Blog

  • নড়াইলে রাগ করে বউ বাপের বাড়ি চলে যাওয়ায় দুই ছেলেকে নিয়ে বাবার আত্মহ*ত্যার চেষ্টা

    নড়াইলে রাগ করে বউ বাপের বাড়ি চলে যাওয়ায় দুই ছেলেকে নিয়ে বাবার আত্মহ*ত্যার চেষ্টা

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় স্ত্রী রাগ করে বাপের বাড়ি চলে যাওয়ায় দুই সন্তানকে জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন এক ব্যক্তি। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে কালিয়া উপজেলার জোকা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
    কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পার্থ বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    আত্নহত্যার চেষ্টা চালানো ব্যক্তির নাম রোমান মোল্যা (৩৫)। তার দুই ছেলে লামিম মোল্যা (৯) ও সোবহান মোল্যা (১২)।
    রোমান মোল্যা নড়াইলের কালিয়া উপজেলার জোকা গ্রামের শওকত মোল্যার ছেলে।
    জানা গেছে, রোমান নামে ওই ব্যক্তির স্ত্রী লতা বেগম রোববার সকালে রাগারাগি করে তার বাবার বাড়ি চলে যায়। পরে তার স্ত্রী সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়ি ফিরে না আসায় রাতে অভিমানে ওই ব্যক্তি জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দুই ছেলেকে পান করান এবং নিজে পান করেন। পরে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
    কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পার্থ বিশ্বাস বলেন, ওই তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • নড়াইলে আন্তঃ জেলা মহিলা ভলিবল প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠান

    নড়াইলে আন্তঃ জেলা মহিলা ভলিবল প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠান

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:
    নড়াইলে আন্তঃ জেলা মহিলা ভলিবল প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠান। নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে জেলা ক্রীড়া সংস্থার পরিচালনায় এবং বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় আন্তঃ জেলা মহিলা ভলিবল প্রতিযোগিতা ২০২৩-২০২৪ এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
    এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগদান করেন নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার ও নড়াইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি মোহাঃ মেহেদী হাসান। সমাপনী অনুষ্ঠানে আয়োজক কমিটি পুলিশ সুপারকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। তিনি উভয় দলের খেলোয়ারদের সাথে পরিচিত হন এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরবর্তীতে পুলিশ সুপার খেলা উপভোগ করেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে
    খেলা শেষে তিনি বিজয়ী ও বিজিত দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
    এ সময় মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী, জেলা প্রশাসক, নড়াইল ও সভাপতি, নড়াইল জেলা ক্রীড়া সংস্থা; প্রকৌশলী মানিক কুমার বিশ্বাস, সভাপতি, ভলিবল পরিষদ; নড়াইল জেলা ক্রীড়া সংস্থাসহ জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • তানোরে এমপির নির্দেশনা মানছেন গভীর নলকুপ অপারেটরেরা

