Blog

  • নড়াইলে হিন্দু পরিবারের সাথে জমিজমা সংক্রান্তে স্বামী-স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত

    নড়াইলে হিন্দু পরিবারের সাথে জমিজমা সংক্রান্তে স্বামী-স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে হিন্দু পরিবারের সাথে জমিজমা সংক্রান্তে স্বামী-স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত থানায় মামলা। নড়াইলের লোহাগড়া থানার কচুবাড়িয়া গ্রামে সমির কুমার দত্ত (৫৩) এবং তার স্ত্রী পুতুল রাণী দত্তকে (৩৫) জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধরে হিন্দুদের মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে প্রতিপক্ষরা। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী সমির কুমার দত্তের বোন কবিতা দত্ত।
    এর আগে গত (২৭ জানুয়ারি) শনিবার সকালে লোহাগড়া থানার কচুবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে একই থানার মশাঘুনি গ্রামের জামাল ফকির (৩০), আলমগীর (৩৫), মিন্টু ফকিরের (৪০) সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে গত শনিবার সকালে ভুক্তভোগীদের নিজ বাড়িতে হামলা করে আসামিরা। এসময় ভুক্তভোগী সমির কুমার দত্ত ও তার স্ত্রী পুতুল রাণী দত্তকে লোহার রড, কাঠের ব্যাট ও লোহার হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
    এরপর মঙ্গলবার রাতে লোহাগড়া থানায় ভুক্তভোগী সমির কুমার দত্তের বোন কবিতা দত্ত বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ্যসহ অজ্ঞাত ৩/৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
    এ ব্যাপারে মামলার বাদী কবিতা দত্ত বলেন, আমার ভাই সমির কুমার দত্তের সঙ্গে আসামিদের দীর্ঘদিন জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে গত শনিবার সকালে আসামিরা আমাদের বাড়িতে আমার ভাই এবং ভাইয়ের স্ত্রীকে লোহার রড, কাঠের ব্যাট ও লোহার হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এসময় ভাইয়ের স্ত্রীর গলায় থাকা আটআনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায় ও বাড়িঘর ভাঙচুর করে।
    এ ঘটনায় অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।
    এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও লোহাগড়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. তৌফিক হাসান বুধবার (৩১) জানুয়ারি) বিকেলে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

