Blog

  • মহালছড়ি জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অগ্নি নির্বাপন মহড়া অনুষ্ঠিত

    মহালছড়ি জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অগ্নি নির্বাপন মহড়া অনুষ্ঠিত

    (রিপন ওঝা, মহালছড়ি)

    আসন্ন শুষ্ক মৌসুমকে সামনে রেখে খাগড়াছড়ির জেলার মহালছড়ি বাজারে দুর্ঘটনাজনিত অগ্নিকাণ্ড নিরসন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৪ফেব্রুয়ারি রবিবার সকাল ১০.০০ঘটিকায় যৌথ অগ্নিনির্বাপণ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মহালছড়ি বাজারে মহালছড়ি সেনা জোন ও বাজার সেচ্ছাসেবক কমিটির সমন্বয়ে যৌথ অগ্নিনির্বাপণ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।

    মহালছড়ি সেনা জোনের অগ্নিনির্বাপক দল এবং বাজার দোকান মালিক ও স্বেচ্ছাসেবক দল কর্তৃক যৌথভাবে দ্রুততম সময়ে অগ্নিনির্বাপণ এবং অগ্নি নির্বাপক সরঞ্জামাদির সঠিক ব্যবহার সহ অনান্য প্রয়োজনীয় বিষয়াবলি শেখানো হয়।

    এছাড়াও মহড়ায় স্থানীয়দের অগ্নিনির্বাপণ প্রশিক্ষণ প্রদানের পাশাপাশি জরুরি অবস্থায় করণীয় সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ধারণা দেওয়া হয়।

    মহড়ায় মহালছড়ি সেনা জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহরিয়ার শাফকাত ভূইয়া পিএসসি এবং ভারপ্রাপ্ত উপ অধিনায়ক বাজারের সামগ্রিক অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকির প্রয়োজনীয়তা এবং যে কোন জরুরি অবস্থায় করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ জসিম উদ্দিন, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রতন কুমার শীল, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্মকর্তা(তদন্ত) মধুসূদন দত্ত, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, আবাসিক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) বাজার কমিটির সভাপতি ও সদস্যবৃন্দ, ফায়ার সার্ভিস খাগড়াছড়ির প্রতিনিধি ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রতিনিধিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    এই জনসচেতনামূলক উদ্যোগে বাজারের ব্যবসায়ীসহ এলাকাবাসী সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা পোষণ করেন।

  • ঘাটাইলে ধলাপাড়া চাম্বলতলা মাদ্রাসা ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

    ঘাটাইলে ধলাপাড়া চাম্বলতলা মাদ্রাসা ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

    ঘাটাইল প্রতিনিধিঃ মোঃ রায়হান মিয়া
    টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়ন চাম্বলতলা এলাকায় হালিমন হাজেরা স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসার ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। উক্ত মাদ্রাসার প্রধান পৃষ্ঠপোষক, আমেরিকা প্রবাসী মাকসুদা ইসলাম লুপিন,আব্দুল লতিফ তালুকদার ও শহিদুল ইসলাম তালুকদার লিটন,তোবারক হোসেন,লালন তালুকদার, তুহিন তালুকদার।
    (৪ ফেব্রুয়ারি) রবিবার সকাল ১১ টায় এ উপলক্ষে আয়োজিত মাদ্রাসার ভূমিদাতা হাজি আব্দুল হাই তালুকদার সভাপতিত্বে, ইঞ্জিনিয়ার খ.আবদুল হালিম-এর সঞ্চালনায় বিশেষ এসময় উপস্থিত ছিলেন- ডিজাইনার মাকসুদুল হক, মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফেজ মাওলানা শাহ আলম, বুলবুল হায়দার তালুকদার, মোস্তফা তালুকদার, আব্দুল সামাদ, সুলতান মাহমুদ মেলেটারি, নাসিম মন্ডল, কাজী তাহেরুল ইসলাম, শামীম আল মামুন, সেলিম, শামীম, আব্দুল হালিম, শাজাহান মেম্বার, আনিস, বিপ্লব সিকদার, হারুন তালুকদার, তোতা শিকদার, শাহ আলম শিকদার, হানু, বিপ্লব তালুকদার, আব্দুর রশিদ তালুকদার, নাজমুল তালুকদার বিপ্লব সহ স্থাণীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

