Blog

  • নড়াইলে তিনদিনব্যাপী পিঠা উৎসব শুরু  উদ্বোধন করেন ডিসি ও এসপি

    নড়াইলে তিনদিনব্যাপী পিঠা উৎসব শুরু উদ্বোধন করেন ডিসি ও এসপি

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি//

    নড়াইলে তিনদিনব্যাপী পিঠা উৎসব শুরু
    উদ্বোধন করেন ডিসি ও এসপি। নড়াইলে তিন দিনব্যাপী পিঠা উৎসব শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে নড়াইল জেলা শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গনে জাতীয় পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বুধবার বিকালে জেলা কালচারাল অফিসার হামিদুর রহমানের সভাপতিত্বে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকের সহধর্মিনী শারমিন চৌধুরী। পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) মৌসুমী রানী মজুমদার, বীরমুক্তি যোদ্ধা সাইফুর রহমান হিলু, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হানিফ শেখ প্রমূখ।
    নড়াইলসহ জেলার ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
    উৎসবে বিভিন্ন ব্যক্তি ও বিভিন্ন সংগঠন বিভিন্ন প্রকারের পিঠার স্টল দিয়েছেন। শত শত পিঠা প্রেমীরা পিঠা খেয়ে উৎসবকে মধুময় করে তুলেছেন।

  • রাজশাহীতে সংরক্ষিত আসনে এক ডজন নেত্রী আলোচনায় মর্জিনা

    রাজশাহীতে সংরক্ষিত আসনে এক ডজন নেত্রী আলোচনায় মর্জিনা

    আলিফ হোসেন,
    তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত হয়েছে সংসদ। এবার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি নির্বাচনের পালা। যাঁরা দলের মনোনয়ন পান, তাঁরাই হন সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি। এবার রাজশাহী থেকে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় এক ডজন নেত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হবার আলোচনায় রয়েছেন। তাঁদের অনেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইফফাত আরা কামাল। তাঁর স্বামী মোহাম্মদ আলী কামাল নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এবার রাজশাহী-২ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তবে জোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশার জন্য তিনি সরে যান। সে হিসেবে সংরক্ষিত আসনের জন্য তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে বেশ জোরালো আলোচনা শুরু হয়েছে।
    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগে মহানগর আওয়ামী লীগ কিংবা সহযোগী সংগঠনের কাউকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি করা হয়নি। ফলে এবার মহানগর থেকেই কাউকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি করা হতে পারে বলে নেতাকর্মীরা আশাবাদী। এতে কপাল পুড়তে পারে রাজশাহীর বর্তমান সংরক্ষিত এমপি আদিবা আনজুম মিতার। তবে মিতা এবারও মনোনয়ন পেতে তদবির করছেন। অন্যদিকে তৃণমুলে পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন মর্জিনা পারভীন। একাদশ সংসদে যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় এই নেত্রী হঠাৎ করেই সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হন। তাঁকে নিয়ে কোনো আলোচনা ছিল না। এমপি হয়েও তাঁর রাজনীতি ছিল ঢাকাকেন্দ্রিক। এবার রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শাহীন আক্তার রেনী সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মনোনয়ন চান। তবে তৃণমুলের ভাষ্য, তাকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি করা হলে রাজশাহীর রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র কায়েম হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই তারা রাসিক মেয়র পরিবারের বাইরের কাউকে এখানে দেখতে চাই।এছাড়াও নেতৃত্বের বিকাশ ঘটাতে নতুন মুখ চাই।
    দলীয় সূত্রগুলো বলছে, একাদশ সংসদে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আলাদা আলাদা নারী এমপি করা হয়েছিল। এবার রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে একজনকেই সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি করা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে বর্তমান দুই সংরক্ষিত এমপিই বাদ পড়তে পারেন। আসতে পারে নতুন মুখ। নারী নেত্রী শাহীন আকতার রেনীকে এমপি করার সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করছে তার কর্মী-সমর্থকেরা। এ ছাড়া এই পরিবারের আরেক নারী মালিহা জামান মালাও আছেন আলোচনায়। বর্তমানে তিনি মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। এ ছাড়াও এবার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হতে চান রাজশাহী মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সালমা রেজা, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইফফাত আরা কামাল, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মর্জিনা পারভীন, সাধারণ সম্পাদক নাসরিন আখতার মিতা, সহসভাপতি রোকসানা মেহেবুব চপলা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পূর্ণিমা ভট্টাচার্য, মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য নিঘাত পারভীনসহ জেলা ও মহানগরের আরও কয়েকজন নারী। শাহীন আকতার রেনী কোনো কারণে এমপি না হলে আসতে পারেন এই পরিবারের আরেক নারী মালিহা জামান মালা বলে মনে করছেন তাদের অনুগত কর্মী-সমর্থকগণ। মালা সিটি মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনের চাচাতো বোন। ২০০৪ সালে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে তাঁর রাজনীতি শুরু। ছিলেন মহানগর মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। ১০ বছর ধরে আছেন যুগ্ম সম্পাদকের পদে। এ ছাড়া তিনি মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। আগের কমিটিতেও তিনি এই পদে ছিলেন।
    এবিষয়ে জানতে চাইলে মালিহা জামান মালা বলেন, ‘আমি চাই আগে আমাদের ভাবি শাহীন আকতার রেনীর মূল্যায়ন হোক। তিনি না চাইলে আমি হতে চাই। কারণ, আমিও দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করছি। মানুষের সঙ্গে আছি। তাদের সেবা করার সুযোগ চাই। আমি আমার ভাই খায়রুজ্জামান লিটনের সঙ্গে আলোচনা করব। তিনি যদি আমাকে মনোনয়নপত্র তুলতে বলেন তাহলে আমি তুলব। এখনো বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের আলোচনা হয়নি।’ নারী নেত্রী শাহীন আকতার রেনী বলেন, এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটিই চূড়ান্ত। সংরক্ষিত আসনের জন্য আমি মনোনয়নপত্র তুলব কি না তার এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

