Blog

  • র‌্যাব-১২ ও র‌্যাব-১ এর যৌথ অভিযানে হত্যাকান্ডের প্রধান আসামিসহ ২ জন গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২ ও র‌্যাব-১ এর যৌথ অভিযানে হত্যাকান্ডের প্রধান আসামিসহ ২ জন গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২ সদর কোম্পানি ও র‌্যাব-১, সিপিএসসি গাজীপুরের যৌথ অভিযানে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশের চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডের প্রধান আসামিসহ ০২ জন গ্রেফতার।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় গত ০২ ফেব্রæয়ারি ২০২৪ খ্রি. রাত ২২.০০ ঘটিকার সময় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি ও র‌্যাব-১, সিপিএসসি গাজীপুরের যৌথ আভিযানিক দল ‘‘গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানার দুস্য নারায়নপুর এলাকায়’’ অভিযান পরিচালনা করে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডের ঘটনার এজাহারনামীয় ০২ জন আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামিগণ ১। মোঃ আরিফুল ইসলাম (২৮), পিতা- মোঃ নজরুল ফকির, ২। মোঃ নজরুল ফকির (৪৮), পিতা- মৃত ইসমাঈল ফকির, সর্ব সাং- ভাটারা, থানা- তাড়াশ, জেলা- সিরাজগঞ্জ।

    ৩। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় যে, ধৃত আসামিদের সাথে বাদী মোঃ জহির উদ্দিন এর পরিবারের পারিবারিক কলহ ছিল। সেই শত্রæতার জেরে গত ০৮-০১-২০২৪ খ্রি. তারিখে আসামিগণ পূর্বপরিকল্পিতভাবে মোঃ জহির উদ্দিনের স্ত্রী, ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ও মা’কে বাঁশের লাঠি, লোহার রড, সাবল প্রভৃতি দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে মারপিট করে শরীরের বিভিন্নস্থানে ফোলা জখম করে। প্রতিবেশীরা সবাইকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। ভিকটিম ফাতেমা বেগম (৬০) এর শারীরিক অবস্থা বেশি খারাপ হলে তাকে জরুরী বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিম ফাতেমাকে মৃত ঘোষণা করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের ছেলে বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং-১৬, তারিখ ১২-০১-২০২৪ ধারাঃ- ১৪৩/৪৪৮/১২৩/৩২৫/৩০৭/১০২/৩৫৪/১১৪/৩৪ পেনাল কোড।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিদেরকে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।

    তথ্যদিন-

    মোহাম্মদ ইলিয়াস খান

    স্কোয়াড্রন লীডার

    কোম্পানি কমান্ডার

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি, সিরাজগঞ্জ।

  • ধরা পড়ায় তদন্ত কর্মকর্তাকে কেটে ফেলার হুমকী বিনা ছুটিতে এক পরিবার কল্যাণ সহকারীর কর্মস্থলে অনুপস্থিত নিয়ে তোলপাড়

    ধরা পড়ায় তদন্ত কর্মকর্তাকে কেটে ফেলার হুমকী বিনা ছুটিতে এক পরিবার কল্যাণ সহকারীর কর্মস্থলে অনুপস্থিত নিয়ে তোলপাড়

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলায় জেসমিন আরা খাতুন নামে এক পরিবার কল্যান সহকারী বিনা ছুটিতে ২১ দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি পরিবার কল্যান সহকারী হিসেবে কাপাশহাটিয়া ২/খ ইউনিটে কর্মরত আছেন। এদিকে বিনা ছুটিতে ও দাপ্তরীক অনাপত্তি নিয়ে ভারতে গমন করার কথা নিজেই ফাঁস করে বিপাকে পড়েছেন জেসমিন। এ ঘটনা নিয়ে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠনের পর জেসমিন ও তার স্বজনরা তদন্ত কর্মকর্তা ডাঃ তানিয়া আক্তার তৃপ্তিকে মোবাইল ফোনে কেটে ফেলার হুমকী দিচ্ছেন বলে জানা গেছে। হরিণাকুন্ডু উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) নাছরিন জানান, গত বছরের ডিসেম্বর জেসমিন আরা আমার কাছে ছুটির জন্য আসেন। কিন্তু সামনে জাতীয় নির্বাচন হওয়ায় তার ছুটি প্রদানের কোন বিধান ছিল না। এরপর তিনি কোন আবেদন ছাড়াই ২১ দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তিনি দুটি পাক্ষিক সভায় অংশ গ্রহন করেনি এবং এক মাসে তার মাসিক রিপোর্টও দেননি। বিষয়টি কাপাশহাটিয়া ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম ফিল্ড ভিজিট করে প্রতিবেদন দিলে তাকেও মুঠোফোনে ও ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে হুমকী প্রদান করেন জেসমিন এবং তার স্বামী জাহিদ। এরপর শুনি তিনি আমার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেছেন এবং হরিণাকুন্ডু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে ছুটি নিয়ে ভারতে গেছেন বলেও পত্রিকায় খবর বেরিয়েছে। কিন্তু হরিণাকুন্ডু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তার হোসেন জেসমিনকে ভারতে যাবার জন্য কোন ছুটি দেন বলে তাকে (নাছরিনকে) জানিয়েছেন। নাছরিন আরো জানান পুরো বিষয়টি আমি উধ্বর্তন কর্মকর্তাকে লিখিত ভাবে জানিয়েছি। ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন অফিস সুত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর জেসমিন ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য মেডিকেল বোর্ডে আসেন। একজন সিনিয়র স্টাফ নার্সের উপস্থিতিতে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে চাইলে তিনি রাজি হননি। তবে তিনি রোগের লক্ষন বর্ননায় বলেছেন, তার স্তনে তীব্র জ্বালাপোড়া হচ্ছে, কিন্তু কোন প্রকার টিউমার জাতীয় রোগের কথা উল্লেখ করননি এবং এ সংক্রান্ত কোন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারকেও দেখাননি। এ অবস্থায় জেসমিনকে দেশের মধ্যে কোন স্তন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে দেখানোর পরামর্শ দেন ঝিনাইদহ সিভিল সার্জনের তত্বাবধানে গঠিত মেডিকেল বোর্ড। মেডিকেল বোর্ডে সিভিল সার্জন ডাঃ শুভ্রা রানী দেবনাথ, জুনিয়র কনঃ ডাঃ মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান ও সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ ফারজানা ইয়াসমিন। বিষয়টি ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন অফিস গত বছরের ১০ অক্টোবর ১৮৫৪ নং স্মারকে উপ-পরিচালক, ঝিনাইদহ পরিবার পরিকল্পনা বিভাগকে জানানো হয়। পরিবার কল্যান সহকারী জেসমিন আরা জানান, ২০২৩ সালের জুন মাস থেকে আমি অসুস্থ। তখন থেকেই ছুটি চাচ্ছি কিন্তু দেয়নি। আমি একজন ক্যান্সার রোগী। দয়া করে যদি পারেন, আপনারা আমার জন্য ছুটির ব্যবস্থা করুন, যাতে আমি দ্রæত চিকিৎসা হতে পারি। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যা হচ্ছে সবই অপপ্রচার। আমি কারো হুমকী দেয়নি। আমি সবার কাছে ন্যায় বিচার চাই। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডাঃ মোজাম্মেল হক জানান, তার দপ্তরে জেসমিনের কোন ছুটির আবেদন নেই। তবে ঢালাও ভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে তার বিরুদ্ধে দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে জেসমিনের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।।