  • পটিয়ায় শাহেদা আইয়ুব কলির সার্বিক সহযোগিতায় চড়ুই ভাতি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদ্বোধনে- মোতাহেরুল ইসলাম এমপি

    পটিয়ায় শাহেদা আইয়ুব কলির সার্বিক সহযোগিতায় চড়ুই ভাতি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদ্বোধনে- মোতাহেরুল ইসলাম এমপি

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার।।
    চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি বলেছেন, পটিয়া শিক্ষা, সংস্কৃতির পাশা পাশি ক্রীড়াঙ্গন ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস রয়েছে। সেই ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা আমাদের পূণঃজীবিত করতে যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে। এ জন্য বর্তমান প্রজন্মকে লেখা পড়ার পাশাপাশি ক্রীড়ামুখী করে গড়ে তুলতে সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। খেলাধুলা একদিকে যেমন শারীরকে সুস্থ রাখে,অপর দিকে সন্ত্রাস ও মাদকাসক্ত থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করে। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা করলে শরীর ও মন দুই-ই ভালো থাকে। তিনি গতকাল রাতে
    পটিয়া উপজেলার আশিয়া ইউনিয়নে
    দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আলহাজ্ব আইয়ুব আলীর
    সহধর্মিনী শাহেদা আইয়ুব কলির
    সার্বিক সহযোগিতায় চড়ুই ভাতি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদ্বোধনী
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আলহাজ্ব আইয়ুব আলী, উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম,চেয়ারম্যান এম এ হাশেম,মাহবুবুল হক চৌধুরী, এহসানুল হক,ডি এম জমির উদ্দীন, আবু সাহদাত সায়েম,গোলাফুর রহমান মঞ্জু, আয়ুব আলী, এম সাইফুদ্দিন,দস্তগীর চৌধুরী, জাহাঙ্গীর আলম,উদয়ন বড়ুয়া,আবদুর রউফ ভুট্টো। বিজ্ঞপ্তি।।

  • খাগড়াছড়িতে ক্লু-লেস হ*ত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

    খাগড়াছড়িতে ক্লু-লেস হ*ত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

    মিঠুন সাহা, পার্বত্য প্রতিনিধি

    খাগড়াছড়িতে চাঞ্চল্যকর ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও ঘাতককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    জানা যায়, ঘটনার দুই মাস পর প্রযুক্তির সহায়তায় ঘাতক আসামী রাপ্রু মারমাকে রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    গ্রেফতারকৃত রাপ্রু মারমা প্রাথমিকভাবে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ স্বীকার করেছে।

    গত বছরের ১১ নভেম্বর খাগড়াছড়ি পৌরসভার স্বপ্ন মোহন কারবারি এলাকায় তিন রাস্তার মোড়ে ভিকটিম সুজন্ত ত্রিপুরাকে অজ্ঞাতনামা আসামিরা হত্যা করে পালিয়ে যায়।

    খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর সাংবাদিকদের জানান, ভিকটিম সুজন্ত ত্রিপুরা ও রাপ্রু মারমা দুজনই মাদকসেবী এবং তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। হত্যাকাণ্ডের বেশ কিছুদিন পূর্বে তাদের মধ্যে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডা ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরেই রাপ্রু মারমা সুজন্ত ত্রিপুরাকে হত্যা করে। গ্রেফতার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

  • পাহাড়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সুসম বন্টন নিশ্চিত করবো পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি

    পাহাড়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সুসম বন্টন নিশ্চিত করবো পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি

    (রিপন ওঝা,খাগড়াছড়ি)

    খাগড়াছড়ি সদরে মারমা উন্নয়ন সংসদ সদর শাখা কর্তৃক ৩ফেব্রুয়ারি রাতে হলরুমে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

