Blog

  • ইটভাটার মালিকরা মানছে না কোনো আইন-ফসলি জমি থেকে মাটি কাটা ও পরিবেশ দূষণ

    ইটভাটার মালিকরা মানছে না কোনো আইন-ফসলি জমি থেকে মাটি কাটা ও পরিবেশ দূষণ

    হেলাল শেখঃ সারাদেশে সরকারি খাস জমি ও ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে নিচ্ছে ইটভাটার মালিকসহ প্রভাবশালীরা-এর কারণে দেশের ফসলি জমি কমে যাচ্ছে, আগামীতে খাদ্য সংকট হওয়ার আশঙ্কা করছেন সচেতন মহলসহ জনসাধারণ। একদিকে কয়লার পরিবর্তে গাছের কাঠ ব্যবহার করায় ইটভাটার কালো ধোঁয়ায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। অনেকেই জানান, ফলের গাছসহ ফসলি জমি নষ্ট করছেন যারা-তারা দেশ ও জাতির শক্র, তাই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা।
    বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি ২০২৪ইং) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের ভেকু নামক ইঞ্জিন চালিত মেশিন দিয়ে ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে নিচ্ছে অবৈধ ইটভাটার মালিকের লোকজন ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় গাজী খালসহ বিভিন্ন ফসলি জমির মাটি নিচ্ছে তারা। শুধু শিমুলিয়া নয়, ঢাকা জেলার আশপাশে সাভার, ধামরাই, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও আশুলিয়ায় কোনো ইটভাটার মালিক সরকারি আইনের তোয়াক্কা করছে না, তারা অবৈধভাবে ইটভাটা চালিয়ে যাচ্ছে। সূত্র জানায়, শুধু ধামরাইয়ে শতাধিক ইটভাটা রয়েছে, আশুলিয়া ও সাভারে অর্ধশতাধিক ইটভাটাসহ উল্লেখ্য এলাকায় প্রায় চার শতাধিক ইটভাটায় অবৈধভাবে চলছে।
    এ বিষয়ে শিমুলিয়া ইউপি সদস্য-২ মোঃ খলিলুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ফসলি জমিতে ফসল করতে প্রতি ১ বিঘায় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা লাগে, সেখানে মাটি বিক্রি করলে ৪০-৫০ হাজার টাকা পেয়ে থাকে জমির মালিকরা, তাই ফসল না করে মাটি বিক্রি করছে। তিনি আরও বলেন, শিমুলিয়ায় ৭টি ইটভাটা আছে, এই ইটভাটার মাটি কেটে নিচ্ছে তারা।
    আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম আজাহারুল আসলাম সুরুজ বলেন, তার এলাকায় মোট ৯টি ইটভাটা আছে, সবাই পরিবেশের ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করেছেন। তিনি আরও বলেন, ফসলি জমির মালিকরা মাটি বিক্রি করতে পারে কেউ যেন খাল থেকে মাটি কেটে না নিতে পারে সেজন্য ইউপি সদস্যদের বলে দেয়া হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের সাথে রাস্তার পাশে ইটভাটা স্থাপন করা কি সরকারি নিয়মের মধ্যে পড়ছে কি না জানতে চাইলে চেয়ারম্যান এ বিষয়ে এড়িয়ে যান।
    এর আগে পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং এন্ড এনফোর্সমেন্ট শাখা ও পরিবেশ অধিদপ্তর, ঢাকা জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ধামরাইয়ে এক দিনেই ১১টি ইটভাটাকে ৫২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পরিবেশ অধিদপ্ত, সদর দপ্তরের মনিটরিং এন্ড এনফোর্সমেন্ট উইংয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদের নেতৃত্বে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার আড়াল বাজার ও ধানদিয়া এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালতে ২০টি ইটভাটাকে সর্বমোট ৩৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে নির্বাহী কর্মকর্তা জানান।সারাদেশে এ অভিযান অব্যাহত আছে বলে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্মকর্তাগণ জানিয়েছেন। আমাদের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে খবর নিয়ে জানা গেছে, দেশের প্রায় এলাকায় ফসলি জমি ও সরকারি খাস জমি থেকে মাটি কেটে নিচ্ছে ইটভাটার মালিকসহ প্রভাবশালী মহল, এর কারণে ফসলি জমি কমে যাচ্ছে আর ফসল না হলে আগামীতে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।

  • সারাদেশে বেকার মানুষদের টার্গেট করে ডিজিটাল প্রতারক চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা

    সারাদেশে বেকার মানুষদের টার্গেট করে ডিজিটাল প্রতারক চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা

    হেলাল শেখঃ সারাদেশে বেকার মানুষদের টার্গেট করে ডিজিটাল প্রতারক চক্র বিভিন্ন ভাবে প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা, এক দুইজনকে পুলিশ ও র‌্যাব কর্তৃক আটক হলেও বাকি প্রতারকরা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে, যাদের আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়, কিছুদিন পর জামিনে এসে আবারও সেই প্রতারণামূলক কর্মকান্ড করে তারা।
    রাজধানীসহ ঢাকার সাভার আশুলিয়ায় ই-কর্মাসে ব্যবসায় বিনিয়োগের নামে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ অনলাইনে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতারক চক্র কর্তৃক পোশাক শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন কৌশলে সুন্দরী নারী ও পুরুষ লোকজনকে লোভ দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ ও কোটি কোটি টাকা। এইসব প্রতারক চক্রের প্রতিষ্ঠানের মালিকসহ দুই চার জনকে পুলিশ ও র‌্যাব গ্রেফতার করলেও তারা আদালত থেকে জামিনে এসে আবারও নতুন নতুন কৌশলে তাদের প্রতারণামূলক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
    জানা গেছে, এর আগে জাতীয় সেবা ‘৯৯৯’ নাম্বার থেকে ফোন পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ এর পাশে নরসিংহপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে জনতার সহযোগিতায় দুইজন প্রতারককে আটক করেন এবং আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে কারাগারে পাঠিয়ে হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো-মাদারীপুর জেলা সদর থানার পাঁচখোলা গ্রামের আলী হোসেন মৃধার ছেলে প্রতারক চক্রের মূলহোতা মোঃ ইলিয়াস মৃধা (৩৬), ঝালকাঠি জেলার সদর থানার দক্ষিণ মানকশা গ্রামের আব্দুল জলিল মিয়ার ছেলে মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৩২)। আশুলিয়া থানার মামলার আরও আসামী পলাতক রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন।
    পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামী ইলিয়াস মৃধা’র স্বাধীন ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অনলাইনে স্বাধীন ই-কমার্স নামে প্রতিষ্ঠান চালাতো কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানের বৈধ কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি গ্রেফতারকৃতরা। এই অনলাইন ডিজিটাল প্রতারক চক্রটি আশুলিয়ার সবচেয়ে বড় একটি পোশাক কারখানার প্রায় ৪০জন শ্রমিক কর্মচারিসহ বিভিন্ন সহজ সরল মানুষের কাছ থেকে প্রায় কোটি টাকা প্রতারণামূলক ভাবে হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। ভুক্তভোগীরা ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক ইলিয়াস মৃধার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করে। এরপর ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধ্যান করে জানতে পারেন যে, ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের পাশে ইলিয়াস ও তার লোকজনকে দেখা গেছে, এরপর প্রথমে তাদেরকে দেখে আটক করেন ভুক্তভোগীরা, এরপর থানায় মামলা করার জন্য অভিযোগ করেন তারা, এসময় প্রতারক ইলিয়াস মৃধা’র স্ত্রী মোছাঃ ফরিদা বেগম উল্টো জাতীয় সেবা ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে জানায় তার স্বামীকে অপহরণ করা হয়েছে। এ দিকে ভুক্তভোগীরা আশুলিয়া থানা পুলিশকে জানায় এবং অভিযোগ করার পরও পুলিশ ঘটনাস্থলে সময়মত না আসার কারণে তারাও ‘৯৯৯’ এ ফোন করে বিষয়টি জানায়, এ খবর পেয়েও যখন পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে না, এরপর ভুক্তভোগী একজন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারকে জানান, সেই সাথে র‌্যাব-১, র‌্যাব-৪ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাকে জানানো হয়। সেসময় আশুলিয়া থানার এসআই তামিম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে আসার পর ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ জলিল উদ্দিন ভুঁইয়া (রাজন) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং প্রতারকদেরকে থানায় নিতে পুলিশকে সহযোগিতা করেন।
    ভুক্তভোগী মোঃ সাজু মিয়া বলেন, একজনের মাধ্যমে তাদেরকে এখানে কয়েক ধাপে প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করায়। তারা বলেছিলো অনলাইনে ওষুধ বিক্রি করেন। তাদের নম্বর খুলে দেন প্রতিষ্ঠানের মালিক ইলিয়াস। তাদের একটি ওয়েবসাইট আছে বলে জানায়, এরপর একটি আইডি নম্বর খুলে দেন। তারা বিভিন্ন লোভ দেখায়, লাভের একটি অংশ প্রতিদিন আমার সেই অনলাইন আইডিতে জমা হবে বলেন। ভুক্তভোগীরা আরও জানায়, দীর্ঘদিন চলে গেলেও তাদের এইসব আইডিতে কোন টাকা পয়সা দেয় না। ভুক্তভোগীরা এই পরিস্থিতিতে বুঝতে পারেন যে, অনলাইন ডিজিটাল সাইট খুলে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে তারা। ভুক্তভোগীরা আরও জানায়, টাকা চাইতে গেলেই উল্টো হুমকি দামকি দেয় ইলিয়াস ও তার লোকজন। এরপর তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা করার জন্য লিখিত অভিযোগ করা হয়। এদিকে পুলিশের দাবী- এখন পর্যন্ত ২৪জন ভুক্তভোগীর সন্ধান পেয়েছি। যাদের কাছ থেকে প্রায় ৩৯ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে হিসাব পাওয়া গেছে। পুলিশ আরও জানায় যে, গ্রেফতারকৃত আসামীরা প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, সব মিলিয়ে ভুক্তভোগীদের প্রায় ৬০০জন বিনিয়োগকারী রয়েছে। তাদের কাছ থেকে প্রায় দুই কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে চক্রটি।
    জানা গেছে, সেসময় আশুলিয়া থানা পুলিশ গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযোগ পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে ওইদিন মঙ্গলবার রাত ১ টার দিকে দুইজনকে আটক করা হয়। এরপর তাদেরকে প্রতারণা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বুধবার সকালে দুইজকে আদালতে পাঠানো হয়। জানা গেছে, প্রতারণা করে প্রতিষ্ঠানের মালিক ইলিয়াস মৃধা আশুলিয়ার কাঠগড়া সরকার পাড়া এলাকায় জমি কিনে বাড়ি করে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে। ইলিয়াস ডেসটিনি’র কর্মকর্তা হিসেবে চাকুরি করেছেন, ডেসটিনি কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর সে এই টেনিং কাজে লাগাতে বিভিন্ন প্রতারণামূলক কর্মকান্ড শুরু করে। এইটা তার প্রতারণার একটি অংশ বলে স্বীকার করেছে পুলিশের কাছে। এই চক্রের সাথে আরও অনেকেই জড়িত আছে বলে সূত্র জানায়। অন্যদিকে ফেসবুকে একাধিক চক্র সুন্দরী নারীদের ছবি দিয়ে বিভিন্ন কৌশলে মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে মোটা অংকের অর্থ ফিটিংবাজি করে থাকে। সারা দেশে বেকার শিক্ষিত লোকজনকে টার্গেট করে বিভিন্ন চাকরির লোভ দেখিয়েও লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র। উক্ত প্রতিবেদন ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করা হবে।

