Blog

  • দেবীগঞ্জে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

    দেবীগঞ্জে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে তরিকুল ইসলামে নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তার করা ওই মামলায় অপরপক্ষের একজন জেল হাজতে রয়েছেন দাবি ভুক্তভোগি পরিবারের।

    তরিকুল ইসলামের বাড়ি উপজেলার দন্ডপাল ইউনিয়নের রাজারহাট গ্রামে। তিনি সেখানকার আজাহার আলীর ছেলে। সম্প্রতি তিনি একই এলাকার মৃত মীর বকসের ছেলে ফজলুল হক (৩৫) ও মৃত আলতাব হোসেনের ছেলে আব্দুস সালামের (৫০) বিরুদ্ধে দেবীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার দেবীগঞ্চ থানার মামলা নম্বর ১৭/১৭।
    মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, গত ২৩ জানুয়ারি রাতে তার খড়ের পালা এবং শয়ন ঘরে অগ্নিসংযোগ করে ফজলুল হক ও আব্দুস সালাম। এতে তার শয়ন ঘরসহ ঘরে থাকা আসবাবপত্র, মূল্যবান কাগজপত্র, বাইরের ঘরের টিনের বেড়াসহ টিনের চালা, খড়ের পালা, গৃহপালিত হাঁস-মুরগির ঘর ও হাঁস-মুরগি পুঁড়ে ভস্মিভুত হয়।

    এদিকে, অভিযোগটি মিথ্যা, বানোয়াট ও পরিকল্পিত দাবি করেছেন ভুক্তভোগি পরিবার। হয়রানি করতে নিজেরা খড়ের পালায় অগ্নিকান্ড ঘটিয়ে মিথ্যা মামলা সাজিয়েছেন- বলছেন তাঁরা। সরেজমিনে গিয়ে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে দাবির সত্যতাও মিলেছে। সরেজমিনে গিয়ে খড়ের পালার আগুনের বিষয়টি চোখে পড়লেও শয়ন ঘরে আগুনের কোন নমুনা চোখে পড়েনি।

    এই মামলায় জেল হাজতে থাকা ফজলুল হকের মা জহুরা বেগম বলেন, এনায়েতপুর মৌজার এস.এ ৬১নং খতিয়ানের ১৬ আনায় রেকর্ডীয় মালিকের ওয়ারিশদের কাছ থেকে আমার স্বামী মীর বকস আহমেদ ও সহিদুর রহমান এস.এ ৭টি দাগে ক্রয় করে দুই দাগে হস্তান্তরিত জমি দখল করেন। এরপর ওই দুই দাগ ভোগদখলে থাকাকালীন ৩৭৮ নং খারিজ খতিয়ান খুলেন। পরে মীর বকস ৬৪নং অছিয়তনামা দলিল করে দেন তার ছেলে ফজলুল হকের নামে। এদিকে ওই জমি তরিকুলের বাড়ীর কাছে হওয়ায় জবর দখলে নিলে ফজলুল হক বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত দেবীগঞ্চ পঞ্চগড় আদালতে স্বত্ব সাব্যস্থ পূর্বক দখল উদ্ধারের মামলা করেন। আগামী ধার্য্য তারিখে মামলার বিবাদী তরিকুলকে দালিলিক প্রমাণাদি উপস্থাপনের কথা জানানো হলে কাগজের সময় চাওয়ার ফন্দিফিকির করার জন্য এবং জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে আমাদেরকে ফাঁসাতে তাঁরা নিজেরাই খড়ের পালায় আগুন দিয়ে এই মিথ্যা মামলা করেছেন। কোন কারণ ছাড়াই আমার ছেলে জেল হাজতে আছে। এই মিথ্যা মামলা থেকে আমার ছেলের অব্যহতি চাই।

    স্থানীয় আয়নাল, চাঁনমিয়া, তোতা মিয়া ও আব্দুল আলি বলেন- খড়ের পালায় আগুন লেগেছিলো। তবে কিভাবে আগুনের সূত্রপাত জানিনা। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। কোন ঘরে আগুন লাগেনি এবং আসবাবপত্র ও কাগজপত্র পুড়েনি। কোন হাঁস মুরগিও মরেনি। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরে কথা বলবো বলে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন মামলার বাদী তরিকুল ইসলাম। পরবর্তীতে একাধিকবার চেষ্টা করলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এদিকে তার স্ত্রী হাজেরা খাতুনের সঙ্গে কথা হলে তিনি খড় ও বসার ঘর ছিল এবং তা আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে জানিয়েছেন।

