্রাথমিক একটা সিদ্ধান্তে আসেন ইউএনও । সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমাদের স্কুলের সীমানা সংক্রান্ত আর কোন জটিলতা নেই। । এছাড়াও এ উচ্ছেদের ফলে রাস্তা,মাদ্রাসা,মসজিদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা জটিলতা, ঈদগাহের সীমানা জটিলতা নিরসন হয়েছে।

    চরনিলক্ষিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হক মন্ডল জানান-বিষয়টি দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশা ছিল এলাকাবাসীর, এর ফলে রাঘবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা জটিলতা ও এলজিইডি রাস্তার কাজ দ্রুত শেষ হবে। ইউএনও’র মেধায় স্থানীয়রা এসমস্যা সমাধান পেয়ে ইউএনও’র প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় এলাকাবাসীরা।

  • বাগআঁচড়ার শরিফুল ২৫০ টি হাঁস পালন করে তিন মাসে লাখপতি

    বাগআঁচড়ার শরিফুল ২৫০ টি হাঁস পালন করে তিন মাসে লাখপতি

    আজিজুল ইসলাম: শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া বসতপুর ২ নং কলোনীর আলমপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম ২৫০ টি হাঁস পালন করে ৩ মাসে লাখপতি হয়ে উঠেছেন।

    অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, আলমপুর ঢাকালী পাড়ার খোরশেদ আলমের সেজ ছেলে শরিফুল ইসলাম বেশী লেখাপড়া করেননি। ফলে মাঠে কৃষি কাজে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। এর পাশাপাশি হাঁস পালন শুরু করেন। কিন্তু তিনি লাভের মুখ দ্যাখেননি কোনদিন। তবে শরিফুল দমে যাবার পাত্র নেন। তিনি ২০২৩ সালের অক্টোবরের শেষের দিকে বরিশাল থেকে খাকি ক্যাম্বেল জাতের ৭ মাস বয়সের ২৫০টি পাতি হাঁস কিনে আনেন। প্রতিটি হাঁস ৪৫০ টাকা দিয়ে কিনতে হয় তার। বাড়িতে আনার পর ৮ মন ধান তিনি খাদ্য হিসেবে ব্যাবহার করেন। কিছুদিন ধান খাওয়ানোর পর তিনি হাঁস বিলে নামিয়ে দেন। এবং সেখানে দিনভর হাঁস চরাতে থাকেন।

    ১৬ দিন পরে হাঁস ডিম দিতে শুরু করে । বাড়তি খাবারও আর দিতে হয়না। বিলের গুগলি শামাকে পেট ভরে যায় হাঁসের। প্রথম মাসেই শরিফুল ৩০ হাজার টাকার ডিম বিক্রী করেন। প্রতি পিচ ডিমের দাম ছিলো ১৪ টাকা। দ্বিতীয় মাসের শুরুতে প্রতিদিন ডিম উৎপাদন হয় ২২০টি করে। পরে ডিম উৎপাদন উঠানামা করতে থাকে। যার ফলে ৩ মাসে গড় উৎপাদন দাড়ায় ১৭০/১৮০ টি করে। এখন ডিমের পাইকারি মূল্য ১৫ টাকা থেকে ১৫ টাকা ৫০ পয়সা। তিন মাসে হাঁসের ঔষধ খরচ বাবদ ব্যায় হয়েছে ২৪০ টাকা। সকল খরচ বাদ দিয়ে তিন মাসে শরিফুলের লাভ হয়েছে এক লক্ষ আঁশি হাজার টাকা।

    তবে বিলের পানি কমে যাওয়ায় এবং ইরি মৌসুম শুরু হওয়ার কারনে হাঁস এখন আর বিলে চরানো যাবেনা। যে কারনে এখন খাদ্য কিনে খাওয়াতে হবে হাঁসের। এতে ডিমের উৎপাদন খরচ একটু বেশী পড়বে। তবুও লাভ থাকবে বলে আশা করেন শরিফুল।

  • আওয়ামী লীগের দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী অ্যাডভোকেট এম আলম খান কামালের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়

    আওয়ামী লীগের দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী অ্যাডভোকেট এম আলম খান কামালের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী অ্যাডভোকেট এম আলম খান কামাল সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন।

    মঙ্গলবার(২৩ জানুয়ারি) রাত ৭ টায় নলছিটি প্রেসক্লাবে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এসময় উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি একজন আওয়ামী লীগের দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী। আমি ১৯৭৯ সালে বরিশাল বি এম কলেজ ছাত্র লীগের অর্থ সম্পাদক ছিলাম। সেই থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে আমার পথচলা শুরু হয়। বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।

