Blog

  • পীরগঞ্জে হাফিজ উদ্দিন এমপি কে গণ সংবর্ধনা

    পীরগঞ্জে হাফিজ উদ্দিন এমপি কে গণ সংবর্ধনা

    পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি ঃ জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ এমপি কে গণ সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। শুক্রবার বিকালে সংসদ সদস্যের মিল-চাতালে এ গণ সংবর্ধনা দেয়া হয়।
    উপজেলা জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় বক্তৃতা করেন, পীরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বদরুল হুদা, পীরগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ ফয়জুল ইসলাম, রানীশংকৈল উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আবু তাহের, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মেহের এলাহী, সাবেক ছাত্র নেতা শামসু হাবিব বিদ্যুৎ, উপজেলা জাতীয় পর্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান, পৌর কাউন্সিলর কামরুজ্জামান, উপজেলা ছাত্র সমাজ সভাপতি আশরাফুল ইসলাম প্রমূখু।

    এন এন রানা
    পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও

  • নড়াইলে একুশে পদকপ্রাপ্ত লোককবি বিজয় সরকারের ১২২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

    নড়াইলে একুশে পদকপ্রাপ্ত লোককবি বিজয় সরকারের ১২২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে একুশে পদকপ্রাপ্ত লোককবি বিজয় সরকারের ১২২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলার বাঁশগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউপি চেয়ারম্যান এফ এম রফিকুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এস,এ মতিন,মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, সিনিয়র সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ,কল্যাণ মূখার্জী,কবি সৈয়দ হাসমত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ মঞ্জুর আহম্মেদ,বাঁশগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলাল উদ্দিন, বিমল কৃষ্ণ দত্ত, ইউপি সদস্য ভবরঞ্জন রায় প্রমূখ।
    সভায় আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি লোককবি বিজয় সরকারের ১২২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে কবির জন্মভিটা সদর উপজেলার বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের ডুমদী গ্রামে কবির প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ,আলোচনা সভা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।বিজয় সরকার ১৯০৩ সালের ২০ ফেব্রæয়ারি নড়াইল সদর উপজেলার ডুমদী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।১৯৮৫ সালের ৪ ডিসেম্বর মারা যান।গীতিকার ও সুরকার কবিয়াল বিজয় সরকার চারণ কবি হিসেবে সমাধিক পরিচিতি লাভ করেন।জীবদ্দশায় প্রায় ১৮শ’ গান রচনা করেন।গানে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ ২০১৩ সালে তিনি মরনোত্তর একুশে পদক লাভ করেন।

  • পাইকগাছায় সপ্তদ্বীপার ২৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ও সম্মাননা স্মারক প্রদান

    পাইকগাছায় সপ্তদ্বীপার ২৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ও সম্মাননা স্মারক প্রদান