    তানোরে এমপির নির্দেশনা মানছেন গভীর নলকুপ অপারেটরেরা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) গভীর নলকুপ অপারেটরদের বিরুদ্ধে কৃষক শোষণের অভিযোগ উঠেছে। সেচের কাজে নিয়োজিত গভীর নলকূপ অপারেটররা জমিদারের উমেদারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে কৃষকদের শোষণ করছে। বিগত ২০২২ সালের মার্চে সেচ না পেয়ে গোদাগাড়ি উপজেলায় দুজন কৃষকের আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটে। চলতি আলু ও বোরো মৌসুমে বিভিন্ন এলাকায় গভীর নলকূপ অপারেটররা কৃষকদের জিম্মি করে সেচের চার্জ বাবদ অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। গভীর নলকূপ অপারেটরদের বেপরোয়া সেচ বাণিজ্যের কবলে পড়ে কৃষকদের অবস্থা এখন শোচনীয়। কৃষকদের কষ্টের ফসলের বড় অংশই চলে যাচ্ছে গভীর নলকূপ অপারেটরদের পেটে। সরকারের সেচ ভর্তুকি সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে কৃষক। এক সময় গভীর নলকূপগুলো ডিজেল চালিত হলেও এখন চলে বৈদ্যুতিক মোটরে। ফলে কৃষকের সেচ খরচ অনেক কম হওয়ার কথা। কিন্তু কৃষকরা সেই সুবিধা মোটেও পান না। সেচের নীতিমালায় আছে ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ টাকা চার্জ নেওয়া যবে। কিন্তু নলকূপ অপারেটররা ঘণ্টার বদলে ফসল মৌসুমের জন্য কৃষকদের কাছ থেকে অগ্রিম ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা আদায় করছে। কোনো কৃষক অপারেটরের শর্তে রাজি না হলে তার জমিতে সেচ দেওয়া বন্ধ রাখা হচ্ছে।
    বিএমডিএ সূত্রে জানা গেছে, সেচ সুবিধা নিশ্চিতে প্রতিটি গভীর নলকূপে কমিশন ভিত্তিতে একজন অপারেটর নিয়োগ দেওয়া হয়। কৃষকরা প্রি-পেইড সেচ কার্ড নিয়ে অপারেটরদের কাছে গেলে কোনো পানি পান না। ১ ঘণ্টা সেচের জন্য ১২৫ টাকা মূল্যের প্রি-পেইড কার্ড লাগে। অথচ ১ ঘণ্টার জন্য অপারেটরদের দিতে হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা। অনেক অপারেটরের অধীনে একাধিক নলকূপও থাকে। এমনকি এ কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় এমন লোকজনও ঘুসের বিনিময়ে একাধিক নলকূপ অপারেটর হয়েছেন
    এদিকে বিষয়টি স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর নজরে আসে। তিনি সমিতির মাধ্যমে গভীর নলকুপ পরিচালনা করার নির্দেশনা দিয়েছেন। বিএমডিএ’র সহকারী প্রকৌশলীর উপস্থিতিতে স্কীমভুক্ত কৃষকের মতামতের ভিত্তিতে ১৫ থেকে ২০ সদস্যর কমিটি গঠন করতে বলা হয়। কমিটি গভীর নলকুপ পরিচালনা করবেন এবং অপারেটর সমিতির একজন কর্মচারী হিসেবে কাজ করবেন। কিন্ত্ত দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও অধিকাংশ গভীর নলকুপে এখানো সমিতি গঠন করা হয়নি। আবার যে দু’একটার সমিতি গঠন করা হয়েছে সেখানেও শুভঙ্করের ফাঁকি। অপারেটর তার অনুগত ভুয়া কৃষকের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করেছে। এমনকি স্কীমে জমি নাই, তার পরেও কমিটিতে তাদের নাম দেয়া হয়েছে।
    সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, উপজেলায় গভীর নলকূপ রয়েছে বিএমডিএ’র ৫৩৬টি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন ১৬টি মোট ৫৫২টি এবং অগভীর বিদ্যুৎচালিত সেচযন্ত্র রয়েছে ৪১১টি। উপজেলায় আবাদ যোগ্য জমি রয়েছে প্রায় ২৩ হাজার ৯৯৩ হেক্টর। এর মধ্যে সেচের আওতায় জমি রয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৩৩২ হেক্টর। এবিষয়ে জানতে চাইলে বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রশিদ বলেন, গভীর নলকূপের প্রকারভেদে ঘণ্টাপ্রতি ১২৫ থেকে ১৩৫ টাকা সেচ চার্জ ধার্য করা আছে। কোনো অপারেটর এই নিয়ম লঙ্ঘন করে কৃষকের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অপারেটর অন্যায়ভাবে অতিরিক্ত অর্থ চাইলে ভুক্তভোগীরা যেন অভিযোগ দেন-পরামর্শ দেন তিনি।#