  • ব্যাংক এশিয়া’র কোটচাঁদপুর আউটলেট থেকে গ্রাহকের প্রায় ৬৩ লাখ টাকা গায়েব

    ব্যাংক এশিয়া’র কোটচাঁদপুর আউটলেট থেকে গ্রাহকের প্রায় ৬৩ লাখ টাকা গায়েব

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর ব্যাংক এশিয়ার এজেণ্ট ব্যাংকিং থেকে প্রবাসি’র প্রায় ৬৩ লাখ টাকা গায়েব হয়েছে। এ নিয়ে কোটচাঁদপুরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নেমেছে ব্যাংক এশিয়া। ব্যাংক এশিয়ার কোটচাঁদপুরের আউটলেটে দায়িত্বে থাকা রাজিবুল কবির রাজিবে বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। কোটচাঁদপুর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের কুয়েত প্রবাসী রোকনুজ্জামান রোকন অভিযোগ করেন, তিনি গত ২০ বছর ধরে কুয়েতে থাকেন। ২০১৯ সালে তিনি দেশে এসে কোটচাঁদপুর ব্যাংক এশিয়া এজেণ্ট ব্যাংকে একটি সঞ্চায়ী হিসাব খুলে লেনদেন করতে থাকেন। যার হিসাব নং-১০৮৩৪৪৪০০৬১০৬। এ সময় এজেণ্ট ব্যাংকিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন কোটচাঁদপুর শহরের মৃত কাওসার মÐলের ছেলে মনিরুল ইসলাম। ২০২০ সালের ২ মার্চ ব্যাংক এশিয়ার এজেণ্ট আউটলেটে ৪০ লাখ ও ১০ লাখ টাকার পৃথক দুইটি মাসিক মুনাফা সঞ্চায়ী হিসাব খোলেন। যার দুটি হিসাব নং- ১০৮২৭৪৪০০০০০৮ ও ১০৮২৭৪৪০০০০০৯। এ দুটি হিসাবের মেয়াদ পূর্তির তারিখ ছিল ২০২৩ সালের ১৫ ফেব্রয়ারি। এ সময় বলা হয়েছিল প্রতি মাসে ৩৫ হাজার টাকা লভ্যাংশ দেবে ব্যাংক। সে অনুযায়ী একাউণ্ট গুলিতে ৩ বছরে লভ্যাংশ ও মূলধনসহ প্রায় ৬৩ লাখ টাকা জমা হওয়ার কথা। অথচ প্রবাসী রোকন ২০২৩ সালের জুলাই মাসে দেশে ফিরে ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে গেলে তিনি জানতে পারেন প্রবাসে থাকা অবস্থায় তার সমুদয় টাকা তিনটি একাউণ্ট থেকে গায়েব হয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে ভ‚ক্তভোগী রোকনুজ্জামান রোকন ইতি মধ্যে এজেণ্ট ব্যাংকিং ডিভিশন, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড ঢাকা, ব্যাংক এশিয়া ঝিনাইদহ শাখা ও বাংলাদেশ ব্যাংকে অভিযোগ দাখিল করেন। রোকনুজ্জামান জানান, দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে খুব কষ্ট করে এই টাকা জমিয়েছিলেন। বিশ্বাস করে এতো টাকা ব্যাংকে আমানত রেখেছিলাম। এখন টাকা হারিয়ে চরম বিপদে পড়েছি। তিনি অভিযোগ করেন, আউটলেটের সাথে ব্যাংক এশিয়ার কিছু কর্মকর্তারা এই অর্থ লোপাটের সঙ্গে জড়িত। অনুসন্ধান করে জানা গেছে, ২০২১ সালে ব্যাংক এশিয়ার আউটলেটের দায়িত্বে থাকা মনিরুল ইসলাম ব্যাংকের দায়িত্বভার (ব্যাংকের অনুমতিক্রমে) তার আপন ভাই ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ সদস্য রাজিবুল কবির রাজিবের কাছে দেন। এরপর মনিরুল ইসলাম ডাচ বাংলা ব্যাংক ঝিনাইদহ শাখায় যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে আউটলেটের দায়িত্বে থাকা রাজিব প্রবাসে থাকা রোকনুজ্জামান রোকনের মাসিক মুনাফা সঞ্চায়ী হিসাব দু’টি ভেঙ্গে ফেলে সমুদয় টাকা প্রবাসী রোকনের আরেকটি সঞ্চায়ী হিসাব নং-১০৮৩৪৪৪০০৬১০৬-এ নিয়ে আসেন। এই হিসাব থেকে রাজিব নিজের দুটি হিসাব নম্বরে প্রায় ৩০ লাখ টাকা ট্রান্সফার করেন। বাকী টাকা আরো ২ থেকে ৩টি গ্রাহকের হিসাব নম্বরে নিয়ে আসেন। পরে ওই গ্রাহকদের হিসাব থেকেও টাকা গুলি তুলে নেন রাজিব। গ্রাহকের হিসাব থেকে মোট অংকের টাকা তোলা হলেও তারা জানতে পারেননি। নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক একাধীক ব্যাংক কর্মকর্তারা বলেন, হিসাব খোলার শুরুতেই টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে আঙ্গুলের ছাপ জ্বালিয়াতি করা হয়েছে। যে কারণে পূর্বে আউটলেটের দায়িত্বে থাকা মনিরুল ইসলাম ও তার ভাই ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ সদস্য রাজিবুল কবির রাজিবকে এই জালিয়াতির দায় নিতে হবে। কেননা মনিরুল ইসলাম আউটলেটে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় আঙ্গুলের ছাপ জালিয়াতি করেছেন। পরে তার ভাই রাজিবুল কবির রাজিব আউটলেটের দায়িত্বে এসে গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ করেন। ব্যাংক এশিয়ার ঝিনাইদহ শাখার ম্যানেজার সাইফুর রহমান বলেন, গ্রাহক রোকনুজ্জামান রোকনের আবেদন আমরা পেয়েছি। আমাদের হেড অফিসে কর্তারা বিষয়টি জেনেছেন। জালিয়াতির বিষয়টি আমাদের কাছে পরিস্কার। টাকা উদ্ধারের পদক্ষেপ নিচ্ছে হেড অফিস। এ বিষয়ে কোটচাঁদপুরের এলাঙ্গী ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান খান বলেন, টাকা জালিয়াতির বিষয়টি রাজিব স্বীকার করে টাকা ফিরিয়ে দেয়ার কথা বলেছিলো। অথচ এখন সে বলছে টাকা আমি দিতে পারবো না। পারলে ব্যাংক আমার বিরুদ্ধে মামলা করে টাকা আদায় করে নিক। এখন আমি আর কি করতে পারি ? এদিকে এ ঘটনা এলাকায় জানাজানি হওয়ায় রাজিব আত্মসাৎকৃত টাকা নিয়ে দোবাই পাড়ি জমানোর পায়তারা চালাচ্ছে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে । যে কোন সময় সে দেশ ত্যাগ করতে পারে। ফলে এশিয়া ব্যাংকের আউটলেটের সাধারণ গ্রাহকরা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছেন। বিষয়টি নিয়ে কোটচাঁদপুর ব্যাংক এশিয়ার আউটলেটের সাবেক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানান, ২০২১ সালে ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী আমার ভাই রাজিবুল কবির রাজিবকে দায়িত্ব দিয়ে এসিছিলাম। এখন যদি আউটলেটে কোন অপকর্ম হয়ে থাকে, সে দায় তার ভাই রাজিবের। তবে রাজিব জানান, টাকা ফেরৎ দেবার জন্য সময়ের প্রয়োজন। সময় হলেই তিনি টাকা গ্রাহককে বুঝিয়ে দিবেন।