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পাইকগাছায় সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগ গুণীজনদের সম্মাননা স্মারক ও পদক প্রদান করা হয়েছে। সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের ২৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার সকাল ১১ টায় উপজেলার নতুন বাজার চত্তরে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে গুণীজনদের সম্মাননা স্মারক, পদক ও পুরষ্কার প্রদান করা হয়।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারি কমিশনার(ভূমি) মো: আরিফুজ্জামান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে গুণীজনদের সম্মাননা স্মারক প্রদান ও প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন। তিনি বক্তৃতায় বলেন, সমাজের সৃজনশীল মানুষ তৈরীর জন্য সাহিত্য সংগঠন গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। যে কাজটি সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে পালন করে চলেছে। এলাকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল ব্যক্তিদের গুণীজন সম্মাননা প্রদান করে সংগঠনটি আলো ছড়াচ্ছে।
    সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধানের সভাপতিত্বে মুখ্য আলোচক ছিলেন বাংলা বিভাগ ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ঢাকা প্রফেসর ড. সন্দীপক মল্লিক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, থানা অফিসার ইনচার্জ মো: ওবাইদুর রহমান,কৃষি অফিসার অসিম কুমার দাশ,এ্যাড.শফিকুল ইসলাম কচি,পাইকগাছা সরকারি কলেজের প্রভাষক মোমিন উদ্দিন, উপজেলা সেনেটারি ইস্নপেক্টর উদয় মণ্ডল, অনারারি ক্যাপ্টেন অব. মোহন লাল দাশ, নতুন বাজার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি অশোক ঘোষ, কাটিপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়েরে প্রধান শিক্ষক শিব শংকর রায়, সঙ্গীত শিল্পী নুর আলি মোড়ল।
    রুকায়া আনজুম ও শ্যাবন্তী বিশ্বাসের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক এম জালাল উদ্দিন.সাংবাদিক সফিউল ইসলাম শফি, সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাধুরী রাণী সাধু, কবি অসিম রায়,সমাজ সেবক জগন্নাথ দেবনাথ, রোজী সিদ্দীাক, বাবুল শরীফ প্রমুখ।
    সাহিত্যের বিভিন্ন বিষয় ও সামাজিক কর্মকান্ডে বিশেষ অবদান রাখায় ৬জন গুণী ব্যক্তিকে সপ্তদ্বীপা সম্মাননা স্মারক ও হৈমনরেন্দ্র স্মৃতি পদক প্রদান করা হয়েছে। সপ্তদ্বীপা সম্মাননা প্রাপ্ত গুণী ব্যক্তিরা হলেন,বাংলা সাহিত্যে কবিতায় দিলিপ কির্ত্তুনিয়া, বাংলা সাহিত্যে ছড়ায় এ্যাড. শফিকুল ইসলাম কচি, সাংবাদিকতায় গাজী জাহিদুর রহমান,হৈম-নরেন্দ্র স্মৃতি পদক প্রাপ্তরা হলেন, সমাজ সেবায় সমিরণ কুমার সাধু, কৃষি উদ্যোক্তা শেখ তৌহিদুল ইসলাম, ব্যবসা ও ক্ষুদ্র শিল্প উদ্যোক্তা রাজীব ঘোষ।
    অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে কবিতা উৎসবে কবিতা পাঠ ও সংগীত পরিবেশন করেন ড. সন্দীপক মল্লিক,শিক্ষক শঙ্কর চক্রবর্তি ,মাধুরী রাণী সাধু,ধর্মদাস চক্রবর্তী,রোজী সিদ্দীকি,ফারজানা আক্তার ময়না, রাবেয়া আক্তার মলি,মনিরা আহম্মেদ,কথাকলি,দ্বীপানিত্বা অধিকারি, অর্থি সরকার, লাবিবা আক্তার, পুস্পিতা শীল জ্যতি, লিনজা আক্তার মিথিলা, তৃষা বিশ্বস, মিতু সেন,প্রমুখ। অনুষ্ঠানে খুলনা, সাতক্ষীরা ও এলাকার কবি, সাহিত্যিক, শিল্পীসহ এলাকার সুধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম কার্টুনিস্ট  শৈলকুপার কাজী আবুল কাসেম

    উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম কার্টুনিস্ট শৈলকুপার কাজী আবুল কাসেম

