Blog

  • নলছিটিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার দখল করে অটোস্ট্যান্ড

    নলছিটিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার দখল করে অটোস্ট্যান্ড

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বর দখল করে অবৈধভাবে অটোবাইক ও ম্যাজিক গাড়ির স্ট্যান্ড করা হয়েছে। দীর্ঘ আট বছর ধরে এই স্ট্যান্ড দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করছে শতাধিক অটোবাইক। এতে শহীদ মিনারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নসহ প্রতিনিয়ত শব্দ দূষণে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের । শহীদদের মর্যাদা রক্ষার জন্য অবৈধ এ স্ট্যান্ডটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ।

    জানা যায়, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে নলছিটিতে প্রথমে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ছোট আকারে একটি শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে শহরের কলেজ রোডে বড় আকারে আরেকটি শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়। এটিই এখন নলছিটির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। ২১ ফেব্রæয়ারি মহান ভাষা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে এই শহীদ মিনারে প্রশাসনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। অথচ সেই শহীদ মিনারটি এখন অরক্ষিত। নেই সীমানাপ্রাচীর। যথাযোগ্য মর্যাদা ও অযতœ অবহেলায় পড়ে আছে শহীদ মিনার। ২০১৬ সালের দিকে শহীদ মিনার চত্বরে অবৈধভাবে অটোবাইক ও ম্যাজিক গাড়ির স্ট্যান্ড করা হয়। সেই থেকে শহীদ মিনার চত্বর এখন অটোস্ট্যান্ড নামে পরিচিতি পায়।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, শহীদ মিনারটি সুরক্ষিত না থাকায় দিনের বেলায় অটোবাইক ও ম্যাজিক গাড়ির শব্দ দূষণ, চালকদের একে অপরের সঙ্গে বাকবিতন্ডা লেগেই থাকে। আর রাতের বেলায় নির্জন হওয়ায় বসে মাদকের আড্ডা। অটোবাইক ও ম্যাজিক গাড়ির চালক ও মাদকসেবীদের মল-মুত্রের গন্ধে শহীদ মিনারের চারপাশে মানুষের যাওয়া সম্ভব নয় বলেও জানান স্থানীয়রা। সোমবার(৫ফেব্রæয়ারী) সকালে গিয়ে দেখা যায়, অরক্ষিত শহীদ মিনার চত্বরে সারি সারি অটোবাইক রাখা। শহীদ মিনারটি ময়লা,আবর্জনা, দখল ও দূষণে অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে। দেখে বুঝার উপায় নেই এটা উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার।

    অটোবাইক ও ম্যাজিক গাড়ির চালকরা জানান, এ এলাকাটি অত্যান্ত ব্যস্ততম। এখানে অটো রাখার মতো কোনো স্ট্যান্ড নেই। সড়কের ওপারে সিএনজি, ডাইসু, ম্যাজিক গাড়ি পার্ক করলে সড়কে যানজট লেগে যায়। তাই তাঁরা শহীদ মিনার চত্বরে খালি জায়গায় অটোস্ট্যান্ড করেছে। শহীদ মিনারে কোন জাতীয় অনুষ্ঠান হলে তাঁরা নিজেদের উদ্যোগে চত্বর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে দেন। তখন অটোবাইক ও ম্যাজিক গাড়িগুলো অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়।

    নলছিটি পাবলিক লাইব্রেরীর সাধারণ সম্পাদক শামছুল আলম বাহার বলেন, শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য নলছিটি শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের পরার্শে মনোরম পরিবেশে ১৯৯৮ সালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নির্মাণের পর সেই শহীদ মিনারটির সুরক্ষা করা হয়নি। অরক্ষিত অবস্থায় রয়ে গেছে। এ সুযোগে অটোবাইক ও ম্যাজিক গাড়ির স্ট্যান্ড করা হয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর মেয়রের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। অটোস্ট্যান্ডটি সুবিধাজনক একটি স্থানে সরিয়ে নিলে সবার জন্য ভালো হয়।