  • রাজশাহীর ২ উপজেলায়  ৬ দিনে ২২ কোটি টাকার   ২২ কেজি  হেরোইন উদ্ধার

    রাজশাহীর ২ উপজেলায় ৬ দিনে ২২ কোটি টাকার ২২ কেজি হেরোইন উদ্ধার

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ বাংলাদেশ ও ভারতের মাদক চোরাকারবারীরা একজোট হয়ে বিজিবি, বিএসএফ এর চোখ ফাঁকি দিয়ে রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী পথগুলি দিয়ে বিষবাষ্পের মত পাচার করছে বড় বড় হেরোইনের চালান। এ অবৈধ মাদক কারবারের সাথে জড়িত ব্যক্তিগণ স্বল্প সময়ে অঙ্গুল ফুলে কলাগাছ তার পর বটবৃক্ষ হয়েছেন। স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয়, পুলিশ, র‌্যাবসহ বিভিন্ন সংস্থার তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীগণ প্রশাসনের অসৎ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে বীরদাপটে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে।

    ১৫/২০ আগে যারা রাজমিস্ত্রির জোগালী, কুলিঘিরি, সাইকেল মেকার, কৃষি শ্রমিক, মাছের আড়তের শ্রমিক, সিদ্ধডিম বিক্রেতা, বাজারে বিভিন্ন দোকানে কামলা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও
    হেরোইনের বদলতে লটারিতে প্রথম পুরস্কার পাওয়ার মতো এখন কোটি কোটি অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন। নির্বাচনে কাল টাকার প্রভাব খাটিয়ে হয়েছেন মেয়র, চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর, কথিত রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন মহিশালবাড়ী গোরস্থান বাজার, গোদাগাড়ী, প্রেমতলীবাজারসহ বিভিন্ন বাজারে ৪/৭টি দোকান বরাদ্ধ নিয়ে শাড়ী, নুঙ্গি, বেডসিট, কাপড়, গার্মেন্টস, জুতা স্যান্ডেল, সোনার দোকানসহ নানা ধরনের দোকান ও কর্মচারী নিয়ে বসে আছেন, কেউ কেউ আবার গরু, মহিষ, হাঁস মুরগীর কথিত খামার করে বসে আছেন।

    সঙ্গত কারনে আইন প্রয়োগকারি সংস্থার সদস্যগণের নিকট ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে। ওই সব দোকানে তেমন বেচা কেনা না হলেও দিন দিন অবস্থার পরিবর্তন হতে দেখা যাচ্ছে। ওই সব এলাকায় চলে মাদক কারবার।

    এসব মাদক ব্যবসায়ীদের পদ্মা নদীর ওপারে মানিক চক, কোদলকাটি, আলাতুলি, চর অনুপনগর, বগচর, চাটাইডিগি, ক্লাবঘাট, জালিয়াপাড়া এবং নদীর এপারে মাদারপুর, ডাঙ্গাপাড়া, পুরাতন মহিউদ্দীন কলেজ, শিবসাগর, সিএন্ডবি, গড়ের মাঠ, আদর্শপাড়া, হেলিপেড, হাটপাড়া, সুলতানগজ্ঞ, সারাংপুর প্রেমতুলী, বিদিরপুর, পিরিজপুর, বসন্তপুর প্রভূতি এলাকায়। শুধু কি তাই রাজশাহী, ঢাকা, পাবনা, বগুড়া, চিটাগাং প্রভূতি এলাকায় রয়েছে বিলাসবহুল, রাজকীয় বাড়ী, মার্কেট। এদের নামে বেনামে সম্পদের পাহাড় দেখে মনে হয় রুপকথার গল্পকেও হারমানায়। বিজিবি, পুলিশ, ডিবিপুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যগণ যখন পদ্মানদীর ওপারে অভিযান পরিচালনা করে তখন তারা এপারে রাজকীয় বাড়ী আশ্রয় গ্রহন করেন এবং পারে অভিযান শুরু করলে, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা পাবনা বগুড়ায় পালিয়ে যায়।

    গত ৩১ জানুয়ারি বিকেলে গোদাগাড়ী উপজেলার রাজাবাড়ী হাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৫০০ গ্রাম হেরোইনসহ রুবেল ( সুমন) (২৯) কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৫। আরএমপি রাজপাড়া থানার আলীগঞ্জ আদর্শগ্রাম এলাকার মাহাতাবের ছেলে। উদ্ধারকৃত হেরোইনের মূল্য ৫০ লাখ টাকা।

    গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি আব্দুল মতিনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে শনিবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ১১টা থেকে রাত তিনটা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ৮কেজি ৪০০ গ্রাম উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হেরোইন গুলোর আনুমানিক মূল্য ৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
    এই ঘটনায় পলাতক আসামী করে খামারের মালিক ওই গ্রামের আজিজুল হক বানুর ছেলে ফরিদুল ইসলাম ও বাড়ীর কেয়ারটেকার মহিশালবাড়ী গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে সোহেল রানার নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওই খামার বাড়িতে অভিযান চালানোর সময় বাড়ির মালিক ফরিদুল ও কেয়ারটেকার সোহেল রানা কৌশলে দেওয়াল টপকিয়ে পালিয়ে যায়। তাদের ধাওয়া দিলে আটক করা সম্ভব হয়নি।
    পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুর রহমান (পিপিএম) বলেন, ফরিদুল ও সোহেল চিহ্নিত মাদক কারবারি। তাদের বিরুদ্ধে এর আগেও মাদকের মামলা হয়েছে। জামিনে বের হয়ে আবারও মাদক কারবারে জড়িয়ে যাচ্ছে। তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ করতো। এই দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

    একই ডিবি পুলিশ গোদাগাড়ী থানা এলাকা হতে খুব ভোরে অভিযান পরিচালনা করে ৩০০ (তিনশত) গ্রাম অবৈধ হেরোইনসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে।

    গত ২৭ জানুয়ারী মধ্যরাতে অপরাধ বিরোধী অভিযান চলাকালে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) সদস্যরা রাজশাহী চাঁপাই নবাবগঞ্জ সড়কের পাশে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৫ কেজি হেরোইন উদ্ধার করেছেন। উদ্ধারকৃত হেরোইনের মূল্য ৫ কোটি টাকা বলে জানা গেছে।

    গত ২১ জানুয়ারী ৮৪০ গ্রাম হেরোইনসহ জন পেশাদার মাদক কারবারী মোঃ জহুরুল ইসলাম ওরফে বাদলকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) র‌্যাব-৫।
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন চর আলাতুলি ইউনিয়নের মধ্যচর গ্রামের মোঃ জহুরুল ইসলাম ওরফে বাদল (৪১) পিতা- মোঃ সাইফুল ইসলাম, স্থায়ী সাং- সরকার পাড়া বর্তমানে মধ্যচর, থানা- সদর, জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর পূর্বমুখী বসতবাড়ির পূর্বমূখী টিনের ছাপড়া রান্নাঘরের মাটির চুলার ভিতর হইতে ৮৪০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধারসহ গ্রেফতারকৃত হেরোইনের মূল্য ৭৫ লাখ টাকা। গ্রেফতারকৃত আসামীকে অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য হেরোইন অজ্ঞাত স্থান হতে গোপনে সংগ্রহ করিয়া রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করিয়া আসিতেছিল। উক্ত আসামী একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী বলিয়া এলাকায় পরিচিত। তাহার বিরুদ্ধে আরএমপি এর বোয়ালিয়া থানার এফআইআর নং-১৮, তারিখ- ০৪ নভেম্বর, ২০২০; জি আর নং-৭৩৯, তারিখ- ০৪ নভেম্বর, ২০২০; ধারা- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ৮(গ)/৪১ বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের উক্ত গ্রেফতারকৃত আসামীকে অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য হেরোইন অজ্ঞাত স্থান হতে গোপনে সংগ্রহ করিয়া রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করিয়া আসিতেছিল।
    গ্রেফতারকৃত উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানায় এজাহার মুলে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    গত ১৯ জানুয়ারী সিপিএসসি, র‌্যাব-৫ কর্তৃক চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানাধীন দূর্গম চর হতে অভিনব কায়দায় মাটির নীচে পোতানো অবস্থায় ০৫ কেজি ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক সম্রাজ্ঞী মোছাঃ রোকসানা (৩৮) আটক করা হয়।

    র‌্যাব জানায়, ঘটনার দিন ৪ টা ৪৫ মিনিটের সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানাধীন চরকোদালকাটি শান্তিপাড়া এলাকায় অপারেশন পরিচালনা করে ০৫ কেজি ১০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা এর সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে মাদক সম্রাজ্ঞী মোছাঃ রোকসানা (৩৮)কে গ্রেফতার করা হয়। তার স্বামীর নাম মোঃ আলম, পিতার মোঃ ইব্রাহিম। বাড়ী চাঁপাই সদর উপজেলার চরকোদালকাটি শান্তিপাড়া গ্রামে। অবৈধ মাদক ব্যবসা করে শূন্য থেকে আঙ্গলফুলে কলাগাছ তারপর বটবৃক্ষ হয়েছেন। উদ্ধারকৃত হেরোইনের মূল্য ৫ কোটি টাকা।
    এব্যপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

    গত বছর ৩০ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৩ ঘটিকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানাধীন চর দেবীনগর নামক এলাকায় অপারেশন পরিচালনা করে ২ কেজি উদ্ধারসহ মাদক সম্রাট মোর্তজা আলীকে গ্রেফতার করেন।

    গ্রেফতারকৃত মোঃ মোর্তজা আলী (২৮) এর পিতার নাম মৃত সাইদুর রহমান, বাড়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জ’ জেলার সদর উপজেলার
    চর দেবীনগর (ইব্রাহিম মন্ডলের টোল), গ্রামে।

    র‌্যাব-৫ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫, রাজশাহীর সিপিএসসি, মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল জানতে পারে যে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানাধীন চর দেবীনগর (ইব্রাহিম মন্ডলের টোল) গ্রামস্থ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ মোর্তজা আলী (২৮), পিতা-মৃত সাইদুর রহমান এর বসত বাড়ীতে অবৈধ মাদকদ্রব্য হেরোইন এর একটি বড় চালান পাচারের জন্য ক্ষণিকের জন্য মজুদ করে রেখেছে এবং উক্ত মাদকের চালান রাতেই পাচার হবে। এরই প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল মাদক ব্যাবসায়ী মোঃ মোর্তজা আলী এর বসত বাড়ীতে পৌঁছে বাড়ীর চতুরদিক ঘেরাও কালে ০১ জন ব্যক্তি রাতের আধারে পালিয়ে যায় এবং ০১ জন ব্যক্তি বাড়ির ভিতর হতে গেট খুলে পালানোর চেষ্টাকালে র‌্যাবের টিম তাকে হাতে নাতে আটক করে। আটককৃত ব্যক্তিকে হেরোইনের চালানের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে অস্বীকার করে। পরবর্তীতে র‌্যাবের আভিযানিক দল দীর্ঘ সময় আটককৃত ব্যক্তির বসতবাড়ী তল্লাশী করে তার শয়নকক্ষে সানসেটের উপরে অভিনব কায়দায় লুকায়িত অবস্থায় উক্ত মাদকদ্রব্য হেরোইন উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