    দন্ডপাল ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মছলিম উদ্দিন বলেন, তরিকুলের বাড়ি থেকে আমার বাড়ী অনেক দূরে যখন তিনি চিল্লাহাল্লার শব্দ শুনতে পান এবং স্থানীয় এক ব্যক্তি তাকে ফায়ার সার্ভিসে ফোন দেওয়ার জন্য বলেন তখন তিনি ফায়ার সার্ভিসে ফোন দেন। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে খড়ের পালার আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন। এতে কোন বসতঘরে আগুন তার চোখে পড়েনি এবং আসবাবপত্র ও হাঁস-মুরগি মরার ঘটনা ঘটেনি।

    দেবীগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার রাজিব ভূঁইয়া সাংবাদিককে বলেন, অগ্নিকান্ডের খবরে আমাদের লোকজন দ্রুত সেখানে যায় এবং খড়ের পালার আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সেখানে শয়ন ঘরে অগ্নিকান্ডের কোন ঘটনা ঘটেনি এবং আসবাবপত্র ভস্মিভুত হয়নি।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দেবীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক রবিউল ইসলাম বলেন, মামলাটি তদন্তনাধীন রয়েছে।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • তেঁতুলিয়ায় মাদক মামলায় ফাঁসানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন

    তেঁতুলিয়ায় মাদক মামলায় ফাঁসানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় এক ওয়ার্কশপ ব্যবসায়ীকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর প্রতিবাদে বাজারের ব্যবসায়ীসহ এলাকাবাসী তার ন্যায় বিচার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন করেছে। রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টায় তেঁতুলিয়া-পঞ্চগড় মহাসড়কেরে দু’পাশে দাঁড়িয়ে বুড়াবুড়ি বাজার বণিক সমিতি, রেজিঃ নং- রাজ ২৯৯৫ এবং তেঁতুলিয়া উপজেলা স্টিল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং মালিক সমিতি, রেজিঃ নং- রাজ ৩১৫৬ সহ এলাকাবাসী যৌথভাবে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

    জানা যায়, গত মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬ টায় তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশ সোর্সের মাধ্যমে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বুড়াবুড়ি বাজারের মেসার্স ফাতেমা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক মো. রশিদুল ইসলাম টিটুল (৩৫) এর দোকানে অভিযান চালিয়ে চৌকির নীচ থেকে ডারবি সিগারেটের প্যাকেটে ৩০ পিছ ইয়াবা টেবলেট পান। পরে মাদক দ্রব্য বিক্রি মজুদকারী হিসেবে তাকে আটক করে জেল হাজতে পাঠান। এরই প্রেক্ষিতে বুড়াবুড়ি বাজারের ব্যবসায়ীরা তার ন্যায় বিচারে মুক্তির জন্য মানবন্ধন করেছে। এর আগে গত সোমবার বুড়াবুড়ি বনিক সমিতির প্রায় ৩ শতাধিক সদস্য গণস্বাক্ষর সম্বলিত একটি প্রত্যয়নপত্রে আদালতের কাছে রাশিদুল ইসলাম টিটুলের ন্যায় বিচার ও মুক্তির দাবী করে।

    ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্টিল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম বলেন, ব্যবসায়ী রশিদুল ইসলাম টিটুল দীর্ঘ ২০ বছর যাবত অত্র বাজারে ব্যবসা করে আসছে। তাকে চক্রান্ত করে ফাঁসানোর জন্য দোকানে ইয়াবা টেবলেট রেখে পুলিশকে ধরিয়ে দিয়ে সর্বশান্ত করার অপচেষ্টা করছে। যার মামলা নং-জিআর ১২/২০২৪। আমরা বুড়াবুড়ি বাজার ব্যবসায়ীরা এই ঘটনাটির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আজকে মানববন্ধন করছি। একই সংগে ঘটনাটির সুষ্ঠুতদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে ন্যায় বিচারের জন্য প্রশাসনের কাছে দাবী করছি।
    বুড়াবুড়ি বাজার বণিক সমিতির সদস্য আঃ মোতালেব বলেন, বুড়াবুড়ি বাজারে একটি অসাধু চক্র নিজেরা মাদক দ্রব্য দোকানে ঢুকায়ে দিয়ে পুলিশকে খবর দেন। এভাবে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মিথ্যা মাদক মামলায় জড়ায়ে সর্বশান্ত করেন। আমরা ব্যবসায়ীরা শংকিত ও ভীত। আমরা এর প্রতিকার চাই সঙ্গে ন্যায় বিচার চাই।

    এছাড়াও এলাকাবাসী সাবেক ইউপি সদস্য ইয়াছিন আলী ও হকিকুল বলেন, রাশিদুল ইসলাম টিটুল একজন সাধারণ ব্যবসায়ী তাকে কোনদিন ধুমপান করতে দেখেনি। তিনি ইয়াবা টেবলেট বা মাদক ব্যবসা করেন এটি মিথ্যা অপবাদ ছাড়া আর কিছুই না। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত অপরাধীর বিচার দাবী করছি।

    রাশিদুল ইসলাম টিটুল এর স্ত্রী খাতিজা আক্তার বলেন, আমার স্বামীকে কোনদিন ধুমপান করতে দেখিনি। সেখানে একটি মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে আমাদের ব্যবসার ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে কোন চক্র এমনটি করেছে। আমি স্বামীর মিথ্যা মাদক মামলার তদন্ত সাপেক্ষে আদালতের কাছে ন্যায় বিচার দাবী করছি।

    তেঁতুলিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুজয় কুমার রায় বলেন, থানা পুলিশের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপস্থিত স্বাক্ষীসহ বাজারের আরো লোকজনের সামনে ওই ব্যবসায়ীর ভাড়াকৃত ঘরে ৩০ পিছ ইয়াবা টেবলেট পাওয়ার পর নিয়মিত মামলা রুজু করে আসামীকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • নড়াইল সদর থানা পুলিশের অভিযানে দশ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

    নড়াইল সদর থানা পুলিশের অভিযানে দশ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:
    নড়াইল থানা পুলিশের অভিযানে দশ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার। রবিবার (৪ফেব্রুয়ারী) সকালে ডাকাতি মামলায় দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও বিশ টাকা জরিমানাপ্রাপ্ত আসামি বিপ্লব ওরফে বিপুল ওরফে কামালকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল সদর থানা পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, গ্রেফতারকৃত আসামি বিপ্লব ওরফে বিপুল ওরফে কামাল নড়াইল জেলার সদর থানার বাহিরগ্রাম সাকিনের আঃ রহমান মোল্যার ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলার সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) সেলিম মহালদার ও এএসআই মোঃ শাহেব আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান সার্বিক দিকনির্দেশনায় ওয়ারেন্ট তামিলে জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।

  • হরিণাকুন্ডুতে ৪০ দিন ধরে হদিস  নেই এক গৃহবধূর

    হরিণাকুন্ডুতে ৪০ দিন ধরে হদিস নেই এক গৃহবধূর

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুতে চল্লিশ দিন ধরে ইভা খাতুন (২০) নামে এক গৃহবধূ নিখোঁজ রয়েছেন। গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর হরিণাকুন্ডুর কুলবাড়িয়া গ্রামের শ^শুর বাড়ি থেকে তিনি নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় হরিণাকুন্ডু থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন নিখোঁজ ইভা খাতুনের পিতা আলমগীর হোসেন। ইভা খাতুন একই উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের তরিকুল ইসলামের স্ত্রী। লিখিত জিডি সূত্রে রোববার জানা গেছে, গত ২৭ ডিসেম্বর ভোরে শ্বশুরবাড়ি থেকে কোথাও বের হয়ে আর ফিরে আসিননি ইভা। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ খবর নিয়ে মেয়েকে না পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন তার পিতা আলমগীর। তিনি জানিয়েছেন, নিখোঁজের চল্লিশ দিন পার হলেও মেয়ের কোন হদিস নেই। বিষয়টি নিয়ে পরিবারের সদস্যরা শংকার মধ্যে আছে। গৃহবধুর পিতা অভিযোগ করেন, বিষয়টি নিয়ে তার শ্বশুরবাড়ির লেঅকজন কোন গুরুত্ব দিচ্ছেন না। এ ব্যাপারে হরিণাকুন্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, ইভা নিখোঁজের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। নিখোঁজ গৃহবধূর সন্ধানে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে খোঁজ করার চেষ্টা চলছে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।।