    তিনি আরও বলেন, আমার রাজনৈতিক অভিভাবক আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু ভাইয়ের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। আমাকে যদি আওয়ামী লীগের দলীয় সমর্থন দেয়া হয় তাহলে আমু ভাইয়ের দোয়া নিয়ে আমার নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করতে চাই। আপনাদের মাধ্যমে আমি আমার এলাকাবাসীকে জানাতে চাই যদি আমাকে আওয়ামী লীগের সমর্থন দেয়া হয় তাহলে আপনাদের সাথে নিয়ে জয়যুক্ত হয়ে নলছিটি উপজেলাবাসীর খেদমতে নিজেকে নিয়োগ করবো।

  • ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দ্বায়িত্ব পেলেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া পারভীন

    ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দ্বায়িত্ব পেলেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া পারভীন

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা পরিষদের চেয়াম্যান প্যানেল-১ (ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) দায়িত্ব পেয়েছেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া পারভীন।তবে এ বিষয়ে জানা যায়,উপজেলা পরিষদের কার্যক্রম সুষ্টুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের অধীনে সরকার বিভাগ, উপজেলা-১শাখার যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মজুমদার ২২ জানুয়ারী ২০২৪ইং তারিখে স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে মর্মে জানা যায়।তবে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ আফছানা কাওছার।তবে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে,উপজেলা পরিষদ আইন ১৯৯৮ এবং উপজেলা পরিষদের ১১ এপ্রিল ২০১৯ তারিখের ১ম মাসিক সভার স্বিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন চেয়ারম্যান কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত চেয়ারম্যান প্যানেল-১ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ আলেয়া পারভীন দায়িত্ব প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত না হওয়া পর্যুন্ত এ দ্বায়িত্ব পালন করবেন।
    সদ্য দায়িত্ব পাওয়া চেয়ারম্যান প্যানেল-১ মোছাঃ আলেয়া পারভীন বলেন,দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য পূর্বের চেয়ারম্যান পদত্যাগ করায় আমার উপরে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আমি তা সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করব। আমি সব সময় সাধারণ মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিলাম আমৃত্যু পযন্ত মানুষের কল্যানে কাজ করে যাব।

    প্রকাশ থাকে যে,দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করতে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা পরিষদ থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান আলী আসলাম জুয়েল অব্যাহতি ও পদত্যাগ করেন।চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হওয়ায় মোছাঃ আলেয়া পারভীন কে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

  • দিনাজপুর-৬ আসনে ৩য় বার নির্বাচিত এমপি শিবলীকে গণসংবর্ধনা

    দিনাজপুর-৬ আসনে ৩য় বার নির্বাচিত এমপি শিবলীকে গণসংবর্ধনা

    জাকিরুল ইসলাম (বিশেষ প্রতিনিধি) দিনাজপুর:

    দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও দিনাজপুর-৬ আসনের বর্তমান এমপি শিবলী সাদিক দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩য় বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় তাকে গণ সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার বিকেলে নবাবগঞ্জ উপজেলার চড়ারহাট শহীদ স্মৃতি কলেজ মাঠে ৫ নং পুটিমারা ইউনিয়ন আ’লীগ আয়োজিত গন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক। এ সময় আ’লীগ নেতৃবৃন্দ নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যকে ফুলের পাপড়ি, মালা ও তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি (ভা:) আফছার আলী।।

    ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলমের সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক তাজওয়ার মো. ফাহিম, আ’লীগ নেতা হাবিবুর রহমান রিপন প্রমুখ।

    এসময় উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি আমির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পারুল বেগম, ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান, চার উপজেলার জনপ্রতিনিধি, শিক্ষকসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন আ’লীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী-সমর্থক ছাড়াও নানা শ্রেণি-পেশার অসংখ্য মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    মো. জাকিরুল ইসলাম
    বিরামপুর, দিনাজপুর।

  • পটিয়ায় আলমদারপাড়া শাহ জব্বারিয়া তরুণ সংঘের অভিষেক

    পটিয়ায় আলমদারপাড়া শাহ জব্বারিয়া তরুণ সংঘের অভিষেক

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার:
    পটিয়ার ছনহরা ইউনিয়নের আলমদার পাড়া শাহ্ জব্বারিয়া তরুণ সংঘ’র পরিচালনা কমিটি (২০২৪-২৬) এর অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ১৯ জানুয়ারি শুক্রবার আলমদার পাড়া বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে সংগঠনের সভাপতি রাশেদ ফারুক আলমদারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আলমগীর বাবু’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা চট্টগ্রাম সমিতির আন্তর্জাতিক সম্পাদক মামুনুর রশীদ রাসেল।
    সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলমদার পাড়া বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সের সাধারণ সম্পাদক ও সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক মাকসুদ আলম আলমদার।
    অভিষেক অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মতিন আলমদার,হাবিবুর রশীদ শাকিল,ফয়সাল চৌধুরী।
    কার্যকরী কমিটির সহ-সভাপতি কাজী নয়ন,সাখাওয়াত হোসেন রিয়াজ, শাহেদুল ইসলাম মনির, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হাসান,লোকমান হাকিম ফরমান,সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী জসীম,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান জনি,অর্থ সম্পাদক নজরুল ইসলাম হৃদয়।
    এবং সিনিয়র সদস্য আয়ুব খান আলমদার,আবু সিদ্দিক মনু সহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • নেছারাবাদে যুবকের দায়ের কো*পে মুমুর্ষু অবস্থায় স্কুল শিক্ষক ও তার স্ত্রী হাসপাতালে