  • ঝিনাইদহে জানুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৩ জন নি*হত

    ঝিনাইদহে জানুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৩ জন নি*হত

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে নতুন বছরের প্রথম মাসে বিভিন্ন সড়কে ১৩জন নিহত হয়েছেন। সড়ক মহাসড়ক ক্রমেই অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। প্রতি নিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পাল্লা ভারি হচ্ছে। তবে নিহতদের বেশির ভাগই অবৈধ যানবাহনের চালক, নয়তো যাত্রী ছিল বলে জানা গছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, জানুয়ারি মাসের প্রথম তারিখে ঝিনাইদহের তেতুলতলা বাজারে রুলি খাতুন নামে এক মটরসাইকেল বাইকার নিহত হন। তিনি রাতে অন্যগ্রাম থেকে খেজুরের রস পান করে গ্রামের বাড়ি ফিরছলেন। একই দিন মহেশপুরের পদ্মপুকুর নামক স্থানে সড়ক দুটি মটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে লিয়াকত হোসেন ও রিয়াদ মারা যান। ২ জানুয়ারি সদর উপজেলার পাঁচ মাইল নামক স্থানে চাচা আলী হোসেন ও ভাতিজা মাহফুজুর রহমান নিহত হন। তারা অবৈধ আলমসাধুযোগে পাটভড়ি আনতে ফরিদপুর যাওয়ার পথে অজ্ঞাত যানবাহন চাপায় নিহত হন। ১৬ জানুয়ারি সদর উপজেলার হাটগোপালপুর বাজারে ইব্রাহীম নামে এক শিক্ষার্থী নিহত হন। তিনি কুষ্টিয়া থেকে আলমসাধুযোগে হাটগোপালপুরের রাইচারণী কলেজের কাছে পৌছালে একটি ট্রাক তাদের আলমসাধু পেছন থেকে ধাক্কা দিলে দুর্ঘটনায় পতিত হন। ২৩ জানুয়ারি মহেশপুরের ভালাইপুরে আবুল কাশেম, আবুল কালাম ও আলমগীর হোসেন নিহত হন। সিএনজি যোগে যাওয়ার পথে একটি বালু বোঝাই ট্রাক চাপা দিলে সিএনজির তিন যাত্রী নিহত হন। ২৮ জানুয়ারি হরিণাকুন্ডু শহরের কাচারীপাড়ায় আলমসাধু উল্টে চালক বাদশা মারা যান। ২৯ জানুয়ারি শৈলকুপার আসাননগর নামক স্থানে ট্রাক চাপায় রানা নামে এক যুবক নিহত হন। ৩০ জানুয়ারি হরিণাকুন্ডু শহরের দিকনগর গ্রামে নানার পাখিভ্যান চাপায় নাতি রিফাত ও কালীগঞ্জ উপজেলার কেয়াবাগান নামক স্থানে নিজের আলমসাধু উল্টে চালক আশরাফ বিশ^াস নিহত হন। দুর্ঘটনায় নিহত বেশির ভাগ অবৈধ যানবাহনের কারণে মারা গেছেন বলে পুলিশ সুত্রে জানা গেছে। এ বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান জানান, আমরা সড়ক মহাসড়ক অবৈধ যানবাহন মুক্ত করতে প্রতি নিয়ত অভিযান চালাচ্ছি। চলাচলকৃত নসিমন, করিমন, আলমসাধু, ভটভটি ও ইজিবাইক আটক করে জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। তরপারও তাদের থামানো যাচ্ছে না। তিনি বলেন পুলিশের একার পক্ষে অবৈধ যানচলাচল বন্ধ করা সম্ভব নয়। জনগন যদি সচেতন না হয় তবে এই সমস্যা সহসায় সমাধান সম্ভব নয়।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • নড়াইলে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতার ১

    নড়াইলে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতার ১

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের কালিয়া থানার পাঁচগ্রাম ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামের আকছির মেম্বারের বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে কালিয়া থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামি শামীম হোসেন (২৭)। সে কালিয়া থানার যাদবপুর গ্রামের মো: নজীর মোল্লার ছেলে।উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,
    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৩১ জানুয়ারি) রাত ২টার দিকে কালিয়া থানার অফিসার ইন চার্জ মেহেদী হাসানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এস আই টিপু সুলতান ও তাঁর টিম সদস্য এস আই তিতাশ বিশ্বাস ও পুলিশ সদস্য পার্থ মজুমদার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যাদবপুর গ্রামস্থ আকছির মেম্বারের বাড়ি সংলগ্ন আসামী শামীম হোসেনের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন।

    এ সময় আসামী শামীম হোসেন পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটক করতে সক্ষম হয়। অভিযান চলাকালে ঘটনা স্থলে আসামির বাড়ির লোক সহ সাক্ষী হিসেবে মোঃ আকছির মোল্লা ও রিপন মোল্লার উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আসামী তার বাড়িতে রাখা ৫০০ গ্রাম গাজার কথা শিকার করেন।

    এর আগে তারা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন গাঁজা বিক্রয়ের জন্য যাদবপুর গ্রামের শামীম হোসেন তার নিজ বাড়িতে অবস্থান করছে।

    কালিয়া থানা অফিসার ইন চার্জ মেহেদী হাসান জানান, আসামিকে সকালে কোর্ট এ পাঠানো হয়েছে এবং এ ব্যাপারে কারোর সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা তা তদন্ত করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের অভিজান অব্যাহত থাকবে।

  • হাতীবান্ধা উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুজিবুল আলম সাদাত

    হাতীবান্ধা উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুজিবুল আলম সাদাত