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম কার্টুনিস্ট ছিলেন কাজী আবুল কাসেম। গুণী এই কার্টুনিস্ট ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার উমেদপুর গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। নতুন প্রজন্ম তো বটেই, হয়তো অনেকইে এই বিখ্যাত কার্টুনিস্টের নামই জানেন না। অথচ ১৯৫২ সালের রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের মহান সৈনিক কাজী আবুল কাসেম তার আঁকা ‘হরফ খেদাও’ কার্টুন চিত্রটির জন্য বিশ^ব্যাপী স্মরণীয় হয়ে রয়েছেন। বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম কার্টুনিস্ট, প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও শিশুসাহিত্যিক কাজী আবুল কাসেম ১৯১৩ সালের ৭ মে ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার উমেদপুর গ্রামে নানা বাড়ি জন্ম গ্রহন করেন। পৈতৃক নিবাস রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার পারকুলা গ্রামে। তার পিতা কাজী মকবুল আলী শিক্ষিত ও সংস্কৃতিবান ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম আধুনিক মুসলিম গদ্যশিল্পী মীর মশাররফ হোসেনের বন্ধু। মাতা মেহেরউন্নিসা খাতুন উমেদপুরের সম্ভ্রান্ত আলেম বংশের গুণান্বিত মহিলা ছিলেন। কাজী আবুল কাসেম মাত্র চার বছর বয়সে পিতা এবং পাঁচ বছর বয়সে মাকে হারান। শৈশবেই চিত্রকলার প্রতি আকর্ষণ ছিল। তিনি নিভৃতে ছবি আঁকতে ভালবাসতেন। বড় ভাই কাজী আবুল হোসেন (১৯১১-১৯৭৪, কথাসাহিত্যিক) এ বিষয়ে তার একমাত্র উৎসাহদাতা ছিলেন। ১৯২৬ সালে তার চিত্রকর্মে মুগ্ধ হয়ে ফরিদপুর শহরের এক পাদ্রি তাকে নিয়ে কলকাতা যান গভর্নমেন্ট আর্ট স্কুলে ভর্তি করানোর উদ্দেশ্যে। ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও বয়স কম হওয়ার কারণে দেশে ফিরে আসেন। ১৯২৮ সালে আসাম হয়ে পুনরায় কলকাতা যান। ১৯৩০ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন সম্পাদিত বিখ্যাত মাসিক সওগাত পত্রিকায় তার প্রথম কার্টুনচিত্র ছাপা হয়। এর মাধ্যমে শৈলকুপার কৃতি সন্তান কাজী আবুল কাসেম চিহ্নিত হন প্রথম বাঙালি মুসলিম কার্টুনিস্ট ও চিত্রশিল্পী হিসেবে। এরপর বহু দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক পত্রিকায় তার আঁকা একরঙা ও বহুরঙা চিত্র ও কার্টুন প্রকাশিত হতে থাকে। অসংখ্য বইয়ের প্রচ্ছদ ও অলঙ্করণ ঘটে তার নিপুণ হাতে পরম আন্তরিকতা ও বিশ্বস্ততায়। কাজী আবুল কাশেম দোপেঁয়াজা ছদ্মনামে ভাষা আন্দোলনবিষয়ক কার্টুন আঁকতেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন “হরফ খোদাও” কার্টুন এঁকে পাক সরকারের ভীত কাঁপিয়ে দেন। কলকাতার কমার্শিয়াল আর্ট স্টুডিওতে তিনি সামান্য বেতনে চাকরি শুরু করে অল্প সময়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান চিত্রকর্মী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ১৯৪১ সালে বেঙ্গল গভর্নমেন্টের শিল্প বিভাগে চাকরি নেন। ১৯৫০ সালের গোড়ার দিকে শিল্প বিভাগের আওতায় ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার ফর ডিমোবিলাইজড পার্সোনেলের বালিগঞ্জ শাখায় শিক্ষকের পদে নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৫০ সালের মধ্যভাগে তিনি কলকাতা থেকে এসে প্রথমে কিছু দিন খুলনা ছিলেন, পরে ঢাকায় চলে আসেন। ১৯৬০ সালে এক বছর অস্থায়ীভাবে টেকস্ট বুক বোর্ডের আর্ট রিভুয়ার এবং ১৯৬১ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত ফ্রাঙ্কলিন বুক প্রোগ্রামসের প্রধান শিল্প নির্দেশক ও শিশুসাহিত্যের বইয়ের রিভুয়ার হিসেবে চাকরি নেন। অবিভক্ত বাংলার একজন পথিকৃৎ চিত্রশিল্পী ও কার্টুনিস্ট ছাড়াও তিনি শিশুসাহিত্যিক, ছড়াকার, শৌখিন কণ্ঠশিল্পী, আধুনিক এক বিজ্ঞানমনা ব্যক্তিত্ব হিসেবেও সুপরিচিত ছিলেন। তিনি বাংলা একাডেমি পদক, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র স্বর্ণপদক, এস এম সুলতান স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি পুরস্কার ও নাসির উদ্দীন স্বর্ণপদকসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। শিল্পী কাজী আবুল কাসেম তাঁর আত্মকথায় লিখছেন: ‘আমি লেখক নই। সামান্য চিত্রকর, তাও আবার কমার্শিয়াল ছবি, ভুখা-নাঙ্গা ঘুচানোর তাগিদে। কলকাতায় ছিলাম, অনেক বড় বড় লেখকের লেখা পড়েছি। মুগ্ধ হয়েছি, হেসেছি, কেঁদেছি। এখানে শরৎচন্দ্র নেই, তারাশঙ্কর নেই, কিন্তু বেশি দিন অপেক্ষা করতে হয়নি। বার্ধক্যের দোরগোড়ায় আসতেই একে একে বেরিয়ে এলেন শওকত ওসমান, হুমায়ূন আহমেদ প্রমুখ সোনার চাঁদ লেখকেরা। এঁদের লেখা পড়ে আনন্দ আর শান্তি দুটোই ফিরে পেলাম আবার।’ কার্টুনিস্ট কাজী আবুল কাসেম যতই বলনু ‘আমি লেখক নই’, তিনি অবশ্যই লেখক। শিশুসাহিত্যে বাংলা একাডেমী পুরস্কার পেয়েছেন ১৯৭৮ সালে। এ কথা চোখ বন্ধ করে বলা যায়, তাঁর স্মৃতিকথা ‘পূবের জানালা’ যারা পড়বেন, বিস্মিত হবেন। তার প্রতিভা বিকশিত হয় একজন সহজাত শিল্পী হিসেবে। পেশাদার হলেও তার প্রকৃত ও মৌলিক শিল্পীসত্তা কখনো পরাভূত হয়নি। ২০০৪ সালের ১৯ জুলাই এই মহান মানবতাবাদী শিল্পী ও সাহিত্যিক এবং আমাদের সাংস্কৃতিক রেনেসাঁর অন্যতম পুরুষ ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ৯১ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান ।