  • গোদাগাড়ীর পিরিজপুর এগ্রো ফর্মের ড্রাগন চাষে ৬ মাসে ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা লাভ করেছেন

    গোদাগাড়ীর পিরিজপুর এগ্রো ফর্মের ড্রাগন চাষে ৬ মাসে ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা লাভ করেছেন

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ড্রাগন চাষে কৃষকেরা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, আগামীতে এ বরেন্দ্রের পোড়া মাটিতে ড্রাগণ চাষ আরো বেশী পরিমান জমিতে চাষ করা হবে, বরেন্দ্র এলাকার মাটি ও আবহাওয়া ড্রাগন চাষের জন্য উপযোগি, দীর্ঘ সময় ফল দেয়, উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের পিরিজপুর এলাকায় ১৫ বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষ করেছে পিরিজপুর এগ্রো ফার্ম, বসন্তপুর এলাকায় ১০ বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষ করেছেন হেদায়েতুল ইসলাম। প্রায় ৫০ বিঘা জমিতে ড্রাগণ চাষ হয়েছে বলে জানান, গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসার মোসাঃ মরিয়ম আহম্মেদ। তিনি আরও বলেন, ড্রাগন একটি উচ্চ মূল্যের সুস্বাদু বিদেশি ফল। এই ফল ঔষধি গুণসম্পন্ন । এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা মানুষের শরীরের জন্য ভালো। একবার লাগানো হলো প্রায় ১৫-২০ বছর ফল দেয়। পানি কম লাগে। বরেন্দ্র অঞ্চলে চাষের উপযোগী। বরেন্দ্র অঞ্চলে যেহেতু পানির সংকট রয়েছে তাই ড্রাগন ফলের চাষ এই এলাকার জন্য একটি অন্যতম সম্ভাবনাময় ফসল হিসেবে চাষ করা যেতে পারে। কৃষি বিভাগ বরেন্দ্র অঞ্চলে ড্রাগন ফলের সম্প্রসারনে কৃষকদের পরামর্শ এবং সহযোগিতা করে যাচ্ছে।

    রাজশাহী চাঁপাই নবাবগজ্ঞ মহানগরী সড়কে দিয়ে আসা যাওয়ার পথে প্রাণ কম্পোনীর পার্শ্বদিয়ে পিরিজপুরের দিকে ২ কিলোমিটার আসলে বামপার্শ্বে পড়ে পিরিজপুর এগ্রো কম্পানীর ড্রাগন বাগান। বাগানটি এক সুন্দর মনোরম পরিবেশে প্রায় ১৫ বিঘা জমিতে ড্রাগন বাগান গড়ে তুলেছেন। এগ্রো ফর্মের মালিক প্রকৌশলী রাজুর স্ত্রী আমেনা সিদ্দিকা। তিনি বাগানটি সম্প্রসারণ করার জন্য ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। তার অপর দুই মালিকানা ব্যক্তিত্ব শরিফুল ইসলাম মাষ্টার ও শীষ মোহাম্মদ রুবেল। জমি লীজ, সার্চ টাওয়ারসসহ অফিস অফিস নির্মানের কাজ শেষ করেছেন। পুরো বাগানটি সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্ররণ করা হয়েছে। বাগানটি গোদাগাড়ীর সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে পরিনত হয়েছে।
    বাগানটি দেখে মনে যেন তপ্ত বরেন্দ্রভূমির বুকে মন ভালো করে দেয়া দৃষ্টি সুখকর একখন্ড আশাজাগানিয়া সবুজ গালিচা” যে কারই মন কেড়ে নিতে পারে। অত্যান্ত প্রিয় ও অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যাক্তিত্ব স্বপ্নবাজ গুনিগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শরিফুল ইসলাম এ বাগানটির মালিকানার অংশিদার তিনি বাগানটির সার্বিক দেখা শুনা করেন, তার স্বপ্নের ড্রাগণ বাগানটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির পরিচর্যা ও হার্দিক ভালোবাসায় এবং প্রকৃতির বদন্যতায় তর তর করে বেড়ে উঠছে ড্রাগন ফলের গাছগুলো। কৈশর ও তারুণ্য পেরিয়ে ড্রাগন গাছগুলো এখন যৌবনে পদার্পণ করায় ফুল এসেছে ফলও ধরেছে। ফল পাঁকায় কয়েক চালান বাজারজাত করা হয়েছে।
    আর মাত্র কয়েক দিন পরেই আরও পাঁকা ড্রাগন ফল উঠবে। সৃষ্টি সুখের তৃপ্তিময় হাসি আরও ছড়িয়ে দেবে এগ্রো ফার্মের সদস্যদের মুখে। এ বাগানের বিশেষত্ব হলো এখানে কর্মরত প্রতিটি কর্মীই তাদের দায়িত্ব ও কর্মের প্রতি ভীষণ আন্তরিক, যেন প্রতেক্যেই মনের আনন্দে কাজ করে চলেছে ক্লান্তিহীনভাবে!এর অন্তর্নিহিত কারণ হল তারা প্রত্যেকে শ্রমিক না ভেবে নিজেদের কে স্বপ্ন বাস্তবায়ন প্রজেক্টের এক একজন অংশীদারভাবেন।

    গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিকুল ইসলাম জানান, আমি বাগানটিতে কয়েকবার গিয়ে ছিলাম আমার খুব ভাল লেগেছে, যে যাবে তারই ভাল লাগবে। যতক্ষণ ছিলাম আশ্চর্য মুগ্ধতায় শুনছিলাম এগ্রো ফার্মের মালিকানা সদস্য প্রধান শিক্ষক মোঃ শরিফুল ইসলাম সাহেবের সৃজনশীল সুন্দর স্বপ্ন, সম্ভাবোনা, অসম্ভব কে সম্ভব করার দারুন সব পরিকল্পনা, নতুন কিছু করার উদগ্র বাসনা আর সর্বোপরি সমাজের পরিশ্রম প্রিয় মানুষগুলোর জন্য এক সম্ভাবনাময় কর্মক্ষেত্রের দরজা খুলে দেয়ার ইচ্ছের গল্পটা। মাষ্টার মশায় খুব ভাল মনের মানুষ। উনার ভালবাসার টানে সেখানে বার বার যাওয়ার ইচ্ছে হয়।

    মোঃ শরিফুল ইসলাম শরিফ প্রতিবেদককে
    বলেন, গোদাগাড়ীর মাটি ও আবহাওয়া ড্রাগণ ফল চাষের জন্য উপযোগী, ১ জুলাই থেকে ৩১ জানুয়ারী ৬ মাসে ড্রাগন উত্তোলন করা হয়েছে ৬০ টন, ২৫০ টাকা কেজি দরে ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। সবসমেত খরচ হয়েছে ৫০ লাখ টাকা, লাভ হয়েছে ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এ এলাকায় এটা নতুন, সেচ কম লাগে, রোগ বালাই, পোঁকার আক্রমন কম হয়, দীর্ঘসময় প্রায় ২৫ বছর ফল পাওয়া, অন্যান্য ফসলের চেয়ে বেশী লাভবান হওয়া যায়। তিনি আরও বলেন, আমাদের অনুসরণ করে বরেন্দ্র এলাকায় ড্রাগণ ফল চাষে বিপ্লব ঘটবে ইনসাল্লাহ। যা যোগ হবে দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে। সংস্থাপনের সাবেক সচিব হারুন অর রশিদ, কৃষি অধিদফতের মহাপরিচালক, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী আলী আক্তারসহ জেলা উপজেলার বিভিন্ন পর্যারের কর্মকর্তা বাগান পরিদর্শনে আসেন বলে তিনি জানান।

