হেলাল শেখঃ সারাদেশে প্রায় লক্ষাধিক ভুয়া ডাক্তার চিকিৎসার নামে প্রতারণা করছে। জীবন রক্ষাকারী ওষুধ সেবন করে বেশিরভাগ মানুষের রোগ ভালো হচ্ছে না। এর আগে ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়ায় ফার্মেসী দোকানে অভিযান চালিয়ে বিক্রয় নিষিদ্ধ ২২ ধরনের ভারতীয় ওষুধ জব্দ করেন ওষুধ প্রশাসন। কয়েকজন ভুয়া ডাক্তারকে র্যাব-৪ কর্তৃক গ্রেফতার করা হলেও অতি দ্রুত আদালত থেকে জামিনে এসে আবার যা তাই রোগীদের সাথে চিকিৎসার নামে প্রতারণা করছে আশুলিয়ায়।
জানা গেছে, প্রায় প্রতিটি এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো ওষুধের দোকান দিয়ে ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ বিক্রি করে অনেকেই লাখ লাখ টাকার মালিক বনে গেলেও এ ব্যাপারে কারো কোনো মাথা ব্যথা নাই। বেশিরভাগ এলাকায় ভুয়া ডাক্তার কর্তৃক চিকিৎসার নামে প্রতারণা ও ভেজাল ওষুধের বিক্রির ছড়াছড়ি। গত (১৩ অক্টোবর ২০২১ইং) দুপুর ২টার দিকে আশুলিয়া থানাধীন জামগড়া চৌরাস্তা বাসস্ট্যাণ্ডে সুফিয়া ফার্মেসিতে ওষুধ প্রশাসন কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করা হয়। জানা যায়, বিক্রয় নিষিদ্ধ ভারতীয় ওষুধ বিক্রির সময় অভিযান পরিচালনা করেন ঢাকার ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের কর্মকর্তাগণ। এসময় সুফিয়া ফার্মেসিতে প্রবেশ করেন এবং দোকানের ভেতরে থাকা ২২ ধরনের নিধিদ্ধ ওষুধ জব্দ করা হয়। এই অভিযান শেষে সুফিয়া ফার্মেসির বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রির কারণ জানতে চেয়ে নোটিশ দিয়েছেন ওষুধ প্রশাসন।
বিশেষ করে এর আগে বিভিন্ন অনলাইন ও সংবাদপত্রসহ গণমাধ্যমে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়। অনুমোদনবিহীন ভেজাল ওষুধ চেনা কঠিন, রাস্তার পাশে হাট-বাজারে নানারকম ওষুধ বিক্রি হওয়ায় সেই ওষুধ সেবন করে বেশিরভাগ রোগীদের রোগ মুক্তি না হয়ে বাড়ছে বিভিন্ন রোগের যন্ত্রনা। ভুয়া ডাক্তার কর্তৃক চিকিৎসা সেবার নামে প্রতারণা করা হচ্ছে মানুষের সাথে, সেই সাথে কিছু ডাক্তারের ব্যবহার এতোটাই খারাপ যা কসাইদেরও হার মানাবে তারা। র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও জেলা-উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তাগণ মাঝে মধ্যে ২-৪জন ওষুধ ব্যবসায়ীকে আটক ও ভুয়া ডাক্তারকে গ্রেফতার করে জেল জরিমানা করলেও জেল জরিমানা ভোগ করেও তারা ভালো হচ্ছে না, কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না তাদের চিকিৎসার নামে প্রতারণা। পুরোপুরি ভাবে বন্ধ করা যাচ্ছে না চিকিৎসা সেবায় অনিয়ম দুর্নীতি। ভুয়া ডাক্তার ও ভেজাল ওষুধ দিয়ে অবাধে চলছে চিকিৎসা সেবার নামে নানারকম এইসব প্রতারণা।
সূত্রমতে জানা গেছে, বাংলাদেশে ভুয়া ডাক্তারের সংখ্যা প্রায় লক্ষাধিক। তারা রাজধানীসহ সারাদেশের বিভাগ, জেলা ও উপজেলা এবং থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে চিকিৎসা সেবার নামে প্রতারণা করছে। সেই সাথে অনুমোদনবিহীন ভেজাল ওষুধ রোগীদের কাছে বিক্রি করে সংশ্লিষ্টরা অবৈধভাবে অর্র্থ কামিয়ে বাড়ি গাড়ি করেছে, রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যাচ্ছে অনেকেই। অন্যদিকে নামী দামি কোম্পানীগুলো ওষুধের গায়ে মূল্য লিখছেন না। ওষুধের গায়ে মূল্য না থাকায় কৌশলে দাম বেশি নিচ্ছেন অনেক ওষুধ দোকানদার। সেই সাথে নকল ও ভেজাল ওষুধ বিক্রি করে লাখ লাখ টাকার কারবার করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। এক কথায় চিকিৎসা সেবার নামে অনিয়ম দুর্নীতির কারণে সরকারের বদনাম হচ্ছে। ভেজাল ওষুধে মানবদেহে রোগ ভালো না হয়ে আরও খারাপ পরিণতি হচ্ছে। বেশিরভাগ ওষুধ সেবন করে রোগ ভালো হচ্ছে না। রাস্তা-ঘাটে ও মুদি দোকানেও ওষুধ বিক্রি করতে দেখা যায়। ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করে অনেকেই ডাক্তার সেজে ওষুধের দোকান খুলে বসে চিকিৎসা করছে। যাদের ওষুধ সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই তারাও এখন কথিত ডাক্তার। এর কারণে চিকিৎসা সেবায় বেশি জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে বলে অনেকেই জানায়। শুধু সচেতনতার অভাবে মানুষের শরীর স্বাস্থ্য খারাপ হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