    উক্ত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের জনসংযোগ কর্মকর্তা চিংলামং চৌধুরী ও সাংবাদিক চিংমেপ্রু মারমার সঞ্চালনায় পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী জনাব কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
    তিনি বক্তব্য বলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেছেন, পাহাড়ি-বাংগালি ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত নিরসন এবং পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতা ও বদান্যতার কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামে ০২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে পার্বত্য শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল। তখন থেকেই পার্বত্যঞ্চলের মানুষ সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া শুরু করেছে। তিনি বলেন, পাহাড়িদের সম্প্রীতির বন্ধনে সকলে মিলে পাহাড়ে শান্তিপূণ সহাবস্থান ও সুসম বন্টন নিশ্চিত কাজ করবো।

    পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী জনাব কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি এসময় আরও বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতাকালে পার্বত্য অঞ্চলে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়া থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল, কলেজ, মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও অসংখ্য সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। যে সমস্ত কাজ এখনো অসমাপ্ত রয়েছে তা দ্রুত সমাপ্ত করা হবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন সোনার বাংলা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

    প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, আওয়ামীলীগ সরকারের আগে আরো সরকার এলো-গেলো, কিন্তু পার্বত্য অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক সংঘাত বন্ধ তো করেইনি বরং পাহাড়ি জনমনে আতঙ্ক ও অশান্তি সৃষ্টির পায়তারা চালিয়েছিল তারা। বিএনপি-জামাত পাহাড়ের দীর্ঘ দুই দশকের সমস্যা ও ভাতৃঘাতি সংঘাত বন্ধ করার কোন উদ্যোগই নেয়নি, বরং তা দীর্ঘ সময় জিইয়ে রেখেছিল। আওয়ামীলীগ সরকার দেশের মানুষের কথা ভাবে, দেশের শান্তির কথা ভাবে বলেই পার্বত্য অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক সংঘাত বহুলাংশে বন্ধ করতে পেরেছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের মনে শান্তি সম্প্রীতি ও উন্নয়নের যে স্রোতধারা বহমান রয়েছে তা আগামিতেও অব্যাহত থাকবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করাসহ আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে পরিনত করার লক্ষ্য নিয়ে সকলকে দেশের উন্নয়ন কাজ করার আহ্বান জানান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা,এমপি।

    অনুষ্ঠানে মারমা উন্নয়ন সংসদের পক্ষ থেকে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, এমপি ও সহধর্মিণী মিসেস মল্লিকা ত্রিপুরা শিক্ষিকাসহ আমন্ত্রিত অতিথি সকলকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং উত্তরীয় পড়িয়ে দেয়া হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে মারমা উন্নয়ন সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মংপ্রু চৌধুরীর সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুই প্রু চৌধুরী অপু।

    এসময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন মং সার্কেলের রাজা সাচিংপ্রু চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো চেয়ারম্যান চাইথোঅং মারমা, জেলা পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, জেলা পরিষদের সদস্য মংক্যচিং চৌধুরী, মাউস কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি ম্র্যাগ্য চৌধুরী প্রমুখ। অন্যান্যের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে সম্প্রীতি ও সৌহার্দের বন্ধনে নিবেদিত শিক্ষিকা মিসেস মল্লিকা ত্রিপুরা, মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বাঁশরী মারমাসহ তৃণমূল পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি ও প্রতিটি উপজেলা হতে আগত সুশীল সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন প্যাগোডা বা বিহারের সভাপতি বা প্রতিনিধিগণ।