  • শৈলকুপায় সতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকের কলাক্ষেত কেটে দেওয়ার অভিযোগ

    শৈলকুপায় সতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকের কলাক্ষেত কেটে দেওয়ার অভিযোগ

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের শৈলকুপাতে রাতের আধারে বদিউজ্জামান নামে এক কৃষকের ক্ষেতের কলা কেঁটে দেওয়া হয়েছে। সদ্য শেষ হওয়া সংসদ নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থীকে সমর্থন করায় নৌকার সমর্থকরা তার ক্ষেতের কলাগাছ কেটে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার মধ্যরাতে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের মথুরাপুর গ্রামের মাঠে এ ঘটনা ঘটে। কৃষক বদিউজ্জামাল বলয় মথুরাপুর গ্রামের আলামগীর হোসেনের ছেলে। তিনি রোববার গনমাধ্যমকর্মীদের জানান, তার ২৮ শতক জমিতে ৩০০ কলা গাছ ছিল। তার মধ্যে ৪০টি কলা গাছ কেটে ফেলা হয়। তিনি আরো জানান, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলাম দুলালের ট্রাক প্রতিকের পক্ষে কাজ করেন। ফলে বিভিন্ন সময় তাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। নির্বাচনের সময় ট্রাকের সমর্থন করাই আমার কাল হলো। তিনি প্রশাসনের কাছ ন্যায় বিচার দাবী করেছেন। এ বিষয়ে শৈলকুপা থানার ওসি সফিকুল ইসলাম চৌধুরী জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

  • নড়াইলে মাছের ঘের দখল নিয়ে দুই পক্ষের হামলায় একজন নিহত

    নড়াইলে মাছের ঘের দখল নিয়ে দুই পক্ষের হামলায় একজন নিহত

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে মাছের ঘের দখল নিয়ে দুই পক্ষের হামলায় একজন খুন। নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় মাছের ঘের দখলকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ধারলো অস্ত্রের আঘাতে ইসরাফিল মোল্যা (৫০) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার চাচুড়ী ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    কালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শামীম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    ইসরাফিল মোল্যা উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত হক মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, কৃষ্ণপুর গ্রামের মালেক মোল্যার ছেলে নফু মোল্যার সঙ্গে একই গ্রামের আনোয়ার ফকিরের ছেলে প্রিন্সের চাচুড়ী বিলের একটি মাছের ঘের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। গত একবছর ধরে এ নিয়ে একাধিক হামলা-পাল্টা হামলা হয়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের ৪টি মামলা চলমান রয়েছে।
    সর্বশেষ শনিবার বিকেল থেকে ওই মাছের ঘের দখলকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। পরে রোববার সকালে প্রিন্সের লোকেরা ওই ঘেরে গেলে নফু মোল্যার লোকজন বাধা দিলে দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। একপর্যায়ে নফু মোল্যার সমর্থক ইসরাফিল মোল্যা গুরুতর আহত হয়। পরে পরিবার ও স্থানীয়রা ইসরাফিলকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
    নড়াইর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সুজল বকসি বলেন, ইসরাফিল মোল্যা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার শরীরে একাধিক ধারালো অস্ত্রের কোপের দাগ রয়েছে।
    ওসি খন্দকার শামীম উদ্দিন বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বিএসটিআই রংপুর কর্তৃক সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনায় ১২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিএসটিআই রংপুর কর্তৃক সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনায় ১২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর কর্তৃক সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনায় ১২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরর জন্য আলামত জব্দ করা হয়েছে।