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
    লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী উপজেলার ৬নং পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের দুবারের সফল চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবুল আলম সাদাত।আসন্ন হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মজিবুল আলম সাদাত, তিনি নিজ বাসভবনে সাংবাদিদের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন করবেন বলে ষোষনা দেন।সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে মজিবুল আলম সাদাত বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দলীয় মার্কা নৌকা এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে রাখেনি। আমি নৌকার লোক, আমার পরিবার এ এলাকায় আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করে গেছে।ইতিমধ্যে তিনি নিজের প্রার্থিতা জানান দিয়ে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে সকলের সাথে কুশল বিনিময় ও প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই ইতিমধ্যেই মানসিক প্রস্ততি ও দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে প্রচারণার প্রস্ততি নিচ্ছেন তিনি। মুজিবুল আলম সাদাত, ০৬ নং পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (১৮ই নভেম্বর) ২০২০ইং থেকে (১৬ই ফেব্রুয়ারী)২০২২ইং পর্যন্ত এবং ১৭ই ফেব্রুয়ারী২০২২ইং চলমান। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ১৯৯৪-১৯৯৮ইং সদস্য ইউনিয়ন ছাত্রলীগ, পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন শাখা, হাতীবান্ধা, ২০০৩-২০০৪ইং আহবায়ক, কলেজ শাখা, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, আলীমুদ্দীন ডিগ্রী কলেজ, হাতীবান্ধা, ২০০৪-২০০৬ইং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, হাতীবান্ধা শাখা, ২০০৮-২০১১ইং সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন শাখা, হাতীবান্ধা, ২০১১-২০১০ইং সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন শাখা, হাতীবান্ধা, ২০২১ইং সাংগঠনিক সম্পাদক, উপজেলা আওয়ামীলীগ, হাতীবান্ধা, ও ২০২১ইং সদস্য জেলা আওয়ামীলীগ, লালমনিরহাট। ৬নং পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের দুবারের সফল চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবুল আলম সাদাত, এর পিতা মরহুম সফিউল আলম রোকন ১৯৭৮-১৯৮৫ সাল পর্যন্ত হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ছিলেন এবং ১৯৮৩-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সমর্থীত ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৮৫-২০১১ সাল পর্যন্ত উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলেন। ২০১১ সাল হতে আমৃত্যু উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ছিলেন। ২০১৬ সালে ইউপি নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী হিসাবে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। জনগনের সেবা করতে গিয়ে ২০২০ সালের ২৪ আগষ্ট মহামারী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। মাতা মোছাঃ শামীম আরা আলম শরীফা ১৯৯২-১৯৯৮ সালে আওয়ামীলীগ সমর্থীত ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বর্তমানে উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি। স্ত্রী মোছাঃ শাহানা ফেরদৌসী সীমা ২০২০ সালে পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এবং বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত।হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের বাসিন্দা আমজাদ হোসেন বলেন সাদাত চেয়ারম্যান একজন দক্ষ লোক,তার মতো লোক কেই উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে আমরা দেখতে চাই। সিঙ্গিমারী ইউনিয়নের আব্দুল মজিদ বলেন মুজিবুল আলম সাদাত, চেয়ারম্যান যে ভাবে পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের উন্নয়ন করেছে,তা লালমনিরহাট জেলার কোন ইউনিয়নে হয়েছে বলে আমার জানা নাই, তিনি নির্বাচনে দাঁড়ালে আমরা তার হয়ে কাজ করবো এবং বিজয়ী হয়ে পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের মতোই হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদকে দুর্নীতি মুক্ত উপজেলা পরিষদ গঠন করবে। সৌজন্য সাক্ষাৎকালে হাতীবান্ধা উপজেলাবাসীর নিকট দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন মুজিবুল আলম সাদাত, বিপুল ভোটের ব্যবধানে পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন,এবং দায়িত্ব পালন করে আসছেন। উপজেলার জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করার সর্বদাই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করার লক্ষে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ায় উপজেলার দলীয় নেতাকর্মী সহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে মুজিবুল আলম সাদাত বলেন, এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী। জনগণ আমার সঙ্গে আছে। আমি শতভাগ আশাবাদী, । সর্বোপরি এই কর্মজজ্ঞে আমি হাতীবান্ধা উপজেলার দলীয় নেতাকর্মী সহ সকলের পরামর্শ, সমর্থন ও সহযোগীতা কামনা করছি।