  • লালমনিরহাটের হাট বাজারের পথের ধারে শীতকালীন বাহারি পিঠা

    লালমনিরহাটের হাট বাজারের পথের ধারে শীতকালীন বাহারি পিঠা

    মোঃহাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
    লালমনিরহাট জেলা কালীগঞ্জ উপজেলার হাট বাজারের রাস্তার ধারেই মিলছে শীতের নানা রকম পিঠা, শীতকালীন পিঠার দোকানগুলোতে এখন জমজমাট বেচা বিক্রি। সকালে ০৬ টা থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত ও সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হওয়া বেচা – কেনা চলে গভীর রাত পর্যন্ত। আর অধিকাংশ দোকানগুলো পরিচালনা করছেন নারীরা। ফলে তাদের বাড়তি আয়েরও সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। জেলার হাট বাজারের এসব দোকানে বাহারি পদের পিঠা রাস্তা-ঘাটে বিক্রি হওয়ায় বাড়িতে তৈরির ঝামেলা এড়িয়ে অধিকাংশ মানুষ পরিবারের সদস্যদের জন্য কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। তবে সরকারি বেসরকারি সহায়তা পেলে এসব দোকানিরা স্থায়ীভাবে সচ্ছলতা অর্জন করতে পারবে বলে মনে করছেন দোকারনদার সংশ্লিষ্টরা। হাট বাজারের সদর রোড থেকে শুরু করে বিভিন্ন হাট বাজারে এখন মিলছে শীতকালীন পিঠাপুলি। বিশেষ করে ব্যস্ত সড়কের পাশে গড়ে উঠেছে এসব পিঠার দোকান। পাঁচ টাকা থেকে ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস পিঠা। আর কিছু পিঠার সাথে মিলছে নানা পদের ভর্তা। আবার ক্রেতার চাহিদার সাথে থাকছে খেজুর গুড় সহ নারকেল দিয়ে পিঠা খাবার সুযোগ। তাইতো এসব দোকানে সব সময়ে ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে। এ ছাড়া বাসায় পিঠা তৈরির ঝামেলা এড়িয়ে অনেকে এসব দোকান থেকে পছন্দ মতো পিঠা বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন।
    বিক্রেতার বলছেন, ‘বছরের এই সময়টা শীতকালীন পিঠার বেচা-বিক্রি বেশি হয়। তাইতো এই সময়ে দোকানিরা স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন যাপন করতে পারেন। বর্তমানে চিতই, চটা, ভাপা, বরাপিঠা, পাটিসাপটা সহ ৫ থেকে ৭ ধরনের পিঠা তৈরি করছেন তারা। আর চিতই ও চটা পিঠা খাওয়ার জন্য থাকছে নারকেল গুর সহ বাহারি পদের ভর্তা। লালমনিরহাট জেলায় নারীদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় অনেকেই ব্যক্তি উদ্যোগে এসব পিঠার দোকান গড়ে তুলেছেন। জেলার বুড়িরহাট, চাপারহাট, শিয়াল খোওয়ারহাট, কাকিনার হাট, তুষভান্ডা, ভুলারহাট, কালভৈরব,লোহাকুচির বাজর,ভোটমারী,সোনারহাট সহ বিভিন্ন এলাকায় এখন নারীরা পিঠা পুলি, চটপটি,সহ ব্যবসায় নিজেদের সম্পৃক্ত করতে শুরু করেছেন।

    হাসমত আলী।।

  • আদিতমারীর ধর্ষণ মামলার আসামী কক্সবাজারে গ্রেফতার

    আদিতমারীর ধর্ষণ মামলার আসামী কক্সবাজারে গ্রেফতার

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।
    লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ধর্ষণ মামলার ইসরাউল হক রানাকে, কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার করেছে আদিতমারী থানা পুলিশ। পুলিশ সুপার লালমনিরহাট সাইফুল ইসলাম দিকনির্দেশনায় আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মাহমুদ উন নবী, নেতৃত্বে আসামিকে গ্রেফতারের নিমিত্তে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় আদিতমারী থানার পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) রফিকুল ইসলাম ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহিদ হাসানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ২ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার জেলার পেকুয়া এলাকায় সেখানকার থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে গ্রেফতার করে আদিতমারী থানায় নিয়ে আসেন। গত(৩ ফেব্রুয়ারি)২০২৪ ইং শনিবার দুপুরে ধর্ষণ মামলার আসামীকে কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসার বিষয়টি সংবাদকর্মীদের নিশ্চিত করেন আদিতমারী থানার ওসি মাহমুদ উন নবী। এসময় সাংবাদিকদের তিনি জানান, দশম শ্রেনীর এক স্কুল ছাত্রীর দায়ের করা ধর্ষণ মামলার আসামি ইসরাউল হক রানাকে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় কক্সবাজারের পেকুয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আসামিকে কক্সবাজার থেকে আদিতমারী থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি। ওসি আরো জানান, ওই স্কুল ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিয়ের চাপ দেয়ায় বিয়েতে অস্বীকৃতি জানায় ধর্ষণকারী। পরে আত্নগোপনে চলে যায় রানা। তিনি কক্সবাজারের পেকুয়া এলাকায় কাজল নামের এক খামারীর বাড়িতে ছদ্দবেশে গরুর খামারে কাজ করত। এমন খবরের সুত্র ধরে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওসি তদন্ত রফিকুল ইসলাম এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ সেখানকার পুলিশের সহায়তায় রানাকে গ্রেফতার করেন।
    মামলা সূত্রে জানা গেছে, দশম শ্রেণীর এক ছাত্রী বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় প্রতিদিনই তাকে বিরক্ত করত রানা। বিভিন্ন সময় প্রেমের প্রস্তাব দিতো। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ের প্রলোভনে আত্মীয়ের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে রানা। এতে ওই স্কুল ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিয়ের চাপ দেয়ায় বিয়েতে অস্বীকৃতি জানায় ধর্ষণকারী। পরে আত্নগোপনে চলে যায় রানা। এভাবে কালক্ষেপণ করলে গত ২১ জানুয়ারি লালমনিরহাটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ওই স্কুল ছাত্রী একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেয়। পরে ওই ছাত্রী বাদী হয়ে আদিতমারী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