  • তানোরে মৎস্যচাষের মটরে অবৈধ সেচ বাণিজ্যে

    তানোরে মৎস্যচাষের মটরে অবৈধ সেচ বাণিজ্যে

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে মৎস্যচাষের মটরে অবৈধ সেচ বাণিজ্যে কৃষকদের মাঝে চরম অসন্তোষ। অবৈধ সেচ বাণিজ্যে বন্ধে। এ মটরের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা না হলে। যে কোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে।
    স্থানীয়রা জানান, তানোরের পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) কুন্দাইন গ্রামের ইউসুফ আলী শিবপুর মৌজায় ডিপের কমান্ড এরিয়ায় একটি পুকুর পাড়ে মৎস্যচাষের নামে মিনি ডিপ স্থাপন করেছেন। কিন্ত্ত নীতিমালা লঙ্ঘন করে আন্ডারগ্রাউন্ড নির্মাণ করে স্কীমে সেচ বাণিজ্যে করছেন। ব্যক্তিগত মটর হওয়ায় তিনি নিজের ইচ্ছেমতো সেচ চার্জ আদায় করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কৃষক জানান, ড্রেন মেরামত, ভোল্টেজ বাড়ানো নানা অজুহাতে কৃষকদের জিম্মি করে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে।
    এতে কৃষকদের মাঝে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।তবে কেউ কোনো প্রতিবাদ করতে পারছেন না। কেউ প্রতিবাদ করলে তার জমিতে সেচ দেয়া বন্ধ করে দিচ্ছেন। অন্যদিকে বাধাইড় ইউনিয়নের (ইউপি)
    শসানতলা গ্রামের শাহজাহান আলী তার বাড়ি থেকে আবাসিক সংযোগ দিয়ে সেচ বানিজ্যে করছে। কৃষকেরা জানান, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা সরাসরি নৌকার বিপক্ষে ভোট দিতে কৃষকদের বাধ্য করেছে। যারা নৌকায় ভোট দিবেন তাদের জমিতে সেচ দেয়া হবে না বলে হুমকি দেয়া হয়। ফলে কৃষকেরা বাধ্য হয়ে নৌকার বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন বলে আলোচনা রয়েছে।
    স্থানীয়রা জানান তানোর পল্লী বিদ্যুৎ যথারীতি এসব অবৈধ মটরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করে জরিমানার নামে বাণিজ্য করছে। অথচ সেচ নীতিমলা অনুয়ায়ী খাবার পানির মটর থেকে কৃষি জমিতে সেচ দেয়া হলে সেই মটরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কথা। এসব অবৈধ মটরের কারণে বিএমডিএ’র অধিকাংশ গভীর নলকুপ লেয়ার ফেল করে অকেজো হয়ে পড়েছে। এব্যাপারে বিএমডিএ তানোর জোনের সহকারী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান বলেন, গভীর নলকুপের কমান্ড এরিয়ায় সেচ মটর স্থাপনের কোনো সুযোগ নাই আর বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার তো প্রশ্নই আসে না এমনকি খাবার পানির মটর থেকে কৃষি জমিতে সেচ দেয়া যাবে না। এব্যাপারে রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি তানোর এরিয়া ম্যানেজার (ডিজিএম) জহুরুল ইসলাম বলেন, খাবার পানির মটর থেকে কৃষি জমিতে সেচ দেয়া যাবে না। তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হবে।#

