Blog

  • পাইকগাছায় পাখি সংরক্ষণে মাঠসভা ও গাছে পাখির বাসা স্থাপন

    পাইকগাছায় পাখি সংরক্ষণে মাঠসভা ও গাছে পাখির বাসা স্থাপন

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা)॥
    পাইকগাছায় পাখি সংরক্ষণে গণসচেতনতামূলক মাঠসভা ও গাছে পাখির বাসা স্থাপন করা হয়েছে। ২৬ জানুয়ারি শুক্রবার সকালে পাইকগাছার ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বাজার খোলা ও নতুন বাজার এলাকায় পাখি সংরক্ষণে গণসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে পাখি শিকার রোধে উদ্বুদ্ধকরণ মাঠসভা ও গাছে পাখির বাসা স্থাপন করা হয়। স্থানীয় পরিবেশবাদী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বনবিবি’র উদ্যেগে পাখি বাসার জন্য গাছে মাটির পাত্র স্থাপন ও সচেতনতামূলক মাঠ সভায় সভাপতিত্ব করেন,বনবিবি’র সভাপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান। গাছে পাখির বাসা স্থাপন করার সময় উপস্থিত ছিলেন,পরিবেশ কর্মি গনেশ দাস, আব্দুল বারিক, কওছার আলী, রোজী সিদ্দিকী, রাবেয়া আক্তার মলি, গৌতম ভদ্র, মনিরা আহমেদ, অর্থি সরকার,শাহিনুর রহমান, দিবাশীস সাধু প্রমুখ।বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বাংলাদেশ সরকার বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ পাস করেছে। এ আইনে পাখি শিকার, হত্যা, আটক ও কেনা বেচা দন্ডনীয় অপরাধ।পাখি হত্যা করলে যার সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছর কারাদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা জরিমানা।
    উল্লেখ্য, পাখি বাঁচাও, প্রকৃতি বাঁচাও এ শ্লোগানকে সামনে রেখে পাখির নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিতের লক্ষে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বনবিবি উপজেলায় ২০১৬ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে। পাখির অভয়ারণ্য তৈরির লক্ষে পাখির সুরক্ষা, নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিতের জন্য উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়ানে গাছে গাছে পাখির বাসার জন্য মাটির পাত্র, ঝুড়ি, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতারণ, উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও বিলবোর্ড স্থাপন কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন গাছে প্রায় ১৬শত মাটির পাত্র ও কাঠ-টিনের তৈরি বাসা স্থাপন করা হয়েছে।পাখি সংরক্ষণে গণসচেতনতামূলক মাঠ সভায় বক্তারা পরিবেশ সুরক্ষায় পাখির নিরাপদ বিচারণক্ষেত্র তৈরি করতে সকলকে সহযোগীতা করার আহবান জানান।

  • আশুলিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী, ছেলে পুলিশ ও এসএসসির পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা!

    আশুলিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী, ছেলে পুলিশ ও এসএসসির পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা!