    নলছিটি পৌরসভার মেয়র আব্দুল ওয়াহেদ খান বলেন, স্থানীয় এমপি মহোদয় ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে শহীদ মিনার চত্বর থেকে অটোস্ট্যান্ড সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিব।

    নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এবিষয়ে ইতোমধ্যে পৌরসভার মেয়র ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে দ্রæততম সময়ের মধ্যে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বাউন্ডারি ওয়াল (সীমানা প্রাচীর) নির্মাণ ও সৌন্দর্য বর্ধন করতে বলা হয়েছে। তাঁরা ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • নাগরপুরে রঙ্গিন ফুল কপি চাষে ফাতেমার মুখে হাসি

    নাগরপুরে রঙ্গিন ফুল কপি চাষে ফাতেমার মুখে হাসি

    মো. আমজাদ হোসেন রতন, নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের নাগরপুরে রঙ্গিন ফুলকপি চাষ করে কৃষানীর মুখে হাসি ফুটেছে। হয়েছেন আর্থিক লাভবান, বেড়েছে উৎসাহ। 

     উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের নিরাপদ সবজি গ্রাম হিসেবে পরিচিত বঙ্গ বুকুটিয়া গ্রামের মতিয়ার রহমানের স্ত্রী ফাতেমা (৪০) তিনি কমিউনিটি ক্লিনিক এর স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি স্বাস্থ্য সহকারী চাকুরীর পাশাপাশি অবসর সময় একজন সফল কৃষানীও বটে। 

    রবি মৌসুম এলেই তিনি চিন্তা করেন বিরল জাতীয় কিছু চাষাবাদ করার। উপজেলায় এ বছরই প্রথম এই রঙিন ফুলকপি চাষ করে তাক লাগিয়েছেন কৃষানী ফাতেমা। এক ছেলে এক মেয়ের সুখী পরিবার স্বামী-স্ত্রী দুজনই সরকারি চাকরিজীবী, স্বামী মতিয়ার রহমান ছুটির দিনগুলো কাটান সবজি বাগানে। এ বছর কৃষি অফিসের সহযোগিতা নিয়ে ৩৩ শতাংশ পতিত জমিতে রঙ্গিন ফুল কপি চাষ করে এলাকায় তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তার জমিতে হলুদ, বেগুনি, সাদা রংয়ের ফুলকপি দেখতে প্রতিদিনই মানুষ আসছেন। রং বেরংয়ের ফুল কপি চাষ করে লাভবানও হয়েছেন। রঙ্গিন কপি চাষাবাদে লাভবান হওয়ায় আগ্রহী হয়ে উঠেছেন এখানকার অনেক কৃষাণী, কৃষকরা।

     ৩৩ শতাংশ জমিতে এই প্রথম চাষ করেছেন হলুদ, বেগুনীসহ সাদা রংয়ের ফুলকপি। ফলন আসা পর্যন্ত খরছ হয়েছে ১০ হাজার টাকা। চারা রোপনের ৭৫-৮৫ দিনের মাথায় বিক্রির উপযোগী হয়ে উঠেছে রঙ্গিন এ ফুলকপি।

    সকল খরচ বাদ দিয়ে তার আয় হবে কমপক্ষে ২০ হাজার টাকা। এই কপি চাষে রাসায়নিক সার ও ক্ষতিকর কীটনাশক ব্যবহার না করায় এটা সম্পূর্ণ নিরাপদ। এলাকাতে নতুন ফসল হওয়ায় স্বাভাবিক কারণেই এটার চাহিদা অনেক বেশি। এ ফুলকপি গুলো তার জমি থেকেই বেশির ভাগ বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় বাজারেও বিক্রি করছেন। আগামীতে এখানকার অনেক কৃষক অন্যান্য সবজির পাশাপাশি বাহারী রংয়ের ফুলকপি চাষ করবেন বলে ইচ্ছা পোষন করছেন।