    আটককৃত মোর্তজা আলীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, সে একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। সে দীর্ঘদিন যাবত অজ্ঞাত স্থান থেকে মাদকদ্রব্য হেরোইন সংগ্রহ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী জেলার বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট সরবরাহ করে। ইতিপূর্বে মাদকের আরো কয়েকটি চালান পাচার করেছিল বলে স্বীকার করে।
    এ ঘটনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • এলজিএসপি কাজে অনিয়ম তেঁতুলিয়ায় নির্মাণের আট মাসের মাথায় ভেঙ্গে পড়ল কালভার্ট

    এলজিএসপি কাজে অনিয়ম তেঁতুলিয়ায় নির্মাণের আট মাসের মাথায় ভেঙ্গে পড়ল কালভার্ট

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের নন্দগছ এলাকায় লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট-৩ (এলজিএসপি-৩) নির্মাণের একটি বক্স কালভাট আট মাসের মাথায় ভেঙে পড়েছে। গত মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) কালভার্ট ভেঙে যাওয়ার এই ঘটনাটি ঘটে। বর্তমানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে গ্রামের বাসিন্দা। তড়িঘড়ি করে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে যেনতেনভাবে কালভার্টটি নির্মাণ করার কারণেই ভেঙ্গে গেছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছে।

    জানা যায়, এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের আওতায় ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের ইউপি উন্নয়ন সহায়তা তহবিল (পিবিজি)’র ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা ব্যয়ে গত সালের জুলাই মাসের দিকে এই কালভার্ট নির্মাণ করা হয়। স্কিমের নাম দেওয়া হয় নন্দগছ মফিজুলের দোকানের পূর্ব পার্শ্বে কালভার্ট নির্মাণ।

    এলাকাবাসী জানান, সাত মাস আগে উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের নন্দগছ সীমান্তবর্তী গ্রামের রাস্তায় এই কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়। বর্ষায় এটির নিচ দিয়ে দুপাশের মাঠের পানি প্রবাহিত হয়। আর সারা বছরই কালভার্টটির ওপর দিয়ে যাতায়াত করে আশপাশের মানুষ। গত বছরের বর্ষায় পুরোনো কালভার্টটি ভেঙে গেলে ওই কালভার্টের বেইজ স্লাবকে কাজে লাগিয়ে এই কালভার্টটি নির্র্মাণ করা হয়েছে। নতুন এই কালভার্টে পুরোনো কালভার্টের ইটকে কাজে লাগানোর কথাও জানতে পারা গেছে।
    এদিকে সরেজমিনে গিয়ে ওই ইউনিয়নের এলজিএসপির কয়েকটি স্কিমের নির্মিত কাজের খোঁজখবর নিয়ে ও স্থির চিত্রে জানা যায়, নির্মিত ইউ ড্রেইন ও কালভার্ট এস্টিমেট বা সিডিউল অনুযায়ী নির্মাণ করা হয়নি এবং নির্মাণ সামগ্রীতে ইটের মান ব্যবহৃত হয়েছে নিম্ন মানের। এরমধ্যে ইউনিয়নের সুরিগছ এলাকায় নির্মিত কালভার্টে সাড়ে ৪ফুট এর স্থলে প্রস্থ করা হয়েছে সাড়ে ৩ফুট। এছাড়া অন্যান্য স্কিমের কথা তো রয়েই গেছে।

    স্কিমের ওয়ার্ড সভাপতি আইবুল হক মুঠোফোনে বলেন, ‘ইট বোঝায় একটি ট্রাক কালভার্টের উপর দিয়ে যাওয়ায় ভেঙে গেছে। ভেঙে দেওয়া ইটের গাড়ীটিতে আটকিয়ে রাখলেন না কেন? এমন জিজ্ঞাসায় তিনি বলেন, গাড়ির ইটগুলো ওখানকার প্রতিবেশি নিজস্ব দোকানদারের ছিল তাই আটকিয়ে রাখা হয়নি। পিকআপ যাওয়ার কারণে কালভার্ট ভোঙে গিয়েছে জিজ্ঞাসায় তিনি বলেন, আমাকে তো ভাই এভাবে বলে বুঝাতে হবে।’

    অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত দেবনগড় ইউনিয়ন পরিষদ সচিব আশুতোষ সরকার মুঠোফোনে বলেন, তিনি এ বিষয়ে কোনো কিছুই বলতে পারছেননা, অফিস খোলার দিন অফিসে এসেই বিষয়টি দেখবেন।

    ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছলেমান আলী বলেন, ‘তিনি তার পরিষদের সদস্যদের মাঝে কাজের স্কিম গুলো বন্টন করে দিয়েছেন। কিছু স্কিমের কাজের অনিয়ম জিজ্ঞাসায় তিনি বলেন, কোনটি কি পরিমাপের এস্টিমেট না দেখলে বলা যাচ্ছেনা। তবে সাত মাস আগে ভেঙে যাওয়া ওই কালভার্ট যখন নির্মাণ কাজ চলছিল ওই সময় তিনি টপ স্লাব ঢালাইয়ের দিন সেখানে গেছেন।

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফজলে রাব্বি বলেন, তিনি এ বিষয়ে অবগত নন। জানতে পেরে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা তিনি জানিয়েছেন।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • রাজশাহীর সংরক্ষিত আসন অনেকের টার্গেট, এগিয়ে মর্জিনা