    হেলাল শেখ,
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকা জেলার আশুলিয়ার ইয়ারপুর গ্রামের প্রবাসী হযরত আলী’র স্ত্রীকে প্রকাশ্যে গালিগালাজ করে দিবালোকে বাড়ি ঘর ভাংচুরের ঘটনার পর জমি দখলের চেষ্টা স্থানীয় মোল্লা নাজিম উদ্দিন (৪১) এর বিরুদ্ধে। প্রবাসীর স্ত্রী মোছাঃ ইয়াসমিন (৪১) ও বড় ছেলে পুলিশ সদস্য আলামিন (২২) এর বয়স ২৫ দিয়ে এবং ছোট ছেলে এসএসসির পরীক্ষার্থী আশরাফুল (১৬) এর বয়স ২০ দিয়ে উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়েছে নাজিম মোল্লা। সূত্রঃ সি. আর. মামলা নং ৮৩২/২০২৩। ধারাঃ ১৪৩/৪৪৭/ ১০৯/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৭৯/৫০৬। সরেজমিনে এলাকাবাসী অনেকেই বলেন, নাজিম মোল্লা মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে মামলা করেছে, আসল কাহিনী হলো একটি জমি দখল।
    শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি ২০২৪ইং) আশুলিয়ার ইয়ারপুরের হযরত আলী প্রবাসীর ছেলে পুলিশ সদস্য আলামিন ও এসএসসির পরীক্ষার্থী আশরাফুল ইসলামের মা ইয়াছমিন গণমাধ্যমকে বলেন, আশুলিয়ার “ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মোশারফ হোসেন মুসা’র ভাই নাজিম উদ্দিন মোল্লা নাজি (৪১) পিতা- মৃত মান্নান মোল্লা। এই নাজিম আমাদের বাড়ি ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে আমাদের উপর হামলা চালায় এবং মারপিট করেছে। আমার স্বামী বিদেশ থাকে প্রবাসীর স্ত্রী আমি, আমার বড় ছেলে আলামিন পুলিশ সদস্য ডিউটিরত অবস্থায় এবং ছোট ছেলে আশরাফুল নাবালক ছেছে এসএসসির পরীক্ষার্থী, আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে, সেই সাথে আমাদের সম্মানহানী করছে, আমরা এই মামলার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, এ বিষয়ে সঠিক তদন্ত দাবী করছি, দোষীদের আটক করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবী করছি।
    ভুক্তভোগী ইয়াসমিন আরও বলেন, এর আগে নাজিম ও মিয়াজ উদ্দিন, পিতা-মৃত কিতাব আলী এবং আব্দুল জলিল (৫০), পিতা-মৃত আঃ জব্বার, সর্ব সাং-ইয়ারপুর, থানা-আশুলিয়া, জেলা ঢাকাগণ একটি জমিতে প্রায় ৪০ বছর ধরে বসবাস করছি, দলিলের নাম্বার ভুল করায় সেই জমি অবৈধভাবে দখলের পায়তারা করিতেছে তারা, আমরা বাধা দেয়ায় তারা আমাদের জমি দখল করতে পারে নাই শুধ দেউয়াল তৈরি করেছে, গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ইং দুপুরে নাজিম ও তার লোকজন আমাকে খারাপ ভাষায় অনেক গালিগালাজ করে মামলার ভয় ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে, তারা আমাকে মেরে লাশ গুম করে ফেলবে, আমার প্রশ্ন: আদালতে মামলা চলাকালে জমি দখল করা ও আমাকে হুমকি দেয়া কি অপরাধ নয়, তাই যদি হয় আমি এর সঠিক বিচার চাই। এর আগে গত (৫ এপ্রিল ২০২৩ইং) সকাল ১০টার দিকে আমাকে বিভিন্ন হুমকি প্রদান করে মামলার আসামীরা, এর পরের দিন (৬ এপ্রিল ২০২৩ইং) উল্লেখ্য, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যুরা গায়ের জোরে যা ইচ্ছা তাই করে, আইন কানুনের কোনো তোয়াক্কা করেনা তারা, উক্ত বিরোধের জের ধরিয়া অদ্য ইং গত ০৬/০৪/২০২৩ইং তারিখ দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে উল্লেখিত বিবাদী আসামীগণ তাহাদের সঙ্গে আরো ১০-১২ জন সন্ত্রাসী সহযোগীসহ দা, শাবল,হাতুরী, লোহার রড ইত্যাদি অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হইয়া আমাদের বাড়িতে প্রবেশ করিয়া বাড়ির পূর্ব ভিটিতে থাকা তিন রুম বিশিষ্ট ওয়াল কাম টিনশেড বিল্ডিং ভাংচুর করে। এতে আমার অনুমান ১,৫০,০০০/ টাকার ক্ষতি সাধন করেছে। তখন আমি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করিলে ১নং বিবাদী আসামী নাজিম উদ্দিন মোল্লা নাজি আমাকে চুল ধরিয়া মাটিতে ফেলিয়া আমাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারিয়া আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা,ফুলা জখম করে, আমি তার মারধর ঠেকাইতে গেলে তার মুখে আঘাত পেয়েছে, এটা প্রমানিত। বিবাদী আসামী আঃ জলিল আমার