    হাসমত উল্লাহ ।।

  • পাইকগাছায় পাখি শিকার রোধে লিফলেট বিতরণ

    পাইকগাছায় পাখি শিকার রোধে লিফলেট বিতরণ

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা, খুলনা ॥
    পাইকগাছায় পাখি শিকার রোধে গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট বিতারণ করা হয়েছে।পরিবেশবাদী সংগঠন বনবিবি’র উদ্যোগে ৩ ফেব্রুয়ারি শনিবার ১টায় উপজেলার নতুন বাজার ও বোয়ালিয়া মোড়ে লিফলেট বিতারণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশবাদী সংগঠন বনবিবি’র সভাপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান, রোজী সিদ্দিকী, রাবেয়া অক্তার মলি,অর্থি সরকার, মনিরা আহমেদ, লাবিবা আক্তার, লিনজা আক্তার মিথিলা, তৃষা বিশ্বস, মিতু সেন, পরিবেশ কর্মী গৌতম ভদ্র, কওসার আলী, দিবাশীস সাধু, শাহিনুর রহমান প্রমুখ।
    পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পাখির গুরুত্ব অপরিসীম। ফসল ক্ষেতের পোকামাকড় খেয়ে পাখি কৃষকের উপকার করে। তাই পাখিকে কৃষকের বন্ধু বলা হয়।পাখি শিকার দন্ডনীয় অপরাধ। ১৯৭৪ সালে বন্যপ্রাণী রক্ষা আইন ও ২০১২ সালে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে দন্ডের বিধান রয়েছে। এতে বলা হয়েছে, পাখি নিধনের সর্বোচ্চ শাস্তি এক বছর জেল, এক লাখ টাকা দন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত। একই অপরাধ ফের করলে শাস্তি ও জরিমানা দ্বিগুণের বিধানও রয়েছে। তাই পাখি শিকার রোধে পরিবেশ কর্মীরা সকলকে সচেতন হওয়ার জন্য আহবান জানান।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • বীরঙ্গনা গুরুদাসীর স্মৃতি সংরক্ষণ করা হবে…সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ

    বীরঙ্গনা গুরুদাসীর স্মৃতি সংরক্ষণ করা হবে…সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা, খুলনা ॥
    বীরঙ্গনা গুরুদাসীর স্মৃতি সংরক্ষণ করা হবে উল্লেখ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, বিপুল আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের দুঃশাসন থেকে বাঙালি জাতিকে মুক্ত করতে স্বসস্ত্র সংগ্রামের আহ্বান করে। এ আহবানে সাড়া দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এ দেশের কৃষক, শ্রমিক সহ সর্বস্তরের মানুষ। ৯ মাসের স্বসস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন হলেও যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে মহান স্বাধীনতা জাতি তাদের কখনো ভুলবে না। সচিব তপন কান্তি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের সেনা ও দোষরা এদেশের নিরিহ নারীদের ওপর যে অমানসিক নির্যাতন করেছে তা পৃথিবীর সকল অমানবিকতাকে হারমানিয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরঙ্গনাদের আত্মত্যাগ অনেকটাই অবহেলিত ও উপেক্ষিত ছিল। বর্তমান সরকার দেশের সকল বীরঙ্গনাদের যথাযথ মর্যাদা ও সম্মান দিয়েছে। গুরুদাসী তাদের মধ্যে একজন ছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ সময় গুরুদাসীর আত্মত্যাগ উপেক্ষা করা হয়েছে। ২০২০ সালে তাকে বীরঙ্গনার স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। গুরুদাসী সহ সকল বীরঙ্গনাদের আত্মত্যাগ মহান স্বাধীনতার ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। গুরুদাসীর স্মৃতি বিজড়িত স্থান সংরক্ষণ করে তার আত্মত্যাগের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা হবে। শুক্রবার বিকালে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার দেলুটি ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামে গুরুদাসীর স্মৃতি বিজড়িত জন্মস্থান পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ। এ সময় তিনি গুরুদাসীর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন করে শ্রদ্ধা জানান এবং গুরুদাসীর বোনের দুই ছেলে সত্যেন সরদার ও মিলন সরদার সহ তাদের পরিবার পরিজনের সাথে দেখা করে তাদের সার্বিক খোঁজ খবর নেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক পুলক কুমার মন্ডল, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন, ওসি ওবাইদুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডল, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অসীম কুমার দাস, সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম, প্রভাষক স্বপন ঘোষ, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ, বি সরকার, সত্যেন সরদার, মিলন সরদার, পুষ্পেন্দু সরদার ও ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্যবৃন্দ। উল্লেখ্য, গুরুদাসীর জন্মস্থান পাইকগাছা উপজেলার দেলুটি ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামে। পাশের কালিনগর গ্রামে গুরুপদ মন্ডলের সাথে গুরুদাসীর বিয়ে হয়। স্বামী গুরুপদ মন্ডল পেশায় দর্জি ছিলেন। দাম্পত্ত জীবনে গুরুদাসী দম্পত্তির দুই ছেলে ও দুই মেয়ে ছিল। কালিনগর বিয়ে হলেও গুরুদাসী স্বামী সন্তান নিয়ে ফুলবাড়ী পিতৃলয়ে থাকতো। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী সেনারা গুরুদাসীর বাড়ীতে হামলা চালায়। পরিবারের সদস্যদের বাড়ির উঠনে জড়ো করে গুরুদাসীর উপর লোলুপ দৃষ্টি দেয় পাক সেনারা। স্ত্রীর সম্ভ্রম রক্ষা করার চেষ্টা করলে গুরুদাসীর সামনেই স্বামী গুরুপদ মন্ডল, দুই ছেলে ও এক মেয়েকে হত্যা করা হয়। বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে তাদের মৃতদেহ বীভৎস করে দেওয়া হয়। এরপর গুরুদাসীর কোলে থাকা দুধের শিশুকে মাতৃক্রোড় থেকে কেড়ে দিয়ে হত্যা করা হয়। মায়ের সামনেই তাকে পুতে ফেলা হয় বাড়ীর পাশের কাদা পানির ভিতরে। তারপর গুরুদাসীর উপর পাকসেনারা পাশবিক নির্যাতন করে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে গুরুদাসী মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। সবার কাছে পরিচিত হয়ে ওঠে গুরুদাসী মাসি হিসেবে। হাতে একটি লাঠি নিয়ে পাগলীর বেশে ঘুরে বেড়াতো বিভিন্ন প্রান্তে। মৃত্যুর আগে কপিলমুনি বাজার সংলগ্ন এলাকায় বাসকরতো গুরুদাসী। তার বসতবাড়ী সহ জন্মস্থানের স্মৃতি এখনো অরক্ষিত রয়েছে। সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব থাকাকালীন সময়ে ২০২০ সালের ১৪ ডিসেম্বর গুরুদাসীকে বীরঙ্গনার স্বীকৃতি প্রদান করে গেজেট প্রকাশ করা হয়।