    হাসমত উল্লাহ ।

  • গোদাগাড়ীতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের সমাপনী ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা অনুষ্ঠিত

    গোদাগাড়ীতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের সমাপনী ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক রাজশাহী: রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ীতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদোগ্যে এপি কার্যক্রম সমাপনী ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠান বিষায়ক প্রারম্ভক সভা অনু্ষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১১ টার সময় উপজেলা পরিষদ অডিটারিয়ামে গোদাগাড়ী এপির ম্যানেজার প্রেরনা চিসিমের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, গোদাগাড়ী প্রেস ক্লাবের সভাপতি এবিএম কামরুজ্জামান বকুল, মহিশালবাড়ি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান মোঃ হায়দার আলী, গোদাগাড়ী শিশু নিকেতনের অধ্যক্ষ বরজাহান আলী পিন্টু, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি একে তোতা, পাকড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য গোলাম রাব্বানী, ওয়ার্ল্ড ভিশনের কর্মকর্তা, শ্যামল কাস্তা, ডেবিট, শ্যামল এইচ কাস্তা প্রমূখ।

    ওয়ার্ল্ড ভিশনের এপির ম্যানেজার প্রেরণা চিসিম বলেন, আমাদের কার্যক্রম ২০০৮ ইং সালে শুরু হয়। এ বছর ওয়ার্ল্ড ভিশনের কার্যক্রম শেষ হয়ে যাবে। শিশু সুরক্ষা, শিশুর উন্নয়ন, শিশুর বিকাশ, শিশু নির্যাতনের বিষয়ে কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি।

    এখানে ৬৬ টি শিশু ফোরাম আছে ৯০০ জন শিশু নিয়ে কাজ করা হয়ে থাকে। এসব শিশুদের অনেক সফলতার গল্প রয়েছে। বাল্যবিয়ে থেকে তারা দূরে থাকছে। গ্রামে গ্রমে সচেতেনতা সৃষ্টি করা হয়ে থাকে, বাল্যবিয়ে, শিশু নির্যাতন আগামীতে শূন্যতে নেমে আসে সেদিকে নজর দিতে হবে। ৮২০ শিশু নিয়ে কাজ করা হচ্ছে, প্রতিদিন তাদের ওজন নেয়া হচ্ছে, দৌহিক গঠন সম্পর্কে অভিভাবকদের অবহিত করা হচ্ছে। ১২ বছর থেকে ১৮ বছরের ৮০০ জন শিশুদের নিয়ে নেতৃত্ব বিকাশে কাজ করেছে।
    উপস্থিত বক্তাগণ বলেন, দীর্ঘদিন থেকে এ প্রতিষ্ঠানটি হতদরিদ্র আদিবাসীদের বকনা গরু, ছাগল, হাঁস, বিতরণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উন্নত টয়লেট, পরিবেশ বান্ধব চূলা ব্যবহার, স্যানিটেশন , সামগ্রী বিতরণ করেছেন। সাফিন নামে একটি শিশু বাকপ্রতিবন্ধি ছিল, সে স্কুলে গিয়ে অন্যান্য শিশুদের কথা বলে নিজে এখন কথা বলতে পারছে। স্কুলে শিশুটি এখন তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ালেখা করতে পারছেন। সে যদি স্কুলে যাওয়ার পরিবেশ না পেত এ সাফল্য পাওয়া যেত না।