    অদ্য ০৪.০২.২০২৪ ইং তারিখে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর উদ্যোগে দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন এলাকায় একটি সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালিত হয়। উক্ত সার্ভিল্যান্স অভিযানে-

    ক) সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা করে মামলার জন্য আলামত জব্দ করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ঃ
    ১. মেসার্স রাবেয়া ফ্লাওয়ার মিল, রাবেয়ার মোড়, সোনাপুকুর, পার্বতীপুর, দিনাজপুর
    ২. মেসার্স জে এম এস ব্রিকস (ঔগঝ), লক্ষ্মীপুর, নেংড়ীহাট, পাহাড়ভাংগা, সদর, ঠাকুরগাঁও।
    ৩. মেসার্স এস এম ব্রিকস (ঝগই), ভেলাজান, সদর, ঠাকুরগাঁও
    ৪. মেসার্স কে এস ব্রিকস (কঝই), আরাজী মোলানী, ভেলাজান, সদর, ঠাকুরগাঁও
    ৫. মেসার্স একতা ব্রিকস ফিল্ড-২(একতা), আরাজী ঝারগাঁও, মোলানী, সদর, ঠাকুরগাঁও
    ৬. মেসার্স কেয়া ব্রিকস (কেয়া), কালমেঘ, বালিয়াডাঙ্গী, ঠাকুরগাঁও
    ৭. মেসার্স কেয়া ব্রিকস (২) (কেয়া২), কালমেঘ, বালিয়াডাঙ্গী, ঠাকুরগাঁও
    ৮. মেসার্স জাপান ব্রিকস (ঔচই), লালাপুর, কালমেঘ, বালিয়াডাঙ্গী, ঠাকুরগাঁও
    ৯. মেসার্স সামিহা ব্রিকস (ঝগঐ), মাধবপুর, বালিয়াডাঙ্গী, ঠাকুরগাঁও
    ১০. মেসার্স মৌমি ব্রিকস (গঙগ), কালমেঘ, বালিয়াডাঙ্গী, ঠাকুরগাঁও
    ১১. মেসার্স দইঘর, কলেজ রোড়, চৌরাস্তা, সদর, ঠাকুরগাঁও
    ১২. মেসার্স রোজ ফুড এন্ড বেকারী, কলেজ রোড়, চৌরাস্তা, সদর, ঠাকুরগাঁও
    বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুরের সহকারী পরিচালক (সিএম) প্রকৌঃ মোঃ জাহিদুর রহমান এর নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচাললিত হয়। উক্ত অভিযানটিতে আরোও উপস্থিত ছিলেন ফিল্ড অফিসার (সিএম) প্রকৌঃ জুনায়েদ আহমেদ ও খন্দকার মোঃ জামিনুর রহমান।