    শীষ মোহম্মদ রুবেল এ প্রতিবেদকে বাগান ঘুরে ঘুরে দেখাতে দেখাতে বলেন, আমরা অন লাইনে ড্রাগন ফল বিক্রি করচ্ছি, বেশ ভাল সাড়া পাচ্ছি। ঢাকা, রাজশাহী, চিটাগাংসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ড্রাগন কোরিয়ার সার্ভিসের মধ্যমে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে, আমাদের নিজস্ব যানবাহনেও পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। গত ২ জানুয়ারী থেকে ২৯ জানুয়ারী পর্যন্ত ২ হাজার ২শ কেজি পাঁকা ড্রাগন ফল উত্তোলন করে বাজারজাত করা হয়েছে। ২।৩ দিন পর পর পাঁকা ড্রাগন তোলা যাবে। সাইজভেদে ৩টা তে ১ কেজি ৪৫০ টাকা কেজি, ৪ টা তে ১ কেজি ৩৫০ টাকা, ছোট গুলি ২৫০ টাকা টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশে আমাদের ২ ত্বিনফল বাগান রয়েছে ফল ভালই ধরেছে আশা করচ্ছি বাম্পার ফলন হবে। এছাড়া বেশ কিছু কেরেলার খেজুর গাছ লাহানো হয়েছে। কাঁচা খেজুর খেতে বেশ সুস্বাদু। ড্রাগন চাষ করে স্বল্প সময়ে কৃষকগণ ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেন বলে সচেতন কৃষক ও কৃষিবিদগণ মনে করেন। তিনি আরও বলেন, আমরা বাগানে ১৫/২০ ষাঁড় গরু লালন পালন করি কুরবানি নিজেরা দি এবং কিছু বিক্রি করে বেশ লাভবান হওয়া যায়। আমাদের শ্রমিক খরচ হয়ে যায়। বাগানে চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ী, নারী পুরুষ সহ বিভিন্ন মানুষ আসেন ছবি তুলেন, আমরা তাদের ড্রাগন আপ্যায়ন করে আনন্দ পাই।

    রাজশাহী বিভাগীয় কৃষি অধিপ্তর বলছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাজশাহী জেলায় ২১৪ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছিল ড্রাগন। আর এর উৎপাদন হয় ৪ হাজার ৪১৮ মেট্রিক টন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৭ দশমিক ৫ হেক্টর জমিতে চাষ হয়ে উৎপাদন হয় ৩২৫ মেট্রিক টন। নওগাঁ জেলায় ৪৫ হেক্টর জমিতে চাষ হয়ে উৎপাদন হয় ৩৬০ মেট্রিক টন। নাটোর জেলায় ১৩৪ হেক্টর জমিতে চাষ হয়ে উৎপাদন হয় ১ হাজার ৫৪৫ মেট্রিক টন।

    এরে আগে ২০২১-২২ অর্থবছরে রাজশাহী জেলায় ৫৭ হেক্টর জমিতে চাষ হয়ে ড্রাগন ফল উৎপাদন হয় ৬৮৮ মেট্রিক টন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৩ হেক্টর জমিতে চাষ হয়ে উৎপাদন হয় ২৩৪ মেট্রিক টন। নওগাঁ জেলায় ২৬ হেক্টর জমিতে চাষ হয়ে উৎপাদন হয় ২২০ মেট্রিক টন। নাটোর জেলায় ৬৫ হেক্টর জমিতে চাষ হয়ে উৎপাদন হয় ৫৫২ মেট্রিক টন। ২০২০-২১ অর্থবছরে রাজশাহী জেলায় ২৭ হেক্টর জমিতে চাষ হয়ে ড্রাগন ফল উৎপাদন হয় ৩২৪ মেট্রিক টন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৪ হেক্টর জমিতে চাষ হয়ে উৎপাদন হয় ২ মেট্রিক টন। নওগাঁ জেলায় ২২ হেক্টর জমিতে চাষ হয়ে উৎপাদন হয় ১০৮ মেট্রিক টন। নাটোর জেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়ে উৎপাদন হয় ৬৪০ মেট্রিক টন।
    রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণের অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোজদার হোসেন বলেন, এ অঞ্চলের আবহাওয়া ও মাটির ধরন ড্রাগন চাষের জন্য বেশ উপযোগী। উৎপাদন বেশি ও চাষাবাদে খরচ কম হওয়ায় এর চাষ বাড়ছে। কৃষি বিভাগ উৎসাহিত করার ফলে ড্রাগান চাষ আজকের অবস্থানে এসেছে।