    তারা বলেন, ২০২৪ ইং সালে সেপ্টেম্বর মাসে ওয়ার্ল্ড ভিশনের কার্যক্রম শেষ হয়ে যাবে। সে কাজগুলি আমরা আগামীতে চলমান রাখা যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বক্তরা বলেন, অভিভাবকগন শিশুদের হাতে স্মার্ট মোবাইল ফোন কিনে দিচ্ছেন, এর অপব্যবহারের কারনে তারা ছেলে বন্ধু ম্যানেজ করে সম্পর্কে জড়িয়ে, বাল্যবিয়ে করাতে বাধ্য করেন পিতামাতকে। না দিলে বাড়ী থেকে পালিয়ে বিয়ে করেন। অভিভাবকদের বেশী সচেতন হতে হবে। শিশু শ্রম আমাদের দেশে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে অভিভাবকদের সচেতন করলে শিশু শ্রম কমবে। ওয়ার্ল্ড ভিশন প্রতিবছর ৮২০ জন শিশুকে সুন্দরভাবে সুরক্ষা করেছেন।

    ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের কার্যক্রম সত্যিই চমৎকার। গ্রামের পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য কাজ করছে। শিশুদের সুরক্ষা নিয়ে কাজ করছেন। এ অনুষ্ঠানে, পরবর্তী কার্যক্রম গুলি পরিচালনার জন্য ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি আগামী দিনে ওয়ার্ল্ড ভিশনের রেখে দেয়া কাজ গুলি সুন্দর, সুষ্ঠভাবে চলবে এ প্রত্যাশা করা হয়।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • উজিরপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ওয়ারেন্ট ভুক্ত ৬ আসামী গ্রেফতার

    উজিরপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ওয়ারেন্ট ভুক্ত ৬ আসামী গ্রেফতার

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ

    বরিশালের উজিরপুর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পরোয়ানাভুক্ত ৬ আসামিকে গ্রেফতার করেছে।

    উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মোঃ তৌহিদুজ্জামান সোহাগ জানান,৩০ জানুয়ারি রাতে অভিযান চালিয়ে,শোলক ইউনিয়নের ধামুরা গ্রামের সাজাপ্রাপ্ত মৃত খালেক হাওলাদারের পুত্র আলম হাওলাদার, হারতা ইউনিয়নের গ্রেফতারী পরোয়ানা ভুক্ত কালবিলা গ্রামের আদম আলীর পুত্র মাসুম বেপারী ,হালিম বেপারী, কৃষ্ণকান্ত মন্ডলের পুত্র মিল্টন মন্ডল, সুরেন্দ্রনাথ মন্ডলের পুত্র কৃষ্ণকান্ত মন্ডল, গুঠিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম নারায়ণপুর গ্রামের জয়নাল সরদারের পুত্র আবুল কালাম সরদার কে গ্রেফতার করেন মডেল থানা পুলিশ।
    উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাফর আহমেদ জানান,গ্রেফতার কৃত আসামীদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • পাইকগাছায় ইয়াবা সহ আটক-২

    পাইকগাছায় ইয়াবা সহ আটক-২

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    পাইকগাছা থানা পুলিশ ১৭৫ পিচ ইয়াবা সহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে। পৃথক অভিযানে এদেরকে আটক করা হয়। এদের বিরুদ্ধে থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। থানা পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, ৩০ জানুয়ারী গোপালপুর এলাকা থেকে ১শ পিচ ইয়াবা সহ রূপসা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের মৃত শামছুর রহমান খানের ছেলে হারুন অর রশীদ (ইয়াবা খোকন ৬০) কে এবং ২৯ জানুয়ারী শিবসা ব্রিজের ওপর থেকে ৭৫ পিচ ইয়াবা সহ লস্কর গ্রামের হামিদ গোলদারের ছেলে বিল্লাল হোসেন (৩৫) কে হাতেনাতে আটক করা হয়। আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় পৃথক দুটি মাদক আইনে মামলা হয়েছে বলে ওসি ওবাইদুর রহমান জানান।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • শিক্ষককে স্কুলে প্রবেশে বাঁধা প্রদান করার অভিযোগ