  • রংপুর কর্তৃক সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনায় ৪২টি ক্লে-ব্রিকস (ইট) উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    রংপুর কর্তৃক সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনায় ৪২টি ক্লে-ব্রিকস (ইট) উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর কর্তৃক সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনায় ৪২টি ক্লে-ব্রিকস (ইট) উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরর জন্য আলামত জব্দ করা হয়েছে।

    অদ্য ২৫.০১.২০২৪ ইং তারিখে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর উদ্যোগে রংপুর, দিনাজপুর ও গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন এলাকায় একটি সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালিত হয়। উক্ত সার্ভিল্যান্স অভিযানে-

    ক) সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা করে মামলার জন্য আলামত জব্দ করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ঃ
    ১. মেসার্স অঘঐ ব্রিকস, মনাইল, খালাশপীর, রংপুর,
    ২. মেসার্স ঝজগ ব্রিকস, টুকুরিয়া, খালাশপীর, রংপুর
    ৩. মেসার্স অঝগ ব্রিকস, মাগুরা, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ৪. মেসার্স এমবি মোহাম্মদ ব্রিকস, রামপুর, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ৫. মেসার্স অঋঋ ব্রিকস, কপালদারা, বিনোদনগর, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ৬. মেসার্স অজগ ব্রিকস, বিনোদনগর, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ৭. মেসার্স গঋক ব্রিকস, জাদভবানীপুর, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ৮. মেসার্স এস এ ব্রিকস (ঝঅ), চকচান, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ৯. মেসার্স ঝগই ব্রিকস, চেরাগপুর, রঘুনাথপুর, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ১০. মেসার্স ডজঝ ব্রিকস, বড় রঘুনাথপুর, মিঠাপুকুর, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ১১. মেসার্স অগই ব্রিকস, হরিপুর, খলিশাগাড়ি, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ১২. মেসার্স জঅই ব্রিকস, হরিপুর, খলিশাগাড়ি, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ১৩. মেসার্স গগই ব্রিকস, চকদলু, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ১৪. মেসার্স গঐই ব্রিকস, চকদলু, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ১৫. মেসার্স ঞঐগ/ ঞগই ব্রিকস, রামভদ্রপুর, বিনোদপুর, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ১৬. মেসার্স অঙখ ব্রিকস, খলিশাগাড়ি, গোলাপগঞ্জ, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ১৭. মেসার্স জগঅ ব্রিকস, হরিপুর, খলিশাগাড়ি, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ১৮. মেসার্স হালিম ব্রিকস (গঐই), দোমাইল, দাউদপুর, চকদলু, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ১৯. জঊঅখ ব্রিকস, দোমাইল শালপাড়া, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ২০. মেসার্স জেড ব্রিকস, মালারপারা, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ২১. মেসার্স অ.ই ব্রিকস, মালারপাড়া, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ২২. মেসার্স গঅই ব্রিকস, বৈদার হাট, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ২৩. মেসার্স গজঝ ব্রিকস, মালারপাড়া কড়াইবিল, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর –
    ২৪. মেসার্স ঝজই ব্রিকস, হেয়াতপুর, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ২৫. মেসার্স গজঞ ব্রিকস, দারিয়া, নবাবগঞ্জ, চকদলু, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ২৬. মেসার্স মাছুম ব্রিকস ফিল্ড(গগই), তলব রশিদ, দরিয়া, চকদলু, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ২৭. মেসার্স ঋঞই ব্রিকস, হরিরামপুর, দাউদপুর, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ২৮. মেসার্স ঋঞই ব্রিকস-২ (জগঞই), হরিরামপুর, দাউদপুর, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
    ২৯. মেসার্স কই ব্রিকস, রঘুনাথপুর, হরিপাড়া, ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর
    ৩০. মেসার্স অঊঈ ব্রিকস, বুলাকীপুর (বিন্যাগাড়ী), ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর
    ৩১. মেসার্স কইগ ব্রিকস, হাটপাড়া, ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর
    ৩২. মেসার্স গজই ব্রিকস, বিন্যাগাড়ী, ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর
    ৩৩. মেসার্স ঐইগ ব্রিকস, বারপাকেরগড় (বইদর), ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর
    ৩৪. মেসার্স জতজই ব্রিকস, আবিরেরপাড়া, ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর
    ৩৫. মেসার্স ঝজই ব্রিকস, হাটপাড়া, ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর
    ৩৬. মেসার্স এইখ ব্রিকস, কাজীরবন, ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর
    ৩৭. মেসার্স অঊঈ ব্রিকস-২, বুলাকীপুর (বিন্যাগাড়ী), ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর
    ৩৮. মেসার্স ইঐঘ মার্কা ইট ভাটা, চম্পাতলী সাহেবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর
    ৩৯. মেসার্স ইঐই ব্রিকস, হিলালীপাড়া, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা
    ৪০. মেসার্স অঘই ব্রিকস, নাসিরাবাদ, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা
    ৪১. মেসার্স ঐজ ব্রিকস, কাটাবাজার, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা
    ৪২. মেসার্স প্রধান ব্রিকস (গচই) ব্রিকস, পশ্চিম ফুলহার, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা।

    বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুরের প্রকৌঃ মোঃ জাহিদুর রহমান, সহকারী পরিচালক (সিএম) এর নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচাললিত হয়। উক্ত অভিযানটিতে আরোও উপস্থিত ছিলেন প্রকৌঃ জুনায়েদ আহমেদ ও খন্দকার মোঃ জামিনুর রহমান, ফিল্ড অফিসার (সিএম)।

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

  • ঝিনাইদহে ৫টি প্রাইভেট হাসপাতাল ও  ক্লিনিকে অভিযান জরিমানা

    ঝিনাইদহে ৫টি প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিকে অভিযান জরিমানা

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিকে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের ৫টি প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিকে এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শরিফুল হক। সেসময় উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ র‌্যাব-৬ এর কোম্পানী কমান্ডার মেজর নাঈম আহমেদ ও র‌্যাবের সদস্যরা। অভিযান শেষে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, নি¤œমানের সেবা ও লাইসেন্স নাবায়ন না করা এমন বেশ কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়ায় ৪টি প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক পক্ষকে দ্রæত সময়ের মধ্যে লাইসেন্স নবায়ন ও স্বাস্থ্যসেবার মান বজায় রেখে হাসপাতাল ও ক্লিনিক পরিচালনার নিদের্শসহ সতর্ক করা হয়। আল-হেরা প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টি সেন্টার ১০ হাজার, লাইফ কেয়ার প্রাইভেট হাসপাতাল ২৫ হাজার, আল মদিনা ক্লিনিক ৩০ হাজার, হাবিবা প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টি ২৫ হাজার, মেসার্স মেডিসিন বক্স ফার্মেসী ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান ।