    রাজশাহীর সংরক্ষিত আসন অনেকের টার্গেট, এগিয়ে মর্জিনা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত হয়েছে সংসদ। এবার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি নির্বাচনের পালা। যাঁরা দলের মনোনয়ন পান, তাঁরাই হন সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি। এবার রাজশাহী থেকে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় এক ডজন নেত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হবার আলোচনায় রয়েছেন। তাঁদের অনেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। এবার আলোচনা ও পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন মর্জিনা পারভিন। স্থানীয়দের অভিমত, সাংগঠনিক দক্ষতা, নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মানসিকতা বিবেচনা করে প্রার্থী দেয়া হলে মর্জিনার মনোনয়ন প্রায় নিশ্চিত। এছাড়াও আলোচনায় রয়েছে মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইফফাত আরা কামাল ও শাহীন আক্তার রেনী সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মনোনয়ন চান। তবে তৃণমুলের ভাষ্য, মেয়র পরিবার থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি করা হলে রাজশাহীর রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র কায়েম হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই তারা রাসিক মেয়র পরিবারের বাইরের কাউকে এখানে দেখতে চাই। এছাড়াও নেতৃত্বের বিকাশ ঘটাতে নতুন মুখ চাই। অন্যদিকে
    রাজশাহীর বর্তমান সংরক্ষিত এমপি আদিবা আনজুম মিতা এবারও মনোনয়ন পেতে জোর তদবির করছেন। এ ছাড়াও এবার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হতে চান রাজশাহী মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সালমা রেজা, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইফফাত আরা কামাল, সাধারণ সম্পাদক নাসরিন আখতার মিতা, সহসভাপতি রোকসানা মেহেবুব চপলা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পূর্ণিমা ভট্টাচার্য, মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য নিঘাত পারভীনসহ জেলা ও মহানগরের আরও কয়েকজন নারী। এছাড়াও মালিহা জামান মালাও আছেন আলোচনায়। বর্তমানে তিনি মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। তবে মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন মর্জিনা পারভিন।
    জানা গেছে, সুখী সমৃদ্ধ স্মার্ট স্বছন্দময়ী সদা হাস্যউজ্জল একটি মানুষ । যার নাম মর্জিনা পারভিন । উত্তর বঙ্গের অন্যতম আদর্শিক, পরিক্ষিত ও শ্রেষ্ঠ নারী নেতৃত্ব মর্জিনা পারভিন। রাজশাহীবাসীর প্রাণপ্রিয় নেত্রী রাজপথের লড়াকু ও সাহসী সম্মুখ যোদ্ধা তৃণমূল থেকে তিলে তিলে গড়ে উঠা আদর্শের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত মর্জিনা পারভিন । পারিবারিকভাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত । গতানুগতিক রাজনীতির স্রোতে তিনি কখানোই গা-ভাসিয়ে দেননি। সব সময় থেকেছেন মুল ধারার সঙ্গে এখানো রয়েছেন অবিচল। বিগত ১৯৯৫ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত রাজশাহী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ও ২০০৫ থেকে অদ্যাবধি ২০২৪ সাল পর্যন্ত সভাপতি পদে আসীন রয়েছেন । তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে এমনকি অনেক জায়গায় তাকে হাসতে হয় । এই হাসির আড়ালে যে কতো কান্না লুকিয়ে আছে কেউকি তা খোঁজে ? চরম অসুস্হতাকে হার মানিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে দলকে সংঘবদ্ধ করার জন্য সবাইকে এক কাতারে নিয়ে এসে দলীয় কর্মসূচি করেছেন, মিছিল-মিটিং আরও কত কী! এসব করতে যেয়েও কতবার অসুস্হ হয়েছেন।এখানে কর্মসূচি ওখানে কর্মসূচি দিন নাই রাত নাই একইভাবে দলের জন্য কাজ করে গেছেন । মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা মনে করে , তার পরিশ্রম বৃথা যাবে না , অবশ্যই আকাঙ্খিত স্বপ্ন পূরণ হবে । তারুণ্য , পেরিয়ে যৌবনে শুধুই মিছিল আর পিকেটিং এর মধ্যে জীবন কাটিয়ে আজ বার্ধক্যে । অসুস্থ না হলে কোন রাজনৈতিক কর্মসূচি কখনো অনুপস্থিত থাকেনি । বিগত ২০০৮ এর নির্বাচনে রাজশাহী থেকে সংরক্ষিত আসনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার তাকে এমপি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয় নি । সে সময় দ্বিতীয় বারের মতো প্রয়াত জিন্নাতুন নেশা তালুকদারকে মনোনয়ন দেওয়া হয় । মর্জিনা পারভীনের মতো আদর্শিক, পরিক্ষিত ও ত্যাগী নেত্রী এখানকার সময়ে এদেশে খুঁজে পাওয়া বড় কঠিন । যিনি ২৪ ঘন্টায় জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন রাজনীতির কথা ভেবে তিনি সাংসারিক জীবনে যাননি , তিনি কোন চাকরি করেন নি । কখনও নিজের কথা ভাবেননি । কারো মতো লোভ লালসা ও নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য নয় , একনিষ্ঠ রাজনৈতিক নেত্রী হিসেবে মর্জিনা পারভীন রাজশাহীর সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হিসেবে যোগ্য প্রার্থী বলে নেতাকর্মীরা মনে করছেন। ভালোবাসা টানে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগে একনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য, নিজের জীবনের সুখকে ত্যাগ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ নিয়ে এবং জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে একনিষ্ঠভাবে দলের জন্য কাজ করে চলেছেন
    রাজশাহী মহিলা আওয়ামীলীগের তৃণমূল থেকে নেত্রী পর্যায়ের সকলের একই চিন্তাভাবনা দ্বাদশ জাতীয় সংসদের পর রাজশাহী থেকে সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি হিসেবে রাজশাহী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মর্জিনা পারভীন যোগ্য বাক্তি তার বিকল্প নাই বলে নেতাকর্মীরা মনে করেন । তিনি ২০০৫ সাল থেকে এ যাবৎ সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এ ছাড়া তিনি রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছাড়াও বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন ।
    মর্জিনা পারভীনের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলে জানা গেলো, জননেত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে রাজশাহীর সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হওয়ার সুযোগ করে দিলে তিনি সংসদে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন। এবং রাজশাহীবাসীর বিবিধ সমস্যা তুলে ধরতে পারবেন।মহিলা আওয়ামী লীগের অনেকেই সংসদে প্রতিনিধিত্ব করে চলেছেন। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের টিকিট নিয়ে অনেকেই এমপি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। যারা সরাসরি ভোটে এমপি হতে পারেননি, এমন অনেককে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি করার নজির রয়েছে। অনেকে মন্ত্রীও হয়েছেন। তাই তিনি মনে করেন , দলের নিকট সংরক্ষিত আসনের এমপি, হিসেবে মনোনয়ন চাইবেন । দলীয় প্রধান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি তাকে যোগ্য মনে করেন ,তাহলে তাকে মনোনয়ন দেবে বলে তিনি আশা রাখেন । তিনি রাজশাহীর সর্বস্তরের মহিলা ও সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে চান । বাংলাদেশের পাশাপাশি রাজশাহী যেন এগিয়ে যেতে পারে তিনি সে লক্ষে কাজ করে যাবেন এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ রক্ষা করে রাজনীতির পথ পাড়ি দিবেন ।মর্জিনা পারভীনের রাজনীতি শুরু হয় ১৯৮৬ সাল থেকে । তিনি ছাত্রী অবস্থায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার ইউসুফ আলী কলেজ শাখার সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন । মজির্না পারভীনের পিতা প্রয়াত আবুল কাশেম ছিলেন একজন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। মাতা প্রয়াত সালেহা বেগম গৃহিনী। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বাবাকে পাক হানাদার বাহিনী ক্যাম্পে ধরে নিয়ে নির্মম নির্যাতন করেন এবং হত্যার উদ্দেশ্যে তার পিতাসহ অন্যদের লাইনে দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ার করলেও তিনি সৌভাগ্য ক্রমে বেঁচে যান । পরে সেখান থেকে পালিয়ে এসে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মর্জিনা পারভীনের পিতাকে হত্যা করতে না পেরে তার নানা ও নানার ভাইকে ক্যাম্পে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। তার বড় ভাই প্রয়াত কায়েস উদ্দিন ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। মর্জিনা পারভীনের আরেকভাই এ্যাড. আফসার আলী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। বড় বোন মাতুয়ারা বেগম গোমস্তাপুর উপজেলার মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। সেজো ভাই আব্দুল লতিফ রাজশাহী মহানগর কৃষকলীগের সহ-সভাপতি। ছোট ভাই মনিমুল হক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র লীগের সাবেক সহ-সভাপতিসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তার অন্যান্য আত্নীয় স্বজন সকলেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন।।পরবর্তীতে রাজশাহী শহরে এসে বোয়ালিয়া থানাধীন রাজারহাটা এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।রাজশাহী মহিলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত হওয়ার পর তিনি ২০০৫ সাল থেকে সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিগত ২০০৭-
    ২০০৮ সালে ১/১১ সরকার দেশে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেন।এ সময় মর্জিনা পারভিন রাজশাহী মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেশরত্ন ও জননেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ এবং মুক্তির দাবীতে রাজপথে তীব্র আন্দোলন গড়ে
    তোলেন।#