ঢাকার ধামরাই ও সাভার-আশুলিয়ায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তিন থানায় প্রায় ২০ হাজারের বেশি ওষুধের দোকান রয়েছে, তাদের অনেকেরই সঠিক কাগজপত্র নেই। অনেকের বৈধ কাগজপত্র থাকলেও তার মেয়াদ নেই। সেই সাথে ক্লিনিক ব্যবসায় বিভিন্ন টেস্টের নামে অবৈধ ভাবে ভোক্তাকে ঠকানো হচ্ছে। ব্যাঙের ছাতার মতো ওষুধের দোকান ও ক্লিনিক ব্যবসা জমজমাট ভাবে চলছে। সূত্র জানায়, ঢাকার প্রধান শিল্পা ল আশুলিয়ায় কিছু ক্লিনিক ও হাসপাতালে বাচ্চা নষ্ট করার সুকৌশল রয়েছে।
র্যাব জানায়, ভুয়া চিকিৎসক নিজেকে ডাক্তার হিসেবে উল্লেখ করে আসেন। রোগ বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি থাকার কথাও অনেক ব্যবস্থাপত্রে লিখেন এবং অনুমোদনহীন ভেজাল ওষুধ লিখে রোগীদের সাথে প্রতারণা করে। ক্লিনিক ও হাসপাতালের সামনে ওষুধ কোম্পানির গাড়ী-মটরসাইকেল দেখলে মনে হয় সেখানে মটরসাইকেলের বাজার লেগেছে। উক্ত ব্যাপারে রাজধানী ঢাকার ওষুধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক সৈকত কুমার বলেন, ভারতীয় নিষিদ্ধ ওষুধ জব্দ করাসহ নিয়মিত অভিযান চলছে। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Blog
-

সারাদেশে ভুয়া ডাক্তারের চিকিৎসা ও ভেজাল ওষুধ সেবন করে মানুষের রোগ ভালো হচ্ছে না
-

ইকরামুল হক টিটুতেই ভরসা ময়মনসিংহবাসির
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
আগামী ৯ই মার্চ ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্টিত হবে। ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে এই ভোট অনুষ্ঠিত হবে বলে গত সোমবার (২২ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের দেওয়া ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন। কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের আর মাত্র দেড় মাস বাকি।এরই মধ্যে বইতে শুরু করেছে নগরীতে নির্বাচনী হাওয়া।পাড়া মহল্লায় চলছে নির্বাচনী আলোচনা। সন্ত্রাস ও চাদাবাজ মুক্ত ময়মনসিংহ নগরীকে স্মার্ট ময়মনসিংহ নগরীতে রুপান্তরিত করতে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বর্তমান মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ইকরামুল হক টিটুতেই আস্থা ময়মনসিংহ নগরবাসীর।ইকরামুল হক টিটু ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র এবং ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি । তিনি সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র। এছাড়া ২০১৮ সালে তিনি ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রথম প্রশাসক এবং ২০০৯-২০১৮ সাল পর্যন্ত বিলুপ্ত পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু শিল্প সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে ঐতিহ্যমন্ডিত ময়মনসিংহ জেলার সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৭৬ সালের ০১ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মৃত আলহাজ্ব ফজলে হক, মাতা মৃত মানোয়ারা খাতুন এর পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনি সর্বকনিষ্ঠ। পেশায় একজন ব্যবসায়ী ও জনবান্ধব রাজনীতিবিদ। ইকরামুল হক টিটু তাঁর জীবদ্দশায় নানা ঘাত প্রতিঘাত মোকাবেলা করে আজ নিজেকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
ইকরামুল হক টিটু সবসময় বলে থাকেন, “হয়তো জনগনের সেবা করার জন্য তাকে মহান আল্লাহ তাকে এই দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন । ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান ইকরামুল হক টিটু অনেক উত্থান-পতন দেখেছেন। ঘাত-প্রতিঘাত এবং অতীত জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে বাস্তবতার মুখে নিজেকে তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন হয়ে উঠেছেন গণমানুষের একজন নেতা।