ঘরে থাকা আলমারী হইতে নগদ-৭০ হাজার টাকা এবং বিবাদী আসামী মিয়াজ উদ্দিন আমার আলমারী হইতে অনুমান ০২ ভরি ওজনের বিদেশী স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে, যাহার মূল্য অনুমান ১লক্ষ ৫০ হাজার টাকার বেশি হবে। বিবাদী আসামিরা আমার ঘরের বারান্দার গ্রীল ভাঙ্গীয়া নিয়া গিয়েছে, যাহার মূল্য অনুমান ২৫,০০০/ টাকা। আমাদের ডাক চিৎকার শুনিয়া আশে-পাশের লোকজন আগাইয়া আসিতে থাকিলে বিবাদী আসামিরা যাওয়ার সময় এই বলিয়া হুমকি দিয়া গিয়াছে যে, তাহারা যেকোনো সময় আমাদের জমি, বাড়ি ঘর দখল করিয়া নিবে এবং উল্টো মামলা দিবে। তাহাদেরকে বাধা দিলে আমাকে ও আমার পুত্র ছেলেদেরকে খুন করিয়া ফেলিবে। তিনি আরও বলেন, আমার এক ছেলে আল-আমিন বাংলাদেশ পুলিশের একজন সদস্য, সে মিরপুরে ডিএমপিতে চাকরিরত আছে। আমার ছোট ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী, দুই ছেলের কিছু হলে এর জন্য দায়ি থাকিবে উক্ত আসামীরা। এই ঘটনায় আমার পরিবারের লোকজন বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি এর সঠিক বিচার চাই এবং পুলিশ ও র‌্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করছি, দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। তিনি আরো বলেন, এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা না নিয়ে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেন, তাই ঢাকা ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্টে মামলা দায়ের করেছি, মামলা নং ৬০/২০২৩।
    অন্য এক অভিযোগকারী সাদিয়া আক্তার শিল্পী (২১), পিতা মোঃ মোকছেদ আলী, সাং-ইয়ারপুর, থানা আশুলিয়া, জেলা ঢাকা বলেন, বিবাদী ১। আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে নৌকা মার্কা প্রার্থী ছিলেন মোল্লা মোশারফ হোসেন মুসা’র ভাই মোঃ নাজিম উদ্দিন মোল্লা (৪০), পিতা-মৃত মুন্নু মোল্লা, আরো ১০-১২ জন বিবাদীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি যে, আশুলিয়া থানাধীন মনসন্তোষ মৌজাস্থ জমি যাহার সি এস ২১০, আর এস ৪৬০, ৪৬২, বি আর এস ৭৬৫৭, ৭৬৫৮, দাগে আমাদের জমির পরিমাণ ২৪ শতাংশ ইহার কাতে ২৪শতাংশ জমি বিগত ১৯৮৬ সাল হইতে আমরা ক্রয় সূত্রে মালিক হইয়া উক্ত জমিতে বাড়ি ঘর নির্মাণ করে বসবাস করিয়া আসিতেছি। বিবাদীগন এলাকার ভূমিদস্যু ও জমি দখলদার। বিবাদীগন ১০ বছর পূর্ব হইতে আমাদের উক্ত জায়গা জোরপূর্বক জবর দখল করার পায়তারা করিয়া আসিতেছে। অদ্য গত ইং ০৬/০৪/২০২৩ইং তারিখ দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে বিবাদীগনসহ তাহার সহযোগী আরো ১০-১২জন বিবাদীগন আমাদের বাসা বাড়ির পাশে আসিয়া আমার বাবার নাম ধরিয়া গালি গালাজ করিতে থাকে, তখন আমি বিবাদীদেরকে গালিগালাজ করিতে নিষেধ করিলে ১নং বিবাদীসহ সকল বিবাদীগন আমাকে মারপিট করার জন্য বে-আইনী জনতাবদ্ধ অনাধিকার ভাবে আমাদের উক্ত বাড়ি ঘরের ভিতর প্রবেশ করিয়া দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হইয়া লাঠি শোডা, দা, চাইনিজ কুড়াল, নিয়া বাড়িঘরের ওয়াল, জানালা, দরজা, চালের টিন বাইরাইয়া ও কুবাইয়া ব্যাপক ভাংচুর করিয়া অনুমান প্রায় ১০,০০,০০০/= টাকার ক্ষতি সাধন করে। এর আগে বিবাদীগন আমাদের বিরুদ্ধে সি আর মামলা দায়ের করেন, যাহার মামলা নং-৫৪৩/২০১০। উক্ত মামলা আমাদের পক্ষে রায় হওয়া সত্ত্বেও বিবাদীগন কোর্টের আইন অমান্য করিয়া আমাদের উক্ত জায়গা জমি আবারও দখল করার জন্য গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রহিয়াছেন, সঠিক তদন্ত করে দোষীদের গ্রেফতারসহ কঠিন শাস্তি দাবি করছি।
    নাজিম উদ্দিন মোল্লা’র কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জমি থেকে সরে যাওয়ার কথা বলে তিন লাখ টাকা নিয়েছে ইয়াছমিন এর স্বামী হযরত আলী। টাকা নিয়ে বিদেশে চলে গেছেন তিনি, সেই অর্থে কাগজপত্রে এক লাখ টাকা নেয়ার তথ্য পাওয়া গেলেও বিষয়টি রহস্যজনক। উক্ত বিষয়ে দুই পক্ষ আদালতে প্রায় ১০-১২ বছর দৌড়ঝাপ করেছেন মামলা নিয়ে। বর্তমানে আদালতে একাধিক মামলা চলমান। পর্ব-১।