  • নড়াইলে ১ম বিভাগ ভলিবল লীগ পুরুষ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এসপি মেহেদী হাসানকে ফুলেল শুভেচ্ছা

    নড়াইলে ১ম বিভাগ ভলিবল লীগ পুরুষ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এসপি মেহেদী হাসানকে ফুলেল শুভেচ্ছা

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে ১ম বিভাগ ভলিবল লীগ পুরুষ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এসপি মেহেদী হাসানকে ফুলেল শুভেচ্ছা। নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ১ম বিভাগ ভলিবল লীগ (পুরুষ) ২০২৩-২০২৪ এর সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগদান করেন নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার ও নড়াইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি মোহাঃ মেহেদী হাসান। সমাপনী অনুষ্ঠানে আয়োজক কমিটি পুলিশ সুপারকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করেন। পরবর্তীতে তিনি খেলার উভয় দলের খেলোয়ারদের সাথে পরিচিত হন এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান তার বক্তব্যে বলেন, নড়াইল জেলা পুলিশের সদস্যগণ ডিউটির ফাঁকে ফাঁকে পুলিশ লাইন্স মাঠে সব ধরনের খেলাধুলা করে। ভবিষ্যতে নড়াইল জেলায় অনুষ্ঠিতব্য সব ধরনের খেলায় নড়াইল জেলা পুলিশের একটি টিম থাকবে। খেলা শেষে তিনি বিজয়ী ও বিজিত দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে এ সময় মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী, জেলা প্রশাসক, নড়াইল ও সভাপতি, নড়াইল জেলা ক্রীড়া সংস্থা প্রকৌশলী মানিক কুমার বিশ্বাস, সভাপতি, ভলিবল পরিষদ, নড়াইল জেলা ক্রীড়া সংস্থাসহ জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • উজিরপুরে স্ত্রীর প্রেমিকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে  যুবকের হাত, পা ভেঙ্গে মধ্যযুগীয় কায়দায় নি*র্যাতন

    উজিরপুরে স্ত্রীর প্রেমিকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে যুবকের হাত, পা ভেঙ্গে মধ্যযুগীয় কায়দায় নি*র্যাতন

    জুনায়েদ খান সিয়াম,
    উজিরপুর প্রতিনিধি ঃ বরিশালের উজিরপুরে এক প্রসাবীর স্ত্রীকে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে অন্তরঙ্গ মুহুর্ত দেখে ফেলায় এক যুবককে মধ্যযুগীয় কায়দায় কুপিয়ে ও পিটিয়ে দুই পা ও হাত ভেঙে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে ওই যুবক। মামলার ৮ দিন অতিবাহিত হলেও রহস্যজনক কারণে আসামীকে গ্রেফতার করতে পারছেনা পুলিশ। এদিকে অসহায় গুরুত্বর আহত যুবক টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর প্রহর গুনছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় গত ২৫ জানুয়ারী রাত ১০টায় উজিরপুর উপজেলার পূর্ব নারায়নপুর গ্রামের মৃত আলম হাওলাদারের ছেলে তাইজুল ইসলাম টিপু(৩০) কে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মোফাজ্জেল হোসেন এর বাড়ীর সামনে ওৎ পেতে থেকে একই এলাকার সন্ত্রাসী রিফাত হোসেন(২৩), আনোয়ার হোসেন(৫০), রাজিব চৌকিদার(৩৪), জাহিদ মুন্সি(৩৫), মাদকব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম(৪০), মৃদুল হাওলাদার(২০) সহ আরো ৪/৫ জন মিলে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাথালীভাবে পিটিয়ে ও কুপিয়ে টিপুর ২ পা ও হাত গুরিয়ে দেয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় তার সাথে থাকা স্বর্ণের চেইন সহ ৮২ হাজার টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়। আহতর ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বানারীপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে অবস্থার আরো অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এদিকে ঘটনার পরে ২৭ জানুয়ারী আহতের মা তাহমিনা বেগম উজিরপুর মডেল থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করলেও কোন আসামী গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এব্যাপারে আহত টিপুর চাচা আমীর হোসেন হাওলাদার ও শাহীন হাওলাদার জানান আসামীদের আত্মীয় স্বজন প্রভাবশালী হওয়ায় এবং উজিরপুর উপজেলার শোলক গ্রামের এক এন.এস.আই কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে আসামীদের পক্ষে তদবির করছেন তারা। এদিকে হামলার মুল রহস্য খুজতে গিয়ে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসতে শুরু করে। তাইজুল ইসলাম টিপুর ফুফু বৃদ্ধ রাশিদা বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে জানান ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে একই বাড়ীর কাতার প্রবাসী নাসির উদ্দিন হাওলাদারের স্ত্রী আইরিন বেগম(২৫) তাদের বাড়ীর কোয়াটার মাইল দূরে রাত ৩টায় ভবনের কাজ দেখতে বেড় হন। কিছুক্ষণ পড়ে তার পিছু নেন তাইজুল ইসলাম টিপু। সে তার ভাবী আইরিন বেগমকে আপত্তিকর অবস্থায় পরকিয়া প্রেমিকের সাথে দেখতে পান। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হলে তাৎক্ষনিক আইরিন বেগম বাড়ীতে গিয়ে উল্টো দেবর টিপুর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ দেয়। এক পর্যায়ে ঘটনার দুই দিন পরে ওই বাড়ীর সাবেক ইউপি সদস্য সালেক হাওলাদার ও প্রবীন ফুফু রাশিদা বেগম সহ বাড়ীর অন্যান্য লোকজন উভয়কে নিয়ে বৈঠক বসে এবং টিপুকে তাৎক্ষনিক চরথাপ্পর দিয়ে এলাকাছাড়ার নির্দেশ দেন এবং আইরিনকেও সংশোধন হওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। এই ঘটনার জেড়ে আইরিন বেগম এর পিতা একই এলাকার আনোয়ার হোসেন সহ ৬ জন মিলে মুল ঘটনার দুই মাস পরে ২৫ জানুয়ারী রাত ১০টায় হামলা চালিয়ে টিপুকে হাত পা ভেঙ্গে পঙ্গু করে দেয়। ফুফু রাশিদা আরো জানান আমার ভাইয়ের ছেলে টিপু বাচবে না ওর দুটি পা, হাত, কিডনি ও লিবার অচল হয়ে গেছে, মাথায় প্রচন্ড আঘাত, সে এখন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে তাকে বাচাতে এবং আসামীদের গ্রেফতার করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জাফর আহম্মেদ জানান আসামীদের গ্রেফতারের জোড় চেষ্টা চলছে।