২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে দলীয় মনোনয়নে নির্বাচন করার সুযোগ পান এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। ইকরামুল হক টিটু থাকতে চান সব সময় জনতার কাতারে। তিনি বয়স্কদের যেমন সন্মান করেন তেমনি ছোটদের করেন স্নেহ। সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করে ইকরামুল হক টিটু যেমন সেখানে শুদ্ধি অভিযান চালিয়েছেন আবার তার কর্মকর্তা- কর্মচারী ও নাগরিকদের জন্য হয়েছেন মানবিকও।
তিনি পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বেতন বাড়িয়েছেন। অনিয়মিত সকল কর্মচারীর জন্য চালু করেছেন বোনাস। মাসের প্রথম সপ্তাহেই পরিশোধ করা হচ্ছে বেতন। চাকুরী শেষে অবসর যাওয়ার পর যাবতীয় সকল সুবিধা পাওয়ার স্বপ্ন কেউ কখনো দেখেননি। কিন্তু ইকরামুল হক টিটু অবসরে যাওয়া স্টাফকে একসাথে তাদের সকল পাওনা পরিশোধ করে দিয়ে মসিক এর ইতিহাসে নজির সৃষ্টি করেছেন। নবীন এই মেয়র সকলকে সাথে নিয়ে স্বপ্ন দেখেন আগামীর স্মার্ট ময়মনসিংহ নগরী গড়ার।
নগরীর সিনিয়র সিটিজেন ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের জন্য নগরভবনে একটি হেল্প ডেক্স চালু হয়েছে তার হাত ধরেই। ইকরামুল হক টিটু শিশুদের ভীষন পছন্দ করেন। শিশু বান্ধব নগরী গড়ার লক্ষ্যে তিনি কাজ করছেন। উৎসবের সময় নতুন পোশাক নিয়ে ছুটে যান এতিমখানাসহ দু:স্থ শিশু নিবাস কেন্দ্র গুলোতে। শিশুদের জন্য পার্ক সংস্কারের পাশাপাশি নগরীতে গড়ে তুলেছেন আরেকটি শিশু পার্ক। রয়েছে যুবকদের জন্যও বিনোদন সাংস্কৃতিকর ব্যবসা।
ঘোষনা দিয়েছেন নগরীর পাড়া মহল্লায় মিনি পার্ক নির্মাণের। তারই ধারাবাহিকতায় নগরীর সার্কিট হাউস সংলগ্ন জয়নুল আবেদীন পার্ক। তিনি প্রায়ই বলে থাকেন একজন বিবেকহীন শিক্ষিত লোকের চেয়ে একজন দেশপ্রেমিক অশিক্ষিত মুক্তিযোদ্ধা অনেক ভালো।আর সেকারনেই তিন মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি রক্ষার্থে নগরীর বিভিন্ন এলাকার বধ্যভূমি সংরক্ষন করেছেন। ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান ইকরামুল হক টিটু একজন মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে থাকতে চান।সস্তা জনপ্রিয়তা না তিনি নগরীর টেকসই উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন।
দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য নিবেদিত প্রান ইকরামুল হক টিটুর কাছে চিকিৎসা কিংবা সন্তানের পড়ালেখা ও বিয়ের জন্য অর্থ সহায়তা দিয়ে থাকেন প্রতিনিয়ত। করোনা কালীন সময়ে ইকরামুল হক টিটু নগরীর প্রতিটি ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন। নেতাকর্মীর আশা-ভরসারস্থল ইকরামুল হক টিটু ঘোষনা করেছেন প্রয়োজনে তিনি তাঁর সকল সম্পদ দিয়ে দেবেন দলীয় নেতাকর্মীদের জন্য। কিন্তু চিকিৎসার অভাবে একজন নেতা-কর্মীকেও মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিবেন না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নগরীর ২০নং ওয়ার্ডের ভোটার বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আব্দুল মোতালেব বলেন,বিএনপির ঘাটি হিসেবে পরিচিত ময়মনসিংহ আওয়ামী রাজনীতি সুসংগঠিত করেছেন ইকরামুল হক টিটু ভাই। তিনি তার আচরনের মাধ্যমে জয় করেছেন সকল শ্রেনীর মানুষের মন।
ময়মনসিংহ সিটির আওয়ামী রাজনীতির প্রান ফিরে এসেছে টিটু ভাইয়ের হাত ধরেই। তিনি একজন কর্মীবান্ধব নেতা, তিনি সব সময় জনগনের খোজ খবর রাখেন নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন করেন।
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন কে একটি দূর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলেছেন। এই শহরে কোন সন্ত্রাস নাই,কোন চাদাবাজ নাই , সিটি কর্পোরেশনে কোন দুর্নীতি নাই।করোনাকালীন সময়ে তিনি নগরবাসীর ঘরে ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন।এছাড়াও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগে তিনি সব সময় জনগনের পাশেই ছিলেন। আমার যে বিষয়টা ভালো লাগে তিনি নেতা কর্মীদের বাসায় গিয়ে খোজ খবর নেন বলেন জানিয়েছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।