  • রাজারহাটে পাতানো কমিটিতে প্রধান শিক্ষকের বাণিজ্য

    রাজারহাটে পাতানো কমিটিতে প্রধান শিক্ষকের বাণিজ্য

    রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : তারিখ:০১-০২-২০২৪ইং।কুড়িগ্রামের রাজারহাটে কালীরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে পাতানো কমিটির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাকালীন নিয়োগপ্রাপ্ত তিনজন কর্মচারীর পদ শূন্য দেখিয়ে আয়াসহ ৪টি পদে ৪০ লক্ষ টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।প্রধান শিক্ষকের পাতানো কমিটির নিয়োগ বাণিজ্যের বলি হয়েছেন প্রতিষ্ঠাকালীন তিন কর্মচারী।২০২১ সালের নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে নতুন পদ সৃষ্টি হওয়ায় পূর্বের নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারী এমপিও ভুক্তির সুযোগ সৃষ্টি হলেও প্রধান শিক্ষক তার পাতানো কমিটির মাধ্যমে নতুন জনবল নিয়োগ প্রদান করেন।এঘটনায় চাকুরীচ্যুত বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালীন নৈশ্য প্রহরী নাজিমখান ইউপির সোম নারায়ন গ্রামের অনিল চন্দ্র বণিক,মৃত আবদুল ছাত্তার সরকারের পুত্র পিয়ন সুরুজ্জামান, ঝাড়ুদার আবদুল মতিন কুড়িগ্রাম মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর যৌথ অভিযোগ করেন।গত ২৫ জানুয়ারি পুন:নিয়োগ বাণিজ্যের প্রতিবাদ করায় মুঠোফোনে প্রাণনাশের হুমকি ঘটনায় রাজারহাট থানায় ডায়েরি করেন আলী বকস নামের একজন শিক্ষক।বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠাকালীন পরবর্তীতে নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ে এমপিও ভুক্ত হলেও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে এমপিওভুক্ত না হওয়ায় দীর্ঘদিন মানবেতর জীবনযাপন করেন তিন কর্মচারী।
    প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুল কালাম আজাদের পাতানো কমিটিতে তৃতীয় দফায় বিদ্যালয় গভর্নিং বডির সভাপতি হয়েছেন বড়ভাই রুহুল আমিন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নুর ইসলাম এবং নিকটতম আত্মীয় রফিককে দাতা সদস্য করে পাতানো কমিটির মাধ্যমে বিদ্যালয়ে এ বাণিজ্য করেন।
    অভিযোগকারীরা জানান প্রধান শিক্ষকের ভাই আমেরিকা প্রবাসী হয়েও কর্মস্থলে উপস্থিত না থেকে বেতন ভাতা উত্তোলন করেন।এবিষয়ে কালীরহাট উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুল কালাম আজাদের কাছে জানতে চেয়ে মুঠোফোন বন্ধ রাখা ও বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।রাজারহাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রব বলেন পূর্বের নিয়োগের বিষয়ে আমার জানানেই।বিষয়টি জানার পরে প্রধান শিক্ষকের মোবাইল ফোন অফ পাচ্ছি।পরীক্ষার্থী কতজন উপস্থিত ছিলেন জানতে চাইলে তিনি জানান ৪ পদে ১২জন প্রার্থী নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।এবিষয়ে গভর্নিং বডি সভাপতি রুহুল আমিন বলেন, পুর্বের নিয়োগের বিষয় আমি জানিনা হেডমাস্টার জানবেন। নিয়োগ যদি অবৈধ হয় তাহলে পিয়নরা যা খুশি তাই করবে।কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শামসুল আলম অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন অভিযোগ তদন্ত শেষে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#

    এনামুল হক সরকার
    রাজারহাট কুড়িগ্রাম।

  • আগামী শুক্রবার ফেসবুকে  লাইভ-এ সংঙ্গীত পরিবেশন করবেন খাগড়াছড়ির সুপরিচিত  শিল্পী বিজয় দেব

    আগামী শুক্রবার ফেসবুকে লাইভ-এ সংঙ্গীত পরিবেশন করবেন খাগড়াছড়ির সুপরিচিত শিল্পী বিজয় দেব

    প্রতিনিধি,সদর উপজেলা , খাগড়াছড়ি।

    খাগড়াছড়িতে একক সঙ্গীত নিয়ে ফেইসবুক লাইভ- এ আসছেন সুপরিচিত সঙ্গীত শিল্পী বিজয় দেব। আগামী ২ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার সময় সাংস্কৃতিক সংগঠন খাগড়াছড়ি কালচারাল লাইসিয়াম এর সার্বিক সহযোগিতায় ও বিনোদন বিডি ২৪ ফেসবুক পেইজ এর আয়োজনে লাইভটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

    সঙ্গীত শিল্পী বিজয় দেব এর একক সঙ্গীত অনুষ্ঠানটি উপভোগ করার জন্য সকল দর্শকবৃন্দদের অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। সেই সাথে পেইজটি লাইক দিয়ে সাথে থাকার জন্য অনুরোধ জানান বিনোদন বিডি২৪ এর এডমিন প্যানেল।