  • ডিজিটাল বিশ্বের নেতৃত্ব দেবেন বাংলাদেশের তরুণেরা: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক

    ডিজিটাল বিশ্বের নেতৃত্ব দেবেন বাংলাদেশের তরুণেরা: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক

    হবিগঞ্জ প্রতিনিধি।।
    ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেছেন, ডিজিটাল বিশ্বের নেতৃত্ব দেবেন দেশের মেধাবী তরুণেরা। তাঁদের সুযোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তির ওপর জোর দিতে হবে। আমরা নিজেদেরকে স্মার্ট হিসেবে গড়ে তুললে দেশও স্মার্ট দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে। শনিবার সকাল ১১টায় চুনারুঘাট দক্ষিনা চরন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক জিলুফা সুলতানার সভাপতিত্বে তারুন্যের সভায় তিনি এ কথা গুলো বলেন। সভায় বক্তব্য রাখেন এডভোকেট আবু জাহির,এমপি, ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুর হক সুমন এমপি, এডভোকেট ময়েজ উদ্দিন শরীফ এমপি, হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার আক্তার হোসেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল কাদির লস্কর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলিমা রায়হানা, পৌর মেয়র সাইফুল আলম রুবেল, সাংবাদিক ফারাবী হাফিজ, দেশের অন্যতম র্শীষ ভিডিও ব্লগার সোলায়মান সুখন, তৌহিদ আফ্রিদি, সালমান মুক্তাদির। আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক আরও বলেন, সোনার বাংলা গড়ে তুলতে হলে, সোনার মানুষ তৈরী করতে হবে। আপনারা ভোট দিয়ে ব্যারিস্টার সুমনকে এমপি হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। তাকে নিয়ে আমরা তরুনরা গর্ব করি। আপনারা আগামী ৫ বছর সুমনকে সহযোগীতা করবেন। তার মাধ্যমে এলাকার অনেক কাজ হবে। প্রতিমন্ত্রী আইসিটি বিভাগ থেকে হবিগঞ্জ জেলার ২৬৫ জন প্রশিক্ষনার্থীর মাঝে ল্যাপটব বিতরন করেন।

    সৈয়দ মশিউর রহমান হবিগঞ্জ ।।

  • পটিয়ায় কবির আহমদ সও: স্মৃতি শটপিচ গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    পটিয়ায় কবির আহমদ সও: স্মৃতি শটপিচ গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টার।।
    : পটিয়া লবণ মিল মালিক সমিতির সহ-সভাপতি ও পশ্চিম পটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেছেন, পটিয়া শিক্ষা, সংস্কৃতির পাশা পাশি ক্রীড়াঙ্গন ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস রয়েছে। সেই ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা আমাদের পূণঃজীবিত করতে যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে। এ জন্য বর্তমান প্রজন্মকে লেখা পড়ার পাশাপাশি ক্রীড়ামুখী করে গড়ে তুলতে সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। খেলাধুলা একদিকে যেমন শারীরকে সুস্থ রাখে,অপর দিকে সন্ত্রাস ও মাদকাসক্ত থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করে। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা করলে শরীর ও মন দুই-ই ভালো থাকে। তিনি আগামীতে এই টুর্নামেন্টে চালিয়ে নিতে সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। তিনি ৩ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) পটিয়া পৌরসভা ৪ নং ওয়ার্ডে মাঝের ঘাটা স্পোটিং ক্লাব সংলগ্ন মাঠে মরহুম মোস্তাফিজুর রহমান কালু ফাউন্ডেশনের আয়োজনে হাজী কবির আহমদ সওদাগর স্মৃতি শটপিচ গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
    এ টুর্নামেন্টে মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে। উদ্বোধনী খেলায় চট্টগ্রাম ব্যাংকার্স ফোরাম বনাম গাউছিয়া স্পোটিং ক্লাব অংশ নেন।
    পটিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি ও ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোফরান রানা সভাপতিত্বে ও সাবেক ছাত্রনেতা ব্যাংকার রবিউল হোসেন খোকনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন ইউনিয়ন ব্যাংক শান্তির হাট শাখার ম্যানেজার নূরুল আলম (এসপিও), পটিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল করিম, পৌরসভা যুবলীগ সহ-সভাপতি নোমান টিপু, ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোহেল, সমাজ সেবক নুরুল করিম, হাবিবুর রহমান রিপন, শাহরিয়ার শাহজাহান প্রমুখ।