  • জমি বিক্রির টাকাই কাল হলো ছয়ফলের বাড়ির কাজের লোক ছিল ঘাতক

    জমি বিক্রির টাকাই কাল হলো ছয়ফলের বাড়ির কাজের লোক ছিল ঘাতক

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    হরিণাকুন্ডু উপজেলার তেলটুপি গ্রাম থেকে নিখোঁজ যুবক ছয়ফলের লাশ উদ্ধারের পর তার মৃত্যু রহস্য উদ্ধারে মাঠে নেমেছে পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ ধারণা করছে জমি বিক্রির টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্যই তাকে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার মধ্যরাতে হোসেনের গলিত লাশ কুষ্টিয়ার ঝাউদিয়া ইউনিয়নের বদ্দিনাথপুর গ্রামের শ্মাশান ঘাট থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ছয়ফল ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার তেলটুপি গ্রামের নিজাম উদ্দীনের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ মনিরুল ইসলাম ও মজনু নামে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ ও গ্রামবাসি জানায়, গ্রেফতারকৃত মনিরুল ছয়ফলের বাড়িতে কামলার কাজ করতো। নিখোঁজের দিন ছয়ফল ১৪ শতক জমি বিক্রি করেন। মনিরুল এই টাকা লেনদেনের কথা জানতো। ছয়ফল বাড়ি ফেরার আগেই ঘাতক মনিরুল মোবাইলে তাকে কৌশলে ঝাউদিয়া বাজারে ডেকে নেয়। তার ধারণা ছিল ছয়ফলের কাছে জমি বিক্রির টাকা ছিল। তারপর থেকেই নিখোঁজ হন ছয়ফল। হরিণাকুন্ডু থানার ওসি জিয়াউর রহমান জানান গ্রেওফতারকৃত মনিরুলের বাড়ি কুষ্টিয়ার ইবি থনার আস্তানগর গ্রামে। অন্যদিকে মজনুর বাড়ি একই উপজেলার ক্ষুদ্র আইলচারা গ্রামে। তারা এই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তেলটুপি গ্রামের আলাল উদ্দীন জানান, নিহত ছয়ফল হোসেন কোন সামাজিক বা রাজনৈতিক দল করতেন না। সাধারণ কৃষক ছিলেন। ২০২৩ সালের ১৫ নভেম্বর কুষ্টিয়ার ঝাউদিয়া বাজারে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বের হন। সেই থেকে আগে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় ১৭ নভেম্বর তার ভাই নয়ফল হোসেন থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। জিডির সুত্র ধরে হরিণাকুন্ডু থানার পুলিশ বুধবার রাতে ছয়ফলের লাশের সন্ধান পান। তিনি আরো জানান, জমি বিক্রির টাকা হাতিয়ে নিতেই তারই বাড়ির কাজের লোক মনিরুল তাকে হত্যা করেছে বলে গ্রামবাসি মনে করছে। হরিণাকুÐু থানার ওসি মো. জিয়াউর রহমান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল সেটের সুত্র ধরে কুষ্টিয়ার বদ্দিনাথপুর শ্মশান থেকে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় তার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। এদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল থেকে ময়না তদন্ত শেষে ছয়ফলের লাশ তেলটুপি গ্রামে পৌছালে হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। স্বজনরা শোকে বার বার মুর্ছা যাচ্ছিল। রাতে পারিবারিক গোরস্থাণে তার লাশ দাফন করা হয়।

  • স্বরূপকাঠিতে পাচার করার সময় দুইটি  ফিসিং বোটসহ কোটি টাকা মুল্যের  সুপারি আটক গ্রেফতার ৩

    স্বরূপকাঠিতে পাচার করার সময় দুইটি ফিসিং বোটসহ কোটি টাকা মুল্যের সুপারি আটক গ্রেফতার ৩