ইকরামুল হক টিটু ময়মনসিংহ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আনন্দ মোহন কলেজ থেকে ১৯৯৫ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। কলেজ থেকেই তার রাজনৈতিক জীবন শুরু। মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর চেতনায় উদ্দীপ্ত ইকরামুল হক টিটু বর্তমানে ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও ইকরামুল হক বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহের সিন্ডিকেট সদস্য, মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতিসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।
পেশাগত জীবনে মেয়র ইকরামুল হক টিটু অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে পর্যটন, পরিবহন, আবাসন, জুটমিল, ফুয়েল পাম্প, কনস্ট্রাকশন ইত্যাদি খাতে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। তিনি বাংলাদেশ হোটেল এন্ড রিসোর্ট লিমিটেড, সী পার্ল বীচ রিসোর্ট এন্ড স্পা লিমিটেড, বেঙ্গল ভোকেশনাল ক্লাব, শামীম এন্টারপ্রাইজ-এর পরিচালক এবং মেসার্স ইকরামুল হক এর স্বত্ত্বাধিকারী।
পেশাগত ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বাইরেও বিভিন্ন সামাজিক, স্বেচ্ছাসেবী ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করছেন ইকরামুল হক টিটু । তিনি ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী পন্ডিতপাড়া ক্লাবের সভাপতি, প্রিমিয়ার আইডিয়াল স্কুলের পরিচালনা পর্যদের সভাপতি সহ অসংখ্য সামাজিক, স্বেচ্ছাসেবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সভাপতি বা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জনপ্রিয় মেয়র ইকরামুল হক টিটু এর সহধর্মিনী নাছিমা আক্তার মিলা ময়মনসিংহ ইউমেন্স চেম্বার অব কর্মাসের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার বড় ভাই জনাব মোঃ ইমদাদুল হক পেশায় একজন চিকিৎসক, মেজো ভাই আমিনুল হক শামীম (সিআইপি) ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই এর-সহ-সভাপতি এবং ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দুই বোনের মধ্যে ফরহাদ সুলতানা গৃহিনী এবং অন্যজন আনোয়ারা খাতুন অল্প বয়সে অসুস্থতা জনিত কারনে ইন্তেকাল করেন।
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব ইকরামুল হক টিটু নগরীকে একটি আধুনিক, বসবাসযোগ্য, সবুজ নগরী বিনির্মাণের নিরীখে সড়ক, ড্রেন, সড়ক বাতি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ, নাগরিক সেবা বৃদ্ধি এবং বঙ্গবন্ধুর চেতনায় সমৃদ্ধ প্রজন্ম বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছেন এবং আগামীতে এই ধারা অব্যাহত রাখতে চান।
-

তানোরে এমপি ফারুক চৌধুরীকে গণসংবর্ধনা
আলিফ হোসেন, তানোরঃ
তানোরে রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি সংসদী আসনে একটানা ৬ বার আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও একটানা চারবারের নির্বাচিত সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীকে গণসংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।
জানা গেছে, ২৩ জানুযারী মঙ্গলবার উপজেলার চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়ন (ইউপি), সরনজাই ইউনিয়ন (ইউপি) ও তালন্দ ইউনিয়নে (ইউপি) পৃথক পৃথকভাবে সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীকে গণসংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এসব গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহন আয়োজনকে প্রাণবন্ত করেছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন, সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন চাঁন্দুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, বাধাইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, সরনজাই ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক খাঁন ও তালন্দ ইউপি চেয়ারম্যান নাজিমুদ্দিন বাবুপ্রমুখ।
এদিন স্থানীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ একটানা পর পর চার সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় ওমর ফারুক চৌধুরীকে এবার মন্ত্রী সভায় স্থান দেবার দাবি তুলে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন
রাজশাহী-১ ভিআইপি এই সংসদীয়
আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী শহীদ পরিবারের সন্তান রাজনৈতিক
সহাবস্থানের প্রবর্তক, সৎ রাজনৈতিকের
প্রতিকৃতি ও বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী, জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামরুজ্জামান
হেনার দৌহিত্র (ভাগ্নে) গণমানুষের নেতা আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরীকে
মন্ত্রীসভায় দেখতে না পাওয়ায় এসব নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের হৃদয়ে রক্তক্ষরণের সূত্রপাত হয়েছে। এমপি ফারুককে আগামি দিনে মন্ত্রীসভায় দেখতে চাই, কেবলমাত্র মন্ত্রী সভায় স্থান দেয়া হলেই এসব নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের হৃদয়ে রক্ত ক্ষরণ প্রশমিত হবে। পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ, পারিবারিক ঐতিহ্য-সামাজিক মর্যাদা ও পরিচিতি, আর্থিক স্বচ্ছলতা, জনবল
বা কর্মীবাহিনী, রাজনৈতিক দূরদর্শীতা,
সাংগঠনিক দক্ষতা , আদর্শিক ও বিশ্বস্তত নেতৃত্ব হিসেবে এমপি ওমর ফারুক চৌধূরীর মন্ত্রীসভায় স্থান পাবার মতো সব যোগ্যতা ও সক্ষমতা রয়েছে।# -

তানোরে একদিন ব্যাপী ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগীতা
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) চন্দনকৌঠা গ্রামবাসীর উদ্যোগে একদিন ব্যাপী ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগীতা-২০২৪ আয়োজন করা হয়েছে।
জানা গেছে, ২৪ জানুয়ারী বুধবার চন্দনকৌঠা গ্রামবাসির উদ্যোগে এবং কলমা ইউপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) নাজিমুদ্দিন সরদারের সার্বিক সহযোগিতায় দরগাডাঙা মাঠে ঐতিহ্যবাহী ঘোড় দৌড় প্রতিযোগীতা আয়োজন করা হয়।
এদিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগীতা উপভোগ এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরণ করেন সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোদাগাড়ী উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুল সরকার। এছাড়াও আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।এদিকে এলাকার হাজার হাজার মানুষ ঘোড় দৌড় দেখতে সমবেত হয়।এমন নির্মল বিনোদনে এলাকার মানুষ মহাখুশি। তারা নিয়মিত ঘোড় দৌড়ের পাশাপাশি গ্রামীণ জনপদের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খেলা-ধুলা আয়জনের জন্য প্রধান অতিথির কাছে আবেদন জানান।#
-

বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় উপজেলা চেয়ারম্যানসহ আহত ১০
বরিশাল শহর প্রতিনিধিঃ বরিশালে বাস ও সরকারি জিপের মুখোমুখি সংঘর্ষে কলাপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান রাকিবুল আহসানসহ অন্তত ১০জন আহত হয়েছেন। বুধবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের সামনে কলাপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান রাকিবুল আহসানের গাড়ির সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা জিসান-আরিয়ান পরিবহনের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উপজেলা চেয়ারম্যানের জিপটি দুমড়-মুচড়ে যায়।
এ ব্যাপারে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. আবদুল কাইয়ুম জানান, বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের সামনে দুর্ঘটনাটি ঘটে। খবর পাওয়া মাত্রই আমি সেখানে উপস্থিত হই। দুর্ঘটনায় প্রাইভেটকারে থাকা কলাপাড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানসহ তার পরিবারের দুজন সদস্য এবং বাসে আমাদের এক শিক্ষার্থীসহ আরও সাতজন আহত হন।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আর মুকুল জানান, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে
-

ডাসারে অধ্যক্ষ দম্পতির অপসারনের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
কালকিনি ও ডাসার (মাদারীপুর) প্রতিনিধিঃ
মাদারীপুরের ডাসারে শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ দূর্লভ আনন্দ বাড়ৈ ও তার স্ত্রী চম্পা রানী মন্ডলের অপসারনের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