  • পাইকগাছায় আবারো সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুধর্ষ চুরি

    পাইকগাছায় আবারো সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুধর্ষ চুরি

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।

    পাইকগাছায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালা ভেঙ্গে দুধর্ষ চুরি সংঘটিত হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাতে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এব্যাপারে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার হাউলী গ্রামে ৭৬ নং কে এইচ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসসহ ৪টি শ্রেণী কক্ষের ৬ টি তালা ভাংচুর করে অফিসের আসবাবপত্র, কাগজপত্র তছনছ, ২০ টি সিলিং ফ্যান, ৭টি তোয়ালে সহ প্রায় পঁচাত্তর হাজার টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় । বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান ঘটনাটি স্বীকার করে বলেন আমরা এব্যাপারে থানায় অভিযোগ করেছি। থানার অফিসার ইনচার্জ ওবাইদুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।

  • নড়াইলে ডোবা থেকে বৃদ্ধর লা*শ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ

    নড়াইলে ডোবা থেকে বৃদ্ধর লা*শ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ

    উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে ডোবা থেকে বৃদ্ধর লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। নড়াইল লোহাগড়া উপজেলায় দিঘলিয়া ইউনিয়নের তালবাড়িয়া গ্রামে ডোবা থেকে ওয়াদুদ শেখ (৮৪) নামে এক বৃদ্ধর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারী) সকালে উপজেলার ওই বৃদ্ধর নিজ বাড়ির পাশের ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাঞ্চন কুমার রায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , লোহাগড়া উপজেলার তালবাড়িয়া গ্রামের বৃদ্ধ ওয়াদুদ শেখ গত শুক্রবার রাত নিজ বাড়িতে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। পরদিন শনিবার সকালে বাড়ির লোকজন তাকে ঘরে দেখতে না পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করেন। পরে বাড়ির পাশে থাকা একটি ডোবায় নিহতের লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন ডোবা থেকে লাশ উদ্ধার করে।
    এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাঞ্চন কুমার রায় এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, লাশ উদ্ধারের ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।

  • পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদের মাটি গভীর রাতে চুরি হয়ে যাচ্ছে ইটভাটায়

    পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদের মাটি গভীর রাতে চুরি হয়ে যাচ্ছে ইটভাটায়