    আনোয়ার হোসেন,
    স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
    স্বরূপকাঠিতে দুইটি ফিসিং বোটে করে পাচারের সময় এক হাজার ৮০ বস্তা শুকনা সুপারি আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি আটককৃত সুপারির আনুমানিক মুল্য দেড় কোটি টাকা। বুধবার রাতে বিনাকপুর সংলগ্ন সন্ধ্যা নদী থেকে দুইটি ফিসিং বোটসহ তিন জনকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন মঠবাড়িয়া উপজেলার জানখালী গ্রামের সেকেন্দার আলীর পুত্র হারুন হাওলাদার,তুসখালী গ্রামের খালেক হাওলাদারের পুত্র অলি হাওলাদার ও লক্ষ্মিপুর জেলার রামগতি থানার চরলক্ষ্মীপুর গ্রামের ফয়জুল হকের পুত্র নুরনবী। এ ঘটনায় এস আই আসাদুজ্জামান পঞ্চায়েত বাদী হয়ে আটককৃত তিনজনসহ চারজনকে আসামি করে অবৈধভাবে পাচারের অভিযোগে থানায় মামলা রেকর্ড করা হয় । মামলা সুত্রে জানাগেছে সাগরে মাছ ধরার বৃহৎ দুটি ফিসিং বোট পাটাতনের নিচে ১০৮০ বস্তা সুপারি বোঝাই করে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে রাজবাড়ি সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীতে নোঙর করেছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে টাডি সুপারি বোঝাই বোট দুইটি থানায় নিয়ে আসেন। এ সময় বোটে থাকা তিনজনকে আটক করতে পারলেও পাচারের মুলহোতা তুসখালী বাজারের শাহজাহান হাওলাদার নামে একজন পালিয়ে যায়। পুলিশ সুপারি ও ফিসিংবোটসহ প্রায় পৌনে তিন কোটি টাকার মালামাল জব্দ তালিকায় দেখিয়েছেন। নেছারাবাদ স্বরূপকাঠি থানার ওসি মো, গোলাম ছরোয়ার বলেন, প্রায় দেড় কোটি টাকা মুল্যের এসব সুপারি সাগর পথে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

  • তিনতলা থেকে পড়ে গিয়ে আহত ববি শিক্ষার্থী

    তিনতলা থেকে পড়ে গিয়ে আহত ববি শিক্ষার্থী

    নাসির উদ্দিন,
    বরিশাল শহর প্রতিনিধিঃ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) একটি ভবনের তৃতীয় তলা থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন জান্নাতুল ফেরদৌস নামে এক শিক্ষার্থী। তাকে উদ্ধার করে নগরীর শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এতে তার ডান পা, দুই হাত এবং ঘাড় গুরুতরভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

    বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে (রেজিস্ট্রার বিল্ডিং) এ ঘটনা ঘটে।

    আহত শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস ইংরেজি বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রশাসনিক ভবনের তিন তলার রেলিংয়ে বসে পড়ার সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান তিনি

    বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. আবদুল কাইয়ুম বলেন, প্রশাসনিক ভবনের তৃতীয় তলার রেলিংয়ে বসে পড়ালেখা করার সময় অসাবধানতাবশত এক শিক্ষার্থী নিচে পড়ে গেছে। তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে এসেছি আমরা। এছাড়া সবাইকে নির্দেশনা দিয়ে দিচ্ছি যেন কেউ অযথা বহুতল ভবনের রেলিংয়ের পাশে অবস্থান না করে এবং সাবধানতার সঙ্গে চলাফেরা করে।

    ভবনের রেলিংগুলোকে সুরক্ষিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ভবনগুলোর রেলিং আরও সুরক্ষিত করার জন্য আজই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এরইমধ্যে প্রকৌশল শাখাকে যথাযথ নির্দেশনা দিয়েছেন উপাচার্য স্যার। একইসঙ্গে আহত শিক্ষার্থীর সুচিকিৎসার ব্যাপারে খোঁজ খবর নিচ্ছি আমরা।

  • গোদাগাড়ী উপজেলায় আওয়ামীলীগের  মনোনয়ন প্রত্যাশী ৭ জন – কেউ ছাড় দিতে নারাজ

    গোদাগাড়ী উপজেলায় আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ৭ জন – কেউ ছাড় দিতে নারাজ

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী থেকেঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন শেষ হতে না হতেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে বেশ তোড়জোড় শুরু হয়েছে। বিএনপি জামায়াত এ অবৈধ সরকারের অধীনে কোন নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবেন না বলে ঘোষনা দিয়েছেন। কেউ করলে তার বিরুদ্ধে দলীয় সংবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানান দলীয় নীতিনির্ধারকগন। বিএনপি জামায়াতের বিন্দু মাত্র আগ্রহ নেই আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে।

    নির্বাচন কমিশন থেকে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহের দিকেই ঘোষণা করা হতে পারে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল।