    রঙ্গিন ফুল কপির বীজ পাওয়াটা সহজলভ্য হলে আগামীতে এর চাষাবাদা আরো বৃদ্ধি পাবে। 

     

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন শাকিল বলেন, ফাতেমা একজন স্বাস্থ্য সহকারী হলেও তার নিজের জমিতে সব সময় উন্নত জাতের উচ্চমূল্যের সবজি চাষ করতে আগ্রহী। গত বছর এ জমি পতিত ছিল, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে প্রতি ইঞ্চি জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, এই বিষয়টিকে সামনে রেখে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরন প্রকল্পের আওতায় রঙিন ফুলকপির চারা, জৈব সার, রাসায়নিক সার প্রদানসহ সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে এ বছরই তিনি প্রথমবারের মত আবাদ করেছেন হলুদ আর বেগুনী রংয়ের ফুলকপি। অন্যান্য ফুল কপির তুলনায় এগুলো কালারফুল হওয়াতে মানুষের কাছে খুব আকর্ষনী এবং বাজারে এর চাহিদাও খুব বেশি। এ ফুলকপি পুষ্টিগুন ও মানসম্মত হওয়ায় এখানকার কৃষকরা রঙিন ফুলকপি চাষাবাদে খুবই আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। আমরা আশা করছি আগামী রবি মৌসুমে এর আবাদ আরো বৃদ্ধি পাবে। হলুদ ও বেগুনী রংয়ের  ফুলকপিতে বিটা ক্যারোটিন থাকে তা চোখ এবং ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরে ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান জানান, নাগরপুরে উচ্চমূল্যের ফসল বিশেষ করে, রঙিন ফুলকপি চাষ এবং জৈব পদ্ধতিতে অন্যান্য সবজি চাষ নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়। এতে কৃষকদের আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক প্রতি ইঞ্চি জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, উচ্চমূল্যের ফসল উৎপাদনে উৎসাহ প্রদান এবং জৈব পদ্ধতিতে সবজি উৎপাদনে উপজেলা প্রশাসন এবং কৃষি বিভাগ একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। যার ফলাফল নাগরপুরবাসী ইতিমধ্যে উপভোগ করছে। ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে ।

    সাধারণ কৃষকদের জন্য এ বীজ দুষ্প্রাপ্য, রঙ্গিন ফুল কপির বীজগুলো যদি কৃষি অফিসের মাধ্যমে প্রনোদনা দেয়া হয় তাহলে এ অঞ্চলে রঙ্গিন কপির চাষাবাদে কৃষকদের মাঝে আগ্রহ বাড়বে। মিটবে পরিবারের পুষ্টির চাহিদা এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় কৃষান, কৃষাণী।

    নাগরপুর, টাঙ্গাইল।

  • নলছিটিতে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করলেন ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মফিজুর রহমান শাহিন

    নলছিটিতে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করলেন ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মফিজুর রহমান শাহিন

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি: মোঃ নাঈম মল্লিক

    আসন্ন নলছিটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান শাহিন মোটরসাইকেল যোগে শোভাযাত্রা করে উপজেলা নির্বাচনে তার প্রার্থীতা জানান দিয়েছেন। মঙ্গলবার(৬ ফেব্রুয়ারী) সকালে তিন শতাধিক মোটরসাইকেল যোগে সাত শতাধিক নেতাকর্মী এই শোভাযাত্রায় অংশ নেয়।

    দপদপিয়া ইউনিয়নের বরিশাল পটুয়াখালী মহাসড়কের জিরোপয়েন্ট থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে উপজেলার পৌর এলাকা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের সড়ক প্রদিক্ষন শেষে পূনরায় দপদপিয়া গিয়ে শেষ হয়। এসময় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগানে মুখরিত করেন।