    শিক্ষককে স্কুলে প্রবেশে বাঁধা প্রদান করার অভিযোগ

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    পাইকগাছার আলোচিত বগুলারচক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে স্কুল শিক্ষককে স্কুলে প্রবেশে বাঁধা প্রদান করার অভিযোগ উঠেছে। স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্কুল সভাপতি শিক্ষকের সাথে এমন আচরণ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষক সালমা খাতুন। এ ব্যাপারে তিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। প্রাপ্ত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন, গত ২২ জানুয়ারী সকাল ৯টা ৪২ মিনিটে স্কুলে প্রবেশের সময় বিদ্যালয়ের সভাপতি দায়িত্বরত কর্মচারীকে দিয়ে গেটে তালা লাগিয়ে প্রবেশে বাঁধা প্রদান করেন। প্রায় ১৫ মিনিট পর গেটটি খুলে দেওয়া হয়। এতে স্কুল শিক্ষক মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হন। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বঙ্কিম মন্ডল বলেন, ওই দিন আমি স্কুলে ছিলাম না। পরে এ ধরণের কথা শুনেছি। তবে এ ব্যাপারে কোথাও কোন অভিযোগ হয়েছে কিনা সেটি আমার জানানাই। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান জানান, এ ধরণের কোন অভিযোগ আমার কাছে এখনো পৌছায়নি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহজাহান আলী শেখ বলেন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক আমার কাছে কোন অভিযোগ করেনি। তবে এ ধরণের কোন আচরণ কাম্য নয়। এ ধরণের অভিযোগ অস্বীকার করে সভাপতি আব্দুর রব বলেন, বিদ্যালয়ে এ্যাসেমবিলি চলাকালীন সময় গেট বন্ধ রাখার নির্দেশনা রয়েছে। এ সময় কেউ প্রবেশে বাঁধাগ্রস্থ হলে তার জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। তবে কাউকে লক্ষ করে গেট বন্ধ করা হয়নি বলে বিদ্যালয়ের সভাপতি জানান। উল্লেখ্য, গত ১৫ জানুয়ারী বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য নির্বাচন এবং ২১ জানুয়ারী সভাপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু কোরাম সংকটের কারণে সভাপতি নির্বাচন টানা ৪র্থ বারের মতো পিছিয়ে যায়।

  • ৩৫ রকমের পিঠার সাথে পরিচিত হলো পাইকগাছার মানুষ

    ৩৫ রকমের পিঠার সাথে পরিচিত হলো পাইকগাছার মানুষ

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ॥
    ৩৫ রকমের পিঠার সাথে পরিচিত হয়েছে পাইকগাছার মানুষ। বুধবার গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসবের আয়োজন করে পাইকগাছা সরকারি কলেজ। ৮টি স্টল স্থান পায় এ উৎসবে। শিবসা, কপোতাক্ষ, মিনহাজ, পশুর, করুলিয়া, রূপসা, ভৈরব ও হংসরাজ সহ প্রতিটি স্টলের নামকরণ করা হয় এলাকার নদ-নদীর নামে। নবান নন্দনী, ক্ষীর বাদাম, পুডিং, দুধ গোকুল, ম্যারাপিঠা, মিষ্টি কুমড়া পিঠা, আপেল পিঠা, চকলেট মালাই পিঠা, কদম পুলি, গোলাপ পিঠা, ভাপাপুলি, নকশী পিঠা, গোকুল পিঠা, তক্তি পিঠা, দই ভাপা পিঠা, মুগ পিঠা, সেমাই পিঠা, ছিটা পিঠা, পাটি সাপটা, বিবিখান, মুগপাকান, খেঁজুর পিঠা, দুধ পাকন, নারিকেলের বার্মি, কদম বাহারী, রস গোলাপ, চন্দ্র মল্লিকা, ফুলঝুরি, দুধ চিতই, রস চিতই, সূর্যমুখী, জামাই পিঠা, শামুক পিঠা, বারানদেশ পিঠা, বিট বরফি, চিংড়ি পিঠা, ডোনাট, সুন্দরী পাটিসাপটা ও কদম পুলি সহ প্রত্যেকটি স্টলে প্রায় ৩৫ রকমের পিঠা প্রদর্শন করা হয়। নির্দিষ্ট মূল্যে এসব পিঠা দর্শনার্থীদের কাছে বিক্রয় করা হয়। এবারই প্রথম এতো রকমের পিঠার সাথে পরিচিত হয় এলাকার মানুষ। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম গ্রাম বাংলার নানা স্বাদের নানা রকমের পিঠার সাথে পরিচিত হয়। দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড়ে মুখরিত হয়ে ওঠে কলেজ প্রাঙ্গণ। মাসুমা আক্তার বলেন, আমার স্টলে ৩৫ রকমের পিঠা প্রদর্শন করা হয়েছে। প্রভাষক লিলিমা খাতুন জানান, ২৮ প্রকার পিঠা প্রদর্শন করা হয়। প্রভাষক রুবাইয়া শারমিন হায়াত বলেন, আমরা স্টলেই পিঠা তৈরী করে দর্শনার্থীদের মাঝে বিক্রয় করেছি। ব্যতিক্রমী এ আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। সকালে ফিতা ও কেক কেটে পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। অধ্যক্ষ প্রফেসর সমরেশ রায়ের সভাপতিত্বে ও প্রভাষক আছাবুর রহমান শিমুলের স ালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আরিফুজ্জামান, ওসি ওবাইদুর রহমান, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, উপাধ্যক্ষ মিহির বরণ মন্ডল, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রভাষক স্বপন ঘোষ, আব্দুর রাজ্জাক বুলি, মোমিন উদ্দীন ও তারেক আহম্মেদ।