  • পরিবারের দাবী হ*ত্যা স্বামী আটক কোটচাঁদপুরে পানবরজে পড়ে  ছিল গৃহবধূর লা*শ

    পরিবারের দাবী হ*ত্যা স্বামী আটক কোটচাঁদপুরে পানবরজে পড়ে ছিল গৃহবধূর লা*শ

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার গুড়পাড়া গ্রামের একটি পান বরজ থেকে সালমা খাতুন (৩৫) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গলায় ফাঁস দিয়ে তাকে হত্যা করা হতে পারে বলে পরিবার দাবী করছে। সালমা খাতুন একই গ্রামের তরিকুল ইসলামের স্ত্রী ও হরিণাকুন্ডু উপজেলার খলিষাকুন্ডু গ্রামের হায়দার আলীর মেয়ে। শুক্রবার বিকালে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত’র স্বামী তরিকুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় ইউপি সদস্য শাফাউর রহমান জানান, দুপুরে বাড়ির পাশের পান নিজ বরজে সালামার লাশটি পাওয়া যায়। তার গলায় গভীর কালো দাগ ও পাশেই একটি ঘাস মারা বিষের বোতল পড়ে ছিল। নিহত’র নাক ও মুখমন্ডলে ক্ষত ছিল। সালমাকে হত্যা করা হতে পারে বলে গ্রামবাসি ধারণা করছে। নিহতর মা হালিমা খাতুন ও বোন নাজমা বেগম অভিযোগ করেন, স্বামী তরিকুল তাকে খুন করেছে। এর আগে সালমাকে দা নিয়ে হত্যার জন্য তাড়া করেছিল। প্রায় তাকে নির্যাতন করা হতো বলে বোন নাজমা বেগম অভিযোগ করেন। কোটচাঁদপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুন্না বিশ^াস ও ওসি সৈয়দ আল মামুন খবর পেয়ে শুক্রবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ওসি সৈয়দ আল মামুন শুক্রবার বিকালে জানান, এ ঘটনায় নিহত’র স্বামী তরিকুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে। হত্যার উপযুক্ত তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া গেলে তাকে গ্রেফতার করা হবে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান ।

  • ঝিনাইদহে কালো পতাকা নিয়ে মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপির

    ঝিনাইদহে কালো পতাকা নিয়ে মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপির

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    দ্রব্যমুল্যের উর্দ্ধগতির প্রতিবাদ, বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও অবৈধ সংসদ বাতিলের দাবীতে ঝিনাইদহে কালো পতাকা মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপি। শুক্রবার সকালে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সামনে থেকে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে মর্ডান মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। কালো পতাকা মিছিলে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি ছাড়াও ৬ উপজেলা থেকে বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা যোগদান করেন। মিছিল শেষে মর্ডান মোড়ে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. এম এ মজিদ। তিনি তার বক্তৃতায় বলেন, “তিন’শ আসনের সংসদে এখন ৬৪৮ জন এমপি, এটা বড়ই হাস্যকর। এই তামাশার সংসদ তাই অবৈধ। এটা বাতিল করতে হবে। তিনি বলেন, বিএনপি দেশে শান্তিপুর্ন আন্দোলনের মডেল গড়ে তুলেছে। আর সরকার তার ফ্যাসিষ্ট বাহিনী দিয়ে হামলা ও আগুন সন্ত্রাস সৃষ্টি করে বিএনপি দমনে ব্যস্ত। সরকার তার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে ব্যার্থ হয়েছে। বিএনপির কথায় মানুষ ভোট সেন্টারে যায়নি। ভুয়া ভোটারের উপস্থিতি দেখিয়ে অবৈধ সংসদ গঠন করা হয়েছে। তড়িঘড়ি করে শফৎ নিয়ে বিশে^ ৬৪৮ জন এমপির নজীর সৃষ্টি করেছে”। সমাবেশে দলের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. কামাল আজাদ পান্নু, আলমগীর হোসেন আলম, কোটচাঁদপুরের আব্দুর রজ্জাক, মহেশপুরের জিয়াউর রহমান জিয়া, হরিণাকুন্ডুর আবুল হাসান, আনোয়ার হোসেন, প্রভাষক জাহাঙ্গীর ও মোহন বক্তব্য রাখেন।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • বরিশালে সরিষার বাম্পার ফলনে বাড়ছে সরিষার চাষ

    বরিশালে সরিষার বাম্পার ফলনে বাড়ছে সরিষার চাষ

    মোঃ নাসির উদ্দিন, বরিশালঃ বরিশালে সরিষার বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। জেলায় গত বছর সরিষার ফলন ভালো হয়েছে। তাই কম খরচে বেশি ফলনের আশায় এ বছরও চাষাবাদ করেছেন কৃষকেরা। উঁচু জমিতে আবাদ করা আমন ধান গোলায় তুলে হেমন্তের শেষদিকে সরিষার বীজ বপন করেছিলেন। আর কিছুদিন পরই এ শস্য ঘরে তুলতে পারবেন।

    সরিষা চাষি মানিক আর্চায্য সহ কয়েকজন বলেন, ‘গত বছর সরিষার ভালো ফলন হয়েছে। এবারও সরিষা চাষ করেছি। কৃষি অফিস থেকে সরকারি প্রণোদনায় ভালো বীজ ও সার পেয়েছি। কৃষি কর্মকর্তারা আমাদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে হাতেকলমে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। আমরা আশাবাদী এবার বাম্পার ফলন হবে। গত বছরের চেয়ে এবার আবহাওয়া অনুকূলে আছে।’

    সরিষা ক্ষেত দেখতে আসা মাহিয়া ও তপন দাস বলেন, ‘চলতি শীত মৌসুমে মাঠে মাঠে সবুজের ডগায় সরিষা ফুলের সমারোহ, মৌমাছি, ভ্রমর বিভিন্ন প্রজাতির প্রজাপতি, মৌ মৌ ঘ্রাণ, এবং পাখির গুঞ্জনে মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। ফুলের সৌন্দর্য দেখতে আর সুবাস নিতে এসেছি। ছবিও তুলেছি। সরিষা লাভবান ফসল। কম খরচে বেশি লাভ হয়। তাই বেশি বেশি সরিষা চাষ করা প্রয়োজন।’

    বরিশাল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘সরিষা লাভজনক ফসল। গত বছর জেলায় ৮০৫ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছিল। ফলন ভালো হওয়ায় এবার ১ হাজার ১৭ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। ফলনও ভালো হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে কৃষকেরা ফসল ঘরে তুলতে পারবেন।’