    পাইকগাছা( খুলনা)প্রতিনিধি।।

    পাইকগাছায় প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে উপজেলার চাঁদখালীতে কপোতাক্ষ নদের খননকৃত মাটি কেটে রাতের আধারে পাঁচার করা হচ্ছে ইট ভাটায়। প্রশাসনের নজরদারি স্বত্বেও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ফাঁকি দিয়ে বেকু ম্যাশিনে মাটি কেটে মহেন্দ্র গাড়ীতে করে ইট ভাটায় পাঁচার করছেন। এ ঘটনায় কালীদাশপুর ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে শফিকুল ইসলাম গাজী,সালাউদ্দীন গাজী,মেহেদী হাসান,নজরুল ইসলাম,সবুর গাজীসহ অনেকেই সংসদ সদস্যোর হস্তক্ষেপ কামনা করে অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে চাদঁখালীর অধিকাংশ ইট ভাটায় কপোতাক্ষ নদের খননকৃত সরকারী মাটি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ইউনিয়নের কাটাখালী এলাকা থেকে চাঁদখালী বাজার হয়ে ধামরাইল পর্যন্ত কপোতাক্ষ নদের পাশে রাখা খননকৃত সরকারি মাটি এবং কোথাও কোথাও চর ভরাটি জমি থেকে গভীর রাতে স্কেভেটর (ভেকু) ম্যাশিন দিয়ে কেটে লাখ লাখ টাকার সরকারি মাটি মহেন্দ্র গাড়িতে করে ইটভাটা গুলো তে পাঁচার করা হয়। এর ফলে রাস্তায় ধুলোবালি-কাঁদায় চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে,বিশেষ করে বর্ষা হলে পিচ্ছিল হয়ে সড়ক গুলোর পরিবেশ নষ্ট হয়,বাড়ে দুর্ঘটনা। অপরদিকে সরকার হারাচ্ছে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব।

    প্রতিকার পেতে ইতোমধ্যে স্থানীয়রা সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামানের কাছে অভিযোগ করলে তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেন।

    এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারী মাটি কাঁটার অভিযোগে ভ্রাম্যমান আদালতে ৭ ব্যক্তির বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করা হয়। তার পরেও মাটি চুরি বন্ধ হচ্ছে না। প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনা উপেক্ষা করে গভীর রাতে চুরি হয়ে যাচ্ছে কপোতাক্ষ নদের খননকৃত সরকারি মাটি। এ বিষয়ে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ( লস্কর) মোঃ কামরুল হাসান বলেন,এখানকার সরকারী মাটি কাঁটার ঘটনায় কয়েক জনের আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অনেকেই গভীর রাতে মাটি চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। চাঁদখালী ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাদা মোঃ আবু ইলিয়াস বলেন ঢালাও অভিযোগ সঠিক নয়, অনেকেই বাড়তি সুবিধা না পেয়ে অভিযোগ করছে, তবে এব্যাপারে আমি নিজেই বেশ আগে বিষয়টি উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় তুলে ছিলাম বলে জানান স্থানীয় এ জনপ্রতিনিধি। যারা একাজে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ আরিফুজ্জামান।

  • পাইকগাছায় ৪০ হাজার জাল টাকাসহ নারী গ্রেপ্তার

    পাইকগাছায় ৪০ হাজার জাল টাকাসহ নারী গ্রেপ্তার

    পাইকগাছা( খুলনা)প্রতিনিধি।।

    পাইকগাছায় ৪০ হাজার টাকার জাল নোটসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তার ওই নারীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অভিযানে জাল টাকাসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই নারীর নাম নুরজাহান (৩৭)। তিনি পাইকগাছা পৌর সদরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শরাফত মোল্লার মেয়ে। এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) শেখ ইমরুল বলেন, ‘শুক্রবার ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা এসডি পরিবহনে এক নারী জাল টাকা নিয়ে পাইকগাছার দিকে আসছেন এমন সংবাদ পাই। এ সময় পাইকগাছা উপজেলার কাশিমনগর পুলিশ বক্সে পৌঁছালে গাড়িটি তল্লাশি করা হয়। তখন নুরজাহান নামের ওই নারীর কাছে থাকা কালো ব্যাগের ভেতরে ১ হাজার টাকার ৪০টি নোট পাওয়া যায়। পরবর্তীতে পরীক্ষা করে দেখা গেছে, সেগুলো সবই জাল নোট।’ এ বিষয়ে পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘নুরজাহান খাতুন দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা থেকে জাল টাকা সংগ্রহ করে খুলনা জেলাসহ আশপাশের এলাকায় সরবরাহ করে আসছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি ওবায়দুর রহমান ।

  • তানোরে জলজমিদারদের দৌরাত্ম্যে রুখবে কে ?

    তানোরে জলজমিদারদের দৌরাত্ম্যে রুখবে কে ?