    জানা যায়, খাগড়াছড়িতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রান্তিক পর্যায়ের ভালো শিল্পীদের মূল ধারায় তুলে আনতে পৃষ্টপোষকতা দিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের এগিয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছে সাংস্কৃতিক সংগঠন “খাগড়াছড়ি কালচারাল লাইসিয়াম “ও ফেইসবুক পেইজ “বিনোদন বিডি ২৪” এর এডমিন প্যানেল।

    অনুষ্ঠানটিতে সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে খাগড়াছড়ি কালচারাল লাইসিয়াম এর সভাপতি ইউসুফ আদনান, সঙ্গীত শিক্ষক রন্টু দেবনাথ, বিনোদন বিডি ২৪ এর এডমিন নুরুল ইসলাম (টুকু), খাগড়াছড়ির সুপরিচিত সঙ্গীত শিল্পী নিতাই দেবনাথ, পলাশ চৌধুরী, বিজয় দেব, সুমন দে,সাংবাদিক মিঠুন সাহাসহ প্রমুখ।

  • ময়মনসিংহ সিটির ২৯নং ওয়ার্ডকে  মডেল হিসেবে গড়তে কাউন্সিলর হতে চান শিবলু

    ময়মনসিংহ সিটির ২৯নং ওয়ার্ডকে মডেল হিসেবে গড়তে কাউন্সিলর হতে চান শিবলু

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    শ্রমিকদের ন্যায্য দাবী ও অধিকার বাস্তবায়নের আন্দোলনের মেঠো পথ পেরিয়ে শ্রমিক রাজনীতিতে প্রবেশ করেছে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের বর্ধিত অংশ সাবেক দাপুনিয়া ইউনিয়নের একাংশ নিয়ে গঠিত ২৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা জাতীয় শ্রমিকলীগ সদর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব শিবলু মাহমুদ। তিনি ২৯নং ওয়ার্ডকে উন্নয়নের মাধ্যমে পরিবর্তন করে পরিচ্ছন্ন ও স্মার্ট এলাকা হিসাবে গড়তে চান।

    স্কুল জীবনেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতির প্রতি তীব্র নেশা জাগে এই তরুণ শ্রমিক নেতার। দীর্ঘদিন বঙ্গবন্ধু আদর্শ বাস্তবায়নে রাজনীতি করতে গিয়ে হয়রানিমূলক মামলাও মোকাবিলা করতে হয়েছে। তবুও হাল ছাড়েননি রাজনীতিতে। তাইতো তিনি এবার আসন্ন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ২৯নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদে অংশ গ্রহন করার জন্য আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে দোয়া ও সহযোগীতা চেয়ে বেড়াচ্ছেন ।

    ইতিমধ্যে- আগামী ৯মার্চ ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি নিয়ে ইতিমধ্য তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী এবার ১৩ফেব্রুয়ারী মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ দিন, ১৫ ফেব্রুয়ারী মনোনয়নপত্র বাছাই, ১৬-১৮ ফেব্রুয়ারী রিটানিং অফিসার কর্তৃক বাছাই সিদ্বান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের,১৯-২০ ফেব্রুয়ারী আপিলে নিষ্পত্তি ও প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ফেব্রুয়ারী।

    এদিকে নির্বাচন সামনে রেখে ইতোমধ্যেই তোড়জোড় শুরু করেছেন সম্ভাব্য ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীরা। প্রতিদিন উঠান বৈঠক ও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাওয়ার মধ্য দিয়ে রাতদিন গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন কাউন্সিলর প্রার্থীরা।

    অন্যান্য প্রার্থীদের ন্যায় ২৯নং ওয়ার্ড এলাকাকে ডিজিটাল ও স্মার্ট ওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে গণসংযোগ করছেন সদর উপজেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সদস্য সচিব, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ইকরামুল হক টিটুর বিশ্বস্ত আস্থাভাজন শিবলু মাহমুদ। বিগত পাঁচ বছরে অবহেলা ও সঠিক নেতৃত্বের অভাবে নাগরিক সুবিধাবঞ্চিত ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দারা। এবার নির্বাচিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে তার স্বপ্নের সুখী সমৃদ্ধ এলাকা হিসাবে ২৯নং ওয়ার্ডকে উন্নয়নের মাধ্যমে এগিয়ে নিতে চান এই শ্রমিকনেতা । সেই লক্ষ নিয়ে তিনি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসাবে এলাকায় নিয়মিত ভোটারদের কাছে ছুটছেন। দিচ্ছেন নানান ধরনের আশ্বাস ও প্রতিশ্রুতি। এর মধ্যে তিনি বেশ কয়েকটি উঠান বৈঠক ও সভা করেছেন। ভোটারদের কাছ থেকেও ভালো সাড়া পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