    রাজশাহী বিভাগীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক শামসুল ওয়াদুদ বলেন, বরেন্দ্রভূমিতে ড্রাগন চাষ বেশ লাভজনক। ড্রাগন হচ্ছে মরুভূমি এলাকার ফল। এদিক থেকে রাজশাহী অঞ্চলের মাটি অধিকাংশ সময় খরায় শুষ্ক থাকে। ড্রাগন চাষ সহজসাধ্য ও চাষে খরচও কম হয়। এর ফলে পোকামাকড় কম আক্রমণ করে আবার অতি বৃষ্টিতেও এর ক্ষতি হয় না। একারণে আগের চেয়ে বর্তমানে এর চাষ বেড়েছে। কাজেই এ অঞ্চলে ড্রাগন চাষ লাভজনক।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • বিএসএফের বাঁধায় বেনাপোল বন্দরের  নির্মান কাজ বন্ধ

    বিএসএফের বাঁধায় বেনাপোল বন্দরের নির্মান কাজ বন্ধ

    আজিজুল ইসলামঃ ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফের বাঁধার মুখে এক সপ্তাহ ধরে কাজ বন্ধ রয়েছে বেনাপোল স্থলবন্দরের কার্গো ভেহিক্যাল টার্মিনালের একাংশের নির্মান কাজ।
    তবে বন্দর সংশিষ্টরা বলছেন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। আশা করছি দ্রুত একটি সমাধানের মাধ্যমে আবারও কাজ শুরু হবে। এদিকে কাজ বন্ধকে কেন্দ্র করে সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এখনো জটিলতা না কাটায় নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা নিয়ে শঙ্কাও দেখা দিয়েছে।

    বন্দর কার্গোভেহিকাল টার্মিনালের নির্মান শ্রমিকেরা জানান, ভয় দেখিয়ে কাজ বন্ধ করেছে বিএসএফ। নির্মান সামগ্রীও আটকে দিয়েছিল। এখন সেখানে কাজ করতে পারছিনা।

    সীমান্তবাসী জানান, বাংলাদেশ সীমানায় ১৫০ গজের মধ্যে বিএসএফ কাউকে যেতে দিচ্ছেনা। এতে বর্তমান অবস্থা নিয়ে আমরা গ্রামবাসীও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।

    কার্গোভেহিকাল টার্মিনালের নির্মান কাজের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এসএস আর গ্রুপের কর্মকর্তারা জানান, ভারত ১০ মিটার জায়গা ছেড়ে পেট্রাপোল বন্দরের স্থাপনা নির্মান করেছে। আমরা পেট্রাপোল বন্দরকে অবগত করে ১০ মিটার জায়গা ছেড়ে কাজ করছিলাম। হঠাৎ বিএসএফের বাঁধায় কাজ বন্ধ আছে। এতে নিদিষ্ট সময়ে উন্নয়ন কাজ শেষ করা নিয়ে শঙ্কার মধ্যে আছি।

    বেনাপোল বন্দর পরিচালক রেজাউল করিম জানান, বিএসএফের বাঁধায় চলমান ১৬ একরের কাজ বন্ধ আছে। আইনী প্রক্রিয়ায় যাতে নির্মান কাজ শেষ করতে পারি তার সহযোগীতার জন্য বিজিবিসহ সংশিষ্ট উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে চিঠিতে অবগত করা হয়েছে।