বুধবার(২৪ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় কলেজের সামনে এ বিক্ষোভ মানববন্ধন অভিবাবক ও এলাকাবাসি।সারেজমিন সূত্রে জানা যায়,মাদারীপুর উপজেলার শশিকর শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈ ও তার স্ত্রী সমাজকর্ম প্রভাষক চ্ম্পা রানী মন্ডলের বিরুদ্ধে বিধিবহির্ভূত ভাবে নিয়োগবানিজ্য,দুর্নীতি অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় তাদের এমপিও বাতিলের নির্দেশ প্রদান করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম
বিষয়টি কলেজের ছাত্র ছাত্রী, অভিবাবক ও এলাকাবাসীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভ সুষ্টি হয়। এতে কলেজের অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈ ও তার স্ত্রী সমাজকর্ম প্রভাষক চম্পা রানী মন্ডলের অপসারনের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন অভিবাবক ও এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ কলেজের সামনে ঘন্টা ব্যাপি বিক্ষোভ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।এসময় বিক্ষোভ মিছিলটি কলেজের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে বক্তব্য রাখেন, কবি দুলাল সরকার, মিন্টু লাল, সুজন মজুমদার, খোকন সরকার, জয়ন্ত কুমার হালদার প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন, আমাদের এই কলেজটি একটি স্বনামধন্য কলেজ ছিল। বর্তমান কলেজের অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈ এবং তার স্ত্রী চম্পা রানী কলেজের দূর্নীতি করে শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করেছেন।তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ইতিমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই।কলেজ থেকে তাদের দুজনকে বিদায় দেয়া হোক এবং দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়া অত্র কলেজের ম্যানেজিং কমিটির বাতিলের দাবি জানান।কালকিনি ও ডাসার (মাদারীপুর)
-

ময়মনসিংহ সিটির ২নং ওয়ার্ডকে ডিজিটাল ও স্মার্ট এলাকা গড়তে চান সাবেক ছাত্রনেতা বিল্লাল
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
আগামী ৯মার্চ ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি নিয়ে ইতিমধ্য তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ এর ৩৪ ধারা অনুযায়ী, সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে ভোটের আয়োজনকারী সাংবিধানিক সংস্থা ইসির।
এর আগে গত ২০১৯ সালের ৫মে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। দেশের দ্বাদশ সিটি করপোরেশন হিসাবে গেজেট প্রকাশের পাঁচ মাস পর এ নির্বাচন হয়। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মেয়র ও কাউন্সিলর পদে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নত্র জমার শেষ সময় ছিলো ৮ এপ্রিল; মনোনয়নপত্র বাছাই ১০ এপ্রিল ও প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ এপ্রিল। ভোট গ্রহন হয় ৫ মে। ‘নতুন এই সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচনে ১৩০টি কেন্দ্রের সবগুলোতে ইভিএমে (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) ভোটগ্রহণ করা হয়। এবারও ইভিএমে (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) আগামী ৯ মার্চ ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করে তফসিল ঘোষণা করেন সিইসি। তফসিল অনুযায়ী এবার ১৩ফেব্রুয়ারী মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ দিন, ১৫ ফেব্রুয়ারী মনোনয়নপত্র বাছাই, ১৬-১৮ ফেব্রুয়ারী রিটানিং অফিসার কর্তৃক বাছাই সিদ্বান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের,১৯-২০ ফেব্রুয়ারী আপিলে নিষ্পত্তি ও প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ফেব্রুয়ারী।
এদিকে নির্বাচন সামনে রেখে ইতোমধ্যেই তোড়জোড় শুরু করেছেন সম্ভাব্য ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীরা। প্রতিদিন উঠান বৈঠক ও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাওয়ার মধ্য দিয়ে রাতদিন গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন কাউন্সিলর প্রার্থীরা।
ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এর ২নং ওয়ার্ড এলাকাকে ডিজিটাল ও স্মার্ট ওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে চান সিটি করপোরেশন এর ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী সাবেক সাবেক ছাত্রনেতা, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক, জাতীয় সংসদের সাবেক বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এর বিশ্বস্ত আস্থাভাজন সাব্বির হোসেন বিল্লাল। বিগত পাঁচ বছরে অবহেলা ও সঠিক নেতৃত্বের অভাবে নাগরিক সুবিধাবঞ্চিত ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দারা। এবার নির্বাচিত হয়ে জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মরহুম হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আদর্শ বাস্তবায়নে তার স্বপ্নের সুখী সমৃদ্ধ এলাকা হিসাবে ২নং ওয়ার্ডকে উন্নয়নের মাধ্যমে এগিয়ে নিতে চান জাপার এই সাবেক ছাত্রনেতা। সেই লক্ষ নিয়ে ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসাবে এলাকায় নিয়মিত ভোটারদের কাছে ছুটছেন। দিচ্ছেন নানান ধরনের আশ্বাস ও প্রতিশ্রুতি। এর মধ্যে তিনি বেশ কয়েকটি উঠান বৈঠক ও সভা করেছেন। ভোটারদের কাছ থেকেও ভালো সাড়া পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
সাধারণ ভোটাররা বলছে, সাব্বির হোসেন বিল্লাল এর মতো তরুণ প্রার্থী হলে সাধারণ মানুষ স্বাগত জানাবে। তারা ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হিসেবে এমন ব্যক্তিকে চায় যার মধ্যে স্বজনপ্রীতি, ঘুষ-দুর্নীতি, অনিয়ম থাকবে না।
কাউন্সিলর প্রার্থী সাব্বির হোসেন বিল্লাল বলেন, আমি বিগত নির্বাচনেও এই ওয়ার্ডের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে ছিলাম। ভবিষ্যতেও পাশে থেকে কাজ করতে চাই। আমি নির্বাচিত হলে এই ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলব। সারা দেশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নয়নের যে জোয়ার বইছে সেই জোয়ারে সাথে ২ নং ওয়ার্ডকেও এগিয়ে নিতে চাই। যদি ২ নং ওয়ার্ডবাসী আমাকে সুযোগ প্রদান করে তাহলে আমি এই ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, স্মার্ট ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলব ইনশাআল্লাহ।
-

বিরামপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইনশৃংঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুজহাত তাসনীম আওনের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পৌর মেয়র আককাস আলী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুরাদ হোসেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান উম্মে কুলসুম বানু ও মেজবাউল ইসলাম, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার, দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি উপাধ্যক্ষ (অব:) শাহাজান আলী, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মেসবাউল হক, প্রেসক্লাব সভাপতি মোরশেদ মানিক, ইউপি চেয়ারম্যান ইউনুছ আলী, আবুল কালাম আজাদ, হুমায়ুন কবির বাদশা, পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরমান হোসেন, আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্য বাবু শীবেশ কুন্ডু, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর প্রধান, বিজিবি প্রতিনিধিসহ আইনশৃঙ্খলা কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ অংশ নেন।
সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা, বাল্যবিবাহ ও মাদকের ভয়াবহতা রোধসহ
আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।মো. জাকিরুল ইসলাম জাকির
বিরামপুর, দিনাজপুর। -

রাজারহাটে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