    কাউন্সিলর প্রার্থী শিবলু মাহমুদ বলেন, আমি এই ওয়ার্ডের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে ছিলাম। ভবিষ্যতেও পাশে থেকে কাজ করতে চাই। আমি নির্বাচিত হলে এই ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলব। সারা দেশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নয়নের যে জোয়ার বইছে সেই জোয়ারে সাথে ২৯ নং ওয়ার্ডকেও এগিয়ে নিতে চাই। যদি ২৯ নং ওয়ার্ডবাসী আমাকে সুযোগ প্রদান করে তাহলে আমি এই ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, স্মার্ট ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলব ইনশাআল্লাহ।

  • নোয়াখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ৩ শ্রমিকের মৃত্যু

    নোয়াখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ৩ শ্রমিকের মৃত্যু

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)
    নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ৩ (তিন) নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।নিহতরা সদর উপজেলার উত্তর ওয়াফদা গ্রামের মো.জামাল মজুমদারের ছেলে শাকিল (২০), সোনাপুর এলাকার রিয়াজ (২৮) ও কুমিল্লার চান্দিনা এলাকার বাসিন্দা কামরুল (৩০)। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের আবেদ সাইফুল কালাম চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে মাটিতে পাইপ পাইলিংয়ের কাজ করতে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। কিছু দিন আগে উপজেলার দুর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন আবেদ সাইফুল কালাম চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে একটি ব্যক্তি মালিকানা ভবনের প্রথম ধাপের কাজ শুরু হয়। সকাল ৯টার দিকে পাঁচ শ্রমিক আরেকজন ঠিকাদারের অধীনে সেখানে পাইলিংয়ের কাজ করতে যায়। দুপুর ১২টার দিকে দুইজন শ্রমিক পার্শ্ববর্তী দোকানে নাস্তা করতে যায়। তখন অপর তিন শ্রমিক দোকানে না গিয়ে পাইপ পাইলিংয়ের কাজ করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা মাটি থেকে পাইলিংয়ের পাইপ টেনে তুললে গেলে ওপরে থাকা বিদ্যুতের তারে স্পৃষ্ট হয়ে তিন শ্রমিক ঘটনাস্থলে মারা যায়। পরে দুই শ্রমিক এসে দেখতে পেয়ে তাদের উদ্ধার করে চৌমুহনী বাজারের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করে।

    বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
    মো.আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। মরদেহ বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা আছে।বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ব্যাঙের ছাতার মতো যেখানে-সেখানে সমিতির জমজমাট ভাবে চলছে চড়া সুদের কারবার