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

  • নলছিটি উপজেলার পাটিশিল্পিদের সুদিন ফিরছে

    নলছিটি উপজেলার পাটিশিল্পিদের সুদিন ফিরছে

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটি তৈরির কারিকর পাটিশিল্পিদের সুদিন ফিরতে শুরু করেছে। অনেকেই পেয়েছেন সরকারি প্রশিক্ষন তাই নতুন করে আবারও কাজে ফিরতে শুরু করেছেন মুখ ফিরিয়ে নেয়া পাটিশিল্পিরা। বর্তমানে শীতলপাটি তৈরির পাশাপাশি নতুন নতুন উপকরণ তৈরি করে নিজেদের আয় বাড়াতে সক্ষম হয়েছেন। বর্তমানে এই পেশার সাথে প্রায় এক হাজার মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জরিত আছেন। এটা শুধু তাদের পেশা না তারা একটি ঐতিহ্যবাহী পন্যের ধারক ও বাহক হিসেবে আছেন। দেরিতে হলেও সরকারী প্রশিক্ষণ পেয়ে আবারও স্বপ্ন দেখা শুরু করেছেন তারা।
    ঝালকাঠির ব্র্যান্ডিং পন্যের তালিকাভুক্ত সারাদেশের মানুষের কাছে পছন্দনীয় ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটির একসময় রমরমা অবস্থা থাকলেও উচ্চ শ্রমমূল্য,প্লাস্টিক পন্যের সহজলভ্যতার কারনে বিক্রি কমতে থাকায় বাধ্য হয়ে এই পেশার সাথে জরিত লোকজন অন্য পেশাকে বেছে নিয়েছেন। জেলার নলছিটি উপজেলার মোল্লারহাট ইউনিয়নের কামদেবপুর ও গোপালপুর গ্রামে অবস্থিত পাটিকর পাড়ায় একসময় দুই হাজারেরও বেশি মানুষ এই পেশায় জরিত ছিল। তাদের হাতে তৈরি পরিবেশবান্ধব স্বাস্থ্যের জন্য উপযোগী শীতলপাটি দেশে গন্ডি পেড়িয়ে বিদেশেও রপ্তানি হতো। তবে কালের পরিক্রমায় আধুনিক পন্যের ভিড়ে শীতলপাটির চাহিদা কমে যাওয়ায় ধীরে ধীরে বাপ দাদাদের শতশত বছরের পুরনো পেশা অনেকেই ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন।
    প্রবীন পাটিশিল্পি বিবেকানন্দ জানান,আনুমানিক পাঁচশত বছর আগ থেকে আমাদের এখানের লোকজন এই পেশার সাথে জরিত তবে সময়টা এর থেকেও বেশি হতে পারে। বর্তমানে ২শত পরিবার ও তাদের সদস্যরা এই পেশার সাথে জরিত আছেন। যার মধ্যে অর্ধেকের বেশি নারী পাটিশিল্পি রয়েছেন। আগে আরও বেশি ছিল কিন্তু নানান সমস্যার কারনে অনেক পরিবার এই পেশা ছেড়ে দিয়েছে। পরিবারের পুরুষ সদস্যরা শীতলপাটি তৈরি উপাদান পাইত্রা গাছ জমি থেকে কেটে সেটা প্রসেস করেন। তারপর মহিলা সদস্যরা তা দিয়ে শীতলপাটি বুনন করেন।
    তিনি আরও বলেন, সরকার যদি আমাদের বিনা সুদে ঋণ দিত তাহলে আমাদের জন্য খুব ভালো হতো। কারন শীতলপাটি তৈরির যে উপকরন পাইত্রা গাছ সেটা প্রক্রিয়াজাত করার জন্য বড় বড় ড্রামের দরকার হয় এবং কাটার জন্য ধারালো ও ভারী বটি তৈরি করতে হয়। এছাড়া আমাদের জমিতে পাইত্রা গাছ লাগানো থাকে সেখানে তো অন্য কোন কৃষি ফসল লাগাতে পারি না। সেটা পুষিয়ে নিতে বিনাসুদে আমরা ঋণ পেলে আমাদের উপকার হতো এবং পুরনো ঐতিহ্যবাহী পন্য শীতলপাটি সগর্বে টিকে থাকতো।
    পাটিশিল্পি মালতী রানি জানান, বংশপরস্পরায় এই পেশার সাথে আমরা জরিত আছি আমার শ্বাশুড়ির বয়স ষাট বছরের উপরে হলেও তিনি এখনো শীতলপাটি বুনন করতে পারেন। কিন্তু এখন আমাদের সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে। কারন শীতলপাটির সেই আগের মতো চাহিদা নেই। তবে এখন আমাদের সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। তাই আমরা শীতলপাটি তৈরির পাশাপাশি টিস্যু বক্স,কলমদানি,লেডিস ব্যাগ তৈরি করি। এর মাধ্যমে আমাদের বাড়তি আয় হচ্ছে। এছাড়া প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শীতলপাটি তৈরি নতুন কিছু ডিজাইন শেখানো হয়েছে যেগুলো তৈরি করতে পারলে আমাদের পাটির চাহিদা বাড়বে। তাই এখন আমরা আর্থিক সচ্ছল হওয়ার চেষ্টা করছি। সবমিলিয়ে যদি বিক্রি ভালো হয় তাহলে আমাদের আবারও সুদিন ফিরবে।
    ব্যবসায়ী সন্দিপ চন্দ্র বলেন, আমি এখানের পাটিশিল্পিদের তৈরি বিভিন্ন ধরনের শীতলপাটি সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করি। যার মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন বড় বড় শপিং মলও রয়েছে। তারা সেগুলো দেশের বাহিরেও বিক্রি করে থাকেন। প্রতিমাসে এখানে গড়ে প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকার শীতলপাটি তৈরি হয়। এখন তারা শীতলপাটি তৈরির পাশাপাশি অন্যান্য কিছু উপকরন তৈরি করছেন সেগুলোর বেশ চাহিদা আছে এবং বিক্রিও ভালো হচ্ছে। সরকার আরও একটু সুনজর দিলে শীতলপাটি তার হারানো গৌরব সম্পুর্নরুপে ফিরে পাবে এবং পাটিশিল্পিরাও তাদের পেশাকে আরও ভালোভাবে আকড়ে ধরবেন। প্রচারের মাধ্যমে যদি বিদেশে বিক্রি বাড়ানো যায় তাহলে বৈদেশিক মূদ্রা অর্জনে শীতলপাটির ভালো ভুমিকা থাকবে।
    নলছিটি উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা(ইউএনও) মো. নজরুল ইসলাম জানান, সরকার সকল ঐতিহ্যবাহী পন্যের প্রচার ও প্রসারে কাজ করে যাচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় নলছিটি উপজেলার ৬০জন পাটিশিল্পিকে এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পাটিশিল্পের মানোন্নয়নে করনীয় শীর্ষক প্রশিক্ষন দেয়া হয়েছে। তাদের যে কোন প্রয়োজনে উপজেলা প্রশাসন পাশে আছে।