    এই নির্বাচন ঘিরেই গোটা রাজশাহীজুড়ে বিভিন্ন উপজেলায় শুরু হয়ে গেছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা। বর্তমান চেয়ারম্যানরা দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে জনসভা, গনসংযোগ শুরু করেছেন । আবার নতুন চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিভিন্ন জায়গায় সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগ করে জানান দিচ্ছেন তাদের নির্বাচন করার কথা। বর্তমান এবং নতুনরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তুলে ধরছেন বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ছাড়া অন্য কোন দলের পক্ষ থেকে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন করার মনোভাব দেখা যায়নি। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচন করবেন। আবার এই দলের নেতাকর্মীরা সংসদ নির্বাচনের মত ডামি প্রার্থী / স্বতন্ত্র বা বিরোধী হয়ে ভোটের মাঠে লাড়াই করবেন বলে আভাস পাওয়া গেছে। তবে আওয়ামী লীগের নেতারা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক রাখবেন কিনা তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তবে দলীয় প্রতীক থাকবে এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানান। দলীয় প্রতীক থাক আর না থাক আওয়ামীলীগের সাথে আওয়ামীলীগের সাথে আওয়ামীলীগের নির্বাচনে ভোটারদেরও আগ্রহ নেই। মানুষ নির্বাচন নিয়ে যেন কোন চিন্তাভাবনা করছরন না।

    এবার গোদাগাড়ী উপজেলায় বর্তমান চেয়ারম্যানসহ মোট ৭ জন প্রার্থী রয়েছেন। তারা সকলেই আওয়ামী লীগের নেতা। বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ২০১৯ সালে নৌকা প্রতীক পেয়ে নির্বাচন করে বিজয়ী হন। সে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহঃ সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

    অন্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান। গতবার মনোনয়ন থেকে ছিটকে পড়লে বিদ্রোহী হয়ে ভোট করে পরাজিত হন। এর পর স্থানীয় এমপির কাছ থেকে দূরে সরে যায়। দলীয় কর্মকান্ড থেকেও সে সরে দাড়ায়। পরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হলে সেখান থেকেই সে দূরে থাকে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ওমর ফরুক চৌধুরীর সাথে খুব ঘুরাঘুরি করছেন। তিনিও মনোনায়ন চাইবেন।

    এছাড়াও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল মালেক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও গোগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুনন্দন দাস রতন। তিনি কাস্টমস গেয়েন্দা সংস্থার সহকারি পরিচালক ছিলেন। তিনি গত কয়েক বছর থেকে ৯ টি ইউপি, ২ টি পৌরসভায় গরীব, অসহায়, মানুষের মাঝে সহযৌগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তরুন সমাজকে মাদক না বলে খেলার মাঠে ফিরিয়ে আনার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করেছেন। তিনি উপজেলার চেয়ারম্যান প্রাথী হিসেবে নির্বাচন করবেন বলে ঘোষনা করছেন।

    ২০২১ সালে অবসর গ্রহণ করার পর রাজনীতির মাঠে সরব হন। ১৯৮০ সালের দিকে প্রেমতলী ডিগ্রী কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও উপজেলা যুবলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বেলাল উদ্দিন সোহেল চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোট করার ঘোষণা দিয়েছেন।

    এমপির অনুসারী হিসেবে পরিচিত উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বলেন, নির্বাচন করার প্রাত্যাশা করতেই পারি তবে এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর নির্দেশনার বাইরে গিয়ে নির্বাচন করবেন না। তিনি যেভাবে চাইবেন সেই ভাবেই তারা নির্বাচন করবে বলে জানান।

    বর্তমান চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমি যেহেতু নৌকার প্রার্থী হয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান আছি তাই মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপরে শতভাগ আশাবাদি। আমি জনগনের কাছে গিয়ে ভোট চাইছি। এছাড়াও গত নির্বাচনের যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম সেসব শতভাগ বাস্তাবায়ন না হলেও কম উন্নয়ন হয়নি। আগমীদিনে আবারও সুযোগ পেলে এই এলাকার উন্নয়ন শতভাগ বাস্তাবায়ন করবেন বলে জানান। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, যুবরাজ খ্যাত চেয়ারম্যান অনুসারীদের নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন গণ সংযোগ। ফেসবুকে ছবি পোষ্ট করছেন তার সমর্থিত নেতাকমীগণ।

    নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল সালাম শাওয়াল বলেন, এই অবৈধ সরকারের অধীনে কোন নির্বাচনেই বিএনপি অংশগ্রহণ করবেনা বলে সিদ্ধান্ত হয়ে আছে। তাই আমাদের কোন নেতাকর্মী নির্বাচন করার প্রশ্নই আসেনা। করলে সংগঠন অনুযায়ী ব্যবস্থা।

    রাজশাহী জেলা পশ্চিম জামায়াতের আমির গোদাগাড়ী মাটিকাটা ডিগ্রী কলেজের সহকারি অধ্যাপক আব্দুল খালেক জানান, নীতিগত ও দলীয় ভাবে জামায়াতের পক্ষ থেকে এই অবৈধ জুলুমবাজ সরকারের অধীনে কোন নির্বাচন না করার সিন্ধান্ত বহাল আছে। তাই এখনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি বলা যাচ্ছে না।