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    জমিদারি শাসন ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়েছে বহুকাল আগেই। জমিদারি শাসন ব্যবস্থায় কৃষক শোষণের কথা শোনা গেলেও, সেরকম চিত্রই যেন শত বছর পর মিলল তানোরের মাঠে মাঠে। সেচের কাজে নিয়োজিত গভীর নলকূপ অপারেটররা জমিদারের উমেদারের ভূমিকায় যেনো অবতীর্ণ হয়েছে। তাদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে উপজেলার হাজার হাজার। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে,
    উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) আড়াদীঘি মাঠের অপারেটরগণ স্বঘোষিত(ওয়ার্টার লড) জল জমিদার। এখানে অপারেটরদের কথায় আইন। এখানে জমি কৃষকের রাজত্ব অপারেটরের। আড়াদীঘি মাঠের জেল নম্বর ২৩৩ ও ৩৬২ নম্বর দাগে অবস্থিত গভীর নলকুপের অপারেটর রুস্তম আলী। তিনি নিজের ইচ্ছেমতো সেচ চার্জ আদায় করছেন। অপরদিকে একই মাঠে আরো দুটি গভীর নলকুপের অপারেটর হাবিবুর রহমান ও শাফিউল ইসলাম স্বঘোষিত নিয়মে সেচ চার্জ আদায় করছেন। যেখানে প্রতি বিঘা আলুখেতে সেচ খরচ সর্বোচ্চ ৬০০ টাকা, সেখানে অপারেটর আদায় করছে দু’হাজার থেকে ২২শ’ টাকা। স্থানীয় কৃষকেরা দীর্ঘদিন যাবত কৃষকের মতামতের ভিত্তিতে অপারেটর নিয়োগ ও সমিতির মাধ্যমে গভীর নলকুপ পরিচালনার দাবি করে আসছেন।
    এদিকে সেচ নিয়ে কৃষকের দুর্ভোগের বিষয়টি স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর নজরে আসে। তিনি সমিতির মাধ্যমে গভীর নলকুপ পরিচালনার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। বিএমডিএ’র সহকারী প্রকৌশলীর উপস্থিতিতে স্কীমভুক্ত কৃষকের মতামতের ভিত্তিতে ১৫ থেকে ২০ সদস্যর কমিটি গঠন করতে বলা হয়। কমিটি গভীর নলকুপ পরিচালনা করবেন এবং অপারেটর সমিতির একজন কর্মচারী হিসেবে কাজ করবেন। কিন্ত্ত এখানো এসব গভীর নলকুপে সমিতি গঠন করা হয়নি। স্থানীয় সাংসদের নির্দেশনাও তারা আমলে নিচ্ছেন না, এতে প্রশ্ন উঠেছে তাদের খুঁটর জোর কোথায় ?
    জানা গেছে, বিগত ২০২২ সালের মার্চে সেচ না পেয়ে গোদাগাড়ি উপজেলায় দুজন কৃষকের আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটে। চলতি আলু ও বোরো মৌসুমে বিভিন্ন এলাকায় গভীর নলকূপ অপারেটররা কৃষকদের জিম্মি করে সেচের চার্জ বাবদ অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। গভীর নলকূপ অপারেটরদের বেপরোয়া সেচ বাণিজ্যের কবলে পড়ে কৃষকদের অবস্থা এখন শোচনীয়। কৃষকদের কষ্টের ফসলের বড় অংশই চলে যাচ্ছে গভীর নলকূপ অপারেটরদের পেটে। সরকারের সেচ ভর্তুকি সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে কৃষক। এক সময় গভীর নলকূপগুলো ডিজেল চালিত হলেও এখন চলে বৈদ্যুতিক মোটরে। ফলে কৃষকের সেচ খরচ অনেক কম হওয়ার কথা। কিন্তু কৃষকরা সেই সুবিধা মোটেও পান না।
    বিএমডিএ সূত্রে জানা গেছে, সেচ সুবিধা নিশ্চিতে প্রতিটি গভীর নলকূপে কমিশন ভিত্তিতে একজন অপারেটর নিয়োগ দেওয়া হয়। কৃষকরা প্রি-পেইড সেচ কার্ড নিয়ে অপারেটরদের কাছে গেলে কোনো পানি পান না। ১ ঘণ্টা সেচের জন্য ১২৫ টাকা মূল্যের প্রি-পেইড কার্ড লাগে। অথচ ১ ঘণ্টার জন্য অপারেটরদের দিতে হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা। কোনো কোনো অপারেটরের অধীনে একাধিক নলকূপও থাকে। এমনকি এই কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় এমন লোকজনও ঘুসের বিনিময়ে একাধিক নলকূপ অপারেটর হয়েছেন
    সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, উপজেলায় গভীর নলকূপ রয়েছে বিএমডিএ’র ৫৩৬টি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন ১৬টি মোট ৫৫২টি এবং অগভীর বিদ্যুৎচালিত সেচযন্ত্র রয়েছে ৪১১টি। উপজেলায় আবাদ যোগ্য জমি রয়েছে প্রায় ২৩ হাজার ৯৯৩ হেক্টর। এর মধ্যে সেচের আওতায় জমি রয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৩৩২ হেক্টর। এবিষয়ে জানতে চাইলে বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রশিদ বলেন, গভীর নলকূপের প্রকারভেদে ঘণ্টাপ্রতি ১২৫ থেকে ১৩৫ টাকা সেচ চার্জ ধার্য করা আছে। কোনো অপারেটর এই নিয়ম লঙ্ঘন করে কৃষকের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অপারেটর অন্যায়ভাবে অতিরিক্ত অর্থ চাইলে ভুক্তভোগীরা যেন অভিযোগ দেন-পরামর্শ দেন তিনি।এবিষয়ে অপারেটর রুস্তম আলী বলেন, কৃষকেরা চাইলেই সমিতি হবে, তবে প্রদিপ ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে, তিনি বলেছেন কৃষকেরা তার কাছে গেলে তিনি বিষয়টি দেখবেন। এবিষয়ে অপারেটর হাবিবুর রহমান বলেন, সমিতি করতে হবে এমন কোনো নিয়ম নাই, তার ডিপ নিয়ে সমস্যা হয়েছিল, প্রদিপ ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে।#