  • “অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে শরীর চর্চা নিশ্চিতে করনীয়”এডভোকেসী সভায় নলছিটিতে ইকো পার্ক নির্মানের দাবি

    “অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে শরীর চর্চা নিশ্চিতে করনীয়”এডভোকেসী সভায় নলছিটিতে ইকো পার্ক নির্মানের দাবি

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    নলছিটি মডেল সোসাইটি এবং সেন্টার ফর ল এন্ড পলিসি এফেয়ার্স ঢাকার সম্মিলিত আয়োজনে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ফিরোজা আমু স্মৃতি পাঠাগারে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে শরীরচর্চা, শারিরীক পরিশ্রমের সুযোগ সৃষ্টিতে বিদ্যমান আইন,নীতি পর্যালোচনা প্রতিবন্ধকতা ও করনীয় বিষয়ে ” অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে শরীরচর্চা নিশ্চিকরন” শীর্ষক এডভোকেসী সভার আয়োজন করা হয়। নলছিটি মডেল সোসাইটির সভাপতি আ:কুদ্দুস তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নলছিটি পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আ:ওয়াহেদ খান,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নলছিটি পৌরসভার দুই কাউন্সিলর বীর মুক্তিযোদ্ধা তাজুল ইসলাম দুলাল চৌধুরী এবং ফিরোজ আলম খান।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পৌর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব জাকির হোসেন মীরবহর, প্রবীন সাংবাদিক আ:কুদ্দুস তালুকদার নান্দিকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ইকরামুল করিম মিঠু মিয়া,প্রভাষক মল্লিক মনিরুজ্জামান,উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সুলতান আকন,উপজেলার সমাজকর্মী বালী তূর্য, কয়েকজন নারী নেত্রী সহ বিশিষ্ট জনেরা।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার নলছিটি উপজেলার সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন।
    এসময়ে বক্তারা তাদের বক্তব্যে রোগ প্রতিরোধে শরীরচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং শরীর চর্চার জন্য একটি নগরীতে একটি পার্কের প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবায়নের প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরেন।সুজন সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন,আমরা জীবন বাচাতে খাই এবং সেই খাদ্য মানব দেহের যাতে ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য শারিরীক পরিশ্রম এবং শরীরচর্চার বিকল্প নেই।সাম্প্রতিক সময়ে আরও দেখা যায় প্রায় সকল ভোগ্যপন্যেই ভেজাল মেশানো হচ্ছে যা মানব দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই ভেজাল প্রতিরোধ করতে প্রশাসনকে আরও কঠোর হবার আহবানও জানান তিনি।