    ব্যাঙের ছাতার মতো যেখানে-সেখানে সমিতির জমজমাট ভাবে চলছে চড়া সুদের কারবার

    হেলাল শেখঃ রাজধানী ঢাকা ও সাভার আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় সহজ সরল মানুষকে কৌশলে সমিতির ফাঁদে ফেলে চড়া সুদের কারবার জমজমাট ভাবে করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা, প্রতিদিনই নেওয়া হয় কিস্তির টাকা। এর আগে এক মা ও মেয়েকে গাছের সাথে বেঁধে নির্যাতন করার অভিযোগে থানায় মামলা হয়। অভিযোগ রয়েছে, একাধিক সমিতির পরিচালক স য়ের কোটি কোটি টাকা নিয়ে পালিয়েছে। সরকারি আইনের তোয়াক্কা না করে তারা এই কারবার করছে বলে অনেক অভিযোগ রয়েছে। গাজীপুরের পর এবার আশুলিয়ার নরসিংহপুর, জামগড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় সমবায় সমিতিসহ নামে বে-নামে অনেক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক চড়া সুদের কারবার করতে নারীদের চাকুরি দিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা ও ধর্ষণসহ একাধিক অনৈতিক কর্মকান্ড করার অভিযোগ পাওয়া যায়।
    বুধবার (৩১ জানুয়ারি ২০২৪ইং) জানা গেছে, এর আগে সমবায় সমিতির এক নারী ম্যানেজার আশুলিয়া থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন, এ অভিযোগে বলা হয় উক্ত বিবাদী আমাকে আমার বেতনের টাকা না দিয়ে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমাকে ধর্ষণ করে। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, উক্ত সিদ্দিক একজন খারাপ প্রকৃতির লোক, তার প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার সময় অনেক মেয়ের উপর অত্যাচার ও ধর্ষণ চেষ্টা করার প্রমান তিনি নিজে। তিনিও দোষ করেছেন বলে স্বীকার করেন। এ ব্যাপারে বক্তব্য নিতে গেলে, আশুলিয়ার ‘নরসিংহপুর একতা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিঃ এর পরিচালক মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানের নারী ম্যানেজার ও নারী কর্মীর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় অভিযোগ করেছি। আমার বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টা বা ধর্ষণের যে অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা। এ দিকে গণমাধ্যম কর্মীদেরকে অনৈতিকভাবে ম্যানেজ করার জন্য অনেক চেষ্টা করে তিনি ব্যর্থ হোন। আবু বক্কর সিদ্দিক দিনাজপুর জেলার বিরুল থানার নাগরবাড়ী এলাকার রহিতুল্লাহর ছেলে। পুরো বিষয়টি রহস্যজনক বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
    জানা গেছে, এর আগে গাজীপুর ও ঢাকার আশুলিয়ায় সুদের টাকা নিয়ে অনেকেই সর্বশান্ত হয়েছে আর দিশেহারা হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন অনেকেই। গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈরে সুদের টাকার জন্য মোছাঃ মমতাজ বেগম (৪০), ও তার মেয়ে মাহবুবা আক্তার ঝুমা (১৬) কে গাছের সাথে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে এর আগে। কালিয়াকৈর উপজেলার ফুলবাড়িয়া এলাকার সিরাজপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের স্ত্রী মমতাজ বেগম ও তার মেয়ের নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন মহল। উক্ত মা ও মেয়েকে যারা নির্যাতন করেছে, তাদের এই অপরাধের বিষয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন অনেকেই। সারাদেশে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা গ্রাম গঞ্জের ও শহরের পাড়া মহল্লায় মানুষকে কৌশলে জিম্মি করে সুদের কারবার করছে, তারা অনেকেই সরকারি আইনের তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে চড়া সুদের জমজমাট ব্যবসা করছে। টাকা দিতে দেরি হলে টর্চার রুমে নির্যাতন করারও অভিযোগ রয়েছে।
    কালিয়াকৈর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ওসি রাজীব চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে জানান, গত ১১ ফেব্রয়ারি ২০২১ইং উপজেলার সিরাজপুর এলাকায় সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় মমতাজ বেগম ও তার মেয়ে মাহবুবা আক্তার ঝুমাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয়। এ বিষয়ে বিধবা নারী মমতাজ বেগম বাদী হয়ে ওইদিন রাতেই ৮জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করার জন্য অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের আলোকে শুক্রবার (১২ফেব্রুয়ারি ২০২১ইং) একটি মামলা রেকর্ড করা হয়। মামলা নং ৩২/ তারিখঃ ১২/০২/২০২১ইং। এ মামলায় সিরাজ গ্রামের মৃত মুক্তার হোসেনের ছেলে মোঃ সবুজ মিয়া (৪৫) কে পুলিশ গ্রেফতার করে। গত পাঁচ বছর আগে মমতাজ বেগমের স্বামী আব্দুর রশিদ মারা যান। এরপর মমতাজ বেগম তার একমাত্র মেয়ে ঝুমাকে নিয়ে বন বিভাগের জমিতে বসবাস করে আসছেন। এ ছাড়া তিনি পোশাক কারখানায় কাজ করে অনেক কষ্টে তার মেয়ে ঝুমাকে লেখাপড়া করাচ্ছেন। অভাব-অনটনের মধ্যে কোনরকম ভাবে তাদের সংসার চলে। কিন্তু সুদের কারবারীসহ একটি চক্রের ফাঁদে পড়ে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সুদ কারবারিদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েন মমতাজ বেগম। এর পরে তাকে বাধ্য হয়ে স্থানীয় আব্দুল গফুর ও মনির হোসেনসহ বেশ কয়েক জনের কাছ থেকে সুদে টাকা নিতে হয়েছে বলে জানান।
    মামলা সূত্রে জানা গেছে, সুদের টাকা নেওয়ার দুই মাস পর থেকে ওই সুদের টাকা আদায় করতে বিভিন্ন ধরণের হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছিলো গফুর-মনিররা। এ নিয়ে গত ১ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় মাতব্বরদের মধ্যস্থতা করে সুদের টাকা পরিশোধের জন্য এক মাসের সময় বেঁধে দেন তারা। কিন্তু সেই সময় শেষ না হতেই আব্দুল গফুর ও তার স্ত্রী কুলসুম বেগম, ছেলে রিপন হোসেন এবং মনির হোসেন ও তার স্ত্রী শিল্পী বেগম, মেয়ে মুক্তা আক্তার, ছেলে শহিদ হোসেন ও স্থানীয় নয়ন হোসেনসহ ওই দিন বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মমতাজ বেগমের বাড়ি ঘেরাও করে সুদের টাকা আদায় করতে তারা মমতাজ বেগমকে একটি গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে মারধর করতে থাকে, এসময় মাকে মারধরের হাত থেকে বাঁচাতে গেলে তার কিশোরী মেয়ে ঝুমাকে একই গাছের সাথে বেঁধে রাখে এবং মারধর করে তারা। এই দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করতে গেলে মমতাজের ছোট বোন মেহেরিন সুলতানাকেও তারা গাছের সঙ্গে বাঁধার চেষ্টা করে। মা-মেয়েকে গাছের সঙ্গে বেঁধে প্রায় এক ঘন্টা ধরে নির্যাতন চালায় তারা। তবে এলাকাবাসী অনেকে বিষয়টি দেখলেও তাদেরকে উদ্ধার না করে এড়িয়ে গেছেন। এ সময় কৌশলে ভুক্তভোগী মমতাজ বেগমের বোন মেহেরিন পুলিশের জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এ ফোন করেন। খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ভুক্তভোগী নির্যাতনের শিকার মা ও মেয়েকে উদ্ধার করেন। তবে পুলিশ আসার খবর পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
    নির্যাতিতা মমতাজ বেগম গণমাধ্যমকে বলেন, প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে প্রায় তিন লাখ টাকা হারিয়েছি। এখন ওই টাকার জন্য সুদে টাকা নিতে হয়েছে, ওই টাকা যোগাড় করতে আব্দুল গফুর ও মনির হেসেনের পরিবারসহ কয়েকজনের কাছ থেকে সুদে টাকা নিতে হয়েছে। টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ইব্রাহীম এক মাসের সময় দিয়েছেন, আমি ওই টাকা ফেরত দেবো। কিন্তু ওই সময় শেষ হওয়ার আগেই তারা আমার বাড়ি ঘেরাও করে আর আমাকে ও আমার মেয়েকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করাসহ বিভিন্নভাবে নির্যাতন করেছে। স্থানীয়রা জানান, ভুক্তভোগীদের নির্যাতনের ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসা করার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। এদিকে অভিযুক্ত গফুরসহ সুদ কারবারীরা তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা বলে এড়িয়ে যান। এ ব্যাপারে কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনোয়ার হোসেন চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোনে খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে গিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, এবং এ ঘটনার সাথে জড়িত বাকী আসামীদেরকে গ্রেফতা করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।
    গাজীপুর, আশুলিয়া, সাভার, ধামরাইসহ বিভিন্ন এলাকায় গত ৫ বছর ধরে সমিতির নামে লাখ লাখ কোটি কোটি টাকা দিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন শত শত মানুষ। আশুলিয়ায় চেতনা নামের একটি প্রতিষ্ঠান মানুষের কোটি কোটি টাকা নিয়েছে, পল্লী চিকিৎসক মোশারফ এর মতো অনেকেই সর্বশান্ত হয়েছেন। সমাজ সেবা অফিসার, পুলিশ প্রশাসন ও র‌্যাব জানায়, অভিযোগ পেলে দোষীদের আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। পর্ব-১।