তারিখ :২৪:০১:২০২৪ইং।রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাবেরী রায়ের সভাপতিত্বে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় দিকনির্দেশনামুলক বক্তব্য রাখেন ২৬কু্ড়িগ্রাম দুই আসনের নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক খন্দকার।২৪ জানুয়ারি বুধবার বিকাল তিন ঘটিকায় অফিসার্স ক্লাবে রাজারহাট উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভূমি সহকারী কমিশনার এবিএম আরিফুল হক,উপজেলা স্বাস্থ্য প:প: কর্মকর্তা ডা:মো:মিজানুর রহমান,উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা:মো: মাহফুজুর রহমান,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রব,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুন্নাহার সাথী,সরকারি মীর ইসমাইল হোসেন কলেজের উপাধ্যক্ষ সাজেদুর মন্ডল চাঁদ,উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হৈমন্তী রানী,উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল ইসলাম,উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম,রাজারহাট থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,উপজেলা নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তা নীলুফা আক্তার, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার রায়,উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার মো:আরফানুল আলম,ওসি এলএসডি শরীফ আহমেদ, পিআইও মো: আসাদুজ্জামান,এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সোহেল রানা,উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোঃ মশিউর রহমান মন্ডল,উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা শাহ আলম সরকার,উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম লাভলু,উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপক জাহিদুল ইসলাম,উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার,উপসহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আবদুল্লাহ আল নোমান,উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা এটিএম রিয়াসাদ।
-

নড়াইলের এসপি মেহেদী হাসান’র প্রত্যক্ষ দিক নির্দেশনায় হারিয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধার প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি//
নড়াইলে হারিয়ে যাওয়া দশটি মোবাইল সিসিআইসি কর্তৃক উদ্ধার পূর্বক প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান প্রত্যক্ষ দিক নির্দেশনায় সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল (CCIC) উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলে কর্মরত চৌকস অফিসার এসআই (নিঃ) আলী হোসেন এবং এসআই (নিঃ) মোঃ ফিরোজ আহমেদসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নড়াইল জেলার ৪টি থানা এলাকায় হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় জানুয়ারি মাসে দশটি হারানো মোবাইল উদ্ধার করা হয়। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল কর্তৃক উদ্ধারকৃত বিভিন্ন মডেলের দশটি স্মার্ট ফোন জনাব তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার( ক্রাইম এন্ড অপস্) ও ফোকাল পয়েন্ট অফিসার, সিসিআইসি আনুষ্ঠানিকভাবে ভুক্তভোগীদের নিকট হস্তান্তর করেন।
এসময় হারানো মোবাইল ফোন ফেরত পেয়ে মালিকরা আনন্দে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। মোবাইল ফেরত পেয়ে ভুক্তভোগীরা বলেন, তারা মোবাইল পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন, পুলিশ তাদের মোবাইল উদ্ধার করে আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। তারা তাদের মোবাইল খোয়া গেলে নিকটস্থ থানায় ঘটনার বিষয়ে জিডি করে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, নড়াইল টিমের সাথে যোগাযোগ করেন। যার প্রেক্ষিতে তাদের হারানো মোবাইল উদ্বার করা হয়। তারা পুলিশ সুপার ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, নড়াইলে কর্মরত সদস্যদের কাজ ও আন্তরিকতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে আরোও উপস্থিত ছিলেন মোঃ ছাব্বিরুল আলম, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা, মোঃ শাহ্ দারা খান, সিসিআইসি সহ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, নড়াইলে কর্মরত পুলিশ সদস্যবৃন্দ।