    তিনি বলেন, ‘এক হেক্টর জমিতে ৩-৪ মণ সরিষা পাওয়া যাবে। ১ কেজি সরিষা থেকে ৩৫০ গ্রাম থেকে ৪০০ গ্রাম তেল পাওয়া যায়। সরকারি ভাবে কৃষকদের সার ও বীজ প্রণোদনা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। সার্বক্ষণিক মাঠে-ময়দানে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি আমরা।’

  • নড়াইল জেলা পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন এসপি মেহেদী হাসান

    নড়াইল জেলা পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন এসপি মেহেদী হাসান

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//
    নড়াইল জেলা পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন এসপি মেহেদী হাসান।
    নড়াইল জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ডিসেম্বর/মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন মোহাঃ মেহেদী হাসান, পুলিশ সুপার, নড়াইল।
    অপরাধ পর্যালোচনা সভার শুরুতে পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অপরাধ চিত্র তুলে ধরেন তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) নড়াইল।
    অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পুলিশ সুপার মামলা তদন্ত, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, ওয়ারেন্ট তামিল, গুরুত্বপূর্ণ মামলা সমূহের অগ্রগতি, মামলার রহস্য উদঘাটন, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, অপরাধীদের গ্রেপ্তার, সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়সহ পুলিশের পেশাদারিত্ব ও দায়বদ্ধতা প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১১:৩০ মিনিটের সময় পুলিশ সুপার বলেন, সাধারণ জনগণ যাতে হয়রানি ছাড়াই তাৎক্ষণিক প্রত্যাশিত সেবা পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, প্রত্যেক ইউনিয়নে বিট পুলিশিং সভা, উঠান বৈঠক এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুধীজনসহ সর্বস্তরের মানুষের সাথে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা করে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রেখে জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে হবে। তিনি সকলকে দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও সততার সাথে নিজ নিজ কর্তব্য পালনের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের আস্থা অর্জনের বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন।
    অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, জেলা বিশেষ শাখার পুলিশ পরিদর্শক, গোয়েন্দা শাখার পুলিশ পরিদর্শক, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর, জেলার সকল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, পুলিশ ফাঁড়ি ও ক্যাম্প ইনচার্জগণ এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • নড়াইল জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় ব‍ক্তব‍্য রাখছেন এসপি মেহেদী হাসান

    নড়াইল জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় ব‍ক্তব‍্য রাখছেন এসপি মেহেদী হাসান