    নেছারাবাদে যুবকের দায়ের কো*পে মুমুর্ষু অবস্থায় স্কুল শিক্ষক ও তার স্ত্রী হাসপাতালে

    আনোয়ার হোসেন,
    নেছারাবাদ( পিরোজপুর) প্রতিনিধি//

    নেছারাবাদে জাহিদ হোসেন(৩৫) নামে এক প্রতিবেশি যুবকের এলোপাতাড়ি দায়ের কোপ ও হাতুড়ির পিটানে চারজন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্য গুরুতর অবস্থায় সরকারি স্বরূপকাঠি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ইংরেজি শিক্ষক ও তার স্ত্রী দু’জনকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। গুরুতর আহতরা হলেন স্কুল শিক্ষক মনির(৫০) এবং তার স্ত্রী স্মৃতি(৩৫)। এছাড়া বাকি দু’জনকে নেছারাবাদ হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে বাড়ী পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার জগন্নাথকাঠি গ্রামের মৌলভী বাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘাতক জাহিদকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে গেছেন। তবে কি কারনে জাহিদ তাদের কুপিয়েছে কোন কারন জানা নেই তাদের।

    প্রতিবেশি লিজা আক্তার বলেন, ঘাতক জাহিদ সহ আহতরা সবাই একই বাড়ীর লোক। গুরুতর আহত মুনিরুল ইসলাম স্বরূপকাঠি সরকারি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। ঘটনার দিন ফজরের নামাযের পর জাহিদ মনিরের ঘরের চালে ডিল মারছিল। এসময় তারা ডাক চিৎকার দিলে জাহিদ মনিরের ঘরের জানালা ভেঙ্গে হাতে দা ও একটা হাতুড়ি নিয়ে জানালা ভেঙে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করেন। ঘরের মধ্য মনিরকে পেয়ে জাহিদ হাতের দা দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। এসময় মনিরের স্ত্রী স্মৃতি তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসলে জাহিদ দা নিয়ে তেড়ে এসে তাকেও মাথার ভিবিন্ন জায়গায় কোপায় এক পর্যায়ে হাতুড়ি দিয়ে মাথার পেছনে আঘাত করে। ডাক চিৎকারে প্রতিবেশি ফুয়াদ,তানজিল ইসলাম এগিয়ে গেলে তাদের দাও নিয়ে তাড়া করে। একপর্যায়ে জাহিদকে ধরে ফেললেও তারাও দায়ের কোপে জখম হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে নেছারাবাদ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার আহত মুনিরুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী স্মৃতিকে গুরুতর দেখে সাথে সাথে বরিশাল পাঠিয়ে দিয়েছেন।

    জাহিদের দায়ের কোপে আহত ফুয়াদ বলেন, মনিরুল ইসলাম খুবই ঠান্ডা প্রকৃতীর লোক। জাহিদ প্রায় সময়ই মনিরকে ডিস্টাব করত। ঘটনার দিন সকালে মনিরের ঘরের প্রবেশ করে মনির সহ তার স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে। আমি তাদের বাচাতে এগিয়ে গেলে জাহিদের দায়ের কোপে আমি সহ আমার ভাগিনা তানজিল আহত হয়েছি। এক পর্যায়ে জাহিদকে ধরে বেধে রেখি এবং পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পুলিশ এসে জাহিদকে থানায় নিয়ে গেছে। আমরা জাহিদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চাই।

    তানজিল বলেন, জাহিদ আমার বাবাকে মারতে গেলে আমি এবং মামা ধরে ফেলি ঐ সময় আমার মাথায়ও দায়ের কোপ লাগে মামারও মাথায় কোপ লাগে আমরা দু’জনেই আহত হই। পরে পুলিশ এসে জাহিদকে থানায় নিয়ে যায়।

    নেছারাবাদ থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) গোলাম সরোয়ার জানান, ” অপরাধি জাহিদকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। শুনেছি, আহত দু’জনের মধ্য শিক্ষক মনির ও স্ত্রীর অবস্থা নাকি গুরুতর তাদের কে বরিশালে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে”।