    এদিকে গোদাগাড়ী উপজেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক বরজাহান আলী পিন্টু বলেন, আমাদের দলীয় সভা হবে সেই সভায় কি সিদ্ধান্ত হয় তারপর বলা যাবে কে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হবেন নাকি হবেন না।

    আওয়ামীলীগ দলীয় যে প্রাথী হউক না কেন স্বতন্ত্র / ড্যামি কিংবা বিদ্রোহী প্রার্থী না হলে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আনা কষ্ঠকর হবে বলে সচেতন মহল মনে করেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • নড়াইলে এসপি মেহেদী হাসান’র কাছ থেকে  পুরস্কার গ্রহণ করছেন শ্রেষ্ঠ এ এস আই নির্বাচিত মাহফুজুর রহমান

    নড়াইলে এসপি মেহেদী হাসান’র কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করছেন শ্রেষ্ঠ এ এস আই নির্বাচিত মাহফুজুর রহমান

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে//
    নড়াইলে এসপি মেহেদী হাসান’র কাছ থেকে
    পুরস্কার গ্রহণ করছেন। শ্রেষ্ঠ এ এস আই নির্বাচিত মাহফুজুর রহমান। নড়াইলে মাদক উদ্ধারে শ্রেষ্ঠ এ এস আই নির্বাচিত মাহফুজুর রহমান। (ডিসেম্বর /২৩ মাসের) উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, নড়াইল জেলার মাদক উদ্ধার কারী শ্রেষ্ঠ এ এস আই নির্বাচিত হওয়ায় ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার,মোহাঃ মেহেদী হাসান’র হাত থেকে বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) এ এস আই নির্বাচিত মাহফুজুর রহমান পুরস্কার গ্রহণ করে। এ এস আই নির্বাচিত মাহফুজুর রহমান বলেন, এই পুরস্কার পাওয়ার পিছনে সবই অবদান আমার টিমের সহযোদ্ধাদের সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থাকবে সব সময়,সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আগামী দিনগুলোতে যেন এর থেকে আরো ভালো কাজ করতে পারি।

  • চোরের উৎপাতে অতিষ্ঠ বাবুগঞ্জবাসি

    চোরের উৎপাতে অতিষ্ঠ বাবুগঞ্জবাসি

    মো.নাসির উদ্দিন,

    বরিশাল শহর প্রতিনিধিঃ প্রতিনিয়ত চোরের উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দারা। প্রতি রাতেই উপজেলার কোথাও না কোথাও ঘরে, দোকানে গরুসহ বিভিন্ন চুরির ঘটনা ঘটছে। লাগামহীন চুরির ঘটনায় দিশাহারা হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। থানায় অভিযোগ করেও মিলছে না কোনো প্রতিকার। চোরের উৎপাতে অতিষ্ঠ খোদ প্রশাসনও।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সম্প্রতি ডরমিটরি ভবন থেকে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলীর মোটরসাইকেল উধাও, উপজেলা অডিটোরিয়াম থেকে খুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ১৭টি ফ্যান, উপজেলা পরিষদ চত্বরের মধ্যেই নেই চারটি টিউবওয়েলের মাথা, এমনকি গ্রিল খুলে নেওয়া হয়েছে ইউএনওর বাসভবন থেকে। সর্বশেষ সোমবার (২২ জানুয়ারি) রাতে উপজেলা কোর্ট বিল্ডিং থেকে খুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে লোহার গ্রিল। প্রশাসনের নাকের ডগায় খোদ উপজেলা পরিষদ চত্বরে গত চার মাসে ১৮টি চুরির ঘটনা ঘটলেও একটি ঘটনায়ও চোর শনাক্ত কিংবা মালপত্র উদ্ধার হয়নি।

    অপ্রতিরোধ্য এসব চুরির ঘটনায় মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) বাবুগঞ্জ উপজেলার আইনশৃঙ্খলা ও সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ইউএনও। প্রায় এক ঘণ্টার ওই সভার পুরোটা সময় ছিল চুরি সংক্রান্ত আলোচনা। এ সময় বিভিন্ন বক্তা লাগাতার এসব চুরির ঘটনায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার তীব্র সমালোচনা করে বক্তব্য দেন।

    উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আবদুল করিম হাওলাদার জানান, এলাকার চিহ্নিত চোর-বাটপার আর মাদকসেবীদের সঙ্গেই প্রশাসনের দহরম-মহরম সম্পর্ক। টহল কিংবা চুরির তদন্তে এসে চোরের সঙ্গেই চা খায় পুলিশ। ফলে প্রশাসনের প্রতি আস্থা হারাচ্ছে মানুষ।