    নলছিটি উপজেলায় ইকো পার্ক নির্মানের সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা সমাজউন্নয়ন কর্মী বালী তূর্য বলেন, নগরে আগুন লাগলে দেবালয়ও বাদ যায় না বলে যে একটি কথা প্রচলিত আছে তা মাথায় রেখেই নগরের পরিকল্পনা করতে হবে।নলছিটি পৌরসভাটি ১৮৬৫ সালে স্থাপিত হয়ে মাঝখানে প্রায় ২৪ বছর ইউনিয়ন পরিষদে নামিয়ে দেয়া হয়েছিলো পরবর্তীতে তা আবার ১৯৮৫ সালে পৌরসভায় ফিরিয়ে আনা হয়।এই প্রায় ১৬০ বছরের মতো সময় কেটে গেলেও আমরা এই নগরের জন্য কোনো ইকো পার্ক নির্মান করতে পারি নি,যেখানে প্রবীন কিংবা শিশুরা শরীরচর্চা করতে পারবে,নির্মল বাতাসের সুযোগ পাবেন।আমরা দীর্ঘদিন যাবত একটি ইকো পার্ক নির্মানের দাবি জানিয়ে এসেছি,এজন্য মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয় এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে স্মারকলিপি দিয়েছি।গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ২০২৩ সালের মে মাসে জানায় দেশে ১০১ টি পার্ক নির্মানের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার, যার মধ্যে বরিশাল বিভাগ ১৫ টি পার্ক নির্মানের সুযোগ পেতে পারে।সেখান থেকে একটি পার্ক আমাদের এই পুরনো নগরীর জন্য দাবি করে মাননীয় সচিব,মন্ত্রী মহোদয়ের ব্যক্তিগত সহকারী (সরকারি) এবং বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মহোদয়কে বিশেষভাবে অনুরোধ করেছি।এখন এখানে হাটার জন্য রাস্তা ছাড়া তেমন যায়গা নেই,যা অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ কারণ গাড়ির ধাক্কায় প্রান যাওয়ারই ঝুঁকি থাকে। এটি বাস্তবায়নের জন্য আমরা সকলের সহযোগিতা কামনা করছি, এই দাবি বাস্তবায়নে আমাদের সামাজিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
    পৌর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব জাকির হোসেন মীরবহর বলেন,এই পৌরসভাটি “খ” শ্রেনীর পৌরসভা, যার আয়তন প্রায় ২৫ বর্গকিলোমিটার। যা দেশের অন্যান্য অনেক পৌরসভার থেকে কয়েক গুন বেশি বড়।এখানে প্রায় পনের বছর যাবত বিভিন্ন সমস্যার কারনে এসেসমেন্ট করে ট্যাক্স পুন:নির্ধারণ না হওয়ায় পৌরসভার নিজস্ব আয়ও অত্যন্ত কম।সরকারের সামান্য বরাদ্দ,কম ট্যাক্স আয়, বড় প্রকল্প না পাওয়ার মতো সমস্যার কারনে আমরা এগোতে পারছি না।তবে একটি আদর্শ নগর হিসেবে এখানে একটি পার্ক থাকা উচিৎ, আমরা এজন্য চেষ্টা করব। কাউন্সিলর ফিরোজ আলম খান মেয়র মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফুটপাত দখলমুক্ত করার উপর জোর দেন যাতে দ্রুত সময় অন্তত নিরাপদে কিছুটা চলার পথের ব্যবস্থা হয়।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র আব্দুল ওয়াহেদ খান বলেন,আসলে পৌরসভাটির আয়তন বর্তমানে বিশাল হলেও এক সময় এর আয়তন ছিলো থানা থেকে চায়না কবর এবং পুরান বাজার থেকে নদী পর্যন্ত, এবং দীর্ঘদিন এটিকে বৈচন্ডী ইউনিয়ন পরিষদে রূপান্তর করে রাখা হয়েছিলো।শরীরচর্চার জন্য চায়না মাঠের পাশে আমরা ওয়াকওয়ে নির্মান করে দিয়েছি,একটি পার্কের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আশকরি অতি দ্রুতই নগরবাসীকে সুখবর দিতে পারবো।
    অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যের মাধ্যমে এডভোকেসী সভাটি সমাপ্ত করা হয়।