  • সরিকলের বিশিষ্ট সসাজ সেবক জব্বার মৃধা আর নেই

    সরিকলের বিশিষ্ট সসাজ সেবক জব্বার মৃধা আর নেই

    গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নস্থ সাহাজিরা গ্র্মের বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও সোনালী ব্যাংকের অবসর প্রাপ্ত প্রিন্সিপাল অফিসার মোঃ আঃ জব্বার মৃধা ৮০ বার্ধক্য জনিত অসুস্থতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল ৯:০০ ঘটিকায় তার নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন !ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন…!

    মৃত্যুকালে স্ত্রী পাঁচ পুত্র ও দুই কন্যা সন্তান সহ অসংখ্য আত্বিয় স্বজন ও ভক্ত বৃন্দু রেখে গেছেন।

    মরহুমের জানাজার নামাজ আজ রাত ৮:৩০ ঘটিকায় তার নিজ বাড়িতে অনুষ্ঠিত হবে !

  • কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ২০

    কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ২০

    এম এস সাগর, কুড়িগ্রাম:

    কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের অভিযানে গত ২৪ঘন্টায় বিভিন্ন অপরাধে ২০জন গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন থানায় গত ২৪ঘন্টায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সিআর ওয়ারেন্ট মূলে নাগেশ্বরী থানায় ১জন ও নিয়মিত মামলায় গ্রেফতার কুড়িগ্রাম ১১, উলিপুর ২, নাগেশ্বরী ১, ভূরুঙ্গামারী ১জন। পূর্বের মামলায় ফুলবাড়ী থানায় ১জন। ১৫১ধারায় ভূরুঙ্গামারী থানায় ২জনসহ মোট ২০জন আসামী গ্রেফতার করে।

    কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মোঃ রুহুল আমীন বলেন, নিরাপদ কুড়িগ্রামের জন্য আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। পুলিশ সুপারের নির্দেশে গত ২৪ঘন্টায় বিভিন্ন অপরাধে ২০জন গ্রেফতার হয়েছে। ফৌজদারি অপরাধ যেমন চুরি, ছিনতাই, মাদক, নারী নির্যাতনসহ শান্তিনবিনষ্টকারী, উগ্রবাদ, সাইবার অপরাধের সাথে যেই জড়িত থাকুক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনতে বদ্ধ পরিকর কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ।

    কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার আল আসাদ মোঃ মাহফুজুল ইসলাম বলেন, নিরাপদ কুড়িগ্রামের জন্য আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। নাশকতার ও বিভিন্ন অপরাধের সাথে যেই জড়িত থাকুক না কেন তাদের কে আইনের আওতায় আনতে বদ্ধপরিকর কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ। কুড়িগ্রাম জেলায় মাদক নির্মূলে আমাদের এই অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।