  • গভীর নলকুপ অপারেটরের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ কৃষক

    গভীর নলকুপ অপারেটরের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ কৃষক

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর কাঁকনহাট পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের সেরা পাড়া মাঠে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) একটি গভীর নলকুপ অপারেটরের দৌরাত্ম্যে কৃষকেরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। ড্রেন মেরামত, লাইনম্যান, পাহারাদার ইত্যাদি অজুহাতে কৃষেকর কাছে থেকে জোরপুর্বক টাকা আদায় করছে অপারেটর। এদিকে অপারেটরের অপসারণ এবং স্কীমভুক্ত কৃষকের মতামতের ভিত্তিতে নতুন অপারেটর নিয়োগ ও সমিতির মাধ্যমে নলকুপ পরিচালনার দাবিতে কৃষকের বিএমডিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে আবেদন করেছেন।
    জানা গেছে, কাঁকনহাট পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের সেরা পাড়া মাঠে অবস্থিত গভীর নলকুপের অপারেটর মানুর পুত্র
    আব্দুল্লাহ হেল কাফি। সেচ নিয়ে তিনি রীতিমতো জল জমিদারী শুরু করেছেন। এতে স্কীমের কৃষকেরা ফুঁসে উঠেছে। এসব কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চিত্র চাপা পড়ে যাচ্ছে। স্থানীয় সাংসদ ও দলের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আবার পাহারাদারের নামে টাকা আদায় করা হলেও পাহারাদার না রাখায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি হলে। কৃষকের ওপর দায় চাপিয়ে তাদের কাছে থেকে বিঘা প্রতি ৫শ’ থেকে হাজার টাকা করে আদায় করা হয়। তার স্কীমে প্রায় ৩০০ বিঘা জমি রয়েছে।এছাড়াও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সে স্কীমের সাধারণ কৃষকদের জিম্মি করে নৌকার বিপক্ষে ভোট প্রদানে বাধ্য করেছেন বলেও আলোচনা রয়েছে।
    এদিকে কাফি আওয়ামী লীগের সুবিধা নিয়ে অপারেটর হয়েছেন। কিন্ত্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সরাসরি প্রকাশ্যে নৌকার বিপক্ষে কাঁচি প্রতিকের ভোট করেছেন। এনিয়ে কৃষকদের মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সেচ চার্জের নামে ও নানা অজুহাতে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা নিয়ে যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কায় কৃষকেরা শঙ্কিত হয়ে উঠেছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে অপারেটর আব্দুল্লাহ হেল কাফি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি নিয়মানুসারে ডিপ চালাচ্ছেন। তিনি বলেন, সব ডিপেই বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি হলে কৃষকের কাছে থেকে টাকা নেয়া হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাঁকনহাট বিএমডিএ’র সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ সরকার বলেন,দ্রুত অপারেটর পরিবর্তন করা হবে। #