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//

    নড়াইল জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    নড়াইল জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ব‍ক্তব‍্য রাখছেন এসপি মেহেদী হাসান। পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে মাসের কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    কল্যাণ সভায় বিভিন্ন থানা, ফাঁড়ি, তদন্ত কেন্দ্র, ক্যাম্প থেকে আগত বিভিন্ন র‌্যাঙ্ক এর অফিসার ও ফোর্স এবং পুলিশ লাইন্সের অফিসার ও ফোর্স তাদের সামগ্রিক সমস্যা নিয়ে কথা বলেন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল দশটার সময় জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান প্রথমে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে পেশাদারিত্ব ও সততার সাথে সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং আইজিপির পক্ষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পরবর্তীতে তিনি তাদের এসব সমস্যা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসারদের নির্দেশ প্রদান করেন। সকল পুলিশ সদস্যকে এক হয়ে জনগণ ও দেশের কল্যাণ এর জন্য কাজ করে স্মার্ট পুলিশ গঠনে যথাযথ দায়িত্ব পালত করতে নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে নিয়মমাফিক ছুটি, আবাসন ব্যবস্থা, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসা, মানসম্মত খাবারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন। থানা, তদন্ত কেন্দ্র এবং পুলিশ ক্যাম্প সমূহ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রতি সপ্তাহে একদিন শনিবার “ক্লিনিং ডে”পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি পুলিশ সদস্যদের নিয়মানুবর্তিতা, দায়িত্ববোধ, পিতা-মাতার প্রতি উত্তম আচরণ, নৈতিকতা, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন, অশোভন আচরণ পরিহার করা, ইত্যাদি বিষয়ে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। আসন্ন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগকে কেন্দ্র করে কেউ যেন কোন অসদুপায় অবলম্বন না করে, সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নিয়োগ কার্যক্রম হবে এই মর্মে জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বলেন।
    বিভিন্ন থানা, ফাঁড়ি ও তদন্ত কেন্দ্রের চাহিদা মোতাবেক টিভি, ফ্রিজ, চেয়ার, খাটিয়া ও আইপিএস এর ব্যবস্থা করায় স্ব স্ব থানা ফাঁড়ি ও তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জগণ পুলিশ সুপার মহোদয় কে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
    পুলিশ সুপার কল্যাণ সভায় অবসরজনিত কারণে বিদায়ী তিন জন পুলিশ সদস্য. কনস্টেবল/১৬৮ আ ক ম জাহিদুর রহমান, কনস্টেবল/২২৯ মোঃ কিসমত তালুকদার ও কনস্টেবল/১০৯ মোঃ মিজানুর রহমানকে ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী প্রদান করেন। এছাড়া তিনি ডিসেম্বর মাসের ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ওয়ারেন্ট তামিলকারী শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে লোহাগড়া থানার এসআই (নিঃ) মোঃ আব্দুস শুকুর, লোহাগড়া থানার এএসআই (নিঃ) মোঃ আকিজুর রহমান, শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার হিসেবে জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই (নিঃ) মোঃ মাহফুজুর রহমান, ট্রাফিক শাখার শ্রেষ্ঠ চৌকস অফিসার হিসেবে টিএসআই/ মোঃ জসিম রানাকে ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ আর্থিক সম্মানী প্রদান করেন। এছাড়াও পুলিশ অফিসের সৌন্দর্য বর্ধন ও পুকুরপাড় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করায় সঙ্গীয় ফোর্সসহ এএসআই(সঃ) মোঃ আছাদুল ইসলাম, পুলিশ লাইন্সের অভ্যন্তরে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করায় সঙ্গীয় ফোর্সসহ এএসআই (সঃ) মহসিন আলি, পুলিশ লাইন্স ও পুলিশ অফিসের পুকুরগুলোতে মাছ চাষ করায় এসআই (সঃ) মোঃ আলাউদ্দিন, ভাঙ্গা চেয়ার মেরামত ও অন্যান্য কার্পেন্টারি কাজ করায় এএসআই (সঃ) গোলাম কিবরিয়া ও শেখহাটি ক্যাম্পের বিভিন্ন সৌন্দর্য বর্ধন স্থাপনা নিজ হাতে তৈরি করায় ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই (নিঃ) মোঃ টিপু সুলতানসহ ক্যাম্পের সকল সদস্যকে পুরস্কার স্বরূপ আর্থিক সম্মানী প্রদান করেন।
    কল্যাণ সভায় তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্); সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, জেলা বিশেষ শাখার পুলিশ পরিদর্শক, জেলা গোয়েন্দা শাখার পুলিশ পরিদর্শক, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর, জেলার সকল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, পুলিশ ফাঁড়ি ও ক্যাম্প ইনচার্জগণসহ পুলিশ লাইন্স এর অফিসার ও ফোর্স এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বানারীপাড়ায় ২ কেজি গাঁজা সহ পুলিশের খাঁচায় ২ যুবক

    বানারীপাড়ায় ২ কেজি গাঁজা সহ পুলিশের খাঁচায় ২ যুবক

    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের মাদারকাঠি গ্রাম থেকে দুই কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। ২৬ জানুয়ারি শুক্রবার সকালে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো.মাইনুল ইসলামের দৃষ্টিতে দিকনির্দেশনায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের দেলোয়ার হোসেনের পুত্র সাব্বির হোসেন(৩০) এবং কৃষ্ণপুর গ্রামের ছালাম তালুকদারের পুত্র সাইদুল তালুকদার(২৫) কে গ্রেফতার করা হয়। এ বিষয়ে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো.মাইনুল ইসলাম বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে মাদক বিরোধী মামলা প্রস্তুতি চলছে এবং মাদকের সাথে যারা জড়িত আছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান সবসময়ই অব্যাহত থাকবে।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