    অংশ নেয়া নেতাকর্মীরা বলেন,আমাদের শাহিন ভাই বর্তমানে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন। তিনি বিগত ৫ বছর সফলভাবে তার দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সবাইকে সম্মান করেন কেউ বলতে পারবে না বিগত ৫ বছরে তিনি কার সাথে খারাপ আচরণ করেছেন। তাই আমরা তাকে আবারও নলছিটি উপজেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।

    মফিজুর রহমান শাহিন বলেন,আমি আমার প্রানপ্রিয় নেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমুর আর্শিবাদ ও আপনাদের দোয়া নিয়ে বিজয়ী হওয়ার জন্য আবারও ভোটের মাঠে নেমেছি। আশাকরি আপনারা আপনাদের মূল্যবান ভোটটি আমাকে প্রদান করে পুনরায় খেদমত করার সুযোগ দিবেন।

  • চোরাই মোটরসাইকেল বিদেশী পিস্তলসহ ২ বন্ধু গ্রেপ্তার

    চোরাই মোটরসাইকেল বিদেশী পিস্তলসহ ২ বন্ধু গ্রেপ্তার

    নাজিম উদ্দিন রানাঃলক্ষ্মীপুরে চোরাইকৃত মোটরসাইকেল ও বিদেশী ১টি পিস্তলসহ মো. রাসেল (২৪) তার বন্ধু মো. ইমরান কে (২১) গ্রেফতার করছে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ।

    মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে জেলার পুলিশ সুপার তারেক বিন রশিদ তার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করে সাংবাদিকদের কে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    এর আগে, সোমবার গভীর রাতে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের (৫নং ওয়ার্ড) দেওপাড়া মানিক মিয়ার দু-চালা সেমি পাকা টিনের ঘরের পূর্ব পাশ থেকে বিদেশি পিস্তলসহ অভিযুক্ত রাসেল ও ইমরানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের তথ্য সূত্রে নোয়াখালী জেলার কবিরহাট থানাধীন চাঁনপুর এলাকা একটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
    অভিযুক্ত রাসেল দেওপাড়া গ্রামের নুরু মিয়া পাটোয়ারী বাড়ির আব্দুল খালেকের ছেলে তার বিরুদ্ধে মাদক মামলাসহ একাধিক মামলা হয়েছে বিভিন্ন থানায়।

    অপর অভিযুক্ত ইমরান একই গ্রামের করিম মোল্লাগো বাড়ির তাজুল ইসলাম সুমনের ছেলে তার বিরুদ্ধে ও একাধিক মামলা রয়েছে। রাসেল ও ইমরান ভালো বন্ধু।

    পুলিশ সুপার জানান, অভিযুক্ত রাসেল ও ইমরান খারাপ প্রাকৃতিক লোক। তারা বিদেশি পিস্তল ব্যবহার করে মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটরসাইকেল ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত কাল রাতে তাদের পিস্তলসহ আটক করা হয়। পরে তাদের তথ্য ভিত্তিতে নোয়াখালী থেকে একটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।তাদের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা রয়েছে। মোটরসাইকেল ও বিদেশি পিস্তল উদ্ধার ঘটনায় রাসেল ও ইমরানের বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে।

    প্রেস ব্রিফিং উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ হাসান মোস্তফা স্বপন, (সদর) সার্কেল মো. সোহেল রানা, গোয়েন্দা বিশেষ শাখার (ডিআই-ওয়ান) মো. আজিজুর রহমান, চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হকসহ প্রমুখ।

  • ভালুুকায় চেয়ারম্যান পদে পিন্টুর  ব্যাপক গণসংযোগ ও মতবিনিময়

    ভালুুকায় চেয়ারম্যান পদে পিন্টুর ব্যাপক গণসংযোগ ও মতবিনিময়

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসাবে ব্যাপক গণসংযোগ ও মতবিনিময় করে বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে বেড়াচ্ছেন উপজেলা পরিষদের বিপুল ভোটে দুইবারের নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সভাপতি , উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ৯০এর স্বৈরাচারী আন্দোলনে রাজপথ কাঁপানো সাবেক ছাত্রনেতা বর্তমান জেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক রফিকুল ইসলাম পিন্টু।

    তিনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাট-বাজার ও গ্রামের সাধারন মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ভোট প্রার্থনা করে মতবিনিময় করে যাচ্ছেন । পাশাপাশি তাঁর সমর্থিত নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিন তিনি উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও গ্রামে গঞ্জে বিভিন্ন পেশাজীবি জনসাধারনের সাথে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে বিজয় নিশ্চিত করণে সকলের সহযোগীতা ও দোয়া কামনা করে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায়য় তিনি সোমবার (৬ফেব্রুয়ারী) রাতে উপজেলার মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নের নয়নপুরসহ বিভিন্ন এলাজায় ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় ও গণসংযোগ করেন।

    এসময় তিনি বলেন, সর্বশ্রেনী পেশার মানুষের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নারীর অধিকার-মর্যাদা রক্ষায় সর্বধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি বিভিন্ন জনবহুল পয়েন্টে গনসংযোগ কালে উন্নয়নের রূপকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সামিল হতে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। তার সাথে উপজেলা আওয়ামীলীগের আওয়ামীলীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা গনসংযোগ ও মতবিনিময় করে যাচ্ছেন।

    পিন্টু আরো বলেন-গত দুটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোট দিয়ে আমাকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করেছেন ভালুকার জনগণ। আমি তাদের কাছে ঋণী এবং কৃতজ্ঞ। তবে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে বিশেষ কোন কাজ করার সুযোগ বিধি মোতাবেক নেই বলে আমি তেমন কিছু করতে পারিনি। তার পর ও চেষ্টা করেছি। ভালুকার সকল শ্রেণী পেশার মানুষের পাশে থেকে সুখে দুখে বিপদে আপদে ছিলাম। ঘুষ, দুর্নীতি, মাদক, সহ সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করেছি।
    অতীতে ও পাশে ছিলাম আগামীতেও আরো জোরালো ভাবে থাকতে চাই বলে এবার চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছি।

    তিনি আরো বলেন, আমি আগামী আগামী পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সনর্থন প্রত্যাশা করছি। দল সমর্থন দিলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে, জনসেবা আর উন্নয়নের বাইরে আমার কোনো চিন্তা নেই। কোন লাভের লোভেই আমাকে স্পর্শ করতে পারবে না। আমি জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে জনসাধারণের সমস্যাগুলো স্থানীয়ভাবে সমাধান করতে চেষ্টা করব।

    উল্ল্যেখ-রফিকুল ইসলাম পিন্টু শিক্ষাজীবন থেকেই শিক্ষা,শান্তি, প্রগতি এই স্লোগানের পতাকাবাহি প্রধান সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শাখায় উপজেলা শহরের রাজপথ থেকে শুরু হয় তার ছাত্ররাজনীতির পথচলা।
    ছাত্রজীবনে ১৯৯০ সালে ভালুকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি, উপজেলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক,
    ১৯৯১ সালে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক,১৯৯৪ সালে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক,১৯৯৮সালে যুগ্ম আহবায়ক, ২০১৫ সালে উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ও ২০১৬ সালে জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক পদে মনোনীত হয়ে অধ্যাবদি পর্যন্ত দায়িত্বে আছেন। রাজনীতিতে তিনি একজন জনবান্ধব ও কর্মীবান্ধব নেতা হওয়ায় ভালুকা উপজেলার সর্বস্তরের জনতার আহবানে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে পর-পর দুই বার ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে অদ্যাবধি দায়িত্বে আছেন।