  • বিদায় সংবর্ধনায় কাঁদলেন প্রধান শিক্ষক,কাঁদালেন সবাইকে

    বিদায় সংবর্ধনায় কাঁদলেন প্রধান শিক্ষক,কাঁদালেন সবাইকে

    এম এ আলিম রিপন ঃ নতুন বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক শামছুর রহমানের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। চোখে ছিল পানি,তবু সিন্ধ হাসি দিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সকলের কাছ থেকে বিদায় নেন তিনি। এ সময় কাঁদলেন তিনি, কাঁদলেন সকলকে। এমন দৃশ্যের অবতারণা হয় বিদায়ী প্রধান শিক্ষক শামছুর রহমানের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে। পাবনার চরতারাপুর ইউনিয়নের নতুনবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক,অভিভাবক,বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষ থেকে বিদ্যালয় চত্বরে এ বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুর সভাপতিত্বে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য দেন সুজানগর নিজাম উদ্দিন আজগর আলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, সাতবাড়িয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল বাছেত বাচ্চু, সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী মন্ডল, সাতবাড়িয়া ডিগ্রি কলেজের জ্যৈষ্ঠ প্রভাষক আসলাম উদ্দিন, সুজানগর শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী, দুবলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন,সাতবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম, নতুন বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন, দৈনিক যুগান্তরের সুজানগর উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন, নতুন বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহানা পারভিন,ইকবাল হোসেন,ফরিদা ইয়াসমিন, আব্দুল খালেক, মোহাম্মদ ছানাউল্লাহ, রেহেনা খাতুন, জাহাঙ্গীর আলম, ইসমাইল হোসেন, হাফিজ আল আসাদ ও মাহাতাব উদ্দিন ও বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র নিরব প্রামানিক প্রমুখ। অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, অবসরজনিত বিদায় আমাদের মনকে নাড়া দিয়েছে। বিষয়টা খুবই কষ্টের ও বেদনার । সে নিঃসন্দেহে একজন ভাল মানুষ এই বিদ্যালয়ের শিক্ষক,অভিভাবক,ম্যানেজিং কমিটি,ছাত্র-ছাত্রী এবং গ্রামবাসীর অশ্রুসিক্ত নয়ন তার প্রমান। শিক্ষকতা জীবনের অনন্য অবদাননের সুফল ও ভাল কর্মের পুরস্কার এটি। প্রাক্তন ছাত্র নিরব বলেন, এই বিদ্যালয়ের উন্নয়ন-অগ্রগতির নেপথ্যের কারিগর প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের যে কোন বিষয়ে তাঁর কাছে নির্ধিদায় বলা যেত। কখনও তিনি নিরাশ করেননি । স্যারকে শেষ বেলা একটা কথা-ই বলবো, আমরা আপনাকে অনেক ভালবাসি। এর আগে সহকর্মীদেও স্মৃতিচারণে উঠে আসে প্রান শিক্ষকের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের কতা। অনেক শিক্ষক ‘বিদায় বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এমন সময় নিজেদেরকে ধরে রাখতে পারেননি আমন্ত্রিত অতিথিরাও। বিদায়ী বক্তব্যে প্রধান শিক্ষক শামছুর রহমান বলেন, এই ভালোবাসার কাছে আমি আজীবন ঋণী। চলার পথে যখন দেখা হবে,ভেবে নিও আমিও তোমাদের একজন ছিলাম। এত সুন্দর সংবর্ধনা আয়োজনে আয়োজকদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিদায়ী প্রধান শিক্ষক আরও বলেন আপনাদের এই ভালবাসা ভুলবার নয়। পরে অত্র বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পুষ্প মাল্য,সম্মাননা এবং উপহার সামগ্রী প্রদান শেষে রাজকীয়ভাবে প্রাইভেটকারে উঠিয়ে বিদায়ী প্রধান শিক্ষককে নিজ বাড়ি পৌঁছে দেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এ সময় বিদায়ী প্রধান শিক্ষক তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ উপস্থিত সকলের জন্য তাঁর বাড়িতে খাবারের আয়োজন করেন ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি ।।