  • চবিতে পটুয়াখালী স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্বে তন্ময়-শাহীন

    চবিতে পটুয়াখালী স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্বে তন্ময়-শাহীন

    মোহাম্মদ মুনতাসীর মামুন :
    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত পটুয়াখালী জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘পটুয়াখালী স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়’ এর ২০২৩-২৪ সেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দর্শন বিভাগের ১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী ওয়াহিদ জামান তন্ময় এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী মোঃ শাহীন হোসেন।

    গত ৯ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) ক্যাম্পাসের বোটানিক্যাল গার্ডেন প্রাঙ্গণে- সংগঠনের সদ্য সাবেক সভাপতি মাহমুদুল ইসলাম হামীম এর সভাপতিত্বে এবং সদ্য সাবেক প্রচার সম্পাদক সাকিব মাহমুদ রুমী এবং নবীন সদস্য স্বপ্নীল ফারিহা প্রমি এর যৌথ সঞ্চালনায় ‘নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠান’ অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে সংগঠনের ছাত্র উপদেষ্টা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন সুজন, সাবেক সভাপতি মোঃ আল-মামুন, সাধারণ সম্পাদক এম এইচ অজিউল্লাহ এবং সংগঠনের অন্যান্য শুভাকাঙ্ক্ষীবৃন্দ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের এক অংশে অতিথিবৃন্দ নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করেন।

    এসময় অতিথিদের উপস্থিতিতে নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নিকট দায়িত্ব ও সংবিধান হস্তান্তর করেন বিদায়ী কমিটির সভাপতি মাহমুদুল ইসলাম হামীম এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাঈম ইসলাম।
    নতুন কমিটির সহ-সভাপতি পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন– এস এম তাইমুন ইসলাম, তনিমা জাহান শ্রাবণী, মোহাম্মদ প্রিন্স, আবদুল্লাহ আল মনসুর, মোঃ নাঈম ইসলাম, মৌসুমি আক্তার, ইফফাত আরা মীম এবং আল-হেলাল। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন জাররাহ আহমেদ জিদান এবং তারিকুল ইসলাম।

    নবনির্বাচিত কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন, প্রতিষ্ঠাকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আর আই আবু হানিফ সহ অন্যান্য সাবেক নেতৃবৃন্দ।