  • ডিসি-ইউএনও’র দিক-নির্দেশনায় শীতার্তদের ঘরে-ঘরে কম্বল নিয়ে  এসিল্যান্ড-পিআইও

    ডিসি-ইউএনও’র দিক-নির্দেশনায় শীতার্তদের ঘরে-ঘরে কম্বল নিয়ে এসিল্যান্ড-পিআইও

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    হাড় কাঁপানো কনকনে শীত, বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নিম্নবিত্তরা। এ শীতে কষ্টে দিনাতিপাত করছে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্নআয়ের মানুষসহ ছিন্নমূলরা। বিশেষ করে, বয়োজ্যেষ্ঠ ও শিশুরা চরম বিপাকে পড়েছে। হাড় কাঁপানো শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে গরম ও উষ্ণ শীতবস্ত্রের জন্য হা-হা-কার করে শীতার্তরা।

    অসহায়, হতদরিদ্র, রাস্তায় ও ফুটপাতে,আশ্রয়ণ প্রকল্পে থাকা-ভিক্ষুক, নদী ভাঙনের শিকার ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের পাশে দাঁড়াতে কনকনে শীতকে উপেক্ষা করে কম্বল নিয়ে শীতার্তদের ঘরে-ঘরে ছুটেন ময়মনসিংহের সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড মোঃ উজ্জ্বল হোসেন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনিরুল হক ফারুক রেজা।

    সম্প্রতি উপজেলার খাগডহর ইউনিয়নের চর দুলাল বাড়ী এলাকায় ব্রহ্মপুত্রের নদী ভাঙনকবলিত আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসরত অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে ঘরে-ঘরে ঘুরে শীতার্তদের কম্বল বিতরণ করেছেন এসিল্যান্ড ও পিআইও। এর আগে চুড়খাই আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা লদের শীত নিবারণে অসহায়দের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন পিআইও মনিরুল হক ফারুক রেজা ।

    কম্বল পেয়ে আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দারা বলেন, এক সপ্তাহের বেশি দিন ধরে ব্যাপক শীত পড়েছে। তাছাড়া নদী ভাঙনে বসত-ভিটা হারিয়ে আশ্রয়ন প্রকল্পে থাকি। অনেক বাতাস ও শীত লাগে। কেউ খোঁজ খবর নেয় না। হঠাৎ দরজার শব্দ পেয়ে দেখি কম্বল নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে বেশ কয়েকজন লোক। পরে এসিল্যান্ড ও পিআইও হাতে কম্বল তুলে দেন।

    বৃদ্ধ আলাল হোসেন বলেন, আমরা গরিব মানুষ, টাকা পয়সাও নেই যে শীতবস্ত্র কিনে শীত নিবারণ করব। আগুনের কাছে থাকলেও শীত কমে না। এ শীতের রাতে দুই স্যারে কম্বল দিয়েছেন। শুধু আমি একা নই, আশ্রয়ন প্রকল্পে থাকা শতাধিক মানুষকে তারা কম্বল দিয়েছেন। আমাদের খুব ভালো লাগছে।

    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনিরুল হক ফারুক রেজা জানান, উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি সিটি করপোরেশনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের পক্ষ থেকে উপজেলা প্রশাসন ব্রহ্মপুত্রের নদী ভাঙনকবলিত এলাকা, প্রধানমন্ত্রী আশ্রয়ণ প্রকল্প, অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার ৭শ’র মতো কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ উজ্জ্বল হোসেন বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, ইউএনও মহোদয়ের দিক নির্দেশনায় ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সার্বিক সহযোগীতায় নদী ভাঙনকবলিত মানুষদের বাড়িতে বাড়িতে ঘুরে রাতে কম্বল দিয়েছি। রাতের বেলায়ও দেয়া হয়েছে। আমাদের সবার উচিত সাধ্যমত অসহায়, দুস্থ ও দরিদ্রদের পাশে এসে দাঁড়ানো।