  • পটিয়ায় শুরু হচ্ছে সাহাব মিয়া গোল্ডকাপ শর্টপিচ, থাকছে আকর্ষনীয় পুরস্কার

    পটিয়ায় শুরু হচ্ছে সাহাব মিয়া গোল্ডকাপ শর্টপিচ, থাকছে আকর্ষনীয় পুরস্কার

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার:
    পটিয়া পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মরহুম সাহাব মিয়া গোল্ডকাপ শর্টপিচ টুণার্মেন্ট আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে গড়াচ্ছে। পটিয়া পৌরসভার কাউন্সিলর গোফরান রানার পরিচালনায় ও তার পিতা মরহুম মোস্তাফিজুুর রহমান (কালু) ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এ টুর্ণামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। টুর্ণামেন্টে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের জন্য শুভেচ্ছা ফ্রি নির্ধারন করা হয়েছে ৩৫০১ টাকা। খেলা শেষে গোল্ডকাপ ট্রপির পাশাপাশি থাকছে চেম্পিয়ন দলকে ৩৫,০০০ ও রার্নাস আপ দলকে ২০০০০ টাকা পুরস্কার।

    এর বাইরে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ পাবে একটি সাইকেল ও সেরা বোলারকে পাবে একটি মোবাইল ফোন। প্রতিটি খেলায় ৯জন খেলোয়াড় ও অতিরিক্ত ২জন। প্রতিটি ম্যাচ রিভিউ সিস্টেম থাকবে। তাছাড়া প্রতিটি খেলায় ম্যান অব দ্যা ম্যাচ, সেরা ব্যাটম্যান, জার্সি, ট্রাউজার, কেডস্ বার্ধ্যতামুলক। পটিয়া পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের মাঝেরঘাটা স্পোটিং ক্লাব মাঠ সংলগ্ন এ খেলা অনুষ্ঠিত হবে৷

    পটিয়া পৌরসভার কাউন্সিলর ও টুর্নামেন্টের প্রধানপৃষ্ঠপোষক গোফরান রানা জানান, বিশিষ্ট সমাজ মরহুম সাহাব মিয়া গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট একটি মানসম্মত টুর্নামেন্ট হবে৷ চ্যাম্পিয়ন দলকে গোল্ডকাপের পাশাপাশি নগদ টাকা প্রদান করা হবে৷ এতে রার্নাস আপ দলও পাচ্ছে নগদ টাকা। আগামী ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফরম জমা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

  • মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাব নির্বাচনে সভাপতি জুয়েল ও সম্পাদক জনি

    মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাব নির্বাচনে সভাপতি জুয়েল ও সম্পাদক জনি

    মোঃ লিটন মাহমুদ,মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:

    মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মীর বাছির উদ্দিন জুয়েল (ইত্তেফাক) ও সাধারণ সম্পাদক সুজন হায়দার জনি (ডিবিসি)। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাহিত্য সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন নজরুল হাসান ছোটন এবং তথ্য প্রযুক্তি ও প্রচার সম্পাদক পদে আব্দুস সালাম।

    শুক্রবার  নির্বাচন শেষে বিকেলে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এর আগে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ নির্বাচনে ভোটাররা ভোট প্রয়োগ করেন।

    কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিত সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি রশীদ আহমদ ও গুলজাল হোসেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে সুজন পাইক, কোষাধ্যক্ষ পদে মুহাম্মদ সাইফুর রহমান টিটু, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রাজিবুল হাসান জুয়েল, দপ্তর সম্পাদক পদে মোঃ মাসুদ রানা ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে আরাফাতুজ্জামান বাবু।  

    এছাড়া কার্যকারী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ মাহবুবুর রহমান, সোনিয়া হাবিব লাবনী, ভবতোষ চৌধুরী নুপুর, মোজাম্মেল হোসেন সজল, তানজিল হাসান, মীর নাসিরউদ্দিন উজ্জ্বল ও শেখ মোঃ রতন। 

    নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করেন নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মঞ্জুর মোর্শেদ, ফারহানা মির্জা ও মোঃ আরিফ উল ইসলাম।