  • নড়াইলে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী কুমড়া বড়ি তৈরি করে সংসার চালান নারীরা

    নড়াইলে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী কুমড়া বড়ি তৈরি করে সংসার চালান নারীরা

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি//

    নড়াইলে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী কুমড়া বড়ি তৈরি করে সংসার চালান নারীরা। কুমড়ার বড়ি তৈরি করে সংসার চলে নড়াইলের ব্রাহ্মনডাঙা গ্রামের নারীদের। কলাই ডাল বেটে তাতে চাল-কুমড়া মিশিয়ে তৈরি হয় এই বড়ি। প্রতি বছরই কার্তিক থেকে চৈত্র মাস পর্যন্ত গ্রামটিতে ধুম পড়ে যায় বড়ি তৈরি করার কাজে। বছরের এই ৫ মাস বেশির ভাগ পরিবারগুলোর আয়ের একমাত্র উৎস এই বড়ি বিক্রি। ডালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিক্রয় মূল্য না বাড়লে বড়ি উৎপাদন করা দুরুহ হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন তারা। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, কারিগর মিনতি কুন্ডু জানান, বাজার থেকে ডাল ক্রয় করে রাতে ভিজেয়ে কাক ডাকা ভোরে সে ডাল মেশিনে ভাঙিয়ে উজ্জল রোদে ডাল ও চাল-কুমড়ার মিশ্রণ রোদে শুকিয়ে তৈরি করা হয় কুমড়া বড়ি। নরম অবস্থায় এগুলো পাতলা কাপড়ে ও মাচায় সারি সারি করে রোদে রাখা হয় শুকানোর জন্য। ভালো করে শুকিয়ে তা বাজারে বিক্রয় করা হয়। কাছেই রুপগঞ্চ বাজারে আমরা এগুলো বিক্রি করি কখনো ৩০ টাকা কখনো ৫০ টাকা প্রতি কেজিতে লাভ হয়। এখন আগের মতো লাভ হয় না প্রতিটা জিনিসের দাম বেশি। এই বিক্রি আমাদের সংসার চলে। প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ কেজি বিক্রয় করতে পারি। এতে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা থাকে। এই কাজে আমার পরিবারের অন্য সদস্যরা সাহায্য করে।

    মিনতি আরও জানান, ১০-১২ বছর আমি এই কুমড়ো বড়ি তৈরি করি, এতে সংসার খুব একটা ভালোভাবে চলে না। এইকাজ শিখেছি তাই করি।

    নারী উদ্যেক্তা নন্দিতা বোস বলেন, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য কুমড়ো বড়ি বাজারের অন্য পন্যের তুলনায় দামের দিক থেকে অনেক কম। ভালো বাজার পেলে সারাদেশে তুমুল জনপ্রিয় এই খাবার বিক্রি করি গ্রামের এই নারীরাও স্বাবলম্বী হতে পারবে। নড়াইল সদর উপজেলার ব্রাহ্মনডাঙ্গা গ্রামের অনেক নারী এই কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। অনেকে ২৫ থেকে ৩০ বছর ধরে এই কাজ করছেন।

    নড়াইল সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মাদ রোকনুজ্জামান বলেন, বাংলার ঐতিহ্য কুমড়ার বড়ি, সারাদেশে তুমুল জনপ্রিয় মূল উপকরণ চাল-কুমড়া, মাসকলাই যা নড়াইলে ব্যাপক চাষাবাদ হয়। এ ক্ষেত্রে গ্রামের মহিলারা এই কাজে আত্মনিয়োগ করে তারা যে কুমড়ার বড়ি তৈরি করছেন এতে তাদের যেমন কার্মসংস্থান হচ্ছে সেই সঙ্গে তারা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। উন্নিতবাজার ব্যবস্থা ও কারিগরি সহযোগিতা পেলে তারা আরও উৎসাহী হয়ে এই কাজে আত্মনিয়োগ করবে। এই কার্যক্রম যদি আমরা সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে পারি বাজার ব্যবস্থা উন্নত করতে পারি তাহলে অনেকেই এই কাজে এগিয়ে আসবে।

    বর্তমানে প্রতি কেজি বড়ি তারা ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা করে বিক্রি করে থাকেন। যেখানে প্রতি কেজি ডালের বাজার মূল্য ১৫০ থেকে দুই শ’ টাকা পর্যন্ত। প্রতি কেজি বড়ি বিক্রয় করে ৩০ থেকে ৫০ টাকা লাভ হয়। প্রতিদিন ৫ থেকে ১০ কেজি বিক্রয় করেন বলে জানান এই কাজে নিয়েজিত নারীরা।