    তিনি আরো জানান, কিছুদিন যাবত কনকনে শীত জেঁকে বসেছে। অনেক অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষ শীতে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাদের শীত নিবারণের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে দেওয়া কম্বল জেলা প্রশাসক মহোদয়ের পক্ষ থেকে বিতরণ করছি।

  • সাতক্ষীরা এগ্রিকালচার মেশীনারী মার্চেন্ট এসোসিয়েশনের আলোচনা সভা 

    সাতক্ষীরা এগ্রিকালচার মেশীনারী মার্চেন্ট এসোসিয়েশনের আলোচনা সভা 

    মো আজিজুল ইসলাম(ইমরান) 

    বাংলাদেশ এগ্রিকালচার মেশীনারী মার্চেন্ট এসোসিয়েশন সাতক্ষীরা শাখার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার সন্ধা ৭টায় এসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুর রউপের সভাপতিত্বে সদরের নিউমার্কেট মোড়ে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাসির হোসেন, সহ সভাপতি কাজী কামরুল ইসলাম, ক্যাসিয়ার আব্দুর রহমান। 

    বক্তরা বলেন বাংলাদেশর কৃষি প্রধান দেশ। এই দেশের বেশিরভাগ মানুষ কৃষি কাজ করে তাদের জিবিকা নির্বাহ করে। বাংলাদেশ এগ্রিকালচার মেশীনারী মার্চেন্ট এসোসিয়েশন দেশের কৃষি উৎপাদনে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত কৃষিতে বিপ্লব ঘটাতে চেষ্টা করে যাচ্ছে। আগামী দিন গুলোতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। 

    এছাড়া সংগঠনের বাৎসরিক পিকনিক সহ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেম আসুতোষ কুমার,সাুদুল হক,জয়ন্ত,আব্দুর রহমান,সহিদুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম সহ আরও অনেকে পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন আজিজুল ইসলাম। 

  • উজিরপুরে ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার এসোসিয়েশনের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যানের মতবিনিময়

    উজিরপুরে ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার এসোসিয়েশনের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যানের মতবিনিময়

    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার এসোসিয়েশনের উজিরপুর উপজেলা কমিটির সাথে মতবিনিময় করেন উজিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ সিকদার বাচ্চু।

    ৬ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদের মেম্বার এসোসিয়েশনের কার্যালয়ে উপজেলা মেম্বার এসোসিয়েশনের সভাপতি ও ইউপি সদস্য আশ্রাব আলী রাড়ীর সভাপতিত্বে এবং এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক ও ইউপি সদস্য মাইনুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পরিমল কুমার বাইন অনু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক উত্তম কুমার হাওলাদার,উপজেলা শ্রমিক লীগ ও উপজেলা ও পৌর প্রেস ক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম শিপন মোল্লা, ইউপি সদস্য মোস্তফা কামাল, শারমিন খানম,রানা রাড়ী, জাহানারা বেগম,মনিকা রানী বৈদ্য,মহাব্বত আলী, লিটন বেপারী, শহীদুল ইসলাম, মোঃ ফারুক মোল্লা প্রমুখ।অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সাবেক প্রেসক্লাবের সভাপতি আঃ রহিম সরদার , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মাসুম , সাবেক কাউন্সিলর বাবুল সিকদার প্রমুখ। এ সময় বক্তারা উপজেলা পরিষদ চত্বরের একটি পুরাতন ভবনে ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার এসোসিয়েশনের উপজেলা কমিটির অস্থায়ী কার্যালয় বরাদ্দ দেওয়ার জন্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আঃ মজিদ সিকদার বাচ্চুকে অভিনন্দন জানান ।

  • নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি মাসুম , সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল

    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি মাসুম , সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা পরিষদের ২০২৪ সালের নির্বাচনে অতিরিক্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (রেজিস্ট্রার দপ্তর) মোকাররেম হোসেন মাসুম সভাপতি এবং রেজিস্ট্রার দপ্তরের সহকারী রেজিস্ট্রার (প্রশাসন) ইব্রাহিম খলিল সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছে।