  • লালমনিরহাটে ২কেজি গাঁজাসহ ৪ নারী গ্রেফতার

    লালমনিরহাটে ২কেজি গাঁজাসহ ৪ নারী গ্রেফতার

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
    লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখার বিশেষ অভিযানে ২কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ ০৪জন নারী কে গ্রেফতার করেন। গত(৪ই ফেব্রুয়ারী)২০২৪ইং জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ ওসি আমিরুল ইসলাম,এর নেতৃত্বে এসআই ইসমাঈল হোসেন, এএসআই শাহজালাল হোসেন, সঙ্গীয় ফোর্স সহ বিশেষ অভিযানে সদর থানাধীন চর কুলাঘাট গ্রামস্থ আলমদিনা মসজিদের সামনে ফুলবাড়ী টু লালমনিরহাট গামী পাঁকা রাস্তার উপর হতে পরস্পর যোগসাজশ করে ০২ (দুই) কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা হেফাজতে রেখে বহন করাকালীন মর্জিনা বিবি(৪৫), রিনা খাতুন(৩০), আমেনা বেগম (৭০), রাবিয়া খাতুন (৫০), কে হাতে নাতে গ্রেফতার করেন ডিবি পুলিশ। এ বিষয়ে সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়।ডিবি অফিসার ইনচার্জ ওসি আমিরুল ইসলাম জানান সদর থানাধীন চর কুলাঘাট গ্রামস্থ আলমদিনা মসজিদের সামনে ফুলবাড়ী টু লালমনিরহাট গামী পাঁকা রাস্তার উপর হতে ২কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ ০৪জন নারী কে গ্রেফতার করেন ডিবি পুলিশ।

    হাসমত উল্লাহ ।

  • শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই-শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন

    শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই-শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সদর উপজেলার শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন বলেছেন-আজকের শিশুরাই আগামী দিনের কর্ণধার। কাজেই শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ অপরিহার্য। কারণ সঠিক পরিচর্যা না হলে তারা হবে অপরিপূর্ণ, অপিরপক্ব। তিনি বলেন- খেলাধুলা ও শরীরচর্চা শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুর চিন্তার সৃজনশীল বিকাশ ঘটে, নেতৃত্বের দক্ষতা অর্জিত হয়, জয়-পরাজয় মেনে নেওয়ার সাহস বাড়ে, দেশপ্রেম জাগ্রত হয় এবং নৈতিক চরিত্রের বিকাশ ঘটে। শুধু তাই নয়, তাদের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা কমে যায়।তাই লেখাপড়ার পাশাপাশি তাদেরকে খেলাধুলায় আগ্রহী করে তুলতে শিক্ষকের পাশাপাশি প্রতিটি অভিভাবকের দায়িত্ব।

    রবিবার (৪ফেব্রুয়ারী)দুপুরে তিনি ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের আকুয়া এলাকার ৫৭নং হাউজিং এস্টেট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতানুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা কাউন্সিলর জনাব কাউসারী জান্নাত, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি আসাদ সাহেব ;প্রাক্তন মেম্বার আহাম্মদ সাহেব;বিদ্যালয়ে সাবেক প্রধান শিক্ষক খোদেজা আপা; প্রাক্তন শিক্ষক নুরজাহান ;প্রাক্তন শিক্ষক, ইসরত;যুবলীগের সদস্য বৃন্দ ;আভিভাবকবৃন্দ এবং এলাকাবাসী। অনুষ্ঠান শীতের সকালে কোমল মতি শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত সুন্দর ভাবে ডিসপ্লে প্রর্দশন করে। দৌড় ;বিস্কুট দৌড় ;চকলেট দৌড়;ভারসাম্য দৌড় ;অংক দৌড় ;মোরগ লড়াই ;দীর্ঘ লাফ;উচ্চ লাফ ইত্যাদি ইভেন্টে অংশ গ্রহন করে বিজয়ী হয়ে পুরষ্কার অর্জন করে।বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন।