    সোমবার (৫ফেব্রুয়ারী) বেলা ১১টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে শেষ হয় দুপুর ১টায়।

    বিকেলে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালনকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা,উন্নয়ন ও ওয়ার্কস বিভাগের পরিচালক প্রকৌশলী মো. হাফিজুর রহমান।

    নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক পদে কোন প্রার্থী না থাকায় বিনা ভোটে সভাপতি পদে মোকাররেম হোসেন মাসুম এবং সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল বিজয়ী হয়।

    অন্যপদে নির্বাচিতদের মধ্যে সহসভাপতি পদে রেবেকা সুলতানা, যুগ্ম সম্পাদক এ কে এম আমিনুল হক , সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ এইচ এম এরশাদ,ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান আনসারী দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক শাহিদুল ইসলাম রানা এবং সদস্য হিসেবে নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছে রাধেশ্যাম, এনামুল হক,দেলোয়ার হোসেন (স্বপন) আফরিন জাহান,ফাতেউল আলম (শিশির),নাসরিন সুলতানা, মছিউজ্জামান।

    নির্বাচিত সভাপতি মোকাররেম হোসেন মাসুম
    বলেন, কর্মকর্তাদের অধিকার নিয়ে কথা বলতেই কর্মকর্তা পরিষদের নির্বাচন। আমাকে কর্মকর্তারা নির্বাচিত করেছেন তাই তাদের ন্যায় সঙ্গত অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করবো আমি এবং আমাদের কর্মকর্তা পরিষদ।

    নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া সাবেক ছাত্রনেতা ইব্রাহিম খলিল বলেন, এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে সকল কর্মকর্তাদের ন্যায্য দাবির পক্ষে অবস্থানের ভিত শক্তিশালী হয়েছে। কর্মকর্তাদের ন্যায্য পাওনা, আবাসন সমস্যা সংকট নিরসন, পর্যায়োন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতসহ কর্মকর্তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাবে কর্মকর্তা পরিষদ।

  • ধুরধুরিয়া আলিম মাদ্রাসা দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান

    ধুরধুরিয়া আলিম মাদ্রাসা দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান

    মোঃ সেলিম মিয়া ফুলবাড়ীয়া প্রতিনিধিঃ গতকাল মঙ্গলবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় ধুরধুরিয়া আলিম মাদ্রাসায় সকাল ১১টায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে দাখিল ২০২৪ সালে ৭৩ জন পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ধুরধুরিয়া আলিম মাদ্রাসা অধ্যক্ষ মোঃ জিয়াউল হকের সভাপতিত্বে করেন। তিনি বিদায়ী ছাত্র—ছাত্রীদের উদ্যোশে বলেন, প্রত্যেক ছাত্র—ছাত্রীকে ভাল ভাবে পড়ালেখা করে পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করতে হবে, সময় খুবই মূল্যবান অযথা সময় নষ্ট করার মত সময় এখন নাই। যে যত বেশী সময়ের মূল্য দিয়ে সময়কে লেখা পড়ায় জ্ঞান আহরনের কাজে ব্যয় করবে,সে ততবেশী জীবনে উন্নতি সাধন করতে পারবে।
    এতে বক্তব্য রাখেন অত্র মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ, সহকারী শিক্ষক উমর ফারুক, আরবী প্রভাষক মাওলানা হাবিবুর রহমান, অত্র মাদ্রাসার অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক আইয়ুব আলী মাস্টার ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে মোসাম্মৎ সরনা আক্তার, রাসেল মিয়া, মোকরামিম ি সজিব প্রমূখ।
    মুনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা হাবিবুর রহমান । দোয়া অনুষ্ঠানে ছাত্র—ছাত্রী ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ধুরধুরিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ৭৩ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।