  • উজিরপুরে মৎস্যজীবীদের মৎস্য আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    উজিরপুরে মৎস্যজীবীদের মৎস্য আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলায় ২০২৩ – ২০২৪ অর্থবছরে দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মৎস্যজীবীদের মৎস্য আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ৫ ফেব্রুয়ারী সোমবার উজিরপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের হলরুমে দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষনার্থী ২৫ জন জেলেদের উপস্থিতিতে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জামাল হোসেন (অঃদা) এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ক্ষেত্র সহকারী বিকাশ কুমার নাগ, মৎস্য দপ্তর একাউন্স মোঃ আবু জাফর, মাঠ সহায়ক অনিমেষ ঘরামী,মাঠ সহায়ক শফিকুল ইসলাম, নাজমুল আলম, শহিদুল ইসলাম।

    এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন জেলেদের উদ্দেশ্যে বলেন জেলেদের যে কোনো পরামর্শ ও সুবিধা দেওয়া হবে। অবৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরা ও নির্ধারিত সাইজের ছোট মাছ ধরা ও বিক্রি দন্ডনীয় অপরাধ, সকল জেলেরা বিষয়গুলো সম্পর্কে সতর্ক থাকবেন এবং মৎস্য আইন সঠিকভাবে মেনে মাছ ধরবেন।যানা আইন মানবে না তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন অবৈধ জাল দিয়ে মাছ আহরন করবেন না অন্যকেও করতে দিবেন না। যারা অবৈধ জাল দিয়ে মাছ আহরন করে তাদের তথ্য আমাদের জানাবেন। জেলেদের জন্য মৎস্য দপ্তরের দরজা সর্বদা খোলা যে কোনো বিষয় আপনারা আমাদের কাছে আসবেন। আমরা আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো।

  • উজিরপুরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের  উন্নয়নে ক্ষুদ্র ব্যবসা বিষয়ক প্রশিক্ষণ  অনুষ্ঠিত

    উজিরপুরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে ক্ষুদ্র ব্যবসা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে ক্ষুদ্র ব্যবসা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ৫ ফেব্রুয়ারী সোমবার বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা (বিপিইউএস) বরিশাল এর আয়োজনে উজিরপুর উপজেলার পরিষদের শহীদ সুকান্ত আব্দুল্লাহ্ হলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ বদিউল আলম প্রধান সমন্বয় কারী মিঠু মধু, মনিটরিং অফিসার সন্ধারানী,উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন এর সভাপতি আঃ রহিম সরদার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা অয়ন সাহা, উজিরপুর প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার উপজেলা অর্গানাইজার মোঃ জিয়াউর রহমান প্রমুখ। পরে প্রশিক্ষণার্থী ২৫ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ত্রান তহবিল থেকে কম্বল বিতরন করা হয়েছে।

  • এক ইঞ্চি জায়গা যেন ফাঁকা পড়ে না থাকে, গোদাগাড়ীতে ডিসি শামীম আহমেদ

    এক ইঞ্চি জায়গা যেন ফাঁকা পড়ে না থাকে, গোদাগাড়ীতে ডিসি শামীম আহমেদ

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী।। রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার হঠাৎপাড়ায় কৃষক কৃষাণীদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনু্ষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহীর জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুর রহমান ( পিপিএম)

    ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনার আওতায় রবি মৌসুমে ব্লক প্রদর্শনীর মাধ্যমে বোরো হাইব্রীড ধানের সমলয় চাষাবাদ এর কৃষকদের সাথে মতবিনিময় সভা ও রাইসট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে চারা রোপনের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা কৃষি অফিসার মরিয়ম আহমেদ।

    এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ মোজদার হোসেন, জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা উম্মে সালমা, উপজেলা চেয়ারম্যান মো: জাহাঙ্গীর আলমসহ কৃষি বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা বৃন্দ ও ৪৫০